১৪ আগস্ট, ২০১৫

অক্ষমতা বনাম পারঙ্গমতা

গত ১৯ এপ্রিল নিলয় নীল লিখেছিলেন:

ইঁদুরে খুব জ্বালাচ্ছে, ইঁদুর মারার ওষুধ দিয়ে একাধিকবার চেষ্টা করলেও একটা ইঁদুরও মারতে পারিনি। অবশেষে নিয়ে আসলাম ইঁদুর মারার আঠার ফাঁদ। রিজিকের মালিক যেহেতু আল্লাহ্‌, তাই আল্লাহর উছিলা হিসেবে এই ফাঁদের ওপর খাবার দিলে ইঁদুর তা খেতে এসে আটকে যাবে। কিন্তু সমস্যা হলো: ইঁদুর আটকে অসহায়ের মতো বসে থাকবে, আর আমার তাকে হত্যা করতে হবে। হত্যা করার অস্ত্র হিসেবে আমি ব্যবহার করবো প্লায়ার্স, প্লায়ার্স দিয়ে অসহায় ইঁদুরের ঘাড় ধরে চাপ দিয়ে ঘাড় ভেঙ্গে তাকে মেরে ফেলতে হবে। অনেক সময় ধরে ভাবছি, এটা আমি কীভাবে করবো? এটা কি আসলেই আমি করতে পারবো? মনে মনে প্রস্তুতি নিচ্ছি জ্যান্ত ইঁদুরটাকে আমাকেই হত্যা করতে হবে, কিন্তু পারবো কি না, আল্লাহ্‌ই জানে। আল্লাহ্‌ আমাকে ইঁদুর মারার তৌফিক দান করো। 

আমি বাজার থেকে মুরগী আনলে সবসময় কেটে আনি, আর কাটার সময় মুরগী কাটা দেখি না। তবে কিছুদিন আগে দেশী জ্যান্ত মুরগী এনে ভাবছিলাম এটার কল্লাটা আমি কীভাবে কাটবো? অবশেষে আমার দ্বারা এই কাজ করাও সম্ভব হয়নি। আমি একটা জ্যান্ত মুরগীকে কিছুতেই কাটতে পারলাম না। 

আমি একটা জ্যান্ত মুরগী বা ইঁদুর মারতে পারি না, কিন্তু ওরা কিভাবে একটা জ্যান্ত মানুষকে কুপিয়ে মেরে ফেলে, বুঝি না!