১৩ আগস্ট, ২০১২

কুরানে বিগ্যান (অষ্টম পর্ব): কসম-তত্ত্ব


লিখেছেন গোলাপ

পর্ব ১ > পর্ব ২ > পর্ব ৩ > পর্ব ৪ > পর্ব ৫ > পর্ব ৬ > পর্ব ৭

করুণাময় আল্লাহ!

মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) তার মক্কা-জীবনে আল্লাহর উদ্ধৃতি দিয়ে যে কী পরিমাণ কসম কেটেছেন ও শপথ করেছেন, তা সাধারণ মুসলমানদের অধিকাংশই অবহিত নয়। তার দাবী, আল্লাহ মানুষের মতই "কসম কাটেন, শপথ করেন।" কসম যে কত বিচিত্র ভাবে করা যায়, তা তিনি আমাদের শিখিয়েছেন। অল্প কিছু উদাহরণ:

কসম
৫১:-৪, ৭ - কসম ঝঞ্ঝাবায়ুর অতঃপর বোঝা বহনকারী মেঘের অতঃপর মৃদু চলমান জলযানের, অতঃপর কর্ম বন্টনকারী ফেরেশতাগণের - পথবিশিষ্ট আকাশের কসম  
৫২:- - কসম তূরপর্বতের, এবং লিখিত কিতাবেরপ্রশস্ত পত্রে, কসম বায়তুল-মামুর তথা আবাদ গৃহের, এবং সমুন্নত ছাদের, এবং উত্তাল সমুদ্রের,  
৫৩: -নক্ষত্রের কসম, যখন অস্তমিত হয়।  
১০৩: - কসম যুগের (সময়ের),  

শপথ
৪৪: -শপথ সুস্পষ্ট কিতাবের   
৫০: - -সম্মানিত কোরআনের শপথ  
৫৬:৭৫ - অতএব, আমি তারকারাজির অস্তাচলের শপথ করছি,  
৬৮: - -শপথ কলমের এবং সেই বিষয়ের যা তারা লিপিবদ্ধ করে,  
৭৪:৩৩-৩৪ - শপথ রাত্রির যখন তার অবসান হয়, শপথ প্রভাতকালের যখন তা আলোকোদ্ভাসিত হয়,
৭৫:- - আমি শপথ করি কেয়ামত দিবসের, আরও শপথ করি সেই মনের, যে নিজেকে ধিক্কার দেয়-  
৭৭:- - কল্যাণের জন্যে প্রেরিত বায়ুর শপথ, সজোরে প্রবাহিত ঝটিকার শপথমেঘবিস্তৃতকারী বায়ুর শপথ, মেঘপুঞ্জ বিতরণকারী বায়ুর শপথ এবং ওহী নিয়ে অবতরণকারী ফেরেশতাগণের শপথ-  
৭৯:- - শপথ  সেই ফেরেশতাগণের, যারা ডুব দিয়ে আত্মা উৎপাটন করেশপথ তাদের, যারা আত্মার বাঁধন খুলে দেয় মৃদুভাবে; শপথ তাদের, যারা সন্তরণ করে দ্রুতগতিতে, শপথ তাদের, যারা দ্রুতগতিতে অগ্রসর হয় এবং শপথ তাদের, যারা সকল কর্মনির্বাহ করে, কেয়ামত অবশ্যই হবে।  
৮১: ১৫-১৮ - আমি শপথ করি যেসব নক্ষত্রগুলো পশ্চাতে সরে যায়।-- শপথ নিশাবসান প্রভাত আগমন কালের,  
৮৪: ১৬-১৮ - আমি শপথ করি সন্ধ্যাকালীন লাল আভার এবং রাত্রির, এবং তাতে যার সমাবেশ ঘটে এবং চন্দ্রের, যখন তা পূর্ণরূপ লাভ করে
৮৫:- - শপথ গ্রহ-নক্ষত্র শোভিত আকাশের, এবং প্রতিশ্রুত দিবসের, এবং সেই দিবসের, যে উপস্থিত হয় যাতে উপস্থিত হয়   
৮৬:১, ১১-১২ - শপথ আকাশের এবং রাত্রিতে আগমনকারীর।  - শপথ চক্রশীল আকাশের এবং বিদারনশীল পৃথিবীর  
৮৯:- - শপথ ফজরের, শপথ দশ রাত্রির, শপথ তারযা জোড় যা বিজোড় এবং শপথ রাত্রির যখন তা গত হতে থাকে  
৯০:১-৩ - আমি এই নগরীর শপথ করি শপথ জনকের যা জন্ম দেয়।  
৯২:- - শপথ রাত্রির, যখন সে আচ্ছন্ন করে, শপথ দিনের, যখন সে আলোকিত হয় এবং তাঁর, যিনি নর নারী সৃষ্টি করেছেন,  
৯৩:- - শপথ পূর্বাহ্নের, শপথ রাত্রির যখন তা গভীর হয়,  
৯৫:- - শপথ আঞ্জীর (ডুমুর) যয়তুনের, এবং সিনাই প্রান্তরস্থ তূর পর্বতের  এবং এই নিরাপদ নগরীর।  
১০০:- - শপথ উর্ধ্বশ্বাসে চলমান অশ্বসমূহের, অতঃপর ক্ষুরাঘাতে অগ্নিবিচ্ছুরক অশ্বসমূহের, অতঃপর প্রভাতকালে আক্রমণকারী অশ্বসমূহের যারা সে সময়ে ধুলি উৎক্ষিপ্ত করে, অতঃপর যারা শক্রদলের অভ্যন্তরে ঢুকে পড়ে-  

আল্লাহ "নিজেই  নিজের কসম কাটেন"!
৫১:২৩ - নভোমন্ডল ভূমন্ডলের পালনকর্তার কসম, তোমাদের কথাবার্তার মতই এটা সত্য।  
৭০:৪০ - আমি শপথ করছি উদয়াচল অস্তাচলসমূহের পালনকর্তার, নিশ্চয়ই আমি সক্ষম!  
৯১:- - শপথ আকাশের এবং যিনি তা নির্মাণ করেছেন, তাঁর। শপথ পৃথিবীর এবং যিনি তা বিস্তৃত করেছেন, তাঁরশপথ প্রাণের এবং যিনি তা সুবিন্যস্ত করেছেন, তাঁর,
৯২: - (শপথ)-এবং তাঁর, যিনি  নর নারী সৃষ্টি করেছেন,

পাঠক, দেখতেই পাচ্ছেন! মুহাম্মদ তার আল্লার উদ্ধৃতি দিয়ে অসংখ্য “কসম ও শপথ” বাক্য উচ্চারণ করেছেন। কেন?

কসম কি সত্যবাদিতার পরিচয়?
একটি অতি সাধারণ প্রশ্ন, "মানুষ কেন কসম কাটে?" কিসের প্রয়োজনে? যে ব্যক্তিকে তার চারপাশের মানুষ সত্যবাদী, সৎ ও বিশ্বাসযোগ্য বলে জানে ও মানে (সম্মান করে), তাকে কখনোই "কসমের আশ্রয়" নিয়ে তার বক্তব্যের বিশ্বাসযোগ্যতার প্রমাণ দিতে হয় না। অন্যদিকে, প্রতিপক্ষ যখন কোনো ব্যক্তির বক্তব্য ও কাজে ভরসা রাখতে পারেন না, তখনই সেই ব্যক্তি প্রতিপক্ষের কাছে "বিশ্বাসযোগ্যতা" পাবার অভিপ্রায়ে "কসমের আশ্রয়" নেন। অর্থাৎ, যে মানুষ অহরহ মিথ্যা বলেন, প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করেন এবং যার প্রতি অন্য মানুষের কোন আস্থা নেই এমন একজন সর্বজনবিদিত মিথ্যুক-প্রতিশ্রুতি ভঙ্গকারী মানুষকে যখন কেউ বিশ্বাস করেন না, তখনই সেই ব্যক্তিটি গ্রহণযোগ্যতা পাবার অভিপ্রায়ে তার পরিচিতজনদের কাছে 'কসম বাক্য' উচ্চারণে বাধ্য হয়! প্রয়োজনই তাকে তা করতে বাধ্য করে! It is an act of desperation.

সুতরাং, একজন চিন্তাশীল মানুষ গুরুত্বপূর্ণ যে-প্রশ্নটি অত্যন্ত স্বাভাবিকভাবেই করতে পারেন, তা হলো যিনি ৯৩০০ কোটি আলোক-বর্ষ* পরিবৃত এই বিশাল ও চমকপ্রদ বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের (কুড়ি মিনিটের ভিডিও) সৃষ্টিকর্তা (যদি থাকেন)। যিনি বর্তমান পৃথিবীর দৃশ্যমান জীবিত (পৃথিবীর ৯৯ শতাংশ প্রাণই আজ অবলুপ্ত) ১৭ লক্ষাধিক প্রজাতির (গৃহপালিত পশু ও এক কোষী প্রাণ এ হিসাবে অন্তর্ভুক্ত নয়) সৃষ্টিকর্তা। তিনি কি আদৌ কসম কাটেন? সৃষ্টিকর্তা নিশ্চয়ই মিথ্যাবাদী-প্রতিশ্রুতি ভঙ্গকারী নন? তাহলে? মুহাম্মদ কেন তার আল্লাহর উদ্ধৃতি দিয়ে এত অসংখ্য 'কসম ও শপথ' বাক্য উচ্চারণ করেছেন?  লক্ষণীয় বিষয়, মুহাম্মদের যাবতীয় কসম ও শপথ তার 'মক্কা- জীবনে' (৫৭০-৬২২), যখন তিনি ছিলেন ধনে-মানে-জনে সবচেয়ে দুর্বল। মক্কায় তার ১৩ বছরের (৬১০-৬২২) নবী জীবনের অর্জন সর্বোচ্চ ১২০-১৩০ জন অনুসারী। যাদের প্রায় সকলেই সমাজে নিম্নশ্রেণীভুক্ত। তিনি সর্বজনবিদিত সৎ, সত্যবাদী, ন্যায়নিষ্ঠ আস্থাভাজন মানুষ ছিলেন বলে যে দাবী করা হয়, সে দাবীর সত্যতা কতটুকু? তিনি এমন গুণবান হলে নিশ্চয়ই তাকে এসকল 'কসম-বাক্যের' দ্বারস্থ হতে হতো না!

শক্তিমত্তায় কি 'সত্যবাদিতার' প্রমাণ?
মুহাম্মদ তার পরবর্তী দশ বছরের মদিনা জীবনে (৬২২-৬৩২) "একটিও” কসম ও শপথ বাক্য উচ্চারণ করেছেন বলে জানা যায় না! প্রয়োজন ছিল না। কারণ বিভিন্ন ছল-চাতুরী, ডাকাতি, ভূমি দখল ও সন্ত্রাসের মাধ্যমে মদিনাতে মুহাম্মদ তার সহচরদের সহায়তায় নিজেকে "শক্তিধর" প্রমাণ করতে সমর্থ হয়েছিলেন। "কসমের" পরিবর্তে মুহাম্মদ তখন জেহাদের নামে প্রয়োজনমত সন্ত্রাস ও লুটপাটের “ঐশী বাণী" হাজির করতেন। আর তার "যমদূত" বাহিনী সেই বাণী করতেন কার্যকর। বিশিষ্ট প্রাচীন মুসলিম ঐতিহাসিকদের বর্ণনা মতে, মুহাম্মদ তার মদিনা জীবনে ৬০ টিরও বেশী যুদ্ধ/সংঘর্ষে জড়িত ছিলেন। গড়ে ৬-৮ সপ্তাহে একটি। প্রথমাবস্থায় তা ছিলো রাতের অন্ধকারে বাণিজ্য ফেরত নিরীহ কুরাইশ কাফেলার উপর অতর্কিত চোরাগোপ্তা হামলা অর্থাৎ ডাকাতি। তাদের মালামাল লুণ্ঠন, আরোহীদের হত্যা অথবা অপহরণ করে তাদের পরিবার-প্রিয়জনদের কাছে মুক্তিপণের  বিনিময়ে ছেড়ে দেয়া। প্রথমাবস্থায় এটাই ছিল মদিনায় মুহাম্মদ ও তার বাহিনীর প্রধান জীবিকা! আল্লাহর নামে মুহাম্মদের পেশাদার ডাকাত বাহিনী। পরবর্তীতে শক্তি বাড়ার সাথে সাথে এ হামলার পরিসর বৃদ্ধি করে প্রথমে ইহুদী জনবসতি ও পরবর্তীতে সমস্ত অমুসলিম জনপদের ওপর হামলা। তাদের বাড়ীঘর লুণ্ঠন, সম্পত্তি দখল, ভিটে-মাটি থেকে উচ্ছেদ, ত্রাস-খুন অথবা দাসত্বের শৃঙ্খলে মুক্ত মানুষকে বন্দী করে দাসপ্রথার প্রসার। প্রতিটি সাহাবির হামলায় শরিক হওয়া অবশ্য কর্তব্য। তারাও তা করতেন মরলে বেহেস্ত সুখ ও হুরী-সম্ভোগ, বাঁচলে গণিমতের মাল-দাস মালিক-দাসী সম্ভোগের "ঐশী প্রলোভনে।" যুদ্ধ ও সংঘর্ষে হস্তগত গনিমতের মালের হিস্যা: এক-পঞ্চমাংশ মুহাম্মদের, বাকি চার-পঞ্চমাংশ অংশগ্রহণকারী অনুসারীদের (সুরা আনাল-৮:৪১)। যুদ্ধ-ছাড়া ত্রাস-হুমকি-ভীতি প্রদর্শনে হস্তগত “মাল" আল্লাহ ও মুহাম্মদের (সুরা হাশর: ৫৯:৬-৭)। লুটের মালের হিস্যা কি "আল্লাহ" নেন? পুরোটাই মুহাম্মদ ও তার পরিবারের। মুহাম্মদ ও তার যমদূত বাহিনী কিভাবে এই সন্ত্রাসী নবযাত্রা শুরু করেছিলেন তার প্রাণবন্ত (vivid) বর্ণনা আদি মুসলিম ঐতিহাসিকরা লিখে রেখেছেন। ইসলামে নিবেদিতপ্রাণ আদি ইতিহাসবিদদের মতে এই বিশাল সংখ্যক যুদ্ধের মাত্র দুটি (ওহুদ ও খন্দক) ছাড়া আর সবগুলোই ছিলো অমুসলিম জনপদের উপর মুহাম্মদের অতর্কিত হামলা। সত্য হচ্ছে, এই ওহুদ ও খন্দক যুদ্ধেরও প্রকৃত কারণ - মুহাম্মদের সন্ত্রাসী (বাণিজ্য ফেরত কুরাইশ কাফেলায় ডাকাতি) আক্রমণে অতিষ্ঠ কুরাইশদের প্রতি-হামলা। কিন্তু আক্রমণকারী মুহাম্মদ সর্বদাই নিজেকে “মহান ও নির্দোষ" দাবী করতেন। দোষ চাপাতেন আক্রান্ত জনগোষ্ঠীকে। কারণ তারা “মহান” মুহাম্মদ ও তার আল্লাহর বশ্যতা স্বীকার করে না! তাকে "মহান-সত্যবাদী-দয়ালু" বলে স্বীকার না করার শাস্তি ছিল অত্যন্ত ভয়াবহ! তার শক্তিমত্তাই কি তার 'সত্যবাদিতার' প্রমাণ?!

মুহাম্মদ কী চরিত্রের লোক ছিলেন?
তাই যে-প্রশ্নটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ তা হলো, “মুহাম্মদ কী চরিত্রের লোক ছিলেন?” কুরান সাক্ষ্য দেয়, মুহাম্মদ তার আল্লাহর উদ্ধৃতি দিয়ে নিজেই নিজের গুণকীর্তন করেছেন অসংখ্য বার । ভয়-ভীতি-লোভ প্রদর্শন করে তার অনুসারীদেরকে বাধ্য করেছেন "তার গুণকীর্তন” করতে। কী ধরনের লোক এমনটি করে থাকে? এ সকল প্রশ্নের সুস্পষ্ট উত্তর পাওয়া যায়, তার নিজেরই জবানবন্দীতে। তাঁর পরিচিতজনেরা তাঁকে জানতেন 'মিথ্যাবাদী, ভণ্ড, প্রতারক, মানসিক বিকারগ্রস্ত' রূপে। এমত পরিস্থিতিতে মক্কায় ধনে-মানে-জনে দুর্বল মুহাম্মদ পরিচিতজনদের কাছে নিজেকে গ্রহণযোগ্য করার প্রয়োজনে অসংখ্য “কসম ও শপথ” বাক্যের আশ্রয় ছাড়া আর কী উপায় অবলম্বন করতে পারতেন? "কসম বাক্য" প্রয়োগের প্রয়োজন মুহাম্মদেরই। সৃষ্টিকর্তার নয়।

সর্বজনীন সদুপদেশ
জগতে আর কোনো ব্যক্তি মুহাম্মদের চেয়ে সংখ্যায় ও বৈচিত্র্যে এত অধিক কসম ও শপথ করেছেন এমন উদাহরণ ইতিহাসে নাই। সেই একই ব্যক্তি (আল্লাহ!) ঘোষনা করেছেন,
৬৮:১০ - যে অধিক শপথ করে,  যে লাঞ্ছিত, আপনি তার আনুগত্য করবেন না।  

যদিও মুহাম্মদ এই "সতর্কবাক্যটি" তার প্রতিপক্ষের উদ্দেশ্যে বর্ষণ করেছিলেন, তথাপি মানতেই হবে যে, কুরানে যে “যৎকিঞ্চিত” সর্বজনীন ভাল উপদেশ বাক্য আছে, ৬৮:১০ তারই একটি।  যে ব্যক্তি অধিক কসম ও শপথ করে  সে  “সন্দেহ ভাজন”  ইসলামবিশ্বাসীরা এমনি একজন সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে গত ১৪০০ বছর ধরে অনুসরণ করে আসছেন। ফলাফল,  আজ মুসলমানরা জ্ঞান-বিজ্ঞানসহ জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে পৃথিবীর সর্বনিম্ন। বিভ্রান্ত লোকেরাই  এরূপ ব্যক্তির আনুগত্য করে সফলতার আশা রাখে।

এক আলোক-বর্ষ = ৬,০০০,০০০,০০০,০০০ মাইল (ছয় শত হাজার কোটি মাইল)

[কুরানের উদ্ধৃতিগুলো সৌদি আরবের বাদশাহ ফাহাদ বিন আবদুল আজিজ (হেরেম শরীফের খাদেম) কর্তৃক বিতরণকৃত বাংলা তরজমা থেকে নেয়া; অনুবাদে ত্রুটি-বিচ্যুতির দায় অনুবাদকারীর। কুরানের ছয়জন বিশিষ্ট অনুবাদকারীর পাশাপাশি অনুবাদ এখানে।]

(চলবে)

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন