১৪ জুলাই, ২০১৫

ভিডিও লিংকিং পার্ক

১.
বাংলা ভাষায় নাস্তিক্যবাদী মোনোলগ-এর ভিডিও কি সংখ্যায় খুব বেশি? মনে হয়, না। অনন্ত বিজয়কে হত্যার পর রায়হানা সুলতান যুক্তিবাদী ও বলিষ্ঠ উচ্চারণের একটি ভিডিও প্রকাশ করেছিলেন। মমিনপ্রধান বাংলাদেশে তা লাইকের চেয়ে ডিজলাইক বেশি পাবে, সেটা তো অনুমেয়ই ছিলো। আর মন্তব্যগুলোও যে কী শোচনীয়! উৎসাহীরা লিংক ধরে গিয়ে পড়ে আসতে পারেন।

ভিডিও লিংক: https://youtu.be/r0n0-8RcKnw

২.
কুমারী শিশুজন্মদান, চাঁদকে দ্বিখণ্ডিত করা, ঘোড়াসদৃশ প্রাণীতে চেয়ে সাত আসমান ভ্রমণ বা অন্য যে কোনও ধর্মীয় অলৌকিক ঘটনা নিয়ে অবিশ্বাসের হাসি হাসলে ধর্মবিশ্বাসীরা আহত হয় বা ক্ষিপ্তও হয়, তবে একটি প্রশ্ন তারা কখনওই করে না: "আপনি হাসছেন কেন?" কারণ তারা নিশ্চিতভাবেই জানে, ঘটনাগুলো বাস্তবিকই হাস্যকর, উদ্ভট ও অবাস্তব। দুর্ধর্ষ ইউটিউবার Philhelenes (হায়! বহুদিন ধরে নতুন কোনও ভিডিও নেই তাঁর।) বলছেন, তারাও হাসতো, যদি না তাদের পরনে থাকতো ক্লাউনের পোশাক। 

৩.
আমেরিকায় সমপ্রেমীদের বিবাহ আইনসঙ্গত ঘোষিত হবার পর ধর্মবিশ্বাসীরা "প্রচলিত ও ঐতিহ্যসম্মত বিয়ে হুমকির মুখে" পড়েছে বলে দাবি করছে। এখন দেখা যাক, বাইবেলের দৃষ্টিতে বিয়ে কতো প্রকার ও কী কী

"আমেরিকার শ্রেষ্ঠ খ্রিষ্টান" Betty Bowers-ও জানাচ্ছেন বাইবেল-অনুমোদিত বিচিত্র বিয়ের কথা

৪.
"ইসলামোফোবিয়া - এই শব্দটি আবিষ্কার করেছে ফ্যাসিস্টরা, ব্যবহার করে কাপুরুষেরা; লক্ষ্য - নির্বোধদের নিয়ন্ত্রণ করা" - প্রচলিত এই কথাটি বহুলাংশেই সত্য। ইরাকী বংশোদ্ভূত লেখক, বক্তা ও মানবাধিকার কর্মী ফয়সল সাঈদের "ইসলামোফোবিয়া-ফোবিয়া" নামের ৪৭ মিনিট দীর্ঘ বক্তৃতা ও প্রশ্নোত্তর অনুষ্ঠানের ভিডিও দেখে মুগ্ধ হলাম খুবই। 

৫.
সূক্ষ্ম রসবোধের তীক্ষ্ণ হুল ফোটাতে বিল মার খুবই দক্ষ। ধর্মগ্রস্ত এক মমিন খ্রিষ্টান লেখককে তিনি যুক্তির মারপ্যাঁচে কী অপদস্থই না করলেন! সেই বেচারাকে সেই সব সত্যকথন হাসিমুখে গিলে ত্যানা প্যাঁচানোর মরিয়া চেষ্টা করে যেতে হলো। ভিডিওতে বিল মারের বলা এই কথাটি খুবই মনে ধরলো: faith - the purposeful suspension of critical thinking.

৬.
১৬ বছর বয়সী সিঙ্গাপুরী কিশোরকে জেলে ঢোকানো হয়েছে এই ভিডিওর কারণে। ভিডিওটি অসাধারণ। সন্দেহ নেই, কিশোরটি প্রবল প্রতিভাধর। এই বয়সেই তার জ্ঞানের যে পরিধি, যে যুক্তিবোধ ও প্রকাশভঙ্গি, তা রীতিমতোই মুগ্ধতাজাগানিয়া। অবশ্যদ্রষ্টব্য।