২০ জুন, ২০১৫

ফাতেমা দেবীর ফতোয়া - ১৪

লিখেছেন ফাতেমা দেবী (সঃ)

৬৬.
হালাল শুয়োরের মাংসের বিরিয়ানি ও হালাল ভোদকা দিয়ে সেহেরি ও ইফতারি করলাম। রিজিকের মালিক রাজ্জাক। এজন্য আমি আল্যার কোনো নেয়ামতকেই অস্বীকার করি না। আমীন।

৬৭.
হে নবী, আমি তোমার জন্য হালাল করিয়া দিয়াছি তোমার মোহর প্রদত্ত বিবিগণকে, তোমায় গণিমতরূপে আল্লার প্রদত্ত তোমার আয়ত্তাধীন দাসীগণকে, তোমার সহিত হিজরতকারী তোমার চাচাত, ফুফাত, মামাত ও খালাত ভগ্নীগণকে, এবং বিনা মোহরে নবীর পত্নীত্ব বরণকারী মুসলিম নারী যদি নবী তাকে বিবাহ করিতে ইচ্ছা করে, এ সুবিধা তোমারই জন্য নির্দিষ্ট, অপর মুসলমানের জন্য নহে;আমি জানি, সাধারণ মুমিনদের বিবি ও দাসীগণের ব্যাপারে আমি যেসব ব্যবস্থা নির্ধারণ করিয়াছি তা এজন্য যে, তোমার কোনোরূপ অসুবিধা না হয়; আল্লা ক্ষমাকারী ও করুণাময়। 
(কোরান ৩৩:৫০)

- ফাতেমা ও আমেনা বাদ পইড়া গেলো না! নবীজির শয্যাসঙ্গী হিসাবে ফাতেমা এবং আমেনাকে বাদ দিয়ে দিলেন, লিস্টেই রাখলেন না। তাইলে আল্যা করুণাময় কেমনে অইলেন?

৬৮.
আল্যার দেহের কোনো আকার নাই। তবে পাছা আছে আরশে বসার জন্য। কী অপরূপ দেহসৌষ্ঠব আমাদের আল্ল্যার!

৬৯.
আল্যা ও নবীজির কথা মনে হলেই তাদেরকে পরম নিষ্ঠার সাথে কনি আর উস্টা মারি। ফলে আমার কনুই ও পা নাপাক হয়ে যায়। তারপর জমজম কূয়ার পানিতে কনুই ও পা ভালোভাবে ধুয়ে নিই। তাতে ক'রে ওই অঙ্গদ্বয় দ্বিগুণ নাপাক হয়ে পড়ে। তারপর কনুই ও পা-কে কলের পানিতে ধুতে থাকি, ধুতে থাকি। ধুয়ে পাক হই। অতঃপর আবার নবীজি ও আল্যার কথা মনে পড়ে যায়। আবারও তাদেরকে অতি যত্নে ইচ্ছামতো কনি ও উস্টা দিতে থাকি, আবারও নাপাক হই, আবারও জমজমের পানিতে ওই অঙ্গগুলি ধুয়ে দ্বিগুণ নাপাক হই, আবারও কলের পানিতে ধুয়ে পাক হই। এভাবে চলতেই থাকে। থাকবেই ইনশাল্যাহ্।

৭০.
আপনি ডাকাত হোন, খুনী হোন, ধর্ষক হোন, চোরাকারবারী হোন, যুদ্ধাপরাধী হোন - তাতে কোনো সমস্যা নেই। বাংলাদেশে আপনি শান্তিতে বাস করতে পারবেন। শুধু আপনি নাস্তিক লেখক হলে খবর আছে। প্রকাশ্য লোকালয়ে আপনাকে কুপিয়ে কুপিয়ে আনন্দোৎসব পালন করা হবে তাহলে। স্বয়ং সরকারও এই আনন্দোৎসব উপভোগ করবেন।