৩০ নভেম্বর, ২০১১

সূরা আত্ তাকাবি-না


লিখেছেন অজাতশত্রু

সূরাটা দিয়েছেন: এফসাইলন আইআর 

অবশেষে বেহেশতে আমার নিজের নামে একটা ফ্ল্যাট নিশ্চিত হলো।
শুনেছিলাম নবী হতে পারলেই নাকি বেহেশতে অটোমেটিক্যালি ফ্ল্যাট বরাদ্দ হয়ে যায়, তাও আবার নাকি ভ্যাট ট্যাক্স ফ্রী। তা যাই হোক শেষপর্যন্ত মহান আল্লা আমাকেও নিরাশ করলেন না। নয়া জামানার নবী হিসেবে আমারেও সিলেক্ট করেছেন.. তিনি অবশেষে আমার উপ্রেও একটা ছুরা ক্র্যাশ করলেন।

শানে নুজুল: আমি আমার টাউনের এক ইলেক্ট্রনিক্সের দোকান হতে একটা কার্ড রীডার কিনে বাসার উদ্দেশ্যে যাচ্ছিলাম। হঠাত্‍ আমার চোখে পড়লো এক অসম্ভবরকম সুন্দরী মেয়ে। আমি তার দিকে একবার তাকিয়ে চোখ ফিরিয়ে নিলাম। মনে মনে ভাবছিলাম মানুষ এত সুন্দর হয় কীভাবে? প্রায় সন্ধ্যে হয়ে এসেছিল, তখনই হঠাত্‍ আমার কাছে মনে হলো, যেন সময় স্থির হয়ে গেছে। আর কানে একজনের গায়েবী আওয়াজ শুনতে পেলাম। তখনই বুঝলাম এটা সূরা। এবং তা আমার উপরে নাজীল হচ্ছে। যেহেতু এটা রেলওয়েস্টেশন মার্কেটে নাজীল হয়েছিল তাই এটা একটা 'স্টেশন মার্কেটী' সূরা.. 

......সূরা আত্ তাকাবি-না......

হে মমিন, তুমি কি জানো না এই সমগ্র সৃষ্টির একজনই সৃষ্টিকর্তা আছেন ?

অতএব প্রসংশা করো কেবল তারই, যিনি তোমাদিগকে করুণা করে চোখ দিয়েছেন যেটা দিয়ে তোমরা এত সুন্দর দুনিয়া দেখতে পারো।

আর তোমরা দুনিয়াসক্তদের জানিয়ে দাও, ইহকালে কোন রমণীর* সৌন্দর্যে উন্মত্ত না হতে।

তাদেরকে নিষেধ করো ঐসব পাপীদের দিকে না তাকাতে, তাদেরকে সাবধান করো তোমাদের পূর্ববর্তীদের শোনানো গল্পে দোযখের শাস্তির বর্ণনা হতে। 

তোমরা অবশ্যই অবগত আছো যে, বেহেশতে তোমাদের জন্য কী (আর কারা) অপেক্ষা করছে।

মহান আল্লা অবশ্যই পরম করুনাময়।

[*শর্ত: তোমরা কেবল সেইসব রমণীদের দিকেই তাকাতে পার যাদের সমগ্র দেহ "বোরখা" দ্বারা আবৃত থাকে।]

পাপা-রাৎসি



ধর্মজাত মানসিক বৈকল্য


Paranoia-র অর্থ অনারোগ্য ও বিশেষ ধরনের মানসিক বৈকল্য। তবে ধর্মীয় Paranoia তার চেয়েও বেশি কিছু। এ বিষয়ে রিচার্ড ডকিন্সের সাড়ে পাঁচ মিনিটের বক্তৃতা। 

কুরআন - সকল গ্যানের উৎস


বানিয়েছেন john dmx


লিংকিন পার্ক - ২৭


১.
আমাদের এই গ্রহে প্রাণের উদ্ভব হয়েছিল কীভাবে, সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজেছেন ডেভিড অ্যাটেনবরো। অ্যাকশন মুভি দেখার মতো উত্তেজনা নিয়ে আমি দেখেছি এই ডকুমেন্টারি। দুই পর্বে নির্মিত দু'ঘণ্টার মাস্টারপিস। 

মমিন ভাইয়েরা, এই ছবি দেখিয়া নিজের সময় ও ঈমান নষ্ট করিবেন না। মিলিয়ন-বিলিয়ন বছর আগে কী ঘটিয়াছিল, তাহা জানিবার প্রয়োজন কী! আপনাদের জন্য রহিয়াছে সহজ ও সরল সমাধান: ৫-১০ হাজার বছর আগে আল্যাফাক কহিয়াছিলেন, 'কুন', অমনি সব হইয়া গেল। 

২.
সন্ত্রাসীদের আঁতুরঘর হিসেবে চিহ্নিত করে ৯০০টি মসজিদ বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। কোনও ইহুদি-নাছারা-কাফেরদের দেশে? না। ইসলামী রাষ্ট্র আলজেরিয়ায়। 

৩.
মমিনদের উদ্ভট নৃত্য। ভিডিওর নাম: টেকনো মোল্লা। মজাদার, যদিও মাথামুণ্ডু কিছুই বুঝিনি।
(লিংক: রকিব পারভেজ)

৪. 
আব্রাহামীয় তিন ধর্মের ঈশ্বর বিষয়ে বিবিসি-র তিন ঘণ্টার ডকুমেন্টারি। যদি দেখতে উৎসাহী হন কেউ!

৫.
বিবর্তন বিষয়ে ছহীহ দৃষ্টিভঙ্গি
(লিংক: আসিফ মহিউদ্দীন)

৬.
চার্চের চুদির্ভাইদের পরামর্শ মোতাবেক চিকিৎসা নেয়া বন্ধ করে ব্রিটেনে অন্তত ছয়জন HIV-আক্রান্ত রোগী মৃত্যুবরণ করেছে। তাদেরকে বলা হয়েছিল, শুধু ঈশ্বরই পারে তাদের সুস্থ করে তুলতে এবং ঈশ্বরকে ভজাতে চুদির্ভাইয়েরা প্রার্থনা করবে। স্কাই নিউজের রিপোর্ট ও ভিডিও। 

৭.
আসুন ধর্মকে জানি: ইসলাম ধর্মে ওরাল সেক্স বা মুখমেহন!

পুনশ্চ. মূল পোস্টটি সরিয়ে ফেলা হয়েছে। এখানে দেখুন গুগলের webcache থেকে। 


বাস্তবতার প্রথম পাঠ



সৌদি নারীদের জন্য উপদেশমালা


চৌদি আজবের নারীরা ইসলামের কল্যাণে সর্বোচ্চ সম্মানপ্রাপ্ত, তা তো আমরা সকলেই জানি। সেই সম্মান রক্ষার্থে তাদের কী কর্তব্য, How not to get punished for being a woman নামের 'শিক্ষামূলক' ভিডিওতে দেখুন। ব্যঙ্গের মাধ্যমে সত্যপ্রকাশ।

২৯ নভেম্বর, ২০১১

শান্তির ধর্ম - মেষবেশী নেকড়ে


বানিয়েছেন অবর্ণন রাইমস


মুহম্মদের কাক চালাকি - ১


লিখেছেন নাসির আবদুল্লাহ

যয়নাব পালিত পুত্র যায়িদের বিবাহিতা স্ত্রী। যাকে মুহম্মদ পরে বিয়ে করে (পরকীয়ার ব্যাপারটা এড়িয়ে গেলাম) ১৪টা বিয়ে করলেও মুহম্মদ শুধুমাত্র যয়নবের সাথে বিয়ে উপলক্ষ ছাড়া তার কোনো বিয়েতেই সামাজিক ভোজ-অনুষ্ঠানের অয়োজন করেন নি। কিন্তু যয়নবের সাথে বিয়ে উপলক্ষে বেশ কিছু ছাগল জবাই করে ৩/৪ দিন ব্যাপি বহুলোক সমাগমে বিবাহের সামাজিক অনুষ্ঠান পালন করা হয়। কারণ কী?

কোনো কালেই পুরুষ মানুষ বয়ঃজেষ্ঠা নারীদেরকে বিয়ে করে গর্ববোধ করেনি; বিশেষ করে সেই নারী যদি হয় দুইবার বিধবা এবং ৪/৫ জন সন্তানের জননী। পুরুষকে দোষ দিয়ে লাভ নাই, এটা পুরুষের জন্মগত প্রবৃত্তি।

খাদিজাকে বিয়ে করেও মুহম্মদের মনে একই প্রবৃত্তি কাজ করেছে, ধন-দৌলত কিংবা আশ্রয় এতিম মুহম্মদের কাছে পুরুষত্বের চেয়ে বেশী বড় হয়ে দেখা দেওয়ায় সে খাদিজাকে বিয়ে করে আবার এই অসম বিয়ে নিয়ে সে লজ্জাগ্রস্ত থাকার জন্য ব্যাপারটা গোপনে সেরে ফেলে।

খাদিজার মৃত্যুর পর সাওদা নামের একজন ৫৫ বছরের বৃদ্ধাকে মহম্মদ বিয়ে করে, খাদিজার শিশু-সন্তানদের লালন পালনের উদ্দেশ্যেই এই বিয়ে ছিল তাই এই বিয়েও অনাড়ম্বরে সারে সে।

আয়শা, আবু বক্করের মেয়ে জুবায়ের ইবন মুতিম এর বাগদত্তা। মুহম্মদের সাথে বন্ধুত্ব থাকার কারনে আবুবক্করের পারিবারিক সদস্যরা মুহম্মদের সান্নিধ্যে আসে, আয়শা তার ব্যতিক্রম নয়। (পুরুষের জন্মগত প্রবৃত্তিগুলোর অন্যতম আরেকটি হচ্ছে কুমারী কামনা, মুহম্মদ নিশ্চয়ই তার ব্যতিক্রম ছিল না) ৫২ বছরের বৃদ্ধ মুহম্মদের কুমারী সান্নিধ্যের অভিজ্ঞতা ছিল না। অন্যের বাগদত্তা আয়শাকে দেখে তার কাম জাগ্রত হয়। আয়শাকে স্বপ্নে দেখছি, আল্লাহ বলেছেন নানা অযুহাতে আবু বক্করকে মহম্মদ রাজী করায় তার সাথে আয়শার বিয়ে দিতে। কুমারী প্রাপ্তিতে মুহম্মদ আহ্লাদিত থাকলেও ৫৪ বছরের বুড়োর সাথে ৬ বছরের শিশুর বিয়ে! লোকলজ্জার ব্যাপারটা তো একদম উড়িয়ে দেয়া যায় না, তাই আবার সামাজিকতা ছাড়াই গোপনে হয়ে গেল বিয়ে।

পর্নালৌকিক


মাতা মেরির মূর্তির চোখ বেয়ে অশ্রু ঝরছে - এমন 'অলৌকিক' ঘটনার দাবি শোনা যায় প্রায়ই...


ঐশী মানেই ভুয়া


বাইবেলে অনেক ভবিষ্যদ্বাণী করা আছে। সঙ্গত কারণেই একটাও ফলেনি। অতি প্রিয় ইউটিউবার CultOfDusty এ প্রসঙ্গে পরম পোন্দনী ভিডিও বানিয়েছেন। দশটা মিনিট দেখতে দেখতে চলে যায়। অবশ্যদ্রষ্টব্য। 

যুগের চাহিদা: ছোট পরিবার সুখী পরিবার


পাঠিয়েছেন দীপংকর বন্দ্যোপাধ্যায়


ইসলামে শবকাম হালাল?


ইসলামে কি শবকাম (necrophilia) অনুমোদিত? মরক্কোর ইসলামবিদ Sheikh Abdelbari Zamzami-র মতে, মুসলিম পুরুষ তার সদ্যমৃত স্ত্রীর সঙ্গে যৌনসঙ্গম (ভিডিও এখানে) করতে পারে। রীতিমতোই শকিং, তাই নয় কি? 

কে এই Sheikh Abdelbari Zamzami? যা বুঝলাম, যেন-তেন ইসলামবিদ তিনি নন; এখানে বলা হয়েছে: he is formally a “الخبير في فقه النوازل“ which means an Expert in Exceptional Matters, issues that have not been delineated in the Quran, the Hadith, or anywhere in Sharia law. 

তো যা-ই হোক না কেন, ব্যাপারটি সন্দেহাতীতভাবে বিতর্কিত। তাহলে এই মওকায় আরও একটি বিতর্কিত স্লাইড শো দেখে নেয়া যাক। এতে শুধুমাত্র হাদিস ও অন্যান্য ইসলামী তথ্যসূত্র ব্যবহার করে বলা হচ্ছে, ইসলামের নবী এক মৃত নারীর সঙ্গে কবরে রাত কাটিয়েছিলেন। 

২৮ নভেম্বর, ২০১১

বিধাতা, তুমি কার?



যিশু - শ্রেষ্ঠতম বন্ধু


এক অস্ট্রেলিয়ান তার শ্রেষ্ঠ বন্ধু যিশুর সঙ্গে সকলের পরিচয় করিয়ে দিচ্ছে। লোকটা এতো ফাজিল!  


ধর্ম - বড়োদের রূপকথা



বাংলায় বান্দা-শরিফ (বান্দা-আয়াত সমগ্র)


খোমাখাতায় একদল কাফের কোরানের মতো পবিত্র কিতাবের ভাষারীতি অনুসরণ করে রচনা করতে শুরু করেছে বান্দা-শরীফ নামের একটি গ্রন্থ (ইয়া মাবুদ, তুমি ইহাদের তরে জাহান্নাম অপেক্ষা বাহাত্তর গুণ ভয়ঙ্কর দোজখ নির্মাণ করো!)। 

এই সিরিজটি সেই ফেসবুক গ্রুপের মডারেটরের অনুমতিক্রমে প্রকাশ করা হচ্ছে, যিনি ধর্মকারীর পাঠকদেরকে আহ্বান জানিয়েছেন বান্দা-শরীফ রচনায় অবদান রাখতে। 


সুরার নাম: সুরা আল-মুরগী 
(কোরানে সুরা গরু থাকতে পারলে সুরা মুরগী কি দোষ করেছে?) 
নাজিল হয়েছে হযরত Jupiter Joyprakash (রাঃ) এর উপর 

১. হে বুদ্ধিমান মুরগীগণ, তোমাদের প্রভুর নামে শ্রবণ করো। তিনি তোমাদের কল্যাণের নিমিত্ত এই সর্বোত্তম জীবন বিধান প্রদান করিতেছেন। তোমরা তোমাদের প্রভু ও তাঁহার বার্তাবাহক উভয়কে সম্মান প্রদর্শন করিয়া মনোযোগ সহকারে উহা পালন করিবে।

২. তোমরা কেবল তোমাদের মালিকের কাছে কৃতজ্ঞ থাক যিনি তোমাদের নির্জীব আণ্ডা হইতে ‘ইনকিউবেটর’ যন্ত্রের দ্বারা নির্মাণ করিয়াছেন। তোমাদের এই জীবন তাঁহার জন্য ত্যাগ করিতে সর্বদা প্রস্তুত থাকিও। ইহাতে কোনো প্রকার সন্দেহ রাখিও না।

৩. তোমরা তোমাদের প্রভুর শরণাগত হইয়া নিজেদের সর্বশ্রেষ্ঠ উম্মত রূপে প্রমাণ করিও। যাহারা তাহাদের প্রভুকে অস্বীকার করিয়া স্বাধীনতার নামে জংলীপনা করিয়া থাকে, তাহাদের সঙ্গ তোমরা বর্জন করিবে। ইহাতেই তোমাদের মঙ্গল।

৪. আর তোমরা দেখ, এই বিশাল খামার ও তাহার অন্তর্গত সমস্ত স্থাবর ও অস্থাবর বস্তু তোমাদের প্রভু সৃষ্টি করিয়া তোমাদের সেবায় নিযুক্ত করিয়াছেন। উর্দি ও লাঠিধারী যে সকল দূতেরা রাত্রিকালে রশ্মিযুক্ত হইয়া ঘুরিয়া বেড়ায় তাহারাও তোমাদের সেবাতেই নিযুক্ত। তাহাদের সঙ্গী দন্তকেলায়িত কুক্কুরগণও তোমাদের জন্যই। তোমরা তাহাদের জন্য নও।

৫. তোমাদের প্রভু জন্ম হইতে মৃত্যু পর্যন্ত তোমাদের খাদ্য-পানীয় যোগাইবার ভার লইয়াছেন। তিনিই গ্রীষ্মে শীতল বায়ু ও শীতে অগ্নির ব্যবস্থা করিয়া তোমাদের জীবন রক্ষা করেন। তোমরা তাঁহাকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন কর।

৬. তোমাদের ভোজন করিবার জন্য তোমাদের প্রভু যে সকল বস্তুকে পবিত্র করিয়াছেন, তাহা ভিন্ন অন্য কিছু ভোজন করিবে না। তোমরা যাহা ভোজন করিয়া থাক, সেই সকল বস্তুও কোনো অপরিচিত ব্যক্তির নিকট গ্রহণ করিবে না। মনে রাখিও, প্রভু তোমাদের জন্য যাহা পবিত্র করিয়া প্রেরণ করিয়াছেন তাহা ভিন্ন সব কিছুই ক্ষতিকর।

৭. তোমাদের প্রভু জানাইতেছেন যে তোমরা সূর্যোদয়কালে সমবেতভাবে সূর্যের দিকে গলা তুলিয়া প্রভুর নামকীর্তন করিবে। যে কেহ এটি করিতে পারিবে না, প্রভুর দূতেরা তাহাকে মারিয়া পুঁতিয়া ফেলিবে। মুরগী জাতির সামগ্রিক কল্যাণের জন্য তিনি এমন করিয়া থাকেন। এজন্য তোমরা তাঁহাকে নিন্দা করিও না। মূর্খেরা তাঁহার উদ্দেশ্য না বুঝিয়া তাঁহাকে দোষী করে।

সুনামি, অক্ষতঈমানী মসজিদ ও তার উত্থিত মিনার


সম্প্রতি খোমাখাতায় একখানা ভাইরাল ছবির বন্দনায় মমিন ভাই ও বোনেরা ঐশী রাগমোচন (orgasm) লাভ করছে। তাদের দাবি, জাপানের ভয়ংকর সুনামির সময় সব কিছু ধুলিস্মাৎ হয়ে গেলেও আল্যাফাকের অসীম করুণায় একটি মসজিদ নাকি তার উত্থিত মিনারসহ অটুট। ছবিটি এখানে গিয়ে দেখ আসুন। লিংক পাঠিয়েছেন ধর্মকারীর পাঠক তুষার। 

আসলে পরীক্ষা না করেই বিশ্বাস করার সুবিনীত প্রবণতা মমিনরা দমন করতে পারে না। একটু গুগলিয়ে ছবিটি ভুয়া বলেই ধারণা হলো আমার। আর এই সাইটে তো রীতিমতো গবেষণা করা হয়েছে ছবিটি নিয়ে। 

এখন ধরে নেয়া যাক, মসজিদের সেই ছবিটিতে কোনও ভেজাল নেই এবং আল্যাফাক সুনামি পাঠিয়ে সব ধ্বংস করে ফেললেও মসজিদটা অক্ষুণ্ণ রেখে তার অসীম ক্ষমতা এবং ইসলামের প্রতি তার স্পষ্ট পক্ষপাত প্রদর্শন করেছে। তাহলে প্রশ্ন জাগে, অতীতে ভূমিকম্প, সাইক্লোন, টর্নেডোসহ অন্যান্য প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের সময় অজস্র মসজিদ ধ্বংস হয়েছে কেন? একটি মসজিদ রক্ষার কারণে তাকে পরম করুণাময় বলা হলে অজস্র মসজিদ ধ্বংস করার কারণে তাকে সন্ত্রাসী বলা যাবে না কেন?



খোমাখাতার মমিন ভাইদেরকে প্রাকৃতিক দুর্যোগে ভেঙে পড়া অজস্র মসজিদের ছবিসহ রচিত একটি লেখার লিংক (পাঠিয়েছেন প্রিয়াম শংকর ঘোষ) দিন। লেখাটা তারা না পড়ুক, অন্তত ছবিগুলো দেখে তারা তাদের আল্যার সন্ত্রাসী রূপটা অন্তত দেখুক।  

আমার বোরখা-ফেটিশ – ৩১


ফ্যাশনদুরস্ত বোরখা।


এই বিশ্বব্রহ্মাণ্ডে নেহাতই তুচ্ছ আমরা - ১৬


অসাধারণ কিছু ভিডিও বানিয়ে খ্যাত TheThinkingAtheist-এর সাম্প্রতিকম মাস্টারপিস - কার্ল সেগানের কথনের ভিডিও-সঙ্গৎ। 

২৭ নভেম্বর, ২০১১

আরও তিনটি বিলবোর্ড





সূত্র

প্রায় প্রাসঙ্গিক:
একটি ঘটনা পড়ে পরম বিনোদিত হলাম। একজন তার টি-শার্টে বাইবেলের বাণী প্রিন্ট করিয়ে নিতে এক খ্রিষ্টান দোকানে গিয়েছিল। কিন্তু দোকানের কর্মচারিণী তা প্রিন্ট করতে অস্বীকৃতি জানায়। অবাক কাণ্ড না? অন্তর্বাস হলে নাহয় বুঝতাম। কিন্তু টি-শার্ট বাইবেলের বাণী প্রচার করবে, তাতে আপত্তির কী থাকতে পারে! 

বাণীটি পড়লে বুঝবেন: I do not permit a woman to teach or to have authority over a man; she must be silent. (Timothy 2:12) 

তাই ভাবছিলাম, সুরা-আয়াত উল্লেখসহ বাংলায় কোরানের কিছু 'মহান' বাণী প্রিন্ট করানো টি-শার্ট পরে ঘুরে বেড়ালে মমিনরা কি কল্লা নামিয়ে দেবে? কোরানের বাণী প্রচার করা সত্ত্বেও? 

আহা, কোরানের এ জাতীয় বাণীসম্বলিত বিলবোর্ডে বাংলাদেশ যদি ভরিয়ে দেয়া যেতো! বড়ো বড়ো অক্ষরের বিজ্ঞাপনে ছয়লাপ করে দেয়া যেতো পত্র-পত্রিকা-টিভি! হায়, স্বপ্ন... স্বপ্ন...

মিতকথন


১. 
নাস্তিক বা মানবতাবাদীরা আস্তিকদের উদ্দেশ্যে কিছু বললেই তাদের ধর্মানুভূতিতে আঘাত লাগে!

তাদের যে 'অনুভূতি' বলে কোনো ব্যাপার বা বস্তু মস্তিষ্কে আছে, আমার এটা বিশ্বাস হয় না। তরবারি দিয়ে মানুষের মাথা কাটা দেখে যারা উল্লাস করতে পারে, তাদের 'অনুভূতি' যে কতোটা কোমল-তরল-স্নিগ্ধ ইত্যাদি ইত্যাদি তা সবারই জানা!

এদের 'ধর্মানুভূতিতে' আঘাত লাগে না; লাগে 'ধর্মতরবারিতে'; আমরা তার প্রতিক্রিয়া দেখতে পাই।

- মাজহারুল ইসলাম

২. 
ওইদিন প্রস্রাব করতেছিলাম। নুনুর অগ্রভাগ মনে হয় পশ্চিম দিকে ছিল। সাথের তাবলিগি বন্ধু হায় হায় কইরা বইলা উঠলো, করস কী? আমি তার লগে সামান্য আধ্যাত্মিকতা মারায়াইয়া কইলাম, তাইলে এমন এক দিকে নুনুটা ঘুরাইয়া দে, যেদিকে আল্লাহ নাই। ব্যাটা কিছুক্ষন চিন্তা কইরা কইল, তুই হালা আমার আগেই বেশ্তে যাবি। 

- হৃদয় রাজ খান

চাই নির্মগজ মমিন



সৃষ্টিতত্ত্ববাদ: ভিত্তিহীন, ভুয়া, ভুঁইফোড়


খুবই সহজ-সরল ভাষা ও যুক্তি ব্যবহার করে (ভিডিওর মাঝখানে দারুণ মজাদার একটি মুহূর্ত আছে) ধুয়ে ফেলা হয়েছে সৃষ্টিত্ত্ববাদকে। মাত্র চার মিনিটের ভিডিও।

হা হা হা


পূর্ণাকারে দেখতে ছবির ওপরে ক্লিক করুন

লিংকিন পার্ক - ২৬


১. 
ধর্ম কেন নৈতিকতার উৎস হতে পারে না, তা দু'মিনিটের ভিডিও দেখে অত্যন্ত সহজভাবে বুঝে নিন। 

২.
ছহিহ ইছলামী চিকিৎছা তরিকা! দৈহিক ও অ-দৈহিক যাবতীয় রোগ-বালাই আসান সম্ভব কোরানপাঠের মাধ্যমে। অ-মুসলিমদের ক্ষেত্রেও এই পদ্ধতি সমান কার্যকরী। দুনিয়ার ডাক্তারদের উপার্জনের দিন শেষ। বন্ধ করে দিতে হবে ওষুধ প্রস্তুতকারী সমস্ত কারখানা। 

৩.
খ্রিষ্টানেরা আমেরিকায় অন্যায্য যে সুযোগ-সুবিধেগুলো পায়, তার একটা ফিরিস্তি।  

৪.
হতাশ হয়ে পড়ি, যখন দেখি, মুসলিমারা ইসলামে তাদের নিম্নশ্রেণীর প্রাণীর স্ট্যাটাস নিয়েই সন্তুষ্ট। মিশরের সংসদ নির্বাচনে এক মহিলা প্রার্থী বলেছে, মেয়েরা পুরুষদের চেয়ে পিছিয়ে আছে বুদ্ধিমত্তায় ও ধর্মপালনে। তাই মেয়েদের যোগ্যতা নেই রাষ্ট্রপরিচালনার। সে শরিয়া আইন প্রবর্তনের পক্ষে, ছেলে-মেয়ের মেলামেশার বিপক্ষে... 

৫.
ইহুদি ইতরামি। নারীরা, তোমরা বসবে বাসের পেছনে। সামনের আসনগুলো পুরুষদের জন্য সংরক্ষিত। 

৬. 
ঈশ্বরের অস্তিত্ব প্রমাণ অসম্ভব। কারণ: 1. Humans will never have the cognitive capacity to directly understand anything with infinite powers or qualities. 2. Humans will never have intellectual reasons to indirectly demonstrate the existence of anything with infinite powers or qualities. 3. There are only two kinds of proofs for God: direct understanding or indirect demonstration.
অনুসিদ্ধান্ত: Humans will never have any proofs for God.

৭.
ন্যুড-বিচের কথা তো আমরা সবাই জানি, কিন্তু ন্যুড চার্চ? বিশ্বাস হচ্ছে না? লিংকে একটি ভিডিওও এমবেড করা আছে। 

২৬ নভেম্বর, ২০১১

ইঙ্গিত বোঝে না অবোধ বালক



নাস্তিকেরা রাগী কেন


পৃথিবীর ইতিহাসে ধর্মগুলোর ঘটানো অগণ্য গণহত্যা, নির্যাতন, অত্যাচার, সন্ত্রাস আস্তিকদের চোখে পড়ে না। তবে নাস্তিকেরা নিজেদের অধিকার দাবি করে বা ধর্মগুলোর সমালোচনা করে গলা উঁচিয়ে কথা বললেই তাদের জুটে যায় 'রাগী' খেতাব। বিতর্কের সময় গালিগালাজে অধিকাংশ আস্তিকের সাবলীল দক্ষতার প্রসঙ্গ নয় না-ই তুলি। 

হ্যাঁ, অনেক নাস্তিকই রাগী। তবে তাদের ক্রোধ হানিকর নয়। অন্তত আস্তিকদের ঘটানো অপকর্মের তুলনায় সেটা তো ধর্তব্যের ভেতরেই পড়ে না। 

নাস্তিকেরা রাগী কেন, এ বিষয়ে অতীব অ-সা-ধা-র-ণ ও সরস বক্তব্য রেখেছেন খ্যাতনামা নাস্তিক ব্লগার গ্রেটা ক্রিস্টিনা। আমাদের ক্ষোভের এতো যুক্তিযুক্ত কারণ আছে যে, একটি পূর্ণ বিশ্বকোষ লিখে ফেলা সম্ভব বলে বলেছেন তিনি। আটচল্লিশ মিনিটের অবশ্যদ্রষ্টব্য ভিডিও। মুগ্ধ হয়ে শোনার মতো।

অলৌকিক বল্দার্গু



আদমচরিত ০৪৮


লিখেছেন মুখফোড়

গিবরিল আসিয়া হাঁপাইতে হাঁপাইতে কহিল, "শিগগীর আইস, সর্বনাশ ঘটিতেছে!"

আদম খড়শয্যায় অর্ধশায়িত হইয়া সাভিনিবেশে একটি পাতলা পুস্তক পাঠ করিতেছিল, মনোসংযোগে বিঘ্ন ঘটায় সে চটিয়া কহিল, "সর্বনাশের জন্য কিছু বাকি আছে নাকি? আমার যা কিছু ছিল বুঢ়বাক ঈশ্বরের চক্রান্তে মাটি হইয়াছে। মহাপ্লাবনে স্বর্গ ডুবিলেও আমার কিছু আসে যায় না হে গিবরিল!"

গিবরিল কহিল, "তোমার বাড়ির পিছনের বাঁশবাগানটি শয়তান ইজারা লইয়াছে!"

আদম সাবধানে পাতলা পুস্তকটি বালিশের নিচে চালান করিয়া দিয়া কহিল, "বিদ্যালাভের সময় সর্বদাই বিপত্তি ঘটে রে গিবরিল। চল দেখিয়া আসি।"

কয়েক শত গজ পা চালাইয়া নিকটস্থ বাঁশঝাড়ের সমীপে আসিয়া দুইজনে দেখিল, শয়তান আরও কতিপয় স্বর্গদূত সঙ্গে লইয়া ফিতা লইয়া বংশদণ্ডের আকার প্রকার মাপজোক করিতেছে।

আদম হাঁকিয়া কহিল, "সুপ্রভাত বন্ধু! হঠাৎ বাঁশঝাড়ে? বলি মতলবখানা কী?"

শয়তান ডাক শুনিয়া পিছু ফিরিয়া আদমকে দেখিয়া মধুর হাস্যে কহিল, "সুপ্রভাত আদম! ভাবিলাম, অনেক তো হইল, এইবার কৃষিকাজে মন দেই।"

গিবরিল ফুঁসিয়া কহিল, "বাঁশ কবে কৃষিখাতের অন্তর্ভুক্ত হইল?"

শয়তান স্মিত মুখে কহিল, "মেসোপটেমিয়ায় কিছু জমি কিনিয়াছি হে বার্তাবাহক শ্যালকপুত্র। শুনিয়াছি আগামীর জগত কনস্ট্রাকশনের জগত। চারিদিকে সেতু বাঁধ দালান রাজপথ নির্মাণ হইবে। তখন বাঁশের চাহিদা বিপুল বাড়িবে। তাই আগেভাগে ব্যবসার পথ সুগম করিতেছি।"

আদম গিবরিলকে কহিল, "চল গিবরিল, শুনিলেই ত। চিন্তার কিছু নাই।"

শয়তান পকেট হইতে একটি চশমা আর একটি ভার্নিয়ার ক্যালিপার্স বাহির করিয়া কহিল, "তিষ্ঠ আদম। আসিয়াই যখন পড়িয়াছ, তখন তোমার গুহ্যদ্বারের ব্যাসখানা মাপিয়া লই।"

ঈশ্বরের বিশ্বসৃষ্টি



নারীপ্রহার বজায় রাখার সপক্ষে মমিন-মিছিল


নিশ্চয়ই ইসলাম নারীকে দিয়েছে সর্বোচ্চ সম্মানিত স্থান।

মালদ্বীপে নারীদেরকে বেত্রাঘাত করে শাস্তি দেয়ার প্রথা রহিত করার আহ্বান জানিয়ে জাতিসংঘের মুখপত্র সেখানকার মুসলিমদের শত্রু বনে গেছেন। মমিনরা মিছিল করে প্রতিবাদ করছে। নারীপ্রহারের বিনোদনী দৃশ্য দেখা থেকে বঞ্চিত তারা হতে চায় না। 

প্রসঙ্গত বলে রাখা প্রয়োজন, মালদ্বীপের রাষ্ট্রীয় ধর্ম ইসলাম এবং অন্য যে কোনও ধর্মের চর্চা সেখানে নিষিদ্ধ। 

প্রচারে বিঘ্ন – ২২



ছবিটি বোধগম্য হচ্ছে না? come শব্দটির ভিন্ন সতেরো নম্বর অর্থ দেখে নিন।

২৫ নভেম্বর, ২০১১

ইসলামী ইতরামি: বারোখানা


১.
'আমার পুত্র আগে ছিলো সাধারণ আমেরিকানের মতো। কিন্তু যখনই সে ইসলাম গ্রহণ করলো, সে বদলে গেল', বলেছেন সন্ত্রাসী সন্দেহে গ্রেপ্তারকৃত ধর্মান্তরিত মুসলিমের মা।

২. 
একটি পুরনো ভিডিও - তবে ইসলামী ইতরামির উৎকৃষ্ট একটি উদাহরণ। দেখুন ও নয়ন-মন সার্থক করুন।

৩.
একুশ বছর ধরে সেটি ছিলো আহমেদিয়া মুসলিম সম্প্রদায়ের মসজিদ, হঠাৎ করে অনুমতি সংক্রান্ত নীতিভঙ্গের অভিযোগে তা বন্ধ করে দেয়া হলো বিশ্বের সবচেয়ে বড়ো ইসলামী রাষ্ট্র ইন্দোনেশিয়ায়।

৪.
ইসলামী সন্ত্রাসীদের জন্য অর্থসংগ্রহ প্রবাসী সাচ্চা মুসলিমদেরই কাজ।

৫. 
কনসার্ট শুরু অপেক্ষায় জনতা। সেই সময় তেড়েফুঁড়ে স্টেজে উঠে এলো অনাহুত এক মোল্লা। 'সঙ্গীত শয়তানের সৃষ্টি, অতএব তা পাপময় এবং সে কারণে ইসলামে হারাম' - এই ঘোষণা দিয়ে সে গেঁড়ে বসলো স্টেজে। ফল হলো এই যে, পণ্ড হয়ে গেল সেই কনসার্ট।

৬. 
নারী ধর্ষিতা হয়েছে? ইসলামী বিচার: হয় তাকে বারো বছর জেল খাটতে হবে, নয় বিয়ে করতে হবে ধর্ষককে।
(লিংক: হাঁটুপানির জলদস্যু)

৭. 
ইলেকট্রিক কেবল চুরি করার দায়ে এক তরুণের হাত কেটে ফেলা হয়েছিল, পরে প্রচুর রক্তক্ষরণের ফলে সে মারা যায়। কিছুই করার নেই। নিখুঁত ইসলামী বিচার। চোরের হাত কেটে দেয়ার বিধান কোরানেই আছে।

৮. 
মুসলিমরা সংখ্যাগরিষ্ঠ হলে অন্য ধর্মাবলম্বীরা সেখানে সুখে থাকবে, সেটা সম্ভব নয়। টাইম পত্রিকার রিপোর্ট।

৯. 
চেচেন কবিকে হত্যা করেছে স্থানীয় বিচ্ছিনতাবাদীরা। তাঁর কবিতা তাদেরকে ক্ষুব্ধ করেছিল।

১০. 
বয়ফ্রেন্ড থাকার অপরাধে নিজের তিন কন্যাকে হত্যাকারী পিতা বলেছে, তারা যদি আরও একশোবার পুনরুজ্জীবিত হয়ে ওঠে, সে তাদের একশোবারই খুন করবে। কারণ তারা ইসলামের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে।

১১. 
জার্মান বয়ফ্রেন্ড ছিলো বলে নিজের বোনকে হত্যা করে তৃপ্তিলাভ করেছে আরেক মুসলিম। আমি একবিন্দু বাড়িয়ে বলিনি। সে তৃপ্তিলাভের কথাই বলেছে। ভিডিওতে দেখুন।

১২. 
পাকিস্তানী তালিবান ও আল কায়েদার যৌথ কৃতিত্বে গত সাড়ে চার বছরে নিহত হয়েছে কম পক্ষে পঁয়ত্রিশ হাজার ব্যক্তি। 

লাগসই পদ্ধতি



হত্যাই যখন মোনাজাতের সমান


ইহুদিহত্যা মোনাজাতের সমান। ইহুদিদের হত্যা করার মাধ্যমে আল্লাহর নিকটতর হওয়া যায়।

স-সাবটাইটেল ভিডিও। সঙ্গে ট্র্যান্সক্রিপ্টও দেয়া হলো।

ধর্মের বিরল সত্যকথন



অবর্ণিত পংক্তিমালা - ০৪


লিখেছেন অবর্ণন রাইমস

১০. 
একদা মফিজ কহিয়াছিল, সূর্য পৃথিবীর চারিপাশে ঘুরে। আমরা গম্ভীরমুখে তাহাকে কহিলাম, না বৎস, সূর্যের চারিপাশে পৃথিবী ঘুরে। মফিজ আমাদিগের কতকের গলা কাটিল, কতককে আগুনে পোড়াইল, কতককে ফাটকে পুরিল। তবে শেষরক্ষা হইল না। মফিজ স্বীকার করিল যে, সূর্যের চারিপাশে পৃথিবী ঘুরে। তবে একইসাথে যোগ করিল, সে বিশ্বাস করে পৃথিবীর চারিপাশে সূর্য ঘুরে। বিশ্বাসের উপর তো কোনো কথা নাই, তাই না?

কয়দিন আগে মফিজ বলিয়াছে, বিবর্তনবাদ ...ঠিকাসে, তবে সে বিশ্বাস করে আদম-হাওয়া হইতে মানুষ আসিয়াছে। বিশ্বাসের উপর তো কোন কথা নাই, তাই না? 

মফিজ কহিল, চৌদিআষভ দেশে গমন করিলে ঐদেশের আইন মানিয়া মুণ্ডুচ্ছেদ প্রথা মানিয়া লইতে হইবে। এর বিপক্ষে কোনো আন্দোলন করা চলিবে না। তবে তার বিশ্বাসমতে, ফ্রান্সে গেলে সেই দেশের আইনের বিপক্ষে আন্দোলন করিয়া শরিয়া আইন কামনা করা যায়েয আছে।

মফিজের "বিশ্বাস" বড়ই আজব এক বস্তু।

১১. 
মানুষের স্বাভাবিক ধর্ম মানবতা। সেই স্বাভাবিক ধর্মের কোনো বই নেই, মোল্লা-পুরুত-যাজক নেই, কোনো অযাচিত চোখ রাঙানি নেই। মানবতা শেখায় মানুষের মতো আচরণ। যে অস্বাভাবিক ধর্ম মানুষকে অন্য মানুষের হাত কেটে ফেলতে বলে, সে দেখে না ক্ষুধার জ্বালায় সেই মানুষটি চুরি করতে গিয়েছিলো কি না। যে ধর্ম সংশোধনের বদলে প্রতিশোধ নিতে শেখায়, মানবিকতার বদলে হিংস্রতা শেখায়, সে পিশাচের ধর্ম হতেও পারে, মানুষের ধর্ম কখনোই নয়।

১২. 
আমাদের অনেকের মনেই প্রশ্ন আসে। একশটা লোকের মাথায় প্রশ্ন আসে। সত্তুরজন ধর্মে বিশ্বাস হারানোর ভয়ে প্রশ্নটাকে মনের গহীনে ডুবিয়ে দেয়। আরো ত্রিশজন প্রশ্নটা পাশের মানুষের কাছে জানায়। পাশের জনের চোখ রাঙানি খেয়ে বিশজনের প্রশ্নই চাপা পড়ে যায়। বাকি দশটা মানুষ নিজেই উত্তর খুঁজতে থাকে। এবং আশার কথা, উত্তর তারা খুঁজে পায়। মানুষের বিজ্ঞান, সাহিত্য, দর্শন আর সঙ্গীত, প্রতিদিন আরো বেশি মানুষের মনে প্রশ্নের বুদবুদগুলোর জন্ম দিচ্ছে। কাল্পনিক ঈশ্বরের রূপকথার দিন আর খুব বেশি সময়ের নয়।

পৃথিবীর ১.১ বিলিয়ন মানুষ আজ ধর্মের নিগড় থেকে বেরিয়ে এসেছে। মানুষ আরো প্রশ্ন করতে শিখুক, চাওয়া এই একটাই।

যোগী শাখামৃগ



২৪ নভেম্বর, ২০১১

সে কথা রাখেনি


আজম খানের খুব জনপ্রিয় একটা গান ছিলো: আসি-আসি বলে তুমি আর এলে না...
কিশোর কুমারেরও একটা দারুণ গান ছিলো: সে তো এলো না...
আশা ভোঁশলেরও দুর্দান্ত একটা গান ছিলো: কথা দিয়ে এলে না...

যিশু আবার ফিরে আসবে বলেছিল। তার মৃত্যুর পরে হাজার দুই বছর কাটলো, সে কথা রাখেনি। যদিও সে 'এই এলো' বা 'আসছে' শোনা গেছে অগণ্যবার। কিন্তু কতো ধর্মবাজের কতো ভবিষ্যদ্বাণী ডাস্টবিনে নিক্ষিপ্ত হয়েছে, যিশু আর ফিরে আসেনি।

সে কেন ফিরছে না, সে বিষয়ে একটি খুব মজাদার গান শুনলাম। গানটির সুর নেয়া হয়েছে বিটলসের ড্রামবাদক রিংগো স্টারের গাওয়া It don't come easy থেকে। এ প্রসঙ্গে স্মর্তব্য, এই গানটি তিনি ১৯৭১ সালে কনসার্ট ফর বাংলাদেশ-এ গেয়েছিলেন। নিচের ভিডিও দেখার আগে এই গানটি শুনে নেয়াই উচিত হবে। গানটির শুরুতে এবং বিশেষ করে শেষে দর্শকদের হর্ষধ্বনি লক্ষ্য করার মতো।

বাল্যকালীন মগজ ধোলাই


পাঠিয়েছেন থাবা বাবা

মগজ যখন অপরিপক্ক, তখনই সেটির ওপরে ধোলাইকর্ম চালানোর শ্রেষ্ঠ সময়।


তবে মগজধোলাইয়ের সুদূরপ্রসারী প্রতিক্রিয়া একেবারেই বিরল নয়। একটি উদাহরণ। পুরাই অ্যাডাল্ট ছবি। তাই লিংকে ক্লিক করার আগে ইমোটা খিয়াল কৈরা!

জায়িদ কথন - ০১


পড়তে হবে পুঁথিপাঠের সুরে। পুঁথিপাঠের সুর সম্পর্কে ধারণা নেই? এখান থেকে শুনে নিন। 

লিখেছেন নাসির আবদুল্লাহ 

আআআআআ, আই আই, আই আই, আই আই-
উরপে-নিচে-আগে-পিছে যত মানুষ জন
মম্মদ মিয়ার ইস্কি-ফিলিং শুনেন দিয়া মন;
কন্যায় জয়নব বিবি

কন্যায় জয়নব বিবি, বদের ঢিবি ফিক্কির ফিক্কির হাসে
তাইনা দেখে মম্মদ মিয়ার লুঙ্গি জলে ভাসে
বলেন চুভান লাল্লা

বলেন চুভান লাল্লা তেনার লিল্লা বুজা বড়ই দায়
সরল পথের কথা কইয়া, ব্যাকা পথে যায়
নাসের মরে লাজে

নাসের মরে লাজে চোখের মাঝে, মম্মদেরো লিলা
জয়নবেরো দৃষ্টিবানে ঈমান ওইলো ঢিলা,
বলেন ছি ছি

বলেন ছি ছি, বলে কি, তাও কি ওইতে পারে?
আল্লার রসুল মম্মদ মিয়া কেমনে তাহা করে?
যতই ছি ছি

যতই ছি ছি আমার কি? হাচা কতা কই
জয়নবেরো শইলের লাগি মম্মদ লিখছে বই,
শুনেন মোনো দিয়া।

শুনেন মোনো দিয়া, জায়িদ মিয়া- সুবোধ বালক ছিল
পিতা মাতা হারায় জায়িদ বড়ই অসায় হইল
ব্যথায় ভরে হিয়া

ব্যথায় ভরে হিয়া মম্মদ মিয়া বাঞ্ঝা (বন্ধ্যা) আছিল,
তারি লাগি ওরসে তাহার পুত্র-কন্যা না আসিল
বলেন নাউযুপিল্লাহ!

বঅঅঅলেন নাউযুপিল্লাহ, কাফের হইলা নাসের মিয়াগন,
খাদিজারো বুদ্দি-কলে, জায়িদের হইলো আগমন
মম্মদ মুচকি হাসে

মম্মদ মুচকি হেসে ভালবেসে জায়িদেরে পুত্র ডাকিল,
এতিম বালক বাপ ডাকিয়া নিজের পরানো জুড়াইল
বলেন আলামুলিল্লাহ...

যার যা কর্ম



ধর্মহীন ধরাধাম - শ্রেয়তর ধরাধাম


ধর্ম না থাকলে এ বিশ্ব শ্রেয়তর হতো - এই বিষয়ক বিতর্কের সপক্ষে ব্রিটিশ দার্শনিক A.C. Grayling-এর আড়াই মিনিটের বক্তৃতা। স্রেফ অনবদ্য। বিশেষ করে 'মডারেট ধার্মিক" প্রসেঙ্গ তাঁর বক্তব্য বড়োই কৌতূহলোদ্দীপক। 

ইউটিউবে এই ভিডিওর নিচে একজন মন্তব্য করেছে: He's a polite Hitchens

স্বর্গের দুয়ার



২৩ নভেম্বর, ২০১১

নারী কাব্য


লিখেছেন থাবা বাবা

নারী শষ্য নারী কর্ষ 
নেই তো নারীর বিষাদ-হর্ষ,
পুরুষ হবে অগ্রগণ্য
নারী তারই ভোগ্যপণ্য!!

নারী মাতা, নারী ত্রাতা, 
হেঁসেল ঠেলে খাদ্যদাতা।
খেয়ে পুরুষ পেটটি ভরে
খোদার কাছে শোকর করে!!

বন্দী থাকো ঘরে নারী 
হেঁসেল তোমার মিতা,
আদর্শ হও তাদের মতো
দ্রৌপদী ও সীতা!!

নারী হলো নরকেরই দুয়ার, 
নারী হলো সকল পাপের খনি;
কিন্তু পুরুষ মক্কাতে যায় হজে,
গিয়ে সেথায় চাটে লাতের যোনী!!

থাকবে নারী ঘরের ভেতর বন্দী 
নিষিদ্ধ সব সঙ্গ পুরুষ জীবের,
কিন্তু তাতে নেই তো কোনো মানা
যত্ন করে পূজোয় লিঙ্গ শিবের!! 

আমার বোরখা-ফেটিশ – ৩০



দু'টি বিবর্তন-সঙ্গীত


প্রথম ভিডিও ডারউইনকে নিয়ে। দ্বিতীয়টি বিবর্তন বিষয়ে। দুটোতেই চমৎকার অ্যানিমেশন।

সম্মেলন



বাঙালি মুসলিমমানস


লিখেছেন অমিয় উজ্জ্বল

আসলে বাঙালি মুসলমানের মন বড় অদ্ভুত। সে একই সাথে অনেক কিছু চায়। 
  • সে লিবারেলিজম চায়, আবার ইসলামও চায়। 
  • সে ইংরেজি চায়, আবার মাদ্রাসাও চায়। 
  • নারী চায়, হেজাবও চায়। 
  • সুদ চায়, আবার ইসলামিক ব্যাংকিং চায়।
  • ঘুষ চায়, হজ্ব চায়। 
  • গীতবিতান, আমপারা, কোরান শরীফ, হারমোনিয়াম সবই তার ড্রইংরুমে চায়। 
  • তরুণী-মুখো পাখাওয়ালা বোরাক, কাবাঘর, তীরবিদ্ধ দুলদুল, শাহরুখ, মাধুরী, সালমান শাহ সব ছবিরই তার কাছে সমান কদর। 
  • মক্কা চায়, মুম্বাইও চায়। 
  • পিস টিভি চায়, স্টার প্লাস চায়, এইচবিও-ও চায়। 
  • লাদেনকে বাহবা দেয়, গাদ্দাফিকে বাঘের বাচ্চা বলে, তবে পাত্র খোঁজে আমেরিকান গ্রীনকার্ডধারী। 
  • “দেশি মডেল” “হটি জোকস” পেইজে লাইক দেয় আবার “ইসলামিক লাইফ” পেইজেও লাইক দেয়। 
  • ১৮ প্লাস পোস্ট এবং নবীজির স্মৃতি বিজড়িত স্থান সমূহের ছবি সম্বলিত পোস্ট দুটোতেই সমান হুমড়ি খায়। 
সূত্র: আসিফ মহিউদ্দীনের এই পোস্টের চার নম্বর মন্তব্য
~~~~~~~~~~~~~~~~~

ধর্মকারীর পাঠকেরা, আসুন, আমরা এই ফিরিস্তিতে আরও কিছু যোগ করার উদ্যোগ নিই। আমি একটা দিলাম: 
  • মদ্যপানের মওকা সে ছাড়ে না, আবার জমজমের পানিও তার চাই। 

সৃষ্টিকর্তার আয়ের হিসেব



২২ নভেম্বর, ২০১১

ইসলাম - অবলা নারীর রক্ষক


ইসলাম নারীকে দিয়েছে সর্বোচ্চ সম্মান। নারীর প্রতি ইসলামের বিশেষ দায়িত্ব। তাকে পদে পদে নজরে রাখা, তার সমস্ত আচরণ নিয়ন্ত্রণ করা পুরুষের কর্তব্য। কারণ নারীরা হচ্ছে ভেড়ার পাল এবং পুরুষেরা মেষপালক। ঠিক এই ভাষাই ব্যবহার করেছে নারীজাতির মঙ্গলকামী মোল্লা। 

পুরুষ-ডাক্তারের কাছে যাবার অধিকার তার নেই, ট্যাক্সিতে চড়া নিষিদ্ধ যদি পুরুষ-ড্রাইভার তাতে একা, যেসব পুরুষের সঙ্গে নারীর বিয়ে হবার তত্ত্বগত সম্ভাবনা রয়েছে, তাদের কারুর সঙ্গে একা তাকে থাকতে দেয়া যাবে না, ক্ষুধার্ত হলেও পিৎসা বা ওই জাতীয় কোনও খাদ্য অর্ডার দেয়া তার জন্যে হারাম যদি সে বাসায় একা থাকে, সন্তানের পুরুষ-শিক্ষকের সঙ্গে দেখা করার অধিবার তার নেই, পুরুষ-কর্মচারীর সঙ্গে হাসি-ঠাট্টার প্রশ্নই আসে না, পুরুষ-নারীর অর্ধউলঙ্গ ছবি সম্বলিত পত্রিকা নারীকে পড়তে দেয়া যাবে না...

এভাবে কি নারীর ওপরে জোর-জবরদস্তি করা হচ্ছে? হরণ করা হচ্ছে তাদের স্বাধীনতা? মোটেও তা নয়, এভাবে নারীজাতিকে পুরুষ রক্ষা করছে কুকর্ম থেকে, বিপজ্জনক পরিপার্শ্ব থেকে...

বলেন, সোবহানাল্লাহ।

পোঁদ-উন-নবী


আরও স্পষ্ট করে দেখতে ছবির ওপরে ক্লিক করুন

পূর্বে প্রকাশিত প্রাসঙ্গিক পোস্ট। অবশ্যদ্রষ্টব্য।

লিংকিন পার্ক - ২৫


১.
ঈশ্বর-বন্দনার অভিনব একটি পন্থা। ছবি দেখুন।
(লিংক: থাবা বাবা)

২.
ভারতীয় নাগা বাবাদের ভিডিও। একটা দেখে শখ না মিটলে সাইডবারে আরও পাওয়া যাবে। 
(লিংক: ভৌমিকদা) 

৩. 

৪.
(লিংক: রাসেল)

৫.
বুখারি শরীফের হাদিসে উল্লেখ আছে: নবীজিকে আল্যাফাক দিয়েছিলেন তিরিশজন পুরুষের যৌনক্ষমতা। প্রাসঙ্গিক ইলাস্ট্রেশন। 
(লিংক: উজ্জ্বল)

৬.
খুব চমৎকার একটা ভিডিও। নাম - দ্য জার্নি অভ লাইফ। 
(লিংক: লাইট ম্যান) 

৭. 
তৈলসমৃদ্ধ ও সে কারণেই ধনী আরব জাহানের তো মূর্তিমান স্বর্গ হবার কথা। তবু কেন যে সে অঞ্চলের ৭০ শতাংশ তরুণ ও যুবক ইহুদি-নাসারা-কাফেরদের দেশে অভিবাসনে যেতে উন্মুখ! 

নিত্য নবীরে স্মরি – ৪৪


বানিয়েছেন গজব-এ-এলাহি


আমার উপরেও!


লিখেছেন অজাতশত্রু

ওহী নাজিলের পূর্বকথা:

ছোটবেলা থেকেই আমি সঙ্গীতের প্রতি খুব দুর্বল। তাই হারমোনিয়াম আর কীবোর্ড শিখে ফেলেছিলাম। দুই বন্ধু মিলে একটা গানের অ্যালবামের কাজ শুরু করলাম। সেই বন্ধুর কীবোর্ড থাকায় ওর বাসায় গিয়ে কাজ করতে হত। ওর বাসা রাজারবাগের কাছেই। একদিন সন্ধায় ওর বাসায় গিয়ে গানের ধুন তোলার সাথে সাথে আমার বন্ধুটার কাছে তার আরেক বন্ধু আসলো। সে আমাদেরকে বললো, আল্লাহ নাকি গান করতে মানা করেছেন। আমি প্রায় হেসেই ওর বাসা থেকে বের হলাম। রাত হয়ে গিয়েছিলো। গলির ভেতর দিয়ে হেঁটে বড় রাস্তার দিকে যাচ্ছিলাম। তখনই মনে হল, আকাশবাণী হল একটা। নাজিল হল আমার উপর একটা সূরা। কানে এসে কে যেন সূরাটা আমাকে বলল। রাজারবাগে ঘটা ঘটনার জন্য সেটা হল রাজারবাগী সূরা, সূরা মানা-এ-করবানা। 
"আল্লাহ তোমাকে সৃষ্টি করেছেন। তিনি তোমার প্রতিপালক। তিনি এই পৃথিবীর সকল কিছু সৃষ্টি করেছেন। গান বাজনা নিষিদ্ধ করেছেন। কারণ গান তৈরী করলে সেটা যদি ভালো হয়, মানুষ তা অবশ্যই বারবার গাইবে। বারবার আল্লাহর নাম না নিয়ে সেটা গাইলে আল্লাহর নাম নেয়া কমিয়ে দিবে। গানটা আস্তিক-নাস্তিক সবার কাছে জনপ্রিয় হলে আল্লাহর জনপ্রিয়তা কমবে। এক সময় তার নাম নেয়া বন্ধ হয়ে যেতে পারে। হে বিশ্বাসী, আসো, মূত্র বিসর্জন দাও। মূত্রের সাথে দাও এসব গান-বাজনা বিসর্জন। দাও বিসর্জন সে সব বিষয়, যেগুলোর নাম আল্লাহর নামের চেয়ে বেশিবার নেয়া হবে। নবী ইফতির কথা অনুসারে চল। আল্লাহ অবশ্যই তোমাদের উপর ফুচকা বর্ষণ করবেন।"
প্রশ্ন:
প্রশ্ন কর্তা: আপনি ইফতি নবীর সাহাবী, আপনার উপর ওহী নাজিল হল কীভাবে?

উত্তর: আরে ভাই বলেন কী! আমরা তার সাহাবী। আমাদের উপরেও তো নাজিল হবে সূরা, তাই না। আপনি বরছেন ১৪ শত বছরের আগের কথা। তখন তো শুধু রাজকোষের টাকা রাজাই ভোগ করত। আর এখন শুধু রাজনৈতিক দলের প্রধান না, তার সাঙ্গ-পাঙ্গরাও এইসব ভোগ করে। তাহলে সাহাবীদের উপর ওহী নাজিল হবে না কেন?

প্রশ্ন কর্তা: কথা তো খারাপ না!

পুরাই বেপর্দা


পাঠিয়েছেন শয়তানের চ্যালা

আপাদমস্তক ঢাকা কিন্তু পা এর এক অংশ দেখা গেলে মুমিন বান্দাদের মনে যে ধারণা আসতে পারে...


সর্বশক্তিহীন ঈশ্বর


আধা-ফানি আধা-সিরিয়াস ভিডিও। এতে ঈশ্বরকে যতো বিচিত্র নামে ডেকে তার প্রাপ্য সম্মান দেয়া হয়েছে, অন্তত সেগুলো শোনার জন্য হলেও ভিডিওটি দেখা ফরজে কিফায়া।

লিংক পাঠিয়েছেন মনিরুল ইসলাম

২১ নভেম্বর, ২০১১

করপোরেট-উদ্যানে আদম-হাওয়া



ডিপ্লোমা ইন ধান্ধাবাজি সায়েন্স অ্যান্ড তদবির


লিখেছেন ফাইজুল হক জায়েদ

ফুঁ / পানি পড়া / তেল পড়া দিয়ে রোগ ভালো করতে চান? শিখে নিন! এক্সক্লুসিভ কোর্স!

এই গোপন বিদ্যা শিখতে আপনার যে যোগ্যতা লাগবে: আপনার থাকতে হবে চতুর একটা মাল, মানে চামচা। আপনি যে-ধর্ম অনুসরণ করেন, সেই ধর্মের লেবাস। সাথে আমার লেখাটা ভালো করে বোঝা। আপনার লেখাপড়া কতটুকু, সেটা ফ্যাক্টর না। আপনি কতটুকু ধান্ধাবাজ ও চালাক, সেটাই ফ্যাক্টর।

আসুন শুরু করি “ডিপ্লোমা ইন ধান্ধাবাজি সায়েন্স অ্যান্ড তদবির”।

আপনি ওই চামচাটা দিয়ে এলাকায় প্রচার করান যে স্বপ্নে বা কোনো এক গুরুর কাছ থেকে দীক্ষা পেয়েছেন এবং সব রোগ/বিপদ/সমস্যা আপনার তদবিরে ভালো হয়। অথবা আপনি জ্বিন হাসিল করেছেন, জ্বিন আপনার অনুগত। আপনি যত বিশ্বাসযোগ্যভাবে প্রচার চালাবেন, তত বেশি রোগী আসবে ও ভালো হবে। হ্যাঁ, ভালো হবে সাময়িক সময়ের জন্য, কীভাবে? বলব একটু পরেই। আপনি শিক্ষিত হলে আরো ভালো, তাহলে শিক্ষিত ছাগলদের পটাতে সুবিধা হবে ।

প্রথম অবস্থায় টাকা পয়সা চাইবেন না, বলবেন যার যা খুশি তা দিতে, এটা বিশ্বাস অর্জনের একটা সহজ উপায়। চোখ বন্ধ করে ফুঁ / পানি পড়া / তেল পড়া দিন। ভয় পাবেন না, রোগ ভালো হবেই, আর এই ভালো হবার বৈজ্ঞানিক সত্য হল, রোগীর “অন্ধবিশ্বাস” - চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় “প্লাসিবো” চিকিৎসার ফল। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই তা সাময়িক উপশম দেয়। আর রোগী মনে করে বাবারে পাইছি, এভাবে চলে প্রচার ।

ধর্মবাজদের সমুচিত জবাব দিন



অন্যের ব্যাপারে নাক-গলানো বান্দাকে তার শরীরে বাইবেল-গলানোর পরামর্শ দেয়াটাই উচিত। সঠিকতম পথ উল্লেখসহ।

লিংকিন পার্ক - ২৪


১.
ভারতের মধ্য প্রদেশের স্কুল-সিলেবাসে ভগবত গীতা অন্তর্ভুক্ত হবে। নূরের পথযাত্রা সফল হোক।
(লিংক: কৌস্তুভ)

২.
বোরখায় ঢাকা মেয়ের চোখ দেখলেও মুমিন যৌনকাতর হয়। তাই চৌদি আজবে মেয়েদের চোখ ঢাকা বাধ্যতামূলক করা হবে। ইতোমধ্যে সকলের জানা এই খবরের মতিকণ্ঠীয় ভার্শন, যেটির প্রধান বক্তব্য, "মুমিনদের ঈমান নড়াচড়া শুরু করা মানেই পরিণতিতে বিশ্বাসপাতের সম্ভাবনা।"

৩. 
খারাপ বাক্য সম্বলিত এসএমএস ব্লক করে দিতে নির্দেশ দিয়েছে পাকিস্তান টেলিকম অথোরিটি। 
(লিংক: অদিতি অন্তরা)

৪.
হোয়াইট হাউস লক্ষ্য করে গুলি ছুঁড়েছিল কে, জানেন? ধর্মবিশ্বাসবদ্ধ মগজের মালিক "আধুনিক যুগের যিশু"।
(লিংক: কৌস্তুভ)

৫.
ইসলাম ধর্মে পোক্তভাবে দীক্ষিত হলে মুমিন মুসলিম নারীজাতিকে তাচ্ছিল্য/অবজ্ঞা/হেয়/ঘৃণা করতে বাধ্য। ইসলাম সেটাই শেখায়। কোরানে আছে অজস্র নারীবিদ্বেষী বাণী, নারীদের নিম্নশ্রেণীর প্রাণী হিসেবে নির্দেশ করে অনেকবার বক্তব্য দিয়েছেন ইসলামের নবী। আর তাই আমাদের সকলের প্রিয় সোনার বাংলা ব্লগে এক ঈমান্দার বান্দার এই পোস্টটি পড়ে বিস্মিত হইনি।
(লিংক: guest)

৬.
স্কুলে ধর্মশিক্ষার প্রয়োজন আছে কি না, এ বিষয়ে ব্রিটিশ টিভিতে রিচার্ড ডকিন্সের অংশগ্রহণে। প্রথম অংশ। বাকি পাঁচ অংশের লিংক এই অংশের ডেসক্রিপশানে দেয়া আছে।

৭.
অনেক আগে কোথায় যেন পড়েছিলাম, গত এক হাজার বছরে আরবী ভাষায় (অর্থাৎ কমপক্ষে ২৬টি দেশে) যতো বই অনূদিত হয়েছে, স্পেনে এক বছরে অনূদিত হয় তারচেয়ে বেশি বই। এই তথ্যটা দেয়ার আগে মনে হলো, তথ্যসূত্র ছাড়া এই বক্তব্যের বিশ্বাসযোগ্যতা প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে থাকবে। শরণ নিলাম গুগলাল্লাহর। নিশ্চয়ই তিনি সর্বজ্ঞ, এবং প্রার্থনার জবাব দেন। তাঁর দেয়া প্রথম লিংকেই তথ্যসূত্র জুটে গেল।
কথাটা স্মরণে এসেছিল এই খবরটি পড়ে: Knowledge Society স্ট্যাটাস পাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে চৌদি আজব... হা হা হা হা হা হা হা হা
(লিংক: শেষনবী আমিনী)

৮.
আমাদের আরেক প্রিয় সবুজ বাংলা ব্লগের একটি লাদি-খণ্ড। কুনহানকার কুন গ্রিনিচ মিন টাইমরে আমরা হুদাই পাত্তা দিই কাবা মিন টাইম থাকতে। একটি বৈজ্ঞানিক অভিসন্দর্ভ
(লিংক: অশোভন)

সংস্কৃতির দ্বন্দ্ব


পাঠিয়েছেন থাবা বাবা


কার্টুনে অজ্ঞেয়বাদ


সাউথ পার্ক নামের কার্টুন সিরিজ থেকে ছোট্ট একটি এপিসোড: A Strict Agnostic Household

লেডি গাগার পোশাকে যিশু



২০ নভেম্বর, ২০১১

মহাকবিরাজ মহানবী – ০৭


লিখেছেন অবর্ণন রাইমস 

নিশ্চয়ই ইসলাম একটি পূর্ণাঙ্গ জীবনবিধান এবং মহানবী নিশ্চয়ই সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ সর্ব বিষয়ে সার্বিকভাবে জ্ঞানান্বিত ব্যক্তি। আর তাই ইসলামী চিকিৎসাবিজ্ঞানও চির-আধুনিক ও সর্বজনীন। বুঝে পাই না, মুসলিমরা কেন নবী বর্ণিত নানাবিধ চিকিৎসাপদ্ধতি ব্যবহার করে সুন্নত পালনে অনীহ। 

মোমিন বান্দাদেরকে যাতে আর অনৈসলামিক চিকিৎসার পেছনে অনর্থক অর্থব্যয় করতে না হয়, সেই লক্ষ্যে শুরু করা হয়েছে এই সিরিজ। 

চিকিৎসাপদ্ধতি ৭.

বিভিন্ন ধরণের অসুখবিসুখে আমাদের পেয়ারা নবী রুকীয়া-র বিধান দিয়েছেন। 'রুকু'র সাথে গুলিয়ে ফেলবেন না যেন। রুকীয়া হল অসুস্থের সামনে নির্দিষ্ট কিছু আয়াত বলে সেই সুফল কোন না কোনভাবে রোগীর গায়ে পৌঁছে দেয়া। এই 'কোন না কোন' এর শানে নুযুল একটু পরে দেখতে পাবেন।

যাক সেসব কথা। আমরা বিল্লালের গল্পে আসি। বিল্লালকে মনে আছে? সেই পরহেজগার মানুষ, তাবলিগ করে, মানুষের সাথে মিষ্টি করে কথা বলে, ছহীহ এসলামি তরিকায় জীবনযাপন করে। যে বিল্লালকে পছন্দ না করে উপায় নেই।

বিল্লাল কদিন আগে গিয়েছিলো সুনামগঞ্জের এক গ্রামে। তার বোনের শ্বশুরবাড়িতে। আদরের ছোট ভাই। আপু আর দুলাভাই খাতিরের চূড়ান্ত করলেন। পুকুরের তাজা মাছ, বাজার থেকে ফ্রেশ জবাই করা গরুর সিনা, গাছের ডাব, নতুন বিয়োনো গাভীর দুধ, কী নেই? খাতিরে যত্নে বিল্লাল আরামেই আছে।

শহরের ছেলে হাজার হোক। মুনিষের জাল ফেলে ধরা মাছ খেয়ে আর কীইবা মজা পাওয়া যাবে? বিল্লাল সেদিন নিজেই ছিপ নিয়ে পুকুরে গেলো। স্বহস্তে মাছ শিকার হবে। মৎস মারিব, খাইব সুখে। বিল্লালের সঙ্গ নিলো পুরনো ভৃত্য, শানেওয়াজ।

ঘাটে পৌঁছে জুত করে বসল বিল্লাল। ভৃত্যও বোকা হাসি মুখে নিয়ে বসল সাথে। অনেকক্ষণ চলে গেলো, কিন্তু মাছ বাধলো না একটাও। শানেওয়াজ বলল:

- সাব, এই ঘাটলায় মাছ পাইবায় না।

- কেন? পুকুর তো নাকি মাছে ভর্তি।

- তা ঠিক। কিন্তু এইখানে মানুষ বেশি চলে। মাছ থাকে না। মাছ পাইবায় উল্টা দিকে, পানা আর ঝোপ বেশি যেইদিকটায়।

- আচ্ছা ঐদিকেই চলেন।

ধর্মফাঁদ



হোমিওপ্যাথ, সাইকিক, জ্যোতিষী ও ধর্মবাজেরা


পোনে তিন মিনিটের বেজায় মজাদার বক্তব্যের ভিডিও।

সন্ত্রাসের উৎস



Even if most Muslims do not want to admit it, the terror comes from the heart of Islam, it comes directly from the Koran.
- Zafer Senocak, তুরস্কের লেখক, সূত্র: জার্মান পত্রিকা (গুগল-অনুবাদ)

আমি কি সত্যিই মুসলিম?


লিখেছেন মহসিনা খাতুন

ছোটবেলা থেকে বাড়ীতে আম্মি, আব্বুকে মাঝে মাঝেই বলতে শুনেছি— ইসলামে ৭৩ ফেরকা…৭২ ফেরকা দোযখ, ১ ফেরকা জান্নাত। মাঝে মাঝে প্রশ্ন করতে ইচ্ছা করতো আব্বুকে…আচ্ছা আব্বু! আমার ফেরকা কোথায় যাবে? জান্নাত না জাহান্নাম? আব্বুকে ভয়ে শুধাতে পারিনি। আম্মিকে একদিন শুধালাম, “আম্মি আমরা কোথায় যাবো? জান্নাত?” আম্মি বললো, “ভালো কাজ করলে জান্নাত আর খারাপ কাজ করলে দোজখ”! আম্মিকে আবার বললাম, আম্মি, “তুমি যে বল, ৭৩ ফেরকা, এক ফেরকা জান্নাত। আমরা কি জান্নাত-এর ফেরকা?” আম্মি বলল, “কে জানে, মা! আল্লাই জানে।” আমি সেদিন বুঝেছিলাম, এর উত্তর আম্মির জানা নেই।

নবি হজরত মহম্মদ (সাঃ) বলেছেন, ইহুদিদের ৭১ টি ও খ্রিষ্টানদের ৭২ টি সম্প্রদায় বর্তমান, কিন্তু ইসলামের ৭৩ টি ভাগ হবে (অর্থাৎ ইসলামে ৭৩ টি সম্প্রদায় হবে) যাদের মধ্যে ৭২ টির পরিণাম হবে জাহান্নাম…ও ১ টি সম্প্রদায়ের জান্নাত নসিব হবে। অনেক ইসলাম প্রচারক থেকে শুরু করে অনেকেই বলেন, যে বা যারা ইমান এর পথে চলবে তারাই জান্নাত পাবে। কিন্তু নবি তো তা বলেন নি। নবি কি বলতেন তা আমরা সব মুসলিমরাই খুব পরিষ্কার ভাবে জানি।

এই ৭২ টি সম্প্রদায়ের অন্তর্ভুক্ত তারা ইমানের পথে চলে কি না, জানি না…তবে আমি নিশ্চিত যে, এদের মধ্যে অনেক ভাল ব্যক্তি আছেন, যাঁরা মানুষের উপকার করেন। মানুষের দুঃখে কষ্ট পান। কিন্তু তবুও হাদিস অনুযায়ী তারা জাহান্নাম পাবেন। এটা কেমন বিচার?

চার্চনডম