৩১ জুলাই, ২০১১

এমুন ভালুবাসার দর্কার নাই



ধর্মাতুল কৌতুকিম – ২৮


৭৬. 
এক লোকের বৌয়ের খুব সখ ছেলেকে মাদ্রাসায় পড়িয়ে আলেম বানাবে! তা সে বৌয়ের কথা ফেলতে না পেরে ছেলেকে মাদ্রাসায় পড়িয়ে আলেম বানিয়ে আনলো! আলেম ছেলে পড়া শেষ করে বাড়ী ফেরার পর একদিন সে ছেলেকে নিয়ে বাজারে যাচ্ছে! রাস্তায় বাপকে ঝোপের পাসে বসে পড়তে দেখে বলল, "কেবলার দিকে বইসা মুতা হারাম", শুনে বাপ একটু ঘুরে বসলো, দেখে ছেলে আবার বলল "উত্তরে মুর্দার মাথা দেয়"! বাপ আবার ঘুরে বসলো, ছেলে আবার বলল "কেবলার দিকে পিঠ দিয়ে মুতা মাকরুহ"!
এইবার বাপ গেল রেগে, "আগেই কৈছিলাম মাদ্রাসায় দেয়ার দরকার নাই! অহন কি না মুইত্যা মরুম নাকি"!!!
(পাঠিয়েছেন থাবা বাবা

৭৭. 
এক মহিলা তার ডাক্তার বন্ধুর সাথে প্রেম চালাচ্ছিল, কিন্তু বেশিদিন হওয়ার আগেই সে গর্ভবতী হয়ে গেল । তো, নয় মাসের সময় ডেলিভারির জন্য সে যখন হাসপাতালে ভর্তি হল অপারেশনের জন্য , তখনি এক পাদ্রিও তার প্রস্টেট (Prostate) অপারেশনের জন্য ভর্তি হলো, ডাক্তার তখন তার বান্ধবীকে বলল, ''আমরা পাদ্রীর অপারেশনের পর বলব যে এই বাচ্চাটা আপনার !! '
বান্ধবী বলল, ''কী বল এইসব! সে কি বিশ্বাস করবে?''
ডাক্তার বলল, ''করতেই হবে, কারণ তাকে বলব, এটা একটা মিরাকল।''
তো, নির্দিষ্ট দিনে পাদ্রীর প্রস্টেট অপারেশন হয়ে গেল ... তার পরই বান্ধবীর ডেলিভারিও হলো, ডাক্তার বাচ্চাটা পাদ্রীর কাছে নিয়ে গিয়ে বলল, ''ফাদার, এই নিন আপনার বাচ্চা।''
পাদ্রী তো খুব আশ্চর্য হলেন, বললেন ''এ কীভাবে সম্ভব? ''
ডাক্তার বলল, '' ফাদার , আশ্চর্য আমরাও হয়েছি, এটা একটা মিরাকল ... খুব কমই ঘটে।''
পাদ্রী আর কিছু বললেন না।
প্রায় ১৫ বছর হয়ে গিয়েছে এর মাঝেই , বাচ্চাটাও বড় হয়ে গেছে। একদিন পাদ্রী বাচ্চাটাকে ডাকলেন, বললেন ''তোমাকে কিছু গোপনীয় কথা বলার আছে ... আমি আসলে তোমার বাবা নই !'' 
বাচ্চাটা খুব অবাক হয়ে বলল, ''মানে? তুমি আমার বাবা না?''
পাদ্রী গম্ভীর স্বরে বললেন, "না। আমি তোমার মা, আর্চবিশপ তোমার আসল বাবা। 
(পাঠিয়েছেন অন্য কেউ

৭৮. 
– অক্টোপাস ও হাতির সংকর করলে কী পাওয়া যায়?
- হিন্দু দেবতা। 

ধন্যবাদ শুধু তারই প্রাপ্য



রমজান মাসে প্রাণ খুলে হাসে নির্ধর্মীর দল


রমজান, রোজা, ইফতার, তারাবি, সাতাশে রোজা, কোরান খতম - কোনওকিছুই পচাতে বাকি রাখেনি এক বদ। ভিডিওতে দ্বৈত চরিত্রে অভিনয় করা এই ছেলের চেহারা, ভাবভঙ্গি এবং কথার ধরনে তাকে মুসলিম বংশজাত বলেই মনে হলো।  

আট মিনিটের অনাবিল আনন্দ। 


চিজাস-এর অনুসারী



দুই ধর্মের মানুষের বিয়ে


আজকের ইত্তেফাকে প্রথম পাতায় প্রকাশিত একটি নিবন্ধ প্রীতিকর বিস্ময় জাগালো আমার মনে। ধর্মের চেয়ে মানুষ বড়ো - এই বার্তাটিই দেয়া হয়েছে তাতে। কিন্তু নিবন্ধটি পড়ে যতোটা প্রফুল্ল বোধ করলাম, তার চেয়ে অনেক বেশি বিষাদগ্রস্ত হলাম পাঠকদের মন্তব্যে। কয়েকটি মন্তব্য লেখার শেষে উদ্ধৃত করেছি। 


লেখক: রফিকুল বাসার ।
০০ নিজ নিজ ধর্মীয় বিশ্বাস অটুট রেখে সংসার করছেন অনেক দম্পতি
০০ বেড়ে উঠছে নতুন একটি প্রজন্ম, যাদের উত্তরাধিকার সূত্রে ধর্মীয় কোন পরিচয় নেই
০০ এটাকে সমাজের অনেক বড় পরিবর্তন বলছেন সমাজবিজ্ঞানীরা

ধর্ম পরিবর্তন না করেই দু’টি ভিন্ন ধর্মাবলম্বী মানুষের মধ্যে বিয়ের ঘটনা বাড়ছে। একই ধর্মের দু’জন বিয়ে করে ঘর সংসার করতে হবে এমন ধারণা থেকে বের হয়ে আসছেন অনেকেই। দুই ধর্মের দু’জন তাদের নিজ নিজ ধর্মীয় বিশ্বাস ঠিক রেখে বিয়ে করছেন। আচার-আচরণ পালন করছেন যে যার বিশ্বাস মত। এভাবে দেশের আইন অনুযায়ী বিয়ে করে সংসার করছেন অসংখ্য দম্পতি। ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে এ ধরনের জুটি এখন অনেক। আর এই বিয়ের ফলে বেড়ে উঠছে নতুন একটি প্রজন্ম। যারা উত্তরাধিকার সূত্রে কোন ধর্মীয় পরিচয় বহন করছেন না। আধুনিক সমাজে সেটা প্রয়োজনও মনে করছেন না অনেকে। এই উত্তরাধিকারীদের মধ্যে আবার কেউ কেউ নিজেই একটি ধর্ম বেছে নিচ্ছেন। আবার কেউ কেউ ধর্ম বিশ্বাস থেকে সরে আসছেন। তবে রাষ্ট্র আইন করে এমন বিয়ের ব্যবস্থা করলেও এইসব পরিবারের সম্পত্তি বন্টনের জন্য কোন আইন নেই।

সমাজ বিজ্ঞানীরা বলছেন, এটা সমাজের অনেক বড় পরিবর্তন। স্বাধীন সার্বভৌম দেশে সকলেই তার মত প্রকাশে স্বাধীনতা ভোগ করতে পারে। নানা মতের, ধর্মের মানুষ এক সাথে বসবাস করবে এটাইতো গণতন্ত্র। আদর্শ সমাজ। বাংলাদেশের বিশেষ বিবাহ আইন ১৮৭২ (সংশোধিত ২০০৭) অনুযায়ী এই বিয়ে হচ্ছে। এই আইন অনুযায়ী, একজন মুসলমান, হিন্দু, খ্রীষ্টান, বৌদ্ধ, শিখ, ইহুদি বা অন্য যে কোন ধর্মের যে কেউ যে কারো সাথে বিয়ে করতে পারবে। ধর্মের পরিবর্তন করা প্রয়োজন হবে না। অথবা দু’জনই ধর্মীয় বিশ্বাস বাদ দিয়ে বিয়ে করতে পারবে। অথবা একজন অন্যজনের ধর্ম মেনে নিতে পারবে। তবে নাবালকের সাথে কেউ বিয়ে করতে পারবে না। আইন অনুযায়ী এই বিয়ে রেজিষ্ট্রি করার জন্য সরকার একজনকে নিয়োগ দিয়েছে। বাংলাদেশে একজনই এই বিয়ে পড়িয়ে থাকেন।প্রায় প্রতিমাসেই এই বিয়ে হচ্ছে। গত কয়েক বছরে এই বিয়ের হার বেড়েছে। ১৯৮৩ সাল থেকে এপর্যন্ত এক হিসেবে দেখা গেছে, প্রায় ৫০০ দম্পত্তি কোন ধর্ম পরিবর্তন না করেই এমন বিয়ে করেছেন। এদের মধ্যে ছেলে হিন্দু, মেয়ে মুসলমান। কিম্বা ছেলে মুসলমান, মেয়ে হিন্দু ধর্মে বিশ্বাসী। অনেকে আছেন আবেগে বিয়ে করছেন। অনেকে জেনে বুঝে গন্ডি ভাঙ্গার তাগিদে। অনেক পরিবার আছে এই বিয়ে মেনে নিচ্ছেন, আবার অনেক পরিবার আছে যারা মানছেন না।ঈশান, নৈর্ঋত, নৈতিক। তিন ভাই। ওদের বাবা হিন্দু, মা মুসলমান। বাবা ব্যবসায় করেন, মা চাকরি। তিন ভাইই বয়সে এখনো ছোট। ধর্মীয় পরিচয়ের বাইরে ওদেরকে মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে চায় ওদের বাবা-মা। ধর্মীয় পরিচয় ছাড়াই ওরা এই সমাজে বেড়ে উঠছে। 

ওদের বাবা উজ্জল বালো মনে করেন, ধর্মীয় পরিচয় প্রয়োজন নেই। ‘মানুষ’ হবে এটাই বড় পরিচয়।সমাজ বিজ্ঞানীরা বলছেন, মানুষ স্বাধীন। যে যার ইচ্ছে তার সাথেই বসবাস করতে পারে। এখানে কোন বাধা নেই। দুই ধর্মের দু’জনের মধ্যে ভাল লাগার এক পর্যায়ে বিয়ের প্রসঙ্গ আসলে সমস্যা দেখা দেয়। সমস্যা দু’টো, একটা সমাজ-পরিবার আর একটা নিয়ম না জানা। সে জন্য একজন ধর্মান্তরিত হয়ে অন্যজনের সাথে জীবন যাপন করে। এক্ষেত্রে একজনকে তার ধর্মীয় বিশ্বাস পরিবর্তন করতে হয়। একজনকে ছাড় দিতে হয় অনেক বেশি। কিন্তু কেউ কারো বিশ্বাস থেকে সরে না এসেও বিয়ে করছেন। এটা সমাজের অনেক বড় পরিবর্তন। সমাজ যে কুসংস্কার, কূপমন্ডুকতা থেকে বের হয়ে আসছে তার উদাহরণ। উদার মনের পরিচয়। অন্যের বিশ্বাসের প্রতি আস্থা রাখা। সকলকে মত প্রকাশ করার সুযোগ বা স্বাধীনতা দেয়া। তবে এ স্বাধীনতা দেশের শহরাঞ্চলের মানুষ যতটা ভোগ করছেন গ্রামে ততটা নয়। তবে এক্ষেত্রে সমস্যা উত্তরাধিকারদের সম্পত্তি ভাগ নিয়ে। বাংলাদেশে ইসলাম, হিন্দু ও খৃষ্টান ধর্মীয় আইনে সম্পত্তি ভাগ হয়। কিন্তু এই পরিবারের সম্পত্তি যদি বাবা-মা ভাগ করে দিয়ে না যান বা উইল না করেন, তবে ভাগ করার কোন নিয়ম নেই।

আইনমন্ত্রী ব্যারিষ্টার শফিক আহমদ দুই ধর্মের দু’জনের বিয়ে বিষয়ে ইত্তেফাককে বলেন, স্বাধীন দেশে মানুষের স্বাধীনতা আছে। সেই স্বাধীনতা তারা ভোগ করছে। এখানে সবাই স্বাধীন। যে যার মত পারে। রাষ্ট্র তাকে স্বাধীনভাবে চলার নিশ্চয়তা ও নিরাপত্তা দিয়েছে এবং দিয়ে যাবে। দেশে সামাজিক পরিবর্তন হবে। মানুষের চিন্তার বিকাশ হবে। এক একজন এক একটা ভাববে কিন্তু অন্যের ক্ষতি করবে না এটাইতো স্বাভাবিক। দুই ধর্মের দম্পতির সম্পত্তি তার উত্তরাধিকারদের মধ্যে কিভাবে বন্টন হবে জানতে চাইলে তিনি বলেন, সম্পত্তি যার নামে তিনি যে ধর্মের হবেন সম্পত্তিও সেই ধর্মের নিয়মে ভাগ হবে। বাবা যদি মুসলমান হন এবং সম্পত্তি যদি তার নামে থাকে তবে মুসলিম আইনে ভাগ হবে। আর মা যদি হিন্দু হন আর তার নামে সম্পত্তি থাকে তবে হিন্দু আইনে। কোন রকম সামাজিক সমস্যা না হওয়া পর্যন্ত, কোন আইনগত বাধা না আসা পর্যন্ত এই বিয়ে বিষয়ে নতুন আইনের প্রয়োজন নেই বলে তিনি মন্তব্য করেন।

প্রসঙ্গত, সরকারিভাবে এমন বিয়ে পড়ানোর একমাত্র স্থান পুরানো ঢাকার পাটুয়াটুলি। প্রাণেশ সমাদ্দার এই বিয়ের রেজিস্ট্রার। একই সাথে তিনি রাজধানীর পাটুয়াটুলির শরত্চন্দ্র ব্রাহ্ম প্রচারক নিবাসের আচার্য ও ট্রাস্টি। সেখানেই থাকেন তিনি। প্রাণেশ সমাদ্দার বলেন, শুধু ঢাকা নয় দেশের অন্যান্য জেলা থেকেও ছেলে মেয়েরা আসে বিয়ে করতে। বিশেষ করে যারা দেশের বাইরে যেতে চায় তাদের আসতেই হয়। কারণ কোর্টে বিয়ে করলে বিয়ে রেজিস্ট্রির কোন প্রমাণপত্র পাওয়া যায় না। অবশ্য কোর্টে দুই ধর্মের দু’জন বিয়ে করতে পারে না। অনেক সময় যারা জানে না তারা প্রথমে কোর্টে যায়। আর তখন আইনজীবীরা এখানে নিয়ে আসে। এখানে বিয়ে হলেও ডিভোর্স করানো যায় না। ওটা করতে হয় কোর্টে।সূত্র জানায়, বিয়ের ১৪ দিন আগে রেজিস্ট্রারের কাছে নোটিস দিতে হয়। এরমধ্যে কারো কোন আপত্তি থাকলে সে তা জানাবে। তারপর তিনজন সাক্ষী আর পাঁচ হাজার টাকা নিয়ে হাজির হতে হবে। নির্দিষ্ট ছকে ছেলে-মেয়ে দু’জন স্বাক্ষর করবে আর স্বাক্ষর করবে তিনজন সাক্ষী। এতেই হয়ে যাবে দু’জনের বিয়ে। সামাজিক আর কোন আনুষ্ঠানিকতা এখানে নেই। তবে বিয়ের পরে কেউ কেউ মিস্টি নিয়ে আসেন। উপস্থিত সবাই মিষ্টি খেয়ে নব দম্পতির মঙ্গল কামনা করেন।

বিশিষ্ট অভিনেতা এবং হিন্দু ও মুসলিম মিলিত পরিবারে বেড়ে ওঠা ত্রপা মজুমদার এমন পরিবারের সন্তান হওয়ায় নিজেকে গর্বিত মনে করেন। তিনি বলেন, আমি এমন পরিবারে জন্মে গর্ব বোধ করি। যত সহজে ধর্মের ঊর্ধ্বে উঠে মানুষকে দেখতে পারি তা অন্য কারো পক্ষে সম্ভব নয়। কেউ যদি এভাবে জীবন গড়তে চায় তবে তাকে আমি সাধুবাদ জানাবো। তবে আমার মা-বাবা বলে, দরকার নেই। কারণ এভাবে জীবন কাটানোর সংগ্রামটা অনেক বেশি কঠোর। আবেগ দিয়ে অনেকে এটা করে ফেলে। আবেগটা কমিয়ে বাস্তবতার ভিত্তিতে চলা ভাল। আমি মনে করি কোন সমস্যা নেই। ধর্মটা একটা ব্যক্তিগত বিষয়। যে যার মতো ধর্ম পালন করবে। এখানে এক সাথে বসবাস করাতে কোন সমস্যা নেই। ছোট বেলা থেকে কিছু কিছু সমস্যা মোকাবেলা করতে হয়েছে। স্কুলের শিক্ষক বা অন্য অনেকে বলেছে, তুমি কোন ধর্ম পালন কর? তোমার মা-বাবা কে কোন ধর্ম পালন করে? তখন খারাপ লাগতো। বিব্রত হতাম। বড় হওয়ার পরে আর খারাপ লাগে না। বিব্রত হই না। দাদু বাড়িতে যাই। সেখানে তাদের মত সব ধরনের হিন্দু ধর্মীয় অনুষ্ঠান হচ্ছে। আবার নানু বাড়িতে যাই সেখানেও সব ধরনের অনুষ্ঠান হচ্ছে। তবে আমি নিজে ইসলাম ধর্ম চর্চা করি। আমি ঈশ্বরে বিশ্বাস করি। কোন একটা শক্তির কাছে নিজেকে সপে দিতে চাই। বিশ্বাস না করার জন্য একটা আলাদা শক্তি লাগে। আমার সেটা নেই। দুটো মানুষের সম্পর্ক এখানে বিষয়। ধর্মতো কোন বিষয় না। ধর্ম বাদ দিয়েও কেউ একসাথে থাকতে পারে। সেটা তাদের নিজেদের বিষয়। ধর্মটা আমার কাছে নিজের। বিশ্বাসটা আমার মতো। রাষ্ট্রের কোন ধর্ম থাকা উচিত নয়। রাষ্ট্রের কাছে সবাই সমান। এখানে ধর্ম কোন বিষয় না। আমার ব্যক্তি জীবনে নিজের এত বড় শক্তি নেই যে, আমি বিশ্বাসটাকে ফেলে দেব। আমার একটা আশ্রয় প্রয়োজন।

একটি মোবাইল কোম্পানিতে চাকরি করেন হিন্দু ধর্মে বিশ্বাসী শুভ। গত মার্চে বিয়ে করেছেন একটি মুসলমান মেয়েকে। একজনের বাড়ি পাবনা, অন্যজনের ময়মনসিংহ। ওরা কেউ তাদের ধর্ম পরিবর্তন করেনি। নিজ নিজ ধর্মে থেকেই বিয়ে করেছেন। এখন সংসার করছেন। মেয়েটি নামাজ পড়ে। ছেলেটি পূজা করে। ধর্মীয় কোন কিছুতে কারো কোন সমস্যা নেই। বাধাও নেই। সামাজিকভাবেও কোন সমস্যা নেই। দু’জনই চাকরি করছেন। বন্ধু, সহকর্মীরা স্বাগত জানিয়েছেন। সংসার গোছাতে সহযোগিতা করেছেন। কিন্তু বাধ সেধেছে পরিবারের অভিভাবকরা। সমস্যা শুধু পরিবার থেকে। শুভ বলেন, ধর্ম, রাষ্ট্র একটা গণ্ডি। আমরা সেই গণ্ডি থেকে বের হয়ে আসতে চেয়েছি। গণ্ডিটা ভেঙ্গে ফেলতে চেয়েছি। শুধু যে আবেগে বিয়ে করেছি তা নয়। এখানে দুইটা মানুষ এক হয়ে থাকবে সেটাই বড় কথা। মানুষ তো ধর্ম এনেছে। ধর্ম তো আর মানুষকে আনেনি। জীবনে মানবিকতাই বড়। অন্য কিছু নয়। 

মৌসুমী (ছদ্ম নাম) রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় এক হিন্দু ছেলের সাথে প্রেম করেছেন। পড়া শেষে চাকরি করতে দু’জনই ঢাকায়। এগার বছর পর তাদের বিয়ে হয়। মেয়ের বাড়ি থেকে এখনো মেনে নেয়নি। ছেলের বাড়ি থেকেও মেনে নেয়নি। মৌসুমী বললেন, ধর্ম বা সমাজ যদি বড় একটা বিষয় হত আমি বিয়ে করতাম না। আমরা কেউ ধর্ম পরিবর্তন করিনি। আমাদের সন্তানকে আমরা ধর্ম-বর্ণের ঊর্ধ্বে গড়ে তুলব। পরে তার যদি কোন ইচ্ছা হয় তবে সে সেটা পালন করবে। তিনি বলেন, অফিস থেকে ভাল সাহায্য পেয়েছি। বন্ধুদের অনেকে সাহায্য করেছে। এই বিয়ে করতে গেলে মানসিক শক্তিটা অনেক বড় থাকতে হবে। ধর্মটা এখানে বিষয় নয়। বিষয় হচ্ছে সমাজ। আমার বাবা মনে করছে তার সমাজ কি বলবে। আমি যে তার মেয়ে সেটা সে দেখছে না। আমার চেয়ে তার সমাজের কে কি বলল সেটা বড় হলো। বাবা আমার কথা ভাবছে না। সমাজ কাছের মানুষকে এক করে না, দূরে পাঠায়। সমাজ তাকে কিছু দিচ্ছে না। তিরস্কার করছে। অথচ তারা ঐ সমাজ নিয়েই থাকছে। বিয়ে করার ঘটনা বর্ণনা করতে গিয়ে তিনি বলেন, পুরানো ঢাকার পাটুয়াটুলিতে গিয়ে প্রথমে নাম লিখিয়ে এসেছি। পরে নির্দিষ্ট দিনে গিয়ে বিয়ে করেছি। তিনজন সাক্ষী লেগেছে। আর দু’কপি ছবি। সাথে পরিচয়পত্রর ফটোকপি। তারপর থেকেই আমরা একসাথে আছি।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক মাসুদা এম. রশিদ চৌধুরী বলেন, এটি আধুনিকতার একটি রূপ। যেখানে ধর্মটাকে গুরুত্ব দেয়া হয় না। চলচ্চিত্রসহ বিভিন্ন প্রভাবে এটা হচ্ছে। সমাজ মেনে নিচ্ছে। আবার রক্ষণশীল সমাজ হলে তা মানছে না। এখানে পরিবার গুরুত্বপূর্ণ নয়। স্বাধীন জীবন যাপন করছে তারা। এটা বেশি দেখা যায় শিক্ষিত সমাজে। সেখানে মনের মিলটাই গুরুত্বপূর্ণ। গোঁড়ামি কুসংস্কার ছিল, তা এখন কমে আসছে। সামাজিক বিধি-নিষেধ, বাধা কমে যাচ্ছে। সংস্কৃতির মধ্যে ধর্ম আসছে না। যারা সাংস্কৃতিক অঞ্চলে জীবন যাপন করে তারা এটা মানে না। তিনি বলেন, এই ধরেনর বিয়েতে প্রথমে পরিবার থেকে বাধা আসে। তবে তা পরবর্তীতে ঠিক হয়ে যায়। তবে আধুনিকতা পরবর্তীতে গ্রহণযোগ্য নাও হতে পারে। সামাজিক কিছু সমস্যা হয়। ছেলে-মেয়ে কি হবে। তারা কিভাবে পরিচিত হবে। এগুলো সামনে চলে আসে। তবে ইসলাম ধর্মে কিছু বাধা নিষেধ আছে। ইসলাম ধর্মে এ ধরনের বিয়ের কোন নিয়ম নেই। যদি ধর্ম না মেনে রাষ্ট্রীয় আইনে বিয়ে করে তবে ঠিক আছে।প্রসঙ্গত, পৃথিবীর উন্নত প্রায় প্রত্যেক দেশে ধর্মীয় পরিচয় ছাড়াই বিয়ের ব্যবস্থা আছে। এমন কি জীবন যাপনে আমাদের যেমন ধর্মীয় পরিচয় দিতে হয়। নানা ফরম পূরণ করতে গিয়ে লিখতে হয় ধর্ম। তা অনেক দেশেই নেই। পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতে দুই ধর্মের দুইজন বিয়ে করতে পারে। আইনগত কোন সমস্যা নেই। এছাড়া ইউরোপ আমেরিকাতেও একই অবস্থা। সেখানে শুধু বিয়ে নয়, কোন কাজেই ধর্মীয় পরিচয় দেয়ার প্রয়োজন হয় না।

ছাগুলাদিস্তুপ: 


Ahammad_sohel534
Although some people think it is needed ,actually they have no good logic ; only from ill sexuality .

Anwar Al Hoque 
It not a Good sing for a society. Because This
system will be Destroy The social security.
Anwar Al Hoque
Rangamati

santi
well who have no religion identity they are kaffer.and kaffer never get forgive from god.they will get punished.lakum dinukum walya din (every one religion for every one )

Mahbubul
If two persons from different religion marry, then one must have to convert & if their children do not follow any religion that is totally unacceptable in a civilized society.Life without any religion is as life of a beast.

Syedahmmed
That type of relation based on physical sex and that physical sex has no religious coating. So and forth, Animal has no religion.

Alam123
animal has no identity. They are just animal. No bindings of law or relegion, but if you are human . you must be in some side or animal has no deference. Do not try to be over 'manush!'

Poroma
sa to manusher jonmo na . sa holo posu tai tar darmonai.

santi
as a muslim never support it.yes we can marry any one but she/he should be converted to islam .who dont belive religion they are KAFFAR .and kaffar will go to hell.

Islamspn
Better you guys are be come American.No need to say that you are Muslim.

Saturahman
never ever it can be.....

semon_middle east.
this is very bad news in bangladesh. i don,t support it.
bangladesh 90% muslim country so ata publish kora daily ettefaq er dik hoyni.
ata islam riligion k kill korar ekta chokranto.


Amin
cudner poo tor jonmer thik nai. udarotar tui ki bujosos, sob dhormer ekta rule ase seta toder moto nastik ra bujbe na ,

Syed Shafiqul Islam 
Dear Mr. Editor:A daily paper like "The Ittefaq" published this article - I could not imagine even. But the truth is - it has been published.Comment - I hate to put any comment because such type of rubbish does not qulify for a comment. Only I say "Almighty Allah" only the One Who can guide the Muslims on the right path. AMEEN.Thank you for your patience.Regards.
Syed Shafiqul Islam
Riyadh, Saudi Arabia


Mostofafarid
i don't support it ,

Kazad6499
Dear brother,Some one sent you this world he is allah,then You been a human ,then you have brain,If allah Wish it can be (brain)damage. So many sickness can be attack you,allah did not do it with you. Did you ever apprecate to allah ,he gave you a nice brain,The brain you are using every where your thought. Every way you have to apprecate allah.All religioun can not be same.because allah only choose religion islam.In quran There is (aya).for this regards.Just deeply think today how i came in this world.i fall from the Sky???????????.this is the time to use your brain.Allah will help you to understand.Yes honesty is nesessary,for human should good character.leave the bad things.

Shammi Khandaker
May Allah save us. I don’t know how I can make my child as high-quality citizen or person without religion??? I don’t know how I can be an excellent person without faith??? And I am wondering if religion is not a big fact, how he or she can love only one person. Religion means faith. If anyone doesn’t believe in Allah he/she could be high quality, educated, earn more money, but cannot be a proud Muslim. If you are not Muslim you have no boundary because you have no idea about the final judgement.

Alam
Yes, they are human being and enjoying their freedom by marrying like one Muslim(?) with one Hindu(?). But, I'm wondering that are they really Muslim or really Hindu ? Are they obay religious instructions as a Muslim or pray five times? Are they go to Mandir and perform prayer according to the Hindu religious instructions. If not, then they are not Muslim or Hindu. So, it's OK, it's not a matter of religious problem.

ishtiaq
May Allah save us from this great Fitnah.

Ms_suzu
.... bhinno dhorme biyer moddhe anek dhormei kono problem nei ... Islam dhorme o kono badha nei tobe condition ase ... Mulim sele ba meye .... anno dhormer sele ba meye ke tokhoni biye korte hobe jodi she ek shorshtay bisshashi hoi aar ek shrashta sara anno karo ibadod kore ... jodi ta na hoi tahole Muslim dhorme she biye grohon joggo hobe na ... ek job ke convert hote hobe ... jara Islam dhormer anushari tader e bepare shotorko hote hobe ...

Guest
When i was reading this topic i was thinking how can a person claim to be a good human being without satisfying the rules of religion .This is the main reason in arising lots of immoral behavior in todays society.

Mehedi82
Sorkar songbidhan theke Allahr upor asta r bisshas uthiye diye esob pottolik nastikder utsahito korche. Islamke prokitovabe nabujhei esob living logether ke biye bolche. mittor porborti jibiner upor asta nai bidhai esob bekheali jibon beche niche. mosolman name jara esob korche tara Kamrul islam ba Lotif siddiki typer mosulman.kajei Islami manobgusti eder hisabe rakhe na.

Md.Jahan bin Luku
Assalamuwalaikum, Mehedi, Allah'r upore other ASTHA / BISSHAS nai boleito ora avabe choltese...
I think ITTEFAQ should not allowed this to publish...
Majority of our citizens are MUSLIM.


Syedahmmed
it is termed as "Living Together", where physical sex is only important item(legally/Illegaly) and that type of physical sex has no religious coating.

Kamrn87
living together doesn't need any contract while these ppl are getting 'married thru registration' ! and such 'marriages' by definition are rejected in hinduism and islam, as for ex. a muslim girl looses her 'religion' if she marrys a hindu or a nonbeliever and she becomes 'Zindig' as she breaks the basic vow to God and her unbreakable orders from God as a Muslim. Similarly she loses her hinduism in case of a hindu girl 
while she marries a muslim or christian or a satanic believer...and so on!!!


কী আর বলবো! ছাগু-আকীর্ণ এ ধরাধাম!

হাজার বছর ধরে



মোক্ষম মুগুর


নাস্তিকদের নিয়ে নানাবিধ অমূলক ধারণা ও কথা প্রচার করা হয়ে থাকে। সেই নিরলস অপপ্রচারের অ-সা-ধা-র-ণ জবাব দিয়েছেন ইউটিউবার StopSpamming1.

একেবারে মোক্ষম মুগুর।



৩০ জুলাই, ২০১১

সিলমোহর


একটি বিদেশী কার্টুন রূপান্তর করে পাঠিয়েছেন গজব-এ-এলাহী


প্রিয় পুরনো পোস্টগুলো – ৬০


ধর্মকারীতে পোস্টের সংখ্যা ঊনত্রিশশো ছাড়িয়ে গেছে। এই সাইটের খোঁজ যেসব পাঠক সম্প্রতি পেয়েছেন বা ভবিষ্যতে পাবেন, তাঁদের পক্ষে আগে প্রকাশিত মজাদার পোস্টগুলো খুঁজে নেয়া ব্যাপক শ্রম- ও সময়সাধ্য ব্যাপার হবে ভেবেই হারানো-দিনের-পোস্ট ধরনের এই সিরিজের অবতারণা। পুরনো পাপীরাও এই সুযোগে স্মৃতিচারণ করে নিতে পারেন 

প্রতি পর্বে আমার বিশেষ প্রিয় পাঁচটি পোস্টের লিংক দেবো সংক্ষিপ্ত বর্ণনাসহ। শুরু করেছি ধর্মকারীর আদিকাল থেকে।

২. ভণ্ডামি (সংবাদ, ভিডিও) 
৩. কানাগলি (ছবি) 
৪. সৃষ্টিবাদের গুষ্টি বাদ (রিচার্ড ডকিন্সের ভিডিও)
৫. ধর্ষক-ইন্টারনেট (ধর্মকারীতে cultofdusty-র প্রথম ভিডিও)

আগের পর্বগুলো দেখতে নিচের "কাসুন্দি" ট্যাগে ক্লিক করুন। 

নানাবিধ নাম



ঐশীগ্রন্থগুলো অনৈতিক


আমি সচরাচর গুরুগম্ভীর তত্ত্বপূর্ণ দীর্ঘ বক্তব্য শুনতে পছন্দ করি না, পছন্দ করি না পড়তেও। তাই ঐশীগ্রন্থের নৈতিকতা নিয়ে নির্মিত চোদ্দ মিনিটের ভিডিওর শুরুটি দেখে শেষ পর্যন্ত দেখতে পারবো ভাবিনি। কিন্তু কী যে মুগ্ধতা নিয়ে দেখেছি পুরো ভিডিওটা! যেমন মনকাড়া, যুক্তিময় বক্তব্য, মৃদুকণ্ঠের কথন, তেমনি দুর্দান্ত ভিডিও-সঙ্গৎ। 


ইউটিউবার QualiaSoup নৈতিকতা বিষয়ে একটি ভিডিও-সিরিজ তৈরি করছেন। ওপরের ভিডিওটি সিরিজে দ্বিতীয়। আর প্রথমটি দেখতে উৎসাহীদের জন্য: 


এখনও পর্যন্ত দুটো পর্ব এসেছে নেটে। 

মতপ্রকাশের স্বাধীনতা



হ্রস্বরসবাক্যবাণ – ১৫


১.
যুক্তির যেখানে সমাপ্তি, সেখানেই ধর্মের সূচনা।

২.
ধর্ম হওয়া উচিত যৌনাঙ্গের মতো, যা জনসমক্ষে প্রদর্শন অশালীন এবং শিশুদের ব্যবহার্য নয়।

৩. 
আল্লাহ থাকতে শয়তানের কী দরকার? 

* সবগুলোই সংগৃহীত।

টুপি কি চিন্তানিয়ন্ত্রক?



তারা আমগোরে দেকতারে না


আমেরিকায় (এবং, খুব সম্ভব, পৃথিবীর অধিকাংশ দেশেই) সবচেয়ে অহিংস, সবচেয়ে সহিষ্ণু, সবচেয়ে মেধাবী এবং সবচেয়ে প্রগতিশীল জনগোষ্ঠী হচ্ছে  নাস্তিকেরা, তবে একই সঙ্গে তারা সে দেশে সবচেয়ে ঘৃণিত এবং সবচেয়ে সন্দেহভাজনও। 

না, কারুর মনগড়া কথা নয় এসব। সাড়ে সাত মিনিটের ভিডিও-সংকলনে দেখুন। 



অত্যন্ত কৌতূহলোদ্দীপক তথ্য-উপাত্ত সম্বলিত নিচের ভিডিওটি ধর্মকারীতে আগে প্রকাশিত হয়েছিল। দেখে না থাকলে দেখে নিয়ে ফরজ পালন করুন।



২৯ জুলাই, ২০১১

ইসলাম নারীকে মুক্তি দিয়েছে



নবীজির বিধান শুধু শিরোধার্যই নয়, শিশ্নধার্যও


লিখেছেন Suirauqa

হালায় চৌদি আজবের মুমিন ভাইবন্ধু আবার রে রে কইর‍্যা খবরে আইস্যা পড়ছে রে! অহন কী হইব, খোদায় মালুম। বিষয়টা অবশ্যই আপ্নাগো অজানা নয় - সেই শিশুকামিতা, যারে চৌদি দেশে আদর কইর‍্যা কয় ইছলামী শিশুবিবাহ। ডক্টর সালিহ বিন ফওজান, নামজাদা মোল্লা এবং চৌদি আজবের সর্বোচ্চ ধর্মীয় কাউন্সিল-এর (অ)সভ্য, সদ্য ফতোয়া জারি করসে যে সাদি করনের লেইগ্যা কোন নিম্নতম বয়স নাই, এবং মহিলা/শিশুকন্যাগো সাদি দিয়া দেওন যাইব, তাগো দোলনায় শুইয়্যা থাকনের বয়স হইলেও (ইভেন ইফ দে আর ইন দি ক্রেইডল)। ১৩ই জুলাই-এর খবরে প্রকাশিত, ফতোয়ায় কইতাসে যে সংবাদমাধ্যম এবং সাংবাদিকেরা আইজকাল বড়ই বাড়াবাড়ি শুরু করসে, পবিত্র শরিয়া আইনের কুনও কথা মানতাসে না। এর ফলে সমাজের সমূহ বিপদের সম্ভাবনা। ফওজানের ঘোর বিশ্বাস কোরআন ৬৫-৪ এর উপ্রে, যেইহানে নাকি অনার্তবা (প্রি-পিউবেসেন্ট) শিশুকন্যাদেরও বিয়া দেওনের কথা আছে; হালার সামনে তো দারুণ উদাহরণ আছেই, আইশার গপ্প তো আপ্নাগো আর কিইবা কমু নতুন কইর‍্যা। লিখতে গিয়াও খারাপ লাগে, বাকিটা লিঙ্ক থিক্যা পইড়্যা নেন। 

লিঙ্ক-এ লেখক এই প্রশ্ন তুলছে যা খুবই তাৎপর্যপূর্ণ: ইছলামী ধর্মীয় প্রবক্তারাই - যাদের কিনা সরাসরি মৌলবাদী বা আতঙ্কবাদী কওন যাইব না - সমানে শরিয়ার অসভ্যতার প্রচার করে চলেন; এটা কেন? এই ফতোয়ার হপ্তাখানেক আগে কুয়েতের এক মহিলা রাজনৈতিক নেত্রী যৌন-দাসত্বকে সংস্থায়িত করার সপক্ষে জোরাল সওয়াল করছে এই বইল্যা যে, মুমিন ভাইগণের উচিত চেচেন যুদ্ধবন্দী মহিলাদের কেনা-বেচা করা। মিশরের এক জনপ্রিয় ধর্মগরু একই কথা কইসে, আরও কইসে যে ইছলামের দারিদ্র্য দূর করনের একমাত্র উপায় হইল জিহাদ কইর‍্যা অমুসলমানদিগের জীবন আর সম্পত্তি লুইট্যা-পুইট্যা নেওন। লেখক এর ব্যাখ্যা দিসে যে এহেন ব্যবহার সপ্তম শতাব্দীর এক আরব নেতার পক্ষে একদমই জায়েজ। মুশকিল হইল, সেই একই ব্যবহার হালার মুমিন ভাইবন্ধু একবিংশ শতাব্দীতেও চালাইতে চায়। এইগুলারে কি কওন যায়, কন দেহি?

Suirauqa ভাই বুঝে না যে, নবীজির বিধান খালি শিরোধার্যই না, শিশ্নধার্যও। 


যাই হোক, ধর্মকারীতে এক সপ্তাহ আগেই আরেক চৌদি ইছলামবাজের ভিডু দিসিলাম। সেখানেও তিনি এই কথাই জোর দিয়া এরশাদ করতেসেন যে, ইছলামে বিয়ার নিম্নতম বয়স বইলা কিছু নাই

বসিয়া বিজনে


পাঠিয়েছেন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পাঠক।


আহা! ধর্ম যদি সত্যি চিন্তা করতে শেখাতো!

অস্ট্রেলিয়াবাসী যিশু


যিশু ফিরে এসেছে এবং সে এখন বাস করছে অস্ট্রেলিয়ায়। কিছু ভেড়ার পালও অনুসারীও জুটে গেছে তার। শুনে হাসি পেলো? আপনি নির্ধর্মী হলে হাসতেই পারেন। তবে ধর্মবিশ্বাসী কেউ হাসার আগে একটু ভেবে দেখলেই বুঝবেন, আপনার ধর্মের নবীর দাবি এই নব্যযিশুর দাবির মতোই ভুয়া ও ভিত্তিহীন। এই দুইয়ে কোনও পার্থক্যই নেই।

পাঁচ মিনিটের ভিডিও।  


নরক নষ্ট নাস্তিকদের জন্য



যদি বিশ্বাস করো বন্ধু তুমি, অন্ধ করো চোখ


লিখেছেন আখতারুজ্জামান আজাদ

যদি বিশ্বাস করো বন্ধু তুমি,
অন্ধ করো চোখ;
খামচে ধরো কলজে আমার,
হিংস্র করো নোখ!
বন্ধ করো প্রশ্লাবলি,
বিশ্বাস করো অতল;
অবিশ্বাসীর জিভ কেটে দাও,
জলদি করো কতল!
পৈতা দিয়ে বেঁধে রাখো
শক্ত করে মন-দেহ;
রুদ্ধ করো জিজ্ঞাসাকে,
রুদ্ধ করো সন্দেহ!

যদি বিশ্বাস করো বন্ধু তুমি,
বন্ধ করো কান;
বন্ধ করো বাদ্যবাজন,
বিটোফেনের তান!
গানের পাখি ডাকলে তোমায়
প্রেমের ডাকে শিস দিয়ে;
জামাত বেঁধে ধরো তাকে,
হত্যা করো বিষ দিয়ে!
কতল করো গায়ক-বাদক,
কতল করো সুর তাদের;
তামাম জাহান কেবল তোমার,
নহে কাফের-মুরতাদের!

যদি বিশ্বাস করো বন্ধু তুমি,
নাও হে হাতে তরবারি;
অবিশ্বাসীর কল্লা কাটো,
জ্বালাও-পোড়াও ঘরবাড়ি!
সবই আছে ঐ পারেতে,
কিচ্ছু না এ জগত্‍টা;
বাকির পিছে ছুটতে থাকো,
দূরে ছোঁড়ো নগদটা!
হপ্তা শেষে দুহাত তুলে
মলমমাখা কান্নাতে,
শরাব-স্রাব হুর-গেলমান
সবই পাবে জান্নাতে!

যদি বিশ্বাস করো বন্ধু তুমি,
ঊর্ধ্বে তোলো হাত;
ভূতের পূজা, পুতের পূজা
চালাও দিবস-রাত!
সারা খোপের মুরগি খেয়ে
সাজো তুমি ভাম,
ভূতের মুখে শোনাও তুমি
রাধা-কেষ্ট-রাম!
ভূতের নামে ফেনা তোলো,
শোকর করো গুজারি;
জিহাদ-কিতাল-ক্রুসেড করো
পাদরি-ইমাম-পূজারী!

তোমার আছে পাদরি-পোপ আর
পির-পুরোহিত-নবি,
আমার নাহয় থাকুক কেবল
কবিতা আর কবি!

বিজ্ঞানই শ্রেয়



মনীষীদের ঈশ্বরভাবনা


পঞ্চাশজন খ্যাতিমান মনীষী কী ভাবেন "ঈশ্বর" নিয়ে? তাঁদের সেই ভাবনার সংকলন এই ভিডিও। চৌত্রিশ মিনিট দীর্ঘ, তবে অবশ্যদ্রষ্টব্য ও সংগ্রহে রাখার মতো। 

মনীষীদের তালিকা: 

1. Lawrence Krauss, World-Renowned Physicist
2. Robert Coleman Richardson, Nobel Laureate in Physics
3. Richard Feynman, World-Renowned Physicist, Nobel Laureate in Physics
4. Simon Blackburn, Cambridge Professor of Philosophy
5. Colin Blakemore, World-Renowned Oxford Professor of Neuroscience
6. Steven Pinker, World-Renowned Harvard Professor of Psychology
7. Alan Guth, World-Renowned MIT Professor of Physics
8. Noam Chomsky, World-Renowned MIT Professor of Linguistics
9. Nicolaas Bloembergen, Nobel Laureate in Physics
10. Peter Atkins, World-Renowned Oxford Professor of Chemistry
11. Oliver Sacks, World-Renowned Neurologist, Columbia University
12. Lord Martin Rees, Astronomer Royal
13. Sir John Gurdon, Pioneering Developmental Biologist, Cambridge
14. Sir Bertrand Russell, World-Renowned Philosopher, Nobel Laureate
15. Stephen Hawking, World-Renowned Cambridge Theoretical Physicist
16. Riccardo Giacconi, Nobel Laureate in Physics
17. Ned Block, NYU Professor of Philosophy
18. Gerard 't Hooft, Nobel Laureate in Physics
19. Marcus du Sautoy, Oxford Professor of Mathematics
20. James Watson, Co-discoverer of DNA, Nobel Laureate
21. Colin McGinn, Professor of Philosophy, Miami University
22. Sir Patrick Bateson, Cambridge Professor of Ethology
23. Sir David Attenborough, World-Renowned Broadcaster and Naturalist
24. Martinus Veltman, Nobel Laureate in Physics
25. Pascal Boyer, Professor of Anthropology
26. Partha Dasgupta, Cambridge Professor of Economics
27. AC Grayling, Birkbeck Professor of Philosophy
28. Ivar Giaever, Nobel Laureate in Physics
29. John Searle, Berkeley Professor of Philosophy
30. Brian Cox, Particle Physicist (Large Hadron Collider, CERN)
31. Herbert Kroemer, Nobel Laureate in Physics
32. Rebecca Goldstein, Professor of Philosophy
33. Michael Tooley, Professor of Philosophy, Colorado
34. Sir Harold Kroto, Nobel Laureate in Chemistry
35. Leonard Susskind, Stanford Professor of Theoretical Physics
36. Quentin Skinner, Professor of History (Cambridge)
37. Theodor W. Hänsch, Nobel Laureate in Physics
38. Mark Balaguer, CSU Professor of Philosophy
39. Richard Ernst, Nobel Laureate in Chemistry
40. Alan Macfarlane, Cambridge Professor of Anthropology
41. Professor Neil deGrasse Tyson, Princeton Research Scientist
42. Douglas Osheroff, Nobel Laureate in Physics
43. Hubert Dreyfus, Berkeley Professor of Philosophy
44. Lord Colin Renfrew, World-Renowned Archaeologist, Cambridge
45. Carl Sagan, World-Renowned Astronomer
46. Peter Singer, World-Renowned Bioethicist, Princeton
47. Rudolph Marcus, Nobel Laureate in Chemistry
48. Robert Foley, Cambridge Professor of Human Evolution
49. Daniel Dennett, Tufts Professor of Philosophy
50. Steven Weinberg, Nobel Laureate in Physics


ডাউনলোড লিংক (১২৪ মেগাবাইট): 

২৮ জুলাই, ২০১১

নব্য পন্থা



ওপরের ছবিতে যেমন দেখছেন, ঠিক প্রায় তেমনটাই ঘটেছে আফগানিস্তানে। কান্দাহারের মেয়রকে হত্যা করেছে এক আত্মঘাতী শহীদ। সে বোমা লুকিয়ে রেখেছিল তার পাগড়ির তলায়। 

অসময়ে এলো ডাক



প্যাট্রিক কন্ডেল: আমাদের লোক – ৪১


নরওয়ের মর্মান্তিক ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে প্যাট কন্ডেলের প্রতিক্রিয়া। বরাবরের চেয়ে আরও বেশি স্পষ্ট ও দৃঢ়তর। 

অডিও ভার্শন এখানে (১.৩ মেগাবাইট)। 

ভিডিও ট্র্যান্সক্রিপ্ট প্রায় পুরোটাই তুলে দিচ্ছি:

The Norwegian murderer has shown himself to be as much an enemy of humanity as any jihadist. Indeed, he is a jihadist by any other name.

He claims there's a war going on, and there certainly is - a war between civilised people and violent barbarians like him.

... violence will never prevail because it will never win the hearts and minds of the people...

Violence is not the answer. It's never the answer. And we will never progress as a species until we drag ourselves out of this swamp of violence. And that's why anyone who uses
or who advocates violence for any political reason is my enemy. No exceptions.

I couldn't help noticing, however, in the aftermath of this atrocity, a rather unhealthy eagerness in some quarters to apportion blame by association, as if all critics of Islam are somehow complicit in this man's insanity. Well, that's very unfortunate, but given that the rules have now clearly been changed in this regard, I'll be very interested to see how many hate-preaching imams are blamed for the next Islamic atrocity.

No one who criticises Islam or multiculturalism is in any way responsible for this lunatic's actions. And the criticisms are all still entirely valid. 

Islam is still a totalitarian ideology that actively threatens our freedom, political correctness is still, yes, cultural marxism, and multiculturalism is still a lie.

And, all over Europe, de facto blasphemy laws are still being used to prosecute people who criticise Islam, and only Islam. These horrific murders have not changed any of that. And the only thing that will change it, and the only way to get the overwhelming public support needed for change, is not through violence, but by defending freedom of speech, no matter what, and by telling the truth. That's all we need.

Peace. And a little honesty would be nice as well.


বি-বিহীন আমেরিকা



ইসলামী ইতরামি: অর্ধ ডজন


১.
শান্তিময় ও মানবতাবাদী কোরানে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা আছে, ইহুদিরা মুসলিমদের সবচেয়ে বড়ো শত্রু ("... সব মানুষের চাইতে মুসলমানদের অধিক শত্রু ইহুদী..." - সুরা ৫.৮২), আর তাই ইহুদি স্কুলের সামনে ট্র্যাফিক জ্যামে আটকে পড়া মোমিন মুসলিম ট্যাক্সি ড্রাইভার "সব ইহুদি নিপাত যাক" বলে চিৎকার করে ছওয়াব হাছিল করার চেষ্টা করলে সেটাকে দোষ দেয়া যায় কি? 

২. 
রাশিয়ার দাগেস্তান অঞ্চলের উগ্রবাদ বিরোধী প্রচারণার অন্যতম প্রধানের গাড়ি বহরে হামলা চালিয়ে দু'জনকে হত্যা করেছে ইসলামী জঙ্গিরা। পরে নিজস্ব ওয়েব সাইটে তারা ঘোষণা দিয়েছে: "দু'জন কাফেরকে হত্যা করা হয়েছে।"

৩. 
ধর্মীয় সন্ত্রাস ও উগ্রবাদ নিয়ে মিডিয়া বেশি মাথা ঘামায় বলে রাশিয়ার প্রধান মুফতির ব্যাপক মাথাব্যথা। "কোথাও একটা বোমা ফুটলো, অমনি মিডিয়ায় অন্তত দুই দিন ধরে এ নিয়ে ঘণ্টায় ঘণ্টায় আলোচনা," অভিযোগ করে বলেছেন তিনি। নিশ্চয়ই সন্ত্রাসী ঘটনার কাভারেজ না করে মিডিয়ার উচিত দিবারাত্র কোরান তেলওয়াত ও হামদ-নাত পরিবেশন করা।

৪. 
বোমা তৈরি করা শেখাতে গিয়ে বিস্ফোরণে বোমা-শিক্ষকের মুত্যুর সংবাদটি মনে আছে? ঘটনাটি ঘটেছিল ইন্দোনেশিয়ার আবাসিক মাদ্রাসায়। তো পরে সেই হস্টেলে অনুসন্ধান চালিয়ে মাত্র দুই ডজন বোমা উদ্ধার করা হয়েছে।

৫. 
এসএমএস-এ ব্ল্যাসফিমাস বক্তব্য পাঠানোর দায়ে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়েছে এক ব্যক্তিকে। ঘটনা পাকিস্তানে।

৬.
বাংলা ব্লগপরিমণ্ডলের ছাগুকুলশিরোমণি "ত্রিভুজ" তাঁর নিক বদলাবেন কি? প্রশ্নটি মাথায় এলো নিচের খবরটি পড়ে।
খবরটি হয়তো অনেকেই জেনে গেছেন। নাহলে জেনে রাখুন, সমুচা একটি অনৈসলামিক খাবার। কারণ সেটির ত্রিভুজাকৃতি খ্রিষ্টধর্মে উল্লেখিত পবিত্র ট্রিনিটি-র কথা মনে করিয়ে দেয়। সোমালিয়ায় ইসলামী আল-শাবাব গ্রুপ মাইকে ঘোষণা দিয়ে সমুচা নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে। এর পরে স্কুলে জ্যামিতি ক্লাসে ত্রিভুজ অঙ্কন তথা ত্রিকোণমিতিও নিষিদ্ধ হবে কি না, তা এখনও জানা যায়নি। 

মুসলিম জাহানে কার্টুনাতঙ্ক - ১৩



ট্যাপ থেকে পড়ে মদ


যিশু পানিকে মদে পরিণত করেছিল বলে দাবি করা হয় বাইবেলে। আধুনিক এক যিশু সেই কাজটি আবার করে দেখালো। অত্যন্ত উপভোগ্য ভিডিও। এক মিনিট দীর্ঘ।



পূর্বে ও পরে



২৭ জুলাই, ২০১১

দু'টি সুলিংক


১.
পাস্তাফারিয়ানিজম কি আমেরিকায় ধর্ম হিসেবে স্বীকৃতি পেয়ে গেল? এক নাছোড়বান্দা নাস্তিক সামরিক বাহিনীতে থাকার সময় তাঁর পরিচয়পত্রে ধর্মবিশ্বাসের জায়গায় লিখিয়ে নিতে পেরেছেন "নাস্তিক্যবাদ / এফএসএম" অর্থাৎ ফ্লাইং স্প্যাগেটি মন্সটার। কম্বিনেশনটা ঠিক সঠিক হয়নি অবশ্য। কারণও আছে। সেই ব্যক্তি ধর্মের নাম এফএসএম লিখতে চেয়েছিলেন বটে, আবার "নাস্তিক্যবাদ" বাদ দিতেও মন সরেনি তাঁর। তাই এই উদ্ভট কম্বিনেশন। তবে আসল কথা হলো, এফএসএম নামের প্যারোডি ধর্ম অফিসিয়াল পরিচয়পত্রে স্থান করে নিতে পেরেছে। অবশ্য ভিন্নভাবে ভেবে দেখলে বলতেই হবে, তথাকথিত ধর্মগুলোর ভিত্তি ও বিশ্বাসযোগ্যতা এফএসএম-এর চেয়ে এক বিন্দুও বেশি নয়।

ওপরের ঘটনার নিয়ে খুউবই মজাদার লেখার এই লিংক পাঠিয়েছেন Suirauqa

২. 
বর্তমানে বিশ্বজুড়ে নির্ধর্মের প্রসার বড়োই আশাব্যঞ্জক বলে আমি মনে করি। কয়েক বছর আগেও নির্ধর্মের কোনও প্ল্যাটফর্ম ছিলো না। এখন আছে পরাক্রমশালী ইন্টারনেট, যেখানে নির্ধর্মীদের ক্রমবর্ধমান দাপট চোখ এড়িয়ে যাবার মতো নয়। এখন থেকে প্রতি পরবর্তী প্রজন্ম পূর্ববর্তী প্রজন্মের চেয়ে ধর্মবিমুখতর হবে, এতে কোনও সন্দেহই নেই। এবং ধর্মবিমুখতার সূচকটি ঊর্ধ্বমুখী থাকবেই। 

এ বিষয়ে ওয়াশিংটন পোস্টে প্রকাশিত খুবই চমৎকার একটা লেখা। 

* পোস্টের নামকরণে ব্যবহার করলাম বানানো শব্দ "সুলিংক" ("সুনীতি" যেমন); আবার একই ভাবে খারাপ কোনও সংবাদ বা ম্যাটরিয়ালের লিংককে "দুর্লিংক"ও বলা যাবে। 

ধর্মের সবচেয়ে অসহায় শিকার শিশুরা



ঠিক যেন ওপরের কার্টুনের প্রতিফলন ঘটেছে বাস্তবে। শিশুদেরকে ক্যান্ডির প্রলোভন দেখিয়ে খ্রিষ্টের পথে আনার চেষ্টা করেছে চার্চের লোকজন, তবে সেটার প্রবল বিরোধিতা করেছেন এক বালিকার মা। 

বিস্তারিত খবর ও ভিডিও এই লিংকে। 

নিঃশয়তান হবার চার্চীয় পদ্ধতি


অন্ধবিশ্বাস মানুষকে কোন অসুস্থ পর্যায়ে নিয়ে যায়, তার আরও একটি নিদর্শন।

সব মানুষের ভেতরেই নাকি শয়তান বা অশুভ শক্তি বাস করে। তো সেই শয়তান থেকে নিষ্কৃতি পাবার ব্যবস্থা আছে নিউ ইয়র্কের এক চার্চে। সেখানে উৎকট উপায়ে শয়তানকে শরীর থেকে বের করে ফেলা হয়। পদ্ধতিটি দেখে মনে হলো, শয়তান বেরিয়ে আসে মুখ দিয়ে। এর মানে কি এই দাঁড়ায় না যে, শয়তান বাস করে আমাদের পেটে? তাহলে মুখের বদলে বিকল্প বহির্গমন পথটি ব্যবহার করলে সেটাই কি শয়তানের জন্য বেশি উপযুক্ত হতো না? 

আবালীয় কাণ্ডকারখানার ভিডিও দেখুন এই লিংকে গিয়ে। 

চিন্তার অপ্রয়োজনীয়তা



বৌদ্ধ মন্দিরেও শিশুকামিতা


উপাসনালয় মানেই সেখানে কোনও না কোনওভাবে অসৎকর্ম সাধিত হয়। মুসলিমদের মসজিদ, খ্রিষ্টানদের চার্চ, হিন্দুদের মন্দির এ ব্যাপারে বিশেষভাবে অগ্রগণ্য। তাই বলে তথাকথিত নিরীহ ধর্ম হিসেবে প্রচারিত বৌদ্ধ ধর্মের উপাসনালয় প্যাগোডা খুব পিছিয়ে থাকবে, তা কী করে হয়! 

আরেকটা ব্যাপার ঠিক বুঝি না। এই ধর্মবাজেরা সচরাচর শিশুকামী হয় কেন? আমেরিকার এক বৌদ্ধ মন্দিরে ঘটা কিছু কেলেঙ্কারি এবং সেসব সমাধানে মন্দির কর্তৃপক্ষের উদাসীনতা তথা অনীহা বিষয়ে একটি লেখা পড়ুন। 

এর আগে ধর্মকারীতে প্রকাশিত একটি প্রাসঙ্গিক পোস্ট: অহিংস যৌনবিকৃতি

ইন্টারনেট - ধর্মবিশ্বাসের বধ্যভূমি



প্রার্থনায় স্পন্সরদের নাম?


কার রেস শুরু হবার আগে এক ধর্মযাজকের প্রার্থনাটি ছিলো শোনার মতো!

Heavenly Father, we thank you tonight for all your blessings. You said in all things, give thanks. So we want to thank you tonight for these mighty machines that you’ve brought before us. Thank you for the Dodges and the Toyotas. Thank you for the Fords and, most of all, we thank you for Roush and Yates partnering to give us the power we see before us tonight. Thank you for GM Performance Technology and the RO7 engines. Thank you for Sunoco Racing fuel and Goodyear tires that bring performance and power to the track. Lord, I want to thank you for my smokin’ hot wife tonight, Lisa, my two children Eli and Emma, or as we like to call them, the little E’s. Lord, I pray and bless the drivers and use them tonight. May they put on a performance worthy of this great track. In Jesus’ name, boogity, boogity, boogity, Amen! 

স্টুপিডিটির একটা সীমা থাকা উচিত! স্বচক্ষে দেখতে ও স্বকর্ণে শুনতে মঞ্চাইলে ভিডিও দেখে নিন।


শান্তির ইছলামী প্রতীক



২৬ জুলাই, ২০১১

মানবতা: ধর্মীয় স্টাইল


ধরুন, ডাক্তারের কাছে গেলেন চিকিৎসার জন্য। কিন্তু ডাক্তার চিকিৎসা করতে অস্বীকৃতি জানালেন। যথাযথ চিকিৎসা বিষয়ে তাঁর অজ্ঞতা বা অদক্ষতা এখানে কারণ নয়। তিনি আসলে বাংলাদেশী কিছু বিচারকের মতো বিব্রত বোধ করেছেন। কারণ? কারণ হতে পারে ব্যক্তিগত, নৈতিক (?) বা ধর্মীয় বিশ্বাস। 

ব্রিটেনের চারটি মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদেরকে প্রশ্ন করা হয়েছিল, অ্যাবোরশন, জন্মনিয়ন্ত্রণ পিল প্রেসক্রাইব, ড্রাগ- বা অ্যালকোহলাসক্তের চিকিৎসা ও বিপরীত লিঙ্গের রোগীর গোপনাঙ্গ পরীক্ষাসহ এগারোটি চিকিৎসা ক্ষেত্রে তাদের নৈতিক, সাংস্কৃতিক বা ধর্মীয় বিশ্বাস বাধা হয়ে দাঁড়াবে কি না। "হ্যাঁ" এবং "না" উত্তর দিয়েছে প্রায় কাছাকাছি সংখ্যক ছাত্র। লক্ষণীয় ব্যাপার হলো, ধর্মীয় কারণে চিকিৎসায় অস্বীকৃতির কারণ এসেছে ১৯.৭ শতাংশ ক্ষেত্রে। 

তবে কৌতূহলোদ্দীপক তথ্য হচ্ছে, ধর্মীয় কারণ দেখিয়েছে মূলত মুসলিম ও ইহুদি ছাত্ররা। মুসলিমদের তিন-চতুর্থাংশ এবং ইহুদিদের অর্ধেকেরও বেশি ছাত্র জানিয়েছে, ধর্মবিশ্বাসের কারণে কিছু কিছু চিকিৎসা করতে অসম্মতি জ্ঞাপনের অধিকার তাদের আছে।

কী চমৎকার না? অসুস্থ, রোগাক্রান্ত ও মৃত্যুপথযাত্রী রোগীদের চিকিৎসা ধর্মোন্মাদ ডাক্তারেরা করবে না, কারণ তাদের কাছে মানুষের জীবন রক্ষার চাইতে ধর্মবিশ্বাস-পরিপন্থী কিছু না করাই উত্তম। 

ধর্মবিশ্বাস ব্যাপারটি কত্তো মানবিক, তাই না? 

আস্তিকীয় অধিকার



নিশ্চয়ই শিশুবিবাহ সুন্নত


ইয়েমেনে শিশুবিবাহ নিষিদ্ধ করার প্রস্তাবের বিপক্ষে প্রতিবাদে নেমেছে নারীরা! বিশ্বাস করা যায়? এই আবালেরা মনে করে, ছয় বছর বয়সী আয়েশাকে একান্ন বছর বয়সে বিয়ে করে ইসলামের নবী যে অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত স্থাপন করে দিয়ে গেছে, তা অমান্য করার অধিকার মুসলিমদের নেই!

এক মিনিটের ভিডিও-রিপোর্টটি গত বছরের।


অভিনব ফ্ল্যাশ মব



ছবির সিস্টারগুলো নকল বলেই মনে হয়। নিশ্চয়ই ফ্ল্যাশ মব জাতীয় কোনও ইমপ্রোভাইজেশন।

খতম তারাবিহ্


প্রথম আলোয় একটা খবর চোখে পড়লো:

সারা দেশে একই পদ্ধতিতে খতম তারাবিহ্ পড়ার আহ্বান
তারিখ: ২৬-০৭-২০১১

পবিত্র রমজান মাসে দেশের সব মসজিদে একই পদ্ধতিতে খতম তারাবিহ্ পড়ার আহ্বান জানিয়েছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন। খতম তারাবিহ্ পড়ার সেই পদ্ধতিটিও নির্ধারণ করে দিয়েছে ফাউন্ডেশন। জাতীয় সংস্থাটির নির্ধারণ করা পদ্ধতি অনুযায়ী, প্রথম ছয় দিনে দেড় পারা করে নয় পারা এবং পরবর্তী ২১ দিনে এক পারা করে তিলাওয়াতের মাধ্যমে পবিত্র লাইলাতুল কদরের রাতে খতম তারাবিহ্ শেষ করতে আহ্বান জানানো হয়েছে।

খবরে কোনও বিশেষত্ব বা নতুনত্ব নেই বটে, তবে খবরটি পড়ে আমার পিতার বলা একটি কথা স্মরণে এলো, যেটি শেয়ার করার লোভ সম্বরণ করতে পারলাম না। তাঁর ভাষায়: মুসলমানেরা বড়োই আজব প্রকৃতির - তারা কোরানও খতম করে, কাফেরও খতম করে। 

ধর্মসুলভ শুভকামনা ও নাস্তিকেরা



অনলাইন ছাগুপোন্দন


ধর্মান্তরিত হওয়া নব্য মুসলিম বেচারাকে অনলাইনে স্কাইপ-বিতর্কে একেবারে নাজেহাল করে ফেলা হলো মোক্ষম এক প্রশ্নের মাধ্যমে। সেই প্রশ্নের উত্তর দেয়ার আকুল, তবে সঙ্গত কারণেই ব্যর্থ, প্রচেষ্টাটি অত্যন্ত উপভোগ্য। ছয় মিনিট দীর্ঘ ভিডিও।


বুদ্ধিমতী হবার ইছলামী উপায়


"সুন্নত দিলে হয় মুসলমান
হিজাব পরলে হয় বুদ্ধিমান..."

অন্তত এই কার্টুনটি প্রচার করতে চাইছে: হিজাব পরলে হয় বুদ্ধিমান...


ইরান কর্তৃপক্ষ হিজাবের গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা বোঝাতে নানান ধরনের প্রচারণা চালিয়ে থাকে। এই কার্টুনটিও সেই প্রচারণার অংশ। এর মাধ্যমে বোঝানো হচ্ছে, হিজাব পরা মেয়েরা বেহিজাবী মেয়েদের তুলনায় অনেক বেশি বুদ্ধিমতী হয়ে থাকে। কার্টুন দেখে মনে হচ্ছে, "ঘুমিয়ে আছে আইনস্টাইন সব হিজাবের অন্দরে"। 

হিজাব পরা অন্তত একখান নোবেল বিজয়ী দেখতে বড়োই মঞ্চায়।

২৫ জুলাই, ২০১১

বাইবেল-পোড়া শিল্প


বাইবেলের কিছু অংশ পুড়িয়ে সেটাকে শিল্পকর্মে ব্যবহার করেছেন ওয়েলসের এক চার্চের রেক্টর। তিনি তাতে আরও ব্যবহার করেছেন বাইবেল থেকে কাটা কিছু অংশ, যেসবে ঈশ্বরকে নির্দয় ও কুৎসিত বলে মনে হয়। খবর দিয়েছে বিবিসি। লিংকে গিয়ে ভিডিওও দেখে নিন। 

খবরটা পড়ে ভাবছিলাম, কোরানের একটি আধুনিক ভার্শন করলে কেমন হতো। বর্বর, ঘৃণাবর্ষী, নারীবিদ্বেষী এবং বর্তমান জগতে একেবারেই অপ্রযোজ্য অংশগুলো ছেঁটে ফেলে... 

পরে মনে হলো, এই কাজটি করলে কোরান হয়ে পড়বে চটি আকারের। আর তাছাড়া, এই আকাশকুসুম কল্পনা করে হুদাই টাইম লস! 

প্রায় প্রাসঙ্গিক একটি পোস্ট পড়ে নেয়া যেতে পারে: কোরানের ভালো আয়াত বনাম অসহিষ্ণু/জঙ্গিবাদী আয়াত। 

আধুনিকতম ঈশ্বর


ফ্লাইং স্প্যাগেটি মন্সটারে বিশ্বাসীদের জন্য রহিয়াছে একটি পোস্টার ও অতীব চমৎকার একটি ভিডিও।




ফলো-আপ: বাধ্য বধূ সংঘ


বাধ্য বধূ সংঘ-এর কথা মনে আছে? ওই যে, মালয়েশিয়ার মুসলিম মহিলা সংগঠনের সদস্যারা স্থির করেছিলেন, তাঁরা মুসলিম স্ত্রীদের কাছে গিয়ে গিয়ে তাদেরকে উদ্বুদ্ধ করবেন তাদের স্বামীদের প্রতি আরও বাধ্য ও অনুগত হতে! স্বামীদেরকে পরিবারভ্রষ্ট হওয়া থেকে ও সহিংসতা থেকে বিরত রাখতে হলে তাদেরকে সর্বোত উপায়ে তৃপ্ত রাখতে হবে - এ কথাই শেখানো হবে তাদের! 

এ বিষয়ে সাম্প্রতিক সংবাদে দেখতে পাচ্ছি, ব্যাপারটি ওই অঞ্চলে জনপ্রিয়তা পেতে শুরু করেছে! তবে সিঙ্গাপুরে কেন জানি সুবিধে করে উঠতে পারছে না। স্থানীয় বাজার তাদের জন্য খুব অনুকূল নয় বলেই মনে হচ্ছে।

কোনও এক পুরনো বই থেকে


ছবির ওপরে ক্লিক করে পূর্ণাকারে দেখুন।


শিশুদের চেয়ে ধর্ম বড়ো নয়


রাষ্ট্রনায়কেরা ও রাজনীতিবিদেরা সচরাচর ধর্মকে ঘাঁটাতে সাহস করেন না। বিশেষ করে রাষ্ট্রের নাগরিকেরা ধর্মপ্রবণ হলে।

আয়ারল্যান্ডের শতকরা ৭৩ জন ক্যাথলিক। সাম্প্রতিককালে সেখানে ক্রমবর্ধমান ধর্মউদাসীনতা লক্ষ্য করা গেলেও দেশের জনগণ এখনও যথেষ্টই ধর্মভীরু। তবু আয়ারল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী ক্যাথলিক চার্চের শিশুকামিতা এবং তা রোধ করতে চার্চের অনীহা ও গড়িমসিকে তীব্র ভাষায় আক্রমণ করেছেন। নিজেকে ধর্মপ্রাণ ক্যাথলিক হিসেবে পরিচয় দিয়ে তিনি খোদ ভ্যাটিকানের পোপের বক্তব্যের সরাসরি বিরোধিতা করে বলেছেন, আয়ারল্যান্ডের শিশুদের চার্চের হাত থেকে রক্ষা করতে প্রয়োগ করা হবে রাষ্ট্রীয় আইন, চার্চের আইন নয়। 

তাঁর বারো মিনিটের বক্তৃতার ভিডিও দেখুন এবং আন্দাজ করতে চেষ্টা করুন, আমাদের রাষ্ট্রনায়ক বা রাজনীতিবিদরা কি আদৌ কোনওদিন দেশের প্রধান ধর্মের ইতরামির বিপক্ষে বক্তব্য রাখার মতো সাহজ অর্জন করবে?


আসিতেছে শুভ মাস



নবী চরিত - ০২


লিখেছেন হৃদয়াকাশ 

নবী না লম্পট? 
(মুহম্মদ যেভাবে বিয়ে করলো ছেলের বউকে)

আমরা জানি, মুহম্মদের ডজনখানেক স্ত্রীর মধ্যে জয়নাব একজন। জয়নাব অন্যতম সুন্দরীও বটে। কিন্তু বাঙালি মুসলমানদের মধ্যে, আমার বিশ্বাস, শতকরা ৯২ জন জানে না যে, জয়নাব আগে ছিলো মুহম্মদের পালিত পুত্র জায়েদের স্ত্রী। আজ লিখবো সেই কাহিনি, যেভাবে মুহম্মদ, মুসলমানদের প্রিয় নবী, আল্লার দোস্ত, বিয়ে করলো তার পুত্রবধূকে। 

জয়নাব ছিলো মুহম্মদের ৬ নম্বর স্ত্রী। খাদিজা মারা যাওয়ায় জয়নাবের সতীন সংখ্যা ৪। তা সত্ত্বেও জয়নাব মুহম্মদকে বিয়ে করার জন্য আগে থেকেই মুখিয়ে ছিলো। কারণ, মুহম্মদ তখন উড়ে এসে জুড়ে ব‌সা মদীনার রাজা। আর রাজাকে বিয়ে করতে পারলে তো নিজেও রাণী। অনেক সুন্দরী মেয়ের মধ্যেই এরকম উচ্চাশা থাকে। যথেষ্ট সুন্দরী হওয়ায় এই উচ্চাশা ছিলো জয়নাবের মধ্যেও। তাই মুহম্মদ যখন জায়েদের জন্য জয়নাবের ভাইয়ের কাছে জয়নাবের বিয়ের প্রস্তাব নিয়ে যান; তখন জয়নাব বলেছিলো, কেন আমি এরকম একজন সাধারণ লোককে বিয়ে করবো? 

জয়নাব বিয়েতে রাজী না হওয়ায় মুহম্মদ দেখলেন, বিপদ; তাঁর মান-সম্মান তো আর থাকে না। তিনি আল্লার নবী, তিনি নিজের পালক পুত্রের বিয়ে নিয়ে একটা প্রস্তাব করেছেন। এখন সেই প্রস্তাব যদি প্রত্যাখাত হয় তাহলে তো তার নবীত্ব নিয়েও লোকজনের মধ্যে সন্দেহ উঠতে পারে। এই সমস্যা থেকে উত্তরণের জন্য তিনি ওহী নিয়ে এসে বললেন, জয়নাবের সঙ্গে জায়েদের বিয়ে হোক, এমনটাই আল্লাহর ইচ্ছা। ব্যস, সমস্যার সমাধান। জয়নাব আর টুঁ শব্দ করতে পারে না। 

জয়নাব আর জায়েদের বিয়ে হয়ে গেলো। কিন্তু এ বিয়ে নিয়ে সুখী ছিলো না জয়নাব। প্রথমত জয়নাব চায় নি জায়েদকে বিয়ে করতে। দ্বিতীয়ত জায়েদের মনে হয় কোনো যৌনসমস্যা ছিলো। জায়েদ সম্ভবত জয়নাবকে তৃপ্ত করতে পারতো না। এ ধারণাটি এ কারণে পোক্ত হয় যে, জয়নাব জায়েদের কোনো সম্তান ছিলো না। অথচ সেই সময় তো কোনো জন্ম নিরোধের ব্যবস্থা ছিলো না, তাই বিয়ের এক দেড় বছরের মধ্যেই মেয়েদের একটি বাচ্চা হওয়া বা গর্ভবতী হওয়া ছিলো স্বাভাবিক। কিন্তু জয়নাবের এমন কোনো ঘটনা ছিলো না। তাছাড়াও তালাকের পর ইদ্দত পালনের যে প্রথা, সেটাও মূলত তালাকপ্রাপ্তা অন্তঃসত্বা কি না, সে সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়ার জন্য। কিন্তু জয়নাবকে বিয়ের পূর্বে মুহম্মদ তাকে ইদ্দতকালীন সময় দিয়েছিলেন কি না, সে বিষয়ে কিছু জানা যায় না। হয়তো দেন নি। কারণ, স্ত্রীদের কাছ থেকে প্রাপ্ত গোপন খবরে মুহম্মদ ঠিকই জানতেন যে, জায়েদের দ্বারা জয়নাবের ও কাজ হবার সম্ভাবনা নেই। তাই ইদ্দতেরও দরকার নেই। 

যা হোক, উপযুক্ত দু'টি কারণেই সম্ভবত জয়নাব জায়েদের সংসার নিয়ে সুখী ছিলো না। এরই মধ্যেই যখন মুহম্মদ তাঁর বাড়ি এসে তাকে অর্ধনগ্ন অবস্থায় দেখে বলে ফেললেন, মহান আল্লাহ যিনি মানুষের মন পরিবর্তন করে দেন। তখন জয়নাবের আর কোনো সন্দেহ রইলো না যে, মুহম্মদ তাকে পেতে চান। এই সুযোগেই জয়নাব জায়েদের সঙ্গে শুরু করে তুমুল অশান্তি; শেষে জায়েদ তার পিতার কাছে গিয়ে বলতে বাধ্য হয়, আমি জয়নাবকে তালাক দিচ্ছি, আপনি ওকে বিয়ে করুন। কিন্তু লোকলজ্জার ভয়ে মুহম্মদ জায়েদের প্রস্তাব ফিরিয়ে দিয়ে বলেন, তোমরা সুখে সংসার কর। কিন্তু তারপরই আবার মুহম্মদের মনে হয়; না, মালটা বুঝি ফসকেই গেলো। এই সমস্যার সমাধান হিসেবে তিনি নিয়ে আসেন সেই ওহী, যাতে বলেন, তুমি লোকলজ্জার ভয় করছো, কিন্তু তোমার আল্লাহকেই ভয় করা উচিত... ইত্যাদি ইত্যাদি। যা হোক, মুহম্মদের রক্ষা কবচ ওহী আনার পর রাজার মতোই মুহম্মদ বললেন, এই কে আছিস, জয়নাবকে এই সুসংবাদটা দে। জয়নাব তো এই সুসংবাদের জন্য রেডিই ছিলো। ব্যস, এরপর জয়নাব মুহম্মদের বিছানায়। কিন্তু বিয়ের দাওয়াত খেতে এসে খাওয়া শেষ হলেও সাহাবীরা খোশগল্পের অজুহাতে মুহম্মদের বাড়ি ছেড়ে যায় না। অপেক্ষা করতে করতে মুহম্মদ অধৈয্য হয়ে পড়েন। বিছানায় তার নতুন শয্যাসঙ্গিনী। শেষে একরকম সাহাবীদের তাড়িয়ে দিয়ে তিনি জয়নাবের ঘরে গিয়ে দরজা বন্ধ করেন। 

ছোটবেলা থেকে আমি শুনে আসছিলাম যে, নবী চারটা বিয়ে করেছেন। এর কারণ একদিন আমাদের স্কুলের প্রধান শিক্ষককে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেছিলেন, এসব বিয়ে করেছিলেন ইসলামের প্রয়োজনে আর মুহম্মদের রূপ-সৌন্দর্যে মুগ্ধ হয়েও অনেক মেয়ে তাকে বিয়ে চাইতো, তাই তিনি তাদের বিয়ে করেছিলেন। 

তখন আমার কাছে এর আর কোনো জবাব ছিলো না। পরে জ্ঞান-বুদ্ধি বাড়ার পর মনে হলো, ইসলামের প্রয়োজন মানেই কি সব? পৃথিবী মানেই কি ইসলাম? ইসলামের প্রয়োজনের কথা বলেই কি একজন মানুষ যা খুশি তা করতে পারে? এর আরও পরে আমার স্টুপিড প্রধান শিক্ষকের* কথার সূত্র ধরে আমার আরও মনে হয়েছিলো, আমাকেও যদি ৪/৫ জন মেয়ে বিয়ে করতে চায়। আমি কি তাদের সবাইকে বিয়ে করতে পারি? এটা কি কোনো সভ্য ব্যবস্থার মধ্যে পড়ে? 

যৌনকাতর মুহম্মদের নারী লিপ্সাকে ঢাকতে আমার প্রধান শিক্ষকের মতো হুজুররা যতোই বলুক যে, মুহম্মদ একাধিক বিয়ে করেছিলেন বা করতে বাধ্য হয়েছিলেন আসলে ইসলামের প্রয়োজনে বা অসহায় মেয়েদের পুনর্বাসনের জন্য, এসব ডাহা মিথ্যা। মুহম্মদ বিয়ে করেছিলেন ১৪ জনকে, ২ জন ফুলটাইম দাসী ছিলো, আরও বিভিন্নভাবে তিনি ৬ জন মেয়ের দেহের স্বাদ নিয়েছিলেন- এসব স্রেফ কাম লালসার জন্য। এর পেছনে আর কোনো কারণ ছিলো না। আয়েশা বর্ণিত একটি হাদিসে আছে, মুহম্মদ এক রাতে একের পর এক ৯ জন স্ত্রী ও ২ জন দাসীর সঙ্গে সেক্স করতেন। এই ঘটনা কিসের নমুনা? এর পূর্বে আয়েশা নাকি আবার নবীর গায়ে আতর লাগিয়ে দিতো। আয়েশা হয়তো এটা খুশি মনেই করতো। কারণ, এরকম না হলে পুরা ঝড় তো তার উপর দিয়েও যেতে পারতো। যেহেতু সে নবীর প্রিয় স্ত্রী, বয়সে কচি। ঐ বয়সে কি সে অত অত্যাচার সহ্য করতে পারতো ? তাই আতর লাগিয়ে নবীকে অন্য ঘরে পাঠিয়ে আয়েশা হয়তো একটু শান্তিতে ঘুমাতে চাইতো। 

* প্রধান শিক্ষককে স্টুপিড বলার কারণ, পরে বড় হয়ে বুঝতে পেরেছি তিনি আমাদের যা শিখিয়েছিলেন তার বেশিরভাগই ছিলো ভুল।

মডারেডিক্যাল (মডারেট + র‍্যাডিক্যাল) মুসলিম


কার্টুনের সংলাপ: কৌস্তুভ


২৪ জুলাই, ২০১১

বিশ্বাস in nothing


নাস্তিকেরা কোনওকিছুতেই বিশ্বাস করে না - এই ঘ্যানরঘ্যানর শুনতে শুনতে কান ঝালাপালা!

আমার অতি প্রিয় খ্যাপা ইউটিউবার CultOfDusty এই ভুয়া অভিযোগ খণ্ডন করে বরং উল্টো প্রমাণ করেছেন, ধর্মবিশ্বাসীরাই বরং believe in nothing. 

অতীব উপভোগ্য ও অবশ্যদ্রষ্টব্য পাঁচ মিনিটের ভিডিও। 



বেফাঁস স্বীকারোক্তি


মাঝেমধ্যে ধর্মবাজেরা ভুল করে নিজেদের অজান্তে বেফাঁস কিছু স্বীকারোক্তি করে ফেলে।


ইছলামী বিজ্ঞানের দৃষ্টিতে এইডসের কারণ


ইছলামী বিজ্ঞান কতোটা অগ্রসর, তা সম্পর্কে তথাকথিত বিজ্ঞানীরা খবর রাখে না। কোরান থেকে চুরি করে তারা অনেক আবিষ্কার নিজেদের বলে দাবি করেছে বটে, তবে কোরানের গভীরতম তাফসির তাদের জানার কথা নয়। ব্যাটাদের ঘটে বুদ্ধি থাকলে অযথা গুচ্ছের মোটা-মোটা বই পড়ে সময় নষ্ট না করে শুধু কোরান নিয়ে পড়ে থাকলে নিত্যনতুন আবিষ্কার তারা করতে তো পারতোই, এছাড়া বাড়তি হিসেবে পেতো অগণ্য ছওয়াব। গাধার দল সব!

এদিকে ইছলামী বিজ্ঞানীরা শুধু কোরান ব্যবহার করে বিজ্ঞানের সর্ব শাখায় অপ্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে নিজেদেরকে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হয়েছে। নিশ্চয়ই আল্লাহপাক মুসলিমদের প্রতি প্রবলভাবে পক্ষপাতী। 

এই যেমন, ভয়াবহ রোগ এইডসের উৎপত্তির কারণ সম্পর্কে ভুয়া বিজ্ঞানীদের ভুলভাল অনেক কথাই আপনার শুনেছেন। কিন্তু এর প্রকৃত কারণ উদঘাটন করেছেন ইছলামী বিজ্ঞানীরাই: নারীর জরায়ুতে একাধিক পুরুষের বীর্যের সংমিশ্রনে এইডস হয়। 

থাবা বাবা'র পাঠানো এই লিংকে আরও কিছু অমূল্য ও অভূতপূর্ব জ্ঞানের সন্ধান আপনারা পাবেন। আর জ্ঞানার্জনের জন্য শুধু চীন কেন, যে কোনও লিংকে যাওয়া যেতে পারে - হাদিসের আপডেটেড ভার্শনে নবীজি এ কথা বলেছেন। 

অঙ্কন শিক্ষা



তোমায় যদি চালায় দ্বীন > দোয়ার তোড়ে পালায় জ্বীন


আপনার-আমার কাছে তা যতো হাস্যোদ্রেককারীই মনে হোক না কেন, ঈমানদার মুসলিম জ্বীনে বিশ্বাস করে। কোরানে যেহেতু আস্ত একখানা সুরাই আছে আল-জ্বীন নামে, তাই জ্বীনের অস্তিত্বের কথা অস্বীকার করার কথা ভাবতেও পারে না মোমিন মুসলমান। 

তবে অন্যদের বিশ্বাস উৎকট হলেই সেটা নিয়ে হাসাহাসি করতে হবে নাকি! ধর্মকারীর এই চরিত্রটা বদলানো আবশ্যক হয়ে পড়েছে। আসুন, শুরু করা যাক: এই ভিডিও দেখে আমরা একদম হাসবো না।


এবার দৃশ্যপটে খ্রিষ্টান জঙ্গি


সন্ত্রাসবাদকে ইসলামী জঙ্গিরা এমন এক উচ্চতায় নিয়ে গেছে যে, আধুনিক যুগে "সন্ত্রাসবাদ" শব্দটি উচ্চারণ করলেই অবধারিতভাবে তা "ইসলামী" বলে মনে হয় । সন্ত্রাসবাদ ইসলাম বাদ দিয়ে কল্পনা করা দুরূহ হয়ে পড়েছে ইদানীং। তবে ইসলামীদের এই একচ্ছত্র আধিপত্যে কিঞ্চিৎ আঁচড় কাটতে সক্ষম হয়েছে এক খ্রিষ্টান জঙ্গি। 


নরওয়েতে সংঘটিত সন্ত্রাসী হামলা চালিয়েছে যে খ্রিষ্ট অনুসারী, তার সম্পর্কে পড়ুন এখানে

প্রসঙ্গত, "জঙ্গি নাস্তিক" শব্দবন্ধটি ব্যবহার করতে শুনি যাঁদের, সেই মহোদয়দের একটি কথা ভেবে দেখতে বলি: নাস্তিক্যবাদের নামে রক্তপাত ঘটিয়েছে কোনও নাস্তিক, এমন অন্তত একটি উদাহরণ দেখাতে না পারলেও নাস্তিকদেরকে ধর্মীয় জঙ্গিদের কাতারভুক্ত করে আপনারা বস্তুত নিজেদেরকেই স্থূলদর্শী ও জড়বুদ্ধিসম্পন্নদের কাতারভুক্ত করে ফেলছেন না কি?

* লিংক কৃতজ্ঞতা: রিফাত

ধর্মীয় নৈতিকতার নিদর্শন