রবিবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০১২

মডারেট মুসলিমদের চোখের পাওয়ার ২০/২০


পাঠিয়েছেন আল্লামা শয়তান


আমার বোরখা-ফেটিশ – ৫৪



পাঠিয়েছেন অহম

শান্তিকামীরা (peace fuckers)


পাঠিয়েছেন ফেসবুক মুমিন



জোশজাগানিয়া


খুব জোশ পেলাম এক ব্লগে নিচের বাক্যগুলি পড়ে। লিখেছে সেই ব্লগের এক পাঠক। আমার অবস্থান প্রায় এরকমই। কথাগুলো একেবারে অবিকৃত অবস্থায় প্রকাশ করছি। 
Having seen this previously, it really made me examine my position as an Atheist. It made me realise i am an Atheist, in fact, im a Militant Atheist. Im tired of living in a world were Religious beliefs over rule knowledge and scientific fact. I am tired of being respectful towards other people's beliefs and i now enjoy annoying and disrespecting their ignorance. Seriously would it kill them to look at the evidence? I read the Bible ffs lol. I am a definite 7 :)
নিচে ব্লগ-সঞ্চালকের করা মন্তব্যটিও জোশজাগানিয়া।
March forward, militant atheist!! Ridicule and belittle irrational beliefs at every turn!!
অন্যের আবালীয় বিশ্বাস, যা আমার ব্যক্তিগত স্বাধীনতাকে কোনও না কোনওভাবে প্রভাবিত করে বা করার চেষ্টা করে, সেটাকে ব্যঙ্গ করে এবং হেয় করে আমি বিপুল পুলক লাভ করে থাকি। 'অপরের বিশ্বাসের প্রতি শ্রদ্ধা দেখানো উচিত' জাতীয় সুশীল কথায় আমার আস্থা নেই বিন্দুমাত্র। আর তাই ধর্মবিশ্বাসসহ যাবতীয় যুক্তিহীন ও হানিকর বিশ্বাস (জ্যোতিষবিদ্যা, হোমিওপ্যাথি ও অন্যান্য বিকল্প চিকিৎসাপদ্ধতি, সৃষ্টিতত্ত্ববাদ, অতিন্দ্রীয় ক্ষমতা ইত্যাদি ইত্যাদি) সব সময়ই ধর্মকারীর ব্যঙ্গ-বিদ্রূপের লক্ষ্য হয়ে থাকবে। 

শ্মশ্রু দিয়ে লেখা


বানিয়েছেন দিগম্বর পয়গম্বর


আসিতেছে ছহীহ বাকস্বাধীনতা


মুছলিমগো আল্যার মনয় এখন ফাল্গুন মাস। ফাল্গুনে বইসা সে বাল গুনে। আর এই কামে সে এতোই মগ্ন যে, কাফেররা তার পেয়ারে নবীরে পোন্দাইয়া নদী বানাইয়া ফালাইলেও সে কুনো ইষ্টেপ নিতেছে না। পেয়ারে নবী আর তার উম্মতগো অসহায় দশা দেইখাও পরম করুণাময়ের দিল ক্যান যে একটুও গলে না! 

দোয়া-মোনাজাত সব ব্যর্থ হইয়া গেলেও যুদ্ধবাজ নবীর উগ্র উম্মতেরা তাই ভাংচুর, আগুন, হত্যা, লুট ও ইত্যাকার ছহীহ ইছলামী আচরণের চর্চা চালাইয়া যাইতেছে সানন্দে। আর তাগো লিডারেরা আল্যার নিষ্ক্রিয়তায় অতিষ্ঠ হইয়া মিটিং-এ বইসা অন্ধকার-যুগোপযোগী এক সিদ্ধান্ত নিয়া ফালাইসে। তাগো সংগঠন 'অর্গানাইজেশন অভ ইছলামিক কোঅপারেশন' (ইছলামিক কোঅপারেশন... হাহাহা! খাড়ান, আগে হাইসা লই। যে ইছলামী দেশগুলান একে অপরের পোঙ্গা মারতে অতি দক্ষ ও সদা তৎপর, তাগো ভিত্রে কোঅপারেশন?!) সেই অধিবেশনে ছহীহ মুছলিমা, জেনাকারিণী ফাকিস্তানী পররাষ্ট্র মন্ত্রী হিনা রাব্বানীর প্রস্তাবিত বিল পাশ করসে। 

সেইটাতে তামাম দুনিয়া জুইড়া নবীজিরে নিয়া ব্যঙ্গ-বিদ্রূপ নিষিদ্ধ করা বিষয়ক আইন প্রণয়ণের আহ্বান জানানো হইসে। 

             

হাসি এইখানেই শেষ না। ওই রিপোর্টের একখান বাক্য উদ্ধৃত করি: 'Religion should be taken as a bridge that brings nations together and not as a wall that keeps them at distance.' অর্থাৎ কিনা ধর্মগুলা বিভিন্ন দেশের মাঝখানে দেওয়াল তো তুইলা দেয়ই না, বরং মৈত্রীর সেতু স্থাপন করে! এক্কেরে খাছ বিনুদুন! আচ্ছা, এমুন চাপা মারতে এগো বাধে না? আবে হালারা, পাশাপাশি ইছলামী দুই দেশের ভিত্রেই মৈত্রী নাই, আবার গালভরা কথা! একখান উদাহরণ:


প্রবল ধর্মানুনুভূতিপ্রবণ ঈমানদাঁড় এই আবালচোদারা সহজ একখান কথা বুঝে না: 

তাদের ধর্মান্ধকারময় মস্তিষ্কে এই সরল সত্যটি কিছুতেই প্রবিষ্ট হয় না: এই উদ্যোগের ফল হবে আপাদমস্তক উল্টো - ধর্মপচানি ও নবীপোন্দন শুধু বহালই থাকবে না, আরও জোরদার হবে। তাদের ধর্মানুনুভূতি তারা ধুয়ে খেতে পারে। নয়তো রাখতে পারে ডিপ ফ্রিজে। নইলে তারা যতো ফাল পাড়বে, পচানির তীব্রতা হবে ততো বেশি।

আসলে সাম্প্রতিক কিছুদিনের ইতিহাস থেকে কোনও শিক্ষাই তারা নেয়নি।

পুনশ্চ. বিশ্বজুড়ে শান্তি প্রতিষ্ঠায় ইছলাম নিরলস। এবার তাদের শান্তির পরশ পেয়েছে কক্সবাজারের বৌদ্ধরা। শান্তিকামী মুছলিমদের দল বৌদ্ধদের বসতিতে শান্তিপূর্ণ অগ্নিসংযোগ, শান্তিমণ্ডিত হামলা, শান্তিময় ভাংচুর ও শান্তির নামে লুটপাট করেছে। মাত্র ছ'টি বৌদ্ধ মন্দির ও কুড়িটি বাড়িতে শান্তির আগুন জ্বালানো হয়েছে। 

জানা কথা, পাঁড় সুবিধাবাদীর দল, যারা তথাকথিত মডারেট মুসলিম হিসেবে নিজেদের পরিচয় দেয়, তাদের অধিকাংশেই নীরব থাকবে, কয়েকজন মিনমিন করে বলবে, 'ইহা ছহীহ ইছলাম নহে।' 

হুরীর বর্ণনা: কুরআন আপডেট



কুরআন আপডেট! কুরআন আপডেট!! কুরআন আপডেট!!!

আল্লাহ্‌র অশেষ রহমতে আমার জিহাদি উম্মাতগন আমায় ব্যঙ্গ করিয়া নির্মিত মুভির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করিতে গিয়া লাশের পর লাশ ফেলিয়া দিয়াছে! মুহাহাহাহাহাহ  তাই আমি ভাবিতেছি যে, দুনিয়াতেই আমার জিহাদি উম্মাতদের হুরী সহবতের সুযোগ দিয়া পুরস্কৃত করিব। জোরে বল, সুবহানআল্লাহ!

কিন্তু একটা সমস্যা হইয়া গিয়াছে। কুরানে হুরীর যে-বর্ণনা রহিয়াছে, উহাতে সুধু হুরীদের উন্নত বক্ষের কথা বলা আছে। কিন্তু তাহাদের পাছা কেমন হইবে, ইহার কোনোরূপ উল্লেখ নাই। যেমন সুরা আন-নাবা তে বলা আছে:
৩১. পরহেযগারদের জন্যে রয়েছে সাফল্য। 
৩২. উদ্যান, আঙ্গুর, 
৩৩. সমবয়স্কা, উন্নতবক্ষা তরুণী।
এখানে 'সমবয়স্কা', ঠিকাছে। 'উন্নতবক্ষা', সেটাও ঠিকাছে। কিন্তু তাহাদের পাছা কেমন হইবে? এই বিষয়ে আল্লাহপাক নিশ্চুপ। আমার জিহাদি জীবনের অভিজ্ঞতা বলে, অনেক সাহাবি আছেন যাহারা বক্ষদেশের চাইতে পশ্চাদ্দেশের প্রতি অধিকতর আকৃষ্ট  হেহেহেহেহ  তাহারা মাংশল পাছা অতিশয় কামনা করেন। 

এখন, পবিত্র কুরানে কারিমে হুরীদের নিতম্বের কোনোরূপ বর্ণনা না থাকায় অনেক নিতম্বপ্রেমিক সাহাবিগণ জিহাদে নিরুৎসাহিত হয় :-( এই সমস্যা নিরসনে আমি আল্লাহপাকের সাথে কথা বলিয়া উপরোক্ত সুরার ৩৩ নং আয়াত সংশোধিত ও পরিমার্জিত করিয়াছি। জোরে বল, সুবহানআল্লাহ!

৩৩ নং আয়াতে সমবয়স্কা ও উন্নতবক্ষা বিশেষণদ্বয়ের সহিত "উন্নত নিতম্ববতী" বিশেষণখানাও যুক্ত হইবে। তাহলে, আয়াতখানার পরিমার্জিত রূপ দাঁড়াইবে:
৩৩. সমবয়স্কা, উন্নতবক্ষা, ও উন্নত নিতম্ববতী তরুণী।
অতএব আমার নিতম্বপ্রেমিক সাহাবিগণ! জিহাদে পূর্ণরূপে ঝাপাইয়া পরিতে আল্লাহ্‌র নবী তাগিদ তোমাদের করিতেছে। তোমাদের সুবিধার্থে বেহেশতের উন্নত নিতম্ববতী একখানা হুরীর তাসবির মুবারক পেশ করা হইল। তোমরা উক্ত লিংক ভ্রমণ করিয়া ঈমান শক্ত করো। 

এক জোড়া কার্টুন




শনিবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০১২

ঈশ্বরের অস্তিত্ব প্রমাণ


ঈশ্বরের অস্তিত্ব প্রমাণের চেষ্টা বিষয়ে College Humor-এর সাড়ে তিন মিনিটের মজাদার ভিডিও।

গরুপূজারি গাধাগুলো - ২১




Astrology is Still Bullshit নামের ফেসবুক পেজ থেকে।

ধর্মাতুল কৌতুকিম – ৪৮


১৩৬.
এই ইহুদি গেল র‍্যাবাইয়ের (ইহুদি মোল্লা) কাছে, বললো:
- খুব বিপদে পড়েছি: আমার ছেলে খ্রিষ্টান ধর্ম গ্রহণ করেছে। কী করি বলুন তো? 
র‍্যাবাই বললো:
- খুবই জটিল সমস্যা। ঈশ্বরের সঙ্গে পরামর্শ না করে আপনাকে কোনও সমাধান দিতে পারবো না। আপনি আগামীকাল আসুন।
লোকটি পরদিন এলে র‍্যাবাই তাকে জানালো: 
- ঈশ্বর কোনও সমাধান বাতলাতে পারলো না। বললো, তার নিজেরও একই সমস্যা। 

১৩৭. 
সেক্স শপে ক্রেতা ও বিক্রেতার সংলাপ।
- আমার একটা সেক্স ডল চাই।
- ছেলে না মেয়ে?
- ছেলে। 
- শ্বেতাঙ্গ না কৃষ্ণাঙ্গ?
- হলেই হলো।
- খ্রিষ্টান না মুসলিম? 
- সেক্স ডলের আবার খ্রিষ্টান-মুসলিম কী? 
- মুসলিম সেক্স ডল blows itself up. 

১৩৮. 
উপাসনালয়ে ধর্মযাজক:
- সৃষ্টিকর্তা হিসেবে ঈশ্বর অনন্য। যা কিছু তিনি সৃষ্টি করেন, সব নিখুঁত। 
উপস্থিত একজন: 
- আমিও কি তাঁর নিখুঁত সৃষ্টি? তাহলে আমি কুঁজো কেন?
ধর্মযাজক বললো:
- তুমি কুঁজো বটে, তবে লক্ষ্য করলে দেখবে, তোমার কুঁজটা একেবারে নিখুঁত। 

চিত্রপঞ্চক - ১৮


ঘৃণা নয়, ভালোবাসা 

চুবানাল্লাহ (পানিতে চুবানো ছিলো বলে)! পাঠিয়েছেন RTPICCHI

গীবতের ইতিবাচক দিক


লিখেছেন লর্ড যিউস

কেউ কারো গীবত করলে যার গীবত করা হয়, তার পাপ গীবতকারীর আখেরি খাতায় জমা হয়। আর যে গীবত করে, তার পুণ্য গিবত্য লোকের খাতায় চলে যায়। এই ভাগাভাগির পরিমাণ কতটুকু, তা জানা না থাকলেও ধারণা করা যায় পাপ-পুণ্য ট্রান্সফারের পরিমান গীবতের মাত্রার উপর নির্ভর করে।

গীবত করার ফলাফল জানিয়ে প্রিয়নবী বলেছেন, যদি একান্তই কারো গীবত করতে হয়, তবে নিজের মায়ের গীবত কর, কারণ এতে তোমার পুণ্য অন্য কারো কাছে না গিয়ে তোমার সবচেয়ে আপনজনের কাছে রয়ে যাবে।

নবীকে নিয়ে ফিল্ম বানানোটা গীবতের পর্যায়েই পড়ে। আর হাদিস অনুসারে, এতে স্পষ্টভাবে লাভবান হয়েছেন প্রিয় নবী মুহাম্মাদ। বাসিলের যত বাসি পুণ্য আছে, সব ট্রান্সফার হয়ে যাচ্ছে নবির অ্যাকাউন্টে। কিন্তু নবীর এই লাভের সময়ে বাধ সাধল তারই প্রাণপ্রিয় উম্মতেরা। তারা কি নবীর ঐ হাদিসটি পড়েনি? তারা কি নবীর ভাল চায় না? এদের জন্যই আজ ইসলাম আর মুহাম্মাদের এই দুরাবস্থা। প্রতিটা ইবাদতে (ঊর্ধ্বপোঁদে, দুর্গন্ধ মুখে, দুই হস্তে, ভোঁ.. চক্কর) তারা নবীর পুণ্য বাড়াতে অতিরিক্ত নবী-বন্দনা করে, অথচ স্বয়ং নবী এর সবচেয়ে সহজ উপায় বাতলে দিয়ে গেছেন। গীবত, গীবত, গীবত। যত পার নবীর গীবত কর। নবীকে নিয়ে আরো বেশি বেশি সিনেমা, গল্প (চটি), কার্টুন ইত্যাদি বানিয়ে তাকে পচাও। এতে আখেরে লাভ হবে নবীরই। তা না করে নির্বোধ উম্মতেরা বাসিলের মুভির বিপক্ষে মিছিল-হরতাল করে নিজেরাই মরছে। বাসিলের মাথার দাম ঘোষণা করেছে। আবার তোরা মুমিন হ! বাসিল নিশ্চয় মনে মনে বলছে, যার জন্য করলাম চুরি, সে-ই বলে চোর।

আবাল মুসলিমদের কর্মকাণ্ডে লজ্জিত এক মুসলিমের বানানো পোস্টার

যাই হোক, আমার প্রিয় ঈমানদার মুমিন, মুমিনারা আসুন আমরা আবার আমাদের ঈমান পরীক্ষা করি। নাস্তিক কাফেরদের ষড়যন্ত্রে পড়ে আমরা আমাদের উদ্দ্যেশ্য, লক্ষ্য ও কার্যক্রম থেকে ক্রমেই সরে যাচ্ছি। যদি আমরা আসলেই আমাদের নবীকে মুহাব্বাত করি, তবে আমরা আজ থেকে যত পারব নবীর গীবত করব, তাকে দুনিয়ার সবচেয়ে ঘৃণ্য মানুষ হিসেবে তুলে ধরব। প্রতিদিন অন্তত একটি স্ট্যাটাস নবীর গীবতে ব্যয় করব। আর এভাবেই কাল হাশরের ময়দানে আমরা তার শাফায়াতের অধিকারী হতে পারব, এনশাল্লা।

Hole-y জিহাদ


এক ইছলামী সন্ত্রাসী আন্ডি-বোমারু (underwear bomber) হিসেবে পরিচিত। তার পরিকল্পনা অবশ্য সফল হয়নি শেষমেশ। হলে তার দশাটা কেমন হতে পারতো? 


শুক্রবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০১২

বিধাতা যদি দৃশ্যমান হতো


– সব সময় তর্জনি উঁচু করে হাঁটা-চলা করা উচিত নয় কেন?
– কারণ আল্লাহ সর্বব্যাপী। যদি কখনও আঙুল ঢুকে যায় তাঁর পোঁদে!
তাকে দেখা যায় না বলেই এই সমস্যা। তবে সে যদি দৃশ্যমান হতো, ব্যাপারটা কেমন হতো তাহলে? মজাদার সংলাপসমৃদ্ধ পাঁচ মিনিটের ভিডিও-কার্টুন।

ঈশ্বরঘাতকেরা




কোরান কুইজ – ২১


নিশ্চয়ই মোমিন মুসলমানগণ কোরান সম্পর্কে সম্যক জ্ঞান রাখেন। বেয়াড়া নাস্তিকগনও নিজেদেরকে কোরান-অজ্ঞ বলেন না কখনও। তাই মুসলিম-নাস্তিক নির্বিশেষে সকলেই অংশ নিতে পারেন কোরানের আয়াতভিত্তিক এই ধাঁধা প্রতিযোগিতায়। এই সিরিজের মাধ্যমেই তাঁরা নিজেদের কোরান-জ্ঞান যাচাই করে নিতে পারবেন।

প্রশ্ন ২৮. ঈমানদার মমিন মুসলিমকে ভুল পথে চালিত করার ক্ষমতা শয়তানের আছে কি?  
ক) হ্যাঁ
খ) না

(স্ক্রল করে নিচে উত্তর দেখুন)

অনুভূতির সোল এজেন্ট



নানান যুগে


ইতালীয় রেনেসাঁ যুগের শিল্পী মিকেলাঞ্জেলো'র আঁকা ঈশ্বর ও মানুষের ছবি:

এবং আধুনিক যুগের বান্দরদের কীর্তি 

বৃহষ্পতিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০১২

আহত ও আঘাতপ্রাপ্ত অনুভূতিওয়ালাদের উদ্দেশে


রিপোস্ট:
মুভি আর কার্টুনের কারণে মমিনদের সংবেদনশীল ঈমানদণ্ড সাম্প্রতিককালে প্রায় সতত উত্থিত বিধায় একটি প্রাসঙ্গিক ভিডিও আবার প্রকাশ করা হচ্ছে।

ধর্মবিশ্বাসীদের অনুভূতি নাকি পদে পদে আহত হয়, আঘাতপ্রাপ্ত হয়। এ বিষয়ে অস্ট্রেলীয় কমেডিয়ান Steve Hughes বলছেন: 
What’s wrong with being offended?
Now you have adults going “I was offended, I was offended and I have rights!” Well so what, be offended, nothing happens. You’re an adult, grow up, and deal with it. I was offended! Well, I don’t care!
“I want to live in a democracy but I never want to be offended again.” Well you’re an idiot.
পোনে দুই মিনিটের অত্যন্ত উপভোগ্য এই ভিডিওটি ধর্মকারীতে আগে প্রকাশিত। তবে এবারে ট্র্যান্সক্রিপ্টসহ। 

নিত্য নবীরে স্মরি – ৮৬


পাঠিয়েছেন দিগম্বর পয়গম্বর



নিঃসীম নূরানী অন্ধকারে - ৩৫


লিখেছেন তামান্না ঝুমু

১৭১. 
নবী করিম (ছঃ) আবু রাফেকে হত্যা করার জন্য তার নিকট আনছারদের একদল লোক প্রেরণ করলেন। তাদের মধ্যে আবদুল্লাহ ইবনে আতীক রাতের বেলা তার বাড়িতে প্রবেশ করে ঘুমন্ত অবস্থায় তাকে হত্যা করলেন। - ছহী বুখারী হাদিস নাম্বার ২৮০৪
দয়ালু নবীজি কাউকে হত্যা করিয়েছিলেন! এই জঘন্য ব্যাপার কি কভুও সত্য হতে পারে? উক্ত হাদিসটি মিথ্যে নয় তো!

১৭২.
কলেমা "নাই"
লা ইলাহা, লা রাসুলুল্লাহ।
বাংলা তর্জমা: কোনো উপাস্য নাই এবং কোনো রাসুলও নাই।

১৭৩.
বন্ধুগণ, আপনারা কি কখনো শুনেছেন, কোনো জামাতা শ্বশুরের চেয়ে বয়েসে বড় হতে? নবীজির জন্ম মোবারক ৫৭০ খ্রিষ্টাব্দে,তাঁর শ্বশুরমশাই আবুকরের জন্ম ৫৭২ খ্রিষ্টাব্দে, তাঁর শ্বশুরমশাই ওমরের জন্ম ৫৮২ খ্রিষ্টাব্দে। নবীজির অসংখ্য শ্বশুরের মধ্যে উপরোক্ত দু'জনের সাথে শ্বশুর-জামাইয়ের বয়েসের ব্যবধান গাণিতিক উপায়ে দেখা যাক:
৫৭২ (আবুবকর) - ৫৭০ (নবীজি) = ২
৫৮২ (ওমর) - ৫৭০ (নবীজি) = ১২
তার মানে নবীজির শ্বশুর আবুকর তাঁর ২ বছরের ছোট, আর শ্বশুর ওমর তাঁর মাত্র ১২ বছরের ছোট! তাঁরা শ্বশুর-জামাতা পরস্পরকে কী ব'লে সম্বোধন করতেন? 

১৭৪.
নবীজি তাঁর বেহাই কাম চাচা আবু তালিবকে বললেন, কী খবর বেহাই?
আবু তালিব বললেন, কী যে বল না, ভাতিজা, লজ্জায় মরে যাই। 

১৭৫.
খাদিজা মুহাম্মদকে বললেন, এই ছোকরা, আমি তোকে বিবাহ করতে চাই। নবী বললেন, ফুফুআম্মা, আপনি আমার ১৫ বছরের বড় - অনেকটা মায়ের মতন। আপনার-আমার কীভাবে বিবাহ হবে! লজ্জায় মরে যাই। খাদিজা বললেন, আমার দুম্বা, ভেড়া, উট, খেজুরগাছ সব তোকে দিয়ে দেব। তুই ভিখারি থেকে রাজা হবি। নবী বললেন, ফুফুআম্মা, সত্যি! তাহলে তো লজ্জা পাবার কোনো অবকাশই নাই। আমি রাজি, বিবাহের সানাই এনে দেন, সানাই বাজাই। 

গরু, তুমি কার?



লিংকিন পার্ক - ৫৯


১. 
নিউইয়র্কের পথেঘাটে ধর্মীয় ও নিধর্মীয় বিলবোর্ড নিয়ে রেষারেষি। একটায় দেখলাম, ম্যানহাটানে ঢোকার মুখে গোঁড়া ইহুদীরা পোস্টার দিয়েছে, "আপনি একটি পাপপূর্ণ স্থানে প্রবেশ করছেন।"

২. 
ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন যৌথ বিবৃতি দিয়েছে ইসলামবাজ দেশগুলোর সঙ্গে মিলে যে, সব নবীদের সম্মান করা প্রয়োজন  

৩. 
চৌদি আজবের ঘটনা। সঙ্গে মাহরাম অর্থাৎ পুরুষ অভিভাবক ছিল না বলে ৪০০ নাইজিরীয় হজযাত্রী মহিলাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। 

৪.
তুরষ্কে হারুন ইয়াহিয়া'র বিরুদ্ধে মামলা করার উদ্যোগ নিয়েছে একদল বিবর্তন-সমর্থক। (সাইট তুর্কীতে)

৫.
গ্রীসে নাস্তিক ফেসবুক পেজ চালানোর দায়ে 'অমুক সাধুর স্মৃতিকে অপমান করা হয়েছে' বলে ধর্মবাজ ক্রিশ্চানরা তাকে গ্রেপ্তার করিয়েছে।

৬.
একটি ভারতীয় নাটক, 'কৃষ্ণ ভার্সেস কানহাইয়া': ভূমিকম্পের পর ব্যবসায়ী কৃষ্ণ'কে ইনসিওরেন্স কোম্পানি টাকা দিতে অস্বীকার করে এই বলে, যে এ সবই ঈশ্বরের ইচ্ছা। সে আবার একজন নাস্তিক। তখন সে ঈশ্বর 'কানহাইয়া'র বিরুদ্ধে উঠেপড়ে লাগে।

(১-৬ স-ভূমিকা লিংক: কৌস্তুভ) 

৭. 
ফাকিস্তানে বিবাহিতা পররাষ্টমন্ত্রীর পরকীয়া প্রেমের খবর তো সকলেই পড়েছেন। এখন আমার প্রশ্ন: শরিয়া আইন মোতাবেক সংশ্লিষ্ট দু'জনের বিচার হবে না কেন? প্রায় প্রাসঙ্গিক আরও একটি সংবাদ: প্রেমিকপ্রবর বিলাওয়াল ভুট্টোর কিছু সচিত্র কীর্তিকলাপ। 

৮. 
আল্লাহর ফেসবুক পেজ। বাংলায়। অসহায় মমিন বান্দাদের ঐতিহ্যবাহী আস্তিকীয় খিস্তিখেউড়ের আরও কিছু নিদর্শন পাওয়া যাবে সেখানে। তবে সবচেয়ে উপভোগ্য - আল্লাহর নির্বিকার ভাব। ক্ষিপ্ত মমিনদেরকে সে বুদ্ধিদীপ্তভাবে নাচাচ্ছে। 

(৭-৮ লিংক: শয়তানের চ্যালা)

৯. 
শিশু যৌন নির্যাতনের কথা স্বীকার করল অস্ট্রেলিয়ার গির্জা। গত ৮০ বছরে নির্যাতিত হয়েছে ৬২০ জন শিশু - এটা গির্জা কর্তৃপক্ষের দেয়া তথ্য। তাহলে কল্পনা করে দেখুন, প্রকৃত সংখ্যাটি কতো হতে পারে।  

এবারে স্প্যানিশ পত্রিকায় নবীজির কার্টুন


এবার স্প্যানিশ স্যাটায়ার পত্রিকা El Jueves (গুগল অনুবাদ: 'বৃহস্পতিবারে') নবীকে নিয়ে ব্যঙ্গ করে প্রচ্ছদে কার্টুন প্রকাশ করেছে। 


অপরাধী শনাক্তকরণ প্রক্রিয়ার আদলে আঁকা এই কার্টুনের ক্যাপশনে লেখা: কিন্তু কেউ কি জানে, মুহম্মদ কেমন দেখতে?

কুরানে বিগ্যান (দ্বাদশ পর্ব): আবু-লাহাব তত্ত্ব


লিখেছেন গোলাপ

পর্ব ১ > পর্ব ২ > পর্ব ৩ > পর্ব ৪ > পর্ব ৫ > পর্ব ৬ > পর্ব ৭ > পর্ব ৮ > পর্ব ৯ > পর্ব ১০ > পর্ব ১১

বিসমিল্লাহতেই “অভিশাপ”! 

এই সেই বিখ্যাত সুরা লাহাব! সুরা নম্বর ১১১, আয়াত সংখ্যা পাঁচ। 

১১১: ১-৩ - আবু লাহাবের হস্তদ্বয় ধ্বংস হোক এবং ধ্বংস হোক সে নিজে, কোন কাজে আসেনি তার ধন-সম্পদ ও যা সে উপার্জন করেছে। সত্বরই সে প্রবেশ করবে লেলিহান অগ্নিতে 

১১১: ৪-৫ - এবং তার স্ত্রীও-যে ইন্ধন বহন করে, তার গলদেশে খর্জুরের রশি নিয়ে। 

এটি একটি অত্যন্ত পরিচিত সুরা! দৈনন্দিন নামাজে সাধারণ মুসলমানেরা সুরা ফাতিহার পরেই যে সুরাগুলো সচরাচর পাঠ করেন, এই সুরাটি তাদেরই একটি। একটু মনোযোগের সাথে খেয়াল করলেই বোঝা যায় যে, এই সুরার পাঁচটি বাক্যের কোথাও বক্তার উল্লেখ নেই। কুরানের বহু বহু আয়াতের মত "বলুন" শব্দটি দিয়েও এর শুরু নয়। হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) উপস্থিত জনতার সামনে দাঁড়িয়ে আবু লাহাব ও তার স্ত্রীকে এই বাক্যগুলো দিয়েই অভিশাপ বর্ষণ করছেন! সবচেয়ে প্রাচীন বিশিষ্ট মুসলিম ঐতিহাসিকদের (ইবনে ইশাক, আল-তাবারী, ইমাম বুখারী) বর্ণনা মতে এই ঐতিহাসিক ঘটনাটি ঘটেছে সেই সময়ে, যখন মুহাম্মদ সর্বপ্রথম প্রকাশ্যে তার বাণী প্রচারের সিদ্ধান্ত নেন (এ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনায় পরে আসছি)। 

কে এই আবু লাহাব? 

আবু লাহাবের আসল নাম আবেদ-উজ্জাহ। তিনি ছিলেন হযরত মুহাম্মদ (সাঃ)-এর পিতা আবেদ-আল্লাহর (আবদুল্লাহ) নিজের ভাই। মুহাম্মদের দাদা ছিলেন আবেদ-আল মুত্তালেব। আবেদ-আল মুত্তালেব নামটি তার পরিবার প্রাপ্ত কিংবা বংশানুপ্রাপ্ত নাম নয়। এটি একটি উপাধি। আবেদ-আল মুত্তালেব এর আসল নাম ছিল সেইবাহ ইবনে হাশিম। সেইবাহ (Shaybah) শব্দের অর্থ - সাদা চুল। আবেদ আল-মুত্তালিব ('সেইবাহ) এর পিতার (হাশিম) চার ভাই: আবেদ-সামস, নওফল, হাশিম ও আল-মুত্তালিব। তাদের বাবার নাম ছিল আবেদ-মানাফ (মুহাম্মদের দাদার দাদা); হাশিম ব্যবসার উদ্দেশ্যে প্রায়ই মদিনার ওপর দিয়ে সিরিয়া যেতেন। মদিনায় তিনি সালমা বিনতে আমর নামের এক মহিলাকে (খাজরাজ বংশ) বিয়ে করেন। সালমার গর্ভে হাশিমের ঔরসজাত পুত্রটিই হলেন সেইবাহ। সেইবাহ তার মায়ের সাথে মদিনাতেই থাকতেন। সেইবাহর শিশুকালে পিতা হাশিমের মৃত্যু হয়। হাশিমের ভাই আল-মুত্তালিবও ব্যবসার উদ্দেশ্যে সিরিয়া যেতেন অহরহ। একবার সিরিযা থেকে ফেরার পথে আল-মুত্তালিব সেইবাহকে উঠের পিঠে করে মক্কায় তার নিজের পরিবারে (সেইবাহর পিতৃ-পরিবার) নিয়ে আসেন। মক্কার অধিবাসীরা সেইবাহকে চিনত না। তারা আল-মুত্তালিবের সাথে তারই উঠের পিছনে উপবিষ্ট সেইবাহকে দেখে বলাবলি শুরু করলো, 'এ যে দেখি আল-মুত্তালিবের দাস (আবেদ-আল মুত্তালিব)! সে তাকে কিনে নিয়ে এসেছে।" আল-মুত্তালিব বললেন, "বাজে কথা! এ আমার ভ্রাতুষ্পুত্র। একে আমি মদিনা থেকে নিয়ে এসেছি।" সেই থেকে লোকে সেইবাহ কে 'আবেদ-আল মুত্তালিব' নামেই সম্বোধন করতো (১). আবদ-আল মুত্তালিব (আবদুল মুত্তালিব)-এর বৃহৎ সংসার। তার ছিল পাঁচ স্ত্রী, দশ ছেলে ও সাত কন্যা (২). ছেলেরা হলেন, 

১) স্ত্রী ফাতিমার গর্ভে: আবেদ-আল্লাহ (মুহাম্মদের পিতা), আবু-তালিব (আসল নাম আবেদ-মানাফ) এবং আল-যুবায়ের 
২) স্ত্রী হালার গর্ভে: হামজা (মুহাম্মদের প্রায় সমবয়স্ক), হাজল ও আল-মুকায়িম 
৩) স্ত্রী নাতায়েলার গর্ভে: আল-আব্বাস ও দিরার 
৪) স্ত্রী লুবনার গর্ভে: আবু-লাহাব 
৫) স্ত্রী সামরার গর্ভে: আল-হারিথ 

কন্যারা হলেন: সাফিয়া, উম্মে হাকিম, আল-বেইদা, আতিকা, উমাইয়ামা, আরওয়া এবং বারাহ। মুহাম্মদের আট বছর বয়সে ইয়ামেনে আবদ-আল মুত্তালেবের মৃত্যু ঘটে। 

কী অপরাধ ছিল আবু লাহাবের? 

তার একমাত্র অপরাধ - তিনি তাঁর নিজের ধর্মকে রক্ষার চেষ্টা করেছিলেন। ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়, যখন মুহাম্মদ কুরাইশদের পূজনীয় দেব-দেবীদের তাচ্ছিল্য এবং পূর্ব-পুরুষদের অসম্মান করা শুরু করেছিলেন, তখনই কেবল কুরাইশরা তাদের ধর্ম-রক্ষা ও পূর্ব-পুরুষদের অবমাননার প্রতিবাদেই মুহাম্মদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিলেন। তার আগে কুরাইশরা কখনোই মুহাম্মদের প্রচারণায় বাধা দেন নেই (৩)। 

বুধবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০১২

এইডস নিরাময় - ইছলামী বিগ্যানের সর্বশেষ অবদান


কোনওরকম অস্ত্রোপচার ছাড়াই এইডস এবং হৃদরোগের নিরাময় পদ্ধতি আবিষ্কার করেছে এক ইছলামী বিগ্যানী। অথচ তাকে নিয়ে কেন যে মাতামাতি হচ্ছে না বিশ্বের প্রচারমাধ্যমগুলোয়! 

তিন মিনিটের স-ট্র্যান্সক্রিপ্ট ভিডিও। 

আমাদের আত্মীয়েরা – ৫২



বানিয়েছেন থাবা বাবা

ইসলামে কাম ও কামকেলি - ৩৮


মূল রচনা: আবুল কাশেম (সেক্স এন্ড সেক্সুয়ালিটি ইন ইসলাম)
অনুবাদ: খেলারাম পাঠক

(সতর্কতা: নরনারীর যৌনাচার নিয়ে এই প্রবন্ধ। স্বাভাবিকভাবেই কামসম্পর্কিত নানাবিধ টার্ম ব্যবহার করতে হয়েছে প্রবন্ধে। কিছু কিছু ক্ষেত্রে ব্যবহৃত ভাষার মধ্যেও তাই অশালীনতার গন্ধ পাওয়া যেতে পারে। কাম সম্পর্কে যাদের শুচিবাই আছে, এই প্রবন্ধ পাঠে আহত হতে পারেন তারা। এই শ্রেনীর পাঠকদের তাই প্রবন্ধটি পাঠ করা থেকে বিরত থাকতে অনুরোধ করা যাচ্ছে। পূর্ব সতর্কতা সত্বেও যদি কেউ এটি পাঠ করে আহত বোধ করেন, সেজন্যে কোনভাবেই লেখককে দায়ী করা চলবে না।)

পর্ব ০১ > পর্ব ০২ > পর্ব ০৩ > পর্ব ০৪ > পর্ব ০৫ > পর্ব ০৬ > পর্ব ০৭ > পর্ব ০৮ > পর্ব ০৯ > পর্ব ১০ > পর্ব ১১ > পর্ব ১২ > পর্ব ১৩ > পর্ব ১৪ > পর্ব ১৫ > পর্ব ১৬ > পর্ব ১৭ > পর্ব ১৮ > পর্ব ১৯ > পর্ব ২০ > পর্ব ২১ > পর্ব ২২ > পর্ব ২৩ > পর্ব ২৪ > পর্ব ২৫ > পর্ব ২৬ > পর্ব ২৭ > পর্ব ২৮ > পর্ব ২৯ > পর্ব ৩০ > পর্ব ৩১ > পর্ব ৩২ > পর্ব ৩৩ > পর্ব ৩৪ > পর্ব ৩৫ > পর্ব ৩৬ > পর্ব ৩৭

ক্রীতদাসীর সাথে সেক্স

আলোচনার জন্যে এ এক হট টপিক। এতক্ষণ আমরা যে বিষয়ে আলোচনা করলাম, তা হচ্ছে যুদ্ধবন্দিনীদের সাথে ইসলামসম্মত যৌন-আচরণ। তবে হালালভাবে সেক্স করতে মুসলিম পুরুষদের সামনে এই একটিমাত্র পথই খোলা, তা কিন্তু নয়। যুদ্ধ করা আর যা-ই হোক, মুখের কথা নয়, পৈতৃক প্রাণটা বাজী ধরতে হয়। পয়সা থাকলে হালালভাবে সেক্স করার জন্যে আরও একটি সহজ উপায় আছে মুসলমান পুরুষদের। নগদ পয়সা দিয়ে বাজার হতে পছন্দসই একটি দাসী কিনে নেয়া। যৌনদাসী, ইংরেজী নাম সেক্স স্লেভ। যৌনদাসী ক্রয়-বিক্রয় পরিপূর্ণভাবে ইসলামসম্মত, পয়সা থাকলে আপনি যত খুশি দাসী কিনতে পারেন। একসঙ্গে কতজন যৌনদাসী কিনতে পারবেন, তা নিয়ে মোটেও ভাবতে হবে না আপনাকে।

শরিয়ত আপনার জন্যে কোনো লিমিট বেঁধে দেয়নি। যতক্ষণ দেহে শক্তি আছে আর পকেটে পয়সা আছে, চালিয়ে যান। এর জন্যে পরকালে আপনাকে জিনা বা ব্যভিচারের দায়ে জবাবদিহিও করতে হবে না। কেউ কেউ হয়তো যুক্তি দেখাবেন যে, নারীমাংসের এই ব্যবসাটি যেহেতু আর চালু নেই, সুতরাং এ নিয়ে আলোচনা করা অনর্থক। এই যুক্তির সাথে আমিও একমত। তবে কথা হচ্ছে, কাফেরদের বিরুদ্ধে ইদানীংকালে জিহাদিরা বিশ্ব জুড়ে জিহাদের ডাক দিয়েছে। আটলান্টিকের পশ্চিম তীর থেকে প্রশান্ত মহাসাগরের পূর্ব তীর পর্যন্ত সর্বত্র জিহাদি বোমায় কাফের মরছে। তাদের এই জিহাদ যদি সফল হয়, যদি জিহাদিরা পৃথিবীকে দখল করে নেয়, তবে কোরান-হাদিস সমর্থিত সেই রসালো প্রথাটি যে মানবসমাজে পুনঃপ্রবর্তিত হবে না, তার নিশ্চয়তা কে দেবে? কোরান-হাদিসে যে নিয়ম আছে তা চিরকালীন, একেবারে গ্র্যানাইট পাথরে খোদাই করা। স্বয়ং আল্লাহপাক তার প্রিয় বান্দাদের জন্যে এই নিয়ম বেঁধে দিয়েছেন। সেই ঐশী নিয়মের এক চুল ব্যত্যয় ঘটানো কি কোনো মানবের পক্ষে সম্ভব? সম্ভব নয়। আর তাই যদি ইসলামী জিহাদিদের হাতে পৃথিবীর পতন ঘটে, তবে অমুসলিম  নারীমাংস কেনাবেচার পুরোনো প্রথাটি আবার সগৌরবে ফিরে আসবে, তা প্রায় নিশ্চিত করেই বলা যায়। যদি ইসলামপন্থীরা তাদের শাসিত রাষ্ট্রে শারিয়া আইন প্রবর্তিত করে চুরির দায়ে হাত-পা কাটতে পারে, ব্যভিচারের দায়ে পাথর নিক্ষেপ করে হত্যা করতে পারে, মুরতাদ ঘোষণা করে মানুষের গলা কাটতে পারে, তবে শারিয়ার বিধান মোতাবেক দাসপ্রথার পুনঃপ্রবর্তন থেকে কে তাদের নিবৃত্ত করবে? পাঠক, বিষয়টি নিয়ে ভাবুন একবার।

আমরা এর আগে বলেছি, নবী মহম্মদের মারিয়া কিবতি নামক একজন যৌনদাসী ছিল। আলেকজান্দ্রিয়ার খ্রিষ্টান শাসক মুকাকিস এই দাসীটিকে উপঢৌকন হিসেবে তাঁকে দিয়েছিলেন। মহম্মদের কাছ থেকে ইসলাম গ্রহণ করার বার্তা নিয়ে একটি প্রতিনিধি দল যায় মুকাকিসের দরবারে। মুকাকিস ইসলাম গ্রহণ করতে অস্বীকার করেন। তবে এই অস্বীকৃতির পরিণাম কী হতে পারে, তা ভেবে তিনি খুব শঙ্কিত ছিলেন। সুতরাং মহম্মদকে (দঃ) তুষ্ট করতে তিনি দু’জন সুন্দরী দাসী পাঠান মদীনায়। দু’জনের মধ্যে অপেক্ষাকৃত সুন্দরী দাসীটিকে (মারিয়া) মহম্মদ নিজের ব্যবহারের জন্যে রাখেন, অপর দাসী শিরিনকে তিনি কবি বন্ধু হাসান ছাবিতকে উপহার দেন। মারিয়ার গর্ভে মহম্মদের এক পুত্র জন্মে যার নাম ছিল ইবরাহিম। শিশু বয়েসেই মারা যায় ইব্রাহীম। শিরিনের গর্ভে হাসান ছাবিতের যে পুত্রসন্তান হয় তার নাম ছিল আব্দুর রহমান। (রেফারেন্স-১০, পৃ-৪৯৮-৪৯৯)।

এই সমস্ত ঐতিহাসিক রেকর্ড থেকে প্রমাণিত হয় যে, যৌনদাসী ভোগ করা পুরোপুরিভাবে হালাল এবং ইসলামসম্মত।

(চলবে)

আমার বোরখা-ফেটিশ – ৫৩




হা-হা-হাদিস – ৫৭

হে ঈমান্দার বান্দাসকল, তোমাদের জন্য অজস্র রসময় কথা গুপ্ত রহিয়াছে হাদিস শরিফে।
- সহীহ আল-ধর্মকারী
নবীজি আছিলো অত্যাধুনিক চিন্তাসম্পন্ন মানুষ। স্যুরিয়ালিস্টিক চিন্তাভাবনাও আসতো তার মাথায়। একবার সে এরশাদ করলো, কিশমিশ সদৃশ মস্তিষ্কের কোনও ইথিওপিয়ানরেও যদি আপনের নেতা বা শাসক বানানো হয়, আপনে তার আজ্ঞানুবর্তী হহইতে বাধ্য থাকবেন। 

Narrated Anas:
The Prophet said, “Listen and obey (your chief) even if an Ethiopian whose head is like a raisin were made your chief.”

দু'টি পোস্টার


দু'জনেরই দাবি: "আমাদের বুলশিট তোমাদের বুলশিটের চেয়ে বেশি বুলশিট"


বিশ্ব চলচ্চিত্রে ইসলামের অবদান


আপডেট
এবারে আল্যাফাকে বিশ্বাস আনতেই হলো। সবই তার ইচ্ছা। তার হুকুম ছাড়া গাছের একটা পাতা তো নড়েই না, এমনকি লেখার একটা পাতাও বাদ পড়ে না। ঘটনা হচ্ছে এই: এই রচনার লেখক তাঁর লেখাটা আমার কাছে পাঠিয়েছিলেন, অথচ আমি সেটা পেয়েছিলাম অসম্পূর্ণ, লেজ-কাটা অবস্থায়! এবং আমি, নাদান নাস্তিক, সেটা না বুঝেই অসম্পূর্ণ লেখাটি ছাপিয়ে দিয়েছি। আজ লেখকের কাছ থেকে পাওয়া এই রচনার লেজাংশ জুড়ে দিয়ে আবার প্রকাশ করছি। - ধর্মপচারক

লিখেছেন শুভজিৎ ভৌমিক 

জেহাদি মুসলিম সমাজের একটা পুরাতন অভ্যাস আছে। ধরা যাক, একটা নতুন বিষয় আবিষ্কৃত হলো। সাথে সাথে ইসলামি ব্লগবাজেরা আরবী ডিকশনারি নিয়ে গবেষণায় বসে পড়েন আয়াত খুঁজতে, যে সেই বিষয়টা কত আগেই ইসলামে বলা হয়ে গেছে। আল্লাহ'র রহমতে তাদের সাকসেস রেট শতভাগ। 

এই বিষয়টা এখন আর কারোই অজানা নেই যে, ইসলামের সবচেয়ে বড় দুশমন কাফেরি দেশ আমেরিকায় পেয়ারা নবী হযরত মুহম্মদকে নিয়ে একটা চলচ্চিত্র বানানো হয়েছে। এই নিয়ে সমগ্র মুসলিম জাহানের নুনুভুতি যারপরনাই আহত হয়েছে। তারা জ্বালিয়ে পুড়িয়ে ছারখার করে দিয়েছে এবং দিচ্ছে বিভিন্ন জায়গা। বেশ কয়েকজনকে হত্যা করা হয়েছে, ফাকিস্তানি রেলমন্ত্রী ছবির পরিচালকের মাথার দাম ঘোষণা করেছেন এক লক্ষ ডলার। লিবিয়াতে আমেরিকান দূতাবাসে আগুন দেয়া হয়েছে। 

আমেরিকার ইসলাম ধ্বংসের ষড়যন্ত্রের জবাব দেয়ার অংশগ্রহণে বাংলাদেশের ইসলামি ব্লগসমাজ পিছিয়ে থাকবে কেনু? এ তো তাদের ঈমানি দায়িত্ব! আসুন দেখা যাক, কয়েকদিনের মধ্যেই কী ধরনের পোস্ট নাজেল হতে পারে সোনা, সবুজ বাংলা, আল বাইয়্যেনাত জাতীয় ব্লগগুলোতে: 

"প্রমাণিত হইলো, চলচ্চিত্র বিষয়টার আবিষ্কারক ওয়ান অ্যান্ড অনলি আল্লাহ রাব্বুল আলামীন।" সবাই বলেন সুবহান আল্লাহ ! 

আমেরিকান শালারা চলচ্চিত্রে হাত দেয়ার ১৪০০ বছর আগে ইসলাম দিয়া রাখছে চলচ্চিত্রের আলামত। ইহুদি নাছারাগুলা খালি সেইগুলা কপি-পেস্ট করতেছে। 

খেয়াল কইরা দেখেন ভাইয়েরা, একটা সিনেমাতে আসলে কী কী থাকে? নায়ক, নায়িকা, ভিলেন, নাচ-গান থাকে একটা সিনেমায়। এই নায়ক নায়িকাদের পৃথিবীতে প্রথম আগমন, দ্যা কামিং, ঘটে ইসলামের মাধ্যমে। আমাদের আদম-হাওয়া হইলেন পৃথিবীর সর্বপ্রথম নায়ক-নায়িকা, যাদের প্রেমের বাম্পার ফলন হিসাবে আমরা দুনিয়াতে আইছি। সুবহান আল্লাহ! 

এক নজরে ইসলাম থেইকা বিভিন্ন ভাবে চুরি করা ছবিগুলার তালিকা: 

১. মমিনদের জন্য যেমন অজস্র রসময় কথা গুপ্ত থাকে হাদিসে, তেমনই চলচ্চিত্রের ব্যাপারগুলাও এতোদিন গুপ্ত ছিলো কোরানে। নিচের ছবিটি দেখা যাক:


হে হে হে। কী বুঝলেন মোমিন ভাইসকল ? এরপরেও আপনারা তার কোন কোন অবদানকে অস্বীকার খাইবেন ? 

২. থ্রি এক্স কইতে আপনারা কী বোঝেন? হে হে হে, ছোট ভাইয়েরা কানে হাত দাও, তোমাগো এডি বোঝনের বয়স হয় নাই। এই থ্রি এক্স জিনিসটা আইছে মূলত ইসলাম থেইকাই। আমাদের মহানবীর জীবনখানাই তো এক জলজ্যান্ত থ্রি এক্স !


মঙ্গলবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০১২

ধর্মপচানি জাদু


জাদুকর জুটি Penn & Teller খ্যাতিমান নাস্তিকও। তাঁদের দেখানো একটি ধর্মপচানি জাদু।

প্রায় আট মিনিটের ভিডিওর লিংক পাঠিয়েছেন সুনন্দ পাত্র।

গরুপূজারি গাধাগুলো - ২০




Astrology is Still Bullshit নামের ফেসবুক পেজ থেকে।

হ্রস্বরসবাক্যবাণ – ৫৬


১. 
ইসলামের ছহিত্ব আর মেয়েদের সতীত্ব - এই দুইটা নিয়ে আতঙ্কে ভোগা রোগের নাম মুমিনত্ব। 
(দাঁড়িপাল্লা) 

২. 
অনেক উপাসনালয়ের ওপরে বজ্রনিরোধক দণ্ড থাকে কেন?

৩. 
বর্তমান যুগের ঈশ্বরগুলোর মতোই আগেকার যুগের সমস্ত ঈশ্বরও কিন্তু চিরঞ্জীব ছিলো।

(২ ও ৩ সংগৃহীত ও অনূদিত)

রাশিয়া: অতীত ও বর্তমান


পাঠিয়েছেন মোকাম্মেল


মিসরে নির্বাচন: পাঁচটি কার্টুন


মিসরে রাষ্ট্রপতি ও সংসদীয় নির্বাচন - বিষয়টি কিছুটা পুরনো। তবে এই প্রসঙ্গে চমৎকার কিছু কার্টুন খুঁজে পেয়ে শেয়ার করতে ইচ্ছে করলো। সর্বমোট পাঁচখানা। 


সোমবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০১২

'আব্রাহাম্মক' আচরণ


'আব্রাহাম্মক' (Abrahamic) ধর্মগুলোর আদি পিতা ইব্রাহিম। স্পষ্টতই আহাম্মক ছিলো সে। ব্যাটায় স্বপ্নে দেখসিল, আল্যায় তারে কইলো তার নিজের সন্তানরে জবাই করতে। বোকচোদ ঘুম থিকা উইঠ্যা আল্যার আদেশ পালন করতে নিসিল...

এই কাহিনীকে কমেডিয়ানরা নানান ভাবে পচিয়েছে। দুর্ধর্ষ আমেরিকান স্ট্যান্ডআপ কমেডিয়ান Louis CK-ও এই সুযোগ হাতছাড়া করেননি। কোরবানির কাহিনী ও আরও কয়েকটি বিষয় নিয়ে চার মিনিটের অতীব মজাদার ভিডিও। হাসির নিশ্চয়তা দেয়া রইলো। 

আল্লাহু, আল্লাহু, ম্যায় পতাকা জ্বাল্লাহু



লিংকিন পার্ক - ৫৮


১.
নবীজি-পচানো ছবির জবাবে এবারে আসছে নবীজি-বন্দনার ছবি। কাতারে নির্মিতব্য তিন পর্বের এই ছবির পেছনে ব্যয় হবে মাত্র ৪৫০ মিলিয়ন ডলার। 

২.
বিতর্কিত ইউক্রেনীয় নারীবাদী সংগঠন Femen মুসলিমদের সাম্প্রতিক সহিংস আচরণের প্রতিবাদ করেছে প্যারিসের মুসলিম-অধ্যুষিত অঞ্চলে নগ্নবক্ষ মার্চ (সচিত্র রিপোট - তয় ইমো খিয়াল কৈরা! ) করে। কিছুদিন আগে এই সংগঠনের উদ্যোগে ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভ শহরের কেন্দ্রে কাঠের তৈরি একটি ক্রুশ করাত দিয়ে কেটে ফেলেছিল।

৩. 
ফাকিস্তানে আজ (২১ সেপ্টেম্বর) পালিত হচ্ছে ছহীহ ইছলামী ভালোবাসা দিবস। নবীজির প্রতি। এ উপলক্ষে সেখানে মোবাইল সংযোগ অচল করে রাখা হয়েছে। ভালোবাসার তীব্রতা সহিংসতায় রূপ নিয়েছে। ভালোবাসা উপচে পড়েছে সিনেমা হলের ওপরে। পুলিশকে সহ্য করতে হচ্ছে ভালোবাসার বেদনা। 

৪. 
ক্যাথলিক চার্চকে কঠোর বিদ্রূপ করে খ্যাতি কুড়ানো জার্মানির স্যাটায়ারধর্মী পত্রিকা Titanic তাদের পরের সংখ্যায় নবীজিকে নিয়ে কার্টুন প্রকাশ করবে। 

৫. 
এতোদিন ধরে প্রচার করা হয়েছে, যিশু ছিলো অকৃতদার। কিন্তু সম্প্রতি এক প্যাপিরাসে প্রাচীন মিশরের কোনো এক খ্রিস্টান পুরোহিতের লেখা একটি অসমাপ্ত বাক্য এই ধারণাকে টলে দিচ্ছে।
(লিংক: শিশির) 

৬. 
এক ক্যাথলিক ধর্মযাজক নিজের পায়ে ক্রিম মাখিয়ে বালক-বালিকাদের বাধ্য করেছে সেটা চাটতে! সচিত্র সংবাদ এখানে।
(লিংক: Galib True Blue) 

৭. 
লেডি গাগা বোরখা জাতীয় একটি পোশাক পরে অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়েছিলেন। মুছলিমদের ধর্মানুনুভূতি এতেই উত্থিত হয়ে গেছে।