২৯ মে, ২০১৬

ইসলামে নারী অধিকারের জোয়ার - ২

লিখেছেন জিওর্দানো ব্রুনো


ইসলামে নারীরা আসলে Defective মাল। তারা অভিশাপ দেয় বেশি। নারীর কারণে তুরষ্কের সম্রাট সুলাইমান-এর সাম্রাজ্য ধ্বংস হয়ে গিয়েছিল। আসলে তার কথা ১০০% সত্য। ইসলামের ইতিহাস পড়লে সেটা বোঝা যায়। আসুন ইসলামী ইতিহাস থেকে শিখি:
আবু মুসার বর্ণনা মতে নবী (দ:) বলেছেন: “পুরুষদের মধ্যে অনেকেই ত্রূটিমুক্ত কিন্তু নারীদের মধ্যে কেউ ত্রূটিমুক্ত নয়, কেবল ইমরানের কন্যা মেরী এবং ফারাওয়ের স্ত্রী আয়েশা ছাড়া।” (সহিহ মুসলিম, বই ৩১ হাদিস ৫৯৬৬)
এসব Defective মালকে সকাল-বিকাল পেটানো উচিত এবং এত কোনো পাপ নেই:
ওমর বিন খাত্তাব বর্ণনা করেন, নবী বলেছেন “কোনো স্বামীকে পরকালে প্রশ্ন করা হবেনা কেন সে বউকে পিটিয়েছিল।” (সুনান আবু দাউদ, বই ১১ হাদিস ২১৪২)
এর আগে একটি হাদিসে (এবং কোরানেও) বউ পেটানোর লাইসেন্স তো পেয়ে গেছেন, এবার দেখা যাক, তাদের কে কীভাবে আরো অত্যাচার করা যায়। যে নারীদের কারণে পৃথিবীতে এত সমস্যা, তাদের এত সহজে ছেড়ে দেওয়া ঠিক হবে না, কী বলেন, ভাইয়েরা? এখন দেখুন, আপনি যখন খুশি তখন আপনার বিবি বা বিবিগনের সাথে ছহবত করতে পারবেন,
তোমাদের স্ত্রীরা হলো তোমাদের জন্য শস্যক্ষেত্র। তোমরা যেভাবে ইচ্ছা তাদের ব্যবহার কর। (কোরান ২:২২৩)
যদি কোনো কারণে আপনার স্ত্রী রাজি না হয়, তাহলে নিচের হাদিস তাকে দেখান:
আবু হুরাইরা হতে বর্ণিত: আল্লার নবী বলেছেন: “যদি কোনো স্বামী তার স্ত্রীকে বিছানায় ডাকে (সহবাসের উদ্দেশ্যে) আর স্ত্রী মানা করে যার ফলে সামী রাগ্বান্বিত অবস্থায় ঘুমাতে যান, তাহলে ফেরেস্তারা সেই স্ত্রীকে সকাল পর্যন্ত অভিশাপ দিতে থাকে।” (সহিহ বুখারী, ভল্যুম ৮ , হাদিস ৪৬০, সহিহ মুসলিম ভল্যুম ২ হাদিস ৩৩৬৮)
সে যদি রান্না ঘরে ব্যস্ত থাকে, তাহলেও ছাড় দেবেন না:
স্বামী যখন (যৌন) প্রয়োজনে নিজ স্ত্রীকে আহ্বান করে, তখন তার ডাকে সাড়া দেয়া স্ত্রীর কর্তব্য, যদিও সে চুলায় রান্নার কাজে ব্যস্ত থাকে। (তিরমিজি ১১৬০, ইবনে মাজা ৪১৬৫)
সারাদিন রোজা রাখার পরে আপনার স্ত্রী ক্লান্ত হয়ে পড়েছেন? সমস্যা নেই:
তোমাদের জন্য রমজানের রাত্রে তোমাদের বিবিগনের নিকট গমন করা জায়েজ করা হইয়াছে, তোমার বিবিগন তোমাদের আচ্ছাদন আর তোমরা তাদের আচ্ছাদন, আল্লাহ জানিতে পারিলেন যে তোমরা নিজেদের ক্ষতি করিতেছিলে, সুতরাং তিনি তোমাদের অপরাধ মার্জনা করিলেন এবং তোমাদের দোষ ছাড়িয়া দিলেন, সুতরাং এখন উহাদের সহিত সহবাস কর। (কোরান ২:১৮৭)
আল্লাহর অশেষ রহমতে শুধু মাত্র মাসিক ঋতুস্রাব-এর সময়ে স্ত্রীরা না বলার অধিকার পেয়েছেন। যদিও সাহাবীরা এটাতেও ছাড় দিতে চাইছিলেন না, যার কারণে নবীজি রেগে গিয়েছিলেন এবং বলেছিলেন "সহবাস করা ছাড়া আর সব কিছুই জায়েজ।" (তাফসির ইবনে কাসীর খন্ড ১ম, ২য়, ৩য়, প: ৬১০, তাফসির পাবলিকেশন কমিটি হতে প্রকাশিত)

(চলবে)