২০ ডিসেম্বর, ২০১৫

আয়েশার প্রতি অপবাদ - ৫: শরিয়া রাজ্যে ধর্ষণ ও তার অভিযোগ!: কুরানে বিগ্যান (পর্ব- ১০৬): ত্রাস, হত্যা ও হামলার আদেশ – আশি

লিখেছেন গোলাপ

পর্ব ১ > পর্ব ২ > পর্ব ৩ > পর্ব ৪ > পর্ব ৫ > পর্ব ৬ > পর্ব ৭ > পর্ব ৮ > পর্ব ৯ > পর্ব ১০ > পর্ব ১১ > পর্ব ১২ > পর্ব ১৩ > পর্ব ১৪ > পর্ব ১৫ > পর্ব ১৬ > পর্ব ১৭ > পর্ব ১৮ > পর্ব ১৯ > পর্ব ২০ > পর্ব ২১ > পর্ব ২২ > পর্ব ২৩ > পর্ব ২৪ > পর্ব ২৫ > পর্ব ২৬ > পর্ব ২৭ > পর্ব ২৮ > পর্ব ২৯ > পর্ব ৩০ > পর্ব ৩১ > পর্ব ৩২ > পর্ব ৩৩ > পর্ব ৩৪ > পর্ব ৩৫ > পর্ব ৩৬ > পর্ব ৩৭ > পর্ব ৩৮ > পর্ব ৩৯ পর্ব ৪০ > পর্ব ৪১ পর্ব ৪২ > পর্ব ৪৩ > পর্ব ৪৪ > পর্ব ৪৫ > পর্ব ৪৬ > পর্ব ৪৭ > পর্ব ৪৮ > পর্ব ৪৯ > পর্ব ৫০ > পর্ব ৫১ > পর্ব ৫২ > পর্ব ৫৩ > পর্ব ৫৪ > পর্ব ৫৫ > পর্ব ৫৬ > পর্ব ৫৭ > পর্ব ৫৮ > পর্ব ৫৯ > পর্ব ৬০ > পর্ব ৬১ > পর্ব ৬২ > পর্ব ৬৩ > পর্ব ৬৪ > পর্ব ৬৫ > পর্ব ৬৬ > পর্ব ৬৭ > পর্ব ৬৮ > পর্ব ৬৯ > পর্ব ৭০ > পর্ব ৭১ > পর্ব ৭২ > পর্ব ৭৩ > পর্ব ৭৪ > পর্ব ৭৫ > পর্ব ৭৬ > পর্ব ৭৭ > পর্ব ৭৮ > পর্ব ৭৯ > পর্ব ৮০ > পর্ব ৮১ > পর্ব ৮২ > পর্ব ৮৩ > পর্ব ৮৪ > পর্ব ৮৫ > পর্ব ৮৬ > পর্ব ৮৭ > পর্ব ৮৮ > পর্ব ৮৯ > পর্ব ৯০ > পর্ব ৯১ > পর্ব ৯২ > পর্ব ৯৩ > পর্ব ৯৪ > পর্ব ৯৫ > পর্ব ৯৬ > পর্ব ৯৭ > পর্ব ৯৮ > পর্ব ৯৯ > পর্ব ১০০ > পর্ব ১০১ > পর্ব ১০২ > পর্ব ১০৩ > পর্ব ১০৪ > পর্ব ১০৫

স্বঘোষিত আখেরি নবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) তাঁর একান্ত পারিবারিক বিষয়, প্রিয় পত্নী আয়েশার প্রতি অপবাদ মোচনের অভিপ্রায়ে 'তাঁর আল্লাহর রেফারেন্সে’ যে-সমস্ত বাণী বর্ষণ করেছিলেন, তা তাঁর স্বরচিত ব্যক্তিমানস জীবনী (Psycho-biography) গ্রন্থ কুরানের কোন অধ্যায়ে লিপিবদ্ধ আছে; তিনি তাঁর আল্লাহর রেফারেন্সে ব্যভিচার ও ধর্ষণ প্রমাণের জন্য অবশ্য প্রয়োজনীয় চার জন পুরুষ সাক্ষী হাজির করার যে-আদেশ জারি করেছেন, তা একজন অভিযোগকারীর পক্ষে হাজির করা কী কারণে প্রায় অসম্ভব ও দুঃসাধ্য; এই দুঃসাধ্য প্রমাণ হাজির ব্যতিরেকে কোনো ব্যক্তি যদি কারও বিরুদ্ধে ব্যভিচার ও ধর্ষণের অভিযোগ আনয়ন করেন, তবে মুহাম্মদের আদেশকৃত বিধানে সেই ব্যক্তির শাস্তি কী হবে; মুহাম্মদের আদেশকৃত এই বিধানে ইসলামের ঊষালগ্ন থেকে আজ অবধি তাঁর এই আদেশ ও অনুশাসন পালনকারী সমাজে কীভাবে প্রায় সকল ধর্ষকই পায় ছাড়া ও নারীরা হয় অভিযুক্ত; সেই অভিযুক্ত ব্যক্তির শাস্তি কী ও তা কী অমানুষিক নৃশংসতায় কার্যকর করা হয় - ইত্যাদি বিষয়ের আলোচনা আগের পর্বে করা হয়েছে। মুহাম্মদ ইবনে আবদুল্লাহ তাঁর সৃষ্ট আল্লাহর নামে "সূরা আন-নূর অধ্যায়ে (চ্যাপ্টার ২৪)" অন্যান্য আর যে সমস্ত বানী বর্ষণ করেছেন তা হলো,

মুহাম্মদের ভাষায়:
[বাগাড়ম্বরপূর্ণ, স্বেচ্ছাচারী, হুমকি-শাসানি ও শাপ-অভিশাপ জাতীয় বাক্য পরিহার]
২৪:৬-৭ – “এবং যারা তাদের স্ত্রীদের প্রতি অপবাদ আরোপ করে এবং তারা নিজেরা ছাড়া তাদের কোন সাক্ষী নেই, এরূপ ব্যক্তির সাক্ষ্য এভাবে হবে যে, সে আল্লাহর কসম খেয়ে চারবার সাক্ষ্য দেবে যে, সে অবশ্যই সত্যবাদী। (৭) এবং পঞ্চমবার বলবে যে, যদি সে মিথ্যাবাদী হয় তবে তার উপর আল্লাহর লানত”।  

২৪:৮-৯- “এবং স্ত্রীর শাস্তি রহিত হয়ে যাবে যদি সে আল্লাহর কসম খেয়ে চার বার সাক্ষ্য দেয় যে, তার স্বামী অবশ্যই মিথ্যাবাদী; (৯) এবং পঞ্চমবার বলে যে, যদি তার স্বামী সত্যবাদী হয় তবে তার ওপর আল্লাহর গযব নেমে আসবে”।          

>>> ইবনে কাথির ও অন্যান্য কুরান তফসীরকার এবং ইমাম বুখারীর বর্ণনায় আমরা জানতে পারি যে, মুহাম্মদ তাঁর এই আদেশ জারি করেছিলেন এক বিশেষ ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে। সেই ঘটনাটি হলো: [1] [2]

'হিলাল বিন উমাইয়া নামের এক অনুসারী মুহাম্মদের কাছে অভিযোগ আনেন এই বলে যে, তার স্ত্রী সারিক বিন সাহমা নামের এক লোকের সাথে অবৈধ যৌনসম্পর্কে লিপ্ত ছিল। অভিযোগটি শোনার পর মুহাম্মদ তাকে বলেন যে, "তোমাকে এই অভিযোগের প্রমাণ (চারজন সাক্ষী) হাজির করতে হবে, আর তা না পারলে তোমার পিঠে আইনি শাস্তি (চাবুকের কশাঘাত) প্রয়োগ করা হবে।"

হিলাল জবাবে বলে যে, "হে আল্লাহর নবী, যদি আমাদের কোনো লোক প্রত্যক্ষ করে যে, তার স্ত্রী অন্য কোনো পুরুষের সঙ্গে যৌনসম্পর্কে লিপ্ত, তখনও কি তাকে সাক্ষী যোগাড়ের জন্য যেতে হবে?" জবাবে মুহাম্মদ বলতেই থাকেন যে যে, "তোমাকে এই অভিযোগের প্রমাণ (চারজন সাক্ষী) হাজির করতে হবে, আর তা না পারলে তোমার পিঠে আইনি শাস্তি (চাবুকের কশাঘাত) প্রয়োগ করা হবে।"

তা শুনে হিলাল বলে, "আমি সত্যি কথা বলছি ও আল্লাহ তা আপনার কাছে প্রকাশ করবেন, যাতে আমি আমার এই শাস্তি থেকে রেহাই পেতে পারি।" তখন জিবরাইল ওপরের (২৪:৬-৯) এই বাণীগুলো নিয়ে হাজির হয়। অতঃপর হিলাল ও তার স্ত্রী মুহাম্মদের কাছে এই নির্দেশ অনুযায়ী শপথ করে।

(Narrated Ibn Abbas: Hilal bin Umaiya accused his wife of committing illegal sexual intercourse with Sharik bin Sahma' and filed the case before the Prophet. The Prophet said (to Hilal), "Either you bring forth a proof (four witnesses) or you will receive the legal punishment (lashes) on your back." Hilal said, "O Allah's Apostle! If anyone of us saw a man over his wife, would he go to seek after witnesses?" The Prophet kept on saying, "Either you bring forth the witnesses or you will receive the legal punishment (lashes) on your back."Hilal then said, "By Him Who sent you with the Truth, I am telling the truth and Allah will reveal to you what will save my back from legal punishment." Then Gabriel came down and revealed to him:-- 'As for those who accuse their wives...' (24.6-9) The Prophet recited it till he reached: '... (her accuser) is telling the truth.'---). [1]

অর্থাৎ, ঘটনাস্থলে উপস্থিত থেকে এক-দুই বা তিন জন পুরুষ (চার জনের কম) যদি কোনো ধর্ষণ বা ব্যভিচার চাক্ষুষ প্রত্যক্ষ করে, তথাপিও মুহাম্মদের আদেশকৃত এই বিধানে এটিকে ধর্ষণ বা ব্যভিচারের প্রমাণ হিসাবে গণ্য করা হবে না! শুধু তাইই নয়, অভিযোগকারীর প্রত্যেক কে আশিটি করে দোররা মারা হবে।

প্রমাণের জন্য অবশ্য-প্রয়োজনীয় চার জন পুরুষ সাক্ষী! প্রত্যক্ষদর্শী কোনো নারীর সাক্ষী এ ক্ষেত্রে গ্রহণযোগ্য হবে না, তা তাঁরা সংখ্যায় পাঁচ-দশ-বিশ-শত সহস্র জনই হোক না কেন! "প্রমাণ ব্যতিরেকে" অভিযোগ দাখিলের অপরাধে এই প্রত্যক্ষদর্শী নারীদের প্রত্যেককে আশিটি করে দোররা মেরে তাঁদের পিঠ রক্তাক্ত করা হবে (২৪:৪-৫)।" এমত পরিস্থিতিতে নিজে চাক্ষুষ প্রত্যক্ষ করার পরেও কোনো ব্যক্তি যে ধর্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনতে সাহস করবেন না, তা বলাই বাহুল্য!

অতঃপর মুহাম্মদ তাঁর পত্নী আয়েশার প্রতি অপবাদের বিষয়টি হাজির করেন: ২৪:১১-২২- যার আলোচনা পর্ব: ১০৪ এ করা হয়েছে।

অতঃপর তিনি 'নারীদের হিজাব' বিষয়ে আদেশ জারী করেন:
২৪:৩০-৩১ – “মুমিনদেরকে বলুন, তারা যেন তাদের দৃষ্টি নত রাখে এবং তাদের যৌনাঙ্গর হেফাযত করে। এতে তাদের জন্য খুব পবিত্রতা আছে। নিশ্চয় তারা যা করে আল্লাহ তা অবহিত আছেন। (৩১) ঈমানদার নারীদেরকে বলুন, তারা যেন তাদের দৃষ্টিকে নত রাখে এবং তাদের যৌন অঙ্গের হেফাযত করে। তারা যেন যা সাধারণতঃ প্রকাশমান, তা ছাড়া তাদের সৌন্দর্য প্রদর্শন না করে এবং তারা যেন তাদের মাথার ওড়না বক্ষ দেশে ফেলে রাখে এবং তারা যেন তাদের স্বামী, পিতা, শ্বশুর, পুত্র, স্বামীর পুত্র, ভ্রাতা, ভ্রাতুস্পুত্র, ভগ্নিপুত্র, স্ত্রীলোক অধিকারভুক্ত বাঁদী, যৌনকামনামুক্ত পুরুষ, ও বালক, যারা নারীদের গোপন অঙ্গ সম্পর্কে অজ্ঞ, তাদের ব্যতীত কারো আছে তাদের সৌন্দর্য প্রকাশ না করে, তারা যেন তাদের গোপন সাজ-সজ্জা প্রকাশ করার জন্য জোরে পদচারণা না করে। মুমিনগণ, তোমরা সবাই আল্লাহর সামনে তওবা কর, যাতে তোমরা সফলকাম হও”। [3]

তারপর, বিয়ে শাদীর পরামর্শ:
২৪: ৩২-৩৩ – “তোমাদের মধ্যে যারা বিবাহহীন, তাদের বিবাহ সম্পাদন করে দাও এবং তোমাদের দাস ও দাসীদের মধ্যে যারা সৎকর্মপরায়ন, তাদেরও। তারা যদি নিঃস্ব হয়, তবে আল্লাহ নিজ অনুগ্রহে তাদেরকে সচ্ছল করে দেবেন। আল্লাহ প্রাচুর্যময়, সর্বজ্ঞ। (৩৩) যারা বিবাহে সামর্থ নয়, তারা যেন সংযম অবলম্বন করে যে পর্যন্ত না আল্লাহ নিজ অনুগ্রহে তাদেরকে অভাবমুক্ত করে দেন। তোমাদের অধিকারভুক্তদের মধ্যে যারা মুক্তির জন্য লিখিত চুক্তি করতে চায়, তাদের সাথে তোমরা লিখিত চুক্তি কর যদি জান যে, তাদের মধ্যে কল্যাণ আছে। আল্লাহ তোমাদেরকে যে, অর্থ-কড়ি দিয়েছেন, তা থেকে তাদেরকে দান কর। তোমাদের দাসীরা নিজেদের পবিত্রতা রক্ষা করতে চাইলে তোমরা পার্থিব জীবনের সম্পদের লালসায় তাদেরকে ব্যভিচারে বাধ্য কারো না। যদি কেহ তাদের উপর জোর-জবরদস্তি করে, তবে তাদের উপর জোর-জবরদস্তির পর আল্লাহ তাদের প্রতি ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু”। [4]       

>>> আগ্রাসী হামলায় বানু আল-মুসতালিক গোত্র-প্রধানের কন্যা জুয়াইরিয়া বিনতে আল-হারিথকে বন্দী করার পর অসহায় জুয়াইরিয়া তাঁর মনিব থাবিত বিন কায়েস এর কাছ থেকে মুক্তি লাভের জন্য কীভাবে এক লিখিত আবেদন করেছিলেন তার আলোচনা পর্ব: ১০১-এ করা হয়েছে।

তারপর, নারী-পুরুষরা কীভাবে চলাফেরা করবেন সে বিষয়ে:
২৪:৫৮-৫৯- হে মুমিনগণ! তোমাদের দাসদাসীরা এবং তোমাদের মধ্যে যারা প্রাপ্ত বয়স্ক হয়নি তারা যেন তিন সময়ে তোমাদের কাছে অনুমতি গ্রহণ করে, ফজরের নামাযের পূর্বে, দুপুরে যখন তোমরা বস্ত্র খুলে রাখ এবং এশার নামাযের পর। এই তিন সময় তোমাদের দেহ খোলার সময়। এ সময়ের পর তোমাদের ও তাদের জন্যে কোন দোষ নেই। তোমাদের একে অপরের কাছে তো যাতায়াত করতেই হয়, এমনি ভাবে আল্লাহ তোমাদের কাছে সুস্পষ্ট আয়াতসমূহ বিবৃত করেন। আল্লাহ সর্বজ্ঞ, প্রজ্ঞাময়। তোমাদের সন্তান -সন্ততিরা যখন বায়োপ্রাপ্ত হয়, তারাও যেন তাদের পূর্ববর্তীদের ন্যায় অনুমতি চায়। এমনিভাবে আল্লাহ তাঁর আয়াতসমূহ তোমাদের কাছে বর্ণনা করেন। আল্লাহ সর্বজ্ঞ, প্রজ্ঞাময়।

আবারও 'নারীদের হিজাব' বিষয়ে:
২৪:৬০- “বৃদ্ধা নারী, যারা বিবাহের আশা রাখে না, যদি তারা তাদের সৌন্দর্য প্রকাশ না করে তাদের বস্ত্র খুলে রাখে। তাদের জন্যে দোষ নেই, তবে এ থেকে বিরত থাকাই তাদের জন্যে উত্তম। আল্লাহ সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ”।

>>> সংক্ষেপে, মুহাম্মদ ইবনে আবদুল্লাহর আদেশকৃত বিধানে ধর্ষণ প্রমাণ করা অত্যন্ত দুঃসাধ্য একটি ব্যাপার। আর এই দুঃসাধ্য প্রমাণ হাজির ব্যতিরেকে কারও বিরুদ্ধে অভিযোগ হাজির করলে অভিযোগকারীকেই নিশ্চিত শাস্তির শিকার হতে হয়। মুহাম্মদের এই আদেশের ভয়াবহ চিত্র হলো - চার জন পুরুষের সাক্ষ্য ব্যতিরেকে নারীর সাক্ষ্য কখনোই গ্রহণযোগ্য হয় না, তা তাঁরা সংখ্যায় যত অধিকই হোন না কেন!

এমত পরিস্থিতিতে পৃথিবীর যে কোনো শরিয়া রাজ্যে ধর্ষকদের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয় না। ধর্ষকরা তাদের ধর্ষণকার্য সম্পন্ন করতে পারেন প্রায় নিশ্চিন্তে। নিশ্চিত শাস্তির ভয়ে ধর্ষিতারা ধর্ষকদের বিরুদ্ধে অভিযোগ দাখিল করেন না। নারীরা পদে পদে হন নিগৃহীত ও লাঞ্ছিত। "আল্লাহর নামে" মুহাম্মদের এই বিধান নারীদের জন্য এক মরণফাঁদ ছাড়া আর কিছুই নয়!

(চলবে)

[কুরানের উদ্ধৃতিগুলো সৌদি আরবের বাদশাহ ফাহাদ বিন আবদুল আজিজ (হারাম শরীফের খাদেম) কর্তৃক বিতরণকৃত বাংলা তরজমা থেকে নেয়া, অনুবাদে ত্রুটি-বিচ্যুতির দায় অনুবাদকারীর। কুরানের ছয়জন বিশিষ্ট অনুবাদকারীর পাশাপাশি অনুবাদ এখানে।] 

তথ্যসূত্র ও পাদটীকা:



[2] ইবনে কাথিরের কুরান তফসির: The Reason why the Ayah of Li`an (for those who accuse their wives of illegal sex) was revealed (24:6-11):
Al-Ifk (the Slander) – next 10 aya (24:11-22) – regarding Ayesha:

তাফসীর যালালীন ও অন্যান্য:

[3] 'নারীদের হিজাব' বিষয়ে আদেশ জারী:
This is a command from Allah to the believing women, and jealousy on His part over the wives of His believing servants. It is also to distinguish the believing women from the women of the Jahiliyyah and the deeds of the pagan women. The reason for the revelation of this Ayah was mentioned by Muqatil bin Hayyan, when he said: "We heard -- and Allah knows best -- that Jabir bin `Abdullah Al-Ansari narrated that Asma' bint Murshidah was in a house of hers in Bani Harithah, and the women started coming in to her without lower garments so that the anklets on their feet could be seen, along with their chests and forelocks. Asma' said: `How ugly this is!' Then Allah revealed:

[4] ইবনে কাথিরের কুরান তফসির
And force not your slave-girls to prostitution...) Among the people of the Jahiliyyah, there were some who, if he had a slave-girl, he would send her out to commit Zina and would charge money for that, which he would take from her every time. When Islam came, Allah forbade the believers to do that. The reason why this Ayah was revealed, according to the reports of a number of earlier and later scholars of Tafsir, had to do with`Abdullah bin Ubayy bin Salul. He had slave-girls whom he used to force into prostitution so that he could take their earnings and because he wanted them to have children which would enhance his status, or so he claimed.