২৭ ডিসেম্বর, ২০১৫

জিহাদ ও একটি সিনেমা

লিখেছেন নাস্তিক ফিনিক্স

কয়েক দিন আগে একটা হিন্দি সিনেমা দেখছিলাম, নাম — Sheen, যেখানে ১৯৯০-এর কাশ্মীরে 'আজাদ কাশ্মীর' ও শরিয়া আইন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে হিন্দু পণ্ডিত ও শিখ গণহত্যা, গণধর্ষণ ও অত্যাচারের চিত্র প্রচণ্ড সাহসীভাবে তুলে ধরা হয়েছে। ছবির অধিকাংশ দৃশ্যে উঠে এসেছে চরম ইসলামী ইতরামি।

সাধারণত এইরকম ছবির শেষে দেখা যায় সত্যের বা পীড়িত মানুষের জয় হয়। তবে এই ছবিতে ফারাক এখানেই। ছবির শেষ দৃশ্যে দেখা যায় জিহাদিদের জয় হয়েছে। স্থানীয় জিহাদি নেতার বাড়িতে পড়শি দেশের বড় বড় জিহাদি নেতারা জয়-উল্লাসে মাতে। এবং সেই চরম উল্লাসের মাঝে জিহাদি নেতারা সেই স্থানীয় জিহাদি নেতার মুসলিম বোনকে তার সামনে গণধর্ষণ করে ও প্রতিবাদ করলে জিহাদি দাদাকে হত্যা করে। ছবি শেষ।

চলুন, এই সিনেমার সূত্র ধরে আর একটু এগিয়ে যাই। ধরে নিন, সেই জিহাদি ভাই জীবিত থাকতো, তাহলেও কি তার বোনের ওপর এই পাশবিক অত্যাচারের প্রতিবাদ করতে পারতো?

উত্তর: না, Never. 

ইসলামি আইনে দাসীপ্রথার যে আইন (!) আছে, তাতে 'ধর্ষণ' একটি সামাজিক বিধান।

আজকের এই বাস্তব বিশ্বেও এটা স্পষ্ট। অন্য ধর্মের কথা তো ছেড়েই দিলাম, জিহাদের আগুন থেকে মুক্তি পায় না ইসলামও। Al Qaida জিহাদের নামে কাফেরের চেয়ে ৮ গুণ বেশি মুসলিমকে হত্যা করে। তালিবান এবং ISIS-এর অত্যাচারের হাত থেকে বাঁচতে আফগানিস্তানে ও সিরিয়ায় মুসলিম মেয়েরা আলাদা সশস্ত্র সংগঠন গড়ে তোলে। ISIS-এর শাখা সংগঠন বোকো-হারাম মসজিদে বোমা মেরে হত্যা করে প্রার্থনারত মুসলিমদের।

উদাহরণ অগুনতি।

শেষ করবো Sheen ছবিরই একটা গানের লাইন দিয়ে — "...Aao jannat mein jahanam ka nazara dekho... "

অর্থাৎ আমাদের এই বাস্তব পৃথিবী নামক জান্নাতে কল্পিত জিহাদ নামক জাহান্নামের আগুন জ্বললে সেই আগুন থেকে মুক্তি নেই আপনারও।