২৩ জুলাই, ২০১৫

মুমিনীয় ঈমানদণ্ডের রহস্যময় আচরণ

লিখেছেন শ্রোডিঞ্জারের বিড়াল

দেওয়ানবাগীরা যখন নবী-রাসুলের চাইতে উঁচু "স্ট্যাটাসের" দাবি করে,

দেওয়ানবাগী যখন অন রেকর্ড ভিডিও-ক্যামেরা মাইকের সামনে দাবি করে যে, সে তার ছেলেকে জেল থেকে ছোটানোর জন্য আল্লাহকে "জোর করে" পদক্ষেপ নিইয়ে নেয়,

দেওয়ানবাগী যখন অন ভিডিও সবার সামনে দাবি করে যে, মুহাম্মদের মেয়ে ফাতিমা তাকে বিবাহ করার জন্য আবার জন্ম নিয়েছে এবং তার স্ত্রী হলো মুহাম্মদের মেয়ে ফাতিমা...

... তখন মুমিনের ঈমানদণ্ড খাড়া হয় না। দেওয়ানবাগী লাখে লাখে অনুসারী পায়।

তখন কেউ দেওয়ানবাগীর কল্লায় চাপাতি অ্যাপ্লাই করে না,

তখন মুমিনের "ধর্মীয় নুনুভূতিতে" আঘাত লাগে না।

কিন্তু যখন কেউ ব্লগে কোরান-হাদিস-সিরার রেফারেন্স ঘেঁটে তথ্য-প্রমাণসহ বলে যে, মুহাম্মদ ৯ বছরের শিশু আয়েশাকে fuck করেছিলো,

যুদ্ধবন্দী অবলা নারীদের ধর্ষণ করেছিলো...

... তখনই মুমিনের মুমিনদণ্ড দাঁড়ায়,

তখনই সে ধর্মীয় নুনুভূতিতে আঘাত পায়।

সেই ব্লগারের কল্লায় চাপাতি নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ে।

কিন্তু মাইক দিয়ে ওয়াজ স্টাইলে ভাষণ দিয়ে যখন দেওয়ানবাগী ইমপ্লাই করে যে, সে মুহাম্মদ-কন্যা ফাতিমাকে fuck করছে, তখন তাদের ধর্মীয় নুনুভূতিতে আঘাত লাগে না।