১৪ এপ্রিল, ২০১৫

ফাতেমা দেবীর ফতোয়া - ১০

লিখেছেন ফাতেমা দেবী (সঃ)

৪৬.
- সূর্যগ্রহণ কী?
- পৃথিবী ও সূর্যের মাঝখানে যদি চাঁদ এসে পড়ে তাহলে চাঁদের কারণে সূর্যকে দেখা যায় না। এটাই হচ্ছে সূর্যগ্রহণ। কিন্তু সূর্যগ্রহণ হলে মহাসর্বজ্ঞানী মহানবীজি কী করেছিল, শুনুন:
সূর্যগ্রহণ শুরু হলে নবীজি উঠে দাঁড়ালেন এবং ভয় পেলেন যে হয়ত মহাপ্রলয়ের দিন এসে গেছে। তিনি মসজিদে নামাজ পড়তে চলে গেলেন। (ছহী বুখারি ২,১৮,১৬৭)
৪৭.
আমি এত্ত কুখ্যাত কাফের হয়েও গত জীবনে অনেক নামাগ পড়েছি, রোগা রেখেছি অনেকগুলি; এমনকি হগ করার নিয়ত পর্যন্ত করে রেখেছি। আর য়াল্ল্যাকে দেখুন, আমার চেয়েও বাগে কাফের সে। জীবনে কোনোদিন নামাগ পড়েনি, রোগা রাখেনি, হগও করা তো দূরের কথা, নিয়ত পর্যন্ত করেনি। মরার পরে কবরে ছওয়াল-গবাবে কী গবাব দেবে সে? এহেন কুফরীর গন্য তো সে সারা গেবন দোগগের আগুনে পুড়বে আর গাক্কুম খাবে। হায়রে কাফের য়াল্ল্যা, হায়রে বাগে কাফের য়াল্ল্যা, হায়রে আমার চেয়ে বাগে কাফের য়াল্ল্যা।

৪৮.
সব ধর্মগ্রন্থই বাজে, সব ধর্মপ্রবর্তকই বাজে, সব ধর্মই বাজে। তবে সভ্যতার ক্রমবিকাশে অন্যান্য সকল ধর্মের অনুসারীরা অনেকটা সভ্য হয়েছে। আজো সেই মহাবদ নবীর মত বাজে রয়ে গেছে মহাবদের সৃষ্ট ধর্ম ইছলাম ও এর অনুসারী মুছলিমরা। এখন মানব সভ্যতার সবচেয়ে বড় হুমকি হচ্ছে ইছলাম ধর্ম, কোরান ও মুছলিম। পৃথিবীর জঘন্যতম জিনিস এই তিনটা। পৃথিবীর কল্যাণ ও মানব সভ্যতা রক্ষা করার জন্য ইছলাম ধর্ম এবং মহাবদের রচিত কোরান পৃথিবী থেকে এই মুহূর্তেই ব্যান করা উচিত। ওয়াশিকুর বাবুর কণ্ঠে কণ্ঠ মিলিয়ে বলছি:
ইছলাম ধ্বংস হোক
ইছলাম ধ্বংস হোক
ইছলাম ধ্বংস হোক।

৪৯.
কাবাঘর হলো একটা উন্মুক্ত ন্যুড বার। য়াল্ল্যা এখানে নগ্ন হয়ে তার যৌনাঙ্গ সম্পূর্ণ উন্মুক্ত করে রেখেছে সারা পৃথিবীর য়াল্ল্যা-কামুক নর-নারীর জন্য। সমস্ত পৃথিবীর চারদিক থেকে য়াল্ল্যার যৌনাঙ্গ-পিয়াসী নরনারীরা এসে এখানে য়াল্ল্যার নেংটু যৌনাঙ্গে চুমু খায়। আর পাগলামী ছাগলামী দুম্বামী উটামী করে। ন্যুড বার ব'লে কথা। এখানে আসা মানুষগুলির আচার-আচরণ এর চেয়ে ভালো আশা করাটাই বোকামি।

৫০.
য়াল্লার জন্য অন্ন চাই, বস্ত্র চাই, বাসস্থান চাই, শিক্ষা চাই, চিকিৎসা চাই। য়াল্ল্যা তার মৌলিক চাহিদাগুলি পূরণে অক্ষম। অতএব সকল মানবিক মানুষ য়াল্ল্যার মৌলিক চাহিদা পূরণে এগিয়ে আসুন। শেখ হাসিনা এগিয়ে এসেছেন য়াল্ল্যার বাসস্থানের চাহিদা পূরণে। তেমনি আমরা কেউ কেউ এগিয়ে আসতে পারি বস্ত্রের চাহিদা পূরণে, কেউ কেউ এগিয়ে আসতে পারি অন্নের চাহিদা পূরণে, কেউ কেউ এগিয়ে আসতে পারি শিক্ষার ব্যাপারে, কেউ কেউ চিকিৎসার ব্যাপারে। আপনাদের পুরনো কাপড়, পুরনো বইপত্র, পুরনো প্যারাসিটামল, বাসী খাবার ফেলে না দিয়ে য়াল্ল্যাকে দিন; সবকিছু নতুন হতে হবে এমন কথা নেই। যারা নতুন দিতে পারেন, তারা নতুন দেবেন, অসুবিধা নেই।