২ সেপ্টেম্বর, ২০১৬

আল্লাহ কি বিজ্ঞানের কাছে পরাজিত? - ২

লিখেছেন শ্রোডিঞ্জারের বিড়াল

বিজ্ঞানের উন্নতির সাথে সাথে কুরানের অনেক বাণী মিথ্যা প্রমাণিত হয়ে যাচ্ছে। বিজ্ঞানের নতুন নতুন আবিষ্কার ধর্মের অস্তিত্বের জন্যে হুমকি হয়ে দাঁড়াচ্ছে। অদূর ভবিষ্যতে এই বিজ্ঞানের কল্যাণেই মানুষ ধর্ম নামক ভাঁওতাবাজি থেকে মুক্তি পাবে। তো চলুন, বন্ধুরা, আল্লাহর বাণীকে মিথ্যা প্রমাণিত করা কিছু চমকপ্রদ বৈজ্ঞানিক আবিষ্কারের কথা জেনে নিই।


৬. "তারা কি উড়ন্ত পাখীকে দেখে না? এগুলো আকাশের অন্তরীক্ষে (atmosphere) আজ্ঞাধীন (controlled) রয়েছে। আল্লাহ ছাড়া কেউ এগুলোকে (শূন্যে) আগলে (hold) রাখে না। নিশ্চয় এতে বিশ্বাসীদের জন্যে নিদর্শনাবলী রয়েছে [কুরান ১৬:৭৯]

>> বিজ্ঞানীরা পাখির থেকে হাজারগুণ ভারী বিমানকে শূন্যে ধরে রাখে! বিমানে অবশ্য পাখিদের অ্যারোডাইমানিক্স অনেকটা অনুসরণ করা হয়! কিন্তু স্পেস রকেটের ক্ষেত্রে হয় না, এটা আল্লাহ থেকে নকল করা না!

৭. "তিনিই তো তোমাদের জন্যে রাত্রিকে করেছেন আবরণ, নিদ্রাকে বিশ্রাম এবং দিনকে করেছেন বাইরে গমনের জন্যে [কুরান ২৫:৪৭]

>> বিজ্ঞান যে কত এগিয়ে যাবে, আল্লাহর ধারণাই ছিল না! এখনকার দিনে তো ব্যবসায়ীরা দিনের থেকে রাতে ভ্রমণকেই বেশি প্রাধান্য দেয়! কারণ সেটা সুবিধাজনক, ওয়ার্কিং ডে বেঁচে যায়!

৮. "আল্লাহ তোমাদেরকে তোমাদের মায়ের গর্ভ থেকে বের করেছেন।" [কুরান ১৬:৭৮]

>> বিজ্ঞানীরা ectogenesis-এর মাধ্যমে আগামীতে মায়ের দেহের বাইরেই ভ্রূণ থেকে সন্তান উৎপাদন করার জন্য কাজ করছেন! সমস্যা একটাই - আইনের কড়াকড়ি খুব বেশি! বিজ্ঞানীরা মানুষের ভ্রুণকে দেহের বাইরে ১৩ দিন বড় করেছেন! কিন্তু এর পর এটাকে মেরে ফেলতে হয়েছে, আইনের কড়াকড়ির জন্য, ১৪ দিনের বেশি অনুমতি নেই!

৯. "তোমাদের জন্য সমুদ্রের শিকার ও সমুদ্রের খাদ্য হালাল করা হয়েছে তোমাদের উপকারার্থে!" [কুরান ৫:৯৬]

>> আল্লাহ এখানে অজ্ঞতাবশত তার বান্দাদের কুপরামর্শ দিয়েছেন! বিজ্ঞানীদের দ্বারা আমরা এখন জানি যে, সমুদ্রে বিষাক্ত মাছেরও অভাব নেই! বিজ্ঞান অমান্য কইরা আল্লাহর কথায় সব মাছ খাইতে গেলে নির্ঘাত মৃত্যু!

১০. "হে জিন ও মানবকূল, নভোমন্ডল ও ভূমন্ডলের প্রান্ত অতিক্রম করা যদি তোমাদের সাধ্যে কুলায়, তবে অতিক্রম কর। কিন্তু ছাড়পত্র ব্যতীত তোমরা তা অতিক্রম করতে পারবে না।" [কুরান ৫৫:৩৩]

>> বিজ্ঞানীরা আল্লাহর ছাড়পত্র ছাড়াই ভূমণ্ডলের প্রান্ত অতিক্রম কইরা ফেলসেন! তবে মুমিনগণের কাছে এর ভিন্ন ব্যাখ্যা থাকতে পারে!

(চলবে)