১৫ ডিসেম্বর, ২০১৫

নাস্তিকী প্রযুক্তি, পণ্য > ব্যবহারে মমিনরা ধন্য

অনেকেরই হয়তো জানা নেই যে, কম্পিউটার ও ইনফরমেশন টেকনোলজির বাঘা-বাঘা বেশ কয়েকজন মহারথী ধর্ম- ও ঈশ্বরবিশ্বাসহীন।

প্রথমেই বলতে হয় বিল গেইটসের নাম। ব্যক্তিগতভাবে তাঁর ও উইন্ডোজের যতো সমালোচনাই করা হোক না কেন, পৃথিবীটা যে এতো দ্রুত বদলে গেছে, এতো ছোট হয়ে এসেছে, সেটার পেছনে তাঁর উইন্ডোজের ভূমিকা যে অপরিসীম, তা স্বীকার করবে নিন্দুকেরাও।

নাস্তিক বিল গেইটসের দু'টি উদ্ধৃতি:
1. I'm not somebody who goes to church on a regular basis. The specific elements of Christianity are not something I'm a huge believer in.
2. Just in terms of allocation of time resources, religion is not very efficient. There's a lot more I could be doing on a Sunday morning.
উইন্ডোজ ছেড়ে আসা যাক লিনাক্সে। এই প্রকল্পের উদ্যোক্তা ও নেপথ্যের ব্যক্তিটির নাম Linus Torvalds. তিনিও নাস্তিক। তাঁর মুখেই শোনা যাক:
Hmmm, completely a-religious -- atheist. I find that people seem to think religion brings morals and appreciation of nature. I actually think it detracts from both.
এবারে চলুন অ্যাপল কম্পিউটারে। এই প্রতিষ্ঠানের সহ-উদ্যোক্তা এবং অ্যাপল ১ ও অ্যাপল ২-এর উদ্ভাবক Steve Wozniak. ধর্ম বা ঈশ্বরে বিশ্বাস নেই তাঁরও। তাঁর বক্তব্য:
I am also atheist or agnostic (I don't even know the difference). I've never been to church and prefer to think for myself. 
আধুনিক কম্পিউটার বিজ্ঞানের জনক হিসেবে যাঁর নাম উচ্চারিত হয়, তিনি হচ্ছেন ব্রিটিশ অংকবিদ, সংকেতলিপি বিশারদ Alan Turing. কম্পিউটার বিজ্ঞানের "নোবেল" পুরস্কারটি তাঁর নামেই করা হয়েছে: Turing Award. তাঁকে নিয়ে লেখা বিবিসি-র এই সংবাদে বলা হচ্ছে, আপনি হয়তো তাঁর নামই শোনেননি, তবে মূলত তাঁর প্রতিভার কল্যাণেই আপনি এই খবরটি পড়ছেন আপনার কম্পিউটারে। একই খবরেই বলা হচ্ছে, তিনি নাস্তিক ছিলেন।

সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং জগতে বিপ্লব ঘটানো ফেসবুকের উদ্ভাবক ও প্রবর্তক ছাব্বিশ বছরের তরুণ Mark Zuckerberg. উইকিপিডিয়ায় তাঁর সম্পর্কে স্পষ্ট করেই লেখা আছে, তিনি নাস্তিক। ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের এই খবরেও বলা হচ্ছে, তিনি নিজেকে নাস্তিক হিসেবে গণ্য করেন।

* ০১.১০.১০ তারিখে প্রথম প্রকাশিত