৭ অক্টোবর, ২০১৫

ফাতেমা দেবীর ফতোয়া - ২২

লিখেছেন ফাতেমা দেবী (সঃ)

১০৬.
ব্যাংক-ডাকাত ও মমিনাদের পোশাক একই রকম কেন? রহস্যটা কী?

১০৭.
কেয়ামতের দিন সারা পৃথিবীই নাকি ধ্বংস হয়ে যাবে। সেদিন কাবাঘর ও হাজরে আসওয়াদও ধ্বংস হয়ে যাবে নিশ্চয়। কারণ এগুলি তো সারা পৃথিবীর বাইরে পড়ে না। আহারে, আল্যার প্রধান বাসভবন ও তার যোনি মোবারকও একদিন ধ্বংস হয়ে যাবে - ভাবতে মনটা বিষম বেদনায় হু-হু করে কেঁদে ওঠে। কজমিক ডাস্ট হয়ে যাবে আল্যার যোনি ও বাড়িঘর! বিধর্মী বিজ্ঞানীরা বলেন, নাক্ষত্রিক ধূলা থেকে সবকিছুর সৃষ্টি। আবার সবকিছু ধূলায় পরিণত হবে। দেখুন তো, বিজ্ঞানীদের কথার সাথে আল্যার কথা কেমন খাপেখাপে মিলে যায়!

১০৮.
নবীজী - নয় বছরের বিবির ভেতর বীর্যবিসর্জনকারী জীব।
কিংবা
নবীজী - নয় বিবির ভেতর বীর্যবিসর্জনকারী জীব।

১০৯.
কোরান নামক রূপকথার বইয়ে রয়েছে মরে যাবার পরে লালপানির হাতছানি আর হুরীর পালের সাথে লালপানিতে হাবুডুবু খেতে খেতে বেসামাল পর্নো কাহিনীর টোপ। এখন বলুন তো, কে বেশি আবাল? যে এই পর্নোটোপ রূপকথা রচনা করেছে, সে? নাকি যারা এই পর্নোটোপ রূপকথার বড়শি গিলে ছটফট করছে আর লালা ঝরাচ্ছে ঊর্ধ্ব ও নিম্নাঙ্গের - মরার পরে লালপানির নদীতে ডুবে ডুবে হুরীর পালে ডিগবাজি খাবার জন্য, তারা?

১১০.
- আল্যা ছিদ্রবিহীন আসমান বানাইছেন ক্যান? আসমানে ক্যান কোনো ছিদ্র দেন নাই?
- আল্যা আসমানের ওপর বসে আছেন। তিনি কোনো কাপড়চোপড় পরেন না। আসমানে যদি ছিদ্র দিতেন, তাইলে মাইনষে পৃথিবী হ'তে আল্যাপাকের পাছার ছিদ্র দেখতে পাইতো। এই জন্যই আল্যা বুদ্ধি করে আসমানে কোনো ছিদ্র দেন নাইক্কা।