২২ মার্চ, ২০১৭

কুদরতিক্রিয়া - ১২

লিখেছেন গরিব অল্ফ সিক্কিত মাদেসার হুজুর কুদরত আলি

২৮.
নাস্তেক দের কতা মুনে অইলে ফরে আমার সুদু আসি ফায়। খিক খিক খিক... হি হি হি। নাস্তেক রা কয় দুয়া নিকি হস্ত মিতুন এর মত। যাকে বেবে করা অয়, তার কুনু কামে লাগে না। সুদু যে করে, সেই সুক ফায়। হা হা হা। নাস্তেক দের কতা সইত্য হলি ফরে ত আজিয়া আমরা ইস্তেমার মাডে সবাই মিলি কত বরো হস্তমিতুন করি ফেইল্লাম। সেক হাসিনাও আমাদের সাতে হস্ত মিতুন কইল্লেন। কিন্তু নাস্তেক রা কয়, এইগুলাক নিকি কুনু কামে আহে না! দুয়া যুদি কুনু কামে না আইসত, তাহলে ফিতিবিতে এত এত মানুস দুয়া করে কেন, অরে নাস্তেক?

২৯.
নাস্তেক রা কয়, আসমান বলি নাকি কিসু নাই। নীল যে রং আমরা দেখি, অইটা নাকি আমরার দৃষ্টি সীমা। আসমানের কুন রং নাই। এ জন্যি রাতের আকাশ রে কালো দেখায়। আসমান নাকি আলুর ফ্রতিফলন। মঙ্গল গ্রহের আকাশ নাকি লালচে বা বাদামি! এখন গুগলে সার্চ দিয়া দেখি, গঠনা সত্যি। এখন আমি কিতা করতাম? আমি ত নাস্তেকদের কথায় বিব্রান্ত হই যাইতেছি।

৩০.
আজিয়া মাদেসার মুহতামিম বরো হুজুরের কাস তেকে সেই গাইল কাইসি। হুজুর কয়: 
- হারা রাত জাগি জাগি পেচবুকে কিয়া করেন? পজরের অয়াক্তে টিক মত উডতে ফারেন না। নামাচে সব সুময় লেইট করেন। সকালে মাদেসায় আইসা জিমান। 

আমি কইলাম:
- হুজুর, আমার উপ্রে সয়তানে আসর কইচ্চে। আমি কিয়া করাম? পেচবুকের মুহো আমাকে আসন্ন করি ফেলাইসে। দুইয়াদারি কাম লই আমি বেস্তো অই গেসি। হুজুর, আমার জইন্ন দুয়া করেন আর সয়তানের দুকা তেকে বাছার ফত দিকাই দেন।

হুজুর অনেক্কন সিন্তা কইরা আমার এক্কান তাবিজ দিসেন আর এক গেলাস ফানি ফরা ফু দি কাওয়াসেন। একন আল্লা মালুম, আমি যেনু সয়তানের দুকা ত্তন বাচি সহি চালামতে চইলতে ফারি। সবাই দুয়া কইরবেন...