২৬ জানু, ২০১৭

আল্যা তাদের পক্ষে, তবুও সব ম্যাচে কেন হারে?

সব আলামতই বাংলাস্তানমুখী। একটা সময়ে ফাকিস্তানী ক্রিকেট দলের ক্রিকেট মাঠে নামাজ পড়া নিয়ে হাসাহাসি করেছি।

(পূর্ণাকারে দেখতে ছবির ওপরে ক্লিক করতে হবে)

এখন দেশী ক্রিকেটাররাও সেই রাহে অনুসরণ করছে। নিউজিল্যান্ড সফরের সময় অধিনায়ক মুশফিক তাঁর ফেসবুকে এই ছবিটি প্রকাশ করে লিখেছিলেন, 'আপনি কোথায় আছেন সেটি কোনও বিষয় না। সবার আগে নামাজ। সবাই আমাদের জন্য দোয়া করবেন।' এছাড়া মাহমুদুল্লাহ সেখানকার স্থানীয় একটি মসজিদে জুম্মার নামাজে ইমামতিও করেছেন।

(পূর্ণাকারে দেখতে ছবির ওপরে ক্লিক করতে হবে)

তো নিউজিল্যান্ডে সব ম্যাচে হারার পরে কী প্রমাণিত হলো শেষমেশ? রহমান পৃথু এ বিষয়ে লিখেছেন:
সদ্য সমাপ্ত নিউজিল্যান্ড সফরে বাংলাদেশ ক্রিকেট টিমের সর্বনাশ করেছে ... নামাজ। প্রার্থনা নিজ কর্মক্ষমতার ওপর অনাস্থা তৈরি করে।
প্রমাণিত হয়েছে - নামাজ ব্যর্থতার চাবি। নামাজে কাজ হয় না। আল্লাহ বলে কেউ নেই। 
নিউজিল্যান্ডের মাঠে দল বেঁধে নামাজ পড়তে দেখে বাংলাদেশের ক্রিকেট টিমের ওপর থেকে মন উঠে গেছে।
আর "গরিব অল্ফ সিক্কিত মাদেসার হুজুর" কুদরত আলি নিয়ে এসেছেন সময়োপযোগী একটি প্রস্তাব:
টিকেট কেলাকে সুন্নতি কেলা গুসনা করা একনই সময়ের দাবি। টিকেট কেলায় ফ্রতিটি কেলয়ার সুন্নতি ফুসাক ফরিদান করে। তাদের আডু দেকা যায় না। কেলুয়ারদের মাতায় সবসুময় সুন্নতি টুফি ফরিদান করা তাকে। ফ্রতিটি টিকেট কেলুয়ার একন দারি রাকে। এই যেমুন সাকিব, শুভ, বিরাত কুলি, যুবরাজ, পান্দে, আফ্রিদি, মিচবাহসহ অনেক টিকেটার সুন্নতি দারি রেকেসে। টিকেটারদের সরিলের মুক সারা আর কুনু অংগ দিকা যায় না। কেলার ফাশাফাসি তারা মাডে নামাজও আদায় করে। যে কেলায় এমুন সুন্নতি টুফি, দারি, নামাজসহ আডু ডাকা ফুশাক আচে, সেই কেলাকে কেনু সুন্নতি কেলা হিসাবে গুসনা করা হবি না?
জোর কদমে বাস্তবায়িত হচ্ছে মদিনা সনদ।