৮ জানু, ২০১৫

ঈমানদীপ্ত কাহিনী - ৯ (শার্ট-পেন্ট সমাচার)

লিখেছেন জল্লাদ মিয়া

ইসলামে শার্ট-পেন্ট পরা নিষেধ। কারণ হিসেবে হুগুররা বলেন, এসব নাকি ইহুদি-নাসারার পোশাক! তবে আসল কাহিনী ভিন্ন। আজ আমি সেই কাহিনীটিই বলিব।

তখন আরবে মুহাম্মকের তুমুল জনপ্রিয়তা। পিছলাম প্রচার পুরোদমে চলিতেছিল। মুহাম্মক চুরি-চামারি করিয়া পিছলাম প্রচারের ফাঁকে ফাঁকে সুন্দরী রমণীদের সহিত মেরাজকার্যও সারেন, অবশ্য তা অতি সতর্কতার সহিত। সেই রকম দিনে এক কাণ্ড ঘটিল।

একজন খ্রিষ্টান মুহাম্মকের কাছে পিছলাম ধর্ম গ্রহণ করিবার লাইগা আসিলেন। তার পরনে ছিল শার্ট এবং পেন্ট। তারে দেখিতে কী যে সুন্দর লাগিতেছিল! সকল রমণী তার দিকে তাকায়া রহিয়াছে।

মুহাম্মক ব্যাপারটা খেয়াল করিলেন। মুহাম্মকের পরনে ছিল লুঙ্গির সাথে জুব্বা। মুহাম্মক মনে মনে ঠিক করিলেন, তিনিও শার্ট-পেন্ট পরিবেন। ফলে রমণীরা আরো বেশী আকৃষ্ট হইবেক! ফলে মুহাম্মকের পক্ষে নারী পটাইতে সুবিধা হবে।

মুহাম্মক ইতিপূর্বে কখনো শার্ট-পেন্ট পরেন নাই। তাই শার্ট কোনোভাবে ফরিতে ফারিলেও পেন্ট ফড়িলেন উল্টা করিয়া। অর্থাত্‍ চেইনটা পেছনদিকে চলিয়া গেছে। মুহাম্মক কোনমতে পেছনে বোতামটা লাগাইয়া পিছলাম প্রচারে বাহির হৈলেন।

মুহাম্মকরে দেখিয়া প্রথমে সাহাবীরা টাস্কি খাইলেন। একজন সাহাবী জিগাইলেন, "পেয়ারা নবী, এসব কি ফরিয়াছেন?" 

মুহাম্মক উত্তর দিলেন, "খোদার আদেশ।"

এরপর আর কেহ মুহাম্মকরে কিছু কহিল না।

মুহাম্মক সাহাবীদের সঙ্গে নিয়া পিছলাম প্রচার করিবার লাইগা এক বাড়িতে গেলেন। মুহাম্মকদের জইন্য পাটি পাতিয়া দেয়া হল। মুহাম্মকরা ওখানে বসিলেন।

তারপর মুহাম্মকদের জইন্য নাস্তার ব্যবস্থা করা হলো। মুহাম্মক নাস্তা খাইতেছিলেন। এমন টাইমে এক হতচ্ছাড়া পিঁপড়া মুহাম্মকের ঈমানদণ্ড মোবারকে কামড় বসাইছে! মুহাম্মক ক্ষুদ্র আর্তনাদ করিয়া ওঠিলেন। ঐ জায়গায় চুলকাইতে আরম্ভ করিলেন। কিন্তু বুঝিতে পারিলেন পেন্ট পরার কারণে পেন্টের ভিতর চুলকায়া সুবিধা নাই। লুঙ্গি থাকিলে একহাত ভিত্রে ঢুকায়া চুলকাইতে খুব আরাম!

যাই হাক, একটু পরে মুহাম্মকের চুলকানি একটু কমিল।

এর কিছুক্ষণ পর একটা খুব সুন্দরী মহিলা মুহাম্মকের কাছে বায়াত গ্রহণ করিবার লাইগা আসিয়াছে। তারে দেখিয়া মুহাম্মকের ঈমানদন্ড নড়িয়া-চড়িয়া উঠিল। পুরাই খাড়ায়া গ্যাছে! সবাই দেখিল, মুহাম্মকের ওখানে তাবু হৈয়্যা রহিয়াছে! কী লজ্জা, কী লজ্জা! জুব্বা থাকিলে জুব্বার বর্ধিত অংশ মুহাম্মকের এই অঞ্চল ঢাকিয়া রাখিতে পারিত। এভাবেই মুহাম্মক এতদিন দিন পার করিয়াছেন। এই মুহুর্তে মুহাম্মক জুব্বা এবং লুঙ্গীর উফকারিতা অনুভব করিলেন।

এভাবেই কিছুক্ষণ পিছলাম প্রচার চলিল। একটু পর মুহাম্মকের প্রস্রাবের বেগ পাইল। মুহাম্মক তড়িঘড়ি করিয়া মুতার জইন্য বাথরুমে গেলেন। স্বভাববশতঃ তিনি পেন্টকে লুঙ্গী মনে করিয়া খুলার জইন্য নিচ থেকে উপরের দিকে ওঠাতে লাগিলেন, মাগার পেন্ট খোলে না। অনেকক্ষণ পর মুহাম্মক কায়দাটা ধরতে পারলেনবটে, তবে ততোক্ষণে তার কাপড়-চুপড় নষ্ট হৈয়্যা গ্যাছে!

মুহাম্মক সবার অলক্ষ্যে তাড়াতাড়ি বাড়িতে গিয়া পেন্ট পাল্টায়া আসিলেন। বলা বাহুল্য, এবারেও মুহাম্মক উল্টা করিয়া ফরিয়াছেন।

এবার এতক্ষণ যে বাড়িতে আল্লার বাণী প্রচার করিতেছিলেন, সেখানে গেলেন। গিয়া দেখেন সাহাবীরা ঐ সুন্দরী রমণীকে মেরাজের জইন্য প্রস্তুত করিয়া ফালাইছে। এই দেখিয়া মুহাম্মকের ঈমানদণ্ড মোবারক কথা কহিয়া উঠিল। তিনি রমণীর কাছে যায়া ঈমানদণ্ড বের করার জইন্য স্বভাববশতঃ পেন্ট উপরের দিকে উঠাইতে লাগিলেন। মাগার পেন্ট খোলে না, বরং নিচ থেকে বটিয়া যাইতেছে।

সাহাবীরা বলিলেন, "হে মহাবদ, চেইন খোলেন, চেইন খোলেন।"

মুহাম্মকের মনে পড়িল, পেন্টে চেইন থাকে। এইবার মুহাম্মক পেন্টের চেইন খোলার জন্য সামনে হাত দিয়া দেখেন, চেইন নাই! রাগে-দুঃখে-খুভে মুহাম্মক তখনই ঘোষণা করিয়া দিলেন যে, পিসলামে পেন্ট পরা হারাম!

তবুও এক বিচিত্র কারণে ড. জোকার নালায়েক শার্ট-পেন্ট পরেন। এর কারণ হতে ফারে, জোকারের ঈমানদণ্ড মুহাম্মকের মত অত মজবুত নয়।