৩১ জানুয়ারী, ২০১২

ফতোয়াতুল মুসলিমা: ২০১১


ইসলামের দুটো বৈশিষ্ট্য অত্যন্ত প্রকট: 
১. ইসলাম অমানবিক, বর্বর; 
২. ইসলাম পরম বিনোদনী, ননসেন্স গোছের রসোৎপাদনে তা অপ্রতিদ্বন্দ্বী। 

দ্বিতীয় বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে জানুন ধর্মকারীর স্বেচ্ছানুবাদকের করা চমৎকার অনুবাদে।

পাঠিয়েছেন ধর্মপ্রাণ প্লেবয়

২০১১ সালের উল্লেখযোগ্য ঘটনাগুলো বলতে মধ্যপ্রাচ্যে ব্যাপক আন্দোলন ও স্বৈরশাসকের পতনের কথা আসে। কিন্তু বিচিত্র ও কিম্ভুত কিছু ফতোয়ার ছড়াছড়িতে এ সালটি আসলেই আলাদা ও অনন্য। 

সবচেয়ে ভাঁড়ামিপূর্ণ ফতোয়ার একটি আবার ইউরোপীয় এক ইসলামী চিন্তাবিদের মস্তিষ্কপ্রসূত। তার মতে, পুংলিঙ্গের আকৃতি বিশিষ্ট ফল ও সবজি (যেমন: শসা,কলা, গাজর ইত্যাদি) খাওয়া মহিলাদের জন্য নিষিদ্ধ। এগুলো ছুঁলে বা খেলে নাকি তারা পাপপূর্ণ ফ্যান্টাসির দিকে ঝুঁকে পড়বে!! 

মরক্কোতে Moroccan Association for Jurisprudence research-এর প্রধান মুসলিম পুরুষদের তাদের সদ্যমৃত স্ত্রীর সাথে যৌনসঙ্গম করার অনুমতি দিয়েছেন, যেহেতু ইসলামে মৃত ব্যক্তির সাথে সঙ্গমের ব্যাপারে নিষেধ করে কিছু বলা হয়নি। 

সোমালিয়াতে অতিরক্ষণশীল দল আল-শাবাব আল-মুজাহিদীন আন্দোলন রমজান মাসে সমুচা (স্থানীয় রেসিপি অনুযায়ী মাংস,পনির, সব্জি দ্বারা তৈরী তিনকোণা প্যাস্ট্রি) নিষিদ্ধ করে একটি ফতোয়া জারি করে। তাদের মতে এই জনপ্রিয় স্ন্যাকটি খ্রিষ্টানদের ত্রিত্ববাদের (পিতা,পুত্র এবং পরমাত্মা) প্রতীক। সুতরাং এটি মুসলমানদের গ্রহণ করা উচিত নয়। 

মিশরে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই ধর্মীয় আইন রাজনীতি দ্বারা প্রভাবিত হয়। মিশরের আল-আজহার বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলাম প্রচার কমিটির প্রধান শেখ আমর সতৌহি নভেম্বরে একটি ফতোয়া জারি করে প্রাক্তন ন্যাশনাল ডেমোক্র্যাটিক পার্টির সদস্যদের সাথে মেয়েকে বিয়ে দেবার ব্যাপারে মেয়ের পিতাদের উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেন, কারণ তারা দুর্নীতিগ্রস্ত ছিল। 

দাকাহলিয়ার সালাফি আল-নূর পার্টির ডেপুটি চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আবদেল হাদী দাবী করেন, পার্লামেন্ট নির্বাচনে তার দলের অপ্রত্যাশিত বিজয়ের কথা কোরানে উল্লেখিত আছে। 

আর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ (!!!) ফতোয়াটি জারি হয় গত জুনে মিশরে। মিশরীয় ধর্মপ্রচারক মোহাম্মদ আল-জগবি বলেন, ইসলামে জ্বীনের মাংস খাওয়া জায়েজ। 

পৃথিবীর সেরা জোকারগুলো বোধহয় ফতোয়াবাজরাই হয়!!! 


দ্বীপবাস


পাঁচখানা কার্টুন।




সৃষ্টিতত্ত্ববাদ বিষয়ে রিচার্ড ডকিন্স


সৃষ্টিতত্ত্ববাদ বিষয়ে রিচার্ড ডকিন্সের মতামত। তিন মিনিটের এই ভিডিওতে পলিটিক্যালি কারেক্ট থাকার প্রাণান্তকর চেষ্টা চালিয়েছেন তিনি

সকল প্রশংসা পরম করুণাময়ের


পাঠিয়েছেন দিগম্বর পয়গম্বর 


বৌদ্ধ ধর্মীয় গুরু বনভান্তের দেশনা: আমার দৃষ্টিতে সমালোচনা


লিখেছেন চিন্তিত সৈকত

আজ বাংলাদেশের বৌদ্ধদের অন্যতম ধর্মীয় গুরু সাধনানন্দ মহাস্থবির (বনভান্তে) মৃত্যুবরণ করেছেন। ছোটবেলায় তাঁর নাম শুনলে খুব ভয় পেতাম, কারণ আমি তখন খুবই ধার্মিক ছিলাম। তাঁর সম্পর্কে একটি প্রচলিত ধারণা হচ্ছে, উনি বাংলাদেশের একমাত্র অরহথ ফল লাভকারী ভিক্ষু এবং মৃত্যর পর নির্বাণগামী হবেন। নিঃসন্দেহে তিনি একজন মহান, সফল ব্যক্তি কারণ বাংলাদেশের এমন কোনো বৌদ্ধ পরিবার পাবেন না, যে পরিবার তাঁর ভক্ত নয়। যে ব্যক্তিকে আমি ছোটবেলায় অতি শ্রদ্ধা করতাম, আজ তাঁর মৃত্যুতে তাঁর বইগুলাতে একটু হাত দিলাম। প্রথমে নিলাম “বনভান্তের দেশনা”- ৩য় খণ্ড । আর প্রথম থেকে দ্বিতীয় পৃষ্ঠায় আসতে আসতে হাসতে হাসতে পেট ব্যথা হয়ে গেল । 

বনভান্তের দেশনা, ৩য় খণ্ড, বইয়ের প্রথম অধ্যায়ে দ্বিতীয় পৃষ্ঠার নিম্মাংশে আছে: 
পৃথিবীতে তোমরা যেমন তোমরা হিন্দু, বৌদ্ধ মুসলিম খৃষ্টান আছো তেমনি স্বর্গেও হিন্দু বৌদ্ধ মুসলিম খৃষ্টান দেবতা আছেন। তারা সৎকর্ম ও শীল পালন করে স্বর্গে গিয়েছেন। হিন্দু দেবতারা হিন্দুদেরকে, বৌদ্ধ দেবতারা বৌদ্ধ দেবতাদেরকে, মুসলিম দেবতারা মুসলিমদেরকে এবং খ্রিষ্টান দেবতারা খ্রিষ্টানদেরকে সাহায্য করে থাকে। কিন্তু বৌদ্ধ দেবতারা অন্যদের তুলনায় উজ্জ্বল ও শান্ত। তাদের নিকট অন্যন্য দেবতাদের চেয়ে অধিক ধন-সম্পদ থাকে । দেবতাদের ধন-সম্পদের তুলনায় মানুষের ধন-সম্পদ নগণ্য। মানুষ্য লোকে স্বর্গ ও ধর্মলোকে যা ধন-সম্পদ আছে, তদ অপেক্ষা ভগবান বুদ্ধের ধন সম্পদ অনেক বেশী। 

এবার আলোচনায় আসা যাক:
পৃথিবীতে তোমরা যেমন- হিন্দু, বৌদ্ধ, মুসলিম, খৃষ্টান আছো তেমনি স্বর্গেও হিন্দু ,বৌদ্ধ ,মুসলিম, খৃষ্টান দেবতা আছেন।
তিনি একবাক্যে স্বীকার করে নিয়েছেন, অন্যন্য ধর্মগুলি সত্যি। তিনি আরো স্বীকার করছেন, বৌদ্ধধর্ম মতে, স্বর্গ আছে। তাহলে এই স্বর্গ বানালো কে? সেই স্বর্গের প্রধান কে? নিশ্চয় পুস্তকের মত অনুসারে দেবরাজ ইন্দ্র। দেবরাজ ইন্দ্র আবার হিন্দু ধর্মের স্বর্গের রাজা। তাহলে তাঁর মত মেনেই নিলাম হিন্দুধর্ম সত্যি। এবং যেহেতু হিন্দুধর্ম বৌদ্ধ ধর্মের পূর্বে এসেছে, তবে ধরা যায় বৌদ্ধধর্ম হিন্দুধর্মের বিবর্তিত রূপ । 

হিন্দু দেবতারা হিন্দুদেরকে, বৌদ্ধ দেবতারা বৌদ্ধ দেবতাদেরকে , মুসলিম দেবতারা মুসলিমদেরকে এবং খ্রিষ্টান দেবতারা খ্রিষ্টানদেরকে সাহায্য করে থাকে। 
ইসলাম এবং খ্রিষ্টান ধর্ম সম্পর্কে ভালোভাবে যদি জানা থাকে, তবে সে অবশ্যই স্বীকার করে নিবে যে, ইসলাম ধর্ম খ্রিষ্টান ধর্মের ধার করা জ্ঞানের ওপর প্রতিষ্ঠিত। আর বৌদ্ধ এবং হিন্দুধর্মের মাঝে চিরাচরিত সম্পর্ক বিদ্যমান। ওপরের বাক্যে দেবতাদের মধ্যে কেমন জানি হিংসার গন্ধ পাচ্ছি। আমি বৌদ্ধ দেবতা আর সে বৌদ্ধ, তাই আমি তাকেই সাহায্য করবো। কিংবা সে মুসলমান আর আমি মুসলিম দেবতা, তাই আমি তাকে সাহায্য করবো । ও হ্যাঁ, ইসলামের দেবতা হবে না ইসলামের হবে জ্বীন  

বৌদ্ধ দেবতারা অন্যদের তুলনায় উজ্জ্বল ও শান্ত। তাদের নিকট অন্যন্য দেবতাদের চেয়ে অধিক ধন-সম্পদ থাকে। 
কেন? বৌদ্ধ দেবতারা অন্যান্য দেবতাদের থেকে শান্ত কেন? তারা কি বিশেষ কিছু দিয়ে তৈরি? আচ্ছা, এই দেবতাগুলোকে কে তৈরি করেছে? হিন্দু, মুসলিম, খ্রিষ্টান ধর্মে ঈশ্বর আছে। তাই ধরে নিলাম, তাদের ঈশ্বর তাদেরকে ধন দিলো, সম্পদ দিলো। কিন্তু বৌদ্ধ দেবতাদের দিল কে? বৌদ্ধ ধর্মে তো ঈশ্বর নেই। 

মানুষ্য লোকে স্বর্গ ও ধর্মলোকে যা ধন-সম্পদ আছে তদ অপেক্ষা ভগবান বুদ্ধের ধন-সম্পদ অনেক বেশি। 
হায় রে কপাল! এ তো দেখি টাকার খেলা শুরু হয়েছে   আমরা বৌদ্ধ দর্শনের ইতিহাস অনুসারে জানি, বুদ্ধ মহা-পরিনির্বাণ লাভ করেছেন। মহা-পরিনির্বাণ হলো আত্মার নিঃশেষ। অর্থাৎ একটি প্রদীপ নিভিয়ে দিলে তার আলো কোন দিকে যায় তার যেমন অস্তিত্ব পাওয়া যায় না তেমন নির্বাণ অনুরূপ। কিন্তু শ্রদ্ধেয় ভান্তে বলেছেন, “ভগবান বুদ্ধের ধন-সম্পদ অনেক বেশি।” এইখানে ভগবান বুদ্ধ আসলো কোথেকে? তাঁর আত্মা তো নিঃশেষ হয়েছে। ধরে নিলাম বুদ্ধ স্বর্গে থাকেন? কিন্তু তিনি এতো ধন-সম্পদ পেলেন কোথায়? কে দিয়েছে? নিশ্চয় ঈশ্বর?

সোমালিয়ার জলদস্যুদের কবলে নোয়া



৩০ জানুয়ারী, ২০১২

নির্ধর্মীয় সঙ্গীত: ইয়োর গড


ছোট্ট একটি ঈশ্বরপোন্দন সঙ্গীত। সুখশ্রাব্য। লিরিকসও বলিষ্ঠ। সামান্য নিদর্শন:

Is your God the same God who's working with the Pope?
...
Is it the God corralling virgins into herds of 72,
deciding where to send them when the glorious martyrs are through?
...
Is your God the same God who's burning the science books
and trampling lives to hoist the right to life signs?
...
Are they his priests who can't keep from buggering little boys?
...
Or is your's the God decreeing all the women wear a sack,
and presiding over stonings and beheadings in Iraq?
...
Is your God commanding you
to tell everybody what to do,
to kill your brain and praise his name
and bury the bastard who's not the same,
and spew your heinous and hateful shit
like something holy was driving it

সচিত্র বাইবেল


পাঠিয়েছেন শয়তানের চ্যালা 


কোরান কুইজ – ১৪


নিশ্চয়ই মোমিন মুসলমানগণ কোরান সম্পর্কে সম্যক জ্ঞান রাখেন। বেয়াড়া নাস্তিকগনও নিজেদেরকে কোরান-অজ্ঞ বলেন না কখনও। তাই মুসলিম-নাস্তিক নির্বিশেষে সকলেই অংশ নিতে পারেন কোরানের আয়াতভিত্তিক এই ধাঁধা প্রতিযোগিতায়। এই সিরিজের মাধ্যমেই তাঁরা নিজেদের কোরান-জ্ঞান যাচাই করে নিতে পারবেন।

প্রশ্ন ২০. অবিশ্বাসীদেরকে বিপথগামী করে কে?
ক) আল্লাহ
খ) শয়তান
গ) তারা নিজেরাই

(স্ক্রল করে নিচে উত্তর দেখুন)

সত্য বলার দায়ে



ইছলামী চিকিৎছা বিগ্যান


পৃথিবীর সমস্ত জ্ঞানের কথা কোরানে লেখা আছে, তা তো আমরা জানিই। তবে চিকিৎসা বিজ্ঞান কিন্তু অনেকটাই হাদিসনির্ভর। এইডস-এর মতো রোগ থেকে নিরাময় পাবার তরিকা হাদিসে বাতলে দেয়া আছে, তা কিন্তু আমাদের অনেকেরই অজানা। অথচ সেই ২০০৭ সালে এক ইসলামবাজ আবিষ্কার করেছে হাদিসভিত্তিক এইডস চিকিৎসা। বুছি না, কেন যে ইহুদি-নাসারা বিজ্ঞানীরা কোরান-হাদিস উপেক্ষা করে যুগ-যুগ ধরে আউল-ফাউল গবেষণা করে সময় ও অর্থ ব্যয় করে চলেছে! 

ট্র্যান্সক্রিপ্টসহ পাঁচ মিনিটের ভিডিও। 

ব্ল্যাসফিমাস নোটকর্ম


পাঠিয়েছেন কৌস্তুভ

in god we trust লেখা ডলারের নোটকে ভাঁজ করে বানানো:

Trust No One 

Holy Shit

সূত্র। এখানে আরও কিছু নোটকর্ম পাওয়া যাবে।

২৯ জানুয়ারী, ২০১২

সূরা আল-ব্লগ


নাযিল হয়েছে থাবা বাবা'র ওপরে

হে রাসুল, (আপনি মুমিনগনকে) সুসংবাদ প্রদান করুন, তাহারা যেন ধৈর্য ধারণ করে ও নিশ্চয়ই (তাহার পুরস্কার স্বরূপ) তাহারা জান্নাতে প্রবেশ করিবে ও আল্লার নিকট হইতে প্রতিশ্রুত ৭২টি হুরী পাইবে ও অসংখ্য কচি গেলমান। 

জমিনে যেখানে আমি (তাহাদিগকে) সাময়িকভাবে পাঠাইয়াছি, তাহারা যেন সেইখানে কোনোরূপ স্থায়িত্বের চিন্তা না করে। 

কারণ আমি (তাহাদের) চিরঞ্জীবী করিয়া পাঠাই নাই এবং নিশ্চয়ই জান্নাতের জীবনই অনন্তর স্থায়ী হইবে। 

জমিনের সকল কিছুই আল্লাহ তাহার নেক-বান্দাদিগের জন্য সৃজন করিয়াছেন। 

এবং (জমিনের ওপর) ভারী পর্বত স্থাপন করিয়াছেন যাহাতে তাহারা নিরাপদের জমিনে বিচরণ করিতে পারে ও বকরী চড়াইতে পারে। 

হে রাসুল, তাহারা কি দেখে না যে আল্লার রাসুল নিজেও একজন মেষপালক? 

তথাপী কেন তাহারা আল্লার তৈয়ারী জমিনে মেষ চারণ ছাড়িয়া কাফেররদিগের তৈয়ারী (আন্তর্জালীয়) ক্ষেত্রে বিচরণ করে? 

তাহারা কি জানে না যে, কাফেরদিগের (আন্তর্জালীয়) ক্ষেত্র মিথ্যা ও অস্তিত্বহীন? 

তাহারা কি করিয়া আল্লার সৃষ্টি ব্যতীত কিছুকে সত্য বলিয়া মানিয়া লয়? 

(তাহাদিগকে) যখন আল্লাহ প্রশ্ন করিবেন যে আল্লাহর জমিন ছাড়িয়া তাহারা কোথায় বিচরণ করিত, তখন তাহারা কি জবাব প্রদান করিবে? 

তাহারা কি সেই মিথ্যা ক্ষেত্র অন্য অন্য মুমিনদিগকে দেখাইতে পারিবে? 

হে রাসুল, (আপনি তাহাদের) এই বলিয়া সাবধান করিয়া দিন, তাহারা যে কোন কিছুই বিনা প্রমাণে বিশ্বাস না করে ও নিরাকার ও অদৃশ্য আল্লার ওপর পূর্ণ ইমান বজায় রাখে। 

কারণ একমাত্র আলাহ এবং কোরানই সকল সত্যের আকর ও সমস্ত সৃষ্ট বস্তুর প্রমাণ। 
যদিও আমি তোমাদিগকে আল্লাহ ও তার মালাইকাতুন ও জ্বীন জাতীকে দেখিবার ক্ষমতা প্রদান করি নাই। 

(মুমিন বান্দাগন) নিশ্চই ইয়াহুদী ও নাসারাদিগের প্ররোচনায় মিথ্যা (আন্তর্জালীয়) ক্ষেত্রে প্রবেশ না করে, নিশ্চই জাহান্নামের আগুন দুনিয়া হইতে সহস্রগুণ ভয়ঙ্কর। 

এবং (প্রকৃত মুমিনগন) নিশ্চই আল্লার ওপর বিশ্বাস রাখে, এবং আল্লায় ব্যাতীত আর কে দুনিয়ার সত্য ও সকল (আন্তর্জালীয়) মিথ্যা ক্ষেত্র তৈয়ারীর ক্ষমতা রাখে? 

তথাপী (আন্তর্জালীয়) ক্ষেত্রে তোমাদিগের বিচরণ সীমিত করো, ও যাহারা অধিক বিচরণ করে তাহাদিগবে বাধা প্রদান করো ও আল্লার মহিমা ও হুরীদিগের সুন্দর দেহবল্লরীর প্রশংসা করো। 

যদিও আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের জ্ঞাতসারে কাফের ও মুশরিকদিগের সকল কর্মকাণ্ড ও (আন্তর্জালীয়) ক্ষেত্র তৈয়ারী হইয়াছে ও আমি তাহার সকলি অবগত তাহার পরেও (মুমিনদিগের জন্য) আমি আমি তাহা নিষিদ্ধ করিয়াছি। 

তোমরা নিশ্চই জানিবে কাফিরদিগের তৈয়ারী ক্ষেত্র তো তাহাদিগের মিথ্যা প্ররোচনার জন্যই ব্যবহৃত হইবে ও (তোমাদিগকে) বিভ্রান্ত করিবে। 

নিশ্চয়ই আল্লাহ সকল বিষয়েই অবগত ও তাঁর অজ্ঞাতে কিছুই ঘটে না। 

অতঃপর আমি তোমাদের জন্য আন্তর্জালীয় ক্ষেত্র ও ব্লগিং নিষিদ্ধ করিয়াছি, নিষিদ্ধ করিয়াছি (ছাইয়া নিকের) ছদ্মবেশ। 

কারণ তাহারা তোমাদিগের ডান এবং বাম হস্তের অধিকারে। 

তাই তোমরা নিশ্চই তাহাদিগের ছলনায় ভুলিবে না ও ছদ্মবেশ ধারণ করিবে না। 

কারণ যে কেউ তোমাদের ওপর অধিকার স্থাপন করিতে উদ্ধত হইতে পারে। 

তথাপী তোমরা যদি (ছদ্মবেশী কাউকে) দেখিতে পাও (তাহাদের) বারণ করো ও তাহাদের ওপর উপগত হও যেমন আমি তোমাদিগের জন্য জান্নাতে হুরী ও গেলমান বরাদ্দ করিয়াছি। 

নিশ্চই জাকারবার্গ একজন ইয়াহুদী ও শুকরদের অন্তর্গত।

ফুটায় গেছে ফুটানি



নির্বোধের অজ্ঞতাপ্রসূত জেদ


ঈশ্বর ও ধর্ম বিষয়ক বিতর্কে বিশ্বাসীরা না পারে কিছু প্রমাণ করতে (পারার কথাও নয়, রূপকথা কি প্রমাণযোগ্য?), না পারে তাদের ধর্মগ্রন্থ সম্পর্কে সঠিক তথ্য দিতে (কারণ গড়পড়তা নাস্তিক গড়পড়তা আস্তিকের চেয়ে ঢের বেশি জানে ঐশী কিতাব সম্পর্কে); ফলে তাদের 'যুক্তি' হয় এরকম: কারণ আমি জানি / কারণ আমি বিশ্বাস করি / কারণ তা কিতাবে লেখা আছে... 

এমন বদ্ধমস্তিষ্কদের সঙ্গে বিতর্ক করা বড়োই দুরূহ কাজ, তবু সেই কাজটিউ পরম নিষ্ঠা ও ধৈর্যের সঙ্গে করে চলেছে The Atheist Experience. এক নির্বোধ আস্তিকের অজ্ঞতাপ্রসূত জেদের নমুনা দেখুন ছোট্ট ভিডিওতে। 

যৌনইঙ্গিতবাহী চার্চ সাইন - ০২


না, উদ্দেশ্যমূলকভাবে যৌনইঙ্গিত এসবে দেয়া হয়নি। তবে তা খুঁজে পাওয়া দুঃসাধ্য নয় একেবারেই।





যৌনইঙ্গিতবাহী চার্চ সাইন - ০১ (ঊনিশটি ছবি)

নবীজি - সকল 'ঋতুর' পুরুষ


নারীরা ঋতুকালে অশুদ্ধ ও দুষিত, তাই সেই সময়ে তাদের সঙ্গে দূরত্ব বজায় রাখা উচিত এবং তারা পরিষ্কার না হওয়া পর্যন্ত তাদের নিকটবর্তী হওয়া উচিত নয় - এ কথা বলা আছে খোদ কোরানের দ্বিতীয় সুরার ২২২ নম্বর আয়াতে। ঋতুকালে নামাজ না পড়ার পরামর্শও দেয়া হয়েছে নারীদের। 

নবীজি নিজে সকল 'ঋতুর' পুরুষ (a man for all seasons) ছিলো বলে মেয়েদের ঋতু-ফিতু সে মানতো না। বিশদ জানতে স্লাইড শো দেখুন অথবা পিডিএফ (৪.৩৭ মেগাবাইট) ডাউনলোড করে নিন।

অনাবৃতা



২৮ জানুয়ারী, ২০১২

ঈশ্বরদর্শন

ঈশ্বরের অস্তিত্বের প্রমাণ দিলেন অস্ট্রেলীয় এক খ্যাপা নাস্তিক

অন্য এক বিবর্তন



লিংকিন পার্ক - ৩৬


১. 
না, এই খবরের সঙ্গে ধর্মের কোনও সংশ্লেষ সেই। তবে মুহম্মদ নামের কেউ ৭ বছরের শিশুকন্যাকে ধর্ষণ করেছে শুনলে অবধারিতভাবে নবীজির কথা মনে পড়ে যায় যে! 

২.
অনেক মমিনের ধারণা, বিজ্ঞান নাকি বিশ্বাসনির্ভর। আসলে তারা বিজ্ঞানকে ধর্মের স্তরে নামিয়ে আনতে পারলে স্বস্তি পেতো, কিন্তু তা কি হবার? সহজ ভাষায় লেখা একটি চমৎকার নিবন্ধ।

৩. 
জিনেটিক উজানযাত্রার কাহিনী। দু'ঘণ্টার ডকুমেন্টারি। এ বিষয়ে উৎসাহ বা কৌতূহল থাকলে সময় নিয়ে দেখতে বসুন, শেষ না করে উঠতে পারবেন না।

৪. 
ফাকিস্তানের মতো দেশেও নাস্তিকেরা অল্পস্বল্প করে উঁকি দিচ্ছে। ফেসবুকে তাদের যে পেইজটা আছে, সেটির প্রতিষ্ঠাতার সঙ্গে সাক্ষাৎকার।

৫. 
ধর্মবিশ্বাসী দম্পতিরা এখন সেক্সশপের সেবা গ্রহণ করছে। খ্রিষ্টধর্মী সেক্সশপও চালু হয়েছে। 

৬. 
Fundies Say the Darndest Things নামে একটি সাইট! Fundy শব্দটি Fundamentalist-এর সংক্ষিপ্ত রূপ, যার বাংলা প্রতিশব্দ নিশ্চিতভাবেই ছাগু। এই সাইটে ছাগুমুখনিঃসৃত ল্যাদানি সংগ্রহ করা হয়। বাংলায় এমন সাইট কেন যে নেই! 

৭.
ভারতের Jaipur Literature Festival-এ যোগ দিয়েছিলেন রিচার্ড ডকিন্স। দ্য টাইমস অভ ইন্ডিয়া পত্রিকায় প্রকাশিত সাক্ষাৎকারে তিনি স্বভাবসুলভ স্পষ্টবাদিতা ও যুক্তিনিষ্ঠতা বজায় রেখেছেন।
(লিংকম্যান: কৌস্তুভ) 

৮. 
স্কুলে ঝোলানো প্রার্থনাবোর্ড স্কুলছাড়া করতে আদালতের আশ্রয় নিয়ে সফলকাম হওয়া আমেরিকার ১৬ বছর বয়সী নাস্তিক স্কুলবালিকা এখন ক্যাথলিক মমিন-আকীর্ণ শহরে তীব্র রোষের সম্মুখীন। নিউ ইয়র্ক টাইমসের রিপোর্ট। 

নিত্য নবীরে স্মরি – ৪৯



নির্ধার্মিক মনীষীরা – ৫২


পিটার অ্যাটকিনস - ব্রিটিশ রসায়নবিদ, অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক। বড়োই আকর্ষণীয় ভঙ্গিতে জানাচ্ছেন ঈশ্বর ও ধর্ম বিষয়ে তাঁর অকপট মতামত।

সাড়ে তিন মিনিটের ভিডিও। পুরোটা না দেখলেও অন্তত প্রথম বাইশ সেকেন্ড দেখাটা ফরজে আইন

পোপের মুখনিঃসৃত বল্দার্গু


ভ্যাটিকানের ভণ্ড পোপ একখান বাণী দিসিলো ক্রিসমাসের আগে:


এই শালার লাজলজ্জা তো নাইই, নাই কমনতম সেন্সও। সে কোন মুখে বাহ্যিক চাকচিক্য বর্জনের কথা কইতারে? নিচের ছবি কয়টা দেইখা কন, আমি ভুল কিছু কইসি নাকি!


২৭ জানুয়ারী, ২০১২

বিদ্যাদেবীর বিশ্লেষণ


লিখেছেন অজাতশত্রু


স্বরস্বতি মহাভাগে, বিদ্যা কমললোচনে, 
বিশ্বরূপে বিশালাক্ষী, বিদ্যাং দেহি নমহস্তুতে। 

এর বাংলা হল:
স্বরস্বতি মহা ভাগে মানে বিদ্যা চাইলে ভাগে। বিদ্যা কমল লোচন মানে বিদ্যার সময় মাথায় কেমিকেল লোচা হইলে স্বরস্বতির নাম মনে আসে। বিশ্বরূপে বিশালাক্ষী মানে বিশ্বের সব মানুষ তার কাল্পনিকরূপ বিশাল চোখে দেখে। বিদ্যাং দেহী নমহস্তুতে মানে স্বরস্বতি বলছেন, বিদ্যা দেখি আমার হাতে নেই। নম হল নেই, হস্তুতে মানে হাতে।

সৃষ্টিকথা


বানিয়েছেন শেষনবী আমিনী


ইসলামের জিহাদী জঙ্গিরা


কোরানের সমস্ত বাণী অক্ষরে অক্ষরে মেনে চলে না (সম্ভব নয় বলে) একজন মুসলিমও। তাই সত্যিকারের মুসলিম বলে কিছু নেই। তবে একদল মুসলিম আছে, তার যথাসাধ্য কোরানানুগ জীবনযাপন করে থাকে। বর্তমান দুনিয়ায় তাদেরকেই খাস মুসলিম বলা উচিত, অথচ তাদেরকে গণ্য করা হয় জঙ্গি মুসলিম হিসেবে। তুলনামূলকভাবে এদের সংখ্যা খুব বেশি না হলেও প্রভাবের বিচারে তারা কিন্তু খুবই অগ্রগণ্য।

এই জিহাদী মুসলিমদের নিয়ে বানানো আধঘণ্টার একটি ডকুমেন্টারি দেখুন।

প্রভু ভ্রুক্ষেপ করেন না



শয়তানের সাথে সংলাপ


লিখেছেন নাসির আবদুল্লাহ

'নাসির ভাই, ও নাসির ভাইইইই' ডাক শুনে চমকে গেলাম। অপরিচিত কন্ঠস্বর, উপরন্তু কেমন যেন নাকি নাকি সুর।

(গভীর রাত্রে একটা চেয়ারে একা বসে আছি বন্ধুর বাড়ির বাগানে। বন্ধু আমার সবজান্তা, সে আস্তিকও না আবার নাস্তিকও না, সে তর্কবাগিশ। তার স্বভাব হচ্ছে তর্ক করা, নাস্তিকদের টেবিলে সে আস্তিকের পক্ষে কথা বলে আবার অস্তিকেদের টেবিলে সে বিশাল নাস্তিক। সর্ব বিষয়ে তার অফুরন্ত জ্ঞান, ছাগু-মার্কা জ্ঞান না, সত্যিকার পড়াশুনা করা জ্ঞান। সন্ধ্যার অধিবেশন একটু কড়া হয়ে যাওয়াতে সে ঘুমিয়ে পড়েছে, বউরা! কেউ বাসায় নেই। হ্যা, তার চার চারটি বউ! একটি সুইডিস (গির্জার সিস্টার), একটি মেক্সিকান (মাঝারি কাতারের গায়িকা), একটি পার্শ্ববর্তী দেশের (অসম্ভব সুন্দরী) আরেকটি বাংলাদেশী (ভূগোলবিদ), চার ব‌উয়ের ছয় সন্তান সবাই মিলে এই একই বাড়িতে থাকে। আমার জানা সপ্তাশ্চর্যের অন্যতম আমার এই বন্ধু। যাহোক বন্ধুর গল্প আরেকদিন বলব।)

- কে?

- নাসির ভাই, আমি ইবলিশ।

এই আজিব রসিকতায় ভড়কে গেলেও মাথা ঠাণ্ডা রেখে জিজ্ঞাসা করলাম, 'কী চাও?'

- আপনের সাথে কিছু আলাপ আছিল, নাসির ভাই।

- বলে ফেল।

- আপনে আদাজল খাইয়া আমার পিছনে লাগছেন ক্যান?

- বাহ রে, বল কী তুমি! আস্তিকরা বলে, আমি নাকি ওদের পিছনে লাগছি। আবার তুমিও বলছ যে, আমি তোমার পিছনে লাগছি, আমার কি দুই কুলই গেল নাকি?

- নাহ! কথা সেইডা না, আপনেরে আমি খুব ডরাই।

- কেন?

- ওই যে আপনার মাথার মইদ্দে সব সময় সম্ভাবনা উকি দেয়, আপনি অংকে কাঁচা কিন্তু সম্ভাবনাগুলা বেশির ভাগই ঠিক।

- ঝেড়ে কাশ ত বাপু, বেশ ইন্টারেস্টিং মনে হচ্ছে।

- নাসির ভাই, আপনের সব পুকুরের মাছ আমি ডবল কইরা দিমু, ট্রিপল কইরা দিমু যদি আপনি আমার একটা অনুরোধ রাখেন।

- বলতে থাক।

- আপনি মুহম্মদের পিছু ছাইড়া দেন।

- কেন?

- মুহম্মদ যে আমার সাধনার ফসল, এইটা আপনি বুঝেন না?

- কীভাবে?

আমার বোরখা-ফেটিশ – ৩৪



বিলবোর্ড বিতর্ক


ধর্মীয় বিলবোর্ডে ছেয়ে আছে আমেরিকা, তাতে কোনও সমস্যা নেই, তবে নিরীহ নাস্তিক্যবাদী বাণীসম্বলিত দু'-একখানা বিলবোর্ড তোলপাড় ফেলে দেয় সেখানে। বুঝি না, বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠ হওয়া সত্ত্বেও ধর্মবাদীদের এতো ভীতি কেন? কারণ, মনে হয়, তারা নিশ্চিত জানে, সংখ্যাগরিষ্ঠতা তাদের বটে, তবে সত্য তাদের পক্ষে নেই।

টাঙানোর আগেই বিতর্কিত একটি বিলবোর্ডের ছোট্ট কাহিনী।

২৬ জানুয়ারী, ২০১২

আমাদের আত্মীয়েরা – ৩৮


বানরদের মাঝেও, দেখা যাচ্ছে, গ্রুপ সেক্সের প্রচলন আছে।
আমি 'গ্রুপ সেক্স'-এর বাংলা করলাম - গুচ্ছকাম

ছবি পাঠিয়েছেন থাবা বাবা 

শাখামৃগদের গুচ্ছকাম

হ্রস্বরসবাক্যবাণ – ৩১


১.
কোরানের অনেক কিছুই এখনও পর্যন্ত আধুনিক: এই যেমন নুহ নবী চল্লিশ দিন ধরে পার্কিং প্লেস খুঁজেছে। 
(সংগৃহীত)

২.
সাতশোবার বিয়ে করা কিং সলোমনকে আর যা-ই হোক, বিচক্ষণ বা বুদ্ধিমান বলা চলে না।
(সংগৃহীত)

৩.
কাফের হত্যায় ব্যর্থ আত্মঘাতী শহীদেরা বেহেশতে আত্মরতি করবে প্রতিদিন বাহাত্তরবার; তারা উত্তেজিত হবে ঈমান্দারদের কামক্রীড়া অবলোকন করে।

বিবর্তন বিষয়ে ইছলামীরা দ্বিধাবিভক্ত?


অনুবাদ ও ফটোমাস্তানি আসিফ মহিউদ্দীন 


আসিব্বাই, এইটা নাহয় বুজলাম, কিন্তুক আমি একখান ভিডুর নাগাল পাইলাম, যেইটা দেইখা মনে হইলো, ধড়িবাজ ইসলামবাজেরা বুইজা ফালাইসে যে, বিবর্তন ব্যাপারখান এতোটাই পষ্ট যে, চোখ বুইন্দা থাকলে এখন পুরাই ধরা খাইতে হবে এবং তখন নিজেগো গোলাম য়াজম বাঁচাইতে খবর হইয়া যাবে। তাই বেগতিক দেইখা বিবর্তরবাদরে তারা মাইন্যা নিতেছে এবং ছহীহ ইছলামী কায়দায় ফরমাইতেছে যে, আল্যাফাক কোরান শরীফে বিবর্তনের কথা উল্লেখ করসে!

আড়াই মিনিটের ভিডু দেইখা বুইঝা লন।

বাইবেল গেম


বাইবেল অনুসরণে ভিডিও-গেম বানালে সেটা কেমন হতে পারতো, তা দেখিয়েছেন দুর্ধর্ষ সব ভিডিও বানিয়ে যশ কামানো TheThinkingAtheist. গেমে ইসলামের নবীকেও দেখা যায় এক ঝলক  

এক নাস্তিকের জবানবন্দি



২৫ জানুয়ারী, ২০১২

সূরা আল-হাকিম


লিখেছেন থাবা বাবা 

(কদিন আগে স্টিফেন হকিং এর জন্মদিন গেল... হায়াত শেষ হয়ে গেলেও স্টিফেন হকিং এখনো দিব্যি বেঁচে আছেন। তাই আল্লা ক্ষেপে গিয়ে এই সূরাখানা আমার ওপর নাজিল করেছেন... বলেন আমিন!)

শপথ উটমূত্রের, (যাহারা তাহা প্রত্যাখ্যান করিয়াছে) তাহাদের জন্য রহিয়াছে নিশ্চিত মৃত্যু যাহা আমি (তাহাদের জন্য) নির্ধারণ করিয়াছি।

তাহারা শীঘ্রই (মৃত্যুমুখে) পতিত হইবে, যাহা তাহারা ভীত হয় ও মুখোমুখি হইতে চায় না।

আর যাহারা প্রশ্ন করে সময় লইয়া ও স্থান লইয়া যাহা আমি স্বীয় আরশ স্থাপনের জন্য সৃষ্টি করিয়াছি (তাহাদিগের জন্য) রহিয়াছে পঙ্গুত্বের ব্যাধি যাহা (তাহাদের পক্ষে) এড়ানো সম্ভব হইবে না। 

অতঃপর তাহারা মৃত্যুমুখে পতিত হইবে যাহা আমি তাহাদের জন্য নিশ্চিত করিয়াছি এবং তাহাদের নেতা ইস্তিবান আল-হাকিম এর জন্য রাখিয়াছি সর্বশ্রেষ্ঠ ব্যাধি যাহার কথা (সে স্বীয় জবানে কাহাকেও) বলিতে পারিবে না অথবা তাহার যন্ত্রণার কথা।

অতঃপর যৌবনেই সে (রোগাক্রান্ত হইয়া) চলৎশক্তি রহিত হইবে ও নিশ্চিত মৃত্যুমুখে পতিত হইবে।

তথাপি তাহার মৃত্যু (নির্দিষ্ট সময়ের আগে) হইবে না ও তাহাকে আরো কষ্ট উপভোগ করাইবার জন্য আমি তাহাকে অনন্তকাল বাঁচাইয়া রাখিব।

নিশ্চয়ই মানুষকে আল্লাহ রাব্বুল আলামিন (চিরকাল) বাঁচিয়া থাকিবার জন্য সৃজন করেন নাই, তাই আল-হাকিমও নিশ্চয়ই কোনো একদিন মৃত্যুবরণ করিবে। 

(কিন্তু জানিয়া রাখ) তাহার বালাই যাহা আমি (শুধু তাহারই জন্যই) পাঠাইয়াছি, তাহা জাহেল ও বাতেন দুনিয়ার কোন হেকিম নির্ণয় করিতে পারিবে না।

উহারা প্রতিবার (তাহার মৃত্যুর) ভবিষ্যদ্বাণী করিবে যদিও তাহাদের ঐসব ( ভবিষ্যদ্বাণী) আমি পূর্বেকার ন্যায় নস্যাৎ করিয়া দেই।

কারণ হায়াত ও মউতের একমাত্র মালিক আল্লাহ রাব্বুল আলামিন এবং তাহার ওপর অন্য কেউ (ভবিষ্যৎ বলিতে) পারে না।

আল্লাহ প্রতিবার (আল-হাকিমের) হায়াত বাড়াইয়া যাইতেছে।

তথাপি (তাহারা) বোঝে না আল্লার মহত্ব ও শক্তি।

উপরন্তু সে (শয়তানের প্ররোচনায় ও কালো যাদুর দ্বারা) আমার সৃষ্টি ও অস্তিত্ব লইয়া (পূর্বেকার ন্যায় পূণঃপূণঃ) প্রশ্ন করিয়া যাইতেছে।

তাহারা কি বোঝে না (তাহার জীবনরক্ষাকারী যন্ত্রের মতো) আল্লাহও সত্য!

আল-হাকিম ও তাহার অনুসারীরা কি দেখে না আল্লাহ কী করিয়া ইহুদী ও নাসাদের মাধ্যমে (তাহার জীবন রক্ষাকারী) যন্ত্র বানাইয়া পাঠাইয়াছে, তবু তাহারা (আমার আমার অস্তিত্বে) অস্বীকার করে!

না-বলা কথা


এঁকেছেন ইঁদুর 

আমার মাঝে সাঝে এই তাবলিগের পাব্লিকগো এইটা কইতে ইচ্ছা করে! কইতে তো পারি না, তাই কার্টুন আঁকাইলাম! 

(ছবিতে ক্লিক করে পূর্ণাকারে দেখুন)

ঐশী প্ল্যান ও প্লেনের প্রোপেলর


আমাদের জীবনে যা কিছু ঘটে, সব ঈশ্বর-কর্তৃক পূর্বনির্ধারিত। যৌক্তিক দৃষ্টিভঙ্গি থেকে দাবিটা পাতে নেয়ার যোগ্য না হলেও বিশ্বাসীর রহস্যমণ্ডিত মস্তিষ্ক কিন্তু সেটাই বিশ্বাস করে। শুধু কি তাই, মানুষের যাবতীয় কীর্তির কৃতিত্বও মমিনেরা ঈশ্বরকেই দিয়ে থাকে! 

মাত্র তিন মিনিটের ভিডিও।

পুত বিষ্ঠাধার



মমিন মস্তিষ্ক মিরাকলময়


পাঠিয়েছেন শয়তানের চ্যালা 

ইদানীং ইসলামি মিরাকলে ফেসবুক ছেয়ে যাচ্ছে। এসব মিরাকলের সাথে বিজ্ঞান গুলিয়ে সুস্বাদু করে তোলা হয়। মুমিন ভাইরা এসব মিরাকল খেয়ে খেয়ে তাদের ইমান পাকাপোক্ত করে, চোখ বুঝে গদগদ হয়ে লাইক শেয়ার সুবানাল্লা কমেন্ট করে নেকী কামাই করে, তাছাড়া যেসব পেজ এসব শেয়ার করতে উৎসাহিত করে তারাও চামে কিছু মেম্বার বাড়িয়ে নেয়।

আমাদের উচিত নিত্যনতুন এমন মিরাকল আবিষ্কার করা। যেমন এই ছবিটিই বিশ্লেষণ করা যাক।


ছবিতে নামাজের বিভিন্ন ভঙ্গির সাথে আরবী অক্ষরে "আহমাদ" শব্দের মিল দেখাতে হবে। লাল কালিতে দেখানো হয়েছে মূল মিল। কিন্তু সেভাবে মিল দেখালে তো মিলবে না। তাই ইচ্ছামত কালো কালি দিয়ে মিলিয়ে দেয়া হয়েছে। হাত পা যে দিকেই থাকুক মূল শব্দের সাথে মিল রেখে শরীরের উপর আঁকিবুকি দিয়ে যান। ছবির নিচে মুহম্মদ সঃ, আল্লাহ, ইসলাম ইত্যাদি শব্দ জুড়ে দিন। মিল-অমিল নিয়ে মুমিন ভাইদের প্রশ্ন করার পথটি তাহলে বন্ধ হয়ে যাবে।

ব্যস, হয়ে গেল একটি মিরাকল!!! দারুণ না?

এবার ব্রেইনের সাথে সেজদা ভঙ্গিটি মিলাতে হবে। 

নামাজ-দোয়া-মোনাজাত ইত্যাদি ছবিতে বাচ্চাদের ছবির বেশ কদর। অনেক কট্টর মুমিন ভাইয়ের প্রফাইল ছবিতে এজন্য ছোট অবুঝ শিশুদের বোরখা-টুপি পরিহিত অবস্থার ছবি দেখা যায়। সহানুভূতি আদায়ের একটা কৌশল আরকি। কাজেই এ ধরনের মিল দেখানোর সময় বাচ্চাদের ছবি ব্যবহার করলে ফল ভাল দেয়।

এবার ব্রেইনের ছবির দিকে মনোযোগ দেই। ব্রেইনের Cerebellum অংশের সাথে মাথাটা মিলানো যায়। Cerebrum অংশে শরীরটাও এঁটে দেয়া যায় কোনোরকমে। Temporal Lobe এর ভাজটা হাটুর ভাজের বিপরীতদিকে পড়ে। কিন্তু নিচে ইসলাম, মুহম্মদ, আল্লাহ ইত্যাদি শব্দ জুড়ে দিলে মুমিন ভাইরা এসব খেয়ালই করবে না। ব্যস, তৈরি হয়ে গেল আরেকটি সহি ইসলামি মিরাকল!!! এরপরে আপলোড করে দিন, দেখবেন লাইক, সুবানাল্লা, আলহামদুলিল্লা, শেয়ারের ঝড়-বন্যা-জলোচ্ছাস বয়ে যাচ্ছে। 

ইছলামী বিজ্ঞানীর গবেষণা



২৪ জানুয়ারী, ২০১২

ধর্মাবিষ্ট হলে বল্দার্গুও সুমিষ্ট


Faith by definition is believing in things without evidence, and personally I don't do that, because I'm not an idiot! 

পলিটিক্যাল কারেক্টনেসের ধার না ধেরে বিবিসি-র এক টক শোতে ওপরের কথাগুলো বলে মমিনজগতে শোরগোল তুলেছিলেন ব্রিটিশ যে স্ট্যান্ড-আপ কমেডিয়ান Kate Smurthwaite (না দেখে থাকলে ছোট্ট দ্বিতীয় ভিডিওটি আপনার জন্য); পনেরো মিনিটের আরেকটি টক শোতে তাঁকে অংশগ্রহণ করতে দেখা গেল। যদিও তাঁকে ও তাঁর পক্ষকে খুব বেশি কথা বলার সুযোগ দেয়া হয়নি, তবে তাঁর স্বল্প সময়ের পারফরমেন্সটিও দারুণ উজ্জ্বল। ভিডিওটি দেখে আরও একবার নিশ্চিত হোন: প্রাপ্তবয়স্ক ও শিক্ষিত লোকেরাও ধর্মাবিষ্ট হয়ে কী ধরনের বল্দার্গুতে বিশ্বাস করতে পারে! 

মোক্ষম টাইমলাইন কাভার



ধর্মগুরু হইবার রেসিপি


লিখেছেন জুপিটার জয়প্রকাশ 

আপনি কি ধর্মীয় জগতে বিপ্লব করে একজন ধর্মপ্রণেতা হতে চান? তাহলে এই রেসিপি আপনার জন্য। কিন্তু এই রেসিপি সফলভাবে প্রয়োগ করার জন্য আগে হিউম্যন সাইকোলজি নামক একটি মজার বিষয়ে কিছু জ্ঞান লাগবে। আসুন তবে, জ্ঞান দেওয়া শুরু করি।

প্রত্যেক মানুষের সাধারণ স্বভাব হল: 

১. তারা এখন এখন যে অবস্থায় আছে তার চেয়ে ভাল অবস্থায় থাকতে চায়।

২. তারা শর্টকাট ভালবাসে। কম পরিশ্রমে বেশি ফল পেতে চায়। অন্য কেউ তার কাজ করে দিলে আরো খুশি হয়।

৩. তারা প্রশংসা পছন্দ করে। নিজেকে বুদ্ধিমান মনে করে।

৪. তারা বাড়িয়ে গল্প বলতে ভালোবাসে।

৫. অজানা জিনিষের প্রতি তাদের মনে ভয় এবং কৌতূহল দুইই থাকে। তারা নিজে নিরাপদে থেকে জ্ঞান চায়।

এইবারে আসুন দেখি কিভাবে এই মানবিক ধর্মগুলোকে কাজে লাগিয়ে তাদের কাছে ভাল হবেন: 

১. প্রথমেই আপনাকে মানুষের মনোযোগ আকর্ষণ করতে হবে। তবেই তারা আপনার কাছে জড়ো হবে। মনোযোগ আকর্ষণের একটা পথ হল, কোনো প্রচলিত বিশ্বাসের উপরে প্রশ্ন তোলা। যেমন “মূর্তিপূজা করে কী হয়?” ইত্যাদি। বা জ্ঞানগর্ভ কথা, কিম্বা মানুষের উপকার করা এইসব। সাহিত্য, গান, ইত্যাদিও চলবে। দেখবেন, কিছু কিছু করে মানুষ আপনার দিকে মনযোগ দেবে।

২. এবারে প্রচার করতে হবে যে, মানুষের বড় দুঃখ। আপনি সেই দুঃখ দূর করার উপায় তালাশ করছেন। যেহেতু সব মানুষই নিজের বর্তমান অবস্থাকে আরো ভাল করতে চায় কাজেই তারা আপনাকে ভালবেসে ফেলবে।

৩. কিছু কিছু মানুষ আপনার কাছে আসবে। আপনাকে তাদের দুঃখে গলে যেতে হবে। তাদের বোঝাতে হবে যে, তারা না জেনে ভুল করে এসেছে বলেই তাদের এত দুঃখ।

৪. আপনি যখনই তাদের বলবেন যে, ঈশ্বরকে ভক্তি করে ডাকলে তিনি তাদের দুঃখ দূর করবেন, তখনই কথাটা তাদের দারুণ পছন্দ হবে। (কারণ তারা শর্টকাট ভালবাসে। অন্য কেউ কাজটা করে দিলে খুশি হয়।)

৫. চুরি, ঘুষ, মাতলামি ইত্যাদি কাজ, যেগুলো সবাই খারাপ বলে জানে, সেগুলোর ব্যাপক নিন্দা করতে হবে। এতে আপনার খ্যাতি আম পাব্লিকের মধ্যে ছড়াবে। সকলেই আপনাকে একজন সৎ মানুষ বলে জানবে।

৬. আপনি তাদের প্রশংসা করলে তারা সহজে আপনার নিন্দা করবে না।

৭. তারা যখন আপনাকে পছন্দ করবে তখন অন্যের কাছে বাড়িয়ে গল্প করবেই। (কারণ এতে সে নিজেকে বুদ্ধিমান প্রমাণ করার সুযোগ পাবে) । এতে আপনার প্রচার হবে।

৮. এই সময়ে সকলের সাথে ভাল ব্যবহার করতে হবে। অন্য ধর্মকে খারাপ বলা চলবে না। বললে ইঁটের জবাবে পাটকেল খাবেন। 

ফুল নেবো, না অস্ত্র নেবো - ভেবে হই আকুল



নির্ধার্মিক মনীষীরা – ৫১


নোবেল পুরস্কারপ্রাপ্ত লেখক আর্নেস্ট হেমিংওয়ে লিখেছিলেন: 

All thinking men are atheists.

ঈশ্বর ও ধর্ম বিষয়ে অদূর-অতীতের ও সাম্প্রতিককালীন তিরিশজন খ্যাতিমান লেখকের দুর্দান্ত এক ভিডিও-মন্তব্য সংকলনের সন্ধান পেলাম। না দেখাটা ঘোর অনুচিত হবে। 

লেখক তালিকা: 
1. Sir Arthur C. Clarke, Science Fiction Writer
2. Nadine Gordimer, Nobel Laureate in Literature
3. Professor Isaac Asimov, Author and Biochemist
4. Arthur Miller, Pulitzer Prize-Winning Playwright
5. Wole Soyinka, Nobel Laureate in Literature
6. Gore Vidal, Award-Winning Novelist and Political Activist
7. Douglas Adams, Best-Selling Science Fiction Writer

দু'টি ছবি


পাঠিয়েছেন আরিফুর রহমান


পাঠিয়েছেন শয়তানের চ্যালা


২৩ জানুয়ারী, ২০১২

কোরান কুইজ – ১৩


নিশ্চয়ই মোমিন মুসলমানগণ কোরান সম্পর্কে সম্যক জ্ঞান রাখেন। বেয়াড়া নাস্তিকগনও নিজেদেরকে কোরান-অজ্ঞ বলেন না কখনও। তাই মুসলিম-নাস্তিক নির্বিশেষে সকলেই অংশ নিতে পারেন কোরানের আয়াতভিত্তিক এই ধাঁধা প্রতিযোগিতায়। এই সিরিজের মাধ্যমেই তাঁরা নিজেদের কোরান-জ্ঞান যাচাই করে নিতে পারবেন।

প্রশ্ন ১৯. কোরান কি সবার জন্য সহজ ও সর্বজনবোধ্য?
ক) হ্যাঁ
খ) না

(স্ক্রল করে নিচে উত্তর দেখুন)

সাহায্যের ধর্মীয় ধরন



তরবারি - ইছলামী শান্তির প্রতীক


'ইসলাম শান্তিকামী' - একবার এই কথাটির বাস্তব অর্থ বের করেছিলাম এভাবে: পশুকামী তাকেই বলা হয়, যে পশুর সঙ্গে সহবাস করে; শিশুকামী বলা হয় তাকে, যে শিশুগমন করে এবং একইভাবে ইসলামী শান্তিকামী তাকেই বলা যেতে পারে, যে শান্তি ছহবতকারী অর্থাৎ যে শান্তিরে োদে।

আরও একটি নমুনা দেখুন।

পশ্চিমাদের উদ্দেশে ইসলামী হুঙ্কার: হয় তোমার যিজিয়া ট্যাক্স দেবে, নয়তো আমাদের তরবারি নেমে আসবে তোমাদের গর্দানে। 

দেড় মিনিটের ভিডিও, ট্র্যান্সক্রিপ্টসহ। 

মুহাম্মদ হিমুর রক্তাক্ত প্রান্তর


লিখেছেন হিমালয় গাঙ্গুলী 

গাঞ্জার স্টিকে টান দিয়ে আমি খুক খুক করে কাশতে শুরু করলাম। গতকাল নাপিতসম্রাট জিব্রাইল আমাকে যে গাঞ্জা দিয়েছিল, তাতে মনে হয় ভেজাল ছিল। আজকাল কোনও কিছুই ভেজাল ছাড়া পাওয়া যায় না। একবার আমার খালাসদৃশ স্ত্রী খাদিজা বেগম আমাকে এক তাড়া ডলার দিয়েছিলেন। তার মধ্যে তিনখানা নোট ছিল জাল। বড়ই পরিতাপের বিষয়। আমি দীর্ঘশ্বাস ফেললাম।

আবু বকর মিয়াকে হন্তদন্ত হয়ে ছুটে আসতে দেখা গেলো। এই লোকের বুদ্ধিমত্তা একটা মাঝারি সাইজের পাঙ্গাশ মাছের সমান। তার নাম আবু বকর না হয়ে আবুল বকরী হলে ঠিক হত। কোনও একটা রহস্যজনক কারণে সে আমাকে বিরাট ভক্তি-শ্রদ্ধা করে। মানুষকে বিভ্রান্ত করতে আমার বরাবরই ভালো লাগে। প্রতিদিন আমি তার বিভ্রান্তি চক্রবৃদ্ধি হারে বাড়িয়ে দিই। সম্প্রতি সে আমাকে প্রায় মহাপুরুষ পর্যায়ে নিয়ে গেছে।

বকর হাঁপাতে হাঁপাতে এসে আমাকে লম্বা করে সালাম দিলো, "আসসালামুয়ালাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাত হু।"

আমি বিনীত গলায় বললাম, "অয়ালাইকুম আসসালাম, আব্বাজান।"

বকর পুরোপুরি বিভ্রান্ত হয়ে গেলো। ছাগল শ্রেণীর লোকজনকে বিভ্রান্ত করে তেমন মজা পাওয়া যায় না। বাধ্য হয়ে আমাকে এই কাজ করতে হচ্ছে। কারণ আপাতত আমি আছি যুদ্ধের ময়দানে। মদীনার চারপাশে খাল কেটে বসে আছি। আমার ইনটিউশন ক্ষমতা প্রবল। সেই ইন্টিউশন বলছে, প্রায় ১৪০০ বছর পর আমার ভাবধারার একজন পূর্বদেশীয় সামরিক রাষ্ট্রপ্রধান তার দেশভর্তি খাল কেটে বেড়াবেন।

বকর হতভম্ভ ভঙ্গিতে বলল, "হুজুরে পাক কি আমাকে আব্বাজান ডাকলেন?"

আমি হাই তুলতে তুলতে বললাম, "না, শ্বশুর আব্বা ডেকেছি।"

বকরের চেহারায় প্রশ্নবোধক চিহ্ন ফুটে উঠল।

আমি উদাস গলায় বললাম, "ঘরে অবিবাহিত কন্যা থাকলে কি আর মন ঠিক থাকে! আপনার মন শান্ত করার জন্য আব্বাজান ডেকেছি, জনাব।"

আবু বকরের চোখ রসগোল্লা সাইজের হয়ে গেল। আমি মাঝে মাঝে আন্দাজে ঢিল মারি। এই ঢিলটা মনে হয় লেগে গেছে।

বকর বিস্মিত গলায় বলল, "আপনি কীভাবে জানলেন আমার ঘরে কুমারী মেয়ে আছে?"

নিত্য নবীরে স্মরি – ৪৮


বানিয়েছেন শেষনবী আমিনী


ধর্মাতুল কৌতুকিম – ৩৩


৯১.
পাহাড়ের একদম কিনারে এক বালককে কাঁদতে দেখে তার দিকে এগিয়ে গেল ক্যাথলিক যাজক, জিজ্ঞেস করলো:
- কী হয়েছে তোমার? কাঁদছো কেন? 
- আমার বাবা আর মা এই পাহাড় থেকে পা পিছলে নিচের পাথরের ওপরে পড়ে মারা গেছে, - জানালো বালক। 
- হুমম, আজ তোমার দিনটা আসলেই খারাপ, - প্যান্ট খুলতে খুলতে বললো ধর্মযাজক।

৯২.
শেষ বিচারের দিনে এক মোল্লার দোজখবাস ঘোষণা করলো আল্যাফাক। সে ভারি অবাক চোখে আল্যার দিকে তাকিয়ে বললো: 
- হুজুর, আমার ঠিক আাগে গুণ্ডা-চেহারার এক বাস ড্রাইভাররে তো বেহেশতে পাঠাইলেন; সে কি আমার চাইতে বেশি ঈমান্দার?
আল্যা উত্তর দিলো: 
- শোনো, তুমি যখন মসজিদে খুতবা পড়তা, বেবাকে ঘুমাইতো, আর ওই ড্রাইভারে যখন বাস চালাইতো, সব প্যাসেঞ্জারে মোনাজাত করতো। 

৯৩.
ভ্যাটিকানের পোপের সেক্রেটারি এসে তাকে বললো: 
- এক ইহুদি আপনার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে চায়। 
- পরে আসতে বলে দাও, - বললো পোপ। 
- একটু সময় করুন না, প্লিজ, তার জন্যে। বেচারা নাকি দু'হাজার বছর ধরে অপেক্ষা করছে। 
- ঠিক আছে আসতে বলো তাকে।
ঘরে ঢুকে ইহুদি লোকটি যিশুর 'লাস্ট সাপার'-এর ছবিটি দেখিয়ে পোপকে জিজ্ঞেস করলো:
- এরা আপনাদের লোক? 
- হ্যাঁ, - জানালো পোপ। 
- তাহলে বিলটা শোধ করুন। 

কোরানই সকল জ্ঞানের উৎস


পাঠিয়েছেন শয়তানের চ্যালা


২২ জানুয়ারী, ২০১২

নায়েকোচিত বাতচিত


লিখেছেন জোকার নালায়েক

১.
মনে করুন, দুইটি বস্তু একে অপরের দিকে ধেয়ে আসছে। তাহলে, একটি বস্তুকে যদি স্থির ধরা হয় তবে বলা যায় অন্য বস্তুটিই কেবল গতিশীল। একথা উভয় বস্তুর জন্য প্রযোজ্য। আবার ধরুন, একটি স্থির বস্তুর দিকে আরেকটি বস্তু গতিশীল। এখন গতিশীল বস্তুটিকে স্থির ধরলে, স্থির বস্তুটি গতিশীল, যখন প্রসঙ্গ কাঠামোও গতিশীল, যা পূর্বে স্থির ছিল।

সুতরাং, পৃথিবী সূর্যের চারপাশে ঘোরে না সূর্য পৃথিবীর চারপাশে ঘোরে, তা বিবেচ্য নয়। বিবেচ্য হল কাকে আমরা স্থির ধরব। যেহেতু আমরা পৃথিবীর বাসিন্দা, সুতরাং পৃথিবীকেই আমরা স্থির ধরব। অতএব, সূর্য পৃথিবীর চারদিকে ঘোরে, প্রমাণিত। 

২.
শ্রদ্ধেয় অধ্যাপক, ভাষা সৈনিক, মুক্তিযোদ্ধা জাকির নায়েককে কাফির ঘোষণা করা হয়েছে। আমি এর নিন্দা জানাচ্ছি। তাঁর মতন এরকম একজন শ্রদ্ধেয়, পূজনীয়, ভজনীয় মানুষকে কাফির বলাটা নিশ্চয়ই ভারত সরকারের কৌশল। এই অপচেষ্টা নস্যাত করতে হবে, আসুন আমরা ভারতীয় পণ্য ও চ্যানেল বর্জন করি। তাতেই নস্যাত হয়ে যাবে তাদের সকল অপচেষ্টা। 

স্বর্গের দরজা



FAITH বনাম FAITH


I have FAITH in you
I have FAITH in god 

প্রথম বাক্যে FAITH অর্থ আস্থা (confidence), দ্বিতীয় বাক্যে - তথ্য-প্রমাণহীন বিশ্বাস। 

বায়েনিকড্যান্সের আড়াই মিনিটের বিশ্লেষণ। 

আমার বোরখা-ফেটিশ – ৩৪


আমার মতোই বোরখা-ফেটিশাক্রান্ত থাবা বাবা'র পাঠানো চারটি কার্টুন।