১৯ অক্টোবর, ২০১৫

বানু আল-মুসতালিক হামলা-১: মুহাজির ও আনসারদের মধ্যে কোন্দল: কুরানে বিগ্যান (পর্ব-৯৭): ত্রাস, হত্যা ও হামলার আদেশ – একাত্তর

লিখেছেন গোলাপ

পর্ব ১ > পর্ব ২ > পর্ব ৩ > পর্ব ৪ > পর্ব ৫ > পর্ব ৬ > পর্ব ৭ > পর্ব ৮ > পর্ব ৯ > পর্ব ১০ > পর্ব ১১ > পর্ব ১২ > পর্ব ১৩ > পর্ব ১৪ > পর্ব ১৫ > পর্ব ১৬ > পর্ব ১৭ > পর্ব ১৮ > পর্ব ১৯ > পর্ব ২০ > পর্ব ২১ > পর্ব ২২ > পর্ব ২৩ > পর্ব ২৪ > পর্ব ২৫ > পর্ব ২৬ > পর্ব ২৭ > পর্ব ২৮ > পর্ব ২৯ > পর্ব ৩০ > পর্ব ৩১ > পর্ব ৩২ > পর্ব ৩৩ > পর্ব ৩৪ > পর্ব ৩৫ > পর্ব ৩৬ > পর্ব ৩৭ > পর্ব ৩৮ > পর্ব ৩৯ পর্ব ৪০ > পর্ব ৪১ > পর্ব ৪২ > পর্ব ৪৩ > পর্ব ৪৪ > পর্ব ৪৫ > পর্ব ৪৬ > পর্ব ৪৭ > পর্ব ৪৮ > পর্ব ৪৯ > পর্ব ৫০ > পর্ব ৫১ > পর্ব ৫২ > পর্ব ৫৩ > পর্ব ৫৪ > পর্ব ৫৫ > পর্ব ৫৬ > পর্ব ৫৭ > পর্ব ৫৮ > পর্ব ৫৯ > পর্ব ৬০ > পর্ব ৬১ > পর্ব ৬২ > পর্ব ৬৩ > পর্ব ৬৪ > পর্ব ৬৫ > পর্ব ৬৬ > পর্ব ৬৭ > পর্ব ৬৮ > পর্ব ৬৯ > পর্ব ৭০ > পর্ব ৭১ > পর্ব ৭২ > পর্ব ৭৩ > পর্ব ৭৪ > পর্ব ৭৫ > পর্ব ৭৬ > পর্ব ৭৭ > পর্ব ৭৮ > পর্ব ৭৯ > পর্ব ৮০ > পর্ব ৮১ > পর্ব ৮২ > পর্ব ৮৩ > পর্ব ৮৪ > পর্ব ৮৫ > পর্ব ৮৬ > পর্ব ৮৭ > পর্ব ৮৮ > পর্ব ৮৯ > পর্ব ৯০ > পর্ব ৯১ > পর্ব ৯২ > পর্ব ৯৩ > পর্ব ৯৪ > পর্ব ৯৫ > পর্ব ৯৬

বনি কুরাইজা গণহত্যার ছয় মাস পর স্বঘোষিত আখেরি নবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) বানু লিহায়েন (লিহিয়ান) গোত্রের লোকদেরকে প্রতারণার আশ্রয়ে বিভ্রান্ত করে অতর্কিত আক্রমণের উদ্দেশ্যে যে-হামলাটি পরিচালনা করেছিলেন, তা কীভাবে ব্যর্থ হয়েছিল তার আলোচনা আগের পর্বে করা হয়েছে।

মুহাম্মদ ইবনে ইশাকের (৭০৪-৭৬৭ সাল) মতে, বানু লিহায়েন গোত্রের উপর এই ব্যর্থ হামলার প্রায় দেড় মাস পর মুহাম্মদ যে-হামলাটি পরিচালনা করেন, ইসলামের ইতিহাসে তা "বানু আল-মুসতালিক হামলা" (THE RAID ON B. AL-MUSTALIQ) নামে সুপরিচিত। তবে এই হামলাটি ঠিক কখন সংঘটিত হয়েছিল, সে বিষয়ে আদি মুসলিম স্কলারদের মধ্যে মতভেদ আছে।

আবু জাফর মুহাম্মদ ইবনে জারির আল-তাবারীর (৮৩৮-৯২৩ খৃষ্টাব্দ) বর্ণনা: [1]

'বানু আল-মুসতালিক" গোত্রের লোকদের বিরুদ্ধে আল্লাহর নবীর এই অভিযানটি কখন সংঘটিত হয়েছিল, সে বিষয়ে মতভেদ আছে। এই সেই অভিযান, যাকে বলা হয় আল-মুরায়েসি অভিযান। আল-মুরায়েসি হলো উপকূলের দিকে কুদায়েদ (Qudayd)-এর নিকটবর্তী খোজা গোত্রের অধিকারভুক্ত জলসেচন/পানি পান করার স্থান (watering place)। [2]

ইবনে ইশাকের মতে, (যা আমাদের কাছে বর্ণিত হয়েছে ইবনে হুমায়েদ <সালামাহ <ইবনে ইশাক মারফত) আল্লাহর নবী খোজা গোত্রের অন্তর্ভুক্ত বানু মুসতালিক গোত্রকে হামলা করেন হিজরি ৬ সালের শাবান মাসে, যার শুরু হয়েছিল ১৬ই ডিসেম্বর, ৬২৭ সালে। আল-ওয়াকিদি বলেছেন যে, আল্লাহর নবী আল-মুরায়েসি (al-Muraysi) হামলাটি সংঘটিত করেছিলেন হিজরি ৫ সালের শাবান মাসে, যার শুরু হয়েছিল ২৬ই ডিসেম্বর, ৬২৬ সালে; তিনি দাবি করেন, খন্দক যুদ্ধ ও বনি কুরাইজার বিরুদ্ধে যে-যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল তা ছিল মুরায়েসির পরে- যার উল্লেখ তিনি করেছেন খোজা-র অন্তর্ভুক্ত বানু আল-মুসতালিক যুদ্ধ প্রসঙ্গে।’

মুহাম্মদ ইবনে ইশাকের (৭০৪-৭৬৮ সাল) বর্ণনা:  [3] [4] [5]

‘আল্লাহর নবী জুমাদি-উল-আখির [সানি] মাসের পরের অংশ ও রজব মাস মদিনাতে অবস্থান করেন; তারপর তিনি হিজরি ৬ সালের শাবান মাসে খোজা গোত্রের অন্তর্ভুক্ত বানু আল-মুসতালিক গোত্রের লোকদের উপর আক্রমণ চালান।

আসিম বিন উমর বিন কাতাদা, আবদুল্লাহ বিন আবু বকর ও মুহাম্মদ বিন ইয়াহিয়া বিন হাববান - প্রত্যেকেই আমাকে [মুহাম্মদ ইবনে ইশাক] নিম্নলিখিত উপাখ্যানের অংশগুলো বর্ণনা করেছেন:

আল্লাহর নবী খবর পান যে, বানু আল-মুসতালিক গোত্রের লোকেরা তাঁর বিরুদ্ধে একত্রিত হচ্ছে, তাদের নেতা ছিল আল্লাহর নবীর পত্নী (পরবর্তীতে) জুয়াইরিয়া বিনতে আল-হারিথ (Juwayriya d. al-Harith)-এর পিতা আল-হারিথ বিন আবু দিরার। যখন আল্লাহর নবী তাদের সম্বন্ধে জানতে পারেন, তিনি বাইরে বের হন ও উপকূলের দিকে কুদায়েদ-এর নিকটবর্তী আল-মুরায়েসি নামের তাদের এক জলসেচন ও জল পান করার স্থানে এসে তাদের মুখোমুখি হন। সেখানে এক যুদ্ধ সংঘটিত হয়।

আল্লাহ বানু আল-মুসতালিক গোত্রের লোকদের পালিয়ে যেতে বাধ্য করে, তাদের কিছু লোককে হত্যা করে এবং আল্লাহর নবীকে লুণ্ঠন সামগ্রী (Booty) রূপে তাদের স্ত্রী, সন্তান ও সম্পদের অধিকারী করে।

উবাবা বিন আল-সামিত পরিবারের এক আনসার [আদি মদিনাবাসী মুহাম্মদ অনুসারী] বানু কালব বিন আউফ বিন আমির বিন লেইথ বিন বকর গোত্রের হিশাম বিন সুবাবা নামের এক মুসলমানকে শত্রুপক্ষের লোক ভেবে ভুলক্রমে হত্যা করে।

যখন আল্লাহর নবী সেই জল পানের স্থানটিতে অবস্থান করছিলেন, তখন এক দল লোক সেখানে আসে (আল-তাবারী: 'লোকেরা জল পানের স্থানটিতে অবস্থানকালে তাদের পশুগুলোকে পানি পান করানোর জন্য সেখানে নিয়ে আসে); উমরের এক ঠিকা-মজুর (hired servant) ছিল বানু গিফার (Ghifar) গোত্রের জাহজাহ বিন মাসুদ (Jahjah b. Mas'ud) নামের এক ব্যক্তি, যে তার ঘোড়াদের পরিচালনা করছিল। এই জাহজাহ ও বানু আউফ বিন আল-খাযরাজ গোত্রের মিত্র সিনান বিন ওয়াবার আল-জুহানি (Sinan b. Wabar al-Juhani) নামের এক ব্যক্তি একে অপরকে ধাক্কা মেরে পানির পাশ থেকে হটিয়ে দেয় ও লড়াইয়ে জড়িত হয়।

জুহানি চিৎকার করে ডাকে, "হে আল-আনসাররা!" এবং জাহজাহ চিৎকার করে ডাকে, "হে মুহাজিররা!"

আবদুল্লাহ বিন উবাই বিন সালুল রোষান্বিত হোন। তাঁর সঙ্গে ছিল তাঁর কিছু লোক ও আরও ছিল যায়েদ বিন আরকাম (Zayd b. Arqam) নামের এক অল্পবয়স্ক বালক। তিনি [আবদুল্লাহ] বলেন, "তারা কি সত্যিই তা করেছে? তারা আমাদের অগ্রাধিকার নিয়ে প্রবল তর্ক করে, তারা আমাদের নিজের দেশে এসে তাদের দলে ভারী করে এবং আমাদের কোনোকিছুই এই ভবঘুরে কুরাইশদের মানানসই নয়, যা সেই প্রাচীন বচনের মত 'কুকুরকে ভোজন করাও, সে তোমাকে গিলে খাবে।' আল্লাহর কসম, যখন আমরা মদিনায় প্রত্যাবর্তন করবো, শক্তিমানরা দুর্বলদের তাড়িয়ে দেবে।"

(He said, 'Have they actually done this? They dispute our priority, they outnumber us in our own country, and nothing so fits us and the vagabonds of Quraysh as the ancient saying "Feed a dog and it will devour you". By Allah when we return to Medina the stronger will drive out the weaker.’)

ইমাম বুখারীর (৮১০-৮৭০ সাল) বর্ণনা: [6]

জাবির বিন আবদুল্লাহ হইতে বর্ণিত:
আমরা আল্লাহর নবীর সাথে যুদ্ধে (Ghazwa) ছিলাম। মুহাজিরদের এক লোক এক আনসারকে লাথি মারে (পা দিয়ে তার পাছায়); আনসার লোকটি ডেকে ওঠে, "হে আনসাররা! (সাহায্য করো!)" ও মুহাজির লোকটি ডাক দেয়, "হে মুহাজিররা! (সাহায্য করো)!"

আল্লাহর নবী তা শুনতে পান ও বলেন, "কী জন্য এই ডাক, যা কিনা জাহিলিয়াত যুগের (period of ignorance) বৈশিষ্ট্য?" তারা বলে, "হে আল্লাহর নবী! মুহাজিরদের এক লোক এক আনসারকে লাথি মেরেছে (পা দিয়ে তার পাছায়)।" আল্লাহর নবী বলেন, "এ রকম (চিৎকার) করা ছেড়ে দাও, কারণ এটি জঘন্য কাজ।"

আবদুল্লাহ বিন উবাই তা শুনতে পান ও বলেন, "তারা (মুহাজিররা) কি সেটা করেছে? আল্লাহর কসম, যদি আমরা মদিনায় প্রত্যাবর্তন করি, অবশ্যই, সম্মানী লোকেরা সেখান থেকে জঘন্য লোকদের বহিষ্কৃত করবে।" ---

মুহাম্মদের ভাষায় (কুরান): [7]

৬৩: ৮ - 'তারাই বলে: আমরা যদি মদীনায় প্রত্যাবর্তন করি তবে সেখান থেকে সবল অবশ্যই দুর্বলকে বহিষ্কৃত করবে। শক্তি তো আল্লাহ তাঁর রসূল ও মুমিনদেরই কিন্তু মুনাফিকরা তা জানে না।'  
 - অনুবাদ, টাইটেল, ও [**] যোগ - লেখক।]

>>> আদি উৎসের এই বর্ণনায় যে-বিষয়টি অত্যন্ত স্পষ্ট, তা হলো, বানু মুসতালিক গোত্রের লোকেরা মুহাম্মদ ও তাঁর অনুসারীদের আক্রমণ করেননি, তাঁদেরকে আক্রমণ করেন মুহাম্মদ ও তাঁর অনুসারীরা! এই ঘটনার আগে বানু মুসতালিক গোত্রের লোকেরা মুহাম্মদ ও তাঁর অনুসারীদের সাথে কখনো কোনো বিবাদে লিপ্ত ছিলেন, এমন আভাসও কোথাও নাই! তা সত্ত্বেও,

মুহাম্মদ ও তাঁর অনুসারীরা এই লোকদের আক্রমণ করে তাঁদের দশ জন লোককে হত্যা করে (আল-ওয়াকিদি: পৃষ্ঠা ৪০৭), তাঁদের স্ত্রী, সন্তান, পরিবার-পরিজনদের বন্দী করে নিজেদের মধ্যে ভাগাভাগি করে নিয়ে দাস ও যৌনদাসীতে রূপান্তরিত করে এবং তাঁদের সমস্ত সম্পত্তি লুণ্ঠন করে।

আর এই অমানুষিক নৃশংস মানবতাবিরোধী অপরাধের সপক্ষে যে-অজুহাতটি হাজির করা হয়েছে, তা হলো, "আল্লাহর নবী খবর পান যে, তাঁরা তাঁর বিরুদ্ধে একত্রিত হচ্ছে--"।

মুহাম্মদ তাঁর দশ বছরের মদিনা জীবনে (৬২২-৬৩২ সাল) প্রত্যক্ষ অথবা পরোক্ষভাবে যে ৬০-১০০ টি হামলা ও সংঘর্ষে জড়িত ছিলেন (পর্ব: ৮), গড়ে প্রতি পাঁচ-ছয় সপ্তাহে একটি একটি, তার মধ্যে মাত্র ওহুদ ও খন্দক যুদ্ধ ছাড়া সর্বত্রই সংঘবদ্ধভাবে অমুসলিম জনপদের ওপর মুহাম্মদ ও তাঁর অনুসারীরাই ছিলেন আক্রমণকারী (আল-রাজী ও বীর মাউনার সংঘর্ষটি ছিল প্রতিহিংসামূলক বিচ্ছিন্ন ঘটনা [পর্ব: ৭২ ও ৭৪]); আর এই ওহুদ (পর্ব: ৫৪-৭১) ও খন্দক যুদ্ধের (পর্ব: ৭৭-৮৬) প্রকৃত কারণ ও প্রেক্ষাপটও ছিল মুহাম্মদ ও তাঁর অনুসারীদের নৃশংস আগ্রাসী আক্রমণে আক্রান্ত, ক্ষতিগ্রস্ত ও সংক্ষুব্ধ লোকদের প্রতিশোধস্পৃহা। [8]

আদি উৎসের বিশিষ্ট মুসলিম ঐতিহাসিকদের বর্ণনায় আমরা জানতে পারি যে, অমুসলিম জনগোষ্ঠীর ওপর মুহাম্মদের এই বিপুল সংখ্যক নৃশংস আক্রমণাত্মক (offensive) হামলা, খুন, তাঁদের স্ত্রী-সন্তান-পরিবার-পরিজনদের দাস- ও দাসীকরণ (যৌনদাসী) ও বিক্রি, সম্পত্তি লুণ্ঠন - ইত্যাদির সপক্ষে মুহাম্মদ সর্বদাই যে-অজুহাতটি পেশ করেন, তা হলো, "আল্লাহর নবী খবর পান যে, তারা তাঁর বিরুদ্ধে একত্রিত হচ্ছে, ইসলামের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে --" জাতীয় অপবাদ! বানু-মুসতালিক গোত্রের ওপর হামলাও এর ব্যতিক্রম নয়।

ওপরের বর্ণনায় আরও যে-বিষয়টি স্পষ্ট, তা হলো, মুহাজির ও আনসারদের মধ্যে এই কোন্দলটির নায়ক ছিলেন এক মুহাজির, আর আক্রান্ত ব্যক্তিটি ছিলেন এক আনসার।

দাবি করা হচ্ছে, মুহাজিররা তাঁদের দেশে পরবাসী হয়ে, তাঁদের সমস্ত অনুগ্রহ ও সাহায্য-সহযোগিতা ভোগ করে শক্তিমান হওয়ার পর তাঁদের লোককে লাথি মেরে অপমান করেছে, এই ঘটনাটি শোনার পর আবদুল্লাহ বিন উবাই বিন সালুল নামের এই আনসার গোত্রপ্রধান হন রোষান্বিত। রোষান্বিত অবস্থায় তিনি মুহাজিরদের বিতাড়িত করার হুমকি প্রদান করেন। আবদুল্লাহ বিন উবাই তাঁর বিরুদ্ধে আনীত এই অভিযোগ অস্বীকার করেন (আগামী পর্ব), কিন্তু মুহাম্মদ তাঁর আল্লাহর উদ্ধৃতি দিয়ে ঘোষণা করেন যে, আবদুল্লাহ বিন উবাই “সত্যিই তা বলেছেন ও সে এক মিথ্যাবাদী ভণ্ড (মুনাফিক)!” পরবর্তীতে সিরাত ও হাদিস লেখকগণ মুহাম্মদের এই বাণীটিই (৬৩:৮) প্রায় হুবহু তাঁদের নিজ নিজ গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন।

আদি উৎসের ওপরে বর্ণিত বর্ণনায় যে-বিষয়টি অত্যন্ত স্পষ্ট, তা হলো: "মুহাম্মদ ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন না এবং আবদুল্লাহ বিন উবাই কোন মুহাজিরকেই খুন করার কোন অভিপ্রায় ব্যক্ত করেননি!"

ঘটনাস্থলে উপস্থিত না থাকা সত্ত্বেও মুহাম্মদ বিন আবদুল্লাহ কীভাবে নিশ্চিত হয়েছিলেন যে, আবদুল্লাহ বিন উবাই ছিলেন এক "মুনাফিক (মিথ্যাবাদী-ভণ্ড)" এবং এই ঘটনাটির পর মুহাম্মদ ও মুহাজিররা আবদুল্লাহ বিন উবাইয়ের বিরুদ্ধে কী রূপ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছিলেন, তার বিস্তারিত আলোচনা আগামী পর্বে করা হবে।

(চলবে)

তথ্যসূত্র ও পাদটীকা:

[1] “তারিক আল রসুল ওয়াল মুলুক”- লেখক: আল-তাবারী (৮৩৮-৯২৩ খৃষ্টাব্দ), ভলুউম ৮, ইংরেজী অনুবাদ: Michael Fishbein, University of California, Los Angeles, নিউ ইয়র্ক ইউনিভার্সিটি প্রেস, ১৯৮৭, ISBN 0-7914-3150—9 (pbk), পৃষ্ঠা (Leiden) ১৫০০

[2] 'এই জায়গাটি মদিনা থেকে প্রায় ১৫ কিলোমিটার দুরে অবস্থিত।'

[3] “সিরাত রসুল আল্লাহ”- লেখক: মুহাম্মদ ইবনে ইশাক (৭০৪-৭৬৮ খৃষ্টাব্দ), সম্পাদনা: ইবনে হিশাম (মৃত্যু ৮৩৩ খৃষ্টাব্দ), ইংরেজি অনুবাদ:  A. GUILLAUME, অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি প্রেস, করাচী, ১৯৫৫, ISBN 0-19-636033-1, পৃষ্ঠা ৪৯০-৪৯২ http://www.justislam.co.uk/images/Ibn%20Ishaq%20-%20Sirat%20Rasul%20Allah.pdf

[4] Ibid: “তারিক আল রসুল ওয়াল মুলুক”- পৃষ্ঠা (Leiden) ১৫১১- ১৫১৪

[5] অনুরূপ বর্ণনা (Parallal):  কিতাব আল-মাগাজি”- লেখক:  আল-ওয়াকিদি (৭৪৮-৮২২), ed. Marsden Jones, লন্ডন ১৯৬৬; পৃষ্ঠা ৪০৪ (ভলুম ১) - পৃষ্ঠা ৪১৭ (ভলুম ২)
ইংরেজি অনুবাদ: Rizwi Faizer, Amal Ismail and Abdul Kader Tayob; Simultaneously published in the USA and Canada in 2011 by Routledge: 2 Park square, Milton park, Abington, Oxon, OX14 4RN and  711 Third Avenue, New York, NY 10017; ISBN: 978-0-415-86485-5 (pbk); পৃষ্ঠা ১৯৮-২০৩ 

[6] ইমাম বুখারী (সহি বুখারী): ভলুম ৬, বই ৬০, হাদিস নম্বর ৪২৮
‘Narrated Jabir bin 'Abdullah: We were in a Ghazwa (Sufyan once said, in an army) and a man from the emigrants kicked an Ansari man (on the buttocks with his foot). The Ansari man said, "O the Ansar! (Help!)" and the emigrant said. "O the emigrants! (Help!) Allah's Apostle heard that and said, "What is this call for, which is characteristic of the period of ignorance?" They said, "O Allah's Apostle! A man from the emigrants kicked one of the Ansar (on the buttocks with his foot)." Allah's Apostle said, "Leave it (that call) as is a detestable thing." 'Abdullah bin Ubai heard that and said, 'Have the (the emigrants) done so? By Allah, if we return Medina, surely, the more honorable will expel therefrom the meaner." -----

[7] ইবনে কাথিরের কুরান তফসির (৬৩:৮):

তাফসীর যালালীন ও অন্যান্য (৬৩:৮): 


[8] মুহাম্মদ যে হামলাগুলোর সাথে প্রত্যক্ষ অথবা পরোক্ষ ভাবে জড়িত ছিলেন: