৩০ জুলাই, ২০১৫

আগে জীবজন্তুর অধিকার, পরে ধর্ম

এই বিশ্বজগতে খাদ্যচক্র ব্যাপারটি বড়োই বর্বর ও নির্দয়। এখানে এক প্রাণী আরেক প্রাণীর খাদ্য। 


ফলে প্রকৃতিতে প্রাণীহত্যা অনিবার্য। খাদ্যের ব্যাপারে মানুষও বিভিন্ন প্রাণীর ওপরে নির্ভরশীল। এই প্রাণীগুলোকে আমাদের হত্যা করতে হয় নিয়মিত। তবে যেহেতু আমরা অন্য প্রাণীদের তুলনায় বেশি বুদ্ধিমান ও সংবেদনশীল, আমাদের উচিত প্রাণীহত্যা প্রক্রিয়াটি প্রাণীদের জন্য যথাসম্ভব কম কষ্টদায়ক করে তোলার চেষ্টা করা। উন্নত দেশগুলোয় তেমন প্রক্রিয়াই প্রয়োগ করা হয়ে থাকে। 

কিন্তু কিছু ধর্মে উৎসবের নামে ও কখনও উৎসব করে প্রাণীহত্যাচর্চা করা হয়। অনেক ক্ষেত্রেই এই প্রাণীহত্যা পদ্ধতিটি হয় প্রাণীদের জন্য অবর্ণণীয় কষ্টের। প্রাণীকে হালাল উপায়ে জবাই করার ইছলামী ধারা ও ইহুদিদের ব্যবহৃত কোশের (kosher) পদ্ধতি দু'টি বর্বরোচিত বিধায় সব সময়ই সমালোচিত হয়ে এসেছে।

এবারে ডেনমার্ক হালাল ও কোশের পদ্ধতি প্রয়োগ করে প্রাণীহত্যা নিষিদ্ধ করেছে। মুছলিম ও ইহুদিরা যথারীতি ক্ষিপ্ত, কিন্তু ডেনমার্কের কৃষি ও খাদ্যমন্ত্রী স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছেন,
আগে জীবজন্তুর অধিকার, পরে ধর্ম।
আরও একটি সুসংবাদ। নেপালে প্রতি পাঁচ বছর অন্তর অনুষ্ঠিত বীভৎস গাধিমাই উৎসবে প্রাণীহত্যাই নিষিদ্ধ করে দেয়া হয়েছে। হিন্দুদের এই উৎসবে একদিনে এক জায়গায় কয়েক লক্ষ প্রাণী বলি দেয়ার ঐতিহ্য প্রচলিত ছিলো এতোদিন। 

এক বছর আগে প্রকাশিত গাধিমাই বিষয়ক একটি সচিত্র পোস্ট