২৭ মার্চ, ২০১২

সুড়সুড়িময় ধর্মানুভূতি


স-ভূমিকা স্ক্রিনশট পাঠিয়েছেন রাশান ফুলকি

আমাদের দেশের মানুষের একটা বিশেষ অনুভূতির নাম ধর্মানুভূতি। যুগ যুগ ধরে এই বিশেষ অনুভূতিটির সদ্ব্যবহার করে এসেছে শাসকশ্রেণী ও তাদের মনোনীত ব্যক্তিবর্গ। বর্তমান আধুনিক যুগের সাথে এই অনুভূতি ব্যবহার করে মানুষের সমর্থন আদায় করার প্রচেষ্টাও আধুনিক রূপ লাভ করেছে। তারই সবচেয়ে হাল ফলাফল হলো ফেসবুক পেজে ভণ্ডামির এইসব নমুনা। ফেসবুকের এই পেজগুলোর মুখ্য উদ্দেশ্য কী, তা খুবই রহস্যময়। এরা নামে কৌতুক, ব্যঙ্গাত্মক, সাহিত্য, শিক্ষা, খেলাধুলা ইত্যাদির কথা বললেও কাজের বেলায় দেখা যায়, একটি বিশেষ ধর্মের ধর্মানুভূতিকে সুড়সুড়ি দেওয়ার চেষ্টা করে। আবার, সমানতালে প্রাপ্তবয়স্কদের কৌতুক, রসালো গল্পও প্রকাশ করে। ধর্মের শিক্ষা সবসময়ই যৌনতা, অশ্লীলতাকে নিরুৎসাহিত করে। কাজেই, একই ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান একই সাথে দুই ভিন্ন মেরুর কাজ করলে তাকে ভণ্ডামি বলাটা বোধহয় ভুল হবে না। তবে, "আধুনিক" পাঠকেরা তাদের এই প্রচেষ্টাকে ধর্মপ্রচারের "কর্পোরেট সিস্টেম" বলবেন নাকি "ধর্মানুভূতিতে আঘাত" বলবেন তা তাদের হাতেই ছেড়ে দিলাম।

পূর্ণাকারে (প্রায় ২ মেগাবাইট) দেখতে ছবির ওপরে ক্লিক করুন
আরও কিছু স্ক্রিনশট এক প্যাকেটে। ১.৩ মেগাবাইট।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন