২০ মে, ২০১৫

বেদ্বীনবাণী - ৩৮


পাঠিয়েছেন বারান্দায় রোদ্দুর

বর্তমানে মুছলিমদের প্রিয় কবি কাজী নজরুল ইসলামকে এমন মুছলিমবিরোধী বাণীর জন্য মুছলিমরাই তাঁকে একটা সময়ে বেদ্বীন, হিন্দুয়ানী, নরাধম, খোদাদ্রোহী ও শয়তানের পূর্ণ অবতার জাতীয় বিবিধ আখ্যা দিয়েছে এবং এমনকি তাঁর শিরশ্ছেদের স্বপ্নও দেখেছে। একটি নমুনা দেখুন:

"লোকটা মুসলিম নাকি শয়তান"
মুন্সী মোহাম্মদ রেয়াজ উদ্দিন আহমেদ

যখন ধুমকেতু প্রথম উদয় হয় এবং বস্রা প্রত্যাগত উদ্দাম "হাবিলদার " কাজী নজরুল ইসলাম "সারথি " বলিয়া জানিতে পারি, তখনই বুঝিয়াছিলাম, "ধুমকেতু " মোসলেম. গগনে প্রকৃত ধুমকেতু রূপেেই উদয় হইতেছে। মোসলেম ভারতের. "বিদ্রোহী " কবিতায়ই কাজীর কারামৎ জাহির হইয়াছিল! তারপর "ধুমকেতু " প্রত্যেক সংখ্যায় পবিত্র ইসলাম ধর্মের বিরুদ্ধে গরল উদগীরণ করিতেছে। এই উদ্দাম যুবক যে ইসলামী শিক্ষা আদৌ পায়নি, তাহা ইহার লেখার পত্রে পত্রে ছত্রে ছত্রে প্রকাশ পাইতেছে! হিন্দুয়ানী মাদ্দায় ইহার মস্তিষ্ক - পরিপূর্ণ। হতভাগ্য যুবকটির ধর্ম জ্ঞান সম্পূর্ণ মুসলমানের সংসর্গ কখনও লাভ হয় নাই, অন্তত সেটুকু লাভ করিলেও পবিত্র ইসলাম ধর্মের বিরুদ্ধে স্বীয় পৈশাচিক খড়গ উত্তোলন করিত না। থাকুক তাহার লেখায় যথেষ্ট শক্তি, হউক সে বিখ্যাত কবি, তজ্জন্য মুসমানের গৌরব করিবার কিছু নাই। এই নরাধম ইসলাম ধর্মের মানে জানে কি? খোদাদ্রোহী নরাধম নাস্তিকদিগকেও পরাজিত করিয়াছে। লোকটা শয়তানের পূর্ণ অবতার। ইহার কথা আলোচনা করিতেও ঘৃণা বোধ হয়। ....কলমের মুখে যা আসিতেছে,তাই লিখিতেছে। খাঁটি ইসলামী আমলদারী থাকিলে এই ফেরাউন বা নমরুদকে শূলবিদ্ধ করা হইত বা উহার মুণ্ডপাত করা হইত নিশ্চয়ই ...

সূত্র:
"লোকটা মুসলিম নাকি শয়তান?" 
মুন্সী মোহাম্মদ রেয়াজ উদ্দিন আহমেদ, 
ইসলাম দর্শন, তৃতীয় বর্ষ, 
কার্তিক, ১৩২৯

পাঠিয়েছেন সংশপ্তক অর্ক