৩০ মে, ২০১৫

ফাতেমা দেবীর ফতোয়া - ১৩

লিখেছেন ফাতেমা দেবী (সঃ)

৬১.
যে লোক ৫৩ বছর বয়েসে ৬ বছরের শিশুকে বিয়ে করতে পারে, যে লোক পুত্রবধূকে বিয়ে করতে পারে, যে লোক নিজে দাসী-সম্ভোগ করে তার অনুসারীদের জন্যও তা হালাল করে দিয়ে যেতে পারে, যে লোক স্ত্রীদেরকে পেটাতে বলতে পারে, যে লোক চোরের হাত কেটে দিতে উপদেশ দিতে পারে, যে লোক প্রেমিক-প্রেমিকাকে পাথর ছুঁড়ে হত্যা করতে বলতে পারে, যে লোক অমুছলিম মেয়েদের সম্ভোগ ক'রে তার অনুগামীদেরও তা করতে উৎসাহ দিয়ে যেতে পারে, সে লোক কি কখনো খারাপ লোক হতে পারে?

৬২.
কুত্তা নাপাক। নাপাক কুত্তারে যে বানাইসে সে নাপাকের আব্বাজান।

৬৩.
আল্লাহ, যিনি উর্ধ্বদেশে স্থাপন করেছেন আকাশমন্ডলীকে স্তম্ভ ব্যতীত। তোমরা সেগুলো দেখ। অতঃপর তিনি আরশের উপর অধিষ্ঠিত হয়েছেন। (কোরান ১৩:২)

য়াল্ল্যার কাছে কুনু বাঁশ ছিল না। তাই আকাশমণ্ডলীতে স্তম্ভ দিতে পারেননি। তোমরা তো সেগুলো দেখো। দ্যাখো কি না? অতঃপর তিনি নিজে নিজে আরশের উপরে অধিষ্ঠিত হয়েছেন( আরশের উপরে অধিষ্ঠিত হয়েছেন তিনি আরশের নিচে নয় কিন্তু, খিয়াল থাকে যেনো)।

৬৪.
একদিন নবীজিরে উষ্টালাথি না দিলে মনে-দিলে শান্তি পাই না। ইছলাম যে শান্তির ধর্ম এটাই তার প্রমাণ।

৬৫.
আমাদের নবীগিকে কিছু কিছু মানুষ খালি শান্তিকামী বলে। বলি, আমাদের নবীগি কি শুধুই শান্তিকামী ছিলেন? আর কিছু কামী ছিলেন না? তিনি তো আরো অনেককিছু কামী ছিলেন। যেমন, শিশুকামী (আয়শার সহিত কাম), পুত্রবধূকামী (পুত্রবধূ যয়নাবের সহিত কাম), ভাতিজীকামী (ভ্রাতৃতুল্য বন্ধু ওমর ফারুকের কন্যা হাফসার সহিত কাম), খালাম্মাকামী (খাদিজা খালার সহিত কাম) ইত্যাকার সব্যসাচী কামী ছিলেন। তাই বলছি, আমাদের নবীগিকে শুধু শান্তিকামী বলে তাকে অবমাননা করবেন না। আমার খুব দুঃখ লাগে কিন্তুক।