বুধবার, ৩১ আগস্ট, ২০১১

ঈশ্বরীয় ইনটেলিজেন্স



লিংকিন পার্ক - ০৩


সময়াভাবে যে-বিষয়গুলো নিয়ে পোস্ট দেয়া হয়ে ওঠে না...

১.
আমেরিকার প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী হতে আগ্রহী গোঁড়া খ্রিষ্টান মিশেল বাকম্যান বলেছেন, আমেরিকার সাম্প্রতিকতম ঘুর্ণিঝড় বস্তুত আমেরিকার প্রতি ঈশ্বরের সতর্ক সংকেত (লিংক পাঠিয়েছেন নাফিস হাসান মৌনতা), তবে তাঁর কথাকে 'রসিকতা' বলে চালানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। কারণ তিনি নিজেই দাবি করছেন, তাঁর নাকি তুখোড় রসবোধ। বিস্তারিত এই ভিডিওতে

এ বিষয়ে এক মোমিন মুসলমানের বক্তব্য পড়ুন। অবশ্য শিরোনামটিই শুধু বিনোদনী: সারা দুনিয়ার মুসলিমের উপর অত্যাচারের প্রতিফলে আল্লাহ’র তরফ থেকে গজব। লেখাটি না পড়লেও চলবে। লিংক পাঠিয়েছেন সৌমিত্র চক্রবর্তী

২.
সেক্যুলারিজম কি মানুষকে আরও বেশি নৈতিক হতে সাহায্য করে? জার্মান পত্রিকার বিশ্লেষণ।

৩.
বেহায়ার মতো হাসতে হাসতে দুই বছরের শিশুর মগজে ঢোকানো হচ্ছে ধর্মবিশ্বাসের বিষ! সাত মিনিটের ভিডিও।

৪.
ফক্স নিউজ চ্যানেলে ডেভ সিলভারম্যানের সহাস্য বাকযুদ্ধের কথা মনে আছে? তিনি পরে টুইটারে লিখেছিলেন এ বিষয়ে: Off camera they said they wanted a calm discussion. Then they became fox news. 

রসবোধ কাকে বলে, তার ছোট্টর একটি নমুনা মিশেল বাকমান দেখে নিতে পারেন।

৫.
আবারও নিশ্চিত হলাম, মগজের স্বাভাবিক কর্মকাণ্ড পালনে সবচেয়ে বড়ো অন্তরায়ের নাম ধর্মবিশ্বাস। নইলে এই ক্যাথলিক গাঁড়োলগুলো কীভাবে একবিংশ শতাব্দীতে বসে দাবি করতে পারে, পৃথিবী এই বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের কেন্দ্র এবং সূর্য প্রদক্ষিণ করছে পৃথিবীকে। গ্যালিলিওর ঘোষণা ছিলো বস্তুত ক্যাথলিক চার্চের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র।

৬.
ঈশ্বরের ব্লগ 

৭.
গোলাপ পাঠিয়েছেন বিবিসি-র তৈরি একটি ডকুমেন্টারির লিংক। তিন পর্বের এবং তিন ঘণ্টা দীর্ঘ।
Atom: Clash of the Titans
Atom: The Key to The Cosmos
Atom: The Illusion of Reality

পারলৌকিক পতিতালয়ের প্রলোভন


বানিয়ে পাঠিয়েছেন পাদুকা

পূর্ণাকারে দেখতে ছবির ওপরে ক্লিক করুন

আস্তিকীয় ভ্রান্তিবিলাস


নাস্তিকদেরকে প্রায়ই আস্তিকদের একটি প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হয়, "এই যে তুমি বলতেসো, আল্লা-টাল্লায় বিশ্বাস করো না, কিন্তু একবারও ভেবে দেখসো, তোমার ধারণা যদি ভুল হয়?" শুনে এতোদিন বলতাম, আমাদের ধারণা ভুল - তার সপক্ষে সামান্যতম যুক্তি-তথ্য-প্রমাণ তোমাদের নেই। বরং তুমি তোমাদের বিশ্বাসের সপক্ষে জুতসই প্রমাণ পেলে আমাকে জানিয়ো, আমি আমার ভুল স্বীকার করে নেবো। 

তবে আস্তিকদের এমন প্রশ্নের লা-জবাব জবাব দিয়েছেন রিচার্ড ডকিন্স। এখন থেকে তাঁর দেয়া যুক্তি ব্যবহার করবো। 

এক মিনিটের চলমান টেক্সট-ভিডিও।

প্রচলিত যুক্তি বনাম ধর্মীয় যুক্তি



কোরান কুইজ – ০৬


নিশ্চয়ই মোমিন মুসলমানগণ কোরান সম্পর্কে সম্যক জ্ঞান রাখেন। বেয়াড়া নাস্তিকগনও নিজেদেরকে কোরান-অজ্ঞ বলেন না কখনও। তাই মুসলিম-নাস্তিক নির্বিশেষে সকলেই অংশ নিতে পারেন কোরানের আয়াতভিত্তিক এই ধাঁধা প্রতিযোগিতায়। এই সিরিজের মাধ্যমেই তাঁরা নিজেদের কোরান-জ্ঞান যাচাই করে নিতে পারবেন।

প্রশ্ন ১১. মুহম্মদের স্ত্রীগণ সকল মুসলমানের মাতা।
ক) হ্যাঁ
খ) না

প্রশ্ন ১২. মুহম্মদ সকল মুসলমানের পিতা। 
ক) হ্যাঁ 
খ) না 

(স্ক্রল করে নিচে উত্তর দেখুন)

মঙ্গলবার, ৩০ আগস্ট, ২০১১

সহিহ সহাবস্থান


নিচের ছবিটি পাঠিয়েছেন fctheist.
ছবিতে ক্লিক করে পূর্ণাকারে দেখুন।


এ প্রসঙ্গে মনে পড়ে গেল পুরনো একটি পোস্টের কথা। সেই পোস্ট থেকেই উদ্ধৃতি ও ছবি:

অনলাইন টিভি দেখার একটা সফটওয়্যার আছে আমার। তো একদিন সেটির চ্যানেল আপডেট লিস্টের এক জায়গায় চোখ আটকে গেল। স্ক্রিনশট নিয়ে রাখলাম সঙ্গে-সঙ্গে।


কোরানীয় সমতল পৃথিবী


সপ্তম শতাব্দীর মানুষ পৃথিবীর আকার, সূর্যোদয়-সূর্যাস্ত ও আকাশ সম্পর্কে সম্পর্কে যে-ধারণাগুলো পোষণ করতো, সে-কথাগুলোই লেখা হয়েছে কোরান নামের তথাকথিত ঐশী কিতাবে। আল্যাফাক এই বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের সৃষ্টিকর্তা হলে তা তো এসব সম্পর্কে সঠিক তথ্য দেবার কথা তার রচিত কোরানে! 

কিন্তু ব্যাটায় কোরানে উল্টাপাল্টা ও হাস্যোদ্রেককারী "তথ্য" দিয়ে বিপদে ফেলেছে ইসলাম-রক্ষকদেরকে! তারা গলদঘর্ম হয়ে আল্যাফাকের বাণীর সত্যতা প্রমাণ করতে গিয়ে কী নাকালটাই না হয়! 

কোরানে বর্ণিত পৃথিবীর আকার প্রসঙ্গে অনেক রচনা ও ভিডিও লভ্য বটে, তবে কুড়ি মিনিটের এই সুনির্মিত ভিডিওতে সুচিন্তিত যুক্তি-তথ্যের সুগচ্ছিত উপস্থাপনা রীতিমতো মুগ্ধতা জাগায়।

ধর্মধোলাইসঙ্গীত


ধর্মকারীর সঙ্গীত বিভাগ "বে-হামদ ও বে-নাত"-এ এসেছে নতুন গান। গানটিতে তথাকথিত ঐশী কিতাবগুলোকে তথা ধর্মগুলোকে ধোলাই করা হয়েছে আচ্ছামতো! প্রথম দুই চরণই তো প্রাণটা জুড়িয়ে দেয়: 
The Bible is bullshit, the Koran is a lie 
The Bagavad Gita did not fall from the sky.

ব্লগের ডান কলামের একেবারে ঊর্ধ্বাংশ দ্রষ্টব্য। 

সুখী হবার ধর্মীয় তরিকা



আমিই মহাবিশ্ব, আমিই ঈশ্বর


লিখেছেন প্রলাপ 

১. 
১৯ তারিখ রোজ শুক্রবার গিয়েছিলাম নগরের সর্বোচ্চ এবং সর্ববৃহৎ সংযমালয় বসুন্ধরা সিটিতে সংযম পালন করতে। গিয়ে দেখলাম পুরো পান্থপথ জুড়ে বিশাল লাইন। সবাই এসেছে সংযম পালন করতে। লাইন দেখে মনে হল অনেকেই সেহরী সেরেই লাইনে দাঁড়িয়ে গেছে। যাই হোক, বাসা কাছে হওয়ায় আমি পায়ে হেঁটেই গিয়েছিলাম, তাই লাইনে দাঁড়ানোর ঝামেলা পোহাতে হল না। ইনফিনিটি থেকে বাবা এবং ভাইয়ের জন্য দুটি পাঞ্জাবী কিনলাম। আমার মা-বাবা বাস করে পুরান ঢাকার ওয়ারীতে। ড্রাইভারকে ফোন দিলাম গাড়ি নিয়ে আসতে, গন্তব্য ওয়ারী। সোনারগাঁ মোড়ে এসে সিগনালে দাড়ালাম। এই পয়েন্টে ভিক্ষুকের অনেক উপদ্রব। কাউকে টাকা দেয়ার জন্য উইন্ডোর কাঁচ নামালেই দল বেঁধে হামলে পড়ে অন্তত হাফ ডজন ভিক্ষাপ্রার্থী। তাই কাউকে ভিক্ষা না দেয়াটাই বুদ্ধিমানের কাজ। পাঁচ মিনিটের সিগনালে প্রায় ছয়-সাতজন ভিক্ষুক আমার জানালায় টোকা দিয়ে গেল। কারো দিকে ভ্রুক্ষেপই করলাম না। একসময় পাশে এসে দাঁড়ালো দশ-এগারো বছরের একটি ছেলে। কেন যেন ছেলেটি আমার দৃষ্টি আকর্ষণ করলো। মুহূর্তেই মনে হল, আমি যেন ছেলেটির মত ছেঁড়া-মলিন একটি পোশাক পড়ে গাড়ির বাইরে দাঁড়িয়ে নিজের কাছেই ভিক্ষা চাইছি। শৈশবের আমি আর সেই ছেলেটি যেন একাকার হয়ে গেছে। সম্বিত ফিরে পেয়ে দেখলাম সিগনাল ছেড়ে দিয়েছে। মাথা ঘুরিয়ে ছেলেটির দিকে তাকিয়ে থাকলাম কিছুক্ষণ। সাড়ে চার হাজার টাকায় কেনা সংযম আমার জন্য লজ্জার উৎস হয়ে উঠলো।

২. 
মাঝে মাঝে এমন হয় যে, নিজের সত্ত্বাকে আশেপাশের অন্যান্য মানুষ/প্রাণী এমনকি জড় পদার্থ থেকে আলাদা করে ভাবতে পারি না। কখনো মনে হয় আমার কলমখানা, আমার কিবোর্ড খানা আমার সত্ত্বার অবিচ্ছেদ্য অংশ। কখনো রাস্তায় দেখা একদম অপরিচিত কোনো মানুষকেও আত্মার আত্মীয় বলে মনে হয়। কখনো কখনো নিজের আলাদা কোন অনুভুতির অস্তিত্ব থাকে না, অথচ অন্যের কষ্টে কষ্ট পাই, অন্যের হাসিতে আনন্দ অনুভব করি। সকল বস্তুর, সকল জীবের সত্ত্বা মিলে একটি একক সত্ত্বার অস্তিত্ব অনুভব করি নিজের মাঝে। মনে পড়ে, বিগ ব্যাং-এর পূর্বে সবাই ছিলাম একই বিন্দুতে লীন। নিজেকেই মনে হয় মহাবিশ্ব, নিজেকেই মনে হয় ঈশ্বর।

৩. 
ধর্মগ্রন্থে বর্ণিত ঈশ্বরের মত আমার অনেক পুজারী নেই। কিন্তু তাই বলে তার চেয়ে কোন অংশে কম ক্ষমতাবান আমি নই কোনোভাবেই। লক্ষ-কোটি বান্দা থাকতে পারে ভগবানেশ্বরাল্লাহর, কিন্তু একজন অভুক্তকে খাবার জোটানোর ক্ষমতা তার নেই, যেটা আমার রয়েছে। তাই ঈশ্বরের দ্বারস্থ না হয়ে নিজের কাছেই চাই সবকিছু।

লগ্ন এলো ঈদের


বানিয়েছেন দাঁড়িপাল্লা (গুমর ফাঁক) 


নকল জোকারেরা


জোকার নালায়েকের মিমিক্রির দু'খানা ভিডিও। পরম বিনোদনী।
সন্ধান দিয়েছেন শুভজিৎ ভৌমিক।

সোমবার, ২৯ আগস্ট, ২০১১

প্রার্থনা ব্যাপারটাই ভুয়া



রমজানে অসংযমী ভাবনা


১. 
একটা সাধারণ দিনে লোকে খায়, ঘুমায়, কাজ করে, ডেট করে... সব করে সাধারণ নিয়মে। খাদ্য কিন্তু তার চেতনা জুড়ে থাকে না। কিন্তু রোজার দিনে লোকে সারাক্ষণ ভাবে খাবার নিয়ে। এমনকি খাদ্য নিয়ে তারা রীতিমতো ফ্যান্টাসাইজ করে। আর ইফতারের সময়ে খাদ্যের ওপরে উপগত হয়।
(টোস্টার)

২. 
অতি বিশ্বাসীরা (বিশেষত প্রবীণরা) কারোর রোজা ভাঙার খবর শুনলে ফুল বেসে আঁতকে উঠেন, কিন্তু খবরের কাগজে নৃশংস খুনের সংবাদগুলো অসাধারণ নিস্পৃহ হয়ে অবলীলায় পড়ে যান। ভয়মিশ্রিত কঠিন বিশ্বাস তাদের বিবেকের একটা অংশকে অকেজো করে তুলেছে। কেবল ভয় আর প্রলোভনই কি তবে তাদের "শুদ্ধ মানুষ" হবার মূল প্রেরণা?
(নীল নীলিমা

বুরকা অ্যান্ড দ্য বিচ – ০৫


বিচ বানান কিন্তু beach. খিয়াল কৈরা! 

চারটি ছবিই পাঠিয়েছেন রাসেল



মুসলিম হত্যার পেছনে কারা?


এক প্রাক্তন মুসলিম ইতিহাস, তথ্য ও উপাত্ত ঘেঁটে দেখাচ্ছেন, ইতিহাসে মুসলিমরাই মুসলিমদেরকে সবচেয়ে বেশি হত্যা করেছে। অন্য কোনও ধর্মানুসারীরা বা আমেরিকা নয়। মুসলিম গোত্রে-গোত্রে হানাহানি ও হত্যাকাণ্ড শুরু হয়েছে নবীর মৃত্যুর পর থেকে এবং এখন পর্যন্ত তার সূচক স্পষ্টতই ঊর্ধ্বমুখী। 

মুসলিমদের ঐতিহ্যবাহী বর্বরতার কিছু নিদর্শন দেখানো এই ভিডিওটি রীতিমতো চিন্তার খোরাক-জাগানিয়া।

অনন্ত আন্তঃধর্ম বিতর্ক


দু'টি ভিন্ন ধর্মের অনুসারীদের মধ্যে বিতর্কের ধরন সংক্রান্ত একটি ভিডিও (ধর্মকারীতে প্রকাশিত) থেকে অনন্ত লুপ-এর এই gif ফাইল বানিয়ে পাঠিয়েছেন মালা আলম। 


সনাতনী কামিনী - ০২

লিখেছেন N.c. Neel

সনাতনী কামিনী - ০১

শুধু বিধাতার সৃষ্টি নহ তুমি নারী--
পুরুষ গড়েছে তোরে সৌন্দর্য সঞ্চারি
...
লজ্জা দিয়ে, সজ্জা দিয়ে, দিয়ে আবরণ,
তোমারে দুর্লভ করি করেছে গোপন।
পড়েছে তোমার 'পরে প্রদীপ্ত বাসনা--
অর্ধেক মানবী তুমি অর্ধেক কল্পনা।

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নারীর কাব্যিক সংজ্ঞা দিয়েছেন এভাবে। তিনি পারেননি হিন্দু পিতৃতন্ত্র থেকে বেরিয়ে আসতে। হিন্দু পিতৃতন্ত্র পৃথিবীর ইতিহাসে সবচেয়ে সফল পিতৃতন্ত্র। এতোটাই সফল যে, তা নারীকে বোঝাতে সক্ষম হয়েছিল যে, স্বামীর মৃত্যুর পর তার সাথে জ্বলন্ত অগ্নিতে নিজেকে পোড়ালে স্বর্গলাভ হয়! হিন্দু পিতৃতন্ত্র এতো বেশি সফল যে, রবীন্দ্রনাথের মতো বহুমুখী প্রতিভারাও এই পিতৃতন্ত্রের জয়গান গেয়েছেন। সেই পিতৃতন্ত্রের রাজত্ব এখনও ভালোভাবেই বহাল আছে।

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় একটা কথা বলেছিলেন, "যাঁরা দাবি করেন, সনাতন ধর্মের নির্ভুল বিধি-ব্যবস্থার জন্যই তা এতো হাজার বছর ধরে তা টিকে আছে, তাঁদেরকে বলতে চাই: টিকিয়া থাকাটাই চরম সার্থকতা নয়। অতিকায় হস্তী লোপ পাইয়াছে , কিন্তু তেলাপোকা টিকিয়া আছে।" 

শরৎচন্দ্রের ভাষাতে বলতে হয়, আজকে আমরা তেলাপোকা কতোটা নারীস্বাধীনতা দিয়েছে, তা নিয়ে আলোচনা করবো।

স্বামী মারা গেলে স্ত্রীর স্বর্গলাভের জন্য স্বামীর জ্বলন্ত চিতায় ঝাঁপ দিতে হবে। তবে বিকল্প একটি "মানবিক" সমাধান দেয়া আছে মনুসংহিতায়: “পুস্পমূলফলৈঃ শুভৈঃ/ন তু নামাপি গৃহ্নীয়াৎ পত্যৌ প্রেতে পরস্য তু॥” (৫:১৫৭). বাংলা অর্থ করলে দাঁড়ায় - স্ত্রী সারা জীবন ফলমূল খেয়ে দেহ ক্ষয় করবেন, কিন্তু অন্য পুরুষের নামোচ্চারণ করবেন না।

আর স্ত্রী মারা গেলে স্বামী কী করবে? হ্যাঁ, পবিত্র মনুসংহিতার মাধ্যমে মনু সমাধান দিয়ে গেছেন: “ভার্যায়ৈ পূর্বমারিণ্যৈ দত্ত্বাগ্নীনন্ত্যকর্মণি/পুনর্দারক্রিয়াং কুর্যাৎ পুনরাধানমেব চ॥” (৫:১৬৮). এবার শুনুন বাংলা অর্থ - দাহ ও অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া শেষ করে স্বামী আবার বিয়ে এবং অগ্ন্যাধ্যান করবেন। কী চমৎকার বিধান! 

মনুসংহিতায় বলা আছে, বিবাহিতা স্ত্রীলোকের কাজ হবে: "স্মৃতঃ/পতিসেবা গুরৌ বাসো গৃহার্থোহগ্নিপরিক্রিয়া॥” (২:৬৭). বাংলা অর্থ - পতিসেবা, গুরুগৃহে বাস (স্বামীগৃহে বাস), গৃহকর্ম পরিচালনা করা এবং অগ্নিদেবকে সন্তুষ্ট রাখাই একজন সতী-সাধ্বী স্ত্রীর কর্তব্য।

পুরুষ ও নারীর দায়িত্ব সম্পর্কে মনুসংহিতায় বলা হয়েছে: "সন্তান জন্ম দেওয়া নারীর কর্তব্য এবং সন্তান উৎপাদনার্থে পুরুষ সৃষ্টি হয়েছে" (৯:৯৬)।

মনুসংহিতা নারীকে ধর্ম থেকে দূরে থাকার উপদেশ দেয়া হয়েছে: "যে সকল নারী একদা বৈদিক মন্ত্র-শ্লোক পর্যন্ত রচনা করেছিলেন, তাদের উত্তরসূরীদের জন্য ধর্মগ্রন্থ পাঠ সম্পূর্ণ অনুপযুক্ত-অমন্ত্রক" (২:৬৬); "নারী মন্ত্রহীন, অশুভ" (৯:১৮)।

রবিবার, ২৮ আগস্ট, ২০১১

মুমিন ভেড়া


না, মুমিনকে ভেড়া বলা হচ্ছে না, ভেড়াকে বলা হচ্ছে মুমিন।

ছবি পাঠিয়েছেন শয়তানের চ্যালা


একা ও তিনজন


যুক্তি শাণিত ও নিখুঁত হলে প্রতিপক্ষের সংখ্যাধিক্যে কিচ্ছু এসে যায় না।

খ্রিষ্টানদের টিভি চ্যানেল ফক্স নিউজ তাদের স্টুডিওতে আমন্ত্রণ জানিয়েছিল American Atheists সংগঠনের সভাপতি ডেভ সিলভারম্যানকে। তাঁকে নাকাল করাই লক্ষ্য ছিলো নিশ্চয়ই। প্রস্তুতিও সেভাবেই নেয়া হয়েছিল। কিন্তু তিনজনের বাহিনী একজনকে মোকাবিলা করতে চরমভাবে ব্যর্থ হলো। সিলভারম্যানের চৌকস যুক্তির সামনে তাদেরকে অসহায়ভাবে চিৎকারই করে যেতে হয়েছে শুধু। খুবই পুলকিত হলাম দ্রোহী-র পাঠানো এই ভিডিও দেখে।

ইসলামী মর্যাদামণ্ডিত বেত্রাঘাত


ধর্মগাধাদের নির্লজ্জ প্রভুরা


তুখোড় কমেডিয়ান জর্জ কারলিন ঈশ্বর সম্পর্কে বলেছিলেন, "... but he loves you. And he needs money!" (এই ভিডিওর প্রথম দেড় মিনিট অবশ্যদ্রষ্টব্য)

কারণ ধর্ম মানেই কিছু ধুরন্ধর লোকের ব্যবসা। আর ধর্মবিশ্বাসীদের চেয়ে সহজ শিকার আর কী হতে পারে তাদের জন্য? ধর্মবাজদের টাকা হাতিয়ে নেয়ার পদ্ধতি কতোটা নির্লজ্জ হতে পারে, তার উদাহরণ দেখুন এই ভিডিওতে। তবে এমন ফাঁদে পা দেয়ার মতো ধর্মগাধার অভাব নেই এই ধরাধামে। তাই ধর্ম ব্যবসা চলছে মহাসমারোহে। 

ভিডিওটির নিচে লিরিকসসহ এমবেড করা গানটি (আমার প্রিয় অস্ট্রেলীয় কমিক গ্রুপ দ্য চেসার-এর গাওয়া) বড়োই প্রাসঙ্গিক, মোক্ষম এবং চরম মজাদার। বিশেষ করে ধর্মবাজ সাজা গায়ক যখন গেয়ে ওঠেন ধর্মানুসারীদের উদ্দেশে:
I’ve got all of heavens riches, 
Thanks to all you stupid bitches!

চার্চ সন্নিকটে ঈশ্বর গ্রেপ্তার


... কোকেইন বিক্রির দায়ে


শনিবার, ২৭ আগস্ট, ২০১১

শেষ বিচারের ঘেউ



নাস্তিকেরা এখানেও পিছিয়ে


একটু পুরনো পরিসংখ্যান। কারণ ভিডিওটাই ২০০৬ সালের। আমেরিকার ৭৫ শতাংশ নাগরিক খ্রিষ্টান। কারাগারে বন্দীদের ভেতরে খ্রিষ্টানদের সংখ্যাও শতকরা ৭৫ জন। অর্থাৎ অনুপাত সঠিক আছে। এবার নাস্তিকদের পরিসংখ্যান দেখা যাক। নাস্তিকদের সংখ্যা আমেরিকায় শতকরা ১০ জন হলেও জেলবাসীদের মধ্যে তাদের সংখ্যা শতকরা ১ জনেরও অ-নে-ক কম - ০.২ শতাংশ। মন্তব্য করার দরকার আছে?
(লিংক পাঠিয়েছেন মৌনতা)

ইহকালের চার পরকালের বাহাত্তরের রিহার্সেলমাত্র


আমার ধারণা, এই ছবিটি ব্যবহার করে ধর্মকারীর পাঠকেরা তাদের সৃজনশীলতার নমুনা দেখাতে পারবেন বরাবরের মতোই। এতে ক্যাপশন বসানো যেতে পারে, থট/স্পিচ বাবল ব্যবহার করা যেতে পারে, এ থেকে বানানো যেতে পারে পোস্টার, ছড়া...

অপেক্ষায় ধর্মপচারক।


লিংকিন পার্ক - ০২


সময়াভাবে যে-বিষয়গুলো নিয়ে পোস্ট দেয়া হয়ে ওঠে না...

১. আমেরিকাবাসী চৈনিক-মালয়েশীয় সমকামী ধর্মযাজক তাঁর বিবাহোত্তর অনুষ্ঠান মালয়েশিয়ায় করার ঘোষণা দেয়ায় সেখানে আবহাওয়া উত্তপ্ত হতে শুরু করেছে। 

২.  বিবর্তনের ধারায় চার্চ হয়ে গেল সুপারমার্কেট 

৩. ধর্ম ও রাষ্ট্রের পৃথকীকরণ বিষয়ে ওবামার পুরনো বক্তৃতা। 

৪. আমাদের হিন্দু ভাইদের জন্য দুঃসংবাদ। তারা সবাই মুসলিম। (লিংক পাঠিয়েছেন মালা আলম

৫. বিবর্তনকে অস্বীকার করে আদম-হাওয়ার কু-রূপকথাকে আঁকড়ে ধরে থেকে আর সুবিধে করা যাচ্ছে না বলে ইভ্যানজেলিক্যাল খ্রিষ্টানরা অল্পস্বল্প করে আলোর পথে আসছে নাকি?

বিজ্ঞানপোন্দিত ধর্মগুলোর ভোল পরিবর্তন প্রক্রিয়া


সহজতম বিবর্তনশিক্ষা


এর চেয়ে সহজভাবে বিবর্তনের সারকথা বর্ণনা করা কি সম্ভব? জানি না। তবে নির্দ্বিধায় বলতে পারি, এটা আমার দেখা সহজতম বিবর্তনশিক্ষা। সাড়ে পাঁচ মিনিটের ভিডিও। 

শুক্রবার, ২৬ আগস্ট, ২০১১

ধর্মপ্রচার শিশুতোষও বটে


প্রাসঙ্গিক পোস্ট

ইসলামের শীতল ছায়াতলে

লিখেছেন থাবা বাবা

সবই নাকি কোরান থেকে চুরি
সবই নাকি কোরানেতে লেখা,
তাইতো তারা হাতে মারে তুড়ি
বলে “তোদের ঈমান কোথায় দেখা।”

আমার ঈমান - বিদ্যা এবং জ্ঞান
ঈমান-ভরা আমার মাথার খুলি,
তাদের দেখি নারীই শুধু ধ্যান
ঈমান তাদের অণ্ডকোষের ঝুলি?

মহা-উন্মাদ নবীই তাদের শেষ
তিনি নাকি অনেক মহান লোক,
মহান ভূমি আরব যে তার দেশ
তাঁর ছিল খুব বিয়ে করার ঝোঁক।

তাঁর ফলোয়ার - সাহাবা যার নাম
সবার তাদের থাকতো খাড়া শিশ্ন,
করতো শুধু যুদ্ধ এবং ‘কাম’
তাদের কাছে ফেল মেরে যায় কৃষ্ণ।

যুদ্ধশেষে করতো তারা ধর্ষণ
আবাল এবং বনিতা ও বৃদ্ধ,
তাতেই নাকি আল্লা করে বর্ষণ
নেকী, ওসব কর্মকাণ্ড সিদ্ধ।

মহা-ম্যাডের দুনিয়া ছিল চ্যাপ্টা
আকাশ নাকি ওল্টানো এক বাটি,
তারারা সব আসমানেতে ল্যাপ্টা
রাত্রে যাতে আঁধার না পায় মাটি।

সূর্য কাটায় আরশ তলে রাত
দিনে খোদার আদেশ পেয়ে ধায়,
সূর্যের আবার থামার তো নেই ধাত
কাদার ভেতর অস্ত নাকি যায়।

আরো কতো আজব কথা লেখা
লেখা কতো আজব আজব কাণ্ড,
এই দুনিয়ায় মানুষ তো নয় একা -
জ্বীন-হুরিতে ভরা খোদার ভাণ্ড।

নতুন কিছুর পেলে তারা দেখা
চেঁচিয়ে বলে জোরসে তারা হেঁকে,
সবই আছে কোরানেতে লেখা
সবই নাকি চুরি কোরান থেকে।

আইনস্টাইন কিংবা স্টিফেন হকিং
নতুন সূত্র নতুন করে বলুক,
শুনবে নাকো যতোই করো নকিং
ব্যস্ত তারা লইতে ‘ঢিলা-কুলুখ’।

কোরান রক্ষা করেন স্বয়ং প্রভূ
বদলাবে না উলটে গেলেও মর্ত,
কারোর নাকি ক্ষমতা নাই কভু
তারপরেও বদলে যে যায় অর্থ।

একটি শব্দ - চোদ্দরকম মানে
এটাই হলো আরবি ভাষার ফাঁকি,
বিজ্ঞানীরা নতুন তথ্য আনে
মোল্লারা দেয় কোরান ধরে ঝাঁকি।

জের-জবর ও নুকতা গ্যাঁড়াকলে
বদলে আয়াত যাচ্ছে প্রতিদিন,
ইসলামেরই শীতল ছায়াতলে
নূরের ঠ্যালায় হচ্ছে আলো ক্ষীণ।

আত্মপ্রেমাতুর



ধর্মপোন্দনের কারণসমূহ


ধর্মকারী কেন লেগেছে ধর্মগুলোর পেছনে (শুধু পেছনে কেন! সামনে, পাশে, নিচে, ওপরে ও সম্ভাব্য সমস্ত আসনে ), তার উত্তর অনেকটাই পাওয়া যাবে বায়োনিকড্যান্স-এর এই ভিডিওর বক্তব্য থেকে। এতে তাঁকে বরাবরের চেয়ে একটু বেশিই ক্ষিপ্ত মনে হলো কি? 

সম্যক সম্মানসম্পন্ন সম্ভাষণ


বিশ্বে শিশুকামীদের সবচেয়ে বড়ো সংগঠনের প্রধান এবং সংগঠনভুক্ত সব শিশুকামীর প্রধান রক্ষাকর্তা ভ্যাটিকানের ভণ্ড পোপ তার ভ্যাটকানি হাসি দেখাতে আগামী ২২ সেপ্টেম্বর নিজের দেশ জার্মানি (বার্লিন) সফরে যাচ্ছে। তাকে সাদর সম্ভাষণ জানানো হচ্ছে এভাবে: 


আরও একটি প্রতিবাদের কিছু দৃশ্যসম্বলিত স্লাইড-শো

বৃহষ্পতিবার, ২৫ আগস্ট, ২০১১

মুসলিম জাহানে কার্টুনাতঙ্ক - ১৬



যিশুর বিবর্তন


অভিনব একটি ধারণা নিয়ে হাজির হয়েছেন CultofDusty। দারুণ মজাদার। মাত্র তিন মিনিট দীর্ঘ।

সারসংক্ষেপ



আদমচরিত ০৪১


লিখেছেন মুখফোড়

ঈশ্বর সপ্তাহে একদিন ছুটি কাটাইয়া থাকেন। বাকি ছয়দিন হুলুস্থুলু অফিস করেন। সারা ব্রহ্মাণ্ডের কার্যাদি সাধন করিয়া বেড়াইতে হয়। কোন ছায়াপথে কোন নক্ষত্রকে ঘিরিয়া কোন গ্রহ লাট খাইতে খাইতে নিজের উপগ্রহসমূহকে ঘুরাইয়া মারিবে, তাহা পদে পদে নির্ধারণ করিয়া দেন। কোন ব্যাং কোন দাদুরীর সহিত সঙ্গম করিয়া কোন পাতার নিচে ডিম্ব পাহারায় নিযুক্ত হইবে, তাহাও তাকেই বাছিয়া দিতে হয়। পান হইতে চুন খসিলেই সব আউলাইয়া যাইবে।

কিন্তু ছয়দিন অফিস করিয়া ঈশ্বরের পোষায় না। তিনি দীর্ঘদিন যাবত হলিডে কাটান না। লোকে ছুটিতে কক্সবাজার যায়, ব্যাংকক যায়, ফুকেট যায়, বিচিত্র সব মাসাজ উপভোগ করিয়া চনমনা হইয়া বাটী ফেরে, আর তিনি বসিয়া বসিয়া জগতসংসারের সুতার গিটঠু পাকাইতেছেন আর ছাড়াইতেছেন। কোনো বিনোদন নাই।

ঈশ্বর স্থির করিলেন, তিনিও হলিডে মারিবেন এক চক্কর। ব্যাংককে গিয়া উপর্যুপরি ফূর্তি মারিবেন। ফূর্তির চোটে বুড়া হাড্ডিতে চোট পাইলে বুমরুনগ্রাদে চিকিৎসা করাইয়া আসিবেন।

ঈশ্বর আনমনে একটি গামছায় প্রয়োজনীয় টুকিটাকি ভরিতে ভরিতে মোবাইল মারিয়া গিবরিলকে তলব করিলেন। গিবরিল আসিয়া সেলাম ঠুকিল।

একটি নিমের ডাল, আধা শিশি খাঁটি সর্ষপতৈল, কয়েকটি কানকাঠি, মেষচর্মের কনডম প্রভৃতি কাজের জিনিস গামছায় পুঁটুলি বাঁধিতে বাঁধিতে ঈশ্বর কহিলেন, "তা গিবরিল, ডাইনোসরগুলি কেমন আছে?"

শাবাশ পোলা



মুসলিমদের উদ্দেশে কয়েকটি প্রশ্ন


এক প্রাক্তন মুসলিম কিছু প্রশ্ন করেছেন মোমিন মুসলিমদের উদ্দেশে। তাঁরা কি পারবেন ত্যানা না পেঁচিয়ে ও ঐতিহ্যবাহী ইছলামী পিছলামি না করে সরাসরি স্পষ্ট উত্তর দিতে? ছয় মিনিটের ভিডিওর সঙ্গে 'মেটালিকা'-র 'নাথিং এলস ম্যাটারস'-এর পিয়ানো ভার্শন বোনাস।

প্রশ্নগুলো ভিডিওর নিচে লিপিবদ্ধ করা হলো। 

বুধবার, ২৪ আগস্ট, ২০১১

চিন্তার বিষয়বস্তু


নিচের পোস্টার দেখে কেউ যেন ভেবে না বসেন যে, ব্যঙ্গ করা হচ্ছে এই অবোধ শিশুকে। একেবারেই নয়। বস্তুত ধিক্কার জানানো হচ্ছে কোমল শিশুমস্তিষ্কে ধর্মবিশ্বাস নামের বীভৎস, ভীতিজাগানিয়া এবং কুৎসিত ও অশ্লীল প্রলোভনপূর্ণ বিষ ঢোকানোর প্রক্রিয়াকে।

বানিয়ে পাঠিয়েছেন দাঁড়িপাল্লা (গুমর ফাঁক)


মহাকবিরাজ মহানবী – ০২


নিশ্চয়ই ইসলাম একটি পূর্ণাঙ্গ জীবনবিধান এবং মহানবী নিশ্চয়ই সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ সর্ব বিষয়ে সার্বিকভাবে জ্ঞানান্বিত ব্যক্তি। আর তাই ইসলামী চিকিৎসাবিজ্ঞানও চির-আধুনিক ও সর্বজনীন। বুঝে পাই না, মুসলিমরা কেন নবী বর্ণিত নানাবিধ চিকিৎসাপদ্ধতি ব্যবহার করে সুন্নত পালনে অনীহ। 

মোমিন বান্দাদেরকে যাতে আর অনৈসলামিক চিকিৎসার পেছনে অনর্থক অর্থব্যয় করতে না হয়, সেই লক্ষ্যে শুরু করা হয়েছে এই সিরিজ। 

চিকিৎসাপদ্ধতি ২.

উল্টোপাল্টা কিছু খেয়ে পৈটিক গোলযোগ দেখা দিলে অর্থাৎ ত্যাগের লক্ষ্যে ঘন ঘন টয়লেটমুখী হতে বাধ্য হলে দুশ্চিন্তার কিছু নেই। ঘরে মধু থাকলেই মুশকিল আসান। 

হাদিসে বর্ণিত আছে, এক লোক নবীজির কাছে এসে জানালো, তার ভাইয়ের পেট খারাপ হয়েছে। শুনে নবীজি মধু খাওয়ার উপদেশ দিলেন। পরে সেই লোকটি আবার এসে জানালো, মধু খেয়ে তার ভাইয়ের দশা আরও কাহিল হয়েছে। দ্বীনের নবী তখন ভর্ৎসনার সুরে বললেন, "আল্লাহপাক সত্য বলেছেন, আর মিথ্যা বলেছে তোমার ভাইয়ের পেট।"

ইহা হইতে আমরা কী শিক্ষা পাইলাম? লুজ মোশন হলে মধু খেয়ে সম্পূর্ণ নিরাময় সম্ভব। তবে যদি তা না ঘটে, বুঝতে হবে পেটের ঈমান দুর্বল। কারণ আল্লাহপাক মিথ্যে বলতে পারেন না।

(বুখারী ৭.৭১.৬১৪)

তথ্যসূত্র সহায়তা: আনাস।

মাছিদের সৃষ্টিতত্ত্ববাদ


The Thinking Atheist-এর নেপথ্যের ব্যক্তিটি


The Thinking Atheist-এর বানানো ভিডিওগুলির প্রতি আমার মুগ্ধতা প্রকাশ করেছি বহুবারই। ক'দিন আগে  একচল্লিশটি মুক্তো নামে তাঁর ভিডিওগুলোর একটি সংকলনও এমবেড করেছি ধর্মকারীতে। 

The Thinking Atheist-এর পেছনের ব্যক্তিটি এবার জনসমক্ষে এসেছেন প্রথমবারের মতো। নাস্তিক হিসেবে। কারণ এর আগে তিনি খ্রিষ্টান ছিলেন তিরিশ বছর ধরে, এর মধ্যে বারো বছর কাজ করেছেন ক্রিশ্চিয়ান ব্রডকাস্টার হিসেবে। কিছুদিন আগে অনুষ্ঠিত Oklahoma Freethought Convention-এ তিনি বক্তৃতা দেন। ভিডিওগুলোর মতো কথাবার্তাতেও তিনি চৌকস, সরস। তাঁর পঁয়তাল্লিশ মিনিটের বক্তৃতা আমি খুব উপভোগ করেছি। 

অক্ষম ধর্ম



লিংকিন পার্ক - ০১


সময়াভাবে যে-বিষয়গুলো নিয়ে পোস্ট দেয়া হয়ে ওঠে না...

১. চৌদি আজবের কাছে হজ্ব একটি বিপুল লাভজনক ব্যবসার নাম। কৌতূহলোদ্দীপক রিপোর্ট

২. নরওয়েতে অনুষ্ঠিত দ্য ওয়ার্ল্ড হিউম্যানিস্ট কংগ্রেসের সমাপনী অনুষ্ঠানে বড়ো পর্দায় দেখানো হয়েছিল এই ভিডিও, যেখানে গান গেয়েছেন Darwin & The Naked Apes, গানের নাম Children of Evolution. 

৩. সরকারী খরচে পোপের স্পেন আগমনের প্রতিবাদের কিছু ছবি। জমায়েত জনতার বিপুলতায় আশাবাদী হওয়াই যায়।

৪. সমকামিতাবিদ্বেষী ক্যাথলিক সিনেটরের গে সেক্স স্ক্যান্ডাল।

৫. ধর্ষক, শিশুকামী হিসেবে খ্যাতিমান ব্যক্তিরাই ইসলামের পথে আসে তা তো নয়। এই দেখুন না, বিরাশি বছর বয়সী গ্র্যান্ডমাদারকে হত্যা করে সাজাভোগী এক কয়েদী ইসলাম গ্রহণ করেছে। কারণটি অভিনব।

মঙ্গলবার, ২৩ আগস্ট, ২০১১

আমার বোরখা-ফেটিশ – ২৮



ধর্মের নামে শিশুনির্যাতন


এইসব শিশুর বাপ-মা'র জন্য উপযুক্ততম স্থান হওয়া উচিত জেলখানা অথবা মানসিক হাসপাতাল। তারা তাদের অবোধ সন্তানদের অপরিণত মস্তিষ্ক ধর্ম দিয়ে ধোলাই করে বানাচ্ছে ধর্মপ্রচারক! এবং তা দেখে মুগ্ধ হবার মতো গর্দভেরও অভাব নেই এই বিশ্বচরাচরে! 

ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক চ্যানেল আগামীকাল প্রচার করবে pint-sized-preachers নামের একটি ডকুমেন্টারি। তিন মিনিটের ট্রেইলার দেখুন। 

বিধি ডাগর আঁখি যদি দিয়েছিল



জ্বীন-শয়তান সমাচার


লিখেছেন রুবাইয়্যাত আহসান

বিশ্ব যখন এগিয়ে চলেছে
আমরা তখনও পিছে,
বিবি তালাকের ফতোয়া খুঁজছি
হাদিস ও কোরান চষে।
বাহিরের দিকে যত মরিয়াছি
ভেতরের দিকে তত
গুনতিতে মোরা বাড়িয়া চলেছি
গরু ছাগলের মত।

জ্বীন-ভূত বিষয়াদি চর্মচক্ষে না দেখার কারণে সম্পূর্ণ অন্যের বর্ণনার উপর নিজের ভরসাটুকু সম্পূর্ণ চাপিয়ে নিশ্চিন্ত হতে পারি না। এখন আবার প্রত্যেকেই জাকির নায়েক- ধর্ম বিষয়ক কোন প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করলে প্রত্যেকেই সাত খন্ড রামায়ণ না শুনিয়ে ছাড়ার মতলব করেন না, আবার নিজের পেটে থাকা কিছু বিদ্যের দাবী নিয়ে সেটার অযথার্থতা নিয়ে প্রশ্ন তুললে ‘আমি ঠিক, বাকী সব ভুল’ দাবী তুলনেওয়ালারও হতোদ্যম হয় না। তাই খুঁজে পেতে একটা বই জোগাড় করলাম জ্বীন বিষয়ে জানার জন্য। বইটা নিয়েই দুইটা কথা বলতে আসলাম।

যে বইটা নিয়ে আলোচনা করতে আসছি, সেটার বিষয় বস্তু জ্বীন। বিষয়বস্তু না বলে বলা ভাল - পুরো বইটি লেখা হয়েছে জ্বীন নিয়ে। বইটার প্রচারের কোন ইচ্ছা নাই, তাই ডাউনলোড লিংক দিলাম না। আর ভয় পাবার কিছু নাই, বাঙালি এখনও এত উন্নত জাতের কোন চীজ হয়ে উঠতে পারে নাই যে, সে মানব জিন নিয়ে গবেষনা করবে। আর আমি নিজেও বাঙালি ব্যতীত ভিন্ন কোন শ্রেণীতে পড়ি না। মানব শিশুর ইন্টেলেকচুয়াল ইন্টিলিজেন্স ফর্ম করে ছয় থেকে সাত সপ্তাহে - বাঙালির এই জিনিস আদৌ কোনোদিন তৈরী হয় কি না, বৈদ্যনাথ তলার কোনো স্টেথেস্কোপওয়ালা তা এ পর্যন্ত হলফ করে বলার সাহস পর্যন্ত করে উঠতে পারে নাই- সেহেতু এই বিষয়ে সন্দেহের কোনো ঘাটতি আছে কারো বলে মনে হয় ন। ভূত, পেত্নি নিয়ে বিস্তর গল্প ফাঁদা হয়েছে এ যাবৎ - আব্বা-আম্মারা আমাদের হাতে সেই শৈশবকালে ফিডারের পাশাপাশি হাতে ধরিয়ে দিয়েছিলেন রূপকথার গল্প। কালক্রমে ফিডারটা মুখ থেকে সরে যাবার কারণে আমাদের বাম হাতে রূপকথা বইখানা ধরা থাকলেও ডান হাত আর ফিডার ধরার কাজে ব্যবহৃত না হয়ে খালি পড়ে থাকতো। যেহেতু সকল বাঙ্গালীই সব্যসাচী, তার অন্য হাত বেকার খালি পড়ে থাকুক, সে তা কখনোই চায়নি। আমাদের ধর্মপুরুত গোষ্ঠীও মওকা বুঝে সেই খালি হাতে পবিত্র গ্রন্থ চাপিয়ে দিয়েছে। ভারসাম্য রক্ষার জন্য রূপকথার ঠাকুরমার ঝুলির যোগ্য সামঞ্জস্য বই পেয়ে আমরা দিরুক্তি করিনি।

তবে বইখানার প্রারম্ভিক কথাদুটো খুব মনঃপূত হয়েছে আমার। কথাটা হুবহু আমার ব্লগের প্রথম দুই লাইনেই কোট করে তুলে দিয়েছে, বিন্দুমাত্র পরিবর্তন করিনি। যদি লেখাটার ইমেজ পিকচার দেখাই তাহলে কিছুটা লজ্জা পেতে পারেন- এমনিতেই রমজান মাস, আর কিছু থাকুক না থাকুক- বাঙালীর লাজের কোন কমতি কোনো কালে ছিলো না। এই পোস্টে প্রচুর ইমেজ ব্যবহার করেছি। অতি আবশ্যক না হলে লিংক আকারেই সংযোজন করে দিলাম, এমবেড করা অপেক্ষা।

প্রথমটাই দেখুন- রমজান সাধনার মাস বলে কথা, খোদা আর তার রসুল দুটো জিনিস বাগিয়ে বসে আছেন।

বিসমিল্লাহির রহমানির রাহিম বা ৭৮৬
যাবতীয় প্রশংসা অনন্ত মহান আল্লাহর প্রাপ্য
এবং
বুক ভরা দুরুদ ও সালাম তাঁর রসূলের জন্য।


জ্বীন জিনিসটা কি?

পবিত্র কোরানের বহু জায়গায় জ্বীনের উল্লেখ করা আছে অত্যন্ত ‘সুস্পষ্ট ভাষায়’। প্রিয় নবীজির প্রিয় হাদিসেও জ্বীন বিষয়ক বহু আলোচনা পাওয়া যায়। তাই জ্বীনে অস্তিত্বে বিশ্বাস রাখার বিষয়টি ঈমান-আকীদার অংশ হয়েই দাঁড়ায়।
মূলতঃ অমুসলিম পন্ডিতদের মধ্যে রয়েছে ‘ভূত’ নিয়ে অদ্ভুতরকমের বিভ্রান্তি।
[ভূত নিয়ে নানা বিভ্রান্তির জবাব দেওয়া যায় জ্বীন দিয়ে- ক্ষিকজ্]


টেন্ডার বিজ্ঞপ্তি: কমিক অনুবাদ


আছেন নাকি কোনও ঈমান্দার বান্দা, যিনি এই পবিত্র মাহে রমজানে ধর্মকারীর জন্য কিছু কাজ করে দোজাহানের নেকি হাছিল করতে চান? গোটা পাঁচেক কমিক (গড়পড়তাভাবে 'কামুক' আকারের) ইংরেজি থেকে অনুবাদ করতে হবে এবং এ জন্য কয়েকজন স্বেচ্ছাসেবক প্রয়োজন, যাঁরা অনুবাদের পাশাপাশি ফটোমাস্তানির কাজটিও করতে পারবেন। 

শর্ত একটিই: দায়িত্ব নিলে কাজটি করে দিতে হবে। কোনও সময়সীমা বেঁধে দেয়া হবে না বটে, তবে তা কেয়ামত পর্যন্ত না গড়ালেই মঙ্গল। 

পরম করুণাময়ের কাছে দোয়া করি এবং নিশ্চয়ই তিনি ধর্মকারীর মেইলবক্স উৎসাহীদের মেইলে ভরে তোলার ব্যবস্থা করবেন।  

সত্য ছাড়ে না পিছু



মুখস্থ সুরা ও মুখস্থ বল্দার্গু


সাত বছর বয়সী এক বালককে গাছে উল্টো করে ঝুলিয়ে নিষ্ঠুরভাবে পিটিয়েছে এক ইমাম। বালকটি এক পর্যায়ে জ্ঞান হারিয়ে ফেলে। পরে দেখা যায়, চুদির্ভাই ইমাম শিশুটির পা ভেঙে ফেলতে সক্ষম হয়েছে। অবোধ শিশুটির অপরাধ কী ছিলো, জানেন? সে সুরার কিছু শব্দ ভুলে গিয়েছিল। ভেবে পাই না, এইসব সুরা মুখস্থ করা ও বল্দার্গু মুখস্থ করার (মুখে ভরা অর্থে) মধ্যে তফাত কোথায়?

এই ঘটনা ঘটেছে পাকিস্তানে, তবে এমন ঘটনা মুসলিম জাহানে একেবারেই বিরল নয়। ধর্মকারীতে প্রকাশিত পুরনো পোস্ট কোরানশিক্ষালয় থেকে আরও কিছু নিদর্শন পাওয়া যাবে।

বাংলাদেশের একটি এতিমখানার দৃশ্য
ঢালাওভাবে বলা উচিত নয়, তবে আমার (নিশ্চয়ই আরও অনেকেরও) পর্যবেক্ষণ বলে, আরবি ও ইসলামিয়াত শিক্ষকেরা বরাবরই স্যাডিস্ট হয় কোনও এক বিচিত্র কারণে।

এক ইসলামী স্কুলের শাস্তিপদ্ধতি সম্পর্কে একটি তিন মিনিটের ভিডিও। শেষ পর্যন্ত দেখা সম্ভব হয়ে ওঠেনি আমার পক্ষে।

সোমবার, ২২ আগস্ট, ২০১১

মানুষ হয়ে ওঠা


মানব বিবর্তন বিষয়ে তিন পর্বের অতি চমৎকার ডকুমেন্টারি। একেকটি পর্ব বাহান্ন মিনিট দীর্ঘ।

দুইপাশে দুই সুপার


টরন্টো থেকে আরও একটি ছবি। "ইসলামিক সুপার স্টোর" আর "সুপার অ্যাডাল্ট ভিডিও"-র মধ্যিখানে কি অপূর্ণ স্বপ্ন? 


হ্রস্বরসবাক্যবাণ – ১৮


১. 
আল্লাহ সর্বশক্তিমান। তাই যদি হয়, তাহলে তার সম্মানরক্ষার জন্য সারা দুনিয়াতে এতো সৈনিক লাগে কেন?
(লিখেছেন টোস্টার)

২.
গোবর, বিষ্ঠা, মলমূত্র যত ঘৃণীত বস্তুই হোক, ইহাদেরও ভর, আকার ও আয়তন আছে। কাজেই গোবর, বিষ্ঠা, মলমূত্র পদার্থ বলিয়া বিবেচিত। পক্ষান্তরে আল্লাহ/ঈশ্বর/গড এর নির্দিষ্ট কোনো আকার, আয়তন বা ভর নাই, তাই আল্লাহ/ঈশ্বর/গড হইতেছে অপদার্থ, মলমূত্রেরও অধম। কিছু ব্যক্তি এই অপদার্থরে লইয়া অযথাই টানাটানি করিতেছে।
(লিখেছেন পূর্বপূরুষ

৩.
কামসূত্রের বইটাও হাদিসী বইয়ের মর্যাদা পেত! মুসলমানদের দুর্ভাগ্য, নবী ভারতে জন্মান নাই।
(লিখেছেন Khaled Sirius Ratul)

প্রচারে বিঘ্ন – ১৭


ধর্মপ্রচারকদের পিছু লেগে থাকে ধর্মপচারকেরা। এদের পচানির ধরন প্রায়শই নীরব ও অভিনব।



ইসলামী ধর্ষণ-আইনের নেপথ্যে


লিখেছেন মৌনতা

কখনো কখনো কোনো ইতিহাসের কোনো ঘটনা ভবিষ্যতে গভীর ক্ষতের সৃষ্টি করে। তেমনই একটি ঘটনা হলো - আয়েশার (মুহাম্মদের কচি বউ এবং ইসলামের প্রধান সাহাবী, নবীজির ভ্রাতৃসম আবু বকরের মেয়ে) সাথে সাফোয়ানের প্রেমময় রাত্রিযাপন। আয়েশাকে বাঁচাতে গিয়ে তার বুড়ো ভাম স্বামী মুহম্মদ আয়াত নাজিল করিয়ে নেন আর সেই আয়াতের অপব্যবহারের কারণে অনুন্নত শরীয়া আইনপ্রধান দেশগুলোয় বর্তমানে ধর্ষকদের কোনো শাস্তি হয় না। সিরিয়াল রেপিস্টরা নির্বিঘ্নে তাদের কাজ সমাধা করতে সাহস করে। 

আমার খুব প্রিয় একজন ব্লগার চমৎকার ভাবে নাটকের সংলাপের মতো করে এই সব ঘটনা লিখেছেন। আয়েশা আহমেদ তাঁর নাম। "কমিকস: কামুক" তাঁরই লেখা সংলাপের চিত্ররূপ। আমি সংক্ষেপে বাংলায় ঘটনা লিখছি (বুখারী ৩: ৪৬:৭১৭)

বানু মুস্তালিকদের সাথে যুদ্ধজয়ের পর গনিমতের মাল (যুদ্ধে পাওয়া নারী এবং সম্পদ) হিসেবে এক সুন্দরী ইহুদী জুয়াইরিয়ার সাথে প্রথম রাত কাটাতে মুহাম্মদ আয়েশাসহ বাকী মেয়েদেরকে তাঁবু থেকে বের করে দেয়। বার বার এই জাতীয় ঘটনা ঘটেছে এবং কামে অতৃপ্ত আয়েশা এবার প্রতিশোধ স্বরূপ রূপবান সাফোয়ানের সাথে রাত কাটাতে সিদ্ধান্ত নেয় এবং সাফোয়ানের সাথে গোপন পরামর্শ করে দিনক্ষণ ঠিক করে রাখে। মদিনা ফেরার পথে আয়েশা ইচ্ছে করেই উটের কাফেলার থেকে আলাদা হয়ে যায় এবং তারা একসাথে রাত্রি যাপন করেন। 

আয়েশা: সাফোয়ান প্রিয়তম, তোমাকে ধন্যবাদ আমায় এতো সুন্দর সময় উপহার দেবার জন্য।

সাফোয়ান: কী যে বলো! আমি কি মজা কম পেয়েছি? কিন্তু আমি কি তোমাকে মুহম্মদের মতো মজা দিতে পেরেছি? শুনেছি, তার ৩০ জন পুরুষের সমান যৌনক্ষমতা!

আয়েশা: আরে ধুর! কী যে বলো না! এগুলো হলো গুজব। সে এক ক্লান্ত বৃদ্ধ, সে কী করে যুবকদের মতো দীর্ঘ সময় ধরে মেয়েদের মজা দেবে? তার উপর এখন সে শুধু নতুন মেয়ের সংস্পর্শেই শুধু উত্থিত হতে পারে। গনিমতের মাল হিসেবে সে এতো নতুন মেয়ে পাচ্ছে যে আমাদের পালা অনেক দিন পর পর আসে। আমাদের পুরোনো স্ত্রীদের যৌন-উত্তেজনা তাই প্রশমিত হয় না। 

সাফোয়ান: আল্লাহর নবীর বদনাম না করি, তারচেয়ে চলো সবাইকে কী বলবো, তাই চিন্তা করি।

আয়েশা: কী আবার! আমি বলবো প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে গিয়েছিলাম, আর সেখানে আমার গলার হার হারিয়ে ফেলি, ঐটা খুঁজতে গিয়ে কাফেলায় ঠিক সময়ে ফেরা হয়নি আর কাফেলা আমাকে ফেলে রওনা দিয়ে দিয়েছিল মদীনার পথে।

সাফোয়ান: আচ্ছা, আমি বলবো আমি পথের মাঝে তোমাকে ঘুমন্ত অবস্থায় খুঁজে পেয়েছি। 

আয়েশা: কেউ তবে আর সন্দেহ করবে না। আমাদের মধুর অভিসার শুধু আমাদের মাঝে গোপন থাকবে। এবার কথা কম বলো - আর শেষবারের মতো আমাদের স্বাধীনতা উপভোগ করি।

কইঞ্চেন দেহি, কার্দোষ?



কিছু ধর্মের বরাহবিদ্বেষ


ক্রিস্টোফার হিচেন্স তাঁর স্বভাবসুলভ ভঙ্গিতে তথ্যময় ও ব্যঙ্গবহুল বক্তব্য রাখলেন শুয়োরের মাংস নিয়ে কিছু ধর্মের আবালতা বিষয়ে। চলমান টেক্সট বা টেক্সট অ্যানিমেশন (যার টেকনিক্যাল নাম kinetic typography) ব্যবহার করে বানানো সাড়ে নয় মিনিটের দারুণ এক ভিডিও। 

রবিবার, ২১ আগস্ট, ২০১১

পারলে ঠ্যাকান!



রামকথার বালজনোচিত সংস্করণ (উত্তম পুরুষে বিবৃত)


সন্ধান দিয়েছেন অরুন্ধতী ঝিলি

বাপের হোটেল, ছিলাম সুখেই, মণ্ডমিঠাই সাঁটিয়ে,
পাশা খেলে, তীর চালিয়ে, তবলা বাঁয়া চাঁটিয়ে,
নতুন বিয়ে, নিশিযাপন নীল মশারি খাটিয়ে,
হঠাৎ করে ড্যাডি দিলো দণ্ডকবন পাঠিয়ে।
ব্যাগ গুছিয়ে রওনা দিলাম, চলল সাথে সীতা,
মনের মধ্যে ক্ষোভের বাতাস, "ঠিক হল কি পিতা"?
সঙ্গে এল লক্ষণভাই, ধরতে আমার ম্যাও'টা,
ছোটোর থেকেই উটি আবার আমার বিশেষ ন্যাওটা।
সে জঙ্গলে ব্যাপক ছিলাম গুহকদাদার গেস্ট,
অঢেল তিতির, দিশি মোরগ, তুখড় তাদের টেস্ট!
গাছে চড়ে পঁচিশটা আম ছাড়িয়ে মুখে ফেলতে,
এফেক্ট হল দেখার মত, তিনিজনেরই হেলথে!
বোতল টোতল চাইলে পরে জুটেও যেত ঠিক,
জঙ্গুলে ব্র্যাণ্ড কিন্ত ভায়া ফ্যাণ্টাস্টিক কিক!
কাটছিল দিন বেড়ে মজায় গীষ্ম, বর্ষা, শরৎ,
হঠাৎ সেথায় গাড়ি নি্যে হাজির হল ভরত!
পানসে মুখে বলল, 'দাদা, শিগ্রি চল ঘরে,
ড্যাডি হঠাৎ অক্কা গেছেন দু'চারদিনের জ্বরে'।
আমার জিভে তখন জমাট জংলি মজার স্বাদ,
ভরতকে জানিয়ে দিলাম চোদ্দ বছর বাদ
ফিরবো, তো তুই সে ক'টা দিন সীটকে রাখিস গরম,
ঘেমে নেয়ে বলল ভরত, 'বাড়িও না আর শরম'।

অরেঞ্জ জুস


নিচের কার্টুনটি মাথার উপর দিয়া গেলে এইখানে গুঁতায়া কিলিয়ার কইরা নিতে হবে।


একটি আশাবাদী পোস্ট


মুসলিম মানসপটের কিছু স্ক্রিনশট ব্যবহার করে এমন একটি ভিডিও, তবে একটু দ্রুত গতির, বানানো যায় কিন্তু। খুব সময়সাপেক্ষ হবে না বলেই মনে হয়, তবে করতে পারলে খুব কাজের কাজ হবে সেটি। ধুমসে ছড়ানো যাবে চারদিকে। ধর্মকারীর নাম দেখে নাক সিটকানো লোকেরাও দেখবে।

উৎসাহী কেউ বানাতে শুরু করলে এখানে একটি মন্তব্য রেখে যাবেন দয়া করে (নিজের আশাবাদে নিজেই মুগ্ধ আমি )। 

নির্ধার্মিক মনীষীরা – ৩৮



বিজ্ঞানের ভালো দিকটি হলো এই যে, বিজ্ঞান সত্য, আপনি তাতে বিশ্বাস করুন বা না-ই করুন।
- Neil Degrasse Tyson (খ্যাতনামা আমেরিকান অ্যাস্ট্রোফিজিসিস্ট)