৬ মে, ২০১৫

ফাতেমা দেবীর ফতোয়া - ১২

লিখেছেন ফাতেমা দেবী (সঃ)

৫৬.
নাপাক কুত্তা ও নাপাক শুয়োররে ইছলামের য়াল্ল্যাপাক বানায় নাই। সে তো পাক। সে ক্যান নাপাক জিনিস বানাইবে। এই নাপাক জীবগুলানরে বানাইসে অন্য কোনো ধর্মের য়াল্লারা, যারা পাক না।

৫৭.
কোনো ধর্মপ্রাণা মমিনা তার স্বামীর সঙ্গে গৃহপরিচারিকার সম্পর্ক আবিষ্কার করতে পারলে তুলকালাম কাণ্ড ঘটিয়ে দেয়, জান নিয়ে টানাটানি শুরু হয়ে যায় এ নিয়ে বেচারি মমিন স্বামীর। কিন্তু আল্লাপাক তা করতে বলেছেন, এবং আমাদের নবীজি স্বয়ং তা করেছেন। 

মমিনারা তাদের জীবদ্দশায় মমিন স্বামীর ২য় বিবাহ মেনে নিতে পারে না; ৩য় ৪র্থ ৫ম ত অসম্ভব কথা। কিন্তু আল্লাপাক তা করতে বলেছেন। আমাদের নবীজিও তা করেছেন। 

কোনো ধর্মপ্রাণ মমিন-মমিনাই তাদের ছয় বছরের মেয়েকে পঞ্চান্ন বছরের লোকের সাথে বিয়ে দেয় না। কিন্তু আমাদের মহানবীজি তা করেছেন। 

আল্লাতালা ও রাছুলকে কেন মমিন ও মমিনারা এত অবমাননা করে? কেন তাদের কথা অনুকরণ ও অনুসরণ করে না? এই জন্যই তো বিশ্ব জুড়ে মুছলিমদের এত দূর দূর, এত হীন অবস্থা।

৫৮.
তারা কি উষ্ট্রের প্রতি লক্ষ্য করে না যে, তা কিভাবে সৃষ্টি করা হয়েছে? এবং আকাশের প্রতি লক্ষ্য করে না যে, তা কিভাবে উচ্চ করা হয়েছে (স্তম্ভ ব্যতীত)? এবং পাহাড়ের দিকে যে, তা কিভাবে স্থাপন করা হয়েছে? এবং পৃথিবীর দিকে যে, তা কিভাবে সমতল বিছানো হয়েছে? (কোরান ৮৮:১৭-২০)

তারা কি উটের প্রতি লক্ষ্য করলে দেখে না যে, উটের পিঠটা আকাশের মত উঁচু এবং আকাশের প্রতি লক্ষ্য করলে দেখে না যে, আকাশকে কী রকম করে উটের পিঠের মত উঁচু করা হয়েছে? তারা কি এ-ও দেখে না যে আকাশের স্তম্ভ নেই কিন্তু উটের আছে, এবং পৃথিবীকে সমতল করা হয়েছে, তবে উটকে করা হয়নি? তারা কি কিছুই লক্ষ্য করে না? কেন করে না? কেনু কেনু কেনু?

৫৯.
ধর্মগুরুদের সবাইই অমানুষিক কুবুদ্ধিতে ভরপুর ছিল। তারা এমন সকল কুবুদ্ধি ও কুপ্ররোচনা প্রচার করে বিবেকহীন মানুষদেরকে এমনতরো অসাড়, অন্ধ ও রোবট হয়ে থাকবার উপাদান ছড়িয়ে পৃথিবী দূষিত করে দিয়ে গেছে যে, ভীতু লোভী ও বিবেকবর্জিত মানুষেরা সমস্ত প্রমাণ তুচ্ছ করে দিয়ে চোখ থাকতে অন্ধ হয়ে সেসব অমানুষিকতা পালন করে যাচ্ছে।

৬০.
- আল্ল্যা যে নেই, তার প্রমাণ কী?
- আমি বাটি চালান দিয়ে, এবং আল্ল্যাকে খুঁজিয়া পাইবার দোয়া পড়েও আল্ল্যাকে খুঁজে পাইনি কোথাও। অতএব আল্ল্যা নেই, এটা প্রমাণিত।