৩০ সেপ্টেম্বর, ২০১১

বায়োনিককাব্য


ইউটিউবার বায়োনিকড্যান্স নিজের রচিত দুটো ধর্মবিরোধী কবিতা পড়ে শোনাচ্ছেন। কবিতাদুটোর মান সম্পর্কে আমার কোনও ধারণা নেই। বাংলা কবিতাই ঠিকমতো বুঝি না, আবার ইংরেজি! তবে বক্তব্য খুবই স্পষ্ট, পরিষ্কার, সুখপাঠ্য ও সহজবোধ্য। শুনতে/পড়তে বেশ লাগলো। 

ভিডিওর নিচে কবিতার ট্র্যান্সক্রিপ্টও দেয়া হলো। 

খ্রিষ্টধর্ম বনাম ইসলাম বিতর্ক



লিংকিন পার্ক - ১১


সময়াভাবে যে-বিষয়গুলো নিয়ে পোস্ট দেয়া হয়ে ওঠে না...

১.
টুপি না পরার কারণে ছাত্রের মাথা ফাটিয়েছে ইসলামী ঘিলুসমৃদ্ধ মাথার মালিক এক মাদ্রাসাশিক্ষক। ঘটনা বাংলাদেশেই। 

২.
রুশ অর্থোডক্স চার্চের ধর্মানুনুভূতি উত্থিত হয়েছে স্বনামধন্য দুই লেখক ভ্লাদিমির নাবোকভ ও গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেজের দু'টি উপন্যাসের কারণে। 
(লিংক পাঠিয়েছেন অদিতি অন্তরা) 

৩. 
প্রবল ধর্মবিশ্বাস মানুষকে করে তোলে হিতাহিতজ্ঞানশূন্য। আর তাই নির্বিষ ও প্রায়-আদর্শ ধর্ম হিসেবে বহুল প্রচারিত বৌদ্ধধর্মের অনুসারী এক ভিক্ষুর কর্মপদ্ধতির সঙ্গে অন্য ধর্মের অনুসারীদের আচরণের তারতম্য দেখলাম না কোনও। জ্বীনের আছর ছাড়ানোর মতো ঘটনা। ফলাফল - তেরো বছরের বালিকার মৃত্যু। 

৪. 
ঈশ্বরের ইন্টারভিউ। খুব বুদ্ধিদীপ্ত। 

৫. 
চৌদি আজবে স্ত্রীরা তাদের স্বামীদের ব্যাপারে খুব সন্দিগ্ধ হয়ে উঠেছে! নবীজির দেশের পুরুষদের এ কী অধঃপতন! ছেচল্লিশ সেকেন্ডের ভিডিও।

৬.
স্কুলে সৃষ্টিতত্ত্ববাদ পড়ানো নিষিদ্ধ করে বিবর্তনবাদ আরও গভীরভাবে পড়ানোর আন্দোলনে শরীক হয়েছেন ডেভিড অ্যাটেনবরো। 

৭.
বোরাকে চড়ে ইসলামের নবীর বেহেশতভ্রমণ, চাঁদের দু'টুকরো হয়ে যাওয়া, যিশুর পানিকে মদে রূপান্তর, মুসা নবীর আদেশে সাগরের পানি দু'ভাগে ভাগ হয়ে যাওয়া... এই জাতীয় গঞ্জিকাসেবনপ্রসূত গল্পগুলো বিশ্বাসীরা সত্য বলে মেনে নিয়ে আমাদের হাসির পাত্র হয়ে ওঠে। মগজ খুলে ডিপ ফ্রিজে ভরে না রেখে এসবে বিশ্বাস করা সম্ভব? যে কোনও ধর্মই আসলে কৌতুকের অনন্ত উৎস। এই যেমন আমেরিকায় প্রচলিত খ্রিষ্টধর্মের একটি ধারা মরম্যানদের উৎকট কিছু বিশ্বাস সম্পর্কে পড়ে বিনোদন লাভ করুন।

৮.
গ্রিক পৌরাণিক উপাখ্যান থেকে চোথা মেরে বাইবেলে ঢোকানো পাঁচটি কাহিনী। পরে সেই বাইবেল থেকে চোথা মেরে রচিত হলো কোরান...

৯.
বিশ্বাসীদের ধারণা, সৎ ও নৈতিক জীবনযাপন করতে চাইলে নাস্তিকদেরকে ধর্মের পথেই আসতে হবে। সম্পূর্ণভাবে ভিত্তিহীন ও ভুয়া এই ধারণার চুলচেরা ব্যবচ্ছেদ করা হয়েছে এই নিবন্ধে। 

১০. 
কোনওরকম ঐশী হস্তক্ষেপ ছাড়াই এক ব্যক্তি অ্যালকোহলাসক্তি থেকে মুক্তি পেয়েছে। প্যারোডি সংবাদের বিশ্বখ্যাত সাইট দ্য অনিয়ন (ইংরেজি মতিকণ্ঠ? ) থেকে পাওয়া সংবাদ।  

বিশ্বাসে বুদ্ধির অপচয়



হিটলার যেভাবে মহান ব্যক্তি


ইসলাম ও আল্লাহর নামে মুসলমানদের করা অপকীর্তির ফিরিস্তি তুলে ধরা হলে মুমিনীয় "যুক্তি" বরাবরই হয় এরকম: তারা সত্যিকারের মুসলিম নয়; অতএব তাদের করা কুকর্মের দায় ইসলামের ওপরে চাপানো যায় না এবং তাদের কর্মকাণ্ড দিয়ে ইসলামের বিচার করা উচিত নয়। তবে মুসলিমদের সুকীর্তির কৃতিত্ব ইসলামের বলে চালানোর বেলায় কিন্তু কীর্তিমানদের মুসলমানিত্বের পরীক্ষা প্রবলভাবে শিথিল। মুসলিমদের অর্জন ইসলামের বলে গৃহীত হলে মুসলিমদের অপকর্ম ইসলামের ঘাড়ে চাপানো যাবে না কেন? এমন আস্তিকীয় "যুক্তি" ব্যবহার করে তো হিটলারকেও ভালো মানুষ বলে প্রমাণ করা সম্ভব!

এবং সেটাই করেছেন প্রিয় খ্যাপা ইউটিউবার CultOfDusty তাঁর স্বভাবসুলভ খাপ-খোলা তরবারির ভঙ্গিতে। তবে তিনি উদাহরণ টেনেছেন খ্রিষ্টধর্মের। তবে আমরা তো জানিই, এমন প্রসঙ্গে বিশ্বাসীদের "যুক্তি" অবিকল এক রকমের।

বিবর্তন: ইছলামী স্টাইল



২৯ সেপ্টেম্বর, ২০১১

ইসলাম - একটি মানবিক ধর্ম


শান্তির ধর্মের শাস্তিও মানবিক নামের একটি পোস্ট থেকে আমরা জেনেছি ইসলামে ব্যবহৃত সাজাপদ্ধতির কথা। নিন্দুকেরা তাকে বর্বর বলে, বলুক। ইসলামী ন্যায়বিচারের মর্যাদা তারা বুঝলে তো! 

সংবিধিবদ্ধ সতর্কীকরণ: যাঁরা ইসলামী ধাঁচে মানবিক নন, নিচের পোস্টারটি তাঁদের কাছে বর্বর মনে হবে।

হালাল পাংক



বিশ্বাস - বাস্তবতা অস্বীকারের নামান্তর


পৃথিবীর বয়স এবং মানবজাতির উদ্ভব প্রাসঙ্গিক বিতর্কে অস্ট্রেলিয়ার দুই সংসদ সদস্যকে কী যে লজ্জা দিলেন রিচার্ড ডকিন্স! মাত্র চার মিনিটের ভিডিও। 

পলিটিক্যাল কারেক্টনেসের পরাকাষ্ঠা



সনাতনী কামিনী - ০৪


(হিন্দুধর্মে নারীর স্থান বিষয়ক তথ্যবহুল এই সিরিজের এটাই সর্বশেষ পর্ব। পুরো লেখাটিকে ই-বুক আকারে প্রকাশ করার পরিকল্পনা আছে। বাস্তবায়নে আছেন কোনও কামেল ভাই?)

লিখেছেন N.c. Neel

সনাতনী কামিনী - ০১সনাতনী কামিনী - ০২, সনাতনী কামিনী - ০৩

শুধু বিধাতার সৃষ্টি নহ তুমি নারী--
পুরুষ গড়েছে তোরে সৌন্দর্য সঞ্চারি
...
লজ্জা দিয়ে, সজ্জা দিয়ে, দিয়ে আবরণ,
তোমারে দুর্লভ করি করেছে গোপন।
পড়েছে তোমার 'পরে প্রদীপ্ত বাসনা--
অর্ধেক মানবী তুমি অর্ধেক কল্পনা।

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নারীর কাব্যিক সংজ্ঞা দিয়েছেন এভাবে। তিনি পারেননি হিন্দু পিতৃতন্ত্র থেকে বেরিয়ে আসতে। হিন্দু পিতৃতন্ত্র পৃথিবীর ইতিহাসে সবচেয়ে সফল পিতৃতন্ত্র। এতোটাই সফল যে, তা নারীকে বোঝাতে সক্ষম হয়েছিল যে, স্বামীর মৃত্যুর পর তার সাথে জ্বলন্ত অগ্নিতে নিজেকে পোড়ালে স্বর্গলাভ হয়! হিন্দু পিতৃতন্ত্র এতো বেশি সফল যে, রবীন্দ্রনাথের মতো বহুমুখী প্রতিভারাও এই পিতৃতন্ত্রের জয়গান গেয়েছেন। সেই পিতৃতন্ত্রের রাজত্ব এখনও ভালোভাবেই বহাল আছে।

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় একটা কথা বলেছিলেন, "যাঁরা দাবি করেন, সনাতন ধর্মের নির্ভুল বিধি-ব্যবস্থার জন্যই তা এতো হাজার বছর ধরে তা টিকে আছে, তাঁদেরকে বলতে চাই: টিকিয়া থাকাটাই চরম সার্থকতা নয়। অতিকায় হস্তী লোপ পাইয়াছে , কিন্তু তেলাপোকা টিকিয়া আছে।" 

এবার আসা যাক শ্রী ভগবানের মুখনিঃসৃত বাণী গীতাতে। 

পঞ্চপাণ্ডবের শ্রেষ্ঠ বীর শ্রীমান অর্জুনের মুখে আমরা শুনতে পাই: “অধর্মাভিভাবাৎ কৃষ্ণ প্রদুষ্যন্তি কুলস্ত্রিয়ঃ/স্ত্রীষু দুষ্টাসু বার্ষ্ণেয় জায়তে বর্ণসঙ্করঃ॥” (গীতা, ১:৪০). বাংলা অর্থ: হে কৃষ্ণ, অধর্মের আবির্ভাব হলে কুলস্ত্রী ব্যভিচারিণী হয়। আর ব্যভিচারিণী হলে  বর্ণসংকরের সৃষ্টি হয়।

বর্ণসংকর হলে কী হয়? - “সঙ্করো নরকায়ৈব কুলঘানাং কুলস্য চ/পতন্তি পিতরো হ্যেষাং লুপ্তপিণ্ডোদকক্রিয়াঃ॥” (গীতা, ১:৪১). বাংলা অর্থ: বর্ণসঙ্কর, কুলনাশকারীদের এবং কুলের নরকের কারণ হয়। শ্রাদ্ধ-তর্পণাদি ক্রিয়ার লোপ হওয়াতে ইহাদের পিতৃপুরুষ নরকে পতিত হয়।

যুক্তি দেখানো যেতে পারে যে, এটা অর্জুনের কথা, ভগবানের নয়। তবে ভগবান কিন্তু অর্জুনের কথা স্বীকার করে নিয়েছেন। এবার ভগবানের মুখনিঃসৃত বাণী শোনা যাক: “মাং হি পার্থ ব্যপাশ্রিত্য যেহ্যপি স্যুঃ পাপযোনয়ঃ/স্ত্রিয়ো ব শ্যাস্তথা শূদ্রাস্তেপি যান্তি পরাং গতিম্॥” (গীতা, ৯:৩২). বাংলা অর্থ: আমাকে আশ্রয় করে স্ত্রী, বৈশ্য, শূদ্র এসব পাপযোনিরাও পরম গতি লাভ করে থাকে। (ভালো করে লক্ষ্য করে দেখুন, নারীর সঙ্গে বৈশ্য, শূদ্ররাও পাপযোনির আওতায় পড়েছে। কিন্তু ব্রাহ্মণ, ক্ষত্রিয়রা পড়েনি। তবে ভগবানের কাছে নারীর কোনও জাত নেই। ব্রাহ্মণের সন্তান হলেও নারী পাপযোনি হবে। নারীর যোনি সব সময়ই সকল পাপের উৎস।)

ঈশ্বরসংশ্লিষ্ট শব্দমালা


ছবিতে ক্লিক করে পূর্ণাকারে দেখুন।

২৮ সেপ্টেম্বর, ২০১১

শান্তির ধর্মের শাস্তিও মানবিক


ইসলামী শাস্তিপদ্ধতি অত্যন্ত বর্বর ও অমানবিক বলে যে-অভিযোগ করা হয়ে থাকে, তা একেবারেই ভিত্তিহীন। বস্তুত শরিয়া আইনের শাস্তিপদ্ধতি সবচেয়ে মানবিক - প্রমাণ করে দেখালো এক ইসলামবাজ। আমি কনভিন্সড। 

অজুহাত - আস্তিকদের তৃতীয় হাত



অণুচিন্তন


লিখেছেন মাজহারুল ইসলাম

১.
ধর্মকেই সকল দ্বান্দ্বিকতার উৎস ব'লে চিহ্নিত করা যায়।

২.
মহান শক্তিমান শয়তানের মৃত্যু আমি চাই না। ওটি আমার রক্তে না থাকলে আমি বাঁচতে পারব না অসংখ্য 'সৎ ধার্মিকদের' ভিড়ে এই পৃথিবীতে।

আজকাল আবার প্রথাবিরোধীরা মহান শয়তান বলে পরিচিত! পৃথিবীটা টিকিয়ে রাখতে অন্তত একজন শয়তান প্রয়োজন। আমি পৃথিবী টিকিয়ে রাখতে চাই।

৩.
আমার কাছে একটি কাজ খুবই কঠিন লাগে - মূর্খের সাথে তর্ক করা এবং অবুঝদেরকে বোঝানো।
যদি এরা সত্যিকার অর্থে মূর্খ এবং অবুঝ হতো, তাহলে সমস্যাটি ছিল না।

নির্বাচন কেন গুরুত্বপূর্ণ



কুফরী কিতাব: Richard Dawkins - The Magic of Reality (অডিও বুক)


রিচার্ড ডকিন্সের অতি সম্প্রতি প্রকাশিত শিশুতোষ বই The Magic of Reality-র অডিও ভার্শন। সুযোগ ও সামর্থ্য থাকলে অ্যামাজোন থেকে কিনে পড়াটাই উচিত হবে। বাকিদের জন্য অডিও-বুকের ডাউনলোড লিংক দেয়া হচ্ছে। ই-বুক নেটে লভ্য হলে সেটির লিংকও দেয়া হবে পরে।


ডাউনলোড লিংক (১৩৮ মেগাবাইট):
(লিংকের পাতায় গিয়ে ওপরে বামদিকে নিম্নমুখী তীরচিহ্নে ক্লিক করে ফাইলটি ডাউনলোড করুন)

বিনোদনী নরকভীতি


বিশ্বাসীরা যখন দোজখের ভয় দেখায় অবিশ্বাসীদেরকে, সেটা অবিশ্বাসীদের জন্য কতোটা হাস্যকর, সে সম্পর্কে বিশ্বাসীদের, বোধহয়, কোনও ধারণাও নেই।

খ্যাপা নাস্তিক TheAmazingAtheist অতীব চমৎকারভাবে সেটা বুঝিয়ে দিচ্ছেন। তাঁর মূল বক্তব্য: নরকের ভয় পেতে পারে শিশুরা, but it's not gonna work on grown people like me, who actually have a brain in their fucking heads. 

খাদ্যের প্রসাদগুণ



সূত্র

২৭ সেপ্টেম্বর, ২০১১

কোরান কুইজ – ০৭


নিশ্চয়ই মোমিন মুসলমানগণ কোরান সম্পর্কে সম্যক জ্ঞান রাখেন। বেয়াড়া নাস্তিকগনও নিজেদেরকে কোরান-অজ্ঞ বলেন না কখনও। তাই মুসলিম-নাস্তিক নির্বিশেষে সকলেই অংশ নিতে পারেন কোরানের আয়াতভিত্তিক এই ধাঁধা প্রতিযোগিতায়। এই সিরিজের মাধ্যমেই তাঁরা নিজেদের কোরান-জ্ঞান যাচাই করে নিতে পারবেন।

প্রশ্ন ১৩. আল্লাহর একদিন মানুষের কতোদিনের সমান? 
ক) এক হাজার বছর।
খ) পঞ্চাশ হাজার বছর।

(স্ক্রল করে নিচে উত্তর দেখুন)

লাস্ট সাপারান্তে প্রতীক্ষা



বরাহকলুষিত হারাম হাওয়া


লন্ডনের হাওয়া-বাতাস এখন সম্পূর্ণভাবেই হারাম। কাফেরদের কাজ-কামের কুনো ঠিক-ঠিকানা নাই আসলে। 

সেই পঁয়ত্রিশ বছর আগে পিংক ফ্লয়েড নামের কোন এক ফালতু গ্রুপ Animals নামে একটা অ্যালবাম বাইর করসিল, যেইটার পাঁচটা গানের ভিত্রে তিনটার নামে আছিলো ইসলাম-ঘৃণীত প্রাণী pig! ইসলাম-ঘোষিত আরেকখান নোংরা প্রাণীর নামেও একখান গান আছিলো তাতে - dog. তবে বাকি গানটার নাম ছিলো পুরাই ইসলামসম্মত: দুম্বা অর্থাৎ sheep. 

সেই অ্যালবামের কাভারে একখান উড়ন্ত শুয়োরের (নাউজুবিল্লাহ আস্তাগফিরুল্লাহ) ছবি দিসিল বেতমিজেরা। ছবিতে শুয়োরটা লন্ডনের ব্যাটারসি পাওয়ার স্টেশনের উপ্রে উড়তেসিল। 


তো এই পঁয়ত্রিশ বছর পরে কুন বেদ্বীনের মাথায় জানি ইসলামের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রকারী কুবুদ্ধি খেলসে! এখন একখান শুয়োরের রেপ্লিকা সেই পাওয়ার স্টেশনের উপ্রে উইড়া বাতাসরে হারাম বানায়া দিতেসে। লন্ডনবাসী মুমিনরা পারলে এখন নিঃশ্বাস বন্ধ কইরা রাখে! 

এই খবর আবার স্কাই নিউজে দেখাইসে! 

যখন 'ইন্টেলিজেন্ট' অর্থ - বুদ্ধুদীপ্ত



ইবলিসের কুকথা - ০৩


লিখেছেন দিলরুবা হোসাইন

৭.
১৪০০ বছর আগে আবিষ্কৃত শয়তান নিধনে আল্লাহর যুদ্ধ কৌশল কতইনা অত্যাধুনিক! আমেরিকার পেন্টাগন এই কৌশল লুকিয়ে-চুরিয়ে পড়েও উন্নতি করতে পারছে না।
শয়তানের রাত্রিকালীন অবস্থান: সকল মানুষের নাকের ডগায়।
বাইনোকুলার: বড় বড় তারা।
ক্ষেপনাস্ত্র: বজ্রপাত।
ঈমানদারদের প্রতি পরামর্শ: ঘুম থেকে উঠে এবং দিনে তিনবার অবশ্যই নাক সাফ করবেন।
ফলাফল: শয়তান বহাল তবিয়তে কুমতলব দিয়ে যাচ্ছে, আল্লাহর অনুসারী অপেক্ষা শয়তানের অনুসারী বেশি যুদ্ধপ্রস্তুতি ছাড়াই শয়তান বিজয়ী।

এবং অবশ্যই আমরা নিকটবর্তী মহাকাশ কে প্রদীপমালা দ্বারা সুসজ্জিত করেছি, এবং আমরা এই প্রদীপগুলিকে শয়তান কে তাড়ানোর জন্য রুজূমান্‌ (ক্ষেপণাস্ত্র) হিসেবে বানিয়েছি। [সুরা ৬৭:৫]

নিশ্চয়ই আমরা নিকটবর্তী মহাকাশকে (সৌন্দর্যের জন্য) তারকারাজি দিয়ে সাজিয়েছি। এবং প্রত্যেক অবাধ্য শয়তান থেকে পাহারা দেয়ার জন্য। চারপাশ থেকে (তারকারাজির) আঘাতের কারণে তারা তাদের চেয়ে উচ্চ শ্রেণী (ফেরেশ্‌তা)-দের কথা শুনতে পারেনা। (তারা) নির্বাসিত, এবং (তাদের জন্য) রয়েছে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি। তা সত্ত্বেও যদি কেউ চুরি করে কোন কিছু শুনতে চায়, তীব্র আলোকোজ্জ্বল প্রজ্বলিত অগ্নিশিখা তাদের তাদের পিছে লাগিয়ে দেয়া হয়। [সুরা ৩৭:৬-১০]

এবং নিশ্চয়ই, আমরা মহাকাশ বড় বড় তারকারাজি দিয়ে বিন্যস্ত করেছি এবং দর্শকদের জন্য সুশোভিত করে সাজিয়েছি। এবং আমরা এটাকে (নিকটবর্তী মহাকাশ) প্রত্যেক শাইতান রজীম (নির্বাসিত শাইতান) থেকে পাহারা দিয়ে রেখেছি। কিন্তু যে চুরি করে শুনতে চায়, তাকে জ্বলজ্বলে অগ্নিশিখা দ্বারা ধাবিত করা হয়। [সুরা ১৫:১৬-১৮

৮. 
হিন্দু হেসে বলে, মুসলমানেরা কাবার চারদিকে ঘুরে কাবার পূজা করে, কালো পাথরে চুমু খায়, রাতদিন কেবলামুখী হয়ে সেজদা দিয়ে নামাজ পড়ে। মুসলমান হেসে বলে, হিন্দুরা মূর্তিপূজা করে, এটা তো চরম মুর্খতা। এভাবে এক ধর্মের অনুসারী অন্য ধর্মের অনুসারীদের হাসির কারণ: নিজের ধর্মের অনুসারীরাই যেন বেশি বুদ্ধিমান। এদিকে নাস্তিকসকল মানুষের মত বুদ্ধিমান প্রাণীর কাল্পনিক উপাস্য বিগ্রহ নিয়েই হাসে।

৯. 
হজ্জ ইসলামের একটি উল্লেখযোগ্য স্তম্ভ। হজ্জের সমাপ্তি ঘটে মিনায়; তিনটি স্তম্ভের দিকে ২১ টি করে পাথর নিক্ষেপ করে। শয়তানকে লক্ষ্য করে পাথর নিক্ষেপ করা হয়। এত কিছুর পরও শয়তান-ই মূলত: জিতে যাচ্ছে। সারা বিশ্বের মুসলমান অপেক্ষা কাফের/মুনাফেক/বিধর্মী/নাস্তিকের সংখ্যা বেশি। সকল মুসলমানও বেহেশতে প্রবেশ করবে না। আল্লাহর অনুসারী অপেক্ষা শয়তানের অনুসারীর সংখ্যা সকল যুগেই বেশি। শয়তান আবার হাসে। আল্লাহর সৃষ্ট শয়তানের ক্ষমতা আল্লাহর চেয়ে বেশি; অসহায় আল্লাহ !!

কোরানীয় বিজ্ঞান



২৬ সেপ্টেম্বর, ২০১১

খেজুরে বিবাদ


একজন ব্যবসায়ী তার দোকানে কী কী পণ্য বিক্রি করবে, সেটা একান্তই তার ব্যাপার। আইনবিরোধী কোনওকিছু না হলেই হলো। কিন্তু রমজান মাসে ব্রিটেনে এক মুসলিমের দোকানে ইসরায়েলী খেজুর বিক্রি হতে দেখে ঈমানে ধাক্কা খেলো এক মুসলিমা। সরব প্রতিবাদে মুখর হয়ে উঠলো সে। দোকানে ঢুকে জোর গলায় দাবি জানাতে লাগলো: এই খেজুর দোকান থেকে সরাতে হবে! এ যেন মাতুলগৃহের বায়না! ওটা তার ব্যবসায়ী পণ্য। সম্পূর্ণই আইনসিদ্ধ। তর ইচ্ছা না হইলে তুই কিনিস না! দূরে গিয়া মুড়ি খা! মামলা খতম।

জঙ্গি-মেজাজী এই মহিলার নিজের তোলা ভিডিও দেখতে দেখতে ভাবলাম, ব্রিটেনে অজস্র খাস মুসলিম তাদের রেস্টুরেন্টে ইসলামে হারাম অ্যালকোহলের ব্যবসা চালিয়ে আসছে বছরের পর বছর ধরে (এমনকি পবিত্র রমজানের সময়েও), তা নিয়ে এই মহিলার শিরঃপীড়া নেই কেন? 

শিশু নিপীড়নের রকমফের



খোমাখাতার কাবজাব - ০২


লিখেছেন আসিফ মহিউদ্দীন

৪.
- এতই আপনাদের নাস্তিকদের অহংকার, তবে কোরানের মত একটা সুরা লিখে দেখান, নিদেন পক্ষে একটা আয়াত? কেউ কি পেরেছে, না পারবে কোরানের মত একটি আয়াত লিখে দেখাতে? পারলে তবেই আপনার কথা মেনে নেবো।
- "আলীফ জাম মীম"// "ৎ ঋ ড়"
- এটা কি কিছু হলো নাকি? এর অর্থ কি? হাবিজাবি কিছু বললেই হয়?
- আলীফ লাম মীমের অর্থ কি?
- এর অর্থ শূধু এর লেখক পরম করুণাময় জানেন।
- "আলীফ জাম মীম"/"ৎ ঋ ড়" এর অর্থও এর লেখক (আমি) জানেন, কিন্তু গুপ্তজ্ঞান বিধায় আপনাকে বলা যাচ্ছে না।
- শালা নাস্তিক কুনখানকার।

৫.
প্রতিটি ধর্মপ্রান আস্তিক এক একজন পটেনশিয়াল টেররিস্ট, সাম্প্রদায়িক চরিত্রের, জাতিগতবিদ্বেষী, বর্ণবাদী, নারী অবমাননাকারী। ঈশ্বরকে ধন্যবাদ যে, তারা তাদের নিজ নিজ ঈশ্বর প্রেরিত কেতাবসমুহ, তার বাণী এবং আদেশ নিষেধসমূহ সিরিয়াসলি আক্ষরিকভাবে নেয় না।

৬.
আস্তিকীয় আবালীয় মন্তব্য:
ধর্মীয় মৌলবাদও মৌলবাদ, নাস্তিকীয় মৌলবাদও মৌলবাদ! (যারা নিজেদের বিশ্বাসকেই শেষ কথা মনে করে, সেই অর্থে মৌলবাদ)

এখন এই বক্তব্য থেকে আরো কিছু বক্তব্য দেয়া যেতে পারে। যেমন:
# অশিক্ষিত থাকার ইচ্ছা এক ধরনের মৌলবাদ, শিক্ষাবিস্তারের কথা বলাও এক ধরনের মৌলবাদ!!!
(আমার বিশ্বাস - শিক্ষা প্রয়োজন, আরেকজনার বিশ্বাস হতে পারে - শিক্ষা খারাপ, অতএব আবালীয় যুক্তি অনুসারে উভয়ই মৌলবাদ)
# সবার জন্য বৈজ্ঞানিক চিকিৎসার পক্ষে বক্তব্য রাখা, আবার বৈজ্ঞানিক চিকিৎসার বিপক্ষে বক্তব্য রাখা উভয়ই মৌলবাদ!!!
# সকলের জন্য সমান অধিকারের পক্ষে আন্দোলন করা, এবং তার বিপক্ষে আন্দোলন করা, উভয়ই মৌলবাদ!!!

আমার বক্তব্য: নাস্তিকীয় মৌলবাদ বলেই কিছু নাই।
মৌলবাদ প্রতিষ্ঠিত হয় বিশ্বাসের উপরে, যুক্তি-প্রমাণ-তথ্য-উপাত্তের উপরে প্রতিষ্ঠিত কোনো তত্ত্ব মৌলবাদ হতে পারে না। নাস্তিকতা কোন বিশ্বাস নয়, এটা হচ্ছে বিশ্বাসহীনতা, যুক্তির সাহায্য বিশ্বাসকে যাচাই করে দেখা।

ধরাশায়ী ধর্ম



"বিনা যুদ্ধে নাহি দিবো সূচাগ্র সরণী"


ফ্রান্সের রাস্তাঘাটে হেঁটমুণ্ডু ঊর্ধ্বপোঁদ আসন গ্রহণে নিষেধাজ্ঞা জারি হইসে, সেই খবর তো বেবাকেরই জানা। কিন্তু আইন হইসে তো কী হইসে! ইছলামীরা বিনা যুদ্ধে নাহি দিবে সূচাগ্র সরণী! জঙ্গি স্টাইলে প্রতিবাদ শুরু হইয়া গেসে। ইতরামির আরও একখান নজির দেখেন ভিডুতে, যেইটা দেইখা একজন কমেন্ট করসে ইউটিউবে: Watching Islam in action is like watching a scary movie.Very disturbing and scary. 

ধর্মবিশ্বাস যেখানে অপ্রতিদ্বন্দ্বী



২৫ সেপ্টেম্বর, ২০১১

লিংকিন পার্ক - ১০


সময়াভাবে যে-বিষয়গুলো নিয়ে পোস্ট দেয়া হয়ে ওঠে না...

১.
শিশুকে নিয়ে বীভৎস ধর্মীয় রিচ্যুয়াল পালনের কারণে মা-কে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এই আইন বাংলাদেশে প্রয়োগ করা হলে অসংখ্য পিতা-মাতাকে বিচারের মুখোমুখি দাঁড়াতে হতো। কেন? সংবাদটা বিশদ পড়লেই তা বোঝা যাবে। 

২. 
খ্যাতিমান বৈজ্ঞানিক, দার্শনিক, পদার্থবিদ, রসায়নবিদ, সাংবাদিক, লেখক প্রমুখের কাছে নিউ স্টেটম্যান পত্রিকা জানতে চেয়েছিল তাঁদের ঈশ্বর-অবিশ্বাসের কারণ। অনেক পরিচিত নাম পাবেন তালিকায়। 

৩. 
পরম ইছলামী বিনোদনপাঠ। কাফেররা কিছুতেই বুঝতে চায় না, মানবজাতির সমস্ত বৈজ্ঞানিক অগ্রগতির পেছনে রয়েছে একটিমাত্র গ্রন্থ - কোরান। আবার দেখুন, বাংলাদেশে হয়ে যাওয়া ভূমিকম্পের পরে জানা গেল, কোরানে নাকি ভূমিকম্পের পূর্বাভাস সম্পর্কে সম্যক লেখা আছে এবং ভূমিকম্প আসলে আল্যাফাকের প্রেরিত সতর্কবাণী। আরও একখানা বিনোদনপাঠ। 

৪. 
তিন হাজারেরও বেশি ভগবানেশ্বরাল্লাহ ও দেবতা-দেবীদের নিয়ে সাইট। প্রত্যেকের সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত বর্ণনা, এমনকি টপ লিস্ট পর্যন্ত আছে তাতে।

৫. 
এক ক্যাথলিক ধর্মযাজক দশ বছরের কিছু বেশি সময়ে শত শত শিশুকে যৌননিপীড়ন করেছে। এবং চার্চ নিজস্ব ঐতিহ্য বজায় রেখে রক্ষা করেছে এই নেকড়েকে রক্ষা করে চলেছে নানান উপায়ে। এক চার্চ থেকে বদলি করে অন্য চার্চে পাঠিয়ে সেখানকার শিশুদের নিপীড়ন করার সুযোগ করে দিয়েছে। এ বিষয়ের ওপরে ভিত্তি করে ২০০৬ সালে নির্মিত একটি মর্মবিদারী ডকুমেন্টারি দেখুন।   

৬. 
চৌদি রাজা আবুল্ল্যা থুক্কু আবদুল্লাহ ঘোষণা দিয়েছেন, আগামী বছর থেকে চৌদি মহিলারা ভোট দিতে এবং ভোটে দাঁড়াতে পারবেন!!! হায় হায়, আল্লাহর আরশ না কাঁইপা যায়!!
(স-ভূমিকা লিংক পাঠিয়েছেন মালা আলম)

৭.
২০১২ সালে অনুষ্ঠিতব্য Global Atheist Convention-এর চমৎকার প্রমো-ভিডিও

আমার বোরখা-ফেটিশ – ২৯


পাঠিয়েছেন অবর্ণন রাইমস


বিবর্তন বনাম ইনটেলিজেন্ট ডিজাইন


ভিডিওটা আগেই দেখেছি, তবে ধর্মকারীতে দিয়েছি কি না, মনে করতে পারছি না। যদি দিয়ে থাকিও, তবু আরেকবার দেখে নেয়া যায় এই অদ্ভুত সুন্দর ভিডিও। প্রসঙ্গ - বিবর্তন বনাম ইনটেলিজেন্ট ডিজাইন। 

দু'টি শিরোনাম


ঈশ্বর হুকুম দিলে অনুগত ধর্মযাজকের দোষ কী! 

ভুল করে বলে ফেলা সত্য

হ্রস্বরসবাক্যবাণ – ২১


১. 
ইসলামের অনন্যতার একটি প্রমাণ: কেবলমাত্র ইসলামেই ধর্ষিতা হওয়া একটি শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

২. 
আবহাওয়ার সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপনের চেষ্টাকেই ধর্ম বলা হয়। 

৩. 
আমার জীবনযাপনপদ্ধতি ঈশ্বরের পছন্দ না হলে সে এসে আমাকে বলুক। তুমি সেটা বলার কে?

(সবগুলোই সংগৃহীত)

নিত্য নবীরে স্মরি – ৪১



২৪ সেপ্টেম্বর, ২০১১

নির্ধার্মিক মনীষীরা – ৪১


লক্ষ-কোটি কুশিক্ষিত ও জ্ঞানপাপী আমাদের ঘিরে রেখেছে। যুক্তি প্রয়োগে তারা ভীত, সত্যের মুখোমুখি হতে কুণ্ঠিত, পাছে বিশ্বাস হারিয়ে যায় বিধায় তথ্য এড়িয়ে চলতে তৎপর। কিছু অশিক্ষিত, অর্ধশিক্ষিত ও স্বশিক্ষিত ব্যক্তির স্বচ্ছ, যুক্তিনিষ্ঠ ও মানবতাবাদী চিন্তাধারাও তাদেরকে লজ্জিত করে না।  

শাহ আবদুল করিম - বাংলা বাউল গানের জীবন্ত কিংবদন্তী। ধর্ম ও ঈশ্বর সম্পর্কে তাঁর ধারণা:

আমি কখনোই আসমানী খোদাকে মান্য করিনা। মানুষের মধ্যে যে খোদা ব ইরাজ করে আমি তার চরণেই পুজো দেই। মন্ত্রপড়া ধর্ম নয়,কর্মকেই ধর্ম মনে করি। লাখ লাখ টাকা খরচ করে হজ্জ্বপাওলনের চেয়ে এই টাকাগুলো দিয়ে দেশের দুঃখী দরিদ্র মানুষের সেবা করাটাকে অনেক বড় কাজ মনে করি। প্রচলিত ধর্ম-ববস্থা আমাদের মধ্যে সম্প্রদায়গত বিদ্বেষ তৈরী করে দিয়েছে। কতিপয় হীন মোল্লা-পুরুত আমাদের ভাইয়ে ভাইয়ে বিভাজন নিয়ে এসেছে। এই বিভাজনই যদি ধর্ম হয় সেই ধর্মের কপালে আমি লাত্থি মারি।

‘সবার উপরে মানুষ সত্য’ এই হলো আমার ধর্ম। নামাজ রোজার মতো লোক দেখানো ধর্মে আমার আস্থা নাই।কতিপয় কাঠমোল্লা ধর্মকে তাদের নিজেদের স্বার্থে ব্যবহার করছে। আমার এলাকায় প্রতিবছর শীতের সময় সারারাত ওয়াজমাহফিল হয়। দূর-দূরান্ত থেকে বিশিষ্ট ওয়াজীরা আসেন ওয়াজ করতে। তারা সারারাত ধরে আল্লা-রসুলের কথা তো নয় বরং আমার নাম ধরেই অকথ্য-কুকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন। কি আমার অপরাধ? গান গাইলে কি কেউ নর্দমার কীট হয়ে যায়? (তাঁর শ্বাস-প্রশ্বাস পড়ছে দ্রুত, উত্তেজনায় কন্ঠস্বর চাগান দিয়ে উঠছে ক্রমে) এই মোল্লারা ইংরেজ আমলে ইংরেজী পড়তে বারণ করেছিলো, মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানীদের পক্ষে নির্মম হত্যাযজ্ঞ চালিয়েছিলো। আজো তারা তাদের দাপট সমানতালে চালিয়ে যাচ্ছে।
...
ঈশ্বরকে আমি মনে করি একটা পেঁয়াজ, খোসা ছিলতে গেলে নিরন্তর তা ছিলা যায় এবং হঠাৎ একসময় দেখি তা শূন্য হয়ে গেছে। আমি ঈশ্বরকে এক বিশাল শক্তি হিসেবে গন্য করি, ব্যক্তি হিসেবে নয়। ব্যক্তি কখনো একই সময়ে বিভিন্ন স্থানে বিভিন্নরূপে অবস্থান করতে পারেনা, শক্তি তা পারে। বৈদ্যুতিক শক্তির কথা ধরুন, একই সাথে কোথাওবা ফ্যান ঘুরাচ্ছে, কোথাও বাতি জ্বলাচ্ছে, কোথাও কারখানা চালাচ্ছে…

তথ্যসূত্র। সন্ধান দিয়েছেন: একুশ তাপাদার।

বিপুলা এ বিশ্বব্রহ্মাণ্ড


পাঠিয়েছেন থাবা বাবা

কোথাও যদি কোন ঈশ্বর থেকেও থাকে যে কি না এই বিশ্ব সৃষ্টি করেছে, আমাদের মানুষদের দেখার জন্য তার ইলেক্ট্রন মাইক্রস্কোপেও কাজ হবে কি না সন্দেহ! 


ঈশ্বরপুত্রের ভেলকি


অলৌকিক ঘটনা ঘটাতে যিশু বরাবরই পারদর্শী

দেড় মিনিটের ভিডিও।

সবই ঐশী পরিকল্পনার অন্তর্গত



ব্ল্যাসফিমেরিক ০৮


(ব্ল্যাসফিমাস লিমেরিক - এই দুই শব্দ থেকে বানানো একটি নতুন শব্দ ব্ল্যাসফিমেরিক। দ্বিতীয় ছড়াটি কিন্তু ইয়ে-টাইপ। কড়া শব্দ আছে, কইলাম! অতএব ইমোটা খিয়াল কৈরা 

লিখেছেন আশেকে রাসূল

১.
শুনছো খোদা, তোমার দিকে তাকিয়ে অধম বান্দেয়
ঊর্বরা সে ক্ষেতটি চষার লাঙলটাতে শান দেয়
কিন্তু দিলে চক্ষে ধুলা
ঝুলিয়ে চার বিবির মুলা
জুটাচ্ছো না একটিও তাই আশেক রাসূল কান্দে 

২.

গডোমোবাইল


আমার ধারণা, এই গাড়ি তিনটের ইনস্যুরেন্স প্রয়োজন হয় না।


২৩ সেপ্টেম্বর, ২০১১

হিচ্চড় সংকলন


অনেকদিন হিচ্চড় (Hitchslap) দেখা হয় না। ক্রিস্টোফার হিচেন্সের বিখ্যাত চড়গুলোর কয়েকটির সংকলন। অতি অবশ্যদ্রষ্টব্য।

খর্বশক্তিমানও নয় সে


পূর্ণাকারে দেখতে ছবির ওপরে ক্লিক করুন

মহাকবিরাজ মহানবী – ০৫


অবর্ণন রাইমস বর্তমান সিরিজের ভারপ্রাপ্ত হয়ে আমাকে ভারমুক্ত করেছেন। আল্যাফাক তার হায়াত দারাজ করুক।

নিশ্চয়ই ইসলাম একটি পূর্ণাঙ্গ জীবনবিধান এবং মহানবী নিশ্চয়ই সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ সর্ব বিষয়ে সার্বিকভাবে জ্ঞানান্বিত ব্যক্তি। আর তাই ইসলামী চিকিৎসাবিজ্ঞানও চির-আধুনিক ও সর্বজনীন। বুঝে পাই না, মুসলিমরা কেন নবী বর্ণিত নানাবিধ চিকিৎসাপদ্ধতি ব্যবহার করে সুন্নত পালনে অনীহ। 

মোমিন বান্দাদেরকে যাতে আর অনৈসলামিক চিকিৎসার পেছনে অনর্থক অর্থব্যয় করতে না হয়, সেই লক্ষ্যে শুরু করা হয়েছে এই সিরিজ। 

চিকিৎসাপদ্ধতি ৫.

বিল্লাল একজন পরহেজগার মানুষ। তাবলিগ করে, মানুষের সাথে মিষ্টি করে কথা বলে, ছহীহ এসলামি তরিকায় জীবনযাপন করে। বিল্লালকে পছন্দ না করে উপায় নাই।

আমাদের কাহিনী বিল্লালকে নিয়ে না, তার ভাগিনাকে নিয়ে। একমাত্র ভাগিনাকে বিল্লাল বড়ই স্নেহ করে। তাকে সে ছহীহ এসলামি কায়দায় জীবনযাপনের তালিম দিচ্ছে। ফলাফল বেশ প্রমিজিং। এগারো বছর বয়স ভাগিনার। সেও মামা-অন্ত প্রাণ। মায়ের ধমক তো নিত্তনৈমিত্তিক, ভাগিনার সব আবদার তার মামার কাছে। সেই মামার বাসায় দুদিন থাকার প্রোগ্রাম তার কাছে তাই ভিখিরির সামনে পোলাওভর্তি প্লেট! আজ সকালেই ভাগিনা পৌঁচেছে মামার বাসায়। বাসা বলতে খুপরি একটা রুম, আর সাথে লাগোয়া বারান্দাটা রান্নাঘর হিসাবে ব্যবহার করা। কোই বাত নেহি! মামা-ভাগিনা যেখানে, আর কী লাগে সেখানে?!

সারাদিন অনেক ভালো গেলো। টিভিতে একসাথে দুজনে জোকার বিনায়কের কমেডি সিরিয়াল দেখলো ওরা, পাকিস্তানে ফেসবুক বন্ধের খবরে খুশি হয়ে গেলো, পল্টনে মুমিনদের শান্তিপূর্ণ হামলায় পড়ে পুলিশের প্রতিশোধমূলক গ্রেফতার অভিযান দেখে ক্ষিপ্ত হয়ে উঠলো। সারাদিনের পরে, রাতের দশটায় ভাগিনার মাথায় খেয়াল চাপলো তার এখন আইসক্রিম খেতে হবে। মামার বাড়ির আবদার বলে কথা। বিল্লাল তখন তখনই বেরিয়ে পড়ে পাড়ার দোকান বন্ধ হবার আগমূহূর্তে এক লিটার আইসক্রিম পেয়েও গেলো। বাসায় আনার পরে দুজনে মিলে মজা করে সাঁটালো পুরোটা।

গোল বাধলো তার পরে।

বাস্তববাদই নাস্তিক্যবাদ


পূর্ণাকারে দেখতে ছবির ওপরে ক্লিক করুন

প্রথাবিরোধী প্রাচীন সত্যবাদীদের গল্প


(এই পোস্টের লেখক মাজহারুল ইসলাম দশম শ্রেণীর ছাত্র। তিনি মাত্র কয়েকদিন হলো আমার ফেইসবুক-বন্ধু। তাঁর বেশকিছু স্ট্যাটাস ও নোট পড়ে আমি রীতিমতো মুগ্ধ ও চমৎকৃত হয়েছি।)

এঁর কাছ থেকে আরও লেখা পাবার প্রতিশ্রুতি পেয়েছি। তরুণ প্রজন্মের সক্রিয় অংশগ্রহণে ঋদ্ধ হয়ে উঠুক ধর্মকারী।)


লিখেছেন মাজহারুল ইসলাম

আমার মনে হয়, ধর্মানুভূতিতে আঘাত করেনি বা নিজে আহত হয় নি; এমন মানুষ পৃথিবীতে নেই। বোধহয় বিশুদ্ধ ধার্মিকের এই অনুভূতি সামান্য কম, ছদ্মবেশীদের অনেক বেশি। ছদ্মবেশীদের আঘাত লাগলে বা লাগার সম্ভাবনা আছে বুঝলেই তাদের ক্ষিপ্রতা দেখা যায়। আমরা সবাই এখন ক্ষিপ্র আঘাতকারীদের বিরুদ্ধে।

কিন্তু এটি পৌরাণিক ভাবাদর্শের মতোই জ্ঞানকে বাধা দিচ্ছে, জ্ঞানীদেরকে হত্যা করছে। নিজেদের অনুভূতিতে আঘাত লেগেছে এই ভান ধরে ধর্মানুভূতি নামক ধারালো মনোঅস্ত্রটি আহত, খুন, আঘাত ও পীড়ন ক'রে চলেছে জ্ঞানীদের, প্রথাবিরোধীদের, রাষ্ট্রকে ও সমাজকে।

বেঁচে থাকার চূড়ান্ত আশাহীনতায় ভুগছে মানুষ,কিন্তু তারা এই ধ্রুব সত্যটি ঠিক বুঝে উঠতে পারছে না। যারা পেরেছে/পারছে তাদেরকে আগেই সরিয়ে ফেলা হয়েছিল/হচ্ছে পৃথিবী থেকে।

পৃথিবীর ইতিহাসে প্রথাবিরোধী সত্যবাদীদের পরিণতি খুবই নির্মম। কেননা সত্য গ্রহণে মানুষের যেমন অনীহা; সত্য গোপনে তারা তেমনি তত্‍পর। ধর্মকে হাতিয়ার করে মানুষ সত্যবাদীদেরকে আঘাত করেছে বহুভাবে। তবে আধুনিকেরা সব সময়ই যুগ থেকে বিচ্ছিন্ন,কিন্তু কালোত্তীর্ণ। কেননা তাঁরা সত্য খুঁজে পেয়েছেন/পান।

যুগ থেকে একটু পেছনে তাকালেই আমরা এই সত্যগুলো খুঁজে পাই। যেখানে সত্যের পরাজয় হয়েছিল, জয় হয়েছিল ধর্মের। কিন্তু যেহেতু সত্য চিরন্তন; তাই আজকের যুগে আমরা সেগুলোর সত্যতা যাচাই করতে পারছি। আর ধর্ম যে ভিত্তিহীন, তাও বুঝে উঠতে পারছি। যদিও এখনো আমরা ধর্মাস্ত্রের ব্যবহারটি ভুলে যাই নি। ভুলিনি কীভাবে জ্ঞানীদেরকে আঘাত করতে হয়। তাদেরকে বিনাশ করতে হয়।

একটু ইতিহাসে ফিরে যাই, তাহলে বুঝতে সুবিধা হবে। আমার ইতিহাস জ্ঞান কম। তবে যেটুকু জানি, আপনাদেরকে জানানোর চেষ্টা করছি। তবে এগুলো জানা নেই, এমন মানুষ খুব কমই আছে বোধহয় !

প্রাচীনকালের সত্যবাদীদের পরিণতি:

১. সক্রেটিস

(প্রাচীন গ্রিক ভাষায় Σωκράτης সক্রাত্যাস্‌) (খ্রিস্টপূর্ব ৪৭০ - খ্রিস্টপূর্ব ৩৯৯) প্রাচীন গ্রিক দার্শনিক। এই মহান দার্শনিকের সম্পর্কে তথ্য লিখিতভাবে পাওয়া যায় কেবলমাত্র তাঁর শিষ্য প্লেটো-র ডায়ালগ এবং সৈনিক জেনোফন-এর রচনা থেকে। তৎকালীন শাসকদের কোপানলে পড়ে তাঁকে হেমলক বিষ পানে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়। তাঁকে পশ্চিমা দর্শনের ভিত্তি স্থাপনকারী হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। তিনি এমন এক দার্শনিক চিন্তাধারা জন্ম দিয়েছেন, যা দীর্ঘ ২০০০ বছর ধরে পশ্চিমা সংস্কৃতি, দর্শন ও সভ্যতাকে প্রভাবিত করেছে। সক্রেটিস ছিলেন এক মহান সাধারণ শিক্ষক, যিনি কেবল শিষ্য গ্রহণের মাধ্যমে শিক্ষা প্রদানে বিশ্বাসী ছিলেন না। তাঁর কোনো নির্দিষ্ট শিক্ষায়তন ছিল না। যেখানেই যাকে পেতেন, তাকেই মৌলিক প্রশ্নগুলোর উত্তর বোঝানোর চেষ্টা করতেন। তিনি মনব চেতনায় আমোদের ইচ্ছাকে নিন্দা করেছেন, কিন্তু সৌন্দর্য দ্বারা নিজেও আনন্দিত হয়েছেন।

তাঁর একটি উক্তি: "নিজেকে অন্যের মধ্যে বিলিয়ে দেয়াই আমার অভ্যাস; আর এজন্যই এমনিতে না পেলে পয়সাকড়ি দিয়েও আমি দার্শনিক আলোচনার সাথী সংগ্রহ করতাম।"

২. নিকোলাউস কোপের্নিকুস

(লাতিন ভাষায়: Nicolaus Copernicus নিকোলাউস্‌ কোপের্নিকুস্‌, তৎকালীন পোলীয় ভাষায়: Mikołaj Kopernik মিকল্বাই কপের্নিক্‌, আধুনিক পোলীয় ভাষায়: মিকউয়াই কপর্নিক্‌) (১৯শে ফেব্রুয়ারি, ১৪৭৩ - ২৪শে মে, ১৫৪৩) একজন বিখ্যাত জ্যোতির্বিজ্ঞানী। তিনিই প্রথম আধুনিক সূর্যকেন্দ্রিক সৌরজগতের মতবাদ প্রদান করেন।

কোপের্নিকুসের একটি বিখ্যাত বই হল- "De revolutionibus"। এই বইটি তিনি লিখেছিলেন আনুমানিক ১৫১২ খ্রিস্টাব্দের পরে। কিন্তু তা প্রকাশ পায় ১৫৪৩ এর এপ্রিলে। কেননা তখন এই ধরণের বই প্রকাশ করা ছিল ভয়ের ব্যাপার। খ্রিষ্টার যাজকেরা ছিলো অত্যন্ত শক্তিশালী। বাইবেলের বিশ্বাস থেকে একটু স'রে গেলেই তারা লোকজনকে পুড়িয়ে মারতো ধর্মদ্রোহিতার অভিযোগে। এজন্য কোপের্নিকুস যখন ১৫৪৩ সালের ২৪শে মে Frombork-এ মৃত্যুবরণ করেন, তখন তাঁর হাতে তাঁর লেখা অতি বিখ্যাত বই De revolutionibus-এর একটি কপি দেয়া হয়েছিল। এর মাধ্যমে যেন তিনি তাঁর সারা জীবনের কার্যক্রমের কাছ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিদায় নিয়েছিলেন। বলা হয়, তিনি স্ট্রোক করেছিলেন। স্ট্রোকের পর কোমায় চলে যান। কোমা থেকে উঠে তাঁর অতি প্রিয় বইটির দিকে তাকান এবং শান্তিতে মৃত্যুবরণ করেন। কিন্তু পরবর্তীতে এই বইটির নাম পালটে হয় "দ্য রেভোলিউশনিবাস অর্বিউম কোয়েলিস্তিউম"। 

আদম-হাওয়ার বাদল দিনে


আদম-হাওয়া সংক্রান্ত বল্দার্গুরে আস্তিকেরা যে ক্যামনে সত্যি মনে করতে পারে, ভেবে পাই না। এই কু-রূপকথার সরস অ্যানিমেশন দেখুন। 

২২ সেপ্টেম্বর, ২০১১

যিশুর কাছ থেকে পলায়নের উপায়



ইসলামী ইতরামি: পোনে এক ডজন


১.
সৌদি আরবে ইসলামী আইনের বিচারে এ বছরে ইতোমধ্যে ৪২ জনের শিরোচ্ছেদ করা হয়েছে তরবারি দিয়ে। শুধু মে মাসেই গর্দান গেছে ১৫ জনের। সাম্প্রতিকতম হতভাগা - সুদানের এক নাগরিক। তার অপরাধ ছিলো - জাদুবিদ্যাচর্চা। 

২.
শুধু ধর্মকর্মের সময় টুপি পরা ফরজ নাকি সুন্নত, তা সঠিক জানি না; তবে বিশেষ একটি কর্মের সময় টুপি পরা একেবারেই ফরজে আইন ও ফরজে কেফায়া। এক মসজিদের ইমান সাহেব সেই ফরজ পালনে ব্যর্থ হয়ে এইডস বাধিয়ে ফেলেছে। এইডস আক্রান্ত ব্যক্তি দুর্ভাগা বলতেই হয়। তার প্রতি সমবেদনাও থাকবে, সেটাই স্বাভাবিক। কিন্তু সেই ব্যক্তির অসততার কারণে যদি তার স্ত্রী ও সন্তানও এইডসের শিকার হয়, তাহলে? এই ইমাম, ডাক্তারের কাছে করা তার নিজস্ব স্বীকারোক্তি অনুযায়ী, প্রতি তিন মানে একবার পতিতালয়ে যেতো, এবং এইডস আক্রান্ত হয়েও সে স্ত্রীকে অবগত করেনি এ ব্যাপারে। 
(লিংক পাঠিয়েছেন অদিতি অন্তরামালা আলম)

৩.
ফাকিস্তানে দু'দিনে সাতজন নারীর ওপরে এসিড নিক্ষেপ করা হয়েছে। তাদের "অপরাধ" - তাদের মাথা অনাবৃত ছিলো। বলা হয়েছে, মাথা ঢাকা না থাকলে তাদের চেহারা নষ্ট করে দেয়াই উচিত।

৪.
মিসরবাসী খ্রিষ্টানদেরকে বাতলানো হচ্ছে হচ্ছে তিনটি পথ: হয় তারা জিযিয়া ট্যাক্স দেবে (অর্থাৎ দ্বিতীয় শ্রেণীর নাগরিক হবে), বা ইসলাম গ্রহণ করবে, নইলে বাকি থাকছে - যুদ্ধ।

৫.
ফেইসবুকসহ অন্য যেসব সাইটে ধর্মীয় উস্কানিমূলক প্রচারণা চালানো হচ্ছে, ফাকিস্তান থেকে সেগুলোর প্রবেশপথ বন্ধ করে দেয়া হচ্ছে। আলহামদুলিল্লাহ।

৬.
ইসলাম ছাড়া আর সব ধর্মের প্রচার নিষিদ্ধ হলো মালদ্বীপে। তবে কাফেরদের দেশে গিয়ে ইসলাম প্রচারের জন্য জিহাদ করলে নিশ্চয়ই ম্যালা ছওয়াব কামানো যাবে।

৭.
নারীশরীর দেখলে মুমিনদের ঈমানুনুভূতি উত্থিত হয়ে পড়লে তা নিয়ন্ত্রণের দায় মুসলিম পুরুষ নেবে না। ইসলামে তাই নারীদেরকেই বাধ্য করা হয় শরীরকে বস্তাবন্দী করে রাখতে। জাকার্তার গভর্নর ক'দিন আগে বলেছিলেন, ধর্ষিতা বা নিপীড়িতা হওয়া এড়াতে মেয়েদেরকে অবশ্যই শরীর আচ্ছাদিত রাখতে হবে। তবে জাকার্তার নারীরা এর প্রতিবাদ করেছে নানা রঙের মিনি স্কার্ট ও টাইট লেগিং পরিহিত অবস্থায় সমাবেশ করে। একটি প্ল্যাকার্ডে লেখা ছিলো: কীভাবে পোশাক পরতে হবে, তা আমাদেরকে বলে দিতে হবে না। বরং তাদেরকে বলুন ধর্ষণ না করতে। আরেকটি প্ল্যাকার্ডের ভাষা: আমার শরীরে পর্নো নেই, আছে আপনার মাথার ভেতরে। প্রতিবাদী এই নারীদের উদ্দেশে থ্রি চিয়ার্স!
(লিংক পাঠিয়েছেন মৌনতা)

৮.
ইরাকী কুর্দিস্তানী এক মোল্লা জুম্মার নামাজের খুতবার সময় বলেছে, নারী-খতনা বাধ্যতামূলক। সে আরও নিশ্চিত করেছে, স্ত্রীকে প্রহারের অধিকার স্বামীর আছে। ইসলাম এই অধিকার দিয়েছে।

৯.
ছয় বছর বয়সী এক বালিকাকে (অবধারিতভাবে মনে পড়ে যায়, ইসলামের পঞ্চাশোর্ধ নবী এই বয়সী বালিকাকে বিবাহ করেছিলেন) নগ্ন করে ক্লাসে ঘুরিয়েছে ক্লাস শিক্ষক। বালিকার "অপরাধ" - তার হাতের লেখা খারাপ। ঘটনা ঘটেছে ভারতের এক মাদ্রাসায়।

দ্ব্যর্থবোধক নাম?



লুকোচুরি-লুকোচুরি গল্প


মূলধারার (ঊ-কার বাদ দিলেই, বোধহয়, সঠিক হতো এ ক্ষেত্রে) প্রায় সমস্ত ধর্মই বলে, এ জনমে যতো মানবহিতকর কাজই আপনি করুন না কেন, স্বর্গে আপনার ঠাঁই হবে না, যদি আপনি ঈশ্বরে বিশ্বাস না করেন! 

এহেন শর্তে অবিশ্বাসীরা "শৃঙ্খলার" মধ্যে পড়ে যায়। এরা তো প্রমাণ-ট্রমাণ ছাড়া কিছুতে আস্থা রাখবে না বলে ধনুর্ভঙ্গ পণ করে বসে আছে। কিন্তু ঈশ্বর যদি সত্যিই পরম দয়াময় ও তার বান্দাদের হিতাকাঙ্ক্ষী হয়ে থাকে, তাহলে তার কি উচিত নয় কোনওভাবে তার অস্তিত্বের নিখুঁত প্রমাণ দিয়ে এই বিপথগামী বেয়াড়া বেদ্বীনদের স্বর্গগমনে সহায়তা করা? 

বায়োনিকড্যান্স-এর আড়াই মিনিটের ভিডিও। 

রিমেইক: যিশুর অন্তিম ঘটনা



লিংকিন পার্ক - ০৯


সময়াভাবে যে-বিষয়গুলো নিয়ে পোস্ট দেয়া হয়ে ওঠে না...

১.
ধর্মের ধড়িবাজি ধরা পড়েছে বারবার। আরও পড়বে। এই যেমন, Near-Death Experience-এর মাধ্যমে পরকালের অস্তিত্ব প্রমাণের মরিয়া প্রচেষ্টা করে থাকে ধর্মগুলো। কিন্তু বিজ্ঞানের কাছে ভুজুং-ভাজুং টেকে না। সায়েন্টফিক আমেরিকান পত্রিকার রিপোর্ট। 

২.
ঈশ্বর সৃষ্টি করেনি মানুষকে, বরং ঈশ্বরই মানুষের সৃষ্টি। লস অ্যাঞ্জেলেস টাইমস-এ প্রকাশিত নিবন্ধ।

৩.
হালাল বর্ণনায় একটি ছহিহ ইছলামী রেছিপি। অনেকে বলছেন, রিভার্স পোস্ট। যেটাই হোক না কেন, পাঠানন্দের নিশ্চয়তা শতভাগ

৪. 
এক খ্রিষ্টান টিভি-প্রোগ্রামে ফোন করেছিলেন এক নাস্তিক। ঘটনার বিশদ বর্ণনা সরসভাবে উপস্থাপন করেছেন তিনি। অনুষ্ঠানের উপস্থাপককে ছুপা-নাস্তিক ধরনের মনে হলো

৫. 
ধর্মবিশ্বাসীদের নিশ্চিত ধারণা, সৎ ও নীতিবান হতে গেলে ধর্মের প্রয়োজন অবশ্যম্ভাবী। ধারণাটি যে একেবারেই ভিত্তিহীন, তা তো আমরা জানিই। সে কথাগুলোই খুব গুছিয়ে সবিস্তারে বুঝিয়ে বলা হয়েছে এই নিবন্ধে। 

৬. 
মানব জাতির ইতিহাসে যুগে-যুগে হাজার-হাজার ভগবানেশ্বরাল্লাহর অস্তিত্বের কথা শোনা গেছে। অদ্যাবধি কেউ সামান্যতম প্রমাণও দেখাতে সক্ষম হয়নি তাদের অস্তিত্বের সপক্ষে। ইউটিউবার TheraminTrees তিন পর্বের সুনির্মিত ভিডিওর মাধ্যমে ভগবানেশ্বরাল্লাহর অস্তিত্বের ভিত্তিহীনতার পক্ষ নিয়েছেন। তাঁর সুশ্রাব্য কণ্ঠস্বর, ভিডিওর অভিনবত্ব ও সর্বোপরি ধারালো যুক্তি ও তথ্যের কারণে তা বড়োই মনোগ্রাহী হয়েছে। 

৭. 

৮.
মেক্সিকান? কৃষ্ণাঙ্গ? ইহুদী, ইটালিয়ান? ক্যালিফোর্নিয়ান? আইরিশ? কে ছিলেন যিশু? নাকি তিনি মেয়ে ছিলেন?

২১ সেপ্টেম্বর, ২০১১

আমাদের আত্মীয়েরা – ৩২


পাঠিয়েছেন শয়তানের চ্যালা


ধর্মগ্রন্থগুলো যেমন হতে পারতো


বাইবেল কেমন হওয়া উচিত ছিলো, কেমন হলে তা হতো মানবিক, বাস্তবানুগ, সঠিক তথ্যসমৃদ্ধ, এ বিষয়ে নিজস্ব মতামত জানাচ্ছেন এক প্রাক্তন ক্যাথলিক ধর্মযাজক, বর্তমানে নাস্তিক। বস্তুত ধর্মগ্রন্থগুলো কতোটা বাস্তবতাবিবর্জিত, কতোটা অব্যবহারিক, তা চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিচ্ছেন প্রবীণ এই ব্যক্তি। 

শিশুদের কোরান তেলওয়াতের পুরস্কার অস্ত্র


সোমালিয়ার ইসলামী দল আল-শাবাবের সমর্থনপুষ্ট রেডিও-স্টেশন পরিচালিত শিশুদের কোরান তেলওয়াত প্রতিযোগিতায় বিজয়ী পেয়েছে রাইফেল AK-47 ও ৪৫০ ডলার, দ্বিতীয় স্থান অধিকারী পেয়েছে রাইফেল AK-47 ও ৩২৫ ডলার এবং তৃতীয় স্থান অধিকার করেছে যে বালক, তাকে দেয়া হয়েছে দুটো F1 হ্যান্ড গ্রেনেড ও ২৫০ ডলার। এছাড়া তাদের প্রত্যেকে পেয়েছে ধর্মীয় পুস্তক। 

শীর্ষ ইসলামী নেতা ও মুখপত্রদের উপস্থিতিতে উপহার বিতরণ করা হয়েছে এবং অনুষ্ঠানের ছবি প্রকাশ করা হয়েছে দলের ওয়েবসাইটে।  


অপ্রাপ্তবয়স্ক বালকদের হাতে অস্ত্র তুলে দেয়ার ভেতরে "অস্বাভাবিক" কিছু নেই কিন্তু। কারণ এই ইসলামী দল ১৫ বছরেরও কম বয়সীদেরকে দলের পক্ষে যুদ্ধ করতে নিয়োগ করেছে নিয়মিতভাবে।

আর এ কথা স্বীকার করতেই হবে যে, কোরান তেলওয়াতের পুরস্কার হিসেবে রাইফেল ও গ্রেনেড কোরানের অজস্র আয়াত-উপযোগী। জিহাদের মাধ্যমে ইসলাম প্রতিষ্ঠায় অস্ত্র খুবই কার্যকরী মাধ্যম।

২০০৯ সালেও এই ইসলামী দল কোরান ও সোমালিয়ার ভূগোল সংক্রান্ত কুইজ প্রতিযোগিতার পুরস্কার হিসেবে বরাদ্দ রেখেছিল রাইফেল ও অ্যান্টি-ট্যাংক মাইন। 

প্রাগৈতিহাসিক মেয়ে-পটানি বাক্য



জ্বীনের গাড়ি-ধাক্কা


লিখেছেন গোলাপ মাহমুদ 

মদীনা থেকে তাবুক ভ্রমণের পথিমধ্যে ওয়াদি-আল-জ্বীন (Wadi Al Jinn) স্হানটির অবস্থান। এটি মদীনা শহর থেকে প্রায় ৩০ কিলোমিটার দূরে। এই আলৌকিক স্হানটিতে জ্বীন জাতির কর্মকাণ্ডের প্রত্যক্ষ প্রমাণ আজও বিদ্যমান। সে কারণে মুমিন মুসলামানদের কাছে এ স্থানটির এক বিশেষ গুরুত্ব আছে। স্থানটির আরেক নাম 'ওয়াদি-আল বায়দা'। 

আয়েশা কর্তৃক বর্ণিত আছে যে, হুজুরে পাক মহা-ম্যাড ইরশাদ ফরমাইয়াছেন, "একটি সেনা বাহিনী ক্বাবা আক্রমণ করবে এবং যখন তারা ওয়াদি-আল বায়দায় আসবে, তখন মাটি তাদের সবাইকে গ্রাস করবে" (বুখারীঃ ভলুউম ৩, বই ৩৪, নম্বর ৩২৯)।

মুমিন বান্দারা কুরানে বর্নিত 'জ্বীন জাতীর' সত্যতার প্রমাণ এ জায়গাটিতে চাক্ষুস দেখতে পান। তাঁরা অবিশ্বাসীদের সেটার প্রমাণও দেখাতে পারেন এ স্হানটিতে। যে কোন গাড়ি-ইঞ্জিন বন্ধ ও নিউট্রাল গিয়ারে থাকা অবস্থায় ঊর্দ্ধাভিমুখে (ঢালুর বিপরীতে) চলতে থাকে, ক্রমান্বয়ে তার গতি বাড়তে থাকে এবং সর্বোচ্চ গতি ১২০ মিটারের ও বেশী হতে পারে। তারা বিশ্বাস করেন এই অলৌকিক ঘটনার কারন হলো "জ্বীন"। 

জ্বীনেরা তাদের এলাকায় কোনো গাড়ীর আনাগোনা বরদাস্ত করে না। তাই তারা গাড়ীটিকে ধাক্কা দিয়ে তাদের এলাকার বাহিরে ফেলে দিতে চেষ্টা করে। বিশ্বাস না হলে দেখুন নিচের তিন ও এক মিনিটের দু'টি ভিডিও: 

শিব-বার্গার



২০ সেপ্টেম্বর, ২০১১

গোঁড়ামিধ্বংসপটু ডকিন্স


গতকাল নিউ ইয়র্ক টাইমসে রিচার্ড ডকিন্স সম্পর্কে প্রকাশিত একটি সুখপাঠ্য নিবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে। শিরোনামটিও অতীব মোক্ষম: A Knack for Bashing Orthodoxy.  এছাড়া তারা আরও প্রকাশ করেছে তাঁর ছয় মিনিট দীর্ঘ সাক্ষাৎকারের ভিডিও।

বাকস্বাধীনতার আরবি প্রতিশব্দ



হ্রস্বরসবাক্যবাণ – ২০


১.
কোরান পরিবর্তন হয় না; পরিবর্তন হয় আরবী অর্থ।
(দাঁড়িপাল্লা)

২.
মোহাম্মদের জীবনী গ্রন্থ ঠিকমত লিখলে সেটা রসময় গুপ্তের বই থেকে কোন অংশে কম হবে না!
(থাবা বাবা)

৩.
কুকুরের প্রার্থনায় কাজ হলে আকাশ থেকে হাড়-বৃষ্টি পড়তো। 
(জার্মান প্রবাদ)

কনফেশন বক্সে



বিশ্ব যদি হতো ধর্মহীন


ধর্মহীন বিশ্বের স্বপ্ন দেখেছিলেন জন লেনন। সেই স্বপ্ন পূরণ হলে পৃথিবীটা কেমন হতো, শুনুন রিচার্ড ডকিন্সের কণ্ঠে। 

দু'মিনিটের ভিডিও।

দেখে যেন মনে হয় শিং উহারে



১৯ সেপ্টেম্বর, ২০১১

ইবলিসের কুকথা - ০২


লিখেছেন দিলরুবা হোসাইন

৪. 
সেজদা হলো মাথা নোয়ানো, কপালও মাটিতে ঠেকাতে হয়, পুরুষদের জোরে আল্লাহু আকবার বলতে হয়। কোরানে অনেকবার উল্লেখ আছে, আকাশ, সূর্য, চন্দ্র, তারকারাজি, পর্বতরাজি, বৃক্ষলতা আল্লাহকে সেজদা করছে। আবার ইউসুফ নবীকেও সেজদা করেছে। আকাশ, সূর্য, চন্দ্র, তারকারাজি, পর্বতরাজি, আল্লাহর তৈরী জড় বস্তু। এগুলোর কি মাথা/মস্তক আছে (!) সেজদা করার জন্যে? আল্লাহর তৈরি জড় বস্তুর সেজদা করার মাহাত্ম্যটা কী? ইবলিস কোরান পড়িয়া হাসে।
[সুরা হাজ্জ: ১৮] তুমি কি দেখনি যে, আল্লাহকে সেজদা করে যা কিছু আছে নভোমন্ডলে, যা কিছু আছে ভুমন্ডলে, সূর্য, চন্দ্র, তারকারাজি পর্বতরাজি বৃক্ষলতা, জীবজন্তু এবং অনেক মানুষ।
[সুরা ইউসুফ: ৪] যখন ইউসুফ পিতাকে বললঃ পিতা, আমি স্বপ্নে দেখেছি এগারটি নক্ষত্রকে। সুর্যকে এবং চন্দ্রকে। আমি তাদেরকে আমার উদ্দেশে সেজদা করতে দেখেছি।

৫.
মুসলমানদের সৃষ্টিকর্তা আল্লাহ। তাই মুসলিমদের বলতে শোনা যায়, আল্লাহর কসম কেটে বলছি এটা সত্য । আল্লাহর কসম কেটে মিথ্যা বললে কঠিন শাস্তি, এই কারণে কসম কাটা। আল্লাহর আবার সৃষ্টিকর্তা হলো ডুমুর, জয়তুন ফল,সিনাই প্রান্তরস্থ তুর পাহাড়! উনি উনার সৃষ্টিকর্তার কসম কেটে বলছেন ''শপথ আঞ্জীর (ডুমুর) ও যয়তুনের,এবং সিনাই প্রান্তরস্থ তূর পর্বতের, আমি সৃষ্টি করেছি মানুষকে সুন্দরতর অবয়বে।"

৬.
সোমালিয়া আল্লাহর সবচেয়ে বড় science lab! সোমালিয়ার মানুষদের (শিশুদেরও!) আল্লাহ পরীক্ষা নিচ্ছেন। আল্লাহ final exam নিচ্ছেন: না খেয়ে ওরা মরে কি না।
[সুরা বাকারাহ: আয়াত ১৫৫] এবং অবশ্যই আমি তোমাদিগকে পরীক্ষা করব কিছুটা ভয়, ক্ষুধা, মাল ও জানের ক্ষতি ও ফল-ফসল বিনষ্টের মাধ্যমে। তবে সুসংবাদ দাও সবরকারীদের।

থাকলে মাথা হিজাব-ঢাকা


তিনটি ছবির দুটো আগেই প্রকাশিত হয়েছিল ধর্মকারীতে। তবু ভাবলাম, থাকুক না সবগুলো একসঙ্গে!


ইসলামের দৃষ্টিতে যিশু


যিশুকে নবী হিসেবে স্বীকৃতি দেয়া হয়েছে কোরানে। কুমারী মাতার গর্ভে তার জন্ম, বলা হয়েছে সে কথাও। উল্লেখ করা হয়েছে তার ঘটানো অলৌকিক ঘটনাবলীর কথা। তবে মজার ব্যাপার হচ্ছে, যিশু প্রসঙ্গে কোরান ও বাইবেলের মধ্যে রয়েছে অস্বাভাবিক রকমের ব্যাপক বৈসাদৃশ্য।

আরও প্রশ্ন জাগে মনে: কোরানের দৃষ্টিভঙ্গি থেকে একটি ব্যাপার স্পষ্ট হয়ে ওঠে, খ্রিষ্ট ধর্মের ঈশ্বর ও ইসলামের আল্লাহ একজনই। তাহলে এই দুই ধর্মের ভেতরে কেন এতো পার্থক্য, বৈষম্য, কেনই বা এই দুই ধর্মের ভেতরে চিরজীবনের শত্রুতা, হানাহানি, হত্যাকাণ্ড?

ব্রিটেনের আইটিভি চ্যানেলের বানানো ছেচল্লিশ মিনিটের ডকুমেন্টারি। 

বুদ্ধের ধ্যান



ধর্মবিশ্বানের বিষ-শ্বাস


মানুষে-মানুষে ভেদাভেদ বাড়াতে ধর্ম অপ্রতিদ্বন্দ্বী। ধর্মবিশ্বাসের কাছে মানবজীবন তুচ্ছ! 

ইত্তেফাকে প্রকাশিত সংবাদ: 

লেখক: লীনা রহমান, সোম, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১১, ৪ আশ্বিন ১৪১৮

অন্য ধর্মের ছেলেকে বিয়ে করায় সেই এলাকার মসজিদ কমিটি মিটিং করে আরেফাকে দোররা মেরে বা ইঞ্জেকশন দিয়ে মেরে ফেলার কথা বলছে। স্বামী রঞ্জন আরেফার ভাই ও আত্মীয়দের সাথে কথা বলে তাকে আনার চেষ্টা করেও পারেনি, স্ত্রীর সাথে দেখাই করতে পারেনি সে মধ্যযুগের অবসান হয়েছে বহু আগে, অন্তঃপুর ছিল যাদের বিচরণক্ষেত্র সেই নারীদের শিক্ষার ক্ষেত্র আজ প্রসারিত হয়েছে আরো, নারীর কর্মমুখরতা আর অর্থনৈতিক স্বাবলম্বন যখন আগের চেয়ে বেশি স্বাভাবিক হয়ে উঠেছে এবং গ্রহণযোগ্যতা পাচ্ছে বেশি করে তখন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষিকাসহ শিক্ষিত ও কর্মজীবী নারীদের, দেশের নামকরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পড়ুয়া ছাত্রীদের উপর নিপীড়নের কষ্টগাঁথা নারী মুক্তির পথে আমাদের সকল অগ্রযাত্রাকে ম্লান করে দেয়। নিজের অগ্রযাত্রার পথে পরিবার ও সমাজের গোঁড়ামিকে দাঁড়াতে দেখা ও তাদের হাতে অত্যাচারিত হওয়া তেমনি এক নারী আরেফা পারভিন। ‘মেয়ে মানুষ ঘরে থাকবে, তাদের পড়াশোনা ও চাকরি-বাকরির দরকার নেই’ এ ধরনের মানসিকতা সম্পন্ন পরিবারের সমাজের শৃংখল ভেঙ্গে আরেফা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগ থেকে ২০০৭ সালে মাস্টার্স পাস করে এবং পরিবারের কথা অমান্য করে পড়াশোনা শেষে ঘর নামক খাঁচায় ফিরে না গিয়ে আরেফা চাকরি শুরু করেন ২০১০ সালে জুন-এর দিকে ‘আকসা ফুড ইন্ডাস্ট্রিতে’ পাবলিক রিলেশন অফিসার হিসাবে। অথচ সেই ঈদে বাড়ি যাবার পর পরিবারের চাপে আর ফিরতে পারে না ঢাকায় এবং এর ফলে সে তার চাকরি হারায়। কিন্তু নাছোড়বান্দা স্বাধীনচেতা আরেফা অনেক কষ্টে পঞ্চগড় থেকে ঢাকায় আসে একটা চাকরি যোগাড় করে স্বাধীনভাবে থাকবে এবং নিজের পছন্দের কাউকে বিয়ে করবে বলে। তাই ২০১১ সালের জানুয়ারীতে জায়ান্ট গ্রুপের গ্লোবাল সাপ্লাই লিমিটেড এ তার বন্ধুদের সাহায্যে একটা চাকরি খুঁজে নেয়। সেখানে থাকা অবস্থায় তার মায়ের চাপা-চাপিতে গত মার্চ মাসে সে বাড়ি যায়, কিন্তু সেই বার পঞ্চগড় গেলে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে আবারো তাকে আটকে রাখা হয়। ফলে আবারো চাকরির পথে বাঁধা আসে যদিও বাড়ি থেকে এসে অফিসে অনুরোধ করে বহুকষ্টে চাকরি বজায় রাখে সে এবং এ বছর ঈদে বাড়ি যেতে অসম্মতি জানায়, পরিবারকে জানিয়ে দেয় সে এখানেই স্বাধীনভাবে থাকতে চায়। ইতিমধ্যেই স্বাধীন মানুষের মতো নিজের পছন্দের এক ছেলেকে বিয়ে করে সে। পরিবার থেকে তখন তেমন কিছু না বললেও ঈদের দুই দিন পর অর্থাত্ এই মাসের ৪ তারিখে তার ভাই তার হোস্টেলে এসে সকাল নয়টায় নাস্তা খাওয়াতে নিয়ে যাওয়ার কথা বলে তাকে মাইক্রোবাসে করে পঞ্চগড়ের বাসায় নিয়ে যায়। এরপর তাকে পরিবারের ইচ্ছার বিরুদ্ধে বিয়ে করা নিয়ে শারীরিক ও মানসিক অত্যাচার করা শুরু করে। তার আইনত স্বামীকে আরেফা জানায়, সে জানতে পেরেছে অন্য ধর্মের ছেলেকে বিয়ে করায় সেই এলাকার মসজিদ কমিটি মিটিং করে আরেফাকে দোররা মেরে বা ইঞ্জেকশন দিয়ে মেরে ফেলার কথা বলছে। স্বামী রঞ্জন আরেফার ভাই ও আত্মীয়দের সাথে কথা বলে তাকে আনার চেষ্টা করেও পারেনি, স্ত্রীর সাথে দেখাই করতে পারেনি সে। প্রাপ্তবয়স্ক একজন নারীকে উদ্ধার করে আনার কাজে সে স্থানীয় পুলিশ, সাংবাদিক বা মানবাধিকার কর্মী কারোরই সাহায্য পায়নি সে। আরেফার দুর্দশার কথা আজ লিখছি, কিন্তু সমাজের নিষ্ঠুরতা, পরিবারের অমানবিকতা আমাদের নির্বিকারত্ব ও গোঁড়ামির প্রতি অসহায়ত্ব যদি ওই স্বাধীনচেতা মেয়েটিকে মানুষের মত মুক্তভাবে বাঁচতে না দেয় সে খবর এই হাতে কি করে লিখব? মধ্যযুগীয় সাহিত্যের অমর শব্দগুচ্ছ ‘সবার উপরে মানুষ সত্য’ এ অমর বাণী কি আজকের আধুনিক যুগে মিথ্যে হয়ে যাবে?

লিংকিন পার্ক - ০৮


সময়াভাবে যে-বিষয়গুলো নিয়ে পোস্ট দেয়া হয়ে ওঠে না...

১.
ব্রিটেনবাসী হিন্দুদের মুখপাত্র অভিযোগ উত্থাপন করেছে মুসলিমদের বিরুদ্ধে; বিশেষ করে বাংলাদেশী ও পাকিস্তানী মুসলিমদের বিরুদ্ধে। তার দাবি, মুসলিমরা বেশি পরিমাণে সরকারী ওয়েলফেয়ার পাবার আশায় পরিবারের সদস্যসংখ্যা বৃদ্ধি করে।


প্রাসঙ্গিক একটি চার্ট দেখুন।

২. 
ওয়াশিংটন পোস্ট লিখছে আশাজাগানিয়া নিবন্ধ: নির্ধার্মিকদের জন্য নতুন প্রত্যুষ? 

৩. 
শিশুতোষ ধর্মীয় সঙ্গীতে ব্যবহৃত ভাষা: ফুটবল অপেক্ষা ঈশ্বর উত্তম > বিয়ার অপেক্ষা ঈশ্বর উত্তম। এই সঙ্গীতের রচয়িতার চিন্তাক্ষম প্রত্যঙ্গটির নাম "মগজ" হতেই পারে না! এক মিনিটের ভিডিও

৪. 
ধর্মের চেয়ে বড়ো ব্যবসা আর নেই। বিশ্বাসীরা নির্লজ্জভাবে প্রতারিত হচ্ছে হরদম। তবু তাদেরকে শেয়ার ব্যবসায় প্রতারিত বিনিয়োগকারীদের মতো সরব প্রতিবাদ করতে দেখা যায় না! ব্রাজিলের ঘটনা। 

৫. নাস্তিক, অজ্ঞেয়বাদী, সংশয়বাদী, মানবতাবাদী, অবিশ্বাসী তথা নির্ধার্মিকেরা অংশ নিয়েছেন বারো মিনিটের শর্ট ফিল্মে। নানাবিধ দৃষ্টিভঙ্গির সমন্বয় ঘটেছে এতে। সুন্দর ভিডিও। 

৬. 
এক গর্দভ ইসলামবিদ বলেছিল, ইরানে ভূমিকম্প হয় স্থানীয় মেয়েরা ইসলামসম্মত পোশাক পরে না বলে। এবার এক গবেট ইহুদি মোল্লা ঘোষণা দিলো, সমকামী বিবাহের কারণে ভূমিকম্প সংঘটিত হয়। প্রায় তিন মিনিটের ভিডিও।

৭. 
বাইবেল অনুসারে যে-কাজগুলো নিষিদ্ধ, সেসব খ্রিষ্টানেরা দিব্যি করে চলেছে! কোরান-হাদিসে নিষিদ্ধ ঘোষিত অনেক কাজও মুসলমানেরা কিন্তু হরদম বা প্রাত্যহিকভাবে করে থাকে। তার একটা ফিরিস্তি বানানো যায় না দশে মিলে? 

৮. 
মুসলিমরা নিজেরাই ভেবে বের করেছে অলীক এক শব্দ - ইসলামোফোবিয়া। এবং নিজেরাই সেই "ফোবিয়া" দূর করতে উদ্যোগ নিয়েছে, জেনে অবাক হবেন, হিউমারের মাধ্যমে! সাড়ে তিন মিনিটের ভিডিওতে কিছু নমুনা পাবেন ইসলামী "হিউমার"-এর। দেখবেন দুই মুসলিম মেয়ে কমেডিয়ানকেও। যে পোশাকে তাদেরকে এখানে দেখা গেল, সৌদি আরব বা ইরানে এমন পোশাক পরার কারণে তাদের জেল হয়ে যেতো নিদেনপক্ষে।