১০ অক্টোবর, ২০১৪

জ্বীন-ইনসানের পেরেম-পিরিতি

লিখেছেন মুফাসা দ্যা গ্রেট

সেক্স ফ্যান্টাসি ছাড়া কোনো ধর্ম রচনা সম্পূর্ণ হয় না। ধর্ম রচনা করতে হলে সেক্স ফ্যান্টাসি থাকতে হবে - সেই রকম শিশ্ন-শিরশিরে সেক্স ফ্যান্টাসি। মেনকা উর্বশী থেকে শুরু করে ভেনাস আফ্রোদিতি পর্যন্ত প্রতিটি ধর্মেই সেই রকম সেক্স ফ্যান্টাসিতে ভরপুর। ইসলাম ধর্মেই আসলে দেখা যায় কোনো সেক্স ফ্যান্টাসি নেই। ধু ধু মরুভুমি, খেজুর, খেজুর গাছ, খেজুরের কাঁটা, উটের মুত, ভেড়ার গু, ছাগলের দুধ, জোব্বা, পাগড়ি কুলুখ ইন্তেজা হায়েজ নেফাস, নুনুর পুজ, পাছার গু, গেলমানের রক্ত উহ আহ.....

আরে থামুন থামুন।

আপনি কি জানেন, ইসলামে একটি বিশাল ধরনের সেক্স ফ্যান্টাসি রয়েছে। মহান আল্লাহ পাক মানুষের সেক্স ফ্যান্টাসিকে এক সুবিশাল উচ্চতায় নিয়ে গিয়েছেন। আর হচ্ছে জ্বীন :D

আপনি কি জানেন, মানুষের আগে জ্বীন জাতিকে তৈরি করা হয়েছে এবং মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিন এই নালায়েক জ্বীন জাতিকে লাগিয়ে দিয়েছেন মানুষের পুটুর পেছনে খুচাখুচি করার জন্য?

এরা খুব দুষ্ট । এরা সারাক্ষণ মানুষের পেছনে লেগে থাকে। মানুষের সাথে খালি যৌনমিলন করতে চায়। জ্বীনদের সৃষ্টির ব্যাপারে মহান আল্লাহ পাক বলেন: "নিশ্চই আমি জ্বীনদের কে মানুষের পূর্বে সৃষ্টি করিয়াছি।"

দুনিয়াতে মানুষের আগমনের আগে আল্লাহপাক জ্বীনদেরকে প্রেরণ করেন, কিন্তু এরা একটু বেশি দুষ্টু হওয়ার কারণে তারা একে অপরের পুটু মারা শুরু করে, এতে আল্লাহপাক বেজায় বিরক্ত হন এবং জ্বীনদের আরেকটি দলকে প্রেরণ করেন এদের শায়েস্তা করার জন্য। এদের দলের একটি ভাগের ৪০০০ জ্বীনের দলের নেতা ছিল শয়তান। শয়তান একাই এইসব পুটু মারামারি করা জ্বীনগুলাকে কেটে সমুদ্রে ভাসিয়ে দেয়। অনেকটা হারকিউলিসের মত।

যাই হোক, এতে জ্বীনেরা দুনিয়া থেকে নিশ্চিহ্ন হয়ে যায়, আল্লাহপাক শান্তির শ্বাস নেন।

জ্বীন জাতি আল্লাহপাকের বেজায় আদরের জাতি - খুব আদরের সহিত আল্লাহপাক জ্বীন জাতিকে সৃষ্টি করেছেন। ওই যে কথায় আছে না, অতি আদরে নষ্ট হওয়া পুলাপাইন? জ্বীনগুলাও আল্লাহপাকের অতি আদরে নষ্ট হয়ে গেছে। আদরের ঠেলায় আল্লাহপাক জ্বীন জাতির কিছু আব্দার মেনে নিয়ে তাদের কিছু রুহানী ক্ষমতা দিয়ে দিয়েছেন। যেমন:
  • মানুষ জ্বীন দেখবে না কিন্তু জ্বীন মানুষকে দেখতে পাবে।
  • তারা যেকোন সময়ে দুনিয়াতে আগমন ও প্রস্থান করতে পারবে কিন্তু স্থায়ীভাবে থাক্তে পারবে না।
  • এদের শরীর অতি সূক্ষ্ম হবে বিধায় এদের গতি অনেক বেশি হবে।
  • এরা যে কোনো মানুষের ভেতরে প্রবেশ করতে পারবে এবং প্রস্থান করতে পারবে।
ও মাগো, কী ক্ষমতা! পুরাই ইনভিজিবল ম্যান!

এখন একটা জিনিস চিন্তা করুন - একটু দুষ্টু চিন্তা... এই ক্ষমতাগুলো আপনি পেলে আপনি কী করতেন?

আরে রাখেন রাখেন, খালি কেট আপটনের কথা চিন্তা করলেই হবে? হবে না, আসুন, এইবার জ্বিন ও ইনসানের প্রেমলীলার প্যাচাল পারি।

হযরত মুজাহিদ (র) থেকে বর্ণিত: রাসুল বলেছেন, জ্বীন ও ইনসানের যৌনমিলন সম্ভব। জ্বীন চাইলে মানুষের সাথে যৌনমিলন করতে পারে। এর ফলে জন্ম নেয়া সন্তানকে বলা হয় খুন্নাস। ইয়ে আমার তো বায়োল্ফ-এর অ্যান্জেলিনা জোলির কথা মনে পড়ে গেল, সেই মন্সটার মাদার হে হে। ইয়ে, ব্যাক টু দ্যা পয়েন্ট...

জ্বিনের সাথে বিবাহ মাকরুহ। কারণ আল্লাহপাক বলেন, তোমাদের জন্য তোমাদের আকার-আকৃতির সঙ্গী দেওয়া হয়েছে, তো তোমরা কেন জ্বীনকে লাগাতে যাবে থুক্কু বিয়ে করতে যাবে?

তবে কেউ যদি মানুষের আকারের জ্বীনকে কুরকুরানির ঠেলায় বিয়ে করেই বসে, তাহলে তা জায়েজ হবে না। তবে সেই জ্বীন যদি মুসলমান হয়, তবে... এ বিষয়ে আল্লাহপাক কিছু খোলাসা করে বলেননি, খালি মিটি মিটি হেসেছেন।

সাসপেন্স! সাসপেন্স! আরে যেখানে আল্লাহপাক স্বয়ং ধর্ম লিখছেন, সেখানে সাসপেন্স না থাকলে হয় নাকি।

এইবার সাসপেন্স ভাঙি। জ্বীন মুলত খুবই সেক্সি একটা ক্রিয়েচার, যৌনমিলনের জন্য এরা সব সময় উৎসুক হয়ে থাকে। আপনি যদি আপনার স্ত্রীর সাথে ইয়ে করার সময় বিসমিল্লাহ না বলেই ঢোকাতে যান, তখন আপনার স্ত্রীর ইসে মানে ওই যে কী বলে নুনু না থুক্কু যোনিটা একটি জ্বীন এসে দখল করে নেয়। মানে আপনার স্ত্রীর যোনি জ্বীনের যোনি হয়ে যায়।

কী মজা, তাই না? আচ্ছা, এখন আপনার যৌনকর্মের দ্বারা যদি আপনার স্ত্রীকে প্রেগন্যান্ট করেই দ্যান, তাহলে আপনার স্ত্রী তখন প্রেগন্যান্ট হবে না হবে সেই জ্বীনটি। হেহে আর আরেকটা জিনিষ বলে রাখি, জ্বীনের ব্রীডিং পাওয়ার কিন্তু সেইরাম, মানুষ একটা বাচ্চা জন্ম দিলে এরা দেয় নয়টা। মাগো, ইয়ে আমার মেক্সিকান আর কলম্বিয়ান গার্লফ্রেন্ডগুলার কথা মনে পড়ে গেল, এরাও ঠিক এভাবেই প্রেগন্যান্ট হওয়ার জন্য রেডি থাকে।

জ্বীনেরা বাথরুমে থাকে। মানে বুঝলেন তো? এদের সেক্সের জালা কতটুকু, এমন একটা জায়গা বেছে নিয়েছে যেখানে গিয়ে আপনাকে লুঙ্গি-পায়জামা খুলতেই হবে, আর তখনই জ্বীনেরা আপনার সাথে যৌনমিলন করে বসবে। কী, চিন্তায় পড়ে গেলেন? বাথরুমে গিয়ে হাত মারায় এত সুখ কোথা থেকে আসে? আসলে তখন আপনি জ্বিনের সাথে সঙ্গমে ব্যস্ত থাকেন।

মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিন এখান থেকেও মুমিনদের বাঁচিয়ে দিয়েছেন। জ্বীনদের থেকে বাঁচার জন্য বাথরুমে যাওয়ার আগে বিসমিল্লাহ পড়ে ঢুকবেন, কোনো জ্বীন আপনার নুনু দূরের কথা, বালের ডগাও ছুঁতে পারবে না। কী, বিসমিল্লাহ পড়বেন তো? কেন জানি ঠোঁটের কোণে দুষ্টু হাসি দেখতে পাচ্ছি। আচ্ছা, থাক। আপনার ধান্ধা আপনার কাছে, আমি কেডা!

আর মুমিনা আপুদেরকে বলছি, আপনারা ঘুমানোর সময় দোয়া পড়ে যোনি লক করে ঘুমাবেন, তা না হলে জ্বীনেরা এসে রাতের বেলায় আপনার সাথে যৌনমিলন করে যাবে, এবং পরদিন আপনাকে ফরজ গোসল করতে হবে, তা না হলে কিন্তু নামায হবে না।

ফরজ গোসল নিয়ে অবশ্য একটু মতভেদ আছে। 

আবুল ইবনে হাম্বলী (র) বলেছেন, জ্বীন সহবাসের পর মহিলাদের উপর গোসল ফরজ হয় না, কারণ ফরয গোসলের দুইটা শর্ত অনুপস্থিত - লিঙ্গ প্রবেশ ও বীর্যস্খলন।

কিন্তু আল্লামা শিবলী (র) বলেছেন, এটি অতি অপমানজনক এতে পাকসাফ হওয়া যায় না। গোসল করতে হবে।

এখন মুমিনা আপিদের ওপরেই ছেড়ে দিলাম, করবেন কি করবেন না।

বুঝলেন তো, কী পরিমাণ সেক্স ফ্যান্টাসি আল্লাহপাক ইসলাম ধর্মে রেখেছেন? তো এখন কেউ যদি মুমিনদের বলে, তোরা নিরামিষ, তাইলে বলবেন জানিস, আমাদের আছে জ্বীন ফ্যান্টাসি, যার তুলনা দুনিয়ার আর কোথাও খুঁজে পাবি না বুঝলি।