৭ জুলাই, ২০১৫

ইছলামী ইতরামি

১.
মাত্র ৪৮ ঘণ্টায় ২০০ জনকে হত্যা করেছে ছহীহ ইছলামী জঙ্গিদের দল বোকো হারাম। নিহতদের ৯৭ জন ছিলো নামাজরত অবস্থায়। অবশ্য রমজান মাসে মানুষহত্যায় সংযম করতে হবে, এমন কথা কোরান-হাদিসের কোথাও নেই।

২. 

৩.
শিক্ষালাভ ও জ্ঞান আহরণের সপক্ষে কোরান-হাদিসে কিছু লেখা আছে বলে আমার জানা নেই। এবং ইছলাম নারীশিক্ষার বিশেষ বিরোধী। ফলে স্কুলগামী বালিকারা শিকার হয় অ্যাসিড-আক্রমণের

৪.
ইছলাম গ্রহণ করলেই কি কেউ জঙ্গি হয়? নাকি জঙ্গি মনোভাবাপন্ন বলেই সে ইছলামের পুশীতল শায়াতলে আসে? ধর্মান্তরিত এক জঙ্গি-গুরুর কাহিনী। আরেক ইতালীয় নব্য মুছলিমাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে ইছলামী জঙ্গি সংশ্লিষ্টতার কারণে।

৫.
ইছলামী দল আইসিস-এর তত্ত্বাবধায়নে এক দল শিশু-কিশোর গুলি করে হত্যা করেছে ২৫ জনকে। অসাধারণ ইছলামী শিক্ষা!

৬.
মিসরে হামলা চালিয়ে ১০০ জনকে হত্যা করেছে আইসিস।

৭.
ফাকিস্তানের মতো রাষ্ট্রেও সাম্প্রদায়িক ঘৃণা ছড়ানোর অভিযোগে ইমামের জেল হয়েছে ১০ বছর। এদিকে কোরান পোড়ানোর মিথ্যে অভিযোগ তুলে এক মেয়েকে পাথর ছুঁড়ে বীভৎস উপায়ে হত্যা করার পর তার গায়ে গাড়ি চড়িয়ে দেয়া ও শেষে আগুনে পুড়িয়ে ফেলার বিচার হয়েছে আফগানিস্তানের মতো দেশে। চারজন পুরুষকে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়েছে এই ঘটনায়। দেখা যাচ্ছে, ফাকিস্তান ও আফগানিস্তানের থেকেও পিছিয়ে আছে বাংলাদেশ। এ দেশে হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিষ্টান-আদিবাসীদের ওপরে সাম্প্রদায়িক হামলার কোনও বিচারের উদ্যোগ পর্যন্ত নেয়া হয়নি আজ অব্দি। অথচ ফাকিস্তানে খ্রিষ্টানদের ওপর হামলায় উস্কানি দেয়ার অভিযোগে দুই মোল্লাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। "সাম্প্রদায়িক হামলার বিচার" লিখে গুগল করলে বিচারের কোনও খবর নয়, পাওয়া যায় শুধু বিচারের দাবির খবরই; কদাচিৎ তদন্ত ও বিচারের প্রতিশ্রুতি।

৮.
নিশ্চয়ই ইহুদি-নাছারাদের দেশ ইংল্যান্ড ছিলো বড়ো বিপদসঙ্কুল। তাই সেখানকার যাবতীয় সুযোগসুবিধে ভোগ করার পর বাংলাদেশী বংশোদ্ভুত ১২ জনের পরিবার গিয়েছে আইসিস-এর নিরাপদ আশ্রয়ে

৯.
শিরশ্ছেদ করার পর মস্তকহীন লাশের সঙ্গে হালাল ছেলফি তুলেছে ইছলামী জঙ্গি।

১০.
ইছলাম মানেই পরধর্মনিন্দা। আর তাই ইছলাম প্রচার করতে গেলে হেইট স্পিচ অনিবার্য। ঠিক সেই কারণেই গত তিন বছরে ৪০ জন ইমামকে ঘাড়ধাক্কা দিয়ে দেশছাড়া করেছে ফ্রান্স।

১১.
আরেক ইছলামী জঙ্গির নাগরিকত্ব বাতিল করেছে ডেনমার্ক! 

১২.

১৩.
মুছলিমদের বিরাট একটি অংশ ইছলামী জঙ্গিদের নীরব সমর্থক। আল জাজিরার অনলাইন ভোটে দেখা গেছে, শতকরা ৮১ জন আরব আইসিস-এর সমর্থক। এদিকে এক ব্রিটিশ মুছলিম স্কুলশিক্ষক আইসিস-এর কর্মকাণ্ডে সমর্থন জানানোর কারণে চাকরিচ্যুত হয়েছে।

১৪.
জঙ্গিবাদের উর্বর চাষ হচ্ছে দেশে। ফলনের অপেক্ষায় থাকুন।

১৫.
আল্যার হুকুম ছাড়া গাছের পাতাও নড়ে না। তুরস্কের গে প্রাইডে পুলিশ জল-কামান ব্যবহার করে হামলা করার পর সেখানে রংধনু ভেসে ‌উঠেছিল নিশ্চয়ই তারই ইচ্ছায়।

১৬.
নবীজির পদাঙ্ক অনুসরণ করে ৭ বছর বয়সী এক শিশুর সঙ্গে সুন্নতী ছহবত করায় কেন গ্রেপ্তার হতে হলো এক মাদ্রাসা শিক্ষককে?

১৭.
ইছলামে জোরজবরদস্তির স্থান নেই। তাই রোজা না রাখার কারণে পাঁচজনকে ক্রুশবিদ্ধ করে হত্যা করেছে আইসিস।

১৮.
পালিত পুত্রের স্ত্রীকে বিয়ে করে নবীজি মুছলিমদের প্রশংসিত। এদিকে পালিত কন্যাকে বিয়ে করাটা এখন ইরানে আইনসম্মত।

১৯.
আইসস-এর নৃশংসতার পথ অনুসরণ করে তাদেরই প্রচারিত ধরনে আইসিস-জঙ্গিদের হত্যা করেছে জৈশ আল-ইছলাম।

২০.
সমকামীদেরকে উঁচু স্থান থেকে ফেলে দিয়ে হত্যা করার ইছলামী বিধান আইসি পালন করেছে ৪ জন সমকামীকে ছাদ থেকে ফেলে দিয়ে। যথারীতি সেখানে ছিলো মডারেট মুছলিম দর্শকদের উপস্থিতি।

২১.
চার্চের ভেতরে আত্মঘাতী বোমা হামলা করে ৫ জন কাফেরকে হত্যা করে নিজের বেহেশত-যাত্রা নিশ্চিত করে ফেলেছে এক মুছলিম।

২২.
পৃথিবীতে সবকিছুই আপেক্ষিক। আইসিস-এর তুলনায় মডারেট আল-কায়েদা এখন আইসিস-এর নিন্দা করে!

২৩.
চৌদি আজবের উপর্যুপরি বিমান হামলায় ইয়েমেনে ৪০ জনের মৃত্যু গাজায় ইসরায়েলের বিমান হামলার মতো আলোড়িত করে না।

২৪.
বোকো হারাম হত্যা করেছে ১৩ জনকে এবং চার্চ ও বাড়ি পুড়িয়েছে যথাক্রমে ৩২ ‌ও ৩০০ টি।

২৫.
রমজানের ১৯ দিনে ইছলামীরা ১৮৯৯ জনকে হত্যা করেছে। অর্থাৎ দিনে প্রায় ১০০ জনকে। মাহে রমজান > নেয় যম জান। যে-যমের নাম ইছলাম।