১ জুলাই, ২০১৬

আল কোরান ও আধুনিক বিজ্ঞান

লিখেছেন শুভ্র আহমেদ

ইহুদি-খ্রিষ্টানরা কোরান থেকে অনেক কিছু চুরি করে নিয়ে অনেক জিনিস আবিষ্কার করে ফেলেছে, অথচ আমরা আজো তা জানি না। এরকম কয়েকটা নমুনা দেখা যাক:

১. গাড়ি
ঘোড়া, খচ্চর আর গাধা যা তোমরা চড় ও বহন করাও। এবং তিনি বানিয়েছেন আরো অনেক কিছু যা তোমরা জানো না।
(সুরা নমল, আয়াত ৮)
এই আয়াতে কয়েকটি বাহনের কথা বলে পরে ইঙ্গিত দেয়া হয়েছে যে, তোমাদের অজানা অনেক কিছু আছে। এই আয়াতের শেষাংশ থেকেই সূত্র পাওয়া যায় যে, বিকল্প বাহন অবশ্যই সম্ভব। তারপরই গবেষণা চালিয়ে আবিষ্কার করা হয় মোটরচালিত গাড়ি।

২. রেলগাড়ি
আমাদের সরলপথ দেখাও, তাদের পথ যারা করুনাপ্রাপ্ত, তাদের নয় যারা পথভ্রষ্ট আর অভিশপ্ত।
(সুরা ফাতেহা, আয়াত ৫,৬,৭)
রেলগাড়ি কীভাবে চলে? একটা নির্দিষ্ট সরলপথ দিয়ে চলে। এই পথে না থাকলেই বিচ্যুত হয়, এই পথে থাকলেই ঠিকমত গন্তব্যে পৌঁছায়। সুরার ফাতেহার আয়াত গবেষণা করে রেল আর রেলপথ আবিষ্কার করা হয়।

৩. বিমান
তারা কি দেখে না পাখিকে যারা ডানা মেলে আর আবার তা গুটিয়ে নেয়?
(সুরা মুলক, আয়াত-১৯)
সোবহানাল্লাহ। ডানা মেলে বাতাসে ভারসাম্য রাখা হয়, এই জিনিস দেখেই রাইটদের মাথায় আসে, তাহলে এমন কিছু বানানো উচিত যেটার ডানা থাকবে। তারপরই আবিষ্কার হয় প্লেন!

৪. যুদ্ধবিমান
তিনি প্রেরণ করেন পাখি আবাবিল, যারা নিক্ষেপ করে পাথর সিজ্জিল।
(সুরা ফিল, আয়াত ৩, ৪)
আবরাহা কাবা দখল করতে এলে আল্লাহ পাক পাঠিয়ে দেন পাখি, যা মুখে করে উত্তপ্ত পাথর নিয়ে আসে আর ছুঁড়ে মারে আবরাহাদের ওপর। এখানে ব্যাখার কিছু নেই। পরিষ্কার বোঝা যাচ্ছে, যুদ্ধবিমান যেভাবে কাজ করে, একইভাবে আবাবিলও কাজ করেছে।

অতঃপর হে মানুষ ও জ্বিন, তোমাদের রবের কোন কোন অনুগ্রহ তোমরা অস্বীকার করবে?