৩০ নভেম্বর, ২০১২

কুরানে বিগ্যান (অষ্টাদশ পর্ব): এ সেই কিতাব যাতে কোনোই সন্দেহ নেই! – ২


লিখেছেন গোলাপ


স্বঘোষিত আখেরি নবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) তাঁর আল্লাহর উদ্ধৃতি দিয়ে যে বাণীগুলো প্রচার করেছিলেন, তাতে অবিশ্বাসীরা কেন "সন্দেহ পোষণ" করতেন, তা কুরানে অত্যন্ত স্পষ্ট। তাদের তিনটি অভিযোগের প্রথম দুইটির আলোচনা আগের পর্বে (সপ্তদশ) করা হয়েছে। মুক্তচিন্তার পাঠকরা নিশ্চয়ই অনুধাবন করতে পারছেন যে, অবিশ্বাসীদের অভিযোগ গুলো ছিল যথার্থ। তাদের সে অভিযোগের কোনো সদুত্তরই মুহাম্মদ (আল্লাহ) দিতে পারেননি। তাদের তৃতীয় অভিযোগটি ছিল সবচেয়ে গুরুতর!

তৃতীয় অভিযোগ: মুহাম্মদ প্রেরিত ব্যক্তি ননসে  মিথ্যাবাদী, উন্মাদ / যাদুগ্রস্ত

প্রবক্তা মুহাম্মদের (আল্লাহ) ভাষায়:

যতো দোষ, লক্ষ্মী ঘোষ


লিখেছেন N.c. Neel 

আপনি কি জানেন, পৃথিবীতে এই যে এতো দুঃখ-কষ্ট, তার কারণ কী? তার একমাত্র কারণ হল নারী। সমস্ত শান্তশিষ্ট নারী সমাজের প্রতিনিধি মা লক্ষ্মী নারীদের বেশ কিছু দোষকে পৃথিবীর সমস্ত কষ্টের কারণ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। এই সমস্ত দোষ নিম্নরূপ:

১. নারীর উচ্চকণ্ঠে হাসাহাসি। 
২. লজ্জা বিসর্জন দিয়ে যার-তার সামনে যখন-তখন ঘর থেকে বাহির হওয়া। 
৩. সন্ধ্যার সময় নিদ্রা যাওয়া। 
৪. শ্বশুর-শাশুড়ির সেবা না করে নিজের ইচ্ছায় থাকা। 
৫. বাসায় অতিথি দেখলে কষ্ট পাওয়া। 
৬. স্বামীর খাওয়ার আগেই নিজে খাওয়া। 
৭. স্বামীর কথা না শুনে স্বামীকে অপমান করা। 
৮. রান্নাবান্না, ঘর কন্না ছেড়ে দেয়া। 
৯. পুরুষের পরিহাস করে সময় কাটানো। 
১০. সত্য না বলে সব সময় মিথ্যা বলা।

নিম্নে 'লক্ষ্মীর পাঁচালি' থেকে উল্লেখ করছি। 

লক্ষ্মীর পাঁচালিতে নারদ যখন পৃথিবীর কষ্টের কারণ জানতে চাইলেন,লক্ষ্মী দেবী বললেন:

উচ্চ হাসি উচ্চ ভাষা কহে নারীগন
সন্ধ্যাকালে নিদ্রা যায় বেহোস নয়ন
দয়ামায়া লজ্জা আদি দিয়া বিসর্জ্জন
যেথায় সসেথায় তারা করেন গমন
শ্বশুর শ্বাশুড়িগণে না করে আদর
থাকিতে চাহেগো সদা হয় সতন্তর
অতিথি দেখিল তারা কষ্ট পায় মনে
স্বামীর অগ্রেতে খায় যত নারীগণে
পতিরে করিছে হেলা না শুনে বচন
ছাড়িয়াছে গৃহস্থালি ছেড়েছে রন্ধন
পুরুষের পরিহাসে সময় কাটায়
মিথ্যা ছাড়া সত্য কথা কভু নাহি কয়
সতত তাহারা মোরে জ্বালাতন করে
চপলার প্রায় তাই ফিরি দ্বারে দ্বারে-

রিক্ত তিনি, নিঃস্ব তিনি, দেওয়ার কিছুই নাই...


অনুবাদ ও ফটোমাস্তানি: Suirauqa

পূর্ণাকারে দেখতে ছবির ওপরে ক্লিক করুন। কাজ না হলে রাইট ক্লিক > ওপেন ইন নিউ ট্যাব/উইন্ডো
(ছবি দেখা না গেলে বিকল্প লিংক: http://i.imgur.com/vGkW4.jpg)

খ্রিষ্টধর্ম আসলে ধর্ম নয়, দর্শন!


American Atheists-এর সভাপতি ডেভিড সিলভারম্যান মুখোমুখি হয়েছিলেন পাঁড় খ্রিষ্টীয় চ্যানেল ফক্স নিউজের সবচেয়ে উচ্চকণ্ঠ উপস্থাপক Bill O'Reilly-র। বিষয়: ক্রিসমাসের বিরুদ্ধে নাস্তিকদের যুদ্ধ। সাম্প্রতিক বছরগুলোয় ক্রিসমাসের আগে এই ঢেঁকুর তুলতে বড়োই পছন্দ করে এই চ্যানেল। তাদের দাবি, নাস্তিকেরা খ্রিষ্টানদের কাছ থেকে ক্রিসমাস উৎসবটি কেড়ে নিচ্ছে। বাস্তবে কিন্তু নাস্তিকদের উদ্যোগ এবং প্রচেষ্টা সম্পূর্ণভাবেই সাংবিধানিক: রাষ্ট্র ও ধর্মের বিযুক্তি। 

কোনও যুক্তিই মানতে রাজি নন Bill O'Reilly. যুক্তিতে কুলিয়ে উঠতে না পেরে এক সময় তিনি তো দাবি করেই বসলেন, খ্রিষ্টধর্ম আসলে ধর্ম নয়, দর্শন! এবং আরও বললেন, নাস্তিকেরা নাকি merry band of fascists! আস্তিকীয় 'যুক্তির' আরও দু'টি নিদর্শন। 

ডেভিডম্যানের বক্তব্য সব সময়ই যুক্তিনিষ্ঠ, ঈষৎ রসাত্মক এবং সে-কারণেই উপভোগ্য।

লক্ষ্য করুন:
ইউটিউব ব্লকড থাকলে:
১. http://www.youtube.com/...-এর বদলে https://www.youtube.com/... ব্যবহার করলে কাজ হচ্ছে বলে অনেকে জানিয়েছেন।
২. কাজ না হলে নিচে দেয়া ভিডিও লিংকটি (অথবা ইউটিউবের যে কোনও লিংক) এই ঠিকানায় গিয়ে তালার ছবির ডানপাশের বক্সে বসিয়ে সরকারী সিদ্ধান্তকে কাঁচকলা দেখিয়ে অবলীলায় ভিডিও দেখতে থাকুন।

ঈশ্বর নীতিবান হলে



অন্ধকারে মুক্তির খোঁজে



২৯ নভেম্বর, ২০১২

ইসলামে বর্বরতা: নারী-অধ্যায় - ০৭


লিখেছেন আবুল কাশেম

পর্ব ১ > পর্ব ২ > পর্ব ৩ > পর্ব ৪ > পর্ব ৫ > পর্ব ৬

ইসলামী দেনমোহর (মোহরানা) কী জন্যে?

দেনমোহর ছাড়া আইনত: ইসলামী বিয়ে হতে পারে না। দেন মোহর হল কিছু টাকা বা সম্পত্তি যা বর কনেকে দেবে।

কোরানে আছে:
সুরা নিসা আয়াত নম্বর ৪ (৪:৪)-এ:
আর তোমরা স্ত্রীদেরকে তাদের মোহর দিয়ে দাও খুশী মনে। তারা যদি খুশী হয়ে তা থেকে অংশ ছেড়ে দেয়, তবে তা তোমরা স্বাচ্ছন্দে ভোগ কর।
ভালো কথা! কিন্তু মোহরটা আসলেই কী? এটা কি দান? মোটেই নয়। উপহার? তৌবা তৌবা! না, এটা আসলে মূল্য শোধ ছাড়া আর কিচ্ছু নয়। কিসের মূল্য? নারীর শরীরের মূল্য। শুধু শরীরের মূল্য-ই নয়, একেবারে শরীরের গোপন অঙ্গের মূল্য। শুনতে খারাপ লাগছে? মা-বোন নিয়ে কথা, খারাপ লাগার-ই কথা। কথাটা আমি-আপনি বললে সবাই দূর-দূর করবে, পাত্তাই দেবে না। কিন্তু সেই একই কথা যদি ইসলামী আইনের বিশ্ববিখ্যাত লেখক মওলানা আবদুর রহমান ডোই তাঁর ‘শারিয়া দি ইসলামিক ল’ বইতে ১৬২ পৃষ্ঠায় স্পষ্টই বলেন, তবে? পাঠক দয়া করে বইটা খুলে দেখুন, মওলানা সাহেবের মতে মোহর অবশ্যই মূল্য শোধ ছাড়া আর কিছু নয়। কিসের মূল্য শোধ, মওলানা সাহেব? মুখ ফুটে বলেন না কেন কথাটা? কিঞ্চিৎ অসুবিধে লাগে? আচ্ছা, আপনি না বলুন, ওদিকে সহিহ্‌ বোখারি ঠিকই হাটে হাঁড়ি ভেঙ্গে সব গোমর ফাঁস করে দিয়েছে। কেতাবে লেখা আছে বলে বাধ্য হয়েই হোক আর যে কোন কারণেই হোক, কোনো মওলানা বেকায়দা অস্বস্তিকর কথা বললেই তার কথাকে সমুদ্রে নিক্ষেপ করাটা আজকাল মুসলমানদের সংস্কৃতি হয়ে দাঁড়িয়েছে। কাজেই xxxx আর আবুল কাসেমের মত গঠনমূলক সমালোচকের দল তো বাদ-ই, ডোই সাহেব-ও বাদ দেয়া যাক। কিন্তু সহিহ্‌ বোখারি তো বাদ দেবার কোন উপায়ই নেই। ওগুলো তো ইসলামের অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ!

দেখুন।
সহিহ্‌ বোখারি ভলুম ৭ হাদিস ৮১:
উকবার বর্ণনামতে নবী (দঃ) বলেছেন: (বিয়ের) যে সব বিধানের মাধ্যমে তোমাদের অধিকার দেয়া হয়েছে (নারীদের) গোপন অঙ্গ উপভোগ করবার, সেগুলো মেনে চলতেই হবে।
ব্যস। গোপন অঙ্গও বলা হল, উপভোগও বলা হল, দাম দেবার কথাও বলা হল। আর তা কিন্তু বলা হল শুধু পুরুষকে-ই, নারীদের নয়। আর কী বাকী থাকল তাহলে বুঝতে? কাজেই, ‘নারীর আর্থিক নিরাপত্তার’ বক্তৃতা যত লম্বা গলাতেই যত চিৎকার করেই বলা হোক না কেন, মূল্যটা কেন যে শুধু পুরুষকেই শোধ করতে হচ্ছে এবং কোনো বস্তুর জন্য শোধ করতে হচ্ছে, তা এখন গাধাও বুঝবে।

ইসলামী বিশ্বকোষের (ডিকশনারি অব ইসলাম) ৯১ পৃষ্ঠাতেও কথাটা আছে।

দেখুন আরও একটি হাদিস:
সুনান আবু দাউদ, বই ১১ হাদিস ২১২৬:
বাসরাহ্‌ নামে এক আনসারি বর্ণনা করলেন:
আমি পর্দায় আবৃত থাকা এক কুমারীকে বিবাহ করলাম। আমি যখন তার নিকটে আসলাম তখন তাকে দেখলাম গর্ভবতী। (আমি ব্যাপারটা নবীকে জানালাম।) নবী (সাঃ) বললেন: ‘মেয়েটি মোহরানা পাবে। কেননা তুমি যখন তাকে মোহরানা দিলে তখন তার যোনি তোমার জন্য আইনসিদ্ধ হয়ে গেল। শিশুটি তোমার ক্রীতদাস হবে এবং শিশুর জন্মের পর মেয়েটিকে প্রহার করবে (এই মত ছিল হাসানের)।‘ ইবনে আবুস সারী বলেছেন: ‘তোমার লোকেরা তাকে প্রহার করবে—খুব কঠোর ভাবে।‘
এবং এই হাদিস।
সুনান আবু দাউদ, বই ১১ হাদিস ২১২১:
মোহাম্মদ ইবনে আবদুর রহমান ইবনে সওবান নবীর (দঃ) এক সাহাবি থেকে বর্ণনা করলেন: আলী নবীর (দঃ) কন্যা ফাতেমাকে বিবাহ করে তাঁর সাথে সহবাস করতে চাইলেন। আল্লাহ্‌র নবী (দঃ) আলীকে নিষেধ করলেন তাঁর কন্যার সাথে সহবাস করতে যতক্ষণ না আলী ফাতেমাকে কিছু দিয়ে দেন। আলী বললেন: ‘আমার কাছে কিছুই নেই।’ আল্লাহ্‌র রসুল (দঃ) বললেন: ‘তোমার যুদ্ধের পোশাক তাকে দিয়ে দাও।‘ আলী তাই করলেন এবং ফাতেমার সাথে সহবাস করলেন।
যাহোক, এখন দেখা যাক নারীর ‘গোপন অঙ্গ’-কে ‘উপভোগ’-এর যে মালিকানা, তার মূল্য কত হতে পারে। নারীর জন্য তা যতই অমূল্য সম্পদ হোক, শরীরটা হোক তার নিজেরই, কিন্তু তার দাম ধরবার বেলায় নারীকে কি জিজ্ঞাসা করা হয়েছে? পাগল! 'বিক্রেতা' নারী, দাম ধরবার মালিক কিন্তু ক্রেতা, অর্থাৎ পুরুষ! ক্রেতা ইচ্ছে করলেই সে বাজারে প্রচুর ‘মূল্যহ্রাস’ও করে ফেলতে পারে। করে ফেলেছেও। কী চমৎকার উদ্ভট বাজার, তাই না? মূল্যহ্রাসের উদাহরণ চান? নারী রাজি হলে ব্যাপারটা একেবারে মুফত, ফ্রি, পয়সা-কড়ি না হলেও চলবে। লক্ষ লক্ষ গরীব হতভাগ্য বাপ-মায়ের হতভাগিনী মেয়েরা রাজি না হয়ে যাবে কোথায়? অদৃশ্য অর্থনৈতিক দড়ির শৃঙ্খল পরানো আছে না তাদের গলায়? বাপ বাপ বলে রাজি হবে তারা।

আবার খুলে দেখুন মওলানা ডোই-এর ইসলামী আইনের বই, পৃষ্ঠা ১৬৩ আর ১৬৪, কোরান থেকে পুরুষ দু’-চারটা আরবি উচ্চারণ করলেই মূল্য শোধ হয়ে গেল। কিংবা একজোড়া জুতো হলেও চলবে। নতুন না পুরনো জুতো তা অবশ্য বলা হয়নি। আমরা ভালো করেই জানি, আমাদের স্ত্রীরা কত অমূল্য, কত স্বর্গীয়। তাদের মূল্য শুধুমাত্র একান্ত আবেগ দিয়ে, পরম ভালোবাসা দিয়ে এবং চরম সহানুভূতি দিয়েই শোধ দিতে হবে। তাকে এত অবমাননা করবার, এত সস্তা করার অধিকার ইসলামকে কে দিল?

(চলবে)

এক জোড়া পোস্টার - ২২



পাঠিয়েছেন দিগম্বর পয়গম্বর

লুক্স লিখিত সুসমাচার - ১৪


লিখেছেন লুক্স

১২৬.
ইসলাম আসার আগে পৃথিবীর মানুষ অনেক অসভ্য, বর্বর, অমানবিক, হিংস্র ও অবৈজ্ঞানিক ছিল। ইসলাম আসার পর পৃথিবীর মানুষ অনেক সভ্য, সৎ, মানবিক, শান্তিপ্রিয় ও উন্নত হয়ছে। - ( best joke of the millennium)

১২৭.
মুসলমানরা হত্যার বদলে হত্যা, হাতের বদলে হাত, চোখের বদলে চোখ ঠিকই বোঝে, কিন্তু যুক্তির বদলে যুক্তি বোঝে না। যুক্তির বদলে বোঝে গালি।

১২৮.
আল্লাহর শত্রু আছে। নিজেই নিজের শত্রু বানাইছে। (কোরান ৬০:১)

১২৯.
মুহম্মদের নির্দেশনা: অমুসলিমদের সঙ্গে যুদ্ধে জিতলে তাদের সবাইকে হত্যা করতে হবে (Abu Dawud 19:2996)

১৩০.
মুসলমানরা পবিত্র হেরা গুহার ছবি পোস্ট করতে শিখেছে। মুহম্মদ হেরাগুহায় বসে ঈ করতো, একদিন তারা সে ছবিও পোষ্ট করবে, সেই সুদিনের অপেক্ষায় আছি। 

১৩১.
কোরানের আয়াত গুলো যে আল্লার বাণী - আজ পর্যন্ত তার একটা প্রমাণও পেলাম না। মানুষের বিশ্বাস আর অজ্ঞতা আল্লাহর অস্তিত্ব প্রমাণ করে না।

১৩২.
আল্লাহ শব্দটি নতুন কিছু না, এটা সম্পূর্ণই আরব পৌত্তলিকদের একজন দেবতা, প্রধান দেবতা। ইসলাম ধর্মের আবির্ভাবের অনেক আগে থেকেই মধ্যপ্রাচ্যীয় খ্রিষ্টানরা তাদের ঈশ্বরকে 'আল্লাহ' বলেই সম্বোধন করত। তখন তো ইসলাম ধর্ম ছিল না, আরবরা ছিল পৌত্তলিক। ইসলাম অনুসারে, ইসলাম ধর্মের আবির্ভাবের অনেক আগ থেকেই মধ্যপ্রাচ্যীয় খ্রিষ্টানরা তাদের ঈশ্বরকে আল্লাহ বলেই সম্বোধন করত। আল্লাহ ও তার তিন কন্যা যারা দেবী - আল-লাত, উজ্জা ও মানাত। এ তিন দেবীর কথা কোরানেও উল্লেখ আছে (সূরা- আন-নাজম ৫৩: ১৯); তাহলে আল্লাহ শব্দটি কোথা থেকে এলো? আল্লাহ বলে কাকে সম্বোধন করা হচ্ছে? (সিরাত রাসূলুল্লাহ, ইবনে ইসহাক, পৃ-৮-৯) 

১৩৩.
মুসলমানরা ইবাদত, নেকি, সোওয়াব, ফজিলত - এসবের পেছনে যে পরিমাণ সমর ব্যয় করে, তার দশ ভাগের এক ভাগও যদি বিজ্ঞান চর্চায় ব্যয় করতো, তাহলে মুসলমানরা আজ এতো পিছিয়ে থাকতো না।

১৩৪.
ইসলাম যদি শান্তির ধর্মই হবে তাহলে ইসলামের জন্মভূমি সৌদি আরবের জাতীয় পতাকায় তলোয়ার শোভা পায় কী করে? 

১৩৫.
যত বড় ডিগ্রীধারীই হোক, একজন মুমিন যখন কোরানের আলোকে আকাশের বর্ণনা দেয়, তখন তার ভণ্ডামী অথবা মগজের আসল অবস্হা বোঝা যায়।

আল্যা বাঁচাইসে



সম্মানরক্ষার্থে হত্যা


পাঠিয়েছেন মহসিনা খাতুন


১.৪৪ মিনিট দীর্ঘ প্রাসঙ্গিক ভিডিও-রিপোর্ট দেখুন:

২৮ নভেম্বর, ২০১২

ইসলামী ইতরামি: একাদশী


১. 
জন্মকালে আমার সম্মতির তোয়াক্কা না করে আমার ওপরে ইছলাম চাপানো হয়েছে, কিন্তু প্রাপ্তমনস্ক হয়ে ওঠার পরে ইছলাম ত্যাগ করলে আমাকে হত্যা করা হবে। সেটাই ইছলামের মানবিক বিধান। ১৪০০ বছর আগের তুলনায় পৃথিবী অনেক সভ্য হয়েছে বটে, কিন্তু ইছলাম তার অসভ্যতা ত্যাগে বড়োই অনীহ। 'দি ইকোনমিস্ট' পত্রিকায় ইছলামত্যাগীদের নিয়ে বিশদ নিবন্ধ: No God, not even Allah.

২. 
সাম্প্রতিক উদাহরণ: ইছলাম ত্যাগের 'অপরাধে' এক খ্রিষ্টানের শিরোশ্ছেদ করেছে ইছলামীরা। 

৩. 
ইন্টারনেট ব্যবহারকারী মমিন মুছলিম ভাইয়েরা, আপনার কি জানেন, অন্যতম প্রধান গুনাহর নাম ইন্টারনেট? আপনাদের জ্ঞাতার্থে আরও জানিয়ে রাখা প্রয়োজন, বিবাহবহির্ভূত ভালোবাসাও (শারীরিক সম্পর্ক তো অনেক পরের কথা) হারাম - অর্থাৎ স্ত্রী ছাড়া অন্য কোনও নারীকে ভালোবাসা জেনা করার সমতূল্য।

৪. 
মালয়েশিয়ায় বারো বছরের মেয়ের সঙ্গে ঊনিশ বছরের বিয়ের প্রতিবাদে শোরগোল তুলেছে এক নারী সংগঠন। খুবই যুক্তিসঙ্গত পদক্ষেপ। কিন্তু খটকা লাগলো সংগঠনটির নাম দেখে: Sisters in Islam. প্রশ্ন জাগে: একান্ন বছর বয়সের বৃদ্ধ নবীর ছয় বছরের বালিকাকে বিয়ে করা তারা সমর্থন করে? করলে আলোচ্য বিয়েতে তাদের আপত্তির যৌক্তিকতা কোথায়? আর সমর্থন না করলে তাদের সংগঠনের নামে 'ইসলাম' স্থান পায় কীভাবে? নবীর কর্মের বিরোধিতা করে ইছলামী হওয়া যায়?

৫. 
ইছলামীদের স্বভাবটাই এমন: তারা যেখানে যাবে, সেখানে তাদের অসভ্য বর্বর আইন প্রতিষ্ঠায় ব্যস্ত হয়ে পড়বে। ব্রিটেনের এক মুছলিম রেডিও স্টেশনে সমকামীদের ওপরে অত্যাচারের ইছলামী তরিকার কথা প্রচার করা হয়েছিল।

৬. 
ইরানে নারীদের মর্যাদা বৃদ্ধির উপর্যুপরি পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। চল্লিশ বছরের কম বয়সী অবিবাহিত মেয়েদের একাকী বিদেশভ্রমণ সংক্রান্ত কাগজপত্র আহরণের জন্য পিতা অথবা পুরুষ অভিভাবকের আনুষ্ঠানিক অনুমতি নিতে হবে। বর্তমান আইন অনুযায়ী, প্রাপ্তবয়স্ক অবিবাহিত মেয়েদের জন্য এমন অনুমতির প্রয়োজন নেই। 

৭. 
নাটোরে ইছলামের শান্তি ছড়িয়েছে জামায়াত। মিছিল শেষে মন্দিরে আগুন লাগিয়ে দেয় এই ইছলামী ষণ্ডরা।

৮. 
নবীজির বিরুদ্ধে কথা বলেছে - এমন গুজব তুলে ইছলামীরা হত্যা করেছে চারজনকে, লুট করেছে দোকানপাট। ঘটনা নাইজেরিয়ার বিচি শহরে। 
(লিংক: কৌস্তুভ)

৯. 
আর পাকিস্তানে একই অভিযোগে ব্ল্যাসফেমি আইনে একজনের বিচার হয়েছে। সাজা - মৃত্যুদণ্ড। 

১০. 
ইছলামবাজদের কীর্তি দেখুন। তারা দু'পা এগিয়ে দিয়ে বসে আছে, আর তাদের পায়ে চুমু খাচ্ছে নারী-পুরুষ। পোনে দুই মিনিটের অ-ইউটিউব ভিডিও। 
(লিংক: N.c. Neel)

১১.
মালি-তে ইছলামীরা পথে-ঘাটে বোরখাহীন নারীদের প্রেপ্তার করছে তো বটেই, এমনকি তারা বাড়ি বাড়ি গিয়েও বোরখাহীন বেলাজ মেয়েদের ধরে নিয়ে আসছে। 

এক জোড়া কার্টুন




হ্রস্বরসবাক্যবাণ – ৬৩


১.
ধর্মবিশ্বাসীরা যুক্তি প্রয়োগ করে না, কারণ তারা মনে করে, যুক্তি শয়তানের আবিষ্কার।

২.
অতি উচ্চশিক্ষিত ধর্মবিশ্বাসীর দৃষ্টিকোণও সংকীর্ণ। 

৩.
মানবতাবিরোধী যাবতীয় অপরাধগুলোকে বৈধতা দিতে বিভিন্ন ধর্মের আশ্রয় নিন। 

(সংগৃহীত ও অনূদিত)

গরুপূজারি গাধাগুলো - ৩২




Astrology is Still Bullshit নামের ফেসবুক পেজ থেকে।

ইছলামের অপার মহিমা


১.
প্রক্ষালন করার জন্য শিশুমস্তিষ্কই সর্বোত্তম, সেটা খুব ভালো করেই জানে ধর্মগুলো। তাই ছোটবেলাতেই তাদের মাথায় সেঁধিয়ে দেয়া হয় ধর্মভীতি। 


তবে ইছলামের নিবেদিত প্রাণ আল-কায়েদার যোদ্ধারা শিশুমস্তিষ্কপ্রক্ষালন প্রক্রিয়াটিকে আরো অনেক দূর এগিয়ে নিয়ে গেছে। তারা শিশুদের (পাঁচ বছর বয়সীও আছে) শেখাচ্ছে পিস্তল এবং মেশিনগান চালানো। তাদের কেউ কেউ হবে আত্মঘাতী বোমারুও।

বিস্তারিত পড়ুন এখানে। 

২.
রুশ অর্থোডক্স খ্রিষ্টান পরিবারে তার জন্ম। পেশায় ছিলো অভিনেত্রী। তার বিয়ে হয়েছিল নয় বছর আগে। বিয়ের দিনে হাস্যোজ্জ্বল নববধূর ছবি দেখুন: 


এখন বলুন দেখি, নিচের ছবিটি কার? 


হ্যাঁ, সেই একই মেয়ের। ২০০৭ সালে ইছলামের সুশীতল ছায়ায় আসার পরে। কিন্তু ইছলামের কী গুণ! প্রাক্তন অভিনেত্রীকে সে বানিয়ে দিলো আত্মঘাতী বোমারু। একদিন মেয়েটি এক ইছলামবাজের বাড়িতে গিয়ে শরীরে আঁটা বোমা সক্রিয় করলো। মারা গেল সর্বমোট আটজন। এখন প্রশ্ন জাগে, ইছলাম গ্রহণকারী মেয়ে কেন ইছলামবাজকে হত্যা করতে যাবে? উত্তর হচ্ছে - যে সব ইছলামবাজের সঙ্গে সরকার ও কর্তৃপক্ষের বিশেষ দহরম-মহরম, জঙ্গি ইছলামীরা তাদের পছন্দ করে না। গত দু'বছরে তারা এমন বারোজন ইছলামবাজকে হত্যা করেছে। 

বিস্তারিত সংবাদ এখানে। 

* দুটো লিংকই পাঠিয়েছেন ধ্রুবনীল

স্ক্রিনশট সংকলন - ০১








নিঃসীম নূরানী অন্ধকারে - ৪৮


লিখেছেন তামান্না ঝুমু

২৩৬.
লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ। বাংলা তর্জমা:
'আল্লাহ ছাড়া আর কোনো উপহাস্য নেই। এবং মহাবদ করুণার পাত্র তার প্রেরিত রাসকেল।' 

২৩৭.
আল্লাহ বলেছেন সকল প্রশংসা তার। তিনি এও বলেছেন, তার হুকুম ছাড়া কিছুই হতে পারে না। 
তাহলে মানুষ অন্যায় কিংবা অপকর্ম করে কেন? > আল্লার হুকুমে।
আল্লার কথার যুক্তি ও অর্থানুসারে সকল কুৎসা ও অপরাধের প্রকৃত মালিক কে? > আল্লার দাবী অনুযায়ী - আল্লা।
কাজেই "সকল প্রশংসা আল্লার" এই বাক্যটিতে সংযোজন ও সংস্কার আবশ্যক। সংশোধিত বাক্যটি হতে পারে এ রকম: "সকল প্রশংসা ও সকল কুৎসার একমাত্র মালিক হচ্ছেন আল্লাহপাক।"

২৩৮.
ঈমান আর দ্বীন জাহান্নামে যাক, অবিশ্বাস বেঁচে থাক। 

২৩৯.
মানুষ প্রেম করে কেন? > আল্লার হুকুমে।
আল্লার আইনে প্রেমের শাস্তি হচ্ছে প্রেমিক ও প্রেমিকেকে মুমিন জনতা সমক্ষে ১০০টি করে দোররা মারা। প্রশ্ন হচ্ছে, দোররা কি হুকুমকারীকে মারা উচিত নাকি হুকুম পালনকারীকে? 

২৪০.
নবীজী বলেন, "আলী ভাই ..."
আলী বলেন, "মুহাম্মদ ভাই, আমরা শ্বশুর-জামাই পরস্পরের ভাই ভাই, এমন হালাল ও পবিত্র সম্পর্ক আর আছে কোথায়?" 

২৭ নভেম্বর, ২০১২

নিত্য নবীরে স্মরি – ১০০



পাঠিয়েছেন দিগম্বর পয়গম্বর

ভিডিও লিংকিন পার্ক - ১০


১. 
আমেরিকার খ্যাতনামা এক খ্রিষ্টধর্মবাজ বছরের গোড়ার দিকে বলেছিল, তার সঙ্গে ঈশ্বরের কথা হয়েছে এবং ঈশ্বর তাকে বলেছে আমেরিকার পরবর্তী প্রেসিডেন্টের নাম। তার সেই ঘোষণা কেন সঠিক হয়নি, সে বিষয়ে তার কৈফিয়ত। একেবারে টিপিক্যাল আস্তিকীয় অজুহাত। 
দৈর্ঘ্য: ০.৩৯ মিনিট

২. 
হিন্দুধর্মের কুৎসিত বর্ণপ্রথা বিষয়ে নির্মিতব্য একটি ডকুমেন্টারির ট্রেইলার। 
দৈর্ঘ্য: ৫.০৯ মিনিট

৩. 
প্রাক্তন ক্যাথলিক ধর্মযাজক খ্রিষ্টধর্মের কিন্তু উদ্ভট দাবিকে যুক্তির মাধ্যমে পরিহাস করছেন। 
দৈর্ঘ্য: ৪.৫১ মিনিট

৪.
ঈশ্বরে বিশ্বাস না করার 'অপরাধে' এক বছরের জেল? আমেরিকায়?? এ-ও কি সম্ভব হতে যাচ্ছে?
দৈর্ঘ্য: ২.২১ মিনিট

৫.
ক্লাস সিক্সে পড়া এক বালকের যুক্তিবাণে পরাহত হলো এক বাঘা সৃষ্টিতত্ত্ববাদী, যে বস্তুত তার নিজের দেয়া 'যুক্তির' প্যাঁচেই আটকে পড়ে।
দৈর্ঘ্য: ৩.০৩ মিনিট

লক্ষ্য করুন:
ইউটিউব ব্লকড থাকলে:
১. http://www.youtube.com/...-এর বদলে https://www.youtube.com/... ব্যবহার করলে কাজ হচ্ছে বলে অনেকে জানিয়েছেন।
২. কাজ না হলে ভিডিও লিংকটি (অথবা ইউটিউবের যে কোনও লিংক) এই ঠিকানায় গিয়ে তালার ছবির ডানপাশের বক্সে বসিয়ে সরকারী সিদ্ধান্তকে কাঁচকলা দেখিয়ে অবলীলায় ভিডিও দেখতে থাকুন।

চিত্রপঞ্চক - ৩০


ধর্মের মূলমন্ত্র 

কারোর চাই? (পাঠিয়েছেন N.c. Neel) 

হা-হা-হাদিস – ৬৮


হে ঈমান্দার বান্দাসকল, তোমাদের জন্য অজস্র রসময় কথা গুপ্ত রহিয়াছে হাদিস শরিফে।
- সহীহ আল-ধর্মকারী
নবীজি একদিন এক অবিশ্বাসীরে নিমন্ত্রণ দিয়া সাহাবাগোরে কইলো এক ছাগীর দুধ দুইতে। সেই দুধ কাফেরটারে খাইতে দেওয়া হইলো। সে খাইয়া ফালাইল। নবীজি আরেকটা ছাগী দুইতে কইলো। সেইটার দুধও কাফের চালান কইরা দিলো পেটে। এইভাবে সাতখান ছাগীর দুধ খাইয়া তবে ব্যাটা থামলো। পরদিন সকালে সে ইছলামের সুশীতল ছায়াতলে আসলো। ছাগীর দুধের কী কুদরত, দেখসেন! তো তখন নবীজি আবার এক ছাগীর দুধ দুইতে কইলো। নব্য মুছলিম সেইটা খাইলো বটে, তবে দ্বিতীয় ছাগীর দুধ সে শেষ করতারলো না। তখন ইছলামের বৈগ্যানিক নবী ঘোষণা দিলো, মুছলিমের অন্ত্র (পাকস্থলী থেকে মলদ্বার পর্যন্ত খাদ্যনালীর নিম্নাংশ - ইংরাজিতে intestine) একখান, তয় কাফেরগো সাতখান অন্ত্র। 

Abu Huraira reported that Allah's Messenger (may peace be upon him) invited a non-Muslim. Allah's Messenger (may peace be upon him) commanded that a goat be milked for him. It was milked and he drank its milk. Then the second one was milked and he drank its milk, and then the other one was milked and he drank its milk till he drank the milk of seven goats. On the next morning he embraced Islam. And Allah's Messenger (may peace be upon him) commanded that a goat should be milked for him and he drank its milk and then another was milked but he did not finish it, whereupon Allah's Messenger (may peace be upon him) said: A believer drinks In one intestine whereas a non-believer drinks in seven intestines.

লাভের গুড় পিঁপড়ায় খায়


ধর্মকারীতে আগে প্রকাশিত একটি পোস্টারের পরিবর্ধিত সংস্করণ:


২৬ নভেম্বর, ২০১২

লিংকিন পার্ক - ৬৩


১. 
আমেরিকান রাজনীতি-বক্তা ও খ্রিষ্টান ধর্মবাজ দীনেশ ডিসুজা'র একজন বিবাহবহির্ভূত মিস্ট্রেস নিয়ে এক হোটেলে রাত্রিযাপনের কথা ফাঁস হয়ে গেছে। ক্যাথলিক ডিসুজার এই স্ক্যান্ডাল ফাঁস করেছে এক প্রোটেস্ট্যান্ট পত্রিকা। ধর্মগুলির মত ধর্ম-শাখাগুলির পরস্পর পুন্দাপুন্দিও পরম বিনোদনী। এর চেয়েও মজার ব্যাপার, চাউর হয়ে যাবার পর সে নিরীহভাবে বলেছে, "ওহ, ডিভোর্স হওয়ার আগে পর্যন্ত এসব করা ধর্মে মানা বুঝি? আমি ঠিক জানতাম না তো!"

২.
'এথেইস্ট এক্সপিরিয়েন্স'-এ দারুণ প্রত্যয় নিয়ে পত্রাঘাত করা এক ক্রিশ্চান ছাগলের ইমেলখানি ব্যবচ্ছেদ করেছে সাইটের একজন। ভারি বিনোদনী।

৩.
ঈশ্বরের অস্তিত্বের পক্ষে নতুন প্রমাণ - কদলী! দুই ক্রিশ্চান ধর্মবাজ একটি কলা নিয়ে একখানা 'অকাট্য যুক্তিসম্বলিত' ভিডিও বানিয়েছিল। সেই বাঁদরামো চটকে দেওয়া হয়েছে এই লেখাটায়।

(১ থেকে ৩ স-ভূমিকা লিংক: কৌস্তুভ)

৪. 
ফ্রান্সে এক মুসলিম একটি মসজিদ খুলতে চায়। সমকামীদের জন্য। না, ভুল পড়েননি। সমকামী মুসলিমদের জন্য মসজিদ। অচিরেই এক বা একাধিক ফতোয়া নাজিল হবে নিশ্চয়ই। 

৫. 
মর্গে কর্মরত এক বাংলাদেশীর বিরুদ্ধে মৃত মহিলাকে ধর্ষণের অভিযোগ আনা হয়েছে চৌদি আজবে। সে অবশ্য অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছে, সে নেহাত কৌতূহলবশত মৃত সেই নারীর যৌনাঙ্গ দেখতে চেয়েছিল। এবং সাচ্চা মুসলিমের মতো নিজের এই অপকর্মের দায় যথারীতি চাপিয়েছে শয়তানের ওপরে। 

৬. 
কবুতরেরাও বোঝে, বিষ্ঠাত্যাগ করার সবচেয়ে উপযুক্ত স্থান কোনটা। সুইডেনের এক এক চার্চের টাওয়ারে গত তিরিশ বছরে দুই টন বিষ্ঠার তিরিশ সেন্টিমিটার স্তর বানিয়েছে তারা। চিন্তা করছি, নাস্তিকপ্রধান দেশের কবুতরগুলোও নাস্তিক নাকি! 

৭. 
ইসলাম কেবলই আরবদের জন্য, অনারবদের জন্য নয়: আল-কোরান। বাঙালি মমিনেরা পড়ে খুবই ধাক্কা খাবে। চমৎকার নিবন্ধ। বাংলায়। 

৮. 
ঐশী ভ্রান্তি! বিশ্বের বৃহত্তম শিশুকামী সংগঠন ক্যাথলিক চার্চের হোতা তার সাম্প্রতিক বইয়ে লিখেছে, যিশুর জন্মসালে ভুল করা হয়েছে! এতোদিন ধরে বলা হয়েছে, যিশুর জন্ম ১ সালে, কিন্তু পোপ বলছে, তার জন্ম হয়েছে আরও কয়েক বছর আগে। 

৯.
হিন্দু জঙ্গিদের দল শিব সেনার প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান বাল ঠাকরের (গালি দিই নাই কিন্তু! ওইটাই নাম) মৃত্যুর পর পুরো মুম্বাই শহর বন্ধ করে দেয়া হলে এর বিরোধিতা জানিয়ে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়েছিল এক মেয়ে। পুলিশ সেই স্ট্যাটাসদাত্রীকে ও স্ট্যাটাসে লাইকদাত্রীকে প্রেপ্তার করে পরে জামিনে ছেড়ে দেয়। তবে ২০০০ শিবসেনা স্ট্যাটাসদাত্রীর চাচা/মামার ক্লিনিক আক্রমণ করে সেখানে বিপুল ভাঙচুর সাধন করে।

১০.
নবীজির জন্মস্থান মক্কায় নিজের নামের একটি দোকান উদ্বোধন করেছেন ইন্টারনেটে সেক্স ভিডিও প্রকাশ করে বিপুল পরিচিতি পাওয়া প্যারিস হিলটন। এটাকে 'মক্কার অপমান' বলে আখ্যায়িত করছে অনেক মমিন মুছলিম। 

আমার বোরখা-ফেটিশ – ৬৪




ডিগবাজি ও আশুরা


লিখেছেন N.c. Neel

ছোটকালে আমি খুব সুন্দর ডিগবাজি দিয়ে সবাইকে আকৃষ্ট করতে পারতাম। একদিন আমার বয়সী আমার এক কাজিন আমাকে দেখে ডিগবাজি দেয়া শুরু করলো। আমার তো মেজাজ খারাপ হল, আমার দেখাদেখি সে ডিগবাজি কেন দেবে? তার ডিগবাজির বিরোধিতা যখন আমি করি, তখন সে ভিন্ন পন্থা অবলম্বন করলো। আমি যেভাবে ডিগবাজি দেই, সে সেভাবে না দিয়ে অন্যভাবে দেয়া শুরু করলো। সত্যি কথা বলতে কি, মোহাম্মদের অবস্থাও আমার সেই কাজিনের মত হয়েছিল। নিম্নে বিশ্লেষণ করছি:

রাসূল (সাঃ) যখন মদীনায় আগমন করলেন তিনি আশুরার দিনে ইহুদিদের রোযা পালন করতে দেখলেন। যেমন হাদীসে এসেছে,
ইবনে আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত: তিনি বলেন রাসূল (সাঃ) মদীনায় এসে দেখলেন যে, ইহুদিরা আশুরার দিনে রোযা পালন করছে। তিনি তাদের জিজ্ঞেস করলেন এটা কোন দিন যে তোমরা রোযা পালন করছ? তারা বললঃ এটা এমন এক মহান দিবস যেদিন আল্লাহ মুছা (আঃ) ও তার সম্প্রদায়কে নাজাত দিয়েছিলেন এবং ফেরআউনকে তার দলবলসহ ডুবিয়ে মেরেছিলেন। মুছা (আঃ) শুকরিয়া হিসেবে এ দিনে রোযা পালন করেছেন। এ কারণে আমরাও রোযা পালন করে থাকি। এ কথা শুনে রাসূল (সাঃ) বললেনঃ তোমাদের চেয়ে আমরা মুছা (আঃ) এর অধিকতর ঘনিষ্ট ও নিকটবর্তী। অতঃপর রাসূল (সাঃ) রোযা পালন করলেন ও অন্যদেরকে রোযা পালনের নির্দেশ দিলেন। (বুখারী ও মুসলিম)
কিন্তু একটা পর্যায়ে শয়তান ইহুদীরা এর বিরোধিতা করতে লাগলো এবং বলতে লাগলো, নবী তাদের অনুসরণ করছেন। তাই রাসূল (সাঃ) সংকল্প করলেন, আশুরার দিনে তিনি ইহুদিদের মত আর একটি করে রোযা পালন করবেন না। বরং এ রোযার সাথে মুহাররম মাসের নবম তারিখে একটি রোযা বাড়িয়ে রাখার মাধ্যমে ইহুদিদের ধর্ম ও সংস্কৃতির বিরোধিতা করবেন। এর প্রমাণ হিসেবে বহু হাদিস এসেছে।

যেমন,
ইবনে আব্বাস (রাঃ) বলেন, যখন রাসূল (সাঃ) আশুরার রোযা পালন করলেন ও অন্যকে পালন করার নির্দেশ দিলেন, তখন সাহাবায়ে কেরাম (রাঃ) বললেনঃ এটা তো এমন এক দিন যাকে ইহুদী ও খৃষ্টানরা সম্মান করে থাকে। তখন রাসূল (সাঃ) বললেনঃ আগামী বছর আসলে ইনশা-আল্লাহ আমরা নবম তারিখে রোযা পালন করব। ইবনে আব্বাস (রাঃ) বলেনঃ পরবর্তী বছর আসার পূর্বেই রাসূল (সাঃ) ইন্তেকাল করলেন। (মুসলিম)
আর একটি হাদিস দেখি আমরা, 
ইবনে আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত: তিনি বলেন যে, রাসূল (সাঃ) বলেছেনঃ তোমরা আশুরা দিবসে রোযা পালন কর ও এ ক্ষেত্রে ইহুদীদের বিরোধীতা কর। তাই তোমরা আশুরার একদিন পূর্বে অথবা একদিন পরে রোযা পালন করবে। (আহমদ)
এ দিনে রোযা পালনের ফযীলত সম্পর্কে হাদিসে এসেছে, 
আবু কাতাদাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, রাসূল (সাঃ) কে আশুরার রোযা সম্পর্কে প্রশ্ন করা হল, তিনি বললেন: “বিগত এক বছরের গুনাহের কাফফারা হিসেবে গৃহীত হয়। (মুসলিম, তিরমিযী) 
ইমাম বায়হাকী (রহঃ) বলেন, এ হাদিসের ব্যাখ্যা হল: যে রোযা পালনকারীর গুনাহ রয়েছে তার গুনাহের কাফফারা হবে আর যার গুনাহ নেই আশুরার রোযা তার মর্যাদা বৃদ্ধি করবে। (ফাযায়েলুল আওকাত: বায়হাকী)

মোট কথা আশুরার দিনের রোযা হল এক বছরের রোযাতুল্য।

এই হল আশুরার রোজা রাখার তাৎপর্য। এক বছরের প্যাকেজ ছওয়াব চাইলে আপনিও রোজা রাখতে পারেন। এ ছাড়াও বিভিন্ন হাস্যকর কারণে এই দিনটা মুসলিম মতে গুরুত্বপূর্ণ। নিম্নে সংক্ষেপে আলোচনা করছি: 

১. এই দিনে পৃথিবীর প্রথম মানব হযরত আদমকে সৃষ্টি করে আল্লাহ। 

২. এই দিনে আল্লাহ নবীদেরকে স্ব স্ব শত্রুর হাত থেকে আশ্রয় প্রদান করেন। 

৩. এই দিনে আল্লাহ নবী মুসা (আঃ) এর শত্রু ফেরাউনকে নীল নদে ডুবিয়ে মারেন। 

৪. এই দিনে মুহাম্মদ (সাঃ) এর নাতী হোসেনকে হত্যা করা হয়। 

৫. এই দিনে নূহ (আঃ) তার নৌকা নিয়ে ঝড়ের কবল থেকে রক্ষা পেয়েছিলেন। 

৬. এই ১০ মুহররম তারিখে আল্লাহ আসমান জমিন সৃষ্টি করেন। 

৭. এই দিনে নবী ইব্রাহীম (আঃ) অগ্নিকুণ্ড থেকে উদ্ধার পেয়েছেলেন। 

৮. এই দিনে নবী আইয়ুব (আঃ) দুরারোগ্য ব্যাধি থেকে মুক্ত হয়েছিলেন। 

৯. এদিন আল্লাহ ঈসা (আঃ) কে ঊর্ধ্বাকাশে উঠিয়ে নিয়ে যান। 

১০. হাদিসে আছে, এই দিন কেয়ামত হবে।

এক জোড়া কার্টুন




ধর্মীয় কু-দৃষ্টিতে নারী - ০৫


লিখেছেন দ্রাক্ষা রস

(উন্মাদয়ন্তী জাতক অবলম্বনে লিখিত) 

শিবি নামক এক রাজা নগর ভ্রমণে বের হলেন। তাঁর প্রধান সেনাপতি ছিলো অহিপারক। তাঁর স্ত্রী ছিলো উন্মাদয়ন্তী নামক এক অপূর্ব সুন্দরী রমণী। সেই রমণীর সাথে বিয়ে হওয়ার কথা ছিল শিবি রাজার। কিন্তু তাঁর সাথে বিয়ে হয় সেনাপতির। কারণ মহিলা এতোই হট ছিলেন যে, রাজার বিয়ে প্রস্তাব নিয়ে যাওয়া ব্রাহ্মণদের ঈমান দাঁড়িয়ে গিয়েছিলো ম্যাডামকে দেখে (গুলাফিরে দেকতে মুঞ্চায়!) । মেয়ের মনে ছিল রাজরাণী হবার বাসনা। 

রাজা এবং সেনাপতি বাল্যসখা। কিন্তু এরপরও রাজা নগর প্রদক্ষিণের সময় সেনাপতি তার প্রিয়তমা স্ত্রীকে রাজার সম্মুখে না আসার অনুরোধ করলো। কিন্তু হট চিক স্বামীর নির্দেশ অমান্য করে, হেভি মেকআপ লাগিয়ে বারান্দা থেকে একটা সিডাক্টিভ লুক দিয়ে দিলো রাজাকে! রাজাও প্রস্তুত ছিলেন, বোধ করি, কাত হবার জন্য... ফার্স্ট সাইটে, ফাস্ট লাভ হয়ে গেলো বন্ধুপত্নীর জন্য। হট চিককে দেখে রাজা শয্যা নিলো। এই ঘটনা জানতে পেরে সেনাপতি একটা অতি নিম্নমানের ফাজলামি করলো। সে প্ল্যান করলো, বৃক্ষ দেবতা হয়ে গাছের কোটরে লুকিয়ে থাকবে। এবং রাজাকে শিক্ষা দেবে ভদ্র ভাষায়। বেকুব রাজার কামমত্ত মন থেকে মুক্তির জন্য বৃক্ষ দেবতার স্মরণে পূজা করতে গেলো তার আমত্যবর্গ। সেখানে সেনাপতির চাকর সনাতন গাছের কোটর থেকে বললো, রাজা সেনাপতি-পত্নীর প্রেমে হাবুডুবু খাচ্ছে। বেকুবগুলো সেই সমাচার জানালো রাজাকে। দুর্বল মহাপুরুষ রাজা এসব শুনে ভেবে নিলো, তার এরকম কামুক চরিত্র ফাঁস হয়ে গেছে দেবতাদের কাছে! (হা হা হা ... হাসতে হাসতে ***** খুলে গেলো!) সে খুব লজ্জিত হল। 

সেই চান্সে সাধু সাজলো সেনাপতি। চালু মাল। সে বলল, সে রাজার জন্য তার স্ত্রীকে রাজার কাছে দান করতে প্রস্তুত! রাজা তাকে যত খুশি ভোগ করুক, এই ঘটনা তাদের তিনজনের মধ্যে থাকবে। কিংবা রাজা চাইলে সরাসরি হট চিকের শয়নকক্ষে প্রবেশ করতে পারবে! (ছিঃ ছিঃ) রাজা এসব শুনে লজ্জিত হল। তার ধর্মচক্ষু খুলে গেল! মানে উপরের মাথা জেগে গেল আর নিচের মাথা থেমে গেল! (হোলি শিট!) 

চরিত্র পরিচিতি:

শিবি রাজা - গৌতম বুদ্ধ (!!!)

সেনাপতি - সারিপুত্র (গৌতম বুদ্ধের প্রধান অগ্রস্রাবক) 

উন্মাদয়ন্তী - (গৌতম বুদ্ধের প্রধান মহিলা অগ্রস্রাবিকা উৎপলাবর্ণা) 

এখন প্রশ্ন হলো:

১. এ ধরনের অসামান্য রূপ-লাবণ্যর জন্য কি নারীকে ঘরে বসে বসে ডিম পাড়তে হবে? তার মানে যেসব পুরুষের বউ বেশি সুন্দর, তাদেরকে গৃহে বন্দী অবস্থায় থাকতে হবে চিরদিনের জন্য? (এতো সমান অধিকার কই রাখি!) 

২. রাজা হয়ে কীভাবে অন্যের স্ত্রীর প্রতি কামাতুর দৃষ্টি দিতে পারে? তার ঈমান এতোই নড়বড়ে? 

৩. বাল্যসখা হওয়া সত্ত্বেও সেনাপতি রাজাকে বিশ্বাস করতে পারলো না একমাত্র তার স্ত্রীর রূপের জন্য। এরকম দুর্বল চিত্তের পুরুষকে বন্ধু না বলে লুইচ্চা বলা কি উচিত না? (হোক সে রাজা, তাতে কি লুইচ্চামি কমে যায়?) 

৪. গৌতম বুদ্ধ কি এরকম সুন্দর সুন্দর মেয়েদের জ্বালায় থাকতে পারেননি সংসারে? নাকি অন্য ঘটনা? 

৫. রাজাকে পুরোদমে বেকুব বানানো সেনাপতি প্রতি জন্মে বুদ্ধের আশেপাশে ছিলো। এসব চালু মালের সাথে এতো জীবন কাটানোর পরও কেন বুদ্ধের মাথা খুলল না? 

৬. সেক্সি মাইয়াদের কাপড় খুলতে খুলতে ক্লান্ত হয়ে কেন ঘোষণা দিলো – জগৎ দুঃখময় ? কিংবা সংসারের চেয়ে সন্ন্যাস ভালো? 

বৌদ্ধ নারীদের বলি, আপনারা তো বোরকা পরবেন না, তাই একটু সুন্দরী–রূপসী হলে ঘরে বসে থাকবেন। পারতপক্ষে জামাই ছাড়া কারো সামনে আসবেন না। আপনার সম্মান রক্ষা করার জন্য ধর্ম আছে। সাধু সাধু সাধু (গাধুর দল!)!

আশুরা ও শিশুরা


আশুরা – আরও একটি জান্তব ও রক্তাক্ত ইসলামী উৎসব। সবচেয়ে ভয়াবহ ব্যাপার এই যে, শিশুরাও এই উৎসবের প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণকারী। 

বিশ্বাসের সবচেয়ে বড়ো শত্রু যুক্তি – এসব দেখে-শুনে এই কথাটির সত্যতাই মেনে নিতে হয়। সাধারণ জ্ঞান, সরল যুক্তি, পরিমিতি বোধ অসহায় বোধ করে বিশ্বাসের দুর্ভেদ্য দেয়ালের সামনে।

সর্বমোট ৩২ টি ছবি ও আরও কিছু লিংক:




ইসলামে বর্বরতা: নারী-অধ্যায় - ০৬


লিখেছেন আবুল কাশেম


কেন, সুরা নিসার ২৩ নম্বর আয়াতেই (৪:২৩) দুই বোনের এক স্বামীর সাথে বিয়ে হওয়া বাতিল করা হয়নি? বলা হয়েছে যেন দুই আপন বোন একই লোককে বিয়ে না করে। এবং পরক্ষণেই বলা হয়েছে: ‘কিন্তু যা অতীত হয়ে গেছে।" অর্থাৎ এ পর্যন্ত যাদের সে-রকম বিয়ে হয়েছে, তারা সতীন হয়ে থাকতে পারবে, কিন্তু এর পর থেকে আর ও রকম বিয়ে চলবে না।

না, চারের বেশী বউদের বেলায় তা বলা হয় নি, করা হয় নি। তালাক হয়ে গেছে তারা, কেউ জানে না, নীরবে নিঃশব্দে কতটা কেঁদেছে বিচারের বাণী। হায়রে মানবতার ধর্ম, সাম্যের ধর্ম!

এর পরেও আছে। পারিবারিক মূল্যবোধের ওপর প্রচণ্ড বক্তৃতার পরে স্বামীর অবাধ অফুরন্ত যৌবনের ব্যবস্থা আছে। শুধু একই কুয়োর বাঁধা পানিতে সারা জীবন নাইতে কি ভালো লাগে কারো? পুরুষের খাসলতটাই যে তা নয়। মেয়ে মানুষের শরীর যে তার চাই-ই চাই। সে জন্য সে স্বর্গ, মর্ত্য, পাতাল মন্থন করবে, হাজারটা আইন বানাবে, হাজারটা আইন ভাঙবে, দরকার হলে ধর্মগ্রন্থের ওপরে পা রেখে দাঁড়াবে। আর তার অনেকটাই সে করবে আল্লার নামেই। হিন্দুধর্মেরও একই অবস্থা ছিল। ইসলামে আল্লার বিধানে মুসলমানদের উত্তপ্ত বিছানার জন্য আছে অফুরন্ত ক্রীতদাসীর ব্যবস্থা, এ বইয়ের ‘ক্রীতদাস’ অধ্যায়ে দেখুন। শুধু তা-ই নয়, সেই সাথে আরও আছে অগণিত যুদ্ধবন্দিনীর ব্যবস্থা। একের পর এক যুদ্ধ জয় করে পরাজিতদের শত-লক্ষ নারীদের নিয়ে তারা কী নৃশংস অপকর্ম করেছে, ভাবলে গা শিউরে ওঠে। সেই সব লক্ষ হতভাগিনীর মর্মান্তিক অভিশাপে চির-কলঙ্কিত হয়ে আছে ইসলামের ইতিহাস। অস্বীকার করতে পারবেন কোনো মওলানা?

এর পরেও আমাদের শুনতে হয় ইসলাম মানবতার ধর্ম। পরিহাস আর বলে কাকে!

কখনো ভেবেছেন, মওলানারা চিরকাল জন্ম-নিয়ন্ত্রণের বিরোধী কেন? একেই তো আমাদের গরীব দেশ, মানুষে মানুষে সয়লাব। আফ্রিকার মুসলমান দেশগুলোর অবস্থা তো আরও খারাপ। অন্ন-বস্ত্র-স্বাস্থ্য-বাসস্থান-চিকিৎসা, সবকিছুরই এত টানাটানি। সম্পদের তুলনায় মানুষের সংখ্যা এত বেশি যে, কিছুদিন পরে মানুষে মানুষ খাবে। কিন্তু তবু জন্মনিয়ন্ত্রণ শব্দটা শুনলেই মওলানাদের মাথা খারাপ হয়ে যায়। আল্লাই নাকি মানুষকে খাওয়াবেন। অথচ আমরা ইতিহাসে দেখেছি, ভয়াবহ দুর্ভিক্ষে কোটি কোটি লোক স্রেফ না খেয়ে মরে গেছে। সোমালিয়া, ইথিওপিয়ার দিকে তাকিয়ে দেখুন। আমাদের বাংলার বেয়াল্লিশ তেতাল্লিশের ভয়াবহ দুর্ভিক্ষের কথা মনে নেই? আর সেই ছিয়াত্তরের মন্বন্তর? পর পর আট বছর বৃষ্টি হয়নি বাংলায়; বাংলা-বিহার উড়িষ্যার মোট তিন কোটি লোকের এক তৃতীয়াংশ, এক কোটি লোক মরে গিয়েছিল খেতে না পেয়ে।

অতি সম্প্রতি চারদিক দেখে শুনে যদিও তাঁরা এ ব্যাপারে তর্জন-গর্জন করাটা বাধ্য হয়েই বাদ দিয়েছেন, কিন্তু চিরটা কাল এটা ছিল তাঁদের একটা কৌশল। কিসের কৌশল? আমরা যারা পশ্চিম দেশগুলোতে থাকি, তারা এটা ভালই জানি। এসব দেশের সরকারগুলোর দয়াদাক্ষিণ্যে ব্যাঙের ছাতার মত গড়ে উঠেছে হাজার হাজার ‘ছুটির দিনের ইসলামী স্কুল আর মাদ্রাসা’ । সেগুলোতে বাচ্চাগুলোর মাথায় এই আসল মতলবটা একটু একটু করে ঢুকিয়ে দেয়া হয়। বিশ্বাস হচ্ছে না? পড়ে দেখুন যে কোন জায়গার খবরের কাগজগুলো, টরন্টো স্টার-এর ২রা ডিসেম্বর, ২০০১ এর সংখ্যা। এই মতলবটা হল দুনিয়া জুড়ে শারিয়া আইন প্রতিষ্ঠা করা। তা করতে হলে দুনিয়া জুড়ে অন্য সবাইকে সমূলে উচ্ছেদ করে ইসলামী সরকার প্রতিষ্ঠা করা ছাড়া উপায় নেই।

কীভাবে সেটা সম্ভব?

হাতে প্রচুর অ্যাটম বোমা থাকলে কাজটা সহজ হত। কিন্তু সেটা যখন ‘শত্রুর’ হাতেই বেশি, তখন ভোটাভুটিই হল একমাত্র পথ। আর, ভোট মানেই হল জনসংখ্যা। মিলছে এবার হিসেবটা? আসলে এটাই হল জামাত-এ ইসলামী ধরনের রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠানগুলোর একমাত্র উদ্দেশ্য। বুকে হাত দিয়ে বলুক কোনো মওলানা আমার কথাটা ভুল।

বিবাহের জন্যে বেছে নিন সর্বোৎকৃষ্ট মাল—ইসলামী নিয়ম অনুযায়ী

জনসংখ্যার চাপে মানুষ মরে যাক না খেয়ে, তবু শারিয়া প্রতিষ্ঠা করতেই হবে। তাই জন্মনিয়ন্ত্রণ বে-ইসলামী, তাই জনসংখ্যা বাড়াতেই হবে। কথাটা কি আমার? মোটেই নয়, কথাটা সহিহ্‌ হাদিসের।

দেখুন।
সুনান আবু দাউদ, বই ১১ হাদিস ২০৪৫:
মাকিল ইবনে ইয়াসার বর্ণনা করেছেন, এক ব্যক্তি নবীকে (দঃ) বলল “একটা উচ্চ বংশের সুন্দরী মেয়ে আছে, কিন্তু সে বন্ধ্যা। আমি কি তাকে বিয়ে করতে পারি?” নবী (দঃ) বললেন,”না।” সে তাঁর কাছে আবার এল। নবী (দঃ) আবার তাকে নিষেধ করলেন। সে তৃতীয়বার তাঁর কাছে এলে নবী (দঃ) বললেন:”সেই মেয়েদের বিয়ে কর যারা প্রেমময়ী এবং উৎপাদনশীল। কারণ আমি তোমাদের দিয়ে সংখ্যায় অন্যদের পরাস্ত করব।”
এটাই হল আসল ব্যাপার। সবাই মিলে-মিশে শান্তিতে থাকার কথাটা ইসলামের শুধু মুখ-মিষ্টি বুলি, আসলে যত দিক দিয়ে সম্ভব অন্যদের “পরাস্ত” করাটাই দুনিয়াভর বহু মওলানাদের মাথায় সর্বদাই নড়াচড়া করছে।

আরও দেখুন।
এহিয়া উলুম আল দীন, ভলুম ১, পৃষ্ঠা ২২৮:
নবী (দঃ)বলেছেন, উর্বর এবং বাধ্য মেয়েদের বিয়ে কর। যদি সে অবিবাহিতা হয় এবং অন্যান্য অবস্থা জানা না থাকে, তবে তার স্বাস্থ্য এবং যৌবন খেয়াল করবে যাতে সে উর্বর হয়।
ইসলামে ‘নারী’ কথাটার মানে কী? উপরের হাদিসগুলো থেকে এটা পরিষ্কার যে, তারা হচ্ছে বাচ্চা বানানোর যন্ত্র বা মাল মাত্র। সম্মান, অধিকার, মর্যাদা সমস্ত কিছুই ওই একটা না-বলা কথায় বন্দী।

এটাই স্পষ্ট হয়েছে ইমাম গাজ্জালীর বইতে, এহিয়া উলুম আল দীন, প্রথম খণ্ড, পৃষ্ঠা ২২৬- ২২৮-এ। দেখুন, কাকে বিয়ে করতে হবে সে ব্যাপারে কি রকম উদ্ভট পরামর্শ দেয়া আছে:
তাকে অসুন্দরী হলে চলবে না, হতে হবে সুন্দরী। তার স্বভাবটাও হতে হবে সুন্দর। এবং আরও:- নবী বলেছেন: সর্বশ্রেষ্ঠ স্ত্রী হল সে, যার দিকে তাকালে স্বামী তৃপ্ত হয়, স্বামীর যে বাধ্য, এবং স্বামীর অবর্তমানে যে নিজের এবং তার সম্পদ রক্ষা করে। যে সব মেয়েদের বিয়ে করা যাবে না তারা হল, বিবাহিতা, ধর্মত্যাগিনী, নাস্তিক, নারীবাদী, স্বাধীনচেতা, অগ্নিপূজক, মূর্তিপূজক, অশ্লীল যৌনাচারে অভিযুক্ত তা সে প্রমাণিত হোক বা না-ই হোক, এবং এ ছাড়া কোরানে যাদের নিষেধ করা হয়েছে আত্মীয়তার কারণে।
আরও শুনবেন?

ওই একই পৃষ্ঠায়:
নবী বলেছেন, সর্বশ্রেষ্ঠ নারী হল সে-ই, যার চেহারা সুন্দর আর বিয়েতে স্ত্রীধন কম। অর্থাৎ যে কিনা দামে সস্তা।
আরও শুনুন:
নবী বলেছেন, সর্বশ্রেষ্ঠ স্ত্রী হল সে, যার দিকে তাকালে স্বামী তৃপ্ত হয়, স্বামীর যে বাধ্য, এবং স্বামীর অবর্তমানে যে নিজের এবং তার সম্পদ রক্ষা করে।
বটেই তো, বটেই তো! সুন্দর মুখের তো জয় সর্বকালে সর্বত্র, এমনকি ইসলামেও। আশ্চর্য হই এই ভেবে যে, মওলানা ইমামেরা কি একবারও ভেবে দেখেননি যে, সুন্দরী মেয়েদের নিয়ে এভাবে কথা বললে অসুন্দরীদের অপমান করা হয়? অসুন্দর কিংবা কম সুন্দর মেয়েদের বানালো কে? চেহারার সৌন্দর্য কি এতই গুরুত্বপূর্ণ?

অসুন্দরী হওয়া কি ইসলামে পাপ? এসব কথা ধর্মের বইতে কেন, সেটাও প্রশ্ন। তার চেয়ে বড় প্রশ্ন হল: দুনিয়ার সব পুরুষ কি উত্তমকুমার আর দেবানন্দ? তাহলে অসুন্দর পুরুষদের কী হবে?

সেটাও বলেছেন ইমাম গাজ্জালী, একই বইতে, পৃষ্ঠা ২৩৫:
আমি তাকে (এক মেয়েকে) জিজ্ঞাসা করলাম, এমন একটা লোককে (অসুন্দর লোককে) তুমি বিয়ে করলে কেন? সে বলল: ‘চুপ কর,বাজে কথা বোল না! স্রস্টার কাছে সে হয়ত সর্বশ্রেষ্ঠ, তাই তার জন্য আমি হয়ত স্রষ্টার পুরস্কার। আর আমি হয়ত স্রষ্টার কাছে, সর্বনিকৃষ্ট, তাই সে আমার জন্য স্রষ্টার শাস্তি।’
দেখুন, মেয়েদের কী রকম মাথা খাওয়া হয়েছে? এরই নাম ইসলামী ঈমান! এখনও অনেক মেয়ে আছেন, যাঁরা ইসলামে মেয়েদের অত্যাচারের সাংঘাতিক সমর্থক। ওটাই নাকি তাঁদের জন্য ভালো।

আশ্চর্য! আরও শুনবেন?
ঐ বই, ভলুম ১ পৃষ্ঠা ২২৯:
জাবের যখন এক পূর্ব-বিবাহিতাকে বিয়ে করল, তখন নবী (দঃ) বললেন: “কোন কুমারীকে বিয়ে করলে আরও ভালো হত কারণ তাহলে তোমরা পরস্পরের সাথে আরও উপভোগ করতে পারতে।”
ওটাই কথা, উপভোগই হল ইসলামে নারীর সর্বপ্রধান পরিচয়। বিদ্যাসাগর মশাই এত যে চেষ্টা-চরিত্র করে বিধবা-বিয়ের আইন চালু করলেন, বিধবা হতভাগিনীগুলো তাদের ছিনিয়ে নেয়া মানবাধিকার ফিরে পেল, এই ইসলামী কথা শুনলে তিনি কি ভির্মিই খাবেন না?

(চলবে)

২৫ নভেম্বর, ২০১২

একটি বিজ্ঞাপনমূলক পোস্টার


ধর্মকারীর জন্য বিজ্ঞাপনমূলক এই পোস্টারটি বানিয়ে পাঠিয়েছেন অহম


কারণ

লুক্স লিখিত সুসমাচার - ১৩


লিখেছেন লুক্স

১১৬. 
মন্তব্যহীন কোরানের আয়াত দেখে যারা ক্ষেপে যায়, বুঝতে হবে তারা জীবনেও কোরান পড়েনি।

১১৭.
খ্রিষ্টপূর্ব ৪০০৪ সালে আদমের জন্ম থেকে আজ পর্যন্ত মানুষদের উদ্ধারের জন্য পয়গম্বর জন্মেছেন ১,২৪,০০০ জন এবং এরা সকলেই জন্মালেন আরব ভূখন্ডে। কেন শুধু আরবে? আরবেই কি শুধু পাপীদের বাস ছিল? নাকি অন্য সব দেশে মনুষ্য বসতি ছিল না? ৪০০৪ + ৫৭০ = ৪৫৭৪/১,২৪,০০০ = প্রত্যেক বছর ২৭ টা নবী!

১১৮.
গত ১৪০০ বছরে ইসলামে তলোয়ারের সাথে বোমা ও পাথর ছাড়া আর কিছুই যোগ হয় নাই।

১১৯.
আল্লাহ দাবি করেন, তিনি প্রত্যেক জাতির জন্যে একজন নবী প্রেরণ করেছেন, যাতে করে তার বাণী লোকদের নিকট সুস্পষ্ট হয়। আপনি কি বাঙালি/চায়নিজ/জাপানিজ/ভারতীয়/আমেরিকান/আফ্রিকানদের জন্যে পাঠানো নবীর ব্যাপারে কিছু জানেন? - (কোরান ১৪.৪)

১২০.
যে ব্যক্তি আল্লাহর ৯৯ টা নাম জানে, সে বেহেস্তে যাবে (Sahih Bukhari 3:50:894); আমি জানি কিন্তু যামু না।

১২১.
মুহম্মদের নির্দেশনা: অবৈধ সম্পর্কের সাজা দিতে হবে পাথর মেরে হত্যা (Sahih Bukhari 9:93:633)!
মানুষের জীবন বিধান কুরানে ব্যভিচারের সাজা থাকলেও ‘ধর্ষণ’-এর জন্যে কোনো ধরনের সাজার নির্দেশ নেই, বরং আরো উৎসাহিত করে।

১২২. 
ইসলাম খুনের বদলে খুনের কথা বলে, কিন্তু মুমিনরা গো-আযম, নিজামী বা সাইদীর মতো খুনী এবং গণহত্যার নায়কদের মুক্তির জন্য আন্দোলন করে।

১২৩.
যে মানুষটি শিশুবিবাহ, বহুবিবাহ, পুত্রবধূকে বিবাহ, দাসীভোগ, যুদ্ধবন্দী নারীদের ভোগ, গণিমতের মাল ভোগ, শিরশ্ছেদ, পাথর মেরে হত্যা সর্বোপরি নিজের লিখা কোরানকে আল্লাহর নামে চালিয়ে দিয়েছে, তার নামের পর দরুদ পড়বে তার অন্ধ ভক্তরা; ইসলামের ইতিহাস জানা কেউ নয়।

১২৪.
যে মানুষগুলো পৃথিবীর কোনো ভাষাতেই লিখতে-পড়তে জানে না, তারা যখন দাবি করে কোরানে কোনো ভুল নেই, তখনই আমি সবচেয়ে বিপদে পড়ে যাই। 

১২৫.
কোরানের ভাষায় যাকে জিহাদ বলা হয়, সভ্য মানুষের কাছে তা সন্ত্রাসবাদ।

দুই নবীর জঙ্গি নাস্তিকভীতি



ধর্মীয় শান্তি? > এ যে বড়ো ভ্রান্তি


কারণ ধর্মীয় শান্তির নমুনাগুলো হয় এই ধরনের:

জীববিজ্ঞানী ও কমেডিয়ান


রিচার্ড ডকিন্স ও Ricky Gervais (এঁর পদবীর সঠিক উচ্চারণ কী?) - একজন খ্যাতনামা জীববিজ্ঞানী, অন্যজন বিখ্যাত স্ট্যান্ডআপ কমেডিয়ান। দু'জনেই ব্রিটিশ ও নাস্তিক। প্রথমজন সাক্ষাৎকার নিলেন দ্বিতীয়জনের। বিষয় - ধর্ম। 

প্রায় সাড়ে পনেরো মিনিট দীর্ঘ অতীব উপভোগ্য এই ভিডিওটি সুযোগ থাকলে দেখে নেয়া উচিত। 

লক্ষ্য করুন:
ইউটিউব ব্লকড থাকলে:
১. http://www.youtube.com/...-এর বদলে https://www.youtube.com/... ব্যবহার করলে কাজ হচ্ছে বলে অনেকে জানিয়েছেন।
২. কাজ না হলে নিচে দেয়া ভিডিও লিংকটি (অথবা ইউটিউবের যে কোনও লিংক) এই ঠিকানায় গিয়ে তালার ছবির ডানপাশের বক্সে বসিয়ে সরকারী সিদ্ধান্তকে কাঁচকলা দেখিয়ে অবলীলায় ভিডিও দেখতে থাকুন।

২৪ নভেম্বর, ২০১২

ইহকালে বেহেশতী মৌজ



সাহায্যের অর্থ জিহাদ খায়



জ্ঞাতব্য:
নীল প্রেক্ষাপটে সাদা তারা - সোমালিয়ার পতাকা।
আল শাবাব - সোমালিয়ায় সক্রিয় ও তৎপর ইছলামী জঙ্গিদের দল। 

গরুপূজারি গাধাগুলো - ৩১




Astrology is Still Bullshit নামের ফেসবুক পেজ থেকে।

মিতকথন


১. 
সূরা আবু শিবির

[১] জামাত-শিবিরের হস্তদ্বয় ধ্বংস হোক এবং ধ্বংস হোক তারা নিজে,
[২] কোন কাজে আসেনি তাদের ধন-সম্পদ ও যা তারা উপার্জন করেছে,
[৩] সত্বরই তারা প্রবেশ করবে লেলিহান অগ্নিতে,
[৪] এবং তাদের পরিবারও-যে ইন্ধন বহন করে,
[৫] তাদের গলদেশে খর্জুরের রশি নিয়ে।

নাজিল হয়েছে লুক্স-এর ওপরে। কোরানের ১১১ নং সূরা লাহাবের প্যারোডি।

সূরা লাহাব
[১] আবু লাহাবের হস্তদ্বয় ধ্বংস হোক এবং ধ্বংস হোক সে নিজে,
[২] কোন কাজে আসেনি তার ধন-সম্পদ ও যা সে উপার্জন করেছে,
[৩] সত্বরই সে প্রবেশ করবে লেলিহান অগ্নিতে,
[৪] এবং তার স্ত্রীও-যে ইন্ধন বহন করে,
[৫] তার গলদেশে খর্জুরের রশি নিয়ে।

২.
অপরাধী যদি আস্তিক হয়, তবে তার ব্যাপারে যে কোনো একটা সিদ্বান্ত অনায়াসে নেয়া যায়:
১. হয় সে নরকের ভয় ভুলে গিয়েছে
    অথবা
২. সে স্বর্গপ্রাপ্তির আশায় অপরাধ করেছে।
(পাঠিয়েছেন মেফিস্টোফিলিস)

৩. 
শিবির পারগ পা-রগ কাটায়...

২৩ নভেম্বর, ২০১২

এক জোড়া পোস্টার - ২১




শস্যক্ষেত্রে প্রযুক্তির ব্যবহার


নিশ্চয়ই ইছলাম নারীকে দিয়েছে সর্বোচ্চ মর্যাদা। নারীর এই উচ্চতম সম্মান আরও বৃদ্ধি করার লক্ষ্যে চৌদি আজবের সাম্প্রতিকতম উদ্যোগের সংবাদ পেয়ে জান্নাতুল ফেরদৌসবাসী নবীজি নিশ্চয়ই গর্ববোধ করছে তার উম্মতদের কীর্তিতে।


পুরুষ অভিভাবক ছাড়া ভ্রমণ করার অনুমতি নেই সৌদি আরবের নারীদের, গাড়ি চালানোও তাদের জন্য নিষিদ্ধ। এবার আরও এক ধাপ নিরাপত্তার জালে আবদ্ধ হয়েছেন ইসলামি শরিয়াভিত্তিক দেশটির নারীরা। নারীদের চলাফেরা নজরদারিতে (মনিটর) রাখার জন্য নতুন এক ইলেকট্রনিক সিস্টেম চালু করেছে সৌদি কর্তৃপক্ষ।

এর ফলে গত সপ্তাহ থেকে সৌদি নারীদের পুরুষ অভিভাবকরা মোবাইলফোনে এসএমএস পাচ্ছেন তাদের নারীদের চলাফেরার ব্যাপারে। মেসেজে জানিয়ে দেওয়া হচ্ছে, তাদের তত্ত্বাবধানে থাকা নারীরা দেশ ছেড়ে যাচ্ছেন কিনা। এমনকি সঙ্গে অভিভাবক থাকলেও তার মোবাইলে এ মেসেজ আসবে।

এক দম্পতির কাছ থেকে এসব তথ্য জানতে পেরে টুইটারে দ্রুত ছড়িয়ে দেন মানাল আল-শেরিফ, যিনি ২০১১ সালে সৌদি নারীদের গাড়ি চালানোর উপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার জন্য বিভিন্ন সাহসী পদক্ষেপ নিয়েছিলেন।

ঐ স্বামী তার স্ত্রীকে নিয়ে রিয়াদ আন্তর্জাতিক বিমানমন্দর ছেড়ে যাওয়ার সময় কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে স্বামীর মোবাইলে একটি এসএমএস আসে, যাতে জানানো হয় যে তার স্ত্রী রিয়াদ বিমানবন্দর ত্যাগ করেছেন।

সৌদি আরবের নিয়মানুযায়ী, পুরুষ অভিভাবকের লিখিত অনুমতি ছাড়া সৌদি নারীরা দেশত্যাগ করতে পারেন না।

প্রখ্যাত কলামিস্ট বদ্রিয়া আল-বিশর এ ব্যাপারে বলেছেন, “কর্তৃপক্ষ নারীদের মনিটর করার জন্য প্রযুক্তি ব্যবহার করছে।” তিনি রক্ষণশীল দেশটিতে নারীদের পরিস্থিতিকে দাসত্বের সঙ্গে তুলনা করে এর তীব্র প্রতিবাদ করেন।

নারীদের ওপর নজরদারি করার জন্য সৌদি কর্তৃপক্ষের এই উদ্যোগ নিন্দার ঝড় তুলেছে সামাজিক যোগাযোগ সাইট টুইটারে। এই সিদ্ধান্তকে ব্যঙ্গ করে আসছে একের পর এক টুইট। 

একটি টুইটে লেখা হয়েছে, “হ্যালো তালেবান, এখানে তোমরা সৌদি ই-সরকারের কাছ থেকে কিছু টিপস পেতে পারো!”

আরেক ব্যবহারকারী লিখেছেন, “তোমরা তোমাদের নারীদের পায়ে বেড়ি পরাচ্ছো না কেন?”

হিশাম নামে অপর ব্যক্তি টুইট করেছেন, “আমার স্ত্রী সৌদি আরব ছাড়ছে কিনা সেটা জানার জন্য যদি আমার এসএমএস দরকার হয়, তাহলে হয় আমি ভুল নারীকে বিয়ে করেছি কিংবা আমাকে পাগলের ডাক্তার দেখানো দরকার।”

কলামিস্ট বিশর তার টুইটে বলেন, “নারীদের বন্দি করে রেখে পেছনে ফিরে যাওয়ার জন্য এ প্রযুক্তি ব্যবহার করা হচ্ছে।”

প্রসঙ্গত, কঠোরভাবে শরীয়ত আইনের অনুসারী সৌদি আরবই পৃথিবীর একমাত্র দেশ, যেখানে নারীদের গাড়ি চালানো নিষিদ্ধ। 

২০১১ সালে সক্রিয় নারী কর্মীরা এই নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার জন্য সভা-সমাবেশ করেছিলেন, যার ফলে অনেক নারীকে গ্রেফতার করে তাদের দিয়ে ‘আর কখনো গাড়ি চালাবো না’ মর্মে একটি প্রার্থনায় সই করা হয়। যদিও নারীদের গাড়ি চালানোর বিষয়ক সরাসরি কোনো নিষেধাজ্ঞা সৌদি আইনে নেই, তারপরও দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর উদ্যোগে ১৯৯০ সালে এটি আনুষ্ঠানিকভাবে নিষিদ্ধ হয়।

২০১১ সালে সৌদি বাদশা কিং আব্দুল্লাহ প্রথমবারের মতো সৌদি নারীদের ভোটাধিকার প্রদান করেন ও ২০১৫ সালে পৌর নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সুযোগ দেন।

চলতি বছরের জানুয়ারিতে দেশটির শরিয়া আইন কার্যকরী করার প্রধান মাধ্যম পুলিশ বাহিনীর প্রধান হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয় শেখ আব্দুল্লাতিফ আব্দেল আজিজ আল-শেখকে। তিনি পুলিশ বাহিনীর সৌদি নারীদের হয়রানি করার উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেন। 

এরকম কঠোর বাধা-নিষেধের কারণে দেশটিতে ক্রমে নারী বেকারত্ব বাড়ছে, যা বর্তমানে প্রায় ৩০ শতাংশে এসে দাঁড়িয়েছে।

নিঃসীম নূরানী অন্ধকারে - ৪৭


লিখেছেন তামান্না ঝুমু

২৩১.
প্রায় প্রতিটি স্রষ্টাই একেকজন বড় মাপের লেখক। তাঁদের অনেকেই অন্তত একটি করে পুস্তক রচনা করেছেন যেমন:
কোরান লিখেছেন আল্লাহ, আর প্রকাশক হচ্ছেন নবীজি। ওল্ড টেস্টামেন্ট লিখেছেন জাভে, প্রকাশক হচ্ছেন মুসা আঃ। নিউ টেস্টামেন্ট লিখেছেন জিহোবা, প্রকাশক হচ্ছেন ইসা আঃ। 

২৩২.
সবকিছু সৃষ্টি করেছেন আল্লাহ। আর আল্লাহকে সৃষ্টি করেছেন নবীজি মুহাম্মদ। 

২৩৩.
- দুটি নিরাকার প্রাণীর উদাহরণ দাও।
- আল্লাহ একটি নিরাকার প্রাণী। এই প্রজাতির প্রাণী ব্রহ্মাণ্ডে শুধু একটিই আছেন। তিনি মারা গেলে এই বিরল প্রজাতিটি বিলুপ্ত হয়ে যাবে। আরেকটি নিরাকার প্রাণী হচ্ছে, এমিবা। তবে এটি আল্লাহর মতন পুরোপুরি নিরাকার নয়। এদের আকার আছে। তবে নির্দিষ্ট কোন আকার নেই। 

২৩৪.
'বউ কথা কও' পাখি ডাকে।
বউ ত কথা কয় না।
'আল্লাহ আল্লাহ' মুমিন ডাকে
আল্লাহ সাড়া দেয় না। 

২৩৫.
- কয়েকজন মরুদস্যুর নাম বলো।
- খালিদ বিন ওয়ালিদ, ওমর বিন খাত্তাব, আলি বিন আবু তালিব, আবুল কাশেম, আবু বকর, ওসমান, আবু হোরাইরা প্রমুখ। 

নিত্য নবীরে স্মরি – ৯৯




হরর হাদিস - ০৬


চৌর্যবৃত্তির সাজা হিসেবে চোরের হাত কব্জি থেকে কেটে নেয়ার বিধান কোরানেই আছে। এ প্রসঙ্গে অনেক ইছলামবাজ গলাবাজি করে প্রমাণ করার চেষ্টা করে, কোরানে এই শাস্তির কথা বলা হয়েছে বড়োসড়ো চুরির ক্ষেত্রে। ছিঁচকে চুরি নাকি ধর্তব্য নয়।

এই ইছলামবাজেরা সজ্ঞানে অথবা অজ্ঞতাবশত যে কথাটির উল্লেখ করে না, তা হচ্ছে - পরম ন্যায়বিচারক ইছলামের নবী ছিলো ঘোষণা করেছে, এক দিনারের এক-চতুর্থাংশ মূল্যের কিছু চুরি করলেও চোরের হাত কেটে ফেলতে হবে। বলেন, ছুভানাল্লাহ।
Narrated By 'Aisha : The Prophet said, "The hand should be cut off for stealing something that is worth a quarter of a Dinar or more."

ছ্যাঁচড়া ধর্মপ্রচারকেরা



২২ নভেম্বর, ২০১২

বিশ্বাস কেন ঘৃণার যোগ্য


যাবতীয় ধর্মবিশ্বাসের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শনের উদাত্ত ও উদ্ভট আহ্বান শোনা যায় প্রায়ই। অনেকে তো রীতিমতো শ্রদ্ধা দাবি করে বসেন! "শ্রদ্ধা দাবি করা যায় না, অর্জন করে নিতে হয়" - এই সরল সত্যটি মূঢ়দের মস্তিষ্কে কবে পৌঁছবে? 

প্যাট্রিক কন্ডেলের এই ভিডিওটি আগে ধর্মকারীতে দেয়া হয়েছিল। তবু সেটা আবার পোস্ট করতে ইচ্ছে হলো, কারণ ধর্মকারীর লক্ষ্য ও অবস্থান তা অনেকখানিই প্রকাশ করে। তাঁর বক্তব্যের কিছু অংশের অনুবাদ পড়ে নিতে পারেন: 

বিশ্বাস কেন শ্রদ্ধা পাবার যোগ্য, কেউ কি আমাকে তা হিসেব কষে দেখিয়ে দেবেন? কারণ তা আমার কাছে বোধের অতীত। সারাক্ষণই শুনে আসছি, "আরেকটু বেশি শ্রদ্ধা প্রদর্শন করা উচিত আপনার। আপনার মতের সঙ্গে কারুর মত না মিললেই তাকে মানসিকভাবে অসুস্থ বলবেন না।"

এমন কিন্তু নয় যে, আমার মতের সঙ্গে কারুর মতের মিল না হলেই তাকে আমি মানসিকভাবে অসুস্থ বলি। বলি বাস্তবতা প্রসঙ্গে তাদের বিশ্বাস এবং, সর্বোপরি, সেই বিশ্বাস নিয়ে তারা কী করতে চায়, সেটার ভিত্তিতে। ব্যাপারটা যদি শুধু বিশ্বাসের হতো, তাহলে সেটিকে তার চাহিদা অনুযায়ী শ্রদ্ধা প্রদর্শনে কোনও সমস্যা আমার হতো না। ঠিক যেভাবে অন্যদের পোশাকরুচি, ঘরের সাজসজ্জা - এমনকি আমার কাছে তা রুচিহীন মনে হলেও - আমি তা প্রকাশ করি না তাদের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করে।

কিন্তু ধর্ম তো বিশ্বাসের চেয়ে বেশি কিছু। ধর্ম সবার ওপরে চাপিয়ে দিতে চায় সর্বজনীন নৈতিকতা, যে-কারণে এই জাতীয় লোকের অভাব কখনওই হয় না, যারা মনে করে, অন্যদের ব্যক্তিগত জীবনে নাক গলানো তাদের কর্তব্য। এবং এই রকম মানসিকতাকে শ্রদ্ধা জানাতে গিয়েই আমরা দুর্দশায় পড়েছি।

সংজ্ঞা অনুসারে বিশ্বাস মানেই তা অপরীক্ষিত। সে-কারণে তার স্থান হবার কথা সবচেয়ে অগভীর অভিজ্ঞতাগুলোর কাতারে। এর পরেও তা, ক্ষমতায় কুলোলে, আমাদের এই গ্রহের প্রতিটি মানুষের প্রতিটি কর্ম, প্রতিটি শব্দ ও প্রতিটি চিন্তা নিয়ন্ত্রণ করতো।

কেউ যদি শয়তানের প্রতিকৃতি ও নরকের আগুনের আতঙ্ক দিয়ে তার সন্তানের মস্তিষ্ক পূর্ণ করে, সে একজন অসুস্থ ব্যক্তি, এবং সে মানসিকভাবে অসুস্থ। তবে সেটা তার অজানা, তার একমাত্র কারণ - অতীব দীর্ঘকালব্যাপী কিছু স্বল্পজ্ঞানী মানুষ ও প্রতিষ্ঠান তাকে প্রশ্রয় দিয়ে এসেছে। তবে সত্যটা হচ্ছে এই: তার বিশ্বাস শিশুতোষ, তাদের পবিত্র গ্রন্থ মিথ্যা এবং তার ঈশ্বর বিভ্রমমাত্র।

যে ব্যক্তি শ্রদ্ধা দাবি করে, সঙ্গত কারণেই তার প্রাপ্য হয় ব্যঙ্গ-বিদ্রূপ। শ্রদ্ধা তার প্রাপ্য হলে সে তা ইতোমধ্যেই পেয়ে যেতো।

ঈশ্বরের অস্তিত্ব যদি থেকে থাকে, তাহলে আমি চাইবো, সে নিজে এসে আমাকে সেটা জানাক। অন্য কারোর কাছ থেকে আমি তা শুনতে চাই না।... দয়া করে আপনাদের পবিত্র গ্রন্থ থেকে উদ্ধৃতি দেবেন না... সত্যি বলতে, কোনও বিষয়ে বাইবেল বা কোরানের বক্তব্য কী, তা নিয়ে বিন্দুমাত্র মাথাব্যথা নেই আমার।

তবে একটি কথা আপনাদের অনুধাবন করা উচিত, কোনওকিছুতে আপনার প্রবলতম বিশ্বাসও কিন্তু সেটিকে বাস্তব করে তোলে না। আপনাকে সম্মোহিত করে আপনাকে বিশ্বাস করানো যেতে পারে যে, আপনি একটি মুর্গি, তবে অন্তত গোটাকয়েক ডিম স্বচক্ষে দেখার আগে অন্যেরাও তা বিশ্বাস করবে, সে আশা আপনি যুক্তিসঙ্গত কারণেই করতে পারেন না। অতএব আপনি যদি আমাকে কিছু ডিম দেখাতে পারেন, কেবল তখনই আমি বিশ্বাস করবো, আপনি মুর্গি, আপনি খ্রিষ্টান, আপনি মুসলিম...

তবে তার আগ পর্যন্ত আপনার বিশ্বাসকে ব্যঙ্গ করতে মানা করবেন না, প্লিজ।

অ-ইউটিউব ভিডিও। সাবটাইটেলসহ দেখার ব্যবস্থাও আছে।

হিজাবের রকমফের


পাঠিয়েছেন অমিত সাহা কিরীটী 


ভিডিও লিংকিন পার্ক - ০৯


১. 
খোদ ব্রিটেনে বসেও জিনের আছর ছাড়ানোর ব্যবসা চালায় মোল্লারা। যাকে দেখানো হয়েছে এই ভিডিওতে, তার খদ্দেরের অন্ত নেই। একেক সেশনের জন্য আল্যার ওয়াস্তে সে নেয় মাত্র ষাট পাউন্ড। 
দৈর্ঘ্য: ১০.৫৩ মিনিট

২. 
এক বানর পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির বক্তৃতা শুনতে এসেছিল। তখন বক্তৃতা ছেড়ে তিনি 'বানর তাড়াইবার মন্ত্র' জপতে শুরু করেন। 
দৈর্ঘ্য: ০.৪৪ মিনিট
(পাঠিয়েছেন সুনন্দ পাত্র)

৩. 
বিবিসি-র এক টক শোতে এক নাস্তিক মহিলার 'স্বর্গ-বেহেশত জাতীয় রূপকথায় আমি বিশ্বাস করি না, কারণ আমি স্টুপিড নই' বলা ভিডিও। আমি যতোবার দেখি, ততোবার পুলকিত হই উপস্থিত কিছু দর্শকদের প্রতিক্রিয়া দেখে। ধর্মকারীতে আগে প্রকাশিত। 
দৈর্ঘ্য: ০.৫৪ মিনিট

৪. 
নাস্তিকেরা হরদম একটা কথাই বলে, ধর্মের কোনও উপকারিতা নেই। ভুল কথা। এই ভিডিও দেখে ধর্মের অন্তত একটি উপকার সম্পর্কে নিশ্চিত হোন। 
দৈর্ঘ্য: ০.৩২ মিনিট

৫. 
মুছলিম শিশুদের শেখানো হয়েছে 'আমরা ওসামার সৈন্যদল' নামের গান। 
দৈর্ঘ্য: ১.২৩ মিনিট

৬. 
দৈর্ঘ্য: ৩.০৪ মিনিট

লক্ষ্য করুন:
ইউটিউব ব্লকড থাকলে:
১. http://www.youtube.com/...-এর বদলে https://www.youtube.com/... ব্যবহার করলে কাজ হচ্ছে বলে অনেকে জানিয়েছেন।
২. কাজ না হলে ভিডিও লিংকটি (অথবা ইউটিউবের যে কোনও লিংক) এই ঠিকানায় গিয়ে তালার ছবির ডানপাশের বক্সে বসিয়ে সরকারী সিদ্ধান্তকে কাঁচকলা দেখিয়ে অবলীলায় ভিডিও দেখতে থাকুন।