২৪ জুন, ২০১৭

হাদীসের প্রথম পাঠ - ১০

লিখেছেন নরসুন্দর মানুষ





শয়তান-সংস্কার-কুসংস্কার

         

          মুহাম্মদ কতটা জ্ঞানী এবং কুসংসংস্কারমুক্ত মানুষ ‍ছিলেন তার পরিচয় মিলবে এ অধ্যায়ে! যে মানুষের দৃষ্টিকে বদ নজর হিসেবে দেখেন, যিনি মনে করেন শয়তান কানের ভেতর মুত্রত্যাগ করে, যে নবী মনে করেন গোবর আর হাঁড় জ্বীন নামের এক কল্পনার প্রাণীর(!) খাদ্য! তাকে যেসব মানুষ অনুকরণীয় মনে করেন, তাদের জন্য একরাশ দুঃখ ছাড়া আমাদের আর করার কী থাকতে পারে! আর হ্যাঁ সন্ধ্যায় কিন্তু বের হবেন না, শয়তান শিকারে থাকেন তখন!



বুখারী-৭-৭১-৬৩৬:   মুহাম্মদ বলেছেন: বদ নজর লাগা সত্য। আর তিনি উলকী আঁকতে (খোদাই করতে) নিষেধ করেছেন।

মুসলিম-২৩-৫০৪৬:  মুহাম্মদ বলেছেন: শয়তান তোমাদের প্রতিটি কাজে উপস্থিত হয়। এমনকি তোমাদের কারো আহারের সময়ও সে উপস্থিত হয়। সুতরাং তোমাদের কারো যদি লোকমা পড়ে যায়, সে যেন লেগে যাওয়া ময়লা দুর করে তা খেয়ে ফেলে। শয়তানের জন্য যেন তা রেখে না দেয়। অতঃপর সস্পূর্ন আহার শেষ করবে। (আহার শেষে) সে যেন তার আঙ্গুল গুলো চেটে খায়। কেননা সে জানে না, তার খাদ্যের কোন অংশে বরকত আছে।


২২ জুন, ২০১৭

নিখুঁত মানুষ!

পাঠিয়েছেন গোলাপ মাহমুদ


§  ছয় বছরের শিশুকে বিবাহ!

§  একদিনে ছয়'শ ইহুদি-কে গলা কেটে খুন!

§  দাস মালিক ও দাস ব্যাপারী!

§  তের জন স্ত্রী, ১১ জন একসঙ্গে!

§  ধর্ষক!

§  অবিশ্বাসীদের নিপীড়ন ও হত্যাকারী!




১৮+ মা কালী ভিডিও!

পাঠিয়েছেন রিপন মন্ডল




১৮+ নগ্ন মা কালী; তবে মা কালী তো উলঙ্গিনীই। ভিডিওর সাইজ মাত্র ১৩ মেগাবাইট! ডাউনলোড করে দেখতে হবে! 

১৪ জুন, ২০১৭

হাস্যকোরান

লিখেছেন : বেহুলার ভেলা




হাস্যকোরান! কোরানের রসালো আয়াত ও কোরান সম্পর্কিত অন্যান্য কিছু মজার বিষয়  নিয়ে একটি সিরিজ লেখার ঘোষণা দিচ্ছি। এটি উৎসর্গ করা হবে প্রিয় ‘ধর্মপচারক’ কে যিনি আমার পথ প্রদর্শক

হাস্যকোরান’ একটি নতুন শব্দ  যা সর্বপ্রথম ব্যবহৃত হলো ধর্মকারীতে।

তার মৃত্যু সংবাদ আমাকে স্বজন হারানোর ব্যথা দিয়েছে…।

লিখেছেন: সুষুপ্ত পাঠক



১৯ মে, ২০১৭।
অকালে চলে গেলেন ধর্মকারী ব্লগের প্রতিষ্ঠাতা ধর্মপচারক।

তার বহুমুখী পরিচয় থাকলেও আমরা তাকে ধর্মকারীর ধর্ম-পচারক হিসেবেই চিনবো। তিনি চাইতেনও সেটা। আপনি হয়ত তার অনুবাদ করা কোন ফিকশন পড়েছেন। কিংবা খবরের কাগজে পড়েছেন তার লেখা। কিন্তু তার সব পরিচয় ছাপিয়ে তিনি ‘একজন ধর্ম প্রচারক’!

মানুষের তো মৃত্যু হবেই। কিন্তু তার সৃষ্টির কোন মৃত্যু নেই। ধর্মকারীর কোন মৃত্যু নেই। ধর্মবাদীদের তাই উল্লসিত হবার কোন কারণ নেই। আরো হাজার কোটি ‘ধর্মপঁচানী’ নিয়ে ধর্মকারী টিকে থাকবে প্রজন্মকে হাতছানি দিতে…।

প্রতি বছর ১৯ মে হতে পারে ‘ধর্মকারী দিবস’। ব্লগ, ফেইসবুক, টুইটারে ধর্মের স্যাটায়ার, ব্যঙ্গ, তামাশা, হাস্যরস প্রচার হতে পারে ধর্মকারী দিবসের প্রতিপ্রাদ্য। মাহমুদুন নবীর স্মৃতির প্রতি এরচেয়ে যথাযথ সন্মান আর হতে পারে না…।

নিনম্র শ্রদ্ধা হে অগ্নিপুত্র…।

ধর্মকারী চলবে, Dhormockery will Continue here

ধর্মপচারক নেই, কিন্তু ধর্মপচারের কর্মযজ্ঞ চলছে।

অতি শীঘ্রই ধর্মকারী আবারও ফিরবে নিজ রূপে।


১৬ মে, ২০১৭

সৌদি আরব কি ইসলামী সন্ত্রাসীদের পক্ষে না বিপক্ষে? - ৪

মূল: খালেদ ওলীদ
অনুবাদ: আবুল কাশেম

[ভূমিকা: ডিসেম্বর ও ফেব্রুয়ারি মাসে খালেদ ওলিদের ইসলাম পরিত্যাগের জবানবন্দির ও সৌদি নারীদের অবস্থা অনুবাদ করেছিলাম। তখন লিখেছিলাম, খালেদ আমাকে অনেক ই-মেইলে সৌদি আরাবের ইসলাম সম্পর্কে লিখেছিল। এখানে আমি তার আর একটি লেখা অনুবাদ করে দিলাম। উল্লেখযোগ্য যে, খালেদের এই লেখাটি একটা বইতে প্রকাশ হয়েছে। বইটার টাইটেল হলো: Why We Left Islam. - আবুল কাশেম, এপ্রিল ৪, ২০১০]


সৌদি বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে কী হচ্ছে?

এ পর্যন্ত আমি যা লিখেছি, তা হলো সৌদি বিদ্যালয়সমূহে কী হচ্ছে, তার এক সংক্ষিপ্ত বর্ণনা। নিরাশার কথা হলো, সৌদি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোও ঐ ভয়ংকর ইসলামী প্রভাব থেকে মুক্ত নয়। সৌদি আরবের সমস্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের জন্যে ধর্মীয় শিক্ষা একেবারে বাধ্যকতামূলক। এই সব বিষয় না সম্পন্ন করলে কোনো ছাত্রই বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিগ্রি পাবে না। সঙ্গত কারণেই বিশ্ববিদ্যালয়ের ধর্মীয় শিক্ষা বিদ্যালয়ের মত ততটা ব্যাপক নয়। যাই হোক, বিদ্যালয়ের ছাত্রদের মতই তাদেরকে ধর্মীয় বিভাগের অপরিসীম উৎপীড়ন সহ্য করতে হয়। প্রত্যেক বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রকে ন্যূনতম চারটি ইসলামী সংস্কৃতি বিষয় পড়তে হবে। এ ছাড়াও যারা ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র, তাদেরকে পারদর্শীতা দেখাতে হবে ন্যূনতম এক জুজের কোরআন। এখানে বলা নিতান্তই নিষ্প্রয়োজন যে, বিদ্যালয় জীবনে যে নির্বোধ ও জড়বুদ্ধিপ্রসূত ইসলামী অত্যাচার শুরু হয়েছিল, তা বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত গড়িয়ে পড়েছে, শুধু একমাত্র উদ্দেশ্যেই - আর তা হলো, অমানবিক ইসলামকে বাঁচিয়ে রাখার জন্যে।

কয়েক বছর আগে রিয়াদে অবস্থিত মুহাম্মদ বিন সাদ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের আদেশ দেয়া হলো যে, তাদের ফজরের (প্রভাত) নামায পড়তে হবে বিশ্ববিদ্যালয়ের মসজিদের জামাতে (দলবদ্ধভাবে)। কোনো ছাত্রই তার কক্ষে প্রভাতের নামায পড়তে পারবে না। এর অর্থ হলো, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রত্যেক ছাত্রকে প্রত্যুষে উঠেই বিশ্ববিদ্যালয়ের মসজিদের দিকে রওয়ানা হতে হবে। এই অসহ্য ব্যবস্থা আইন অনুযায়ী পরিচালিত করার জন্যে মসজিদের ইমামকে ছাত্রদের হাজিরা নেবার ক্ষমতা দেয়া হলো। কিন্তু হাজিরা নেওয়া হবে নামাযের পর - নামাযের আগে নয়। কোনো ছাত্র যদি কোনো ভাল কারণ ছাড়া পরপর তিন দিন অনুপস্থিত থাকে, তবে তাকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রাবাসে বাস করার সুবিধা থেকে বঞ্চিত করা হবে। কিছু সময়ের পর এই ব্যবস্থা উঠিয়ে নেওয়া হোল। এটা ধর্মীয় লোকদের কোনো অনুকম্পার জন্যে নয়। দেখা গেল যে, ঐ কঠোর নিয়ম চালু করার সাথে সাথে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রাবাস প্রায় শূন্য হয়ে যায়। এই অবস্থা এমন চরম পর্যায়ে চলে গেল যে, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বাধ্য হলো ছাত্রাবাস বন্ধ করে দিতে। এখন অবস্থা এমন পর্যায়ে যে, কয়েকটি ছোট বিশ্ববিদ্যালয় ব্যতীত সব বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রাবাসগুলো বন্ধ পড়ে আছে।

কিন্তু এতে ওহাবিদের কী ই বা আসে যায়। এরা অনেক স্থানেই প্রচুর প্রভাবশালী এবং যা চাচ্ছে তা ই পাচ্ছে। তারা সৌদি আরবের সর্বত্র পুরুষ এবং মহিলাদের জন্যে ইসলামী মহাবিদ্যালয় (কলেজ) ও ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন করতে বদ্ধপরিকর। মদিনা বিশ্ববিদ্যালয়ের একটা শাখায় নিয়ম করা হয়েছে যে, ছাত্রদেরকে আইনানুগ লিখিত দলিলে সই করতে হবে যে, যতদিন তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র থাকবে, ততদিন তারা তাদের দাড়ি ছাঁটতে পারবে না। কোনো ছাত্র যদি ঐ আইনের ধারা লঙ্ঘন করে, তবে বিশ্ববিদ্যালয় তাকে বহিষ্কারের অধিকার রাখবে। এই সব অদ্ভুত এবং জড়বুদ্ধিসম্পন্ন নিয়ম ছাড়াও নিয়ম আছে যে, কোনো ছাত্র কাফেরদের পোশাক পরতে পারবে না। তার মানে হচ্ছে, ছাত্ররা জিনস্‌ অথবা টি শার্ট পরতে পারবে না। কোনো ছাত্র যদি ঐ ধরনের কোন পোশাক পরে ক্লাসে যায়, তবে তাকে সেই ক্লাস থেকে বহিষ্কার করা যাবে।

পাঠকরা লক্ষ্য করুন যে, কয়েক বছর আগে, আমি যেই ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (মুহাম্মদ সাদ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়) কথা লিখলাম, সেখানের এক পোস্টগ্রাজুয়েট ছাত্র পি.এইচ.ডি পেল। তার গবেষণার বিষয় ছিল আরব বিশ্বের একশত পণ্ডিত ও চিন্তাবিদদের কাফেরী করা। এই পি.এইচ.ডি ধারণকারীর মতে অনেক মুসলমান যারা সাংবাদিক, অভিনেতা, গায়ক ও যেসব মুসলমান, যারা নিজেদেরকে মধ্যপন্থী (মডারেট) বলে পরিচয় দেয়, তারা হচ্ছে কাফের। এদের একমাত্র সাজা হচ্ছে মৃত্যুদণ্ড।

সৌদি আরবে নারীশিক্ষার কী হচ্ছে?

এতক্ষণ আমি সৌদি ছেলেদের লেখাপড়ার ব্যাপারে লিখলাম। এই পড়ে আপনারা যদি কাতর হয়ে যান, তবে চিন্তা করুন এখানকার নারীদের শিক্ষার নামে কী হচ্ছে। সভ্য বিশ্বের কাছে এ তো কল্পনারও বাইরে যে, আমাদের দেশের মেয়েরা কী সীমাহীন ধর্মীয় যন্ত্রণার শিকার। আপনারা কেউ বিশ্বাস করবেন না, আমাদের দেশের ছাত্রীরা কী পরিমানে লাঞ্ছিত হচ্ছে ধর্মীয় গুরুদের দ্বারা। ঐ আরব মেয়েদের দুরবস্থার কথা লেখার ভাষা আমার নেই। তবুও এখানে আমি কয়েকটা উদাহরণ দিলাম, যা থেকে আপনারে জানতে পারবেন কীভাবে আমাদের দেশের ছাত্রীদেরকে আমাদের ধর্ম দফতর নিয়মিতভাবে হয়রানি করে বেড়ায়।

⬛ ধর্ম দফতরের ক্ষমতা আছে কোনো নোটিশ কিংবা কোনো অনুমতি ছাড়াই যে কোনো সময় যে কোনো ছাত্রীর বাসস্থল (হোস্টেল কক্ষ) পরীক্ষা করতে পারে। কর্তৃপক্ষের ক্ষমতা আছে কোনো ছাত্রীর কক্ষের টেলিভিশন, সাময়িক পত্রিকা, মুঠোফোন বাজেয়াপ্ত করার।

⬛ ছাত্রীরা বাধ্য হয় তাদের ব্যবহারের জন্য দৈনিক জিনিসপত্র লুকিয়ে রাখতে। এ না করলে তারা ধর্মদফতরের শকুনি দৃষ্টি এড়াতে পারবে না। কারণ হচ্ছে যে, হয়তো ধর্ম-পুলিশ ঐ সব ব্যবহারের দ্রব্য পছন্দ করে না।

⬛ কোনোক্রমেই মেয়েরা ছাত্রীআবাসের বাইরে যেতে পারবে না। তাদেরকে তাদের নিজস্ব কক্ষে সর্বদা বন্দিনীর জীবনযাপন করতে হবে। একমাত্র মেয়ের মাহ্‌রম অথবা মেয়ের মালিকই অথবা মেয়ের বিশ্ববিদ্যালয়ের অভিভাবক মেয়েকে ছাত্রীআবাসের বাইরে নিতে পারবে।

⬛ যেসব মেয়েরা দূরবর্তী অঞ্চল থেকে আসে এবং যাদের মাহ্‌রম মেয়েদের ব্যাপারে উদাসীন সেসব মেয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্পূর্ণ খোলা সময় পর্যন্ত ছাত্রীআবাসের কক্ষে থাকতে হবে। অর্থাৎ মধ্যবর্তীকালীন ছুটির সময়েও ঐ মেয়েরা হোস্টেলের বাইরে যেতে পারবে না। এটা তো মনে হয় যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের সামিল। এই মেয়েদের জীবন একটা চক্রের মত—বাসে ওঠা, ক্লাসে বসা, বাসে করে হোস্টেলে ফিরে আসা, খাওয়া ও ঘুমানো। ওদের কিছুর প্রয়োজন হলে ওরা টাকা দিয়ে দেয় তার জন্যে নির্ধারিত মাহ্‌রমের হাতে। মাহ্‌রম যা আনবে তা ই গ্রহণ করতে হবে। এই মেয়েদের জীবন সম্পূর্ণভাবে নির্ভর করে তাদের হোস্টেলের মাহ্‌রমের ওপর।

⬛ অন্তবর্তীকালীন ছুটির সময় এই সব মেয়েদের তাদের জন্যে নির্ধারিত বাসে চড়তে হবে। বাস যখন গন্তব্যস্থলে পৌঁছবে, মেয়েটি কোনোক্রমেই একলা পায়ে হেঁটে তার বাড়িতে যেতে পারবে না। তাকে অপেক্ষা করতে হবে, যতক্ষণ না তার মাহ্‌রম বাস স্ট্যান্ডে এসে তাকে নিয়ে বাড়িতে যায়। মেয়েদের প্রতি এই সীমাহীন দুর্গতি চাপিয়ে দেয়া হয় একমাত্র কারণে—যেন মেয়েটি কোনোক্রমেই কোনো পরপুরুষের সাথে কথা বলতে অথবা দেখা করতে না পারে।

তবে আশ্চর্যের ব্যাপার হচ্ছে যে, উচ্চশিক্ষার জন্য প্রত্যেক উচ্চশিক্ষার্থী সৌদিরা চায় বিদেশে পাড়ি দিতে। তারা চায়, যে কোনো প্রকারে হোক তাদেরকে সৌদি আরব থেকে বের হতে হবে। তবে বিদেশে যাবার আগে এই শিক্ষার্থীদেরকে দুই সপ্তাহের এক পরিচিতি অনুষ্ঠানে যোগ দিতে হয়। এর উদ্দেশ্য হচ্ছে, কেমন করে ওরা কাফেরদের নৈতিক কলুষতা থেকে নিজেদের রক্ষা করবে। এই পরিচিতি অনুষ্ঠান সাধারণত আয়োজন করে থাকে, যেই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তাদেরকে বিদেশে পাঠানো হচ্ছে। এই পরিচিতি অনুষ্ঠানে এই সব ব্যাপারে অনুশীলন দেওয়া হয়:

আমরা দার্মিকরা ত এমনই

১৫ মে, ২০১৭

হাদীসের প্রথম পাঠ - ০৮

লিখেছেন নরসুন্দর মানুষ


যৌনতার খেরোখাতা

মুহাম্মদ ছিলেন যৌনকাতর মানুষ! অদ্ভুত আচরণে মুহাম্মদ তার যৌনতাকে ভোগ করতেন। আগের অধ্যায়ে আমরা তার কিছু পরিচয় পেয়েছি, বাকীটুকু এ অধ্যায়ে বুঝতে পারবো অবশ্যই।
বুখারী-১-৪-১৪৩: মুহাম্মদ বলেছেন: তোমাদের কেউ তাঁর স্ত্রীর সাথে মিলনের পূর্বে যদি বল, (আল্লাহর নামে আরম্ভ করছি, আল্লাহ! তুমি আমাদেরকে শয়তান থেকে দূরে রাখো এবং যা আমাদেরকে দান করবে তাকেও শয়তান থেকে দূরে রাখো)- তারপর (এ মিলনের দ্বারা) তাদের কিসমতে কোন সন্তান থাকলে শয়তান তার কোন ক্ষতি করতে পারবে না।
মুসলিম-০২-৫৬৬: একবার এক ব্যক্তি আয়েশা-এর মেহমান হল। অতঃপর সকালে সে তার কাপড় ধুতে লাগল। তখন আয়েশা বললেন, তুমি যদি (কাপড়ে) তা (বীর্য) দেখতে পাও তবে তোমার জন্য শুধু সে জায়গাটা ধুয়ে ফেলাই যথেষ্ট হবে। আর যদি তা না দেখ তবে তার আশে পাশে পানি ছিটিয়ে দিবে। আমিতো রাসুলুল্লাহ-এর কাপড় থেকে তা নখ দিয়ে ভাল করে আচড়ে ফেলতাম। অতঃপর তিনি তা পরে সালাত আদায় করতেন।
বুখারী-১-৫-২৮০: আবু তালহার স্ত্রী উম্মে সুলায়ম মুহাম্মদ-এর খিদমতে এসে বললেন: ইয়া রাসূলুল্লাহ্! আল্লাহ্ তাআলা হকের ব্যাপারে লজ্জা করেন না। স্ত্রীলোকের ইহ্‌তিলাম (স্বপ্নদোষ) হলে কি গোসল ফরয হবে? মুহাম্মদ বললেন: হ্যাঁ, যদি তারা বীর্য দেখে।
বুখারী-১-৫-২৯০: মুহাম্মদ বলেছেন: যখন কোনো পুরুষ স্ত্রীর সঙ্গে যৌন সঙ্গম করবে; ফরজ গোসল করা জরুরী।
বুখারী-৮-৭৪-৩১২: মুহাম্মদ বলেছেন: মানুষের জন্য পাঁচটি স্বাভাবিক নিয়ম; খাতনা করা, নাভির নীচের পশম কামানো, বগলের পশম উপড়ানো, গোঁফ কাটা এবং (অতিরিক্ত) নখ কাটা।
মুসলিম-৩৭-৬৬৭৬: মুহাম্মদ-এর উম্মে ওয়ালাদের (প্রভূর সন্তান জন্মানো দাসী, এক্ষেত্রে ‘মারিয়া কিবতিয়া’) সাথে এক ব্যক্তির প্রতি অভিযোগ উত্থাপিত হয়। তখন মুহাম্মদ, আলী-কে বললেন: যাও; তার গর্দান উড়িয়ে দাও। আলী তার নিকট গিয়ে দেখলেন, সে কুপের মধ্যে শরীর শীতল করছে। আলী তাকে বললেন: বেরিয়ে আসো। সে আলী-এর দিকে হাত বাড়িয়ে দিল। তিনি তাকে বের করলেন এবং দেখলেন, তার পূরুষাঙ্গ সমূলে কর্তিত, তার লিঙ্গ নেই। তখন আলী তাকে হত্যা করা থেকে বিরত থাকলেন। তারপর তিনি মুহাম্মদ-এর নিকট এসে বললেন, ইয়া রাসুলুল্লাহ! সে তো লিঙ্গ কর্তিত-তার তো লিঙ্গ নেই।
মুসলিম-০৩-৬৮৪: মুহাজির ও আনসারদের একটি দল এ ব্যাপারে মতবিরোধ করল। আনসারগণ বলল: সবেগে অথবা স্বাভাবিক গতিতে নির্গত পানি (বীর্য) বের হওয়া ছাড়া গোসল ফরয হয় না। আর মুহাজিরগণ বলল: স্ত্রীর সঙ্গে শুধু মিললেই গোসল ফরয (বীর্য বের হোক বা না হোক)। আবু মুসা বললেন: আমি এ ব্যাপারে তোমাদেরকে শান্ত করছি। এরপর আমি উঠে গিয়ে আয়েশা-এর কাছে (প্রবেশের) অনুমতি চাইলাম। আমাকে অনুমতি দেয়া হলো। আমি তাকে বললাম, মা! অথবা (তিনি বলেছিলেন) হে মুমিনদের মা! আমি আপনার কাছে একটি বিষয়ে জিজ্ঞাসা করতে চাই কিন্তু আমি লজ্জাবোধ করছি। তিনি বললেন, তুমি তোমার গর্ভধারিনী মাকে যে ব্যাপারে প্রশ্ন করতে পারতে সে ব্যাপারে আমাকে প্রশ্ন করতে লজ্জাবোধ করো না। আমি তো তোমার মা। আমি বললাম, গোসল কিসে ফরয হয়? তিনি বললেন, জানা-শোনা লোকের কাছে তুমি প্রশ্ন করেছ। রাসুলুল্লাহ বলেছেন, যখন কোন পুরুষ স্ত্রীর চার হাত-পায়ের মাঝখানে বসবে এবং একের লজ্জাস্থান অপরের লজ্জা স্থানের সাথে স্পর্শ করবে তখন গোসল ফরয হবে।
বুখারী-৭-৬২-১৩৭: আমরা যুদ্ধকালীন সময় গনীমত হিসেবে কিছু দাসী পেয়েছিলাম। আমরা তাদের সাথে আযল করতাম। এরপর আমরা এ সম্পর্কে রাসুলুল্লাহ্-এর কাছে জিজ্ঞেস করলাম। তিনি উত্তরে বললেন: আরে! তোমার কি এমন কাজও করো? একই প্রশ্ন তিনি তিনবার করলেন এবং পরে বললেন, কিয়ামত পর্যন্ত যে রূহ পয়দা হবার, তা অবশ্যই পয়দা হবে।
বুখারী-৩-৪৮-৮১৭: মুহাম্মদ অবিবাহিত ব্যভিচারী সম্পর্কে একশ বেত্রাঘাত এবং এক বছরের নির্বাসনের নির্দেশ দিয়েছেন।
বুখারী-৩-৪৯-৮৬০: এক বেদুঈন এসে বলল, ‘ইয়া রাসুলুল্লাহ! আল্লাহর কিতাব মোতাবেক আমাদের মাঝে ফয়সালা করে দিন।’ তখন তাঁর প্রতিপক্ষ দাঁড়িয়ে বলল, ‘সে ঠিকই বলেছে, হ্যাঁ, আপনি আমাদের মাঝে কিতাবুল্লাহ মোতাবেক ফয়সালা করুন।’ পরে বেদুঈন বলল, ‘আমার ছেলে এ লোকের বাড়ীতে মজুর ছিল। তারপর তার স্ত্রীর সাথে সে যিনা করে।’ লোকেরা আমাকে বলল, ‘তোমার ছেলের উপর রাজম (পাথর মেরে হত্যা) ওয়াজিব হয়েছে।’ তখন আমি আমার ছেলেকে একশ বকরী এবং একটি বাদীর বিনিময়ে এর কাছ থেকে মুক্ত করে এনেছি। পরে আমি আলিমদের কাছে জিজ্ঞাসা করলে তারা বললেন, ‘তোমার ছেলের উপর একশ বেত্রাঘাত এবং এক বছরের নির্বাসন ওয়াজিব হয়েছে। সব শুনে মুহাম্মদ বললেন, ‘আমি তোমাদের মাঝে কিতাবুল্লাহ মোতাবেকই ফয়সালা করব।  বাদী এবং বকরীপাল তোমাকে ফেরত দেওয়া হবে, আর তোমার ছেলেকে একশ বেত্রাঘাত সহ এক বছরের নির্বাসন দেওয়া হবে।’ আর অপরজনকে বললেন, ‘হে উনাইস, তুমি আগামীকাল সকালে এ লোকের স্ত্রীর কাছে যাবে এবং তাকে রাজম করবে।’ উনাইস তার কাছে গেলেন এবং তাকে রাজম করলেন।
মুহাম্মদ কেবল একজন মানুষ ছিলেন, এটা প্রমাণ করার জন্য নিচের হাদীসই যথেষ্ট, যেখানে প্রকৃতির খেয়ালে জন্মানো একজন তৃতীয় লিঙ্গের মানুষের মুহাম্মদের কাছ থেকে বেশী মনোযোগ এবং ভালবাসা পাবার কথা ছিলো; তার বদলে তিনি তাদের গলাধাক্কা দিয়ে বের করে দিতেন! হায় রে প্রেমের নবী!
বুখারী-৭-৭২-৭৭৪: মুহাম্মদ, পুরুষ হিজড়াদের উপর এবং পুরুষের বেশ ধারণকারী মহিলাদের উপর লানত করেছেন। তিনি বলেছেন: ওদেরকে ঘর থেকে বের করে দাও। ইবনে আব্বাস বলেছেন: নবী অমুককে ঘর থেকে বের করেছেন এবং উমর অমুককে বের করে দিয়েছেন।
নারী শরীরের ভালোলাগা বলে কিছু নেই মুহাম্মদের দৃষ্টিতে, কেবল কাম আর কাজের বস্তু হচ্ছে নারী!
বুখারী-৪-৫৪-৪৬০: মুহাম্মদ বলেছেন: কোন ব্যক্তি যদি স্বীয় স্ত্রীকে নিজ বিছানায় আসতে ডাকেন আর সে অস্বীকার করে এবং সে ব্যক্তি স্ত্রীর উপর ক্ষোভ নিয়ে রাত যাপন করে, তবে ফিরিশতাগণ এমন স্ত্রীর উপর ভোর পর্যন্ত লানত দিতে থাকে।
মুসলিম-০৮-৩৩৬৫: মুহাম্মদ বলেছেন: স্বামী ইচ্ছে করলে উপুড় করে, ইচ্ছা করলে উপুড় না করে, তবে তা একই দ্বারে (যোনী) হতে হবে।
মুসলিম-০৮-৩৪৩২: মুহাম্মদ হুনায়নের যুদ্ধের সময় একটি দল আওতাসের দিকে পাঠান। তারা শক্রদলের মুখোমুখি হয়েও তাদের সাথে যুদ্ধ করে জয়লাভ করে এবং তাদের অনেক কয়েদী তাদের হস্তগত হয়। এদের মধ্য থেকে দাসীদের সাথে সহবাস করা রাসুলুল্লাহ-এর কয়েকজন সাহাবী যেন না জায়িয মনে করলেন, তাদের মুশরিক স্বামী বর্তমান থাকার কারণে। আল্লাহ তায়ালা এ আয়াত অবতীর্ণ করেন: ‘নারীদের মধ্যে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ নারীগণও তোমাদের জন্য নিষিদ্ধ, কিন্তু তোমাদের অধিকারভুক্ত দাসীদের বাদে (৪:২৪)’, অর্থাৎ তারা তোমাদের জন্য হালাল, যখন তারা তাদের ইদ্দত (মাসিকচক্র) পূর্ন করে নিবে।
(চলবে)

ইছলামে নারীকে বিশেষ মর্যাদা

কুদরতিক্রিয়া - ২০

লিখেছেন গরিব অল্ফ সিক্কিত মাদেসার হুজুর কুদরত আলি

৪৮.
শবেবরাতের রাইতে নামাজ ফইত্তে ফইত্তে ফায়ের গিরাগুরা ফুলাই ফেইলসি। কফালের সামরা উডি গেসে মনে কয়। কিনতু সেইডা বিসয় না। বিসয় হইল গি - নামাজ সেসে মজ্জিদ তে বাহির হই দেকি, আমার জুতা নাই। আল্লা, আমার কফালে এমুন বাজেটের রাইত রাকসিলা! সকালে উডেই আবার ফকেট তে টেকা করস করি নয়া জুতা কিনতি হইল! আমিন।

৪৯.
নাস্তেক রা ফ্রশ্ন করি করি আমারে বিবরান্ত করি ফেলে। কয়:
- হুজুর, আপনেগের নবিজি মাছির এক ডানায় জিবানু আর এক ডানায় ফ্রতিশেদক আবিসকার করি দি গেসেন, অতস সাফের বিশের কুনু প্রতিশেদক কেন দি গেলেন না। নবিজি বলাসেন, মাছির এক ডানা দুদে ডুবি গেলে অফর ডানাও ডুবিয়ে দাও তাহইলে জিবানু কাট হই যাইবে। হুজুর, তা হলি ফরে নবিজি এরুম কিসু সাফে কামরের রুগির জইন্ন বলি গেলেন না কেন? তিনি ত বইলতে ফাইত্তেন যে সাফে একবার কামুর দিলে সেই সাফ কে দি আবার কামুর দেওয়াও, তাতে বিসে বিস দংস হই যাইবে? নবিজির সর্ব রুগের ওশুদ কালিজিরাও কেন সাফের বিস বালা কইত্তে ফারে না?

আর প্লেগ (ইন্দুরের কামুরের রুগ) রুগি দের কেন শহিদের মর্যাদা দিলেন? নবিজি কি ফাইত্তেন না ফ্লেগ রুগির চিকিতসা পদ্দতি বলি দিতে? ফ্লেগ রুগির চিকিতসা ফদ্দতি বইলতে না ফারি তিনি সালাকি করি বলি দিলেন যে, যারা ফ্লেগ রুগে আকরান্ত হই মারা যাইবে, তারা শহিদের মরযাদা লাব কইরবে। তাসাড়া বত্তমানে একন ত ফ্লেগ রুগির সংকা একদম ই নাই বইল্লেই সলে। তাহলে বত্তমান ফ্রজন্ম ত ফ্লেগ রুগে আকরান্ত হই শহিদ হয়া তেকে বনসিত হল।

একন বত্তমানে ত কেনসার রুগে মানুস আকরান্ত হই বেশি কসট করি মারা যায়। তাহলে নবিজি কেনসার রুগিদের জইন্ন কুনু ভবিসসত বানি কেন কইল্লেন না, যাতে তারা শহিদের মরযাদা ফায়? তাহলি ফরি কি গডনা এমুন দাড়াসসে
না যে, নবিজির আমলে ফ্লেগ রুগের কুনু চিকিতসা সিল না আর নবিজিও ফ্লেগ নিরাময়ে কুনু সমাদান দিতি না ফারি গডনা ফাশ কাডিয়ে যাওয়ার জইন্ন তাদের শহিদের মরযাদা দি দিলেন?

হায় আল্লা, নাস্তেক দের এমুন ফ্রস্নে আমি বিবরান্ত হই যাইতেসি, আমাক তমি নাস্তেকদের আত তেকে রক্কা কর মাবুদ!

৫০.
আল্লা, তুমি ইন্দুদের বানাইসিলা কুন দুক্কে?

নিত্য নবীরে স্মরি – ২৮৫

১৪ মে, ২০১৭

চিঠি-হুমকি - ৮: হিরাক্লিয়াসের আকুতি ও বানু কুরাইজার আর্তনাদ!: কুরানে বিগ্যান (পর্ব-১৬৯): ত্রাস, হত্যা ও হামলার আদেশ – একশত তেতাল্লিশ

লিখেছেন গোলাপ

(আগের পর্বগুলোর সূচী এখানে)

"যে মুহাম্মদ (সাঃ) কে জানে সে ইসলাম জানে, যে তাঁকে জানে না সে ইসলাম জানে না।"

স্বঘোষিত আখেরি নবী হযরত মুহাম্মদের (সাঃ) চিঠি হুমকিটি পাওয়ার পর রোমান সম্রাট হিরাক্লিয়াস মুহাম্মদকে নবী হিসাবে মেনে নিয়ে তাঁর বশ্যতা স্বীকার করে নেয়ার জন্য তার সকল সামরিক জেনারেল, উচ্চ-পদস্থ ব্যক্তিবর্গ ও জনগণদের যে আহ্বান জানিয়েছিলেন, তা কীভাবে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছিল;  পারস্য সম্রাট খসরু পারভেজের সঙ্গে সুদীর্ঘ ১৮ বছর ব্যাপী (৬১০-৬২৮ খ্রিস্টাব্দ) রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে বিজয় অর্জন শেষে সিরিয়া ভূখণ্ড থেকে তাঁর সাম্রাজ্যের রাজধানী কনস্টান্টিনোপল অভিমুখে রওনা হওয়ার প্রাক্কালে কী কারণে তিনি তার প্রজাদের সমবেত করেছিলেন; সেখানে তিনি তাদের কোন তিনটি প্রস্তাব পেশ করেছিলেন; উপস্থিত জনতা তার সবগুলো প্রস্তাবই কী কারণে প্রত্যাখ্যান করেছিলেন - ইত্যাদি বিষয়ের বিস্তারিত আলোচনা আগের পর্বে করা হয়েছে। 

প্রশ্ন ছিলো,
"সম্রাট হিরাক্লিয়াস যদি মুহাম্মদের নেতৃত্বে নব্য এই আগ্রাসী ও নৃশংস আরব শক্তির শক্তিমত্তা সম্বন্ধে কোনч পূর্বধারণা না রাখতেন, তবে কেন তিনি মুহাম্মদের ভয়ে ছিলেন এতো ভীত-সন্ত্রস্ত?" 

এই গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের জবাব আমরা খুঁজে পাই বানু কুরাইজা গণহত্যার সময় থেকে শুরু করে মুহাম্মদের এইসব চিঠি-হুমকির সময়কাল পর্যন্ত মুহাম্মদ ও তাঁর অনুসারীদের সংঘটিত অমানুষিক নৃশংস আগ্রাসনের ইতিবৃত্ত  সমসাময়িক পৃথিবীর ঐ অঞ্চলের প্রাসঙ্গিক ইতিহাসের পুঙ্খানুপুঙ্খ পর্যালোচনায়।  The Devil is in the Detail!

>> আদি উৎসের বিশিষ্ট মুসলিম ঐতিহাসিকদের বর্ণনায় যা আমরা নিশ্চিতরূপে জানি, তা হলো, মুহাম্মদের নৃশংসতা ও আগ্রাসনের প্রথম চরম বহিঃপ্রকাশ ঘটেছিল বদর যুদ্ধের সময়টিতে (পর্ব-৩০-৪৩)! এই যুদ্ধে মুহাম্মদের নেতৃত্বে তাঁর অনুসারীরা ৭০জন কুরাইশকে নৃশংসভাবে করে খুন (পর্ব-৩২), অতঃপর সেই লাশগুলোকে চরম অবমাননায় তারা বদরের এক নোংরা গর্তে একে একে করে নিক্ষেপ (পর্ব-৩৩); ৭০ জন কুরাইশকে করে বন্দী, যাদের দু'জনকে মুহাম্মদের আদেশে বন্দী অবস্থাতেই পথিমধ্যেই করে খুন (পর্ব-৩৫); ৬৮ জনকে ধরে নিয়ে যাওয়া হয় মদিনায়, অতঃপর তাঁদের আত্মীয়-স্বজনদের কাছ থেকে মুক্তিপণের বিনিময়ে তাঁদের দেয়া হয় মুক্তি (পর্ব-৩৭)। 

যাদেরকে খুন ও বন্দী করা হয়েছিল, তাঁদের প্রত্যেকেই ছিলেন মুহাম্মদ ও তাঁর কোনো না কোনো অনুসারীর একান্ত নিকট-আত্মীয়, পরিবার-পরিজন, পাড়া-প্রতিবেশী বা বন্ধু-বান্ধব!

খন্দক যুদ্ধের পর মুহাম্মদের নৃশংসতা ও আগ্রাসন চূড়ান্ত রূপ ধারণ করে:

>> খন্দক যুদ্ধের পর, বানু কুরাইজা গণহত্যার (পর্ব: ৮৭-৯৫) সময় থেকে খায়বারের জনগণের ওপর মুহাম্মদ ও তাঁর অনুসারীদের অমানুষিক নৃশংসতা (পর্ব: ১৩০-১৫২) ফাদাক আগ্রাসন (পর্ব ১৫৩-১৫৮) শেষে মদিনায় ফিরে আসা পর্যন্ত (মার্চ, ৬২৭ - জুলাই, ৬২৮ খ্রিষ্টাব্দ) সময়ের ঘটনা ও সমসাময়িক পৃথিবীর ঐ অঞ্চলের দুই পরাক্রমশালী সম্রাট খসরু পারভেজ ও হিরাক্লিয়াসের আঠার বছর ব্যাপী রক্তক্ষয়ী হানাহানির ৬২৭ খ্রিষ্টাব্দ - ৬২৮ খ্রিষ্টাব্দের শেষ দৃশ্যপটের কালানুক্রমিক পর্যালোচনায় (পর্ব-১৬৪)  আমরা নিম্নবর্ণিত তথ্যগুলো খুঁজে পাই:

মার্চ-এপ্রিল, ৬২৭ সাল (জিলকদ, হিজরি ৫ সাল):

বনি কুরাইজা গণহত্যা (পর্ব: ৮৭-৯৫)! মুহাম্মদ ইবনে আবদুল্লাহর প্রত্যক্ষ নেতৃত্বে ৬২৭ সালের মার্চ-এপ্রিল মাসে বনি কুরাইজা গোত্রের সমস্ত প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষদের এক এক করে গলা কেটে করা হয় খুন।  তাঁদের মা-বোন-স্ত্রী-কন্যাদের ভাগাভাগি করে করা হয় যৌনদাসীতে রূপান্তর ও ধর্ষণ। তাঁদের অপ্রাপ্তবয়স্ক শিশুদের করা হয় দাসে পরিবর্তন ও ভাগাভাগি। তাঁদের সমস্ত সম্পত্তি করা হয় লুণ্ঠন এবং পরবর্তীতে এই দাসীদের অনেককে নাজাদ অঞ্চলে নিয়ে গিয়ে করা হয় বিক্রি ও সেই উপার্জিত অর্থে ক্রয় করা হয় যুদ্ধের জন্য অস্ত্র-শস্ত্র ও ঘোড়া (পর্ব: ৯৩)’। 

পোপমারানি

নিমো হুজুরের খুতবা - ৪৬

লিখেছেন নীল নিমো

১. 
বিসমিল্লাহির রাহমানের রাহিম।

আজকে মাগরিবের নামাজের পর মসজিদের দানবাক্স খুলে, দানের টাকা হিসাব করা হচ্ছিল। টাকা হিসাবের পর আমি দানের সব টাকা, নিজের পাঞ্জাবির পকেটে ঢুকিয়ে নিলাম। মসজিদের দুইজন ময়াজ্জিন সাহেবকে কোনো ভাগ দিলাম না। মুয়াজ্জিন সাহেবরা তব্দা খেয়ে আমার দিকে হাঁ করে তাকিয়ে রইল। পাশে থাকা একজন মুরিদ বলিল:

- নীল নিমো হুজুর, আপনি একলাই সব টাকা নিয়ে নিলেন, মুয়াজ্জিনদেরকে কিছুই দিলেন না?

আমি উত্তর দিলাম:

- টাকা-পয়সা খারাপ জিনিস। টাকা পয়সার লোভ করে অনেকে ধ্বংস হয়ে গেছে। এই ব্যাপারে রাসুল্লাহর সুন্দর একটি ঘটনা আছে। আমি মুয়াজ্জিন ভাইদেরকে রক্ষা করার জন্য হাদিসটি ফলো করে পুরা টাকা একাই নিয়ে নিলাম। ঘটনাটা নিম্নরূপ:
এক গরীব লোক আঙ্গুর নিয়ে হযরত মুহাম্মদ (সঃ) এর কাছে উপহার দিলো। পাশেই বিভিন্ন সাহাবীরা উপস্থিত ছিলেন। রাসুল (সঃ) আঙ্গুরের থোকা থেকে একটা আঙ্গুর ছিড়ে মুখে দিলেন, তারপর এক এক করে সবগুলো আঙ্গুর খেয়ে ফেললেন কিন্তু পাশে বসে থাকা সাহাবীদের কাউকেই আঙ্গুর খেতে সাধলেন না। চোখের সামনে প্রিয় নবীর এভাবে আঙ্গুর খাওয়া দেখে গরীব লোকটি অনেক খুশী হলো, তারপর রাসুলের কাছ থেকে বিদায় নিয়ে চলে গেলো। লোকটি চলে যাবার পর এক সাহাবী রাসুল (সঃ) কে জিজ্ঞাসা করলেন, ইয়া রাসুলুল্লাহ (সঃ) আপনি কিভাবে একাই সব আঙ্গুর খেয়ে ফেললেন, আমাদের কাউকে একটু ভাগ দিলেন না! সাহাবীর প্রশ্ন শুনে রাসুল (সঃ) মুচকি হেসে উত্তর দিলেন,
"আমি একাই সব আঙ্গুর খেয়ে ফেলেছি কারন আঙ্গুরগুলো টক ছিলো। যদি আমি তোমাদের কে আঙ্গুর খেতে সাধতাম, তোমাদের মুখভঙ্গি দেখেই হয়তো লোকটি বুঝে ফেলতো এবং কষ্ট পেতো। তাই আমি চিন্তা করে দেখলাম, যদি আঙ্গুরগুলো আমি একাই আনন্দের সাথে খেয়ে ফেলি লোকটি খুশি হবে এবং এটাই সবদিক দিয়ে ভাল।'"
আমার কথা শুনে দুই মুয়াজ্জিন বলে উঠিল:
- আল্লাহু আকবর... আমাদের কথা চিন্তা করে নীল নিমো হুজুর এতবড একটা রিস্ক নিচ্ছেন... নীল নিমোর মত মহান মানুষ এই দুনিয়াতে দ্বিতীয়টি নাই।

২.
আমার কিছু নোয়াখাইল্লা মুরিদ আছে। খালি উল্টাপাল্টা প্রশ্ন করে। যেমন, আজকে এক মুরিদ প্রশ্ন করে বসল:
- হুজুর খ্রিষ্টান ধর্মের নবী জিসাস কেন বিবাহ করেননি?

আমি মনে মনে চিন্তা করে দেখলাম, আমার এই নোয়াখাইল্লা মুরিদ আগে খ্রিষ্টান ছিল, তারপর কিছুদিন মুসলমানও ছিল। তারপর এখন সে আমার মুরিদ হইছে। তাই আমি বেশ সতর্কতার সহিত উত্তর দিলাম:
- দেখুন, মুরিদ ভাই আমার, দুইটি ভিন্ন প্রজাতির ভিতরে ক্রস ঘটালে একটি অনুর্বর প্রজাতির সৃষ্টি হয়। যে অনুর্বর প্রজাতি পরবর্তিতে বংশ বিস্তারে অক্ষম হয়ে থাকে। যেমন বেশিরভাগ ক্ষেত্রে দেখা যায় যে:

বাঘ + সিংহ = অনুর্বর লাইগার।
ঘোড়া + গাধা = অনুর্বর খচ্চর।
মানুষ + ঈশ্বর = অনুর্বর জিসাস।

জিসাসের ক্রোমজম ডিপ্লেয়েড (2n) ছিল না। তার ক্রোমজম ছিল হাপ্লয়েড (n)। তাই জিসাস বন্ধা ছিল বা তার ক্রমোজমে XY পেয়ারটা ছিল না। তাই জিসাস বিবাহ করার রিস্ক নিতে চাননি। কিন্তু জিসাসের পরম পিতা ঈশ্বর, এক ভুল দুইবার কখনো করেন না। তাই পরবর্তীতে ঈশ্বরের নির্দেশে মুহাম্মদ (স:) দুনিয়াতে এসে ১৪ টা বিবাহ করে জিসাসের অক্ষমতাকে পুষিয়ে দেন।

আমার উত্তর শুনে নোয়াখাইল্লা মুরিদ সন্তুষ্ট হল। সে আনন্দে গদগদ হয়ে গেল। এই প্রথম কোন এক নোয়াখাইল্লা মুরিদকে সন্তুষ্ট করতে পরে আমিও আনন্দিত হলাম।

হিজাবী হুরি যতো - ১৫


১২ মে, ২০১৭

লাইলাতুন নিসফে মিন শাবান বা শব-ই-বরাত

লিখেছেন দ্বীনমজুর

আজকের দিনে সূর্যাস্তের পর আল্লাহতালা প্রথম আসমানে আসবেন এবং বলবেন, "কোনো ক্ষমাপ্রার্থী আছ কি?

আমি তাকে ক্ষমা করবো। আছে কি কোনো রিজিক প্রার্থী? আমি তাকে রিজিক দেব। এভাবে সুবহ সাদিক পর্যন্ত আল্লাতাল্লা মানুষের প্রয়োজনের কথা বলে তাদের ডাকতে থাকেন।" (সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদীদ, ১৩৮৪)

অন্য এক জায়গায় উল্লেখ আছে, আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের নূরের তাজাল্লি পৃথিবীর কাছাকাছি আসমানে প্রকাশ পায় বা পাবে।

এখন প্রশ্ন হচ্ছে:

১. আল্লা কোন প্রজাতির প্রাণী?
তিনি কোন ভাষাতে কথা বলেন?
আরবি তার ভাষা হলে তো সমস্যা।
এই ভাষা বাংলাদেশের তেমন কেউ জানে না!

২. আমাদের ভূমি থেকে কতটা দূরত্বে আছে প্রথম আসমান?
(এটা নিয়ে কোনো মুমিন ভাই গবেষণা করতে পারে। কারণ এ তো কুরানীয় বিজ্ঞান!)

৩. আল্লা কথা বলতে পারেন, তার কথা কি বাংলাদেশের কেউ কখনো শুনেছেন?
(অলি, মাওলানা, মুফতিসহ বিশ্বাসী বান্দারা?)

৪. বাংলাদেশের কোথাও নূরের তাজাল্লি কেউ কখনো দেখেছেন কি?

৫. আরববিশ্বে আল্লা রিজিক দেন কীভাবে?
তাদের তো কোনোকিছুর অভাব নাই।
(নারী, বাড়ি, গাড়ি, খাদ্য, দাসী,সুরা।)

৬. এবং সারাবিশ্বের না-খেয়ে-থাকা শত-কোটি মানুষের আন্তরিক দোয়া-মোনাজাত সত্ত্বেও আল্লা তাদের রিজিকের ব্যবস্থা করে না কেন?

ভাগ্যের লাশ

ধর্মকারীর প্রধান কর্তব্য ধর্মধোলাই হলেও তার অন্য একটি বিনোদনী রূপও আছে। "দুষ্টু শব্দ" নামের একটি প্রকল্পে দুষ্টু দুষ্টু শব্দ, শব্দবন্ধ, শব্দানুবাদ উদ্ভাবন করা হয়। আজকের নমুনাটি ধর্মবিষয়ক হলেও সার্বিকভাবে ধর্মসংশ্লেষ তাতে বড়ো একটা নেই।

লিংক:

১০ মে, ২০১৭

বুদ্ধাং সারানাং গাঞ্জামি

আজ বুদ্ধ পূর্ণিমা। এই তিথিতে বুদ্ধ সিদ্ধিলাভ করেছিলেন।
সিদ্ধির একটি অর্থ কিন্তু গাঁজা। খিয়াল কৈরা!

বুদ্ধের বর্ণিত শ্রুতিসুখকর ও আপাত আনন্দানুভূতিদায়ী কিন্তু ভুয়া, ভিত্তিহীন ও ভকিচকি মার্কা বাস্তবতাসংশ্লেষহীন কিছু বাণীর অন্ধ মোহে আচ্ছন্ন হয়ে আছেন অনেকেই। অতএব একটাই চাওয়া:

জগতের সকল প্রাণী বিভ্রমমুক্ত হোক।

অবস্থাদৃষ্টে মনে হয়, ইছলাম ধর্মের মতো বৌদ্ধধর্মেরও চন্দ্রবাতিকগ্রস্ততা আছে। বুদ্ধের জন্ম এই পূর্ণিমাতে, তারপর অন্য এক পূর্ণিমার রাতে স্ত্রী-পরিবারকে গোপনে ত্যাগ করে ঘর ছেড়ে পালিয়েছিলেন তিনি (যদিও প্রবলভাবে ঘৃণার্হ ও কাপুরুষোচিত এই ঘটনার ভেতরেও মাহাত্ম্য ও মহিমা খুঁজে পায় বুদ্ধপ্রেমীরা - আবালের দল!), অতঃপর আবার এই পূর্ণিমাতেই তিনি সিদ্ধিলাভ করেন এবং তাঁর মুত্যুও এই পূর্ণিমাতেই। কী তাজ্জিব কাণ্ড! পুরাই অলৌকিক সব ব্যাপারস্যাপার! 

অনিবার্যভাবে আবারও মনে পড়ে যায়: সিদ্ধির একটি অর্থ গাঁজা।

কুইজ

৯ মে, ২০১৭

অলৌকিক গোয়েন্দাগিরি

লিখেছেন নরমপন্থী

একজন মহিলার লাশ পাওয়া গেছে। (গোয়েন্দগিরির এই গল্পটা এখানে বলার কারণ:  এই গল্পে একজন গোয়েন্দা তার ধর্মবিশ্বাসকে কাজে লাগিয়েছেন অজানা সত্যকে জানার/প্রতিষ্ঠা করার জন্য আর অন্যজন ব্যবহার করেছেন স্বাভাবিক বিজ্ঞানসম্মত পন্থা।) লাশের ময়না তদন্ত শেষ। সমস্যা হল এটা আত্মহত্যাও হতে পারে, খুনও হতে পারে।


গোয়েন্দা বিভাগের প্রধান হিসেবে মনে করুন আপনি দুইজন নবনিযুক্ত ডিটেক্টিভকে (ন-ফিস এবং মো-ফিস কে) দু'টি ভিন্ন দলের নেতৃত্বে তদন্ত করার দায়িত্ব দিয়েছেন। জনাব গোয়েন্দা নাফিস নাস্তিক এবং গোয়েন্দা মফিজ আস্তিক। একটা বিষয় পরিষ্কার যে, মৃত্যুর কারণ সত্যিকার অর্থে ১০০% নিশ্চিত হওয়া সম্ভব না। কারণ মৃত্যুর সময়কার কোনো ভিডিওটেপ পাওয়া যাবার কোন উপায় নাই। 

প্রথম গোয়েন্দা জনাব ন-ফিস:

সকাল বেলা বাবার কাছ থেকে বিদায় নিয়ে নতুন চাকরির উদ্দেশ্যে বের হয়ে গেলেন। বাবা বললেন ‘যাবার পথে দরবেশ বাবার কাছে দোয়া এবং পরামর্শ নিয়ে যাবি?’ তিনি কুসংস্কার মানেন না, তাই কোনো দরবেশ-টরবেশের সাথে দেখা করতে গেলেন না।

তার কাজের প্রক্রিয়া নিম্নরূপ:

ক্রাইম সিনে পাওয়া আলামত সংগ্রহ করে তার বিচার বিশ্লেষণ। এই আলামতগুলো মৃত্যুর কারণের সাথে সম্পর্কিত হতেও পারে, না-ও হতে পারে।

ময়না তদন্ত রিপোর্ট বিস্তারিত পড়লেন।

আত্মহত্যা কিংবা হত্যাকাণ্ডের সকল সম্ভাব্য কারণ এবং মোটিভগুলো নিজ দলের সাথে পর্যালোচনা করলেন। তার ব্যক্তিজীবন সম্পর্কে অনুসন্ধান করে দেখলেন, তার আত্মহত্যা করবার কোনো কারণ থাকতে পারে কি না।

কয়েকজন সন্দেহভাজন ব্যক্তি সম্পর্কে জানতে এবং এটা হত্যাকাণ্ড হলে তা বুঝতে চেষ্টা করলেন এবং বিভিন্ন নিরপেক্ষ সোর্স থেকে তথ্যগুলো যাচাই করে নিলেন।

তাই বিভিন্ন আলামত এবং সম্ভাব্য আত্মহত্যার কারণ কিংবা হত্যাকান্ডের উদ্দেশ্যের সব কিছু বিবেচনায় রেখে সর্বাধিক গ্রহণযোগ্য (শক্তিশালী মামলা / গ্রহণযোগ্য গল্প) দাঁড় করানোই হল তার উদ্দেশ্য, যাতে কাউকে যুক্তিসঙ্গত সন্দেহ সীমানা ছেড়ে (beyond the reasonable doubt) অভিযুক্ত করা যায় বা আত্মহত্যা হলে সে সত্য উৎঘাটন করা যায়। এখানে বুঝতে হবে কোন একটা প্রমাণের ভিত্তিতে কাউকে দোষী দাবি করেননি। তার কাজে ক্রমবর্ধমান (cumulative) প্রমাণ যেমন হাতের ছাপ, সাক্ষীদের বক্তব্য, খুঁটিনাটি প্রমাণাদি, যাত্রার টিকেট, টেলিফোন কলের রেকর্ড এবং এই জাতীয় যাবতীয় সর্বাধিক গ্রহণযোগ্য ভাবে জোড়া লাগিয়েই তার কেইস তিনি দাড় করিয়েছেন।

দ্বিতীয় গোয়েন্দা জনাব মফিস: