৯ অক্টোবর, ২০১৬

বিশ্বাসের দরজায় করাঘাত!: পর্ব ০২ - (জাকির নায়েককে চ্যালেঞ্জ!)

লিখেছেন নরসুন্দর মানুষ


বর্তমান সময়ে যে-মানুষটি অনেক মুসলিমকেই সবচেয়ে বেশি আকর্ষণ করেছে, তার নাম জাকির নায়েক! অনেক প্রশ্নের জবাব তিনি দিয়েছেন, আবার নতুন প্রশ্নের জন্মও দিয়েছেন, তবে তার একটি বিষয়ের প্রশংসা না করলে অন্যায় হবে, তা হচ্ছে, প্রতিপক্ষকে ঘায়েল আর বিভ্রান্ত করার কিছু গৎবাঁধা কৌশল তিনি নিপুণভাবে প্রতিনিয়ত ব্যবহার করতে পারেন!

চলুন আজকের পর্বে, 
জাকির নায়েককে চ্যালেঞ্জ করি আমরা!

ডাঃ জাকির নায়েক এবং ডাঃ উইলিয়াম ক্যাম্পবলের বির্তক শুনছিলাম। বিষয়: The Quran & Bible, in the light of Science. দু'জন পরস্পর পরস্পরকে বাইবেল এবং কোরআনের ভুল এবং অবৈজ্ঞানিক তথ্য নিয়ে ধোলাই দেবার চেষ্টা। ভালই লাগছিলো শুনতে।


বির্তকের এক পর্যায়ে ডাঃ জাকির নায়েক তার গৎবাঁধা কৌশলের একটি ব্যবহার করলেন। তিনি ডাঃ উইলিয়াম ক্যাম্পবলকে চ্যালেঞ্জ করলেন, তিনি বাইবেলের মার্ক ১৬ অধ্যায়ের ১৭-১৮ উক্তি দু'টির পরীক্ষাটি দিতে পারবেন কি না? ডাঃ উইলিয়াম ক্যাম্পবল প্রসঙ্গ এড়ালেন। প্রশ্ন-উত্তর পর্বে এক মুসলিম দর্শকও ডাঃ উইলিয়াম ক্যাম্পবলকে চ্যালেঞ্জ করে বসলেন, যদি আপনি প্রকৃত ‍যীশু (ঈসা) বিশ্বাসী হন, তবে বাইবেলের মার্ক ১৬ অধ্যায়ের ১৭-১৮ উক্তি দু'টির পরীক্ষাটি দিয়ে দেখান! ডাঃ উইলিয়াম ক্যাম্পবল ফেঁসে গেলেন, এবং এবারও প্রসঙ্গ এড়ালেন!

কিন্তু কী আছে, বাইবেলের মার্ক ১৬: ১৭-১৮ তে?

বাইবেলের এই দুই উক্তিতে বলে:
একজন যীশু বিশ্বাসী, যীশুর উপর বিশ্বাস করে যদি খুব মারত্মক প্রাণঘাতী বিষ পান করেন; তবে বিষ তার কোনো ক্ষতি করতে পারবে না!

আসুন, এই লিংকে ইংরেজিতে বাইবেলের লাইন দুটো দেখে আসি আমরা; আর তারপরে জাকির নায়েককে একই ধরনের চ্যালেঞ্জ করে বসবো আমরা!

এবার আমাদের পালা।

ভাই ডাঃ জাকির নায়েক, 
আপনি কি সহীহ বুখারীর চিকিৎসা ৬৩ অধ্যায়ের ৫৩৫৭ নং হাদিসের পরীক্ষাটি দিতে পারবেন? 

কী সেই হাদিস? 
যে ব্যক্তি ভোরবেলা মদিনায় উৎপন্ন আজওয়া জাতের ৭ টি খেজুর খাবে; সেদিন কোনো বিষ বা জাদু তার কোনো ক্ষতি করবে না!

আসুন, সংযুক্ত ছবিতে আমরা হাদিসটি দেখি; এবং এটাও জেনে রাখি, এটি একটি শতভাগ সহীহ হাদিস।


আমার সুপ্ত ইচ্ছা, ডাঃ জাকির নায়েকের মুখে এ প্রশ্নের উত্তর শোনা আর তার বিব্রতকর মুখ দেখা! আমি নিশ্চিত, তার অবস্থা এবং প্রসঙ্গ এড়ানোর চেষ্টা ডাঃ উইলিয়াম ক্যাম্পবল-এর চাইতে ভিন্ন কিছু হবার উপায় নেই!

আমি হয়তো এ প্রশ্ন করার সুযোগ কখনই পাবো না; তবে আপনি যদি কখনও সুযোগ পান; তবে চ্যালেঞ্জটি মাথায় রাখবেন।

আর নিজেকে যদি সত্যিকার মুসলিম এবং মুহাম্মদের অনুসারী দাবি করেন; তবে নিজেই পরীক্ষাটি করে দেখবেন!

কী, সাহস আছে?

(চলবে)