১৮ ডিসেম্বর, ২০১৫

ইছলামী ইতরামি


২. নাইজেরিয়ায় ইছলামী দল বোকো হারাম হত্যা করেছে ৩০ জনকে

৩. ইয়াজিদি নারীদের জনসম্মুখেই গণধর্ষণ করে আইসিস জঙ্গিরা!

৪. তরবারি হাতে মমিন মুছলিম প্রতিবেশীকে হুমকি দিয়ে বলেছে, "আল্যার জন্যে আমি মারতে ও মরতে পারি।" তাকে আটক করা হয়েছে।


৬. এক মডারেট মুছলিম, যে কিনা "I am Muslim, do you trust me enough for a hug?" লেখা প্ল্যাকার্ড নিয়ে দাঁড়িয়েছিল পার্লামেন্ট ভবনের পাশে, এক সাংসদের বাড়িতে বোমা হামলার হুমকি দিয়েছে।

৭. অনার কিলিং-এর মতো বর্বর সংস্কৃতি মুছলিমদের ভেতরেই সবচেয়ে প্রচলিত। এক গ্র্যান্ডফাদার তার দু'বছর বয়সী নাতনিকে ধর্ষণ করেছে এবং শিশুটির মা নিজ সন্তানটিকে বালতির পানিতে চুবিয়ে হত্যা করে পরিবারের সম্মান রক্ষা করতে সমর্থ হয়েছে।

৮. আইসিস-এর দুই সক্রিয় সহযোগী মুছলিম অভিবাসীকে প্রেপ্তার করা হয়েছে সুইজারল্যান্ডে।

৯. 'আল্যাহু আকবর' স্লোগান দিয়ে রোমের গির্জায় হামলা চালিয়েছে দুই মুছলিম।

১০. কে ছহীহ মুছলিম? ফাকিস্তানে নিজেদেরকে মুছলিম বলে দাবি করায় প্রেপ্তার করা হয়েছে আহমেদিয়া মুছলিম সম্প্রদায়ের দুইজনকে।

১১. "আমি সমস্ত সহযাত্রীকে সঙ্গে নিয়ে আল্যার সঙ্গে দেখা করতে চাই" - যাত্রীবাহী উড়ন্ড প্লেনের ককপিটে ঢোকার চেষ্টা করার সময় বলেছিল এক মমিন মুছলিম।

১২. শান্তির ধর্মের শান্তিময় উপাসনালয়গুলোয় অনুসন্ধান চালিয়ে শান্তি প্রতিষ্ঠায় ব্যবহার্য ৩২৪ টি অস্ত্র (মূলত কালাশনিকভ) ও আইসিস-এর প্রপাগান্ডা ভিডিও পাওয়া গেছে। মসজিদ নেতার বাড়িতে পাওয়া গেছে শান্তি-রিভলভার ও জিহাদি কাগজপত্র।

১৩. মৌমাছি যখন মধুর বিরুদ্ধে - সন্ত্রাসবিরোধী ইছলামী সামরিক জোট গঠন করেছে চৌদি আজব।

১৪. নবীজি নিজেই প্রতিমা ভেঙে উদাহরণ সৃষ্টি করেছিল। তাকে অনুসরণ করে তার বাংলাদেশী উম্মতরা সুন্নত আদায় করছে মাত্র। বলা উচিত, বাংলাদেশ চলছে সঠিক ইছলামী পথে। আরেক দল মুছলিম বোমা হামলা ও গুলি চালিয়েছে ইসকন মন্দিরে। বাসায় ঢুকে খ্রিষ্টান তিন ভাইবোনকে গুলি করেছে, কুপিয়েছে মুছলিমরাই।

১৫. ইছলামে ছবি তোলাই হারাম, ভিডিও তো দূরের কথা! অথচ ইছলামের জন্মস্থান ও পৃথিবীর প্রধানতম ইছলামী দেশে সিনেমা হল স্থাপন করা হবে। হালাল বিয়ার, হালাল হুইস্কি, হালাল সেক্সশপ-এর মতো এবারে হালাল সিনেমা হল?

১৬. গান-বাজনাও ইছলামে হারাম। তাই বাউল উৎসবের আয়োজককে ছহীহ উপায়ে কুপিয়ে হত্যা করে অশেষ ছওয়াব হাছিল করা হয়েছে।

১৭. ডেনমার্কে বসবাসকারী মুছলিমদের ৪৬.১ শতাংশ মনে করে, ডেনমার্কের আইনকানুন শরিয়াভিত্তিক হওয়া আবশ্যক। তবে তা যেহেতু হচ্ছে না, তাহলে এই মুছলিমগুলো কুফরী এই দেশটাকে ত্যাগ করে শতভাগ শরিয়া আইনের দেশগুলোয় চলে যায় না কেন?