১৫ অক্টোবর, ২০১৫

ফাতেমা দেবীর ফতোয়া - ২৩

লিখেছেন ফাতেমা দেবী (সঃ)

১১১.
সাধারণ মমিনরা বেহেস্তে ৭২খানা করে হুরী পাবে ছহবত করার জন্য। আমাদের নবীজির ছহবত ক্ষমতা সাধারণ পুরুষের ৩০ গুণ বেশি। তিনি কয়খানা হুরী পাবেন ৩০ গুণ ছহবত ক্ষমতা ব্যবহারের জন্য? ২১৬০ খানা কি?

১১২.
আসুন কোরান তিলাওয়াত করি।

কাফেরদের অন্তরে রোগ, সুতরাং আল্লা ওদের রোগ আরো বৃদ্ধি করে দেন। আছে তাদের জন্য কঠিন শাস্তি। (সুরা বাকারা, আয়াত ১০)

কারো কোনো প্রকার রোগ হলে সর্বশক্তিমান দয়াময় আল্যা তা সারিয়ে না দিয়ে আরো বৃদ্ধি করে দেন কেন? আল্যা রোগ বাড়িয়ে দেবার কারণে তিনি মানুষের জন্য কঠিন শাস্তির ব্যবস্থা করেন কেন?

১১৩.
মহানবী ছিল মহাবদ, অন্যান্য পাতি-নবীরা ছিল পাতি-বদ।

১১৪.
আল্যা পৃথিবীর ওপর সাতখানা আসমান স্থাপন করার সময় উহাতে কোনো খুঁটি দেন নাই। কারণ তখনও তিনি কোনো বাঁশ বানান নাই। খুঁটি দিবেন কোথা হতে? এই পুরানো খুঁটিবিহীন সাত-আসমান যে কোনো মুহূর্তে আমাদের মাথার উপর ভাঙ্গিয়া পড়তে পারে। আল্যাফাকের পাছা মোবারক ভাইঙ্গা যেতে পারে। আল্যার পাছা ভেঙ্গে তিনি ইন্তেকাল করিলে আমরা আল্যাফাক পাবো কোথায়? মুছলিমরা ফাক করবে কাহাকে? তাই আমি সাত আসমানে বাঁশের খুঁটি লাগানোর মহান প্রকল্প হাতে নিয়েছি। আমীন।

১১৫.
একদা আমাদের নবীজান তার কন্যা কাম ভাবীজান ফাতেমার বাড়িতে গিয়ে দরজা নক করলো, নক নক!
ভেতর থেকে নবীজানের নাতি কাম ভাতিজা হাসান ও হুসাইন বললো, কেডা?
নবীজান বললো, আমি তোদের নানা কাম জ্যেডা।