শনিবার, ৩০ জুন, ২০১২

আধুনিক প্রেক্ষাপটে ধর্মীয় দু'টি কু-রূপকথা


আধুনিক প্রেক্ষাপটে আব্রাহাম্মক আব্রাহামিক ধর্মগুলোর দু'টি কু-রূপকথা।



বিলবোর্ড বিবাদ


আবারও বিলবোর্ড বিতর্ক। জন্মনিয়ন্ত্রণ প্রশ্নে চার্চের গাঁড়োলীয় অবস্থানের পরিপ্রেক্ষিতে আমেরিকায় Freedom From Religion Foundation একটি বিলবোর্ড ঝুলিয়েছে, যাতে লেখা: QUIT THE CHURCH. PUT WOMEN'S RIGHTS OVER BISHOP'S WRONGS.

ছোট্ট দু'টি ভিডিও রিপোর্ট। সাকুল্যে সাড়ে পাঁচ মিনিট।

এক জোড়া পোস্টার - ০১




লিংকিন পার্ক - ৫০


১. 
গোমাতা ক্ষিপ্ত হলো কেন ভক্তদের ওপরে? সচিত্র প্রতিবেদন। 

২. 
'নাস্তিকেরা নরকের আগুনে পুড়বে' - এমন বিলবোর্ড ঝলমল করে আমেরিকায়, তবে বোস্টনবাসী এক বৃদ্ধ 'ধর্ম হচ্ছে বড়োদের রূপকথা' লেখা পোস্টার টাঙাতে চাইলেই আইন চোখ রাঙাতে শুরু করলো।

৩. 
শালা অ্যাত্তো বড়ো শঠ, প্রতারক, ভণ্ড! ক্যাথলিক ধর্মযাজকদের শিশুধর্ষণকে সে অপরাধ বলে স্বীকার করবেই না! শিশুকমীদের সবচেয়ে বড়ো সংগঠন ক্যাথলিক চার্চের প্রধান বলে কি না, এটা একটা 'রহস্য'! ব্যাটা আস্ত এক চুদির্ভাই! 

৪. 

৫. 
গান ও বাদ্যযন্ত্র : ইসলামী দৃষ্টিকোণ। ইছলামী ছাইট থেকে।

৬. 
পুত্র নাস্তিক বলে ধর্মাক্রান্ত মা তাকে ত্যাজ্য করেছে। মায়ের লেখা সর্বশেষ চিঠি। বড়োই মর্মান্তিক। অন্ধবিশ্বাস মানুষকে দিয়ে কী না করাতে পারে!

৭. 
রমণী, মদিরা ও সঙ্গীত - এই তিন প্রলোভন পরীক্ষায় ফেলে দিয়েছে মালি'র ইসলামবাজদের।


৮. 
সহীহ বডি আর্ট, কিন্তু কেউ বুঝলোই না...
(লিংক: থাবা বাবা)

৯. 
'লাস্ট সাপার' মানে বারোজন শিষ্য নিয়ে যীশুর শেষ খানাদানা'র ছবি (জুডাসের প্রবঞ্চনা করে সৈন্যদের হাতে ধরিয়ে দেওয়ার আগে) খ্রীষ্টধর্মে অতি সম্মানিত একটা জিনিস, লিওনার্দো দা ভিঞ্চির মত বহু নামী শিল্পী তা এঁকেছেন। গত হাজার বছরের এমন অনেকগুলো ছবি দেখে বিজ্ঞানীরা একটা মজার সিদ্ধান্তে এসেছেন - এই সময়ের সাথে সাথে আমাদের জীবনযাপন যেমন উন্নততর হয়েছে, তার সঙ্গে পাল্লা দিয়েই খাবারের পরিমাণ ও থালাবাসনের আকারও কেবলই বেড়েছে ওই ছবিগুলোয়!
(লিংক ও ভূমিকা: কৌস্তুভ)

নিত্য নবীরে স্মরি – ৬৮


পাঠিয়েছেন দিগম্বর পয়গম্বর


পাঠিয়েছেন কজমিক ডাস্ট


ঈশ্বরবিশ্বাসের ভবিষ্যৎ


ভিডিও ১.
আজ থেকে পঞ্চাশ বছর পরে ঈশ্বরবিশ্বাস ব্যাপারটি কোন মাত্রায় থাকবে? এ বিষয়ে সিএনএন-এর উপস্থাপক প্রশ্ন করলেন দু'জনকে। তাঁদের মধ্যে একজন American Atheists-এর সভাপতি ডেভিড সিলভারম্যান, যাঁর কথা শোনা সব সময়ই একটি প্রীতিকর অভিজ্ঞতা। তেরো মিনিটের ভিডিও।

ভিডিও ২. 
নিয়ত ক্রমবর্ধমান নতুন প্রজন্মের প্রতিনিধিদের সংখ্যা, যারা ঈশ্বরের অস্তিত্বের প্রশ্নে সন্দিহান। এ প্রসঙ্গে সিএনএন-এর আরেকটি সাক্ষাৎকার অনুষ্ঠান। এতেও উপস্থাপক প্রশ্ন করেছেন দু'জন অতিথিকে, যাঁদের একজন Friendly Atheist নামের জনপ্রিয় ব্লগের সঞ্চালক হেমন্ত মেহতা। পাঁচ মিনিটের ভিডিও। ট্র্যান্সক্রিপ্টসহ।

শুক্রবার, ২৯ জুন, ২০১২

সতর্কতা ও তার কারণ




মিতকথন


লিখেছেন ধর্মপ্রাণ প্লেবয়

মুসলিম আস্তিকদের কাছ থেকে প্রায়ই একটা দাবী শোনা যায় যে, নাস্তিকরা ইসলামবিদ্বেষী। অথচ প্রকৃতপক্ষে মুসলিমরাই নাস্তিকবিদ্বেষী। যে দেশগুলোতে নাস্তিকদের সংখ্যা তুলনামূলক বেশি, সেখানে কেউ নাস্তিক থেকে ঈশ্বরবিশ্বাসী হলে তাদের জন্য দমনমূলক আইন নেই। অন্য অনেক ধর্মেই ধর্মান্তরিত হওয়ার জন্য কোনো শাস্তির ব্যবস্থা নেই। এবার দেখি শান্তির ধর্ম ইসলাম এটাকে কীভাবে দেখে? আমি এখানে শরীয়া আইনের ক্লাসিক বই হিসেবে পরিচিত ও আল-আজহার অনুমোদিত "Reliance Of Traveller" বই থেকে রেফারেন্স দিচ্ছি। এর h1.2-তে বলা হয়েছে, কোনো মুসলিম তার ধর্ম ত্যাগ করলে তার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা হবে। এর ৮.১ ও ৮.২ তে বলা হয়েছে কেউ যদি ইসলাম ত্যাগ করে এবং তওবা করে ইসলামে ফিরে না আসে তবে তাকে মৃত্যুদণ্ড দিতে হবে। কেউ যদি ইসলাম ত্যাগ করে অপরাধ করেই থাকে, তবে আল্লাহ থেকে থাকলে তিনি পরকালে তাকে অনন্তকাল নরক পুড়িয়ে শাস্তি দিবেন। শাস্তি হিসেবে কি সেটাই যথেষ্ট নয়? 


লিখেছেন দাঁড়িপাল্লা

স্যেকুলার মুসলিম, মডারেট মুসলিম - উহারা কোন টাইপের বালছাল?
জানিতে হইলে আরো কয়েকটি সহজ প্রশ্নোত্তর দেখা যাক:
উহাদের ধর্ম কী? - ইসলাম।
উহাদের ধর্মগ্রন্থ কী? - কোরান।

সিদ্ধান্ত: উহারা আধুনিক সুবিধাবাদী বালছাল।

ওহে ক্যাবলা, কেবলা কোনদিকে?



ভিডিও লিংকিন পার্ক - ০৭


১.
দুর্ধর্ষ কমেডিয়ান বিল মারের নির্মিত সাড়া-জাগানো মকুমেন্টারির নাম 'রেলিজুলাস' - রেলিজিয়ন এাবং রিডিক্যুলাস-এর সংকর।
দৈর্ঘ্য: ১.৪০.৫৮ ঘণ্টা

২. 
পৃথিবীতে নাস্তিক বলে কেউ থাকবে না, যদি ভগবানেশ্বরাল্লাহ এসে একবার দেখা দিয়ে যায় বা নিদেনপক্ষে চাক্ষুষ কোনও প্রমাণ দাখিল করে। কিন্তু নিজের অস্তিত্ব প্রমাণের মতো তুচ্ছ কর্মটি সম্পাদনে ঘোর অনীহা কেন তার? বায়োনিকড্যান্স স্বভাবসুঅলভ ভঙ্গিতে প্রশ্নবিদ্ধ করছেন বিশ্বাসীদেরকে। 
দৈর্ঘ্য: ২.৩৯ মিনিট 

৩. 
নাস্তিকদের নরকবাস অনিবার্য? সে তো দারুণ ব্যাপার! খুব মজাদার উপস্থাপনার এক ভিডিও। 
দৈর্ঘ্য: ৬.২২ মিনিট

৪. 
নারীরা গাড়ি চালালে নৈতিকতার পতন হবে বলে প্রচার চালানো হয় চৌদি আজবে। তাই সে দেশে মেয়েদের গাড়ি চালানো নিষিদ্ধ। তবে এই জাতীয় নৃত্য নিশ্চয়ই শরিয়াসম্মত।
দৈর্ঘ্য: ৪.০৩ মিনিট

৫. 
ঠিক ধর্ম সম্পর্কিত নয়... চৌদি আজবে এক বাংলাদেশী ক্যাব ড্রাইভারের সঙ্গে চৌদি নাগরিকের 'বড়োভাইসুলভ' আচরণ ও 'মধুর' বাণীবর্ষণের (উদাহরণ 'সৌদি আরব তোর মালিক, শালা কুত্তার বাচ্চা!') ভিডিও। 
দৈর্ঘ্য: ১.৪৮ মিনিট

ধর্মযুদ্ধের প্রধান কারণ



বৃহষ্পতিবার, ২৮ জুন, ২০১২

ধর্মগুলোর প্রধান শত্রু



পারলৌকিক পুরস্কারপ্রত্যাশীরা কম সমবেদনাশীল?


অনেক ধর্মবিশ্বাসী ভালো কাজ করার অনুপ্রেরণা পায় পারলৌকিক পুরস্কারের প্রলোভন থেকে। অবিশ্বাসীদের করা সৎ কাজ পুরস্কারের প্রত্যাশাপ্রসূত নয়। তাহলে কি ধর্মবিশ্বাসীরা সত্যিই অবিশ্বাসীদের চেয়ে অপেক্ষাকৃত কম সমবেদনাশীল?

সাড়ে তিন মিনিটের ভিডিওতে বর্ণনা করা হয়েছে পরীক্ষালব্ধ কয়েকটি অনুসিদ্ধান্ত। 

শিশুকামীদের থেকে প্রতিরক্ষা




ইসলামে কাম ও কামকেলি - ১৯


মূল রচনা: আবুল কাশেম (সেক্স এন্ড সেক্সুয়ালিটি ইন ইসলাম)
অনুবাদ: খেলারাম পাঠক

(সতর্কতা: নরনারীর যৌনাচার নিয়ে এই প্রবন্ধ। স্বাভাবিকভাবেই কামসম্পর্কিত নানাবিধ টার্ম ব্যবহার করতে হয়েছে প্রবন্ধে। কিছু কিছু ক্ষেত্রে ব্যবহৃত ভাষার মধ্যেও তাই অশালীনতার গন্ধ পাওয়া যেতে পারে। কাম সম্পর্কে যাদের শুচিবাই আছে, এই প্রবন্ধ পাঠে আহত হতে পারেন তারা। এই শ্রেনীর পাঠকদের তাই প্রবন্ধটি পাঠ করা থেকে বিরত থাকতে অনুরোধ করা যাচ্ছে। পূর্ব সতর্কতা সত্বেও যদি কেউ এটি পাঠ করে আহত বোধ করেন, সেজন্যে কোনভাবেই লেখককে দায়ী করা চলবে না।)

পর্ব ০১ > পর্ব ০২ > পর্ব ০৩ > পর্ব ০৪ > পর্ব ০৫ > পর্ব ০৬ > পর্ব ০৭ > পর্ব ০৮ > পর্ব ০৯ > পর্ব ১০ > পর্ব ১১ > পর্ব ১২ > পর্ব ১৩ > পর্ব ১৪ > পর্ব ১৫ > পর্ব ১৬ > পর্ব ১৭ > পর্ব ১৮

নিচের হাদিসগুলো প্রমাণ করে যে, নিজের স্ত্রী হলে বীজটি অতিঅবশ্য তার যোনির অভ্যন্তরে বপন করতে হবে। স্ত্রীর অনুমতি ব্যতীত বীজ বাইরে ফেলা চলবে না। হাজার হলেও স্ত্রীর যোনি হচ্ছে শস্যক্ষেত্র!
সহি মুসলিম, বুক নং-০০৮, হাদিস নং-৩৩৬৫:

জাবিরের বর্ণনাক্রমে এই হাদিস, যদিও একাধিক বর্ণনাকারী পরম্পরাক্রমে জাবিরের নামে এই হাদিস বর্ণনা করেছেন। তবে জুহরির অথারিটিতে যেটি এসেছে, তার মধ্যে অতিরিক্ত (এই কথাগুলি) আছে- “যদি সে ইচ্ছে করে, স্ত্রীর সামনের দিক অথবা পেছনের দিক হতে (সঙ্গম) করতে পারে। তবে ছিদ্রটি হবে অবশ্যই এক (অর্থাৎ পায়ুপথে নয়, যোনিপথে)।
সহি মুসলিম, বুক নং-০০৮, হাদিস নং-৩৩৬৪:

জাবির (বিন আব্দুল্লাহ) (রাঃ) বলেছেন যে ইহুদিরা বলত, যদি কেউ স্ত্রীর সাথে পেছনের দিক হতে সঙ্গম করে এবং সে (স্ত্রী) গর্ভবতী হয়, শিশুটি হবে টেরা। সুতরাং (পবিত্র কোরানের) আয়াত নাজেল হলো - “তোমাদের স্ত্রীরা হচ্ছে তোমাদের শস্যক্ষেত্র, সুতরাং যেভাবে ইচ্ছা সেভাবে তা চাষ কর”।
ইমাম মালিকের মুয়াত্তা, বুক নং-৩৪, নাম্বার-৪২১০:

আব্দুল্লাহ ইবনে মাসুদ হতে বর্ণিতঃ

আল্লাহর রাসুল (দঃ) দশটি জিনিস অপছন্দ করতেন: হলুদ রং করা, শাদা চুল কলপ করা, পোষাকের প্রান্তভাগ মাটি ছুয়ে যাওয়া, স্বর্ণের তৈরী আংটি পড়া, সাজ-সজ্জা করে গায়ের মেহরাম পুরুষের সামনে যাওয়া (বাপ, ছেলে, ভাই ইত্যাদি চৌদ্দপ্রকার সম্পর্ক আছে যাদের সাথে বৈবাহিক সম্পর্ক হারাম, এরূপ সম্পর্কের ইসলামি নাম মেহরাম; এর বাইরে যাবতীয় সম্পর্ক গায়ের মাহরাম, যাদের সাথে বৈবাহিক সম্পর্ক বৈধ), তাবিজ/কবজ ব্যবহার করা, বীর্যপাতের ঠিক আগ মুহূর্তে যোনির ভেতর হতে লিঙ্গ বের করে আনা - তা সে নিজের স্ত্রী হোক বা অন্য মেয়েলোক হোক (অর্থাৎ উপপত্নী বা যৌনদাসী) এবং এমন মেয়েলোকের সাথে যৌনসঙ্গম করা, যে শিশুকে বুকের দুধ খাওয়াচ্ছে। তবে তিনি এগুলিকে হারাম বলে ঘোষণা করেননি।
সহি মুসলিম, বুক নং-৮, হাদিস নং-৩৩৭৭:

আবু সাইদ আল-খুদরি (রাঃ) বর্ণনা করেছেন যে রাসুলু্ল্লাহর (দঃ) সামনে একবার আজল প্রথার কথা উল্লেখ করা হয়, তিনি বললেন, তোমরা এটি কেন কর? তারা বলল, জনৈক লোক যার স্ত্রী সন্তানকে বুকের দুধ খাওয়ায়, যদি সে তার সাথে (আজল না করে) সঙ্গম করে, তবে স্ত্রী গর্ভবতী হয়ে পড়তে পারে, যা সে পছন্দ করে না। আরেকজন লোক যার একজন ক্রীতদাসী আছে যার সাথে সে সহবাস করে, কিন্তু সে চায় না যে, ক্রীতদাসীটি গর্ভবতী হোক এবং উম্-আওলাদ (সন্তানের জননী) হোক। উত্তরে নবী বলেন, এটি না করলে তোমাদের কোন ক্ষতি নেই, কারণ তা (সন্তানের জন্ম) পূর্বনির্ধারিত। ইবনে আউন বলেন, এই হাদিসটি আমি হাসানের সামনে উল্লেখ করলে তিনি বলেন, আল্লাহর কসম, (মনে হয়) যেন এর মধ্যে (আজল প্রথার বিরুদ্ধে) তিরস্কার লুকিয়ে আছে।
(চলবে)

ইসলাম শান্তির ধর্ম


পাঠিয়েছেন কজমিক ডাস্ট



বিগ্যানময় ইসলাম

ইছলামী বিগ্যানের বিশেষ আবিষ্কার! নারীর গর্ভধারণকাল চার বছর দীর্ঘ হতে পারে!

পোনে দুই মিনিটের ভিডিও। ট্র্যান্সক্রিপ্টও আছে।

বুধবার, ২৭ জুন, ২০১২

নির্বাচিত পথে


পাঠিয়েছেন থাবা বাবা


কারা যাবে নরকে?


লিখেছেন ঈসা নবী

পৃথিবীর মোট জনসংখ্যা আনুমানিক ৬.৯ বিলিয়ন।

এর মাঝে -
খ্রিষ্টান = ২.১ বিলিয়ন।
মুসলিম = ১.৬ বিলিয়ন।
নাস্তিক = ১.৫ বিলিয়ন।
হিন্দু = ১ বিলিয়ন।
চৈনিক = ৪০০ মিলিয়ন (চাইনিজ ট্রেডিশনাল ধর্ম)
বৌদ্ধ = ৩৮৫ মিলিয়ন।
অন্যান্য = ৫০০ মিলিয়ন (আনুমানিক)
পৃথিবীর মাঝে এতগুলো ধর্মের মাঝে কোনটা সত্যি ধর্ম? স্বাভাবিকভাবে যে যার ধর্মটাকে সত্যি বলবে। এখন যদি খ্রিষ্টানরা দাবী করে তাদের ধর্ম সত্যি, তাহলে ২.১ বিলিয়ন লোক সত্যের পথে আছে। এর মাঝে সবাই যে স্বর্গে যাবে, তা কিন্তু নয়। তাও ধরে নিলাম সবাই যাবে। তাহলে নরকে যাচ্ছে -
খ্রিষ্টান সত্যি হলে নরকে যাচ্ছে = ৪.৮ বিলিয়ন মানুষ।
ইসলাম সত্যি হলে নরকে যাবে = ৫.৩ বিলিয়ন মানুষ।
হিন্দু সত্যি হলে নরকে যাবে = ৫.৯ বিলিয়ন মানুষ।
এছাড়া অন্য যে কোনো ধর্ম যদি সত্যি হয়, তাহলে বুঝে দেখুন কতগুলো মানুষ নরকে যাবে শুধুমাত্র ভুল বিশ্বাসটা বুকে ধারণ করার জন্য!! সৃষ্টিকর্তা যদি মানুষ সৃষ্টি করে থাকেন, তাহলে তার সৃষ্টি মানুষের বেশীর ভাগ নরকবাসী । বাহ, নিজের সৃষ্টির প্রতি কী দয়া তার!!!! এই সকল বিভেদ দূর করতে পারেন তিনিই (যদি থেকে থাকেন), হাজির হোক মানুষের সামনে বলে দিক - আসলে সত্যি কী?

অনেকেই বলতে পারেন, সৃষ্টিকর্তা তার বাণী বিশেষ মানুষের মাধ্যমে প্রচার করেছে পৃথিবীর মাঝে। আমি বলবো সেই সব বিশেষ মানুষগুলো চূড়ান্ত রকমের প্রতারক। নিজেদের স্বার্থসিদ্ধির জন্য বানিয়েছে মনগড়া কাহিনী। সেই বিশেষ মানুষগুলো আমরা যাদের ধর্মগুরু মানি। তাদের প্রত্যেকের নিয়ম কানুনের মাঝে এত ফারাক কেন? কেউ শুয়োর হালাল করেছে, কেউ করেছে হারাম। তাদের সবার দাবী তার কথা মানলে স্বর্গ না মানলে নরক। মৃত্যু-পরবর্তী জীবনকে পুঁজি করে তারা করেছে ধর্মব্যবসা। যে যত বেশী প্রতারণা করতে পেরেছে তার ব্যবসায়িক সাফল্য তত বেশী। তারা সাধারণ মানুষকে তার অনুসারী করেছে আবেগকে পুঁজি করে, ভয় দেখিয়ে, মৃত্যু পরবর্তী জীবনের স্বর্গের লোভ দেখিয়ে। মোট কথা, ছলচাতুরীর সকল পন্থায় তারা মানুষকে তার দলে ভিড়িয়েছে নিজের স্বার্থসিদ্ধির জন্য। 

আমরা সাধারণ মানুষ সেই সব মহাপ্রতারকের মিথ্যা ছলচাতুরী বুকে ধারণ করে মানুষের মাঝে তুলে দিয়েছি বিভেদের দেয়াল। প্রতারকদের তৈরি করা ধর্মের নামে অতীতে যেমন বহু মানুষকে হত্যা করা হয়েছে, এখনও সেই ধর্মের নামে মানুষ মরছে। ধর্মের পদতলে পিষ্ট হয়েছে মানবতা।

পৃথিবীর প্রতিটি মানুষের পরিচয় হোক মানুষ হিসাবে, ধর্ম দিয়ে নয় । ধর্ম নয়, জয় হোক মানবতার।

সংশয়ের হাওয়া, হাওয়ার সংশয়



ধূর্ত পীর ও তার নির্বোধ ভক্তেরা


হুমায়ুন আজাদ এমন একটা কথা বলেছিলেন (হুবহু মনে নেই): এখন 'ভণ্ড পীর' বলার প্রয়োজন নেই; 'ভণ্ড' বললেই 'পীর' শব্দটি মাথায় আসে এবং 'পীর' বললে 'ভণ্ড'। 

কথাটিকে একটু ভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে এভাবে বলা যায়: পীর-সাধু-বাবা-রসুল-নবী জাতীয় প্রত্যেকেই হয় প্রতারক, নয় মানসিক বিকারগ্রস্ত। অথচ বিশ্বাসোন্মুখ মানুষ এদের প্রতি অন্ধভক্তি লালন করে। আর তাদের মতো এতো সহজলভ্য শিকার ধূর্তরা সঙ্গত কারণেই হাতছাড়া করে না। 

বাংলাদেশের এক পীর এবং তার নির্বোধ ভক্তদের কাহিনী দেখুন কুড়ি মিনিটের অনুসন্ধানী রিপোর্টে। লিংক পাঠিয়েছেন নাস্তিক আলী। 

মেষমানস


বাইবেলে বলা আছে: The Lord is my shepherd...



আফিম তবুও ভালো, ধর্ম সে তো হেমলক বিষ


গত ২১ জুন ছিলো অত্যন্ত প্রতিভাধর কবি রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহর মৃত্যবার্ষিকী। মাত্র ৩৫ বছর বয়সে তাঁর মৃত্যু হয়। 'প্রতিবাদী রোমান্টিক' হিসেবে পরিচিতি পাওয়া এই কবির অন্যতম বিখ্যাত একটি কবিতা স্পষ্টতই ধর্মবিরোধী। কবিতাটির নাম: আফিম তবুও ভালো, ধর্ম সে তো হেমলক বিষ।

আফিম তবুও ভালো, ধর্ম সে তো হেমলক বিষ
রুদ্র মুহম্মদ শহীদুল্লাহ

যেমন রক্তের মধ্যে জন্ম নেয় সোনালি অসুখ
তারপর ফুটে ওঠে ত্বকে মাংসে বীভৎস ক্ষরতা।
জাতির শরীরে আজ তেমনি দ্যাখো দুরারোগ্য ব্যাধি
ধর্মান্ধ পিশাচ আর পরকাল ব্যবসায়ী রূপে
ক্রমশঃ উঠছে ফুটে ক্ষয়রোগ, রোগের প্রকোপ

একদার অন্ধকারে ধর্ম এনে দিয়েছিল আলো,
আজ তার কংকালের হাড় আর পচা মাংসগুলো
ফেরি করে ফেরে কিছু স্বার্থাণ্বেষী ফাউল মানুষ-
সৃষ্টির অজানা অংশ পূর্ণ করে গালগল্প দিয়ে।
আফিম তবুও ভালো, ধর্ম সে তো হেমলক বিষ।

ধর্মান্ধের ধর্ম নেই, আছে লোভ, ঘৃণ্য চতুরতা,
মানুষের পৃথিবীকে শত খণ্ডে বিভক্ত করেছে
তারা টিকিয়ে রেখেছে শ্রেণীভেদ ঈশ্বরের নামে।
ঈশ্বরের নামে তারা অনাচার করেছে জায়েজ।

হা অন্ধতা! হা মূর্খামি! কতো দূর কোথায় ঈশ্বর!
অজানা শক্তির নামে হত্যাযজ্ঞ কতো রক্তপাত,
কত যে নির্মম ঝড় বয়ে গেল হাজার বছরে!
কোন সেই বেহেস্তের হুর আর তহুরা শরাব?
অন্তহীন যৌনাচারে নিমজ্জিত অনন্ত সময়?
যার লোভে মানুষও হয়ে যায় পশুর অধম।

আর কোন দোজখ বা আছে এর চেয়ে ভয়াবহ
ক্ষুধার আগুন সে কি হাবিয়ার চেয়ে খুব কম?
সে কি রৌরবের চেয়ে নম্র কোন নরম আগুন?

ইহকাল ভুলে যারা পরকালে মত্ত হয়ে আছে
চলে যাক সব পরপারে বেহেস্তে তাদের
আমরা থাকবো এই পৃথিবীর মাটি জলে নীলে,
দ্বন্দ্বময় সভ্যতার গতিশীল স্রোতের ধারায়
আগামীর স্বপ্নে মুগ্ধ বুনে যাবো সমতার বীজ

কৃতজ্ঞতা: Fuad Gulandaz

মঙ্গলবার, ২৬ জুন, ২০১২

বিজ্ঞান ও বিশ্বাসের বিরোধ



অবিশ্বাসীদের পরকাল-ভাবনা


কয়েকজন খ্যাতিমান ইউটিউবারের পরকাল-ভাবনার অনবদ্য সংকলন করেছেন দুর্ধর্ষ ভিডিও নির্মাণে দক্ষ TheThinkingAtheist. 

চিত্রপঞ্চক - ০৩


ছহীহ ইছলামী পরিবার

বরাহ সম্মুখে মুসলিম

হা-হা-হাদিস – ৪৯

হে ঈমান্দার বান্দাসকল, তোমাদের জন্য অজস্র রসময় কথা গুপ্ত রহিয়াছে হাদিস শরিফে।
- সহীহ আল-ধর্মকারী
আছেন নাকি কবিতাপ্রেমিক কোনও মমিন? আপনি কি জানেন, নবীজি আপনার মতো মানুষ সম্পর্কে কী বলে গেছে? না জেনে থাকলে নিচের হাদিসটা পড়ে নিয়ে কাব্যপ্রীতি ত্যাগ করে নবীজির নির্দেশনা মেনে সুন্নত পালন করুন। নবীজি বলেছে, কবিতা দিয়ে মাথা ভর্তি করার চেয়ে পুঁজ দিয়ে উদর পূর্ণ করা উত্তম।


Narrated Ibn 'Umar:
The Prophet said, "It is better for a man to fill the inside of his body with pus than to fill it with poetry."

নিত্য নবীরে স্মরি – ৬৭




নূরের পথ ছেড়ে আলোর পথে – ২০


হিউস্টনের অন্যতম প্রধান এক চার্চের প্রধান প্যাস্টর বিশ্বাস হারিয়ে নাস্তিক বনে গেছেন। প্রায় সোয়া এক ঘণ্টার ভিডিওতে বিশ্বাসের অন্ধকূপ থেকে তাঁর বেরিয়ে আসার প্রক্রিয়াটি তিনি শোনালেন এবং দর্শকদের প্রশ্নের উত্তর দিলেন। 

সোমবার, ২৫ জুন, ২০১২

আধা হালি পোস্টার


পাঠিয়েছেন কজমিক ডাস্ট



নিঃসীম নূরানী অন্ধকারে - ২০


লিখেছেন তামান্না ঝুমু 

৯৬. 
মুহাম্মদ একদা খাদিজাকে বলল, খালাম্মা, আমি দুম্বার পাল চরাতে গেলাম; দোয়া করবেন। খাদিজা মাথায় হাত দিয়ে বলল, এই পুঁচকে ছোকড়া বলে কী !আমি তোর বিবি, খালাম্মা নই। মুহাম্মদ লজ্জা পেয়ে বলল, জ্বি, খালাম্মা, বহুদিনের অভ্যাস তো!

৯৭.
বিজ্ঞানীরা বলেন পৃথিবীর অহ্নিকগতির ফলে দিবা-রাত্রি হয়। পৃথিবী নাকি সূর্যের চারদিকে ঘোরে! এসব ঘোর আল্লা ও রাসুল বিরোধী কথা।
আসল ঘটনা হলো: সূর্য অস্ত যাবার পর আল্লার আরশের নিচে গিয়ে সিজদায় পতিত হয়। বেচারা সারাদিন জ্বলে মরে, সারারাত নামাজ পড়ে। (নবীজির বাণী, বুখারী শরিফ, হাদিস নাম্বার ৪৪৪১)

৯৮.
আল্লাও হাফেজ, আবার কোরান মুখস্থকারীও হাফেজ। আল্লার সাথে মানুষের তুলনা! শিরক হয়ে গেল না!

৯৯.
হযরত মুসা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা আমি নবী (সঃ) কে দেখলাম, তিনি মেসওয়াক দিয়ে দাঁত মুবারক মাজছেন। তিনি মুখে মেসওয়াক রেখে এরূপে ওয়াক-ওয়াক করছিলেন, মনে হয়েছিল যেন বমি করবেন। (ছহি বোখারী হাদিস নাম্বার ২৩৭)
উক্ত হাদিসে জ্ঞানীদের জন্য লুকিয়ে আছে অনেক জ্ঞান। নেকী অনুসন্ধানীদের জন্য নেকী। যারা অশেষ নেকী হাসিল করতে ইচ্ছুক, তারা দৈনিক ২বার মেসওয়াক দিয়ে দাঁত মেজে ওয়াক-ওয়াক করুন। বেহেশতে যাবার রাস্তা সুগম করুন। 

১০০.
প্রশ্ন: বেহেশতে আঙুর-বেদানা আছে, আম-কাঁঠাল নেই কেন?
উত্তর: মুহাম্মদ আঙুর-বেদানা দেখেছে অথবা নাম শুনেছে। কিন্তু আম-কাঁঠাল দেখেও নি, নামও শোনেনি তাই।

অপদার্থবিজ্ঞান



* বোধগম্য না হলে একটি সূত্র ধরিয়ে দেয়া যাক: ওহমের সূত্র।

কুরানে বিগ্যান: আকাশতত্ত্ব


সংকলন করেছেন গোলাপ

করুণাময় আল্লাহ:
  
২২:৬৫- তিনি - তুমি কি দেখ না যে, -- তিনি আকাশ স্থির রাখেন, যাতে তাঁর আদেশ ব্যতীত ভূপৃষ্ঠে পতিত না হয়। নিশ্চয় আল্লাহ মানুষের প্রতি করুণাশীল, দয়াবান।  

৩৪:-আমি ইচ্ছা করলে তাদের সহ ভূমি ধসিয়ে দেব অথবা আকাশের কোন খণ্ড তাদের উপর পতিত করব। আল্লাহ অভিমুখী প্রত্যেক বান্দার জন্য এতে অবশ্যই নিদর্শন রয়েছে।

আল্লাহর কাজে কোনোই খুঁত নাই (তোমরা কি দেখ না):

) আকাশে কোন ছিদ্র নেই:

৫০:- তারা কি তাদের উপরস্থিত তাদের আকাশের পানে দৃষ্টিপাত করে না আমি কিভাবে তা নির্মাণ করেছি এবং সুশোভিত করেছি? তাতে কোন ছিদ্রও নেই। 

) এমন কি কোন ফাটলও নেই!

৬৭:- - তিনি সপ্ত আকাশ স্তরে স্তরে সৃষ্টি করেছেন। তুমি করুণাময় আল্লাহ তাআলার সৃষ্টিতে কোন তফাত দেখতে পাবে না। আবার দৃষ্টিফেরাও; কোন ফাটল দেখতে পাও কি?
                                                                                  
কারণ, তিনি মহাজ্ঞানী:

) ৭৮:১২ –“নির্মাণ করেছি তোমাদের মাথার উপর মজবুত সপ্ত-আকাশ
) ২১:৩২ - আমি আকাশকে সুরক্ষিত ছাদ করেছি-

(বলেন, সোবহানাল্লাহ)

কিন্তু যেদিন:

) তা বিদীর্ণ হবে!
৫৫:৩৭, ৮২:, ৮৪: --যেদিন আকাশ বিদীর্ণ হবে

) তাতে বহু দরজা হবে!

*৭৮:১৯আকাশ বিদীর্ণ হয়ে; তাতে বহু দরজা সৃষ্টি হবে।

এমনকি তাতে ছিদ্রও হবে!

৭৭: - যখন আকাশ ছিদ্রযুক্ত হবে,


তোমরা সে দিনকে ভয় করো! মনে রাখবে, "এই সেই কিতাব যাহাতে কোনই সন্দেহ নাই (২:২ )।" 

-আমিন

[কুরানের উদ্ধৃতিগুলো সৌদি আরবের বাদশাহ ফাহাদ বিন আবদুল আজিজ (হেরেম শরীফের খাদেম) কর্তৃক বিতরণকৃত বাংলা তরজমা থেকে নেয়া; অনুবাদে ত্রুটি-বিচ্যুতির দায় অনুবাদকারীর।]

মুসলিম-মুসলিম ভাই-ভাই


মিসরের সদ্যনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট অনেক আগেই বলেছিলেন, শিয়া মুসলিমরা ইসলামের জন্য ইহুদিদের চেয়ে বড়ো হুমকিস্বরূপ। 

দেড় মিনিটের ভিডিও। ট্র্যান্সক্রিপ্টসহ।

ইরোটিক বোরখা - ০২

ছবিগুলো কিন্তু হালকা ইয়ে-টাইপ। অতএব ইমোটা খিয়াল কৈরা!



হ্রস্বরসবাক্যবাণ – ৪৫


১. 
বাস্তবতাবিরোধী যুদ্ধের প্রধান অস্ত্রের নাম ধর্ম। 

২. 
আল্লা যা করে সব ভালর জন্যই করে... অসুখও আল্লা ভালর জন্যই দেয়, তাই ডাক্তার বদ্যি দেখিয়ে সুস্থ হওয়া স্পষ্ট কুফুরি!
(থাবা বাবা)

৩.
ধ্যান করে বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের রহস্যভেদ করা আর স্বমেহন করে মানবসম্পর্ক অধ্যয়ন করার ভেতরে তফাত বিশেষ নেই। 

(১ ও ৩: সংগৃহীত ও অনূদিত)

রবিবার, ২৪ জুন, ২০১২

বর্জ্য আবর্জনা



ধর্মকারীতে আগে প্রকাশিত আরেকটি:

উদাত্ত মানবতার গান


Matt Harding ২০০৮ সালে একটি অদ্ভুত একটি ভিডিও নির্মাণ করেছিলেন। তাতে দেখানো হয়েছিল, তিনি পৃথিবীর ৪২টি দেশের নানান স্থানে স্থানীয় লোকজনের সঙ্গে বিচিত্র ভঙ্গিতে নাচছেন একটি বাংলা গানের সঙ্গে। রবীন্দ্রনাথের একটি কবিতাকে সুর দেয়া সেই গানটি গেয়েছিলেন বাঙালি মেয়ে পালবাশা সিদ্দিকী। প্রায় সাড়ে চার কোটিবার দর্শিত ভিডিওটি যারা দেখেননি, অতি অবশ্য দেখে নিন।

সম্প্রতি তিনি একই জাতীয় আরেকটি ভিডিও প্রকাশ করেছেন। অত্যন্ত মনকাড়া সুরের গানের সঙ্গে মন-ভালো-করে দেয়া ভিডিও। এরই মধ্যে বার পাঁচেক দেখে ফেলেছি। 

ব্যক্তিগতজীবনে ধর্মবিশ্বাসী নন (Are you religious? প্রশ্নটি দ্রষ্টব্য) ম্যাট হারডিং। নিজেকে পরিচয় দেন মানবতাবাদী হিসেবে। তাঁর ভিডিওদুটো দেখে সেটা সত্যিই স্পষ্ট হয়ে ওঠে। 

গুনাহগার হতে না চাইলে দেখে নিন প্রায় পাঁচ মিনিটের ভিডিও।

নানাবিধ লিখন




ইসলামে কাম ও কামকেলি - ১৮


মূল রচনা: আবুল কাশেম (সেক্স এন্ড সেক্সুয়ালিটি ইন ইসলাম)
অনুবাদ: খেলারাম পাঠক

(সতর্কতা: নরনারীর যৌনাচার নিয়ে এই প্রবন্ধ। স্বাভাবিকভাবেই কামসম্পর্কিত নানাবিধ টার্ম ব্যবহার করতে হয়েছে প্রবন্ধে। কিছু কিছু ক্ষেত্রে ব্যবহৃত ভাষার মধ্যেও তাই অশালীনতার গন্ধ পাওয়া যেতে পারে। কাম সম্পর্কে যাদের শুচিবাই আছে, এই প্রবন্ধ পাঠে আহত হতে পারেন তারা। এই শ্রেনীর পাঠকদের তাই প্রবন্ধটি পাঠ করা থেকে বিরত থাকতে অনুরোধ করা যাচ্ছে। পূর্ব সতর্কতা সত্বেও যদি কেউ এটি পাঠ করে আহত বোধ করেন, সেজন্যে কোনভাবেই লেখককে দায়ী করা চলবে না।)

পর্ব ০১ > পর্ব ০২ > পর্ব ০৩ > পর্ব ০৪ > পর্ব ০৫ > পর্ব ০৬ > পর্ব ০৭ > পর্ব ০৮ > পর্ব ০৯ > পর্ব ১০ > পর্ব ১১ > পর্ব ১২ > পর্ব ১৩ > পর্ব ১৪ > পর্ব ১৫ > পর্ব ১৬ > পর্ব ১৭

মুক্তাসদৃশ এইরুপ আরও গোটাকয়েক হাদিস:
সহি মুসলিম, বুক নং-০০৮, হাদিস নং-৩৩৭১:

আবু সিরমা আবুসাইদ আল খাদরিকে (রাঃ) বলেন: হে আবু সাইদ, তুমি কি রাসুলুল্লাহকে (দঃ) ‘আজল’ প্রথা সম্পর্কে বলতে শুনেছ? তিনি বললেন- হ্যা, শুনেছি। আমরা রাসুলুল্লাহর (দঃ) সঙ্গে বি’ল মুস্তালিকের বিরুদ্ধে অভিযানে গিয়েছিলাম। (সেই অভিযানে) কিছু অপুর্ব আরব রমণী আমাদের হস্তগত হয়। বহুদিন যাবৎ স্ত্রীসঙ্গ হতে বঞ্চিত ছিলাম বিধায় আমরা গভীরভাবে তাদের কামনা করছিলাম, সেইসঙ্গে তাদের বিনিময়ে মুক্তিপণ পাওয়ার লোভও ছিল আমাদের। সুতরাং আমরা তাদের সাথে আজল পদ্ধতির মাধ্যমে যৌনসঙ্গম করার সিদ্ধান্ত নেই (মেয়েটি যাতে গর্ভবতী না হয় সেজন্যে বীর্যপাতের ঠিক আগ মুহুর্তে স্ত্রীযোনি হতে পুরুষাঙ্গ বের করে এনে বাইরে বীর্যপাত ঘটানোকে আজল বলে)। কিন্তু আমাদের মনে হলো-আমরা একটি কাজ করতে যাচ্ছি; আল্লাহর রাসুল (দঃ) যখন আমাদের মাঝে আছেন, তখন তার কাছে জিজ্ঞেস করে নেই না কেন? সুতরাং আমরা আল্লাহর রাসুলকে (দঃ) জিজ্ঞেস করলাম। তিনি বললেন- তোমরা এরূপ কর আর না কর, কিছুই এসে যায় না। যে আত্মা জন্মানোর তা জন্মাবেই, পুনরুত্থানের দিন পর্যন্ত।
সহি মুসলিম, বুক নং-০০৮, হাদিস নং-৩৩৭৩

আবুসাইদ আল খাদরি (রাঃ) হতে বর্ণিত: কিছু যুদ্ধবন্দিনী আমাদের করায়ত্ত হলে আমরা তাদের সাথে (যৌনসঙ্গমকল্পে) আজল পদ্ধতি অবলম্বন করতে চাইলাম। আমরা এ প্রসঙ্গে রাসুলুল্লাহর (দঃ) কাছে জানতে চাইলে তিনি আমাদের বললেন- নিশ্চয়ই তোমরা তা করতে পার, নিশ্চয়ই তোমরা তা করতে পার, নিশ্চয়ই তোমরা তা করতে পার। কিন্তু যে আত্মা জন্মানোর কথা তা জন্মাবেই, হাশরের দিন পর্যন্ত।
এখানে একটি ব্যাপার লক্ষণীয়, প্রতিটি জেহাদিই বীর্যপাতের ঠিক পূর্বক্ষনে স্ব স্ব লিঙ্গটি বের করে আনার জন্যে ব্যস্ত হয়ে পড়েছিল।
সুনান আবু দাউদ, বুক নং-১১, হাদিস নং-২১৬৬

আবু সাইদ আল-খাদরি হতে বর্ণিতঃ

জনৈক লোক বলল- হে আল্লাহর রাসুল (দঃ), আমার একটি ক্রীতদাসী আছে। (যৌনসঙ্গমকালে) আমি তার কাছ হতে আমার পুরুষাঙ্গটি বের করে আনি, কারণ আমি চাই না যে সে গর্ভবতী হয়ে পড়ুক। অন্যান্য লোকেরা যা করে, আমিও ঠিক তাই করি। ইহুদিরা বলে যে পুরুষাঙ্গ বের করে আনা কন্যা সন্তানকে জীবন্ত কবর দেয়ার মতো। তিনি (নবী) বললেন-ইহুদিরা মিথ্যা বলেছে। যদি আল্লাহ তা সৃষ্টি করতে চান, তুমি ঠেকাতে পার না।
ওপরের হাদিসগুলি প্রমাণ করে যে, উপপত্নী এবং ক্রীতদাসীরা যাতে অনাকাঙ্খিত গর্ভসঞ্চার না করে বসে, সে জন্যে প্রাথমিক যুগের মুসলমানগণ স্ত্রীযোনির বাইরে বীর্যপাত ঘটাত।

তবে এই প্রথা শুধু উপপত্নী এবং যৌনদাসীদের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য, স্ত্রীর ক্ষেত্রে নয়।

(চলবে)

এক জোড়া কার্টুন


পাঠিয়েছেন কজমিক ডাস্ট 



ইহুদি সম্প্রদায়ে শিশুকাম


রক্ষণশীল ইহুদিদের সম্প্রদায়ে শিশুদের ওপরে চালানো যৌননির্যাতনের ঘটনা গোপন রাখার চেষ্টা করা হয় যথাসাধ্য। কিন্তু সত্য প্রকাশ হতে শুরু করেছে। 

সিএনএন-এর ছ'মিনিটের রিপোর্ট। 

শনিবার, ২৩ জুন, ২০১২

হারাম-হালালের হাল-হকিকত



কুফরী কিতাব: Richard Dawkins - The Selfish Gene ও আরও দু'টি গ্রন্থ


১.
Richard Dawkins - The Selfish Gene: 30th Anniversary Edition
সম্ভব হলে কিনে পড়ুন।
বাকিদের জন্য ডাউনলোড লিংক (২.৬৫ মেগাবাইট)
(লিংকের পাতায় গিয়ে ওপরে বামদিকে নিম্নমুখী তীরচিহ্নে ক্লিক করে ফাইলটি ডাউনলোড করুন)

২.
Victor J. Stenger - GOD: The Failed Hypothesis 
সম্ভব হলে কিনে পড়ুন।
বাকিদের জন্য ডাউনলোড লিংক (১.৬৬ মেগাবাইট)
(লিংকের পাতায় গিয়ে ওপরে বামদিকে নিম্নমুখী তীরচিহ্নে ক্লিক করে ফাইলটি ডাউনলোড করুন)

৩. 
Ibn Warraq - The Origins of the Koran: Classic Essays on Islam's Holy Book 
সম্ভব হলে কিনে পড়ুন।
বাকিদের জন্য ডাউনলোড লিংক (৪৩.২৮ মেগাবাইট)

আদম-হাওয়ার ঘর-সংসার



বাহাত্তরহুরীসঙ্গমাকাঙ্ক্ষাবাতিকগ্রস্তদের জন্য


এক ইসলামবাজ জানাচ্ছে, বেহেশতী হুরীগুলো ঋতুস্রাব ও তদ্রূপ 'জঘন্য' শারীরিক প্রক্রিয়ামুক্ত থাকবে। এছাড়া মমিন স্বামীর হাত ধরে বেহেশতে প্রবেশ করা মমিনাও মুক্ত উক্ত গুণাবলী লাভ করবে...

পৃথিবীর হিজাব পরিহিতা মেয়েরা বেহেশতের হুরীদের সঙ্গে তুলনীয়। না, তারা হুরীদের চেয়ে হাজার গুণে শ্রেয় ও সুন্দরী। তবে তাদেরকে ঘরে বসে থাকবে। বাইরে ঘোরাঘুরি তাদের জন্য নয়।... নিশ্চয়ই ইসলাম নারীকে দিয়েছে সর্বোচ্চ মর্যাদা।

বাহাত্তরহুরীসঙ্গমাকাঙ্ক্ষাবাতিকগ্রস্ত মুসলিম ভাইয়েরা দেখে নিন দুই মিনিটের ভিডিও। নয়তো নিদেনপক্ষে ট্র্যান্সক্রিপ্টটি পড়ে নিন।

ধর্মীয় অর্থাৎ আবালীয় বিগ্যান


প্রধান ধর্মগুলোর বৈগ্যানিক মতধারা অনুযায়ী, আমাদের এই পৃথিবীর বয়স পাঁচ থেকে দশ হাজার বছর। কিন্তু প্রকৃত বিজ্ঞান জানে, সাড়ে বিলিয়ন বছরেরও বেশি বয়স্ক আমাদের এই গ্রহ। শোনা যায়, এ বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের সকল কিছুর স্রষ্টা নাকি আল্যা মিয়া, সে নাকি আবার সর্বজ্ঞও। তাইলে তার রচিত বইগুলোয় এমন ভুল হয় ক্যামনে! অবশ্য এটাই একমাত্র উদাহরণ নয়; ঐশী কিতাবগুলো এমনিতেই নানাবিধ ভুল-ভ্রান্তিতে ভরা। 

নিচের পোস্টারটি পাঠিয়েছেন অহম। 


কাফের এর দ্বিতীয় খায়েশ


লিখেছেন কাফের

প্রসঙ্গ : বেহেশতে আয়েশাকে বিয়ে করা। 

ইসলাম বলছে, বেহেশতে যা চাওয়া হবে, তা-ই পাওয়া যাবে। আমি আয়েশারে বিয়া করতে চাই। আল্লা কি তা আমারে দিবো ? মুহম্মদ আবার ক্ষেপবো না তো ? 

কারণ মুহম্মদ নামের এই ছোটলোকটার প্রতি আমার কোনো বিশ্বাস নাই। সে নিজের তেরোটা বিয়া কইরা অন্যদের বলে চারটার বেশি বিয়া করতে পারবা না। আর এখন বাস্তব যা অবস্থা, তাতে একটার বেশি বিয়া করাই যাইতেছে না। আবার মুহম্মদ কইছে, দাসীদের সাথে সেক্স করতে পারবা। কিন্তু বাস্তব অবস্থা হচ্ছে, ঐদিকে নজর দিলে বাসাত থিকা বউ রাস্তায় বাইর কইরা দিবো। এমনকি বউ-পোলা মিল্যা খুনও কইরা ফেলবার পারে। 

তাই আল্লার কাছে আমার আরজ, আয়েশারে যদি আমাকে দ্যান, তাইলে আবার নতুন কইরা ঈমান আনবার পারি। 

কারণ এই মহিলাডার জন্য আমার দরদ আছে। সে নয় বছর বয়সে তিরিশ জন পুরুষের সেক্সপাওয়ারআলা মুহম্মদের দ্বারা ধর্ষিতা হইছে। এরপর যখন তার যৌবন দেখা দিতে শুরু করেছে, তখন মুহম্মদ তেরোটারে ঠিকমতো সময় দেওয়ায় আয়েশা ভাগে কম পাইছে। আর যখন তার পূর্ণ যৌবন, মানে আঠারো বছর বয়স, তখন মুহম্মদ পটল তুলছে। তার আগে এই ছোটলোকটা আয়াত নামাইয়া আয়েশাসহ তার অন্য সতীনদের বিয়া ব্যান কইরা গেছে। 

এজন্যি আয়েশার লাগি আমার পরাণ কান্দে। দুনিয়ায় হে তো কোনো সুখ পায় নাই। বেহেশতে গিয়া যদি তারে এট্টু সুখ দিতে পারি। আমি কথা দিতাছি, আয়েশারে পাইলে আমি আর অন্য কোনো হুর নিমু না। পুরা সময় আমি আয়েশারেই দিমু। কারণ আমি তো আর মুহম্মদ না যে, নিজের ভালোবাসা তেরোটারে ভাগ কইরা দিমু, আর খানিকটা রাখমু দাসীগুলার জন্য! আমার ক্যারাক্টার এত খারাপ না।

শুক্রবার, ২২ জুন, ২০১২

নিত্য নবীরে স্মরি – ৬৬


পাঠিয়েছেন দাঁড়িপাল্লা 


ঈশ্বর ও ধর্মের সঙ্গে পরিচয়


আইরিশ কমেডিয়ান-কিংবদন্তী ডেভ অ্যালেন জানাচ্ছেন, শৈশবে ঈশ্বর ও ধর্মের সঙ্গে তাঁর পরিচয় হয়েছিল কীভাবে, সেই কথা। হাসতে হাসতে পেটে খিল!

কার ফসল কার গোলায়



এক জোড়া কার্টুন


পাঠিয়েছেন কজমিক ডাস্ট


বিশদ কাহিনী জানতে এখানে বাংলায় বাইবেলের আদি পুস্তকের ১৯ নম্বর অধ্যায়টি পড়ুন। বড়োই কৌতূহলোদ্দীপক। লোটের স্ত্রীর লবণ বনে যাবার ঘটনা ছাড়াও তাতে আরও পাবেন ইনসেস্টের (হ্যাঁ, ইনসেস্টের) কাহিনী! এই না হলে ঐশী কিতাব!

দশ পেন্স মূল্যে


দুরন্ত রকমের দুর্ধর্ষ এক ব্রিটিশ সিরিয়ালের নাম Mind your language. প্রথমবারের মতো প্রচারিত হয়েছিল ১৯৭৭ সালে। বিভিন্ন দেশ ও জাতির একদল ছাত্র-ছাত্রীর ইংরেজি শেখার কোর্সে ঘটা অসংখ্য মজাদার ঘটনা ও সংলাপে ভরা এক সিরিয়াল।

সেই সিরিয়ালের একটি এপিসোড থেকে নেয়া ৪২ সেকেন্ডের একটি দৃশ্যে দেখুন এক শিখ এবং এক মুসলিমের কাহিনী। 

বৃহষ্পতিবার, ২১ জুন, ২০১২

বডি আর্ট



নিচের ছবিটি পাঠিয়েছেন থাবা বাবা 

হা-হা-হাদিস – ৪৮

হে ঈমান্দার বান্দাসকল, তোমাদের জন্য অজস্র রসময় কথা গুপ্ত রহিয়াছে হাদিস শরিফে।
- সহীহ আল-ধর্মকারী
হে মমিনাগণ! আপনারা কি সুগন্ধী অর্থাৎ পারফিউম ব্যবহার করেন? তাহলে আপনাদের জন্য অতি জ্ঞাতব্য একটি হাদিস আছে। নবীজি বলেছে, মেয়েদের ব্যবহার্য সুগন্ধীর রং থাকতে হবে, তবে কোনও গন্ধ থাকা চলবে না। অর্থাৎ গন্ধযুক্ত পারফিউম ব্যবহারের অর্থ নবীর নির্দেশ খেলাপ করা।

বুঝলেন তো? গন্ধহীন সুগন্ধী। ঠিক তাই। অ্যালকোহলহীন ভোদকা যেমন। বা অক্সিজেনহীন বাতাস, তাপহীন আগুন। কিংবা সুরহীন সঙ্গীত, অক্ষরহীন উপন্যাস।... আসলে সবই আল্লাহপাকের কুদরত। 

Narrated Imran ibn Husayn:

The Prophet (peace_be_upon_him) said: I do not ride on purple, or wear a garment dyed with saffron, or wear shirt hemmed with silk. Pointing to the collar of his shirt al-Hasan (al-Basri) said: The perfume used by men should have an odour but no colour, and the perfume used by women should have a colour but no odour.

শান্তিময় বেহেশতের শর্ত


পাঠিয়েছেন দিগম্বর পয়গম্বর