৩১ ডিসেম্বর, ২০১১

ধার্মিকদের চোখে নাস্তিকেরা


পাঠিয়েছেন শয়তানের চ্যালা 


ইছলামী স্পেস স্টেশন


২৫০০ সাল। ইছলামীরা নির্মাণ করলো প্রথম স্পেস স্টেশন। কিন্তু এর ফলে যে-সমস্যা দেখা দিলো, সেটির সমাধান কি সম্ভব?


আদম্ম্যাক



দুয়ারে-দুয়ারে বিশ্বাসবিতরণকারীদের উদ্দেশে


বাংলাদেশের তাবলিগ পার্টির জন্য এরকম একটা 'নোটিস' বানানো গেলে মন্দ হতো না।


অর্থলোলুপ নির্লজ্জ ধর্মবাজেরা


ঈশ্বর সম্পর্কে অনন্য জর্জ কারলিন বলেছিলেন, "... he loves you and he needs money. He always needs money! He's all-powerful, all-perfect, all-knowing, and all-wise, somehow just can't handle money! Religion takes in billions of dollars, they pay no taxes, and they always need a little more."

ধর্ম যে সবচেয়ে লাভজনক ব্যবসা, সেটা দিবালোকের মতো স্পষ্ট হলেও তীব্র নূরের দীপ্ততা অন্ধ করে রাখে ধর্মের অনুসারীদের।


একটা ভিডিওতে দেখলাম এক নির্লজ্জ ধর্মবাজ বলছে, 'আমারে শয়তান অ্যাটাক করসে। আমি এখন দেউলিয়া। এখন আমার ১.২ মিলিয়ন ডলার দরকার। আপনেরা ঈশ্বরের ওয়াস্তে হেল্প করেন।'



৩০ ডিসেম্বর, ২০১১

আল্লা, মেঘ দে পানি দে



অবর্ণিত পংক্তিমালা - ০৬


১৬. 
হে বিশ্বাসী, হাজারটা লোক এসে বোঝালে আমরা বুঝবো না, আপনি তো এই সিদ্ধান্তে আগেই পৌঁছে গেলেন। হাজার জন অবিশ্বাসী আপনাকে গিয়ে বোঝালে আপনি কি বুঝবেন? সম্ভবত বুঝবেন না। তবে আপনার সাথে নাস্তিক বা অবিশ্বাসীদের একটা বড় অমিল আছে। আপনি বুঝবেন না, কারণ আপনি সিদ্ধান্ত নিয়ে রেখেছেন, আপনি বুঝবেন না। কিন্তু নাস্তিকরা সিদ্ধান্ত নেয়নি যে, তারা বুঝবে না। তারা প্রমাণ দেখালেই বুঝবে। আল্লা কী উপাদান দিয়ে তৈরি, সেটার কেমিকেল নাম্বার কত, আণবিক ভর কতো, এক টেস্টটিউব ভর্তি স্যাম্পল, স্পেক্ট্রাম টেস্টের রেজাল্ট এই সব নিয়ে আসুন, এক হাজার জন লাগবে না। এক জন হলেও নাস্তিকরা বুঝবে।

প্লিজ, কোরান-হাদিসে বলা আছে, এ জাতীয় বুলশিট ঝাড়বেন না। কোরান যে আল্লার কথা, তার কোনো প্রমাণ আছে? প্রমাণ যদি হাজির করতে না পারেন, তাহলে মুসলিমদের রহস্যময় আল্লা, নাকি হিন্দুদের সেক্সি স্বরস্বতী, নাকি ক্রিশ্চানদের ভেড়ার রাখাল জিসাস - কার ইবাদত আপনি করেন, সেটা জানতে চাই না। সবগুলোই সমমাত্রায় বুলশিট। ষাঁড়ের গোবর। দুঃখিত, ষাঁড়ের গোবর বাস্তব জিনিস। ধর্মগুলো সবই অশ্বডিম্ব। ঘোড়ার ডিম।

আপনাকে একটা প্রশ্ন করি। আপনি কি ঘোড়ার ডিম বিশ্বাস করেন? বাংলা সাহিত্যে কয়েক কোটিবার ঘোড়ার ডিমের কথা বলা হয়েছে, বহুকোটি মানুষ ঘোড়ার ডিমের কথা জানে। যদি ঘোড়ার ডিম বিশ্বাস করেন, আপনার জন্য শুভকামনা। যদি বিশ্বাস না করেন, কেন? ঘোড়ার ডিম বস্তুটা আল্লা, স্বরস্বতী, ঈশ্বর, গড ইত্যাদি থেকে কীভাবে আলাদা? একটাও চোখে দেখা যায় না। আমি যদি বলি আমি ঘোড়ার ডিম বিশ্বাস করি। আপনি কি আমার বিশ্বাসের সম্মান দেবেন? যদি দেন, তাহলে আবার আপনার জন্য শুভকামনা। যদি আমার ঘোড়ার ডিম বিশ্বাসের সম্মান না দেন, তাহলে প্লিজ, নাকিকান্না দেখাতে আসার দরকার নেই। আমার বা আমাদের ঠেকা পড়েনি আপনাকে সম্মান ফিরিয়ে দেবার।

১৭. 
এই কথাগুলো শুধু সাচ্চা ঈমানদার মুসলিম নারীর জন্য নিবেদিত।


সৌদি আরবের জনৈক নাগরিক, সম্ভবত মুসলিম নাগরিক, তার নিজের মেয়েকে ড্রাগ দিয়ে দিয়ে একটানা সাত বছর সময় উপর্যুপরি ধর্ষণ করেছেন। শান্তির ধর্ম ইসলাম এই লোকটিকে কী বলে? আমাদের প্রিয় নবী মুহম্মদ (যাহ্!) এ বিষয়ে কী বলেন? এই ধর্ষক যখন মৃত্যুবরণ করবেন, তখন তার জন্য আল্লাপাক কী বিধান রেখেছেন মৃত্যুর পর?

এই ধর্ষক যদি মৃত্যুর সময় শুধু আল্লাপাকের ইবাদত করেন, এবং আল্লাপাক ব্যতীত অন্য কারো ইবাদত না করেন, তাহলে তার জন্য বরাদ্দ রয়েছে বেহেশত।

কী!

জ্বী, ঠিক তাই। এই ধর্ষক যদি মৃত্যুর সময় আল্লার ইবাদত করতে পারে, তাহলে তার ঐ ধর্ষণে আল্লাপাকের কোনো বিকার নেই, আল্লা তাকে বেহেশতে দাখিল করে দেবেন।

না, আমার কথা চোখ বন্ধ করে বিশ্বাস করতে হবে না। পড়ে দেখুন বুখারী হাদিসের ২.২৩.৩২৯ । আমার কথা বিশ্বাস করে কাজ নেই, পড়ুন দ্বীনের নবী মুহম্মদের কথা।

হে মুসলিম নারী, কেউ আপনার গায়ে হাত দিলে, কেউ আপনাকে শারিরীকভাবে লাঞ্ছিত করলে, নির্মমভাবে ধর্ষণ করলে, প্রার্থনা করুন যেন সে মরার সময় আল্লার নাম নিয়ে না ফেলে। একবার নিতে পারলেই কিচ্ছা খতম, বেহেশত হাজির, হুরপরী ইয়াহু!

কিছু মনে করবেন না। আল্লার কাজকারবার দেখে আমি মুগ্ধ!

এসব নাকি ঐশী বাণী!


বাইবেলের বিধান: বিয়ের মুহূর্তে মেয়েকে কুমারী থাকতে হবে। এর অন্যথা হলে তাকে পাথর ছুঁড়ে মেরে ফেলা হবে। 


(দ্বিঃবিঃ 22:13) “কোন লোক যদি বিয়ে করে স্ত্রীকে নিয়ে শোবার পরে তাকে অপছন্দ করে এবং তার নিন্দা ও বদনাম করে বলে, 

(দ্বিঃবিঃ 22:14) ‘আমি এই স্ত্রীলোককে বিয়ে করেছিলাম বটে, কিন্তু সে যে কুমারী তার মধ্যে সেই প্রমাণ আমি পেলাম না,’

(দ্বিঃবিঃ 22:15) তবে সেই মেয়ের মা-বাবা গ্রাম বা শহরের ফটকে বৃদ্ধ নেতাদের কাছে তার কুমারী অবস্থার প্রমাণ নিয়ে যাবে এবং তার বাবা বলবে, 

(দ্বিঃবিঃ 22:16) ‘আমি এই লোকের সংগে আমার মেয়ের বিয়ে দিয়েছিলাম কিন্তু সে তাকে অপছন্দ করে,

(দ্বিঃবিঃ 22:17) আর এখন সে তার নিন্দা করে বলছে যে, সে তাকে কুমারী অবস্থায় পায় নি। কিন্তু এই দেখুন, আমার মেয়ের কুমারী অবস্থার প্রমাণ।’ এই বলে তারা বৃদ্ধ নেতাদের সামনে তার ব্যবহার করা কাপড় মেলে ধরবে।

(দ্বিঃবিঃ 22:18) তখন বৃদ্ধ নেতারা তার স্বামীকে শাস্তি দেবে।

(দ্বিঃবিঃ 22:19) তার কাছ থেকে তারা জরিমানা হিসাবে এক কেজি রূপা আদায় করে মেয়েটির বাবাকে দেবে, কারণ সে একজন ইস্রায়েলীয় কুমারী মেয়ের নামে বদনাম করেছে। এছাড়া মেয়েটি তার স্ত্রী-ই থাকবে এবং তার স্বামী জীবনে কখনও তাকে ছেড়ে দিতে পারবে না।

(দ্বিঃবিঃ 22:20) “কিন্তু কথাটা যদি সত্যি হয় এবং মেয়েটির কুমারী অবস্থার কোন প্রমাণ পাওয়া না যায়,

(দ্বিঃবিঃ 22:21) তবে মেয়েটিকে তার বাবার বাড়ীর দরজার কাছে নিয়ে যেতে হবে। সেই জায়গার পুরুষ লোকেরা সেখানে পাথর ছুঁড়ে তাকে মেরে ফেলবে। বাবার বাড়ীতে থাকবার সময়ে ব্যভিচার করে সে ইস্রায়েলীয়দের মধ্যে ভীষণ ঘৃণার কাজ করেছে। তোমরা তোমাদের মধ্য থেকে এই রকম মন্দতা শেষ করে দেবে।


ধর্মগুলোর বিজ্ঞান-হ্যাংলামো


বিজ্ঞানের সমর্থন, অনুগ্রহ ও অনুমোদন পেতে ধর্মগুলোর ব্যগ্রতা সীমাহীন। একদল নির্মগজ মমিন বান্দা তো সুযোগ পেলেই ধর্মগ্রন্থগুলোকে সমস্ত বিজ্ঞানের উৎস বলে 'প্রমাণ' করতে নিরলস। বিজ্ঞান কিন্তু ধর্মগুলোকে পুছেও দেখে না। 

'ধর্ম ও বিজ্ঞান' বিষয়ে খুবই মনোহর আর সহজ-সরল বর্ণনান একটি ভিডিও দেখুন। মিস করা উচিত হবে না। 


পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র আট মিনিটে



লিংকিন পার্ক - ৩১


১. 
উটমূত্র পানের বিধান আছে শান্তির ধর্মে, আর পবিত্র গোমূত্র পানচর্চার প্রচলন আছে ওম শান্তির ধর্মে।
(লিংকম্যান: শেষনবী আমিনী)

২. 
ধর্মগুলোকে পরস্পরের সঙ্গে পোন্দাপুন্দি করতে দেখলে বড়োই পুল্কিৎ হই।
(লিংকম্যান: হাঁটুপানির জলদস্যু)

৩. 
নাস্তিকেরা দেখতে কেমন? এ বিষয়ে অভিনব একটি সাইট। অটো-স্লাইড-শো। 

৪. 
(লিংকম্যান: Mobasser Hosain)

৫. 
ইহুদি ইতরামি। সাত বছর বয়সী বালিকার স্কুলের পোশাক 'খুব বেশি খোলামেলা' বলে তাকে গোঁড়া ইহুদিদের সহিংসতার মুখোমুখি হতে হয়েছে। তার উদ্দেশে শুধু কটুক্তি নয়, থুতু নিক্ষেপ করা হয়েছে, এমনকি পাথরও ছোঁড়া হয়েছে।
(লিংকম্যান: দ্রোহী)

৬. 
বিবর্তনবাদ মেনে নিতে আস্তিকীয় অনীহার এতো চমৎকার বিশ্লেষণ! ছোট্ট ভিডিও

৭. 
হিচেন্স মারা যাবার পর তার মৃতদেহ কী পরিণতি লাভ করেছে? 

৮.
এক নাস্তিক কীভাবে আইনানুগ অধিকার আদায় করে নিয়েছেন, সেই কাহিনী। 

২৯ ডিসেম্বর, ২০১১

ঈশ্বরের ভালোবাসার গভীরতা



দীপুমণি ও রিচার্ড ডকিন্স মুখোমুখি


বিবিসি-র স্টুডিওতে মুখোমুখি হয়েছিলেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী দীপুমণি এবং রিচার্ড ডকিন্স। আলোচনায় উত্থাপিত হয়েছিল ধর্ম প্রসঙ্গও।

ভিডিওর নাগাল দিয়েছেন শয়তানের চ্যালা।


ছহীহ পরিবারে তালাক তরিকা



তওবা, তওবা, তওবা


লিখেছেন জুপিটার জয়প্রকাশ 

ইয়া মালিক,
তোমার দুনিয়ায় এতকাল থেকেও তোমার অপার মহিমা বুঝি নাই। সেজন্য আমাকে মাফ কোরো। তুমি আমাকে ভাষা দিয়েছ, আর সেই ক্ষমতা আমি তোমারই তামাশা করার কাজে লাগিয়েছি। আমি কতই না বেঈমান।

মালিক, তুমি চিরকাল আমাকে রক্ষা করেছ। আমার মতন আরো অনেক তোমার দুনিয়ায় আসে যায়। তারা সবাই দু-দিনের মেহমান মাত্র। কিন্তু তোমার বানানো দুনিয়া আছে, থাকবে। তুমি ছাড়া আর কে তাকে বদলাতে পারে?

যারা তোমার ইবাদত করে আর যারা করে না তারা কখনো সমান নয়। আমি তাদের সঙ্গে নিজের তুলনা করতে চেয়েছিলাম যারা তোমার প্রিয়। আমার এই গোনাহ তুমি মাফ করে আমাকে তোমার প্রিয়দের মত হবার সুযোগ দিও।

মালিক! তোমার কাজ আমার পছন্দ না হওয়ায় আমি তোমার অনেক তামাশা করেছি। কিন্তু আজ বুঝলাম, তুমি যা করেছিলে তা সকলের ভালর জন্যেই। এই দুনিয়ার ভালর জন্যেই। তুমি এমন অনেক কিছু জানো যা আমি জানি না।

আমার মতন আরো যারা তোমার নিন্দা করে, তোমাকে নিয়ে তামাশা করে তাদের সবার জন্য করুণা বোধ করছি। তোমার দুনিয়ায় থেকে তোমাকেই খারাপ বলার শাস্তি তারা নিশ্চয় পাবে, যদি তুমি তাদের মাফ না করে দাও।

মালিক! তুমি এই জাহান এর শ্রেষ্ঠ, এতে যারা ঈমান না আনে তারা তোমার দুনিয়ায় থাকার যোগ্য নয়। তুমি যে তাদের সহ্য কর সেটা তোমার দয়া মাত্র। এর পরেও তোমাকে যারা নিন্দা করে তাদের বিচার তোমার হাতেই।

আমার বিচারের ভারও তোমার হাতেই দিলাম। ইয়া মালিক! তুমি আমাকে শাস্তি দিলেও তা যে এই জাহান এর ভালর জন্যই তা করবে এতে কোনো সন্দেহ করি না। সুবিচার করায় তোমার মত আর কে আছে। তুমি ছাড়া বিচার করার ক্ষমতাই বা কার?

মালিক, এতকাল তোমার কাছে অনেকের ভালো চেয়ে দোয়া করেছি। আবার অনেকের শাস্তি চেয়ে বদ-দোয়াও করেছি। আজ সেই সবকিছু ফিরিয়ে নিলাম। এবার থেকে আর আমার ইচ্ছা জানিয়ে তোমাকে বিরক্ত করব না। শুধু বলব, তোমার ইচ্ছাই পূর্ণ হোক।

.........আমিন আমিন আমিন.........

ধর্ম - মানবজাতি বিভাজনে শীর্ষস্থানে


পাঠিয়েছেন আসিফ মহিউদ্দীন 


কোরান: ৪:৮৯
তারা চায় যে, তারা যেমন কাফের, তোমরাও তেমনি কাফের হয়ে যাও, যাতে তোমরা এবং তারা সব সমান হয়ে যাও। অতএব, তাদের মধ্যে কাউকে বন্ধুরূপে গ্রহণ করো না, যে পর্যন্ত না তারা আল্লাহর পথে হিজরত করে চলে আসে। অতঃপর যদি তারা বিমুখ হয়, তবে তাদেরকে পাকড়াও কর এবং যেখানে পাও হত্যা কর। তাদের মধ্যে কাউকে বন্ধুরূপে গ্রহণ করো না এবং সাহায্যকারী বানিও না।

বাইবেল: 2 Cor.6:14-17
"Be ye not unequally yoked together with unbelievers: for what fellowship hath righteousness with unrighteousness? and what communion hath light with darkness? And what concord hath Christ with Belial? or what part hath he that believeth with an infidel? ... Wherefore come out from among them, and be ye separate, saith the Lord."

আমাদের আত্মীয়েরা – ৩৫


বাঁদরামি শব্দটির উৎপত্তি ও যথার্থতা অবলোকন করুন। পরম উপভোগ্য ভিডিও।


২৮ ডিসেম্বর, ২০১১

পিৎসা নাই রে বেহেশতে



নবী মোর দয়ার খনি


খাইবারের এক ইহুদি গোত্রকে আক্রমণ করে আটককৃত ইহুদি নেতাকে নবীজির নির্দেশে প্রবল নির্যাতনের পর হত্যা করা হলো, হত্যা করা হলো তার শ্বশুরকেও।

সুযোগ বুঝে নবীজির এক চাল্লু অনুসারী যুদ্ধবন্দী যে কোনও মেয়েকে গনিমতের মাল হিসেবে ধর্ষণ করার অনুমতি নিয়ে নিল নবীজিরই কাছ থেকে। তবে "যে কোনও মেয়ে"-র কথা বললেও তার মূল লক্ষ্য ছিলো কিন্তু সাফিয়া নামের অপরূপা এক মেয়ে - নিহত ইহুদি নেতার স্ত্রী।

নবীজি তখনও জানতো না সেই মেয়ের রূপের কথা। কিন্তু আরেক অনুসারী, খুব সম্ভব, ঈর্ষাণ্বিত হয়ে এবং নবীজির নারী-লোলুপতার কথা জেনে নবীজিকে সাফিয়ার সৌন্দর্য সম্পর্কে তাকে অবহিত করে বললো, আপনি ছাড়া আর কেউ ওই মেয়ের উপযুক্ত নয়।

সাফিয়াকে সামনাসামনি দেখে নবীজির ঈমানদণ্ড টানটান হয়ে দাঁড়িয়ে গিয়েছিল বলেই অনুমান করা যায়। আর তাই সদ্য পিতা ও স্বামী হারিয়ে শোকাচ্ছন্না সপ্তদশী সাফিয়াকে বিয়ে করে তাকে শয্যাসঙ্গিনী করতে কুণ্ঠিত হলো না সাতান্ন বছর বয়সী দয়ার সাগর, সকল মুসলিমের অবশ্যঅনুকরণীয় নবী। বলেন, আলহামদুলিল্লাহ!

মমিন ভাইসকল, স্লাইড শো-তে উল্লেখিত সমস্ত কাহিনী ও বক্তব্য ইসলামী তথ্যসূত্র থেকে আহরিত; কাফিরদের মস্তিষ্কপ্রসূত নহে।



ক্যামেল পার্কিং


পাঠিয়েছেন ভৌমিক দা 


ঐশী কিতাব পার্থিব রচয়িতা


এমন অসহায়ভাবে আত্মসমর্পণ করলে বিতর্ক চলবে কী করে! ক্রিস্টোফার হিচেন্সের উপস্থিতিতে খ্রিষ্টান ধর্মযাজক, ইহুদি মোল্লা স্বীকার করে বসলো, তথাকথিত ঐশী কিতাবগুলো আসলে মানুষের রচনা! 


Grinch নালায়েক


ক্রিসমাস বিষয়ে জোকার নালায়েকের কথাবার্তা শুনে মেজাজ খারাপ হওয়ায় ইঁদুর একটি ছবি এঁকেছিলেন The monster who stole christmas নামের কার্টুনটির কথা মাথায় রেখে। তাঁর দৃষ্টিতে সেই কার্টুনের চরিত্র Grinch বর্তমানে যেমন হতে পারতো:


যে দাবীগুলো আস্তিক ভাইয়েরা এখনো করেন নি


লিখেছেন হিমালয় গাঙ্গুলী

১. মা কালী থেকে bay watch-এর ধারনা পাওয়া গেছে।

২. গাঁজা একটি যৌনউদ্দীপক মাদক। শিবের গাঁজা খাওয়া ও যৌনঘটনাবলী থেকে গবেষকরা এই ব্যাপারে ক্লু পান (মতান্তরে, গাঁজা প্রজনন ক্ষমতা কমিয়ে দেয়। এটারও ব্যাখ্যা আছে, শিব সন্তান উৎপাদনে সক্ষম ছিলেন না, এবং তিনি গাঁজা খেতেন। ধর্মে সব আছে)।

৩. গনেশের মাথা হাতির। এটি থেকে প্লাস্টিক সার্জারির উত্থান।

৪. ওহী প্রাপ্তির সময় ইসলামের নবী যে সাইন-সিম্পটমগুলো দিতেন, তা থেকে আধুনিক বিজ্ঞান epilepsy বা মিরগী রোগ আবিষ্কার করেছে।

৫. তিনি জিব্রাইলকে দেখতেন, তার সাথে কথা বলতেন, মেরাজে গমন, ইত্যাদি থেকে ডাক্তারি শাস্ত্রে auditory and visual hallucination, schizophrenia ধারণাগুলো পাওয়া গেছে।

৬. আলোড়ন ফেলে দেওয়া ওষুধ, viagra-এর ধারণা বিজ্ঞানিরা পান মোহাম্মদ-এর যৌনক্ষমতা থেকে।

৭. যীশুর জন্মরহস্য থেকে parthenogensis নামের পুংবিহীন প্রজননের ধারণা পাওয়া গেছে। এবং এ রহস্য পরবর্তী সময়ে ডিএনএ টেস্টের প্রয়োজনীয়তার কথা মনে করিয়ে দেয়।

৮. সীতার বাচ্চা পেটে ছিল প্রায় তিন বছর। এখান থেকে post dated pregnancy-এর ধারণা পান গাইনি বিশেষজ্ঞরা।

৯. বেহেস্তে প্রাপ্য ৭২ টি হুর এবং তাদের সাথে অবাধ যৌন সম্পর্ক, এই ব্যাপারটি থেকে porn industry-এর আইডিয়া পাওয়া যায়।

১০. "পাগলে কী না বলে ছাগলে কী না খায়" এই বহুল প্রচলিত বাগধারাটি ভাষাবিদগণ জাকির নায়েককে দেখে তৈরী করেছিলেন।

গালিকামিল মমিন ভাইদের উদ্দেশে


মনে আছে, একটা সময় ছিলো, যখন আমি কয়েকজনের কাছে হতাশা প্রকাশ করে বলেছিলাম, ধর্মকারীতে হেইট মেইল এতো কম আসে কেন! তবে সেই দিন আর নেই। এখন গালিবাজ মমিন ভাইয়েরা মোটামুটি নিয়মিতভাবে ধর্মকারী ও আমার উদ্দেশে তাদের নূরানি গালি-মোবারক বর্ষণে সক্রিয়। এবং এতে আমি বরাবরই বিনোদন বোধ করে থাকি। যদিও এই গালিগালাজগুলো ধর্মকারীতে প্রকাশ করতে খুব একটা আগ্রহী আমি ছিলাম না কখনওই। তবে আজ ব্যতিক্রম। আজ একটি বিশেষ সফল দিন। গত কয়েক ঘণ্টায় আমার অর্জিত গালিগুলো একটি বিশেষ কারণে প্রদর্শনযোগ্য বলে মনে হলো। 

ধর্মকারীর মন্তব্য হিসেবে আসা তিনখানা বাণী:


ফেইসবুকে ধর্মকারীর পাতায় এক মমিনের মন্তব্যমালা (এই ঈমান্দার বান্দা নব উদ্যোগে তার মধুর বচন অন্য পাঠকদের মন্তব্যের উত্তরে চালিয়ে যাচ্ছিল বলে তাকে ব্যান করে দিয়েছি, ফলে পোস্টগুলি ওই লিংকে আর দেখা যাচ্ছে না):


লক্ষ্য করলেই দেখা যাবে, এই গালিকামিলদের কল্পনাশক্তি বড়োই দরিদ্র, ব্যবহৃত শব্দভাণ্ডার অতীব সীমিত এবং প্রায় সমস্ত গালির বিষয়বস্তু অভিন্ন: আমার মাতার যৌনাচরণ, আমার পিতাহীন জন্ম ও তদসম্পর্কিত তাদের নানাবিধ উইশফুল থিংকিং (যথাযথ বাংলা মাথায় এলো না)। 

মমিন ভাইয়েরা, আপনারা, বোধহয়, জানেন না, আপনাদের গালিই ধর্মকারী ও আমার চলার পথের পাথেয়, অনুপ্রেরণা। তবে আপনাদের মানসিক দীনতাখচিত খিস্তিখেউড় ও শূন্যগর্ভ গর্জনমুখর গালিগালাজে অভ্যস্ত হয়ে পড়েছি অনেক আগেই। তাই আল্যার ওয়াস্তে আপনারা আপনাদের গালিশিল্প সমৃদ্ধ করার উদ্যোগ গ্রহণ করুন। করুণ, দৈন্যপীড়িত, বৈচিত্র্যবর্জিত ও সৃজনশীলতার লেশহীন খিস্তি এখন কার্যত নিবীর্য হয়ে পড়েছে। নিশ্চয়ই আপনাদের আল্যা এই কাজে আপনাদের সহায় হবে এবং আপনারা কামিয়াব হবেন ইনশাল্যা।

আলিশান উপাসনালয় ও উপোসীরা


গাছতলায় বসে প্রার্থনা করলে ভগবানেশ্বরাল্লাহ কি তা গ্রহণ করে না? নাকি বিলাসবহুল উপাসনালয়ে বসে করা প্রার্থনার প্রতি তার পক্ষপাত আছে? নইলে বিশ্বব্যাপী চোখ-ধাঁধানো উপাসনালয় তৈরির এমন অসুস্থ প্রতিযেগিতা কেন? কেন শত শত মিলিয়ন ডলার ব্যয় করা হয় উপাসনালয় নির্মাণের পেছনে? 

আমেরিকা এমনিতেই পুঁচকে বা ছোটখাটো চাচ-আকীর্ণ দেশ। তবে জাঁকজমকপূর্ণ ও অত্যন্ত ব্যয়বহুল মেগা চার্চের সংখ্যাও সে দেশে অজস্র! কতো যে টাকার খেলা চলে সেসবে! আবার দেখুন, তুমুল বিতর্কের সৃষ্টি করা পরিকল্পিত ও নির্মিতব্য গ্রাউন্ড জিরো মসজিদের পেছনে ব্যয় হবার কথা একশো মিলিয়ন ডলার!  

অথচ আফ্রিকায় অনাহারক্লিষ্টরা মূলত মুসলিম ও খ্রিষ্টান। চার্চ-মসজিদের এই কুৎসিত বিলাসবাহুল্যের ছিঁটেফোটাও জোটে না তাদের ভাগে! 


এমনই এক মেগা চার্চে গিয়েছিলেন কয়েক ইউটিউবার-নাস্তিক। ভিডিও দেখুন ও নয়ন-মন সার্থক করুন। একুশ মিনিটের ভিডিওর শুরুতে নাস্তিকদের আড্ডা, সাক্ষাৎকার ইত্যাদি। তাঁদের চার্চভ্রমণ শুরু হয় তেরো মিনিটের সময়। তাঁরা চার্চের ভেতরে দাঁড়িয়ে চার্চের আয়-ব্যয় বিষয়ে আলোচনাও করেন। 

২৭ ডিসেম্বর, ২০১১

সবাক পিপীলিকা


ঈমান্দার মমিন্দেরকে প্রশ্ন করা উচিত: তারা কি জানে যে, পিঁপড়ে কথা বলতে পারে? উত্তর হ্যাঁ-সূচক হলে বুঝতে হবে, সে সাচ্চা মুসলিম। আর না-সূচক উত্তরদাতাদের জানিয়ে দেয়া উচিত - তাদের ঈমান পোক্ত তো নয়ই, এমনকি তারা প্রকৃত মুসলিমও নয়। কারণ কোরানে স্পষ্টভাবে লেখা আছে (সুরা ২৭, আয়াত ১৮-১৯), পিঁপড়ে কথা বলতে পারে। কোরানের কথা বিশ্বাস না করে মুসলিম হওয়া যায় কি? 


বড়োই মজাদার ভিডিও দেখুন।


অবাধ্যরা



সূরা আন কোপায়ে ফালা ফালা


লিখেছেন অজাতশত্রু

নাজিল হয়েছে দক্ষিণ ঢাকায়
আয়াত- ১৩ 

কার নামে শুরু করমু, বুঝতে পারতাচি না 

১. এটি মুমিন্দের আয়াত এবং সেটা সুস্পষ্ট। 

২. মুমিন আর কাফিরদের জন্য এটি দিকনির্দেশনা দিবে। 

৩. ইসলাম কায়েম কর, যে গ্রহণ করবে না তার বিচার কর। 

৪. বিচারে তাকে কাফির ঘোষণা কর। 

৫. ইসলাম গ্রহণের জন্য চাপ প্রয়োগ কর। 

৬. যদি সে ইসলাম গ্রহণ না করে, রগ কাটো। গলা কাটো। জবাই কর। 

৭. কোপাও, কোপায়া ফালা ফালা করে ফেল। 

৮. যদি কেউ ইসলাম ত্যাগ করে, তাকে তৎক্ষণাৎ ভয় দেখাও। 

৯. আর তাকে মুরতাদ ঘোষণা কর। 

১০. তার কল্লা ফেলে দাও। 

১১. কল্লার দাম নির্ধারণ করে জবাই কর। 

১২. কোপাও। কোপায়া ফালা কর। 

১৩. নিশ্চই প্রতিদিন প্রতিক্ষণ প্রতি মুমিন বান্দার উপর এই সূরা নাজিল হয়। 

সনাতনী বিবর্তন


বানিয়েছেন শেষনবী আমিনী


খ্রিষ্টপূর্ব ১২০০ সালের টিভি-রিপোর্টিং


খ্রিষ্টপূর্ব ১২০০ সালে টিভি থাকলে সেই সময়ে টিভি-রিপোর্টিং কেমন হতে পারতো, দেখুন!


লক্ষ্য করেছেন কি, পর্দার নিচে ডানদিকের ঘড়িতে সময় পেছোতে থাকে? ইউটিউবের এক দর্শকের চোখ এড়ায়নি সেটা।

চার্চের শিশুপ্রেম



২৬ ডিসেম্বর, ২০১১

হিজাবহীন প্রথম দিন


মেয়েটির চুলে আগে কখনও মৃদুমন্দ খোলা হাওয়ার ছোঁয়া লাগেনি, বাহু পায়নি বাতাসের শীতল স্পর্শ। একটা সময়ে সে দৌড়তে শুরু করে, দ্রুত, আরও দ্রুত। তার কানের ভেতরে সে অনুভব করে ঠাণ্ডা হাওয়া। অভূতপূর্ব আনন্দে সে যেন উড়তে শুরু করে...

এক মুসলিম মেয়ে এভাবেই বর্ণনা করেছে তার হিজাববিহীন প্রথম দিবসের কথা। পড়তে গিয়ে মেয়েটির মুক্তির আনন্দ আমাকে আপ্লুত করেছে, আবার একই সঙ্গে দলা দলা কষ্ট জমে উঠেছে গলার ভেতরে: হায়, মানুষের জীবনে পূর্ণতা আনা এই ছোট্ট ভালো লাগার অনুভূতিগুলো থেকে নিরন্তর বঞ্চিত করা হয় পৃথিবীর লক্ষ লক্ষ মেয়েকে। স্রেফ ধর্মের নামে।

অনলাইনের সবচেয়ে বড়ো নাস্তিক-আড্ডাখানায় এই নোটটি প্রকাশিত হয়েছে: 

Today I went outside for the first time without a hijab... I just wanted to share the experience. 

Capri pants as well and a shirt with sleeves that only go half length. I opened the door of my home and stood there for a good minute, unable to take the step outside because I could hear voices from the street. So I went back in, sunk into the couch and almost gave up. Then I took a deep breath and went out.

It's cold, and I was wearing a coat, but I took it off, just because. I felt the cool air on my arms and reached my hand out to feel it. Then when I went walking under the trees, a breeze came, and I felt it in my hair, and on my ears, and it felt marvelous. It felt like I'd always imagined it would, only better.

I came in my work building and went to the restroom at the end of this really long hallway. As I was on my way back to my office, and I remembered how that breeze felt in my hair, and i just had this incredible urge to run, as fast as I could. The hallways was empty and so I just ran, fast fast fast, until I could feel the cool air across my ears. I felt so light, so able to run, I have never felt a feeling like that. It's difficult to explain. I could have run for miles.

Never take for granted the simple pleasures in your life.

অপ্রাপ্তবয়স্কদের জন্য নহে


বানিয়েছেন অভীক

ছবিতে ক্লিক করে পূর্ণাকারে দেখুন

মাতা কেন কুমারী?


একটা বিদেশী কৌতুক পড়েছিলাম:
- গাধামি কাকে বলে?
- যখন মা মনে করে, তার কলেজে পড়া মেয়েটা কুমারী। 
- আর অতি গাধামি কাকে বলে? 
- যখন মেয়ে মনে করে, তার মা কুমারী। 
এই কৌতুকটি, মনে হয়, এভাবে পরিবর্ধন করা যেতে পারে:
- গাধামির পরাকাষ্ঠা বলতে কী বোঝায়? 
- যখন পৃথিবীর কোটি-কোটি লোক বিশ্বাস করে, মেরি কুমারী অবস্থায় মা হয়েছে।

আসলে oxymoron-এর একটি চমৎকার উদাহরণ - কুমারী মাতা। অর্থাৎ কুমারী অবস্থায় মাতা হওয়া সম্ভব নয় এবং মাতা হলে কুমারী থাকা সম্ভব নয়। কিন্তু বাইবেলীয় কু-রূপকথা এই অসম্ভবটিই বাস্তব বলে চালাতে চায়। আচ্ছা, তবু তত্ত্ব হিসেবে ধরে নেয়া যাক, মাতা মেরি সত্যিই কুমারী ছিলো। সেক্ষেত্রে যিশুর জন্ম নেয়ার কথা ছিলো কিন্তু মেয়ে হয়ে। কীভাবে? শুনুন। 



মোছাম্মাত মোনালিছা



কুফরী কিতাব: অলৌকিক নয় লৌকিক (দ্বিতীয় খণ্ড)


বাংলায় মুক্তচিন্তা আন্দোলনের একটি মাইলস্টোন-পুস্তক প্রবীর ঘোষের 'অলৌকিক নয় লৌকিক'-এর দ্বিতীয় খণ্ডের খোঁজ পেয়েছেন কৌস্তুভ। ভারত সরকারের লাইব্রেরি বিভাগের ডিজিটাইজেশন উদ্যোগ প্রকল্প থেকে।

ফরম্যাট: পিডিএফ
সাইজ: ১১.৮ মেগাবাইট
ডাউনলোড লিংক
(লিংকের পাতায় গিয়ে ওপরে বামদিকে নিম্নমুখী তীরচিহ্নে ক্লিক করে ফাইলটি ডাউনলোড করুন)

আগে প্রকাশিত: 

প্রবীর ঘোষের আরও একটি বই:
আমি কেন ঈশ্বরে বিশ্বাস করি না

ইসলাম নারীকে দিয়েছে 'যথাযোগ্য' স্থান


পাঠিয়েছেন শয়তানের চ্যালা


২৫ ডিসেম্বর, ২০১১

ক্লজেটাবদ্ধ নাস্তিকদের উদ্দেশে


ঈশ্বর-ফিশ্বরে বিশ্বাস নেই, তবে সে-কথা কখনও প্রকাশ করে তো না-ই, বরং অনেক ক্ষেত্রে ধর্মচর্চার ভান করে বা করতে বাধ্য হয়, - এমন 'ক্লজেটাবদ্ধ' নীরব নাস্তিক আমাদের আশেপাশে কম নেই কিন্তু। তাদের উদ্দেশ্য করে কিছু প্রশ্ন করছেন এবং কিছু বাস্তবসম্পন্ন পরামর্শ দিচ্ছেন TheAmazingAtheist. 


যদি এমন হতো!



লিংকিন পার্ক - ৩০


১.
রাশিয়ায় ভগবত গীতা পড়েছে বিচারের মুখে। অভিযোগ - উগ্রপন্থা। গীতা পড়িনি, তাই তা কতোটা উগ্রপন্থী, ধারণা নেই। তবে উগ্রপন্থার দায়ে কিন্তু অবলীলায় দায়ী করা যেতে পারে বাইবেল ও কোরানকেও।
(লিংকম্যান: শান্তনু বণিক)

২.
ধর্মকারীতে চরমোনাইয়ের পীরের মুরিদদের কাণ্ড বিষয়ক পোস্টটির কথা উল্লেখ করে ব্লগার আইজাক নিউটন একটি পোস্ট দিয়েছিলেন সামু ব্লগে। সেখানে তৃতীয় মন্তব্য ও সেটির উত্তর দেখে নিন।

৩.
ফাকিস্তানে এ বছরের প্রথম নয় মাসে তথাকথিত অনার কিলিং-এর শিকার হয়েছে ৬৭৫ জন। অর্থাৎ মাসে ৭৫ জন, দিনে ২/৩ জন! 

৪. 
আরব বসন্ত আরব নারীদের জন্যে সুফল বয়ে আনবে কি? সিরিয়ার লেখিকার সাক্ষাৎকার। 

৫. 
ভারতীয় পত্রিকায় নগ্ন ছবি প্রকাশের পর ফাকিস্তানী অভিনেত্রীর মাথার ওপরে ফতোয়া ঝুলবে, সেটা তো অনুমিতই ছিলো। 

৬. 
ইহুদি ইতরামি। একেবারেই ইছলামী ধাঁচের। পুরুষদের জন্য উত্তেজক হতে পারে বলে জনসমক্ষে মেয়েদের গান গাওয়া নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে কিছু ইহুদি মোল্লা। 

৭.  
আইন ইছলাম বা ধর্মানুভূতি বোঝে না। ফ্রান্সে বোরখা পরা নিষেধ। আইন ভেঙেছে এক মুসলিমা। তার জন্যে পনেরো দিনের জেলবাস নিশ্চিত বলেই মনে করা হচ্ছে। 

৮. 
মডারেট মুসলিম বস্তুটা কী? 'কিছুটা অন্তঃসত্ত্বা'-র মতো কিছু? আমার মতে, 'মডারেট মুসলিম' হচ্ছে পরম সুবিধাবাদী একটি অবস্থান। ইহজগতে ভোগের সুযোগ সদ্ব্যবহার করা, আবার মুসলিম তকমা লাগিয়ে আখেরাতে হুরি লাভের সম্ভাবনাটিও জিইয়ে রাখা - এটাই হচ্ছে মডারেট মুসলিম মানস। আলজেরীয় বংশোদ্ভুত ফরাসী মন্ত্রী বললেন, মডারেট মুসলিম বলে কিছু নেই। 

গরু - ধর্মগুলোর প্রিয় জীব?


প্রথম আলো বড়োদিন (কী ভয়ানক আজব শব্দ!) উপলক্ষে তাদের প্রথম পাতায় এই ছবিটি ছেপেছে।


ছবিটি দেখে আমার মনে যে-প্রশ্নের উদয় হলো, তা, খুব সম্ভব, আমার অজ্ঞতাপ্রসূত। তবু প্রশ্নটি করি: ছবিতে দু'খানা গরুর উপস্থিতি কেন? এবং গরুদুটোর গলায় মালা-ই বা কেন? নাকি হিন্দুদের উপাস্য গরু, যা কিনা মুসলিমদের কাছে কোরবানিযোগ্য জীব, এখন খ্রিষ্টধর্মেরও অবিচ্ছেদ্য অংশ?

মমিনের অনবদমিত ঈমান


ঈমান্দার বান্দা হইলে এই টাইপই হওয়া উচিত! ফরাসী দেশের ঘটনা শুনেন। খবরের লিংক পাঠাইসেন Suirauqa.

সন্তানজন্মদানের একটু আগে এক মুসলিমের প্রেগন্যান্ট বউরে রেডি করতেসিল এক ধাত্রী নার্স। সঙ্গত কারণেই সে মমিনের স্ত্রীর পরনের বোরখা খুলতে শুরু করসিল। কিন্তু মমিন আছিলো তক্কে তক্কে! জানালা দিয়া সে এই দৃশ্য দেইখা ফালাইলো। আর যায় কই! ঈমানী জোশের সামনে তালাবন্ধ ঘরের দরজা হুড়মুড়াইয়া ভাইঙ্গা পড়লো। ঘরে ঢুইকা মমিন ঘুষি বসাইয়া দিলো নার্সরে! তারে "ধর্ষিকা" (বাংলায় আছে নাকি এমন শব্দ?) বইলা অভিহিত করলো! বোঝেন ঠ্যালা!

ঘটনা ফরাসী দেশে। একটা ব্যাপার বুঝি না, ঈমান্দারেরা কাফেরগো দ্যাশে যায় কী করতে? মুসলিম জাহানের দেশগুলায় গেলেই তো এইসব কনফ্লিক্ট হয় না। সেই দেশগুলায় নিশ্চয়ই শরীয়াসম্মতভাবে জন্মদান সম্ভব। এই দ্যাখেন:


যিশুর বার্থ সার্টিফিকেট



সহজ ধর্মত্যাগ শিক্ষা


ইসলাম অথবা যে কোনও ধর্মত্যাগ করা একেবারেই দুরূহ কিছু নয়। প্রয়োজন শুধু কিঞ্চিৎ যুক্তিবোধ ও সেটির প্রয়োগ। পর্যাপ্ত যুক্তিবোধ অধিকাংশেরই আছে বলে মনে করি, নেই শুধু প্রয়োগের মানসিকতা ও, ক্ষেত্রবিশেষে, সাহস। 

কিছু প্রাক্তন মুসলমানের ধর্মত্যাগ কাহিনীর ছোট্ট ও অতীব চমৎকার সংকলন। 


২৪ ডিসেম্বর, ২০১১

এক হিজবুত তাহরী সদস্যের মানসপটের স্ক্রিনশট


পাঠিয়েছেন সংশয়বাদী

জনৈক হিজবুত তাহরীর সদস্যের ফেসবুক পাতা থেকে নেয়া নয়টি স্ক্রিনশট। দেখে নিন এদের মন মানসিকতা। 


অলৌকিক-ঘটনঘটনপটু


অলৌকিক ঘটনা ঘটানোর দাবিদার যিশুর জন্মদিনের আগে (যদিও যিশু বলে আদৌ কেউ ছিলো কি না, তার প্রমাণ বাইবেল ছাড়া আর কোথাও পাওয়া যায় না) ছোট্ট দুটি মজাদার ভিডিও দেখা যাক।




যিশুর জন্মলগ্নে



ঈশ্বরের কাছে প্রাইভেট প্রশ্ন (উত্তর চাই)


লিখেছেন রজনীকান্ত 

নিশ্চয়ই শয়তান আমার অলস মস্তিষ্কে তাহার স্থায়ী আবাস গাড়িয়াছে। প্রতিনিয়ত সে আমার মতি বিভ্রম ঘটাইয়া রাব্বুল আলামিন এর পথ হইতে বেশরিয়তি পথে পরিচালনা করিতেছে। মাঝে মধ্যে উহার সহিত হিন্দু কুটনীতিবিদ নারদ আসিয়া যোগ দিতেছে। তাহাদের সদ্ভাব দেখিয়া মনে হইতেছে ভিন্ন ধর্মাবলম্বী ঈশ্বরগণের মধ্যে চরম বৈরিতা থাকিলেও ভিন্ন ধর্মের শয়তানরাজি একযোগে কাজ করিতেছে। এইরূপ চলিতে থাকিলে উহারা পুলছিরাত এবং বৈতরনীর সঙ্গমস্থলে বসিয়া অপ্সরা আর হুরদের লইয়া যৌথযৌনক্রিয়া করিবে আর অকুস্থলে লোলুপ নয়নে ডুবিতে ডুবিতে আমাকে হস্তের শরণ লইতে হইবে। ধর্মের পথে ফিরিবার জন্য কেহ দয়া করিয়া আমাকে এই ধর্মীয় প্রশ্নসমুহের উত্তর দিন। আমি পুলছিরাতে ডুবিয়া মরিতে চাই না। হুরদিগের রানের চিপায় ডুবিয়া মরিতে চাই।

প্রশ্ন ১. দেবতাদের টাট্টিখানা: হিন্দুদিগকে দেখা যায় উহারা উহাদের অতি নমস্য দেবগনের সামনে ভুরিভোজের আয়োজন করিয়া ফেলে। এত ভাল খাওয়াইয়াও উহাদের যথেষ্ট সেবা হয় বলিয়া ধরিয়া নিতে পারি না। এইরূপ ভুরিভোজনের পরে নিশ্চয়ই উহাদিগের কোন এক সময় মলত্যাগের প্রয়োজন পড়ে। সেই নিমিত্য দেবতাদের জন্য পুজায় মাথাপিছু না হোক, অন্তত সবার জন্য এক খানা গণশৌচাগার দেওয়া কি উচিত নহে?

প্রশ্ন ২. মুহাম্মদের যৌনক্ষমতা: আমাদের পেয়ারা নবী রসুল (সাঃ) [সাঃ-এর একটা কুৎসিত অর্থ মস্তিষ্কে উদয় হইয়াছিল, উহা গাফুরুর রাহিম জানিতে পারিলেও নিশ্চয়ই মাফ করিয়া দিবেন, উনি দয়াময়] ছিলেন ত্রিশ জন পুরুষের সমান যৌন ক্ষমতাবান। তাহার প্রমাণ তিনি রাখিয়াছেন। এত যৌন-খাউজানি মহামতি শ্রীকেষ্ট বাবু ছাড়া আর কাহারো ছিল বলিয়া মনে করিতে পারি না। প্রশ্ন হইতেছে, আল-আহ-ফাক নবীজির লিঙ্গ মুবারকের ক্ষমতা যে ৩০ জনেরই সমান, উহা কী রূপে মাপিলেন? ব্যাপারখানা কি এই হইতে পারে যে, ত্রিশ মুশকো জোয়ান আল্লাহপাকের পবিত্র পশ্চাদ্দেশ প্রহার করিলো। এরপর হযরত (সাঃ) আসিয়া পরোয়ারদিগারের লোমশ কালো গুহায় উনার নুরানি খাম্বা খানি প্রবেশ করাইয়া দিলেন। আল্লাহ বুঝিলেন, ৩০ জনের লিঙ্গাঘাতের সমান ব্যথা তিনি নবীজির এক ধাক্কায় প্রাপ্ত হইয়াছেন। শয়তান এই প্রসঙ্গে আমার কানে একটি ফুস-মন্তর দিয়াছে। সে বলিতে চায়, আল্লাহ নাকি পশ্চাদ্দেশ প্রহার হইতে পরিত্রাণ পাইতে মুহাম্মদকে ( Piss be upon him) নবী বানাইয়া দিয়াছেন। 

প্রশ্ন ৩. রক্তের গ্রুপ: মাটি হইতে আদমকে বানাইয়া আল্লাহ তার ক্ষমতা দেখাইয়া দিলেন। উহার পিঞ্জরের হাড্ডি হইতে হাওয়া বিবিকে বানাইয়া উনি উনার ক্যারিশমা প্রকাশ করিয়া ফেলিলেন। এই ঘটনার মাধ্যমে তিনি যে ক্লোনিং ব্যাপারটি ইঙ্গিত করিয়াছেন, তাহা ছাগুদের একজনের নিকট অবগত হইলাম। প্রশ্ন হইতেছে, আদমের ক্লোন হাওয়া, কোনো সন্দেহ নাই। সেইক্ষেত্রে উহাদের ডিএনএ-ও সম্পূর্ণভাবে একই। তাহা হইলে উহাদিগের রক্তের গ্রুপও একই হইবার কথা। সেই হিসাব করিলে আমরা যারা হাউয়ার নাতি, মানে হাওয়ার বংশধর আছি, আমাদের সকলেরই রক্তের গ্রুপ এক হওয়ার কথা। ইহা হইল না কেন?

[ if Adam's group is A, due to genotype AA, Eve, would have the same. and all people should have group A(AA). if Adams blood group is A, with genotype AO, Eve would have the same, then all people would have A and O blood group.... where from that B comes? For B group same calculation is applicable, if any mumin says theAdam's blood group was AB, the question is, where from the "O" is?]

করোটিকল্প: তিন ফরম্যাটে সংকলিত


কৌস্তুভ একটি কাজের ছেলে। তিনি স্ব-উদ্যোগে ধর্মকারীর "করোটিকল্প" কার্টুন সিরিজে প্রকাশিত একুশটি কার্টুন সংকলন করেছেন তিনটি আলাদা ফরম্যাটে: pps (স্লাইড শো), gif এবং exe. সর্বশেষ ফরম্যাটটি স্ক্রিনসেইভার হিসেবে ব্যবহার্য। 

করোটিকল্প সিরিজে প্রকাশিত কার্টুনগুলো পাঠিয়েছিলেন ধর্মকারীর পাঠকেরাই, যদিও এই সিরিজ অবতারণার পেছনে প্রধান ব্যক্তিটি ছিলেন অধুনা-নিষ্ক্রিয় চিন্তিত তাপস পাল। নানান সময়ে বেশ কিছু অসাধারণ পোস্টারও তিনি বানিয়েছিলেন ধর্মকারীর জন্যে। তবে দুঃখের বিষয়, তিনি এখন আমাদের মাঝে থাকিয়াও নাই  

ডাউনলোড লিংক
pps (৩.২ মেগাবাইট) 
gif (১.৬ মেগাবাইট)
exe (৬.৮ মেগাবাইট)


ডাউনলোডে অনীহদের জন্য pps ফরম্যাট এখানে এমবেড করা হলো।


মুসলিম সান্টা ক্লজ



২৩ ডিসেম্বর, ২০১১

আস্তিকীয় ঘ্যানঘ্যানানির স্পষ্ট জবাব


আস্তিকদের কিছু টিপিক্যাল ঘ্যানঘ্যানানির স্পষ্ট, পরিষ্কার উত্তর, যা তাদের মাথায় কেন জানি সেঁধোয় না। সবই পুরনো কথা, তবে বায়োনিকড্যান্সের দৃঢ় বাচনভঙ্গিতে তা বিশেষ মাত্রা পেয়েছে। আমার খুবই চমৎকার লাগলো। 


ইছলাম্যাকডোনাল্ড'স




লিংকিন পার্ক - ২৯


১. 
কানাডায় নাগরিকত্বের শপথ গ্রহণে নেকাব নিষিদ্ধ

২. 
ভ্যাট ‘ফাঁকি’ দেয়া ব্যাংকগুলোর মধ্যে ইসলামী ব্যাংক সর্বাগ্রে

৩. 
বুদ্ধিখেকো বিশ্বাসমানুষকে কতোটা হ্যাবলাকান্ত বানিয়ে দিতে পারে, তার আরও একটি নিদর্শন দেখুন। ডলারের মূল্য বেড়ে যাওয়ায় দুর্বল হয়ে পড়া ভারতীয় রুপিকে প্রার্থনার জোরে বলবান করে তোলার প্রয়াস।

৪. 
পর্নো-ডোমেইন .xxx-এ নিবন্ধন শুরু হয়েছে খুব বেশিদিন হয়নি। সম্প্রতি vatican.xxx ডোমেইনটি নাম না জানা ব্যক্তি/প্রতিষ্ঠান কিনে নিয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, ভ্যাটিকানের নাম ব্যবহার করে যাতে কেউ পর্নোসাইট চালাতে না পারে, তাই ভ্যাটিকানই তা কিনে নিয়েছে। যদিও ভ্যাটিকান সে কথা অস্বীকার করেছে। আচ্ছা, যদি ভ্যাটিকান ওই ডোমেইনে পর্নো সাইট চালু করে সত্যি সত্যি (কল্পনা করতে দোষ কী!), তাহলে কি সেটির বিশেষত্ব হবে চাইল্ড-পর্ন? 

৫. 
সহস্র ঈশ্বরের দেশ ভারতে নাস্তিক্যবাদ বিষয়ে গত জুন মাসে প্রকাশিত একটি নিবন্ধ। 

৬.

৭.
চার্লস ডারউইনের সমস্ত রচনা এখন অনলাইনে লভ্য। লিংকটি আগেও একবার প্রকাশ করা হয়েছিল। 

গন্ধে আকুল নোয়া



চরমোনাই পীরের মুরিদদের কাণ্ড


চরমোনাই পীর আয়োজিত এক ইছলামী জলছায় উদ্ভট pole dancing-মগ্ন কিছু মমিনের খাড়া বংশদণ্ডপ্রীতি দেখে প্রকাশ-অযোগ্য নানাবিধ কুচিন্তা মাথায় এলো। 

আট মিনিটের ভিডিওর পুরোটা দেখা, বোধহয়, অসম্ভব। আর তাই দেখতে গিয়ে মনটা যদি বিষিয়ে ওঠে, তাহলে সত্যিকারের pole dancing-এর নমুনা দেখে নিন।

লিংক পাঠিয়েছেন রাসেল


প্রচারে বিঘ্ন – ২৩


ধর্মপ্রচারক Brother Jed ইন্ডিয়ানা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে আসবে জেনে নির্লজ্জ নির্ধার্মিকেরা তাকে সাদর সম্ভাষণ জানানোর প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছিল। চারটি ছবি দেখুন। আরও ছবি এখানে। 





২২ ডিসেম্বর, ২০১১

ধর্মাতুল কৌতুকিম – ৩১


৮৫
এক মনরোগ বিশেষজ্ঞের সাথে তার ছাত্রের কথা হচ্ছে।
প্রফেসর: তুমি ভগবানে বিশ্বাস কর? 
ছাত্র: না স্যার, যুক্তি-প্রমাণ ছাড়া কোনো জিনিসে বিশ্বাস করা পাগলামি।
প্রফেসর: কী বলতে চাইছ তুমি! যারা ভগবানে বিশ্বাস করে, তারা পাগল? আমি নিজেও করি।
ছাত্র: আপনি দেখতে চান স্যার? তাহলে আমার সাথে একবার সেল-এ ঘুরে আসবেন, চলুন। 
সেলে যাওয়ার পর এক পাগল প্রফেসর কে বলল:
- আপনি জানেন কার সাথে কথা বলছেন? 
প্রফেসর: না তো, কে আপনি? 
প্রথম পাগল: আমি শাহজাহান।
প্রফেসর: কে বলল আপনাকে? 
প্রথম পাগল: ভগবান নিজে এসে বলে গেছে।
(হঠাৎ) দ্বিতীয় পাগল: মিথ্যে কথা কেন বলছিস, শাহজাহান? আমি তোকে কোনোদিন ওই কথা বলিনি।
ছাত্র: দেখলেন তো স্যার, ভগবানে কারা বিশ্বাস করে! 
(সায়ন্তন চট্টোপাধ্যায়) 

৮৬.
ধার্মিকদের সঙ্গে বিতর্কের সময় আপনার অস্ত্র তথ্য, প্রমাণ ও যুক্তি? তাহলে বিতর্কে জেতার কোনও সম্ভাবনা আপনার নেই। 

৮৭.
এক রাষ্ট্রনায়ক আল্যার কাছে প্রার্থনা করছে:
- ইয়া মাবুদ, আমাকে সাহায্য করো। আমার দেশ দুর্নীতিতে ডুবে গেছে। ঘুষ ছাড়া কেউ কোনও কাজ করতে চায় না। 
আল্যা তার প্রার্থনার উত্তর দিলো:
- ঠিক আছে, আমি তোমাকে সাহায্য করবো। তবে তার আগে তুমি আমার নামে দশটা গরু ও পঁচিশটা ছাগল কোরবানি দাও।

ধর্ম চায় অর্থ




ইছলামী সংবিধিবদ্ধ সতর্কীকরণ


ধরা যাক, একটি লৌহদণ্ড কারোর মাথার এক পাশ দিয়ে ঢুকে আরেক পাশ দিয়ে বেরিয়ে গেল। কী ভয়াবহ, তাই না? কিন্তু আপনি কি জানেন, ইছলামী দৃষ্টিভঙ্গিতে মেয়েদের সঙ্গে হ্যান্ডশেক করা এর চেয়েও ভয়ংকর ব্যাপার? 

আপনি কি আরও জানেন যে, ইছলামে মদ্যপান, ব্যভিচার ও হত্যার চেয়ে ভয়ঙ্কর পাপ 'মেরি ক্রিসমাস' বলে কাউকে অভিনন্দন জানানো?

অতএব কোনও মেয়ের সঙ্গে হ্যান্ডসেক করে তাকে 'মেরি ক্রিসমাস' বললে সেটা গুনাহর কোন পর্যায়ে পড়বে, ভাবতেই ভয় হচ্ছে। 

ছোট্ট দুটি ভিডিওতে (সর্বমোট দুই মিনিট) দেখুন, শুনুন। 



দাসত্বের আনন্দ



আসুন, আমরা সব ধর্মকে সমানভাবে সম্মান করি


লিখেছেন জুপিটার জয়প্রকাশ 

এখনও পর্যন্ত মানুষের জীবনে যে বস্তুটি সবচেয়ে বেশি প্রভাব বিস্তার করে রেখেছে, সেটি হল ধর্ম। ধর্মের আবার উৎস হিসাবে একেবারে ঈশ্বরকে টানা হয়। আজকাল বিজ্ঞানের উন্নতির সঙ্গে সঙ্গে ভূত-প্রেত-রাক্ষস ইত্যাদিদের রমরমা প্রায় শূন্যে নেমে এসেছে। একটা সময় ছিল, যখন অতি বড় ধার্মিক থেকে মহাপাপী সকলেই ভূত, রাক্ষস ইত্যাদিতে বিশ্বাস করত। এখন আর সে দিন নেই কিন্তু ঈশ্বরের ওপর বিশ্বাস সেভাবে কমে যায়নি বরং ঈশ্বরের ধারণা যে বিজ্ঞানের বিরুদ্ধে যায় না, সেটাই প্রমাণের জন্য অনেকে চেষ্টা করছেন। সেই সঙ্গে ধর্মীয় কাহিনীর মধ্য থেকে বিজ্ঞানসম্মত ব্যাখ্যা বের করারও চেষ্টা চলছে। সেই সঙ্গে নিয়মিত প্রচার করা হচ্ছে সব ধর্মের প্রতি সম্মান দেখানোর আবেদন। যা থেকে পরিষ্কার বোঝা যায় যে ধর্মের প্রভাব মানুষের জীবন থেকে খুব একটা কমে যায়নি। অন্তত ভুত-প্রেত ইত্যাদিতে বিশ্বাস যে হারে কমেছে, সেই হারে ঈশ্বর এবং তাঁর আদেশের উপর বিশ্বাস কমেনি।

কিন্তু সব ধর্মের প্রতি সম্মান দেখানো সম্ভব কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠা স্বাভাবিক। কোনো মানুষ যদি ঈশ্বর এবং ধর্মকে জীবনের একটি অপরিহার্য অংশ বলে বিশ্বাস করে, তাহলে সে নেহাত চিন্তাশক্তিহীন না হলে কোনোদিনই তা পারবে না। ধর্মগুলোর মূল ভিত্তিই যেহেতু পরলোকে গিয়ে বিচারের সম্মুখীন হওয়া, তাই সেই বিচারের নিয়মকানুন বিভিন্ন দলের জন্য আলাদা হলে কোনো জ্ঞানবুদ্ধিসম্পন্ন মানুষের পক্ষে সবগুলিকে ঠিক বলে মেনে নেওয়া সম্ভব নয়। আর প্রত্যেক ধর্মেই অসত্যকে সম্মান দেখানোর মানা আছে। উদাহরণ হিসাবে হিন্দুদের ঈশ্বর বিচার করেন মানুষের মারা যাওয়ার পরেই। খ্রিষ্টান ও মুসলমানদের ঈশ্বর বিচার করবেন সমস্ত মানুষ মারা যাবার পর। বৌদ্ধধর্মে মানুষের কর্মের বিচারে ঈশ্বরের ভূমিকাই নেই। এমন অবস্থায় সবগুলি তত্বকে একসাথে সত্য বলে মেনে নেওয়া নেহাত অসম্ভব। আবার যা সত্য নয়, তাকে সম্মান দেখানোও ধর্মীয় তত্ত্বমতে অসম্ভব। এই অবস্থায় সব ধর্মের প্রতি সমান সম্মান দেখাতে গেলে সবকটিই মিথ্যা বলে সমান অসম্মান দেখাতে হয়। তাই সব ধর্মের প্রতি সম্মান দেখানোর কথা বলা একই সাথে ধর্মবিরোধী এবং বাস্তবতাবিরোধী। একমাত্র রাজনীতির খেলায় সকলের ভোট আদায় করার কাজে এই আজব কথা কাজে লাগে। এবং বাস্তব সত্য হল যে, এই সবার বিশ্বাসকে সম্মান করার আবেদন করা মানুষগুলোকে দেখলেই বুঝতে পারা যায় যে, সত্যিটা কি সেটা আবিষ্কার না হলেও তারা সুখেই থাকবে। বর্তমান অবস্থায় সুখে আছে বলেই তারা চায় না যে সত্যটা বের হয়ে আসুক। তারা কেবল সেই অবস্থাটাকে বজায় রাখতে চায়, যে অবস্থায় তারা আরামে থাকতে পারবে। কিন্তু যেখানে অবস্থা বদলালেই তাদের সুবিধা, সেখানে তারা লাফাতে ওস্তাদ।

এ তো গেল ধর্মের তাত্ত্বিক দিক। এবারে দেখা যাক ধর্ম মানুষের বাস্তব জীবনে শৃঙ্খলা রাখতে প্রয়োগ করার জন্য ব্যবহার করা যেতে পারে কি না। যে আমলে ধর্মগুলি জন্মায়, সেই সময়ে মানুষের সামাজিক প্রভু ছিলেন রাজা। যিনি প্রধানতঃ অস্ত্রের জোরে শাসন করতেন এবং তিনি আইন-কানুন বানানোর সময় সংখ্যাগরিষ্ঠ প্রজাদের মতামত নেবার প্রয়োজন মনে করতেন না। তিনি আইন করতেন, প্রজারা তা মানতে বাধ্য থাকত। নেহাত মেনে নেওয়া সম্ভব না হলে বিদ্রোহ করত। এখনকার আধুনিক দুনিয়ায় বেশির ভাগ দেশেই প্রজাদের মতামত অনুসারে শাসক নির্বাচন হয়। প্রজাদের মঙ্গলের জন্য আইন তৈরী এবং দরকার হলে বাতিল করার অধিকার পরোক্ষভাবে প্রজারাই ভোগ করে। এবং সামাজিক উন্নতির সাথে এই অধিকার যে আরো বাড়া উচিত এতে কারোই অন্যমত নেই। অথচ ধর্মীয় নিয়ম, যা কিনা মানুষের মঙ্গলের জন্য, তা নিয়ে কোনো প্রশ্ন করার অধিকার মানুষের আজও নেই। ধর্মের নিয়ম দেখে মনে হয়, মানুষের যে নিজের সমাজের ভালমন্দ বোঝার ক্ষমতা আছে, এটা ঈশ্বর জানতেনই না। জগতের সেরা জীবকে পোল্ট্রি মুরগির মত চিরকাল আগলে রাখাই বোধহয় ঈশ্বরের কাজ। ঠিক যেভাবে হিটলার জগতের কারোকে কিছু না জানিয়েই জগতের ত্রাণ করার দায় নিজের কাঁধে তুলে নিয়েছিলেন। ‘মানুষের মঙ্গলের জন্য নিয়ম বানানো হবে, আর তাতে মানুষের বিন্দুমাত্র ভূমিকা থাকবে না’, নিজের সেরা সৃষ্টির প্রতি এতটা ভক্তি কেবল ঈশ্বরের পক্ষেই করা সম্ভব। বর্তমানে এই ব্যবস্থা সারা পৃথিবীতে লোপ পেতে বসেছে।

এবারে দেখা যাক মানুষের চরিত্রের ওপর ধর্মের প্রভাব কেমন। প্রত্যেক ধর্মেই দাবী করা হয় যে, সেটি পরম সত্য। এবং একই সাথে বলা হয় যে, এর পিছনে কোনো যুক্তিসঙ্গত প্রমাণ নেই, বিনা প্রমানেই বিশ্বাস না করলে সে নিকৃষ্ট মানুষ। বর্তমান জগতে শিক্ষার পদ্ধতি হিসাবে সর্বত্রই বিজ্ঞানের প্রয়োগ করা হয়। ধর্ম নিজেকে বিজ্ঞানের চাইতেও উন্নত কিছু বলে দাবী করে। এখন বিজ্ঞান আর ধর্মের মধ্যে সবচেয়ে বড় পার্থক্য হল যে, বিজ্ঞান কোনো সময়েই যাচাই করায় বাধা দেয় না। যেসব তথ্য হাজার বার পরিক্ষা করে দেখা হয়ে গেছে, সেগুলিও যদি কেউ আবার পরীক্ষা করে দেখতে চায়, তাতে বিজ্ঞান চিরকাল উৎসাহই দেয়। যে কোনো স্কুল স্তরের ল্যাবেই ছাত্রেরা এসব পরিক্ষা করে দেখে থাকে। এবং এই শিক্ষা পদ্ধতি সারা পৃথিবীতেই ব্যবহার হয়। 

অন্যদিকে যে তত্ব কোনোকালে প্রমাণ দ্বারা সমর্থিত নয়, ধর্ম তাকে চরম সত্য বলে প্রচার করে। যাচাই করে দেখার দাবী করলে ধর্ম একেবারে যায়-যায় হয়। যদিও বাস্তব জগতে প্রমাণহীন কোনো বিষয়কে চরম সত্য বলে দাবী করা এবং তাতে সন্দেহ প্রকাশ করলে মারতে যাওয়াকে চরম অসভ্যতা (বা পাগলামি) বলা হয়, তবুও সেই পথেই নাকি মানুষের চরিত্র উন্নত হবে বলে ধর্মের বইয়ে লেখা আছে। যদিও বিভিন্ন ধর্মের মধ্যে তাত্ত্বিক এবং ব্যবহারিক তফাত আছে, তবুও প্রতিটি ধর্মই বিনা প্রমাণেই নিজেরটি ঠিক বলে দাবী করে অথচ কোনটি ঠিক তা নিয়ে আলোচনা করতে গেলে চটে লাল হয়। সত্যকে সম্মান করার এই নমুনা দেখানোর পরেও কীভাবে যে তারা চরিত্রবান মানুষ তৈরীর দাবী করে, তা বোঝার বুদ্ধি একমাত্র ঈশ্বরেরই আছে বলে মেনে নিতে হবে। মেনে না নিলে মানুষ হবার পরিক্ষায় মার্কস কম দেবেন তিনি। কাজেই ইয়েস স্যার না বলে উপায় কী? আসুন, সব স্যারেদের সালাম দিয়ে সমান ভাবে সম্মান দিন। কারোকেই চটাবেন না।

প্রথম ব্যবসায়ীরা



২১ ডিসেম্বর, ২০১১

ইছলামের "শান্তিপূর্ণ" প্রসার


চৌদি আজবে জন্ম নেয়ার পরে ইছলাম চারপাশে প্রচারিত ও প্রসারিত হয়েছে সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ উপায়ে - এমন দাবি করতে শোনা যায় ইছলামের অনুসারীদের। এক ইছলামবাজের মুখেই শোনা যাক, সে কী বলে এ বিষয়ে। 

ভিডিও ট্র্যান্সক্রিপ্ট দেয়া আছে। 


Following are excerpts from an interview with Sheikh Ahmad Abu Quddum of the Tahrir Party in Jordan, which aired on JoSat TV on December 8, 2011. 

Interviewer: "Should the Muslims fight the People of the Book [i.e. Jews and Christians], in order to force them to pay the jizya poll tax? Should the Muslims fight all the People of the Book worldwide?"

Sheikh Ahmad Abu Quddum: "This fighting is in order to remove obstacles. It is waged against countries, not against individuals. When we declare Jihad against Germany, for instance, it is declared against the German state, for refusing to allow Islam to spread to the people of Germany. We give them a choice: Either to convert to Islam, or to pay the jizya and submit to the laws of Islam. The jizya is the only tax paid by non-Muslims, whereas the Muslims pay the zakkat, the kharraj, and the rikkaz, as well as other taxes, if there is not enough money for the army…" [...]

Sheikh Ahmad Abu Quddum: "We will not fight the people, we will not kill the people, but if a certain state insists on preventing the spread of Islam on its soil, we will fight that state."...

Interviewer: "So Samuel Huntington's book The Clash of Civilizations, and even before that, Fukuyama, who predicted that the next conflict would be between Islam and the West… What you are saying means that they were right…"

Sheikh Ahmad Abu Quddum: "There is indeed a clash of civilizations. They brought colonialism to us… If not for Jihad, Islam would not have reached us and all the other places. Within a quarter of a century, Islam reached most of the ancient world by means of Jihad.

"The common people want Islam. Anyone who doesn't can stick to his own religion. Here in the Levant, most of our forefathers were not Muslims, but they converted to Islam because of its goodness and justice. The small minority in the Muslim countries that remained…"

Interviewer: "Fine. Let me just ask you an important question. So, we are commanded to fight in order to spread the religion of Allah…"

Sheikh Ahmad Abu Quddum: "Yes, this is Islam's way of spreading." […]

"Jihad Should Be Declared In Order to Annihilate Israel; This Is a Monstrous Entity That Must Be Eradicated"

Interviewer: "If you come to power, will you liberate Palestine?"

Sheikh Ahmad Abu Quddum: "Yes, yes. Jihad should be declared in order to annihilate Israel. This is a monstrous entity that must be eradicated."

Interviewer: "Would you agree to a Christian becoming finance minister, for example?"

Sheikh Ahmad Abu Quddum: "No, I wouldn't. For starters, there are no ministries in Islam. There is an official who is empowered [by the imam]. This is one of the ruling positions, which are exclusively for Muslims. Anyone who is part of the rule – the head of state, who is the Caliph, the empowered official, the executive official, the wali, or the governor – must be a Muslim. Moreover, he must be a man." […]

"European Countries Live In Prehistoric, Pre-Human Times; Gay Marriage... Is That Your Secularism??!"

Sheikh Ahmad Abu Quddim: "European countries live in prehistoric, pre-human times. Gay marriage – women with women and men with men… Is that your secularism??!"

Political activist Omar Abu Rassa: "Is that all you've seen in the West?!

Sheikh Ahmad Abu Quddum: "The millions who took to Wall Street shouted: 'The people want to topple the regime.' Don't you cut me off."

Omar Abu Rassa: "The only thing you saw in the West was homosexuals? That's the West for you?

Sheikh Ahmad Abu Quddum: "What else do they have?"

Omar Abu Rassa: "Scientific accomplishments, freedom of thought…"

Sheikh Ahmad Abu Quddum: "What scientific accomplishments?! We [Muslims] brought them there." […]

"The Future Belongs to Islam; the Islamic Caliphate Is Bound To Come"

"The future belongs to Islam. The Islamic caliphate is bound to come, as was foretold by our Prophet Muhammad. That there will be a caliphate following the path of the Prophet Muhammad." […]

ধর্ম ও ঘৃণা - মানিকজোড়



ঘোর ভীতিকর গোর আজাব


গোর আজাব কী এবং তা কতোটা ভয়ঙ্কর, সে সম্পর্কে বেদ্বীন নাস্তিকেরা যদি একটুও ওয়াকিবহাল থাকতো, তাহলে নিশ্চয়ই তারা হুরময় নূরের পথে আসতো। 

প্রথম ভিডিওতে শুনুন সেই ভয়াবহ শাস্তির বিশদ বর্ণনা। শুনে বেতমিজ নাস্তিকেরা বেধড়ক হাসিতে ভেঙে পড়তে পারে হয়তো, তবে সেক্ষেত্রে পরকালে তাদের শাস্তি ভয়াবহতর হবে নির্ঘাত।

পরের ভিডিওতে আছে গোর আজাব বর্ণনার কিয়দংশের কার্টুন-চিত্রায়ণ (হাহাপগে) এবং তৃতীয় ভিডিও - গোর আজাবের বর্ণনা শুনে নাস্তিক ইউটিউবার philhellenes-এর ইসলাম ধর্মগ্রহণ বিষয়ক (তীব্র পচানি! এই ভিডিও প্রবলভাবে মুসলিমদের ফ্ল্যাগিং-আক্রান্ত হলে ইউটিউব তা সরিয়ে নিয়েছিল, তবে philhellenes-এর সাবস্ক্রাইবাররা মিরর করে তা জিইয়ে রেখেছে)। 

প্রথম ভিডিও পুরোটা না দেখলেও চলবে, তবে পরের দুটো অতি অবশ্যদ্রষ্টব্য।




ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে ঝড়-বজ্র-বৃষ্টির কারণ




আল্লাকে লেখা চিঠির উত্তর


পড়া না থাকলে আগে পড়ে নিন আল্লার কাছে চিঠি। 

লিখেছেন ডাইনোসর 

তারিখ: দশ মহরম,হিজরী ১৪৩৩
বার্তাবিভাগ,আল্লার আরশ
সর্বোচ্চ তলা, সপ্তম আসমান।

জনাব মোহাম্মদ ডাইনোসর ইসলাম,

আপনার চিঠি পেয়েছি। উপরে আপনি কোনো ঠিকানা না দেয়ায় এবং নিচে এমন অদ্ভুত নাম থাকায় ভগবান, ঈশ্বরসহ সবাই তাদের নিজের বলে দাবী করতে শুরু করে। এক-এক জন এক-এক ব্লগকে তাদের রেফারেন্স হিসেবে ব্যবহার করে। কিছু ব্লগে আপনার পোষ্ট এবং কিছু ব্লগে আপনাকে আইপি সহ ব্যান করায় তারা লিংক দিতে ব্যর্থ হয়। এবং তাদের কাছে কোনো প্রিন্ট কপি না থাকায় তারা বাতিল বলে গণ্য হয়। শেষ পর্যন্ত আপনার নামের আগের এবং পরের টাইটেল দেখে আমার দাবী জোরালো হয়।

তবে এই ব্যপারে শুনানির পুনরায় তারিখ এখনো ধার্য হয় নাই। চিঠিটা বাংলা ভাষায় হওয়ায় আমরা উকিল এবং বিচারক সবাইকে বাংলাদেশ থেকে এনেছিলাম। তারা টাকা ছাড়া কোনো ফাইলে হাতই দেয় না। আর উকিল গুলো কিসের লীগ, না দল বলে মিছিল করে, শুনেছি আদালত নাকি বর্জন করার হুমকিও দিচ্ছে। এক চিঠি আমাদের কী বিপদে ফেলসে, বলেন তো?

আপনার চিঠি পেয়েছি, মানুষের সাথে আমাদের অনেক দিন যাবত যোগাযোগ না থাকায় আমারাও হতাশ হয়ে পড়েছিলাম। কিন্তু চিঠিটা ব্লগে পোষ্ট করায় আমরা ঈশ্বর সমাজ খুব কষ্ট পেয়েছি। অনেক ব্লগার আমাদের নিয়ে হাসিঠাট্টা করছে। কোথাও কোথাও উদ্ভট ব্যাখ্যা করে বিরোধী পোষ্টও দেয়া হয়েছে। এতে করে বিশ্বাসীদের কাছে আমাদের ইমেজ আরো খারাপ হওয়ার অবস্থা।

বাংলাদেশে আমার অবস্থান খুবই ভাল। জামাতের মতো একটা ছাগুদের দলও আমার পক্ষে আছে। ঐখানে কৃষ্ণ, যীশু, অন্যরা এমন কোনো প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারবে না। এইটা একটা শান্তির খবর। কিন্তু আপনার মতো কিছু অবিশ্বাসী যেভাবে আমাদের পেছনে লেগেছেন, তা একটা বড় টেনশানের কারণ হয়ে যাচ্ছে। আপনাদের কারণে আমাদের ঈশ্বর সমাজে ভাঙ্গনের সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে।

আরব রাজ্যগুলোতে বিশৃঙ্খলা দেখা দেওয়ায় অর্থনৈতিকভাবে গডের চেয়ে কিছুটা পিছিয়ে পড়েছি। তবে সোমালিয়ানরা ভাল কাজ করছে। খুব দ্রুতই অর্থনৈতিক স্বচ্ছলতা ফিরে আসবে। ব্রিটেনেও আমার সমর্থকরা কলোনি করার চেষ্টা করছে।

দেখুন, আমরা যুগ-যুগ ধরে বিশ্বাসীদের অন্তরে বসবাস করে আসছি। আমাদের যদি একবারে উড়িয়ে দেন, তা হবে অমানবিক। তাই এই ব্যাপারে আপনাদের সাথে একটি চুক্তি করতে ইচ্ছুক। আমি নিজেই পৃথিবীতে দেখা করতে যাওয়ার চিন্তাভাবনা করেছিলাম। কিন্তু আমার উপদেষ্টারা নিষেধ করায় যেতে পারিনি। তাদের ধারণা, অবিশ্বাসীদের সাথে আমি শান্তি চুক্তি করলে আমার অনুসারীদের মধ্যে বিরূপ প্রভাব পড়তে পারে। তারা আবার আরবের মতো যদি বিদ্রোহী হয়ে ওঠে? তখন কী করবো? এই অর্থনৈতিক মন্দা অবস্থায় এই ঝুঁকি নিতে রাজি হলাম না।

আমার পরিস্থিতি বিবেচনাকর করেন। আপনাদের নতুন যে মন্ত্রী নিয়োগ পেয়েছে, তার উপর গ্রামীণ ফোনের ইন্টারনেটের অবস্থা জঘন্য রকমের খারাপ, লম্বা চিঠি পাঠানো কোনোভাবেই সম্ভব হচ্ছে না। উইকিলিসের ঝামেলার কারণে গোপন ব্যপারগুলো চিঠিতে বললাম না। আপনার সাক্ষাতেই বাকিটা বলবো। যদি আপনাদের পক্ষ থেকে একটা প্রতিনিধি পাঠান, তবে আমাদের খুবই উপকার হয়। সবচেয়ে ভাল হয়, যদি আপনিই একটু সময় করে আমার এখানে পদধুলি দেন।

ইতি

আল্লা মিঞা।

এটাতো সাধারণ কোনো চিঠি নয়। তাই এটি কীভাবে আমার কাছে আসলো, তা নিয়ে সন্দেহ থাকতেই পারে।

মাঝ রাতে ঘুম থেকে উঠেই দেখি টেবিলের উপর একটা আলো ঝলমল করছে। দরজা-জানালা বন্ধ। বৈদ্যুতিক বাতি বন্ধ, তবে আলো কোথা থেকে আসে? এবার দেখি আমার টেবিল থেকে। টেবিল ল্যাম্পটা অনেক দিন ধরে নষ্ট। আজ কি হঠাৎ ঠিক হয়ে জ্বলা শুরু করেছে নাকি? না, ল্যাম্প নয়। একটা খাম। সাদা রঙের। তার ভেতর থেকে আলো ঠিকরে বের হচ্ছে।

খামটাই আসলো কী করে? ঘুমানোর আগে কি তবে লক্ষ্য করি নাই? আগেই বা রাখবে কী করে, আমার রুমের চাবি তো কারো কাছে নেই। দ্রুত লাইট অন করলাম। দেখি, সমস্যাটা কোথায়, ধরতে পারি কি না। খামটা হাতে নিতেই বিদ্যুৎ চলে গেল। খামটা হাতে নিতেই আলোটা মিলিয়ে গেল।

হঠাৎ এক দৈববাণী শুনতে পেলাম।

হে ডাইনোসর, থাম। তুইন ইতা হরতে হারবি ন।

কী বিষয়, নোয়াখালী ভাষার কথা শুনলাম মনে হচ্ছে? আমি কৌতূহলে জানতে চাইলাম। আঁন্নে কেডা, আঁন্নে নখাইল্লানি?

গ্যাব্রিয়েল: চুপকর বেয়াদব। আঁই আল্লাতন আইছি। আঁর নাম গ্যাবরিয়েল। আন্নে নখালি থাহেন, এরলাই আল্লা প্যাক আঁরে নখালি ভাষা শিখাই হাডাইছে। কিন্তু আন্নে নখালি নাই। সিলটে থাহেন। আঁই সিলটে আই বহুত ঝামেলায় হচ্চি। আল্লা প্যাক আঁরে সিলটি ভাষাটা শিখাই দেওন দরকার আছিল। হালায় এই হিয়ন হোস্টে আর চাকরি কইত্তে হাত্তাম না।

সবকিছু অন্ধকার, আমি হাতরাচ্ছি একটা দিয়াশলাই পাই কি না। ঠিক আছে, দেয়াশলাই নিয়ে মোম জ্বালিয়ে পড়ি?

গ্যাব্রিয়েল: ইতা মোমের আলোয়ও হরন যাইতো ন।

ঠিক আছে, ম্যাসের কাঠি জ্বালাই।

গ্যাব্রিয়েল: না, এটা ম্যাসের কাঠির আগুনেও হরন যাইতো ন।

ম্যাসের কাঠিতে একটা হারিকেন ধরিয়ে পড়বো।

গ্যাব্রিয়েল: না ইতা হারিকেনের আলোতেও হরন যাইতো ন।

ঠিক আছে, বাইরে যাই দেখি, পৌরসভার বিদ্যুত বাতি জ্বলে কি না?

গ্যাব্রিয়েল: ইতা বিদ্যুতের আলোতেও হরন যাইতো ন।

আমি মহাবিরক্তি। তবে কি চিতার আগুনে পড়তে হবে?

গ্যাব্রিয়েল: আঁন্নের হগল কতার উত্তর দিতাম কিল্লাই?

আমি কিছু বলতে চাইছিলাম। আবার কিছুটা ভয়ও করছে।

তবু জানতে চাইলাম তবে পড়বো কী করে?

গ্যাব্রিয়েল: বিশ্বাসের আলো জ্বালাই হরতে হয়। ইডা আললা হাকের হুকুম।

বিশ্বাসের আবার আলো হয় কী করে। বিশ্বাস মানেই তো অন্ধকার।

গ্যাব্রিয়েল: চুপ। একদম চুপ। আল্লা আল্লা যাই কইছে হেতাই করতে হইবো। কোন চুদুরবুদুর চলতো ন।

চুপ করলে কি বিশ্বাসের আলো জ্বলবে?

গ্যাব্রিয়েল:না। ইলাইগ্গা আন্নের ছিনার ভিতরে বাতাস ভরতে অইবো।

আমার হার্টবিট বেড়ে গেল। আমার সিনা। মানে বুক ছিদ্র করে বাতাস ভরবে? আমি কি তাহলে বাচুম? হালায় হাগল নাকি? আর একটু সাহস সঞ্চয় করে বললাম, আমি তো নিয়মিত শ্বাস প্রশ্বাস নেই, ভেতরে তো বাতাস ঢুকে। আর মানুষতো বাতাস ছাড়া...

গ্যাব্রিয়েল: ইতা বাতাস অইত ন। পিতিবির বাতাস নষ্ট অইগেছে।

আমার কি এখন চান্দে যাইতে অইবে? পৃথিবীর কাছাকাছি একমাত্র ঐখানেই মানুষ গেছে। চান্দে যে বাতাস নাই আমি তারে কমু না। আগে চান্দে নিয়ে যাক।

গ্যাব্রিয়েল: আন্নে হুইতা থাহেন। আঁই ব্যবস্তা করতাছি। এই হেতের চাইপা ধর।

আমি চিল্লা চিল্ল করার আগেই আমার হাত মুখ গলা সবাই মিলে ধরেফেলে। হালায় যে একলা আসে নাই এইডা আমার আগেই বুঝা উচিত ছিল।

তার পর কিছু কইতে পারি না। অনেক পরে উঠে বসলাম। তখনো অন্ধকার। গ্যাব্রিয়েল হালায় সামনে দাঁড়িয়ে হাসে।

গ্যাবরিয়েল: আঁন্নের কাম শ্যাষ, আন্নে এহন হত্তে হারবেন। আঁর লগেলগে শুরো করেন "পরম করুনাময়(লা) আল্লা হাকের নামে শুরু কচ্ছি...." বলেই চিঠি খানা পড়ে শোনালেন। ঘুম থেকে যখন জেগে উঠলাম তখন সকাল। টেবিলে কোনো চিঠি নাই।

চিঠিটা থাকলে স্ক্যান করে দিতে পারতাম। এতে আপনাদের ঈমান আরো মজবুত হইতো। কী আর করা! আমার স্মরণ শক্তি থেকে যেটুকু পেরেছি তুলে দিয়েছি। পুরা উত্তরটাই ছিল পুরান ঢাকা, চাটগাইয়া, ময়মনসিং এবং সিলেটি ভাষার সংমিশ্রিত। আমি সহজ বাংলায় স্মৃতি থেকে মূল বক্তব্যটা তুলে দিচ্ছি। ভুল-ভ্রান্তির জন্য আল্লা দায়ী নয়।

সকালে উঠে বিদ্যুৎ অফিসে খবর নিতে গেলাম রাতে কেন বিদ্যুৎ গেল? তারা বলে না রাতে কোন লোডশেডিং ছিল না। তার পর পাশের বাসায় খবর নিলাম। তারাও লোডশেডিং পায় নাই। তখন পাশের রুমে খবর নিলাম। সে বলল, আমি সারারাত কম্পিউটারে গেমস খেলতেছিলাম। কোনো বিদ্যুৎ যায় নাই। কী বলেন এই সব?

আমি এতক্ষণে বুঝতে পারলাম। এই সব অলৌকিকভাবে ঘটেছে। এসব গ্যাব্রিয়ালের কাণ্ড। কেউ যদি আমার ঘটনাকে অবিশ্বাস করেন, তবে প্রমাণ করেন বিদ্যুত কেন গেল? প্রমান করেন চিঠি কোথায় গেল?

আলোর পথ ছেড়ে নূরের পথে - ০৪


পাঠিয়েছেন ভৌমিক দা, দুষ্ট বালিকা, থাবা বাবা 

নিচে দেখুন ফাকিস্তানী সঙ্গীতশিল্পী জুনায়েদ জামশেদের দুইটা ছবি।