৪ অক্টোবর, ২০১৫

দোজখের আজাব ও বাচ্চা ভয়ংকর

লিখেছেন বেহুলার ভেলা

নাহিদ চতুর্থ শ্রেণীতে পড়ে। হুজুর তাকে কোরান পড়াতে এসেছেন। 

হুজুর: তুমি কি ফজরের নামাজ পড়েছ?
নাহিদ: না, হুজুর।
হুজুর: তাহলে তো তুমি জাহান্নামে যাবে।
নাহিদ: ওখানে গেলে কী হবে?
হুজুর: সেখানে দুনিয়া থাইক্যা সত্তর গুণ বেশি গরম আগুন আছে, তোমাকে এতে জ্বালানো হবে। আর আছে উটের মত, গাধার মত বড় বড় সাপ, বিচ্ছু!
নাহিদ: আল্লাটা কত্ত খারাপ!
হজুর: এভাবে বলে না, আল্লা গুনাহ দেবে।
নাহিদ: কেন, উনি গুনাহ না দিলেই তো হয়। আমমার মতো ছোট্ট মানুষের কথায় আল্লা গুনাহ দেবে। উনি কত্ত বোকা! 
হুজুর: বেয়াদপ, দোজখের কথা কী বললাম এতক্ষণ?
নাহিদ: আচ্ছা হুজুর, জাহান্নামের আগুন কত ডিগ্রি সেলসিয়াস? 
হুজুর: আমি কী জানি!
নাহিদ: টিভিতে দেখসি, পৃথিবীতে যে আগুন, সেটা বিভিন্ন রকম তাপমাত্রা তৈরী করে। এর থেকে সত্তর গুণ আবার কী? 
হুজুর: কী মুশকিলে পড়লাম, কোরানে বের করে পড়তে থাক। 
নাহিদ: হুজুর, দোজখের এত গরমের মইধ্যে সাপ-বিচ্ছুগুলা বাঁচবে ক্যাম্নে?
হুজুর: সাপ-বিচ্ছুদের গরমে কিচ্ছু হবে না।
নাহিদ: তাহলে ওগুলো সাপ-বিচ্ছু না, ওগুলো রোবট, আমার রোবট আপনাকে দেখাব একদিন। 
হুজুর: চুপ, কোরান পড়তে বস। 

#

দোজখের বিবরণ পড়লে বেশ ভাল বিনোদন পাবেন। 

একটা হাদিসের বর্ণনা মতে, জাহান্নাম নাকি এত গভীর যে, ওটার মধ্যে কোনো বস্তু পড়লে তলায় পৌঁছতে সত্তর বছর সময় লেগে যায়। আবার আরেকটি হাদিসে আছে, নবীকে একটি পতিত বস্তু সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বললেন, ওটা জাহান্নামের মুখ থেকে ৭০ বছর সময়ে তলায় পতিত হয়েছে। এটি তারই শব্দ। 

নূরের নবীর অভিকর্ষজ ত্বরণ সম্পর্কে কোনো ধারণাই ছিল না। এরকম শুধু শুধু 'সত্তর বছর' কথাটার দ্বারা কিছুই যে বোঝায় না, তা তাঁকে কে জানাবে? আর উটের মত, গাধার মত বড় বড় সাপ, বিচ্ছু। সখী, আহম্মক কারে কয়? 

আর সবজান্তা আল্যাফাকও কম যান না। তিনি কোরানে বলেছেন, মানুষ আর পাথর নাকি হবে জাহান্নামের জ্বালানি (৬৬:৬)।

অফুরন্ত বিনোদন। রেফারেন্স সহ পূর্ণ বিনোদনের জন্য এই ফাইলটি (পিডিএফ) দেখুন। এবং অরজিনিয়াল ইছলামী বিনুদুনসম্পন্ন এই ভিডিওটিও মিস করা যাবে না:

ভিডিও লিংক: https://youtu.be/kUm21VMe7Jg