১৩ এপ্রিল, ২০১৬

পুতুলের হক কথা - ১৩

লিখেছেন পুতুল হক

৪৬.
অনলাইনে একজনকে একটা ভিডিও শেয়ার করতে দেখলাম। কোনো এক মুসলিম শিশুর জন্মের পরে তার কানে আযান দেয়ার সময় যখন মোহাম্মদের নাম উচ্চারিত হয়েছিলো, তখন শিশুটি মধুর করে হাসে। আমিও হেসেছিলাম এটা শেয়ার করার কী আছে ভেবে। অপরিণত বুদ্ধির যারা, তারা মোহাম্মদের নাম শুনে হাসে, আর পরিণত বুদ্ধির হলে কাঁদে। প্রায় পনেরশ বছর ধরে অগুনতি মানুষের কান্নার কারণ এই নাম।

৪৭.
অগ্রসরমান ভারতকে আটকাতে হিন্দু ধর্মের উত্থানের কোনো বিকল্প নেই।

৪৮.
জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত ধর্ম নানান রকম আচার, প্রথা নিয়ে মানুষকে জড়িয়ে থাকে। ভিন্ন ভিন্ন ধর্মের আবার ভিন্ন ভিন্ন আচার, প্রথা। জীবের জন্ম মৃত্যু অবশ্য একই নিয়মে ঘটে যাচ্ছে। আমাদের সবার সৃষ্টিকর্তারা এত্তোগুলা শক্তিশালী, কিন্তু কেউ ভিন্নভাবে জীবের জন্ম বা মৃত্যু দিতে পারেন না। তাঁদের কাছে নেই নতুন কোনো তথ্য, আবিষ্কার। যেভাবে সৃষ্টিকর্তাদের জন্ম দেয়া হয়েছিলো, তারা ঠিক সেভাবে টিকে আছেন। তাঁদের নেই কোনো বিকাশ। অবিকশিত এক ঝাঁক সৃষ্টিকর্তাকে টিকিয়ে রাখে বিকশিত মানুষ। মানুষের বুদ্ধির এমন পরাজয় আর কোথাও নেই।

৪৯.
বড় মানুষ মারা যাবার পর তাঁদের কবরে লোকে ফুল নিয়ে যায়। সাধারণ মুসলিমদের গোরস্তানে কখনো কাউকে ফুল নিয়ে যেতে দেখা যায় না। বরং মুসলিমদের কবরে ফুল দেয়াকে অনেক মুসলমান অপছন্দ করে। একে বেশরিয়তি বলা হয়। পূজা করার সমার্থক ভাবা হয়। অনেককে দেখেছি এই ব্যপারে খুব উগ্রভাবে অসহনশীল। একজন মুসলমান মৃত স্বজনদের জন্য দোয়া-দুরুদ পড়বেন, সেটা ঠিক আছে। সাথে ফুল নিয়ে যদি ভালোবাসা জানানো হয়, তাতে সমস্যা থাকার নয়। কিন্তু এটাতেও মুসলমানদের সমস্যা। জীবিত অবস্থায় এবং মৃত্যুর পর ভালোবাসোতে হয় কীভাবে, সেজন্যেও মুসলমান তাদের ধর্মের ওপর তথা মহানবীর উপর নির্ভরশীল। মুসলমানদের দেখে মনে হয়, চিড়িয়াখানার পশুও তাদের চাইতে বেশি স্বাধীন।

৫০.
সাজুগুজু পছন্দ করে এমন একজনকে বললাম সাজুগুজুর অনেক ব্লগ আছে ওগুলো পড়তে। পাশ থেকে আরেকজন বলে ওঠে, "ব্লগ পড়িস না, নাস্তিক হয়ে যাবি।"