২৪ জুন, ২০১৭

হাদীসের প্রথম পাঠ - ১০

লিখেছেন নরসুন্দর মানুষ





শয়তান-সংস্কার-কুসংস্কার

         

          মুহাম্মদ কতটা জ্ঞানী এবং কুসংসংস্কারমুক্ত মানুষ ‍ছিলেন তার পরিচয় মিলবে এ অধ্যায়ে! যে মানুষের দৃষ্টিকে বদ নজর হিসেবে দেখেন, যিনি মনে করেন শয়তান কানের ভেতর মুত্রত্যাগ করে, যে নবী মনে করেন গোবর আর হাঁড় জ্বীন নামের এক কল্পনার প্রাণীর(!) খাদ্য! তাকে যেসব মানুষ অনুকরণীয় মনে করেন, তাদের জন্য একরাশ দুঃখ ছাড়া আমাদের আর করার কী থাকতে পারে! আর হ্যাঁ সন্ধ্যায় কিন্তু বের হবেন না, শয়তান শিকারে থাকেন তখন!



বুখারী-৭-৭১-৬৩৬:   মুহাম্মদ বলেছেন: বদ নজর লাগা সত্য। আর তিনি উলকী আঁকতে (খোদাই করতে) নিষেধ করেছেন।

মুসলিম-২৩-৫০৪৬:  মুহাম্মদ বলেছেন: শয়তান তোমাদের প্রতিটি কাজে উপস্থিত হয়। এমনকি তোমাদের কারো আহারের সময়ও সে উপস্থিত হয়। সুতরাং তোমাদের কারো যদি লোকমা পড়ে যায়, সে যেন লেগে যাওয়া ময়লা দুর করে তা খেয়ে ফেলে। শয়তানের জন্য যেন তা রেখে না দেয়। অতঃপর সস্পূর্ন আহার শেষ করবে। (আহার শেষে) সে যেন তার আঙ্গুল গুলো চেটে খায়। কেননা সে জানে না, তার খাদ্যের কোন অংশে বরকত আছে।


২২ জুন, ২০১৭

নিখুঁত মানুষ!

পাঠিয়েছেন গোলাপ মাহমুদ


§  ছয় বছরের শিশুকে বিবাহ!

§  একদিনে ছয়'শ ইহুদি-কে গলা কেটে খুন!

§  দাস মালিক ও দাস ব্যাপারী!

§  তের জন স্ত্রী, ১১ জন একসঙ্গে!

§  ধর্ষক!

§  অবিশ্বাসীদের নিপীড়ন ও হত্যাকারী!




১৮+ মা কালী ভিডিও!

পাঠিয়েছেন রিপন মন্ডল




১৮+ নগ্ন মা কালী; তবে মা কালী তো উলঙ্গিনীই। ভিডিওর সাইজ মাত্র ১৩ মেগাবাইট! ডাউনলোড করে দেখতে হবে! 

১৪ জুন, ২০১৭

হাস্যকোরান

লিখেছেন : বেহুলার ভেলা




হাস্যকোরান! কোরানের রসালো আয়াত ও কোরান সম্পর্কিত অন্যান্য কিছু মজার বিষয়  নিয়ে একটি সিরিজ লেখার ঘোষণা দিচ্ছি। এটি উৎসর্গ করা হবে প্রিয় ‘ধর্মপচারক’ কে যিনি আমার পথ প্রদর্শক

হাস্যকোরান’ একটি নতুন শব্দ  যা সর্বপ্রথম ব্যবহৃত হলো ধর্মকারীতে।

তার মৃত্যু সংবাদ আমাকে স্বজন হারানোর ব্যথা দিয়েছে…।

লিখেছেন: সুষুপ্ত পাঠক



১৯ মে, ২০১৭।
অকালে চলে গেলেন ধর্মকারী ব্লগের প্রতিষ্ঠাতা ধর্মপচারক।

তার বহুমুখী পরিচয় থাকলেও আমরা তাকে ধর্মকারীর ধর্ম-পচারক হিসেবেই চিনবো। তিনি চাইতেনও সেটা। আপনি হয়ত তার অনুবাদ করা কোন ফিকশন পড়েছেন। কিংবা খবরের কাগজে পড়েছেন তার লেখা। কিন্তু তার সব পরিচয় ছাপিয়ে তিনি ‘একজন ধর্ম প্রচারক’!

মানুষের তো মৃত্যু হবেই। কিন্তু তার সৃষ্টির কোন মৃত্যু নেই। ধর্মকারীর কোন মৃত্যু নেই। ধর্মবাদীদের তাই উল্লসিত হবার কোন কারণ নেই। আরো হাজার কোটি ‘ধর্মপঁচানী’ নিয়ে ধর্মকারী টিকে থাকবে প্রজন্মকে হাতছানি দিতে…।

প্রতি বছর ১৯ মে হতে পারে ‘ধর্মকারী দিবস’। ব্লগ, ফেইসবুক, টুইটারে ধর্মের স্যাটায়ার, ব্যঙ্গ, তামাশা, হাস্যরস প্রচার হতে পারে ধর্মকারী দিবসের প্রতিপ্রাদ্য। মাহমুদুন নবীর স্মৃতির প্রতি এরচেয়ে যথাযথ সন্মান আর হতে পারে না…।

নিনম্র শ্রদ্ধা হে অগ্নিপুত্র…।

ধর্মকারী চলবে, Dhormockery will Continue here

ধর্মপচারক নেই, কিন্তু ধর্মপচারের কর্মযজ্ঞ চলছে।

অতি শীঘ্রই ধর্মকারী আবারও ফিরবে নিজ রূপে।