রবিবার, ৩১ জুলাই, ২০১১

এমুন ভালুবাসার দর্কার নাই



ধর্মাতুল কৌতুকিম – ২৮


৭৬. 
এক লোকের বৌয়ের খুব সখ ছেলেকে মাদ্রাসায় পড়িয়ে আলেম বানাবে! তা সে বৌয়ের কথা ফেলতে না পেরে ছেলেকে মাদ্রাসায় পড়িয়ে আলেম বানিয়ে আনলো! আলেম ছেলে পড়া শেষ করে বাড়ী ফেরার পর একদিন সে ছেলেকে নিয়ে বাজারে যাচ্ছে! রাস্তায় বাপকে ঝোপের পাসে বসে পড়তে দেখে বলল, "কেবলার দিকে বইসা মুতা হারাম", শুনে বাপ একটু ঘুরে বসলো, দেখে ছেলে আবার বলল "উত্তরে মুর্দার মাথা দেয়"! বাপ আবার ঘুরে বসলো, ছেলে আবার বলল "কেবলার দিকে পিঠ দিয়ে মুতা মাকরুহ"!
এইবার বাপ গেল রেগে, "আগেই কৈছিলাম মাদ্রাসায় দেয়ার দরকার নাই! অহন কি না মুইত্যা মরুম নাকি"!!!
(পাঠিয়েছেন থাবা বাবা

৭৭. 
এক মহিলা তার ডাক্তার বন্ধুর সাথে প্রেম চালাচ্ছিল, কিন্তু বেশিদিন হওয়ার আগেই সে গর্ভবতী হয়ে গেল । তো, নয় মাসের সময় ডেলিভারির জন্য সে যখন হাসপাতালে ভর্তি হল অপারেশনের জন্য , তখনি এক পাদ্রিও তার প্রস্টেট (Prostate) অপারেশনের জন্য ভর্তি হলো, ডাক্তার তখন তার বান্ধবীকে বলল, ''আমরা পাদ্রীর অপারেশনের পর বলব যে এই বাচ্চাটা আপনার !! '

বান্ধবী বলল, ''কী বল এইসব! সে কি বিশ্বাস করবে?''

ডাক্তার বলল, ''করতেই হবে, কারণ তাকে বলব, এটা একটা মিরাকল।''

তো, নির্দিষ্ট দিনে পাদ্রীর প্রস্টেট অপারেশন হয়ে গেল ... তার পরই বান্ধবীর ডেলিভারিও হলো, ডাক্তার বাচ্চাটা পাদ্রীর কাছে নিয়ে গিয়ে বলল, ''ফাদার, এই নিন আপনার বাচ্চা।''

পাদ্রী তো খুব আশ্চর্য হলেন, বললেন ''এ কীভাবে সম্ভব? ''

ডাক্তার বলল, '' ফাদার , আশ্চর্য আমরাও হয়েছি, এটা একটা মিরাকল ... খুব কমই ঘটে।''

পাদ্রী আর কিছু বললেন না।

প্রায় ১৫ বছর হয়ে গিয়েছে এর মাঝেই , বাচ্চাটাও বড় হয়ে গেছে। একদিন পাদ্রী বাচ্চাটাকে ডাকলেন, বললেন ''তোমাকে কিছু গোপনীয় কথা বলার আছে ... আমি আসলে তোমার বাবা নই !'' 

বাচ্চাটা খুব অবাক হয়ে বলল, ''মানে? তুমি আমার বাবা না?''

পাদ্রী গম্ভীর স্বরে বললেন, "না। আমি তোমার মা, আর্চবিশপ তোমার আসল বাবা।
(পাঠিয়েছেন অন্য কেউ

৭৮. 
– অক্টোপাস ও হাতির সংকর করলে কী পাওয়া যায়?
- হিন্দু দেবতা। 

ধন্যবাদ শুধু তারই প্রাপ্য



রমজান মাসে প্রাণ খুলে হাসে নির্ধর্মীর দল


রমজান, রোজা, ইফতার, তারাবি, সাতাশে রোজা, কোরান খতম - কোনওকিছুই পচাতে বাকি রাখেনি এক বদ। ভিডিওতে দ্বৈত চরিত্রে অভিনয় করা এই ছেলের চেহারা, ভাবভঙ্গি এবং কথার ধরনে তাকে মুসলিম বংশজাত বলেই মনে হলো।  

আট মিনিটের অনাবিল আনন্দ। 

চিজাস-এর অনুসারী



দুই ধর্মের মানুষের বিয়ে


আজকের ইত্তেফাকে প্রথম পাতায় প্রকাশিত একটি নিবন্ধ প্রীতিকর বিস্ময় জাগালো আমার মনে। ধর্মের চেয়ে মানুষ বড়ো - এই বার্তাটিই দেয়া হয়েছে তাতে। কিন্তু নিবন্ধটি পড়ে যতোটা প্রফুল্ল বোধ করলাম, তার চেয়ে অনেক বেশি বিষাদগ্রস্ত হলাম পাঠকদের মন্তব্যে। কয়েকটি মন্তব্য লেখার শেষে উদ্ধৃত করেছি। 


লেখক: রফিকুল বাসার ।
০০ নিজ নিজ ধর্মীয় বিশ্বাস অটুট রেখে সংসার করছেন অনেক দম্পতি
০০ বেড়ে উঠছে নতুন একটি প্রজন্ম, যাদের উত্তরাধিকার সূত্রে ধর্মীয় কোন পরিচয় নেই
০০ এটাকে সমাজের অনেক বড় পরিবর্তন বলছেন সমাজবিজ্ঞানীরা

ধর্ম পরিবর্তন না করেই দু’টি ভিন্ন ধর্মাবলম্বী মানুষের মধ্যে বিয়ের ঘটনা বাড়ছে। একই ধর্মের দু’জন বিয়ে করে ঘর সংসার করতে হবে এমন ধারণা থেকে বের হয়ে আসছেন অনেকেই। দুই ধর্মের দু’জন তাদের নিজ নিজ ধর্মীয় বিশ্বাস ঠিক রেখে বিয়ে করছেন। আচার-আচরণ পালন করছেন যে যার বিশ্বাস মত। এভাবে দেশের আইন অনুযায়ী বিয়ে করে সংসার করছেন অসংখ্য দম্পতি। ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে এ ধরনের জুটি এখন অনেক। আর এই বিয়ের ফলে বেড়ে উঠছে নতুন একটি প্রজন্ম। যারা উত্তরাধিকার সূত্রে কোন ধর্মীয় পরিচয় বহন করছেন না। আধুনিক সমাজে সেটা প্রয়োজনও মনে করছেন না অনেকে। এই উত্তরাধিকারীদের মধ্যে আবার কেউ কেউ নিজেই একটি ধর্ম বেছে নিচ্ছেন। আবার কেউ কেউ ধর্ম বিশ্বাস থেকে সরে আসছেন। তবে রাষ্ট্র আইন করে এমন বিয়ের ব্যবস্থা করলেও এইসব পরিবারের সম্পত্তি বন্টনের জন্য কোন আইন নেই।

সমাজ বিজ্ঞানীরা বলছেন, এটা সমাজের অনেক বড় পরিবর্তন। স্বাধীন সার্বভৌম দেশে সকলেই তার মত প্রকাশে স্বাধীনতা ভোগ করতে পারে। নানা মতের, ধর্মের মানুষ এক সাথে বসবাস করবে এটাইতো গণতন্ত্র। আদর্শ সমাজ। বাংলাদেশের বিশেষ বিবাহ আইন ১৮৭২ (সংশোধিত ২০০৭) অনুযায়ী এই বিয়ে হচ্ছে। এই আইন অনুযায়ী, একজন মুসলমান, হিন্দু, খ্রীষ্টান, বৌদ্ধ, শিখ, ইহুদি বা অন্য যে কোন ধর্মের যে কেউ যে কারো সাথে বিয়ে করতে পারবে। ধর্মের পরিবর্তন করা প্রয়োজন হবে না। অথবা দু’জনই ধর্মীয় বিশ্বাস বাদ দিয়ে বিয়ে করতে পারবে। অথবা একজন অন্যজনের ধর্ম মেনে নিতে পারবে। তবে নাবালকের সাথে কেউ বিয়ে করতে পারবে না। আইন অনুযায়ী এই বিয়ে রেজিষ্ট্রি করার জন্য সরকার একজনকে নিয়োগ দিয়েছে। বাংলাদেশে একজনই এই বিয়ে পড়িয়ে থাকেন।প্রায় প্রতিমাসেই এই বিয়ে হচ্ছে। গত কয়েক বছরে এই বিয়ের হার বেড়েছে। ১৯৮৩ সাল থেকে এপর্যন্ত এক হিসেবে দেখা গেছে, প্রায় ৫০০ দম্পত্তি কোন ধর্ম পরিবর্তন না করেই এমন বিয়ে করেছেন। এদের মধ্যে ছেলে হিন্দু, মেয়ে মুসলমান। কিম্বা ছেলে মুসলমান, মেয়ে হিন্দু ধর্মে বিশ্বাসী। অনেকে আছেন আবেগে বিয়ে করছেন। অনেকে জেনে বুঝে গন্ডি ভাঙ্গার তাগিদে। অনেক পরিবার আছে এই বিয়ে মেনে নিচ্ছেন, আবার অনেক পরিবার আছে যারা মানছেন না।ঈশান, নৈর্ঋত, নৈতিক। তিন ভাই। ওদের বাবা হিন্দু, মা মুসলমান। বাবা ব্যবসায় করেন, মা চাকরি। তিন ভাইই বয়সে এখনো ছোট। ধর্মীয় পরিচয়ের বাইরে ওদেরকে মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে চায় ওদের বাবা-মা। ধর্মীয় পরিচয় ছাড়াই ওরা এই সমাজে বেড়ে উঠছে। 

হাজার বছর ধরে



মোক্ষম মুগুর


নাস্তিকদের নিয়ে নানাবিধ অমূলক ধারণা ও কথা প্রচার করা হয়ে থাকে। সেই নিরলস অপপ্রচারের অ-সা-ধা-র-ণ জবাব দিয়েছেন ইউটিউবার StopSpamming1.

একেবারে মোক্ষম মুগুর।

শনিবার, ৩০ জুলাই, ২০১১

সিলমোহর


একটি বিদেশী কার্টুন রূপান্তর করে পাঠিয়েছেন গজব-এ-এলাহী


প্রিয় পুরনো পোস্টগুলো – ৬০


ধর্মকারীতে পোস্টের সংখ্যা ঊনত্রিশশো ছাড়িয়ে গেছে। এই সাইটের খোঁজ যেসব পাঠক সম্প্রতি পেয়েছেন বা ভবিষ্যতে পাবেন, তাঁদের পক্ষে আগে প্রকাশিত মজাদার পোস্টগুলো খুঁজে নেয়া ব্যাপক শ্রম- ও সময়সাধ্য ব্যাপার হবে ভেবেই হারানো-দিনের-পোস্ট ধরনের এই সিরিজের অবতারণা। পুরনো পাপীরাও এই সুযোগে স্মৃতিচারণ করে নিতে পারেন 

প্রতি পর্বে আমার বিশেষ প্রিয় পাঁচটি পোস্টের লিংক দেবো সংক্ষিপ্ত বর্ণনাসহ। শুরু করেছি ধর্মকারীর আদিকাল থেকে।

২. ভণ্ডামি (সংবাদ, ভিডিও) 
৩. কানাগলি (ছবি) 
৪. সৃষ্টিবাদের গুষ্টি বাদ (রিচার্ড ডকিন্সের ভিডিও)
৫. ধর্ষক-ইন্টারনেট (ধর্মকারীতে cultofdusty-র প্রথম ভিডিও)

আগের পর্বগুলো দেখতে নিচের "কাসুন্দি" ট্যাগে ক্লিক করুন। 

নানাবিধ নাম



ঐশীগ্রন্থগুলো অনৈতিক


আমি সচরাচর গুরুগম্ভীর তত্ত্বপূর্ণ দীর্ঘ বক্তব্য শুনতে পছন্দ করি না, পছন্দ করি না পড়তেও। তাই ঐশীগ্রন্থের নৈতিকতা নিয়ে নির্মিত চোদ্দ মিনিটের ভিডিওর শুরুটি দেখে শেষ পর্যন্ত দেখতে পারবো ভাবিনি। কিন্তু কী যে মুগ্ধতা নিয়ে দেখেছি পুরো ভিডিওটা! যেমন মনকাড়া, যুক্তিময় বক্তব্য, মৃদুকণ্ঠের কথন, তেমনি দুর্দান্ত ভিডিও-সঙ্গৎ। 

মতপ্রকাশের স্বাধীনতা



হ্রস্বরসবাক্যবাণ – ১৫


১.
যুক্তির যেখানে সমাপ্তি, সেখানেই ধর্মের সূচনা।

২.
ধর্ম হওয়া উচিত যৌনাঙ্গের মতো, যা জনসমক্ষে প্রদর্শন অশালীন এবং শিশুদের ব্যবহার্য নয়।

৩. 
আল্লাহ থাকতে শয়তানের কী দরকার? 

* সবগুলোই সংগৃহীত।

টুপি কি চিন্তানিয়ন্ত্রক?



তারা আমগোরে দেকতারে না


আমেরিকায় (এবং, খুব সম্ভব, পৃথিবীর অধিকাংশ দেশেই) সবচেয়ে অহিংস, সবচেয়ে সহিষ্ণু, সবচেয়ে মেধাবী এবং সবচেয়ে প্রগতিশীল জনগোষ্ঠী হচ্ছে  নাস্তিকেরা, তবে একই সঙ্গে তারা সে দেশে সবচেয়ে ঘৃণিত এবং সবচেয়ে সন্দেহভাজনও। 

না, কারুর মনগড়া কথা নয় এসব। সাড়ে সাত মিনিটের ভিডিও-সংকলনে দেখুন। 

শুক্রবার, ২৯ জুলাই, ২০১১

ইসলাম নারীকে মুক্তি দিয়েছে



নবীজির বিধান শুধু শিরোধার্যই নয়, শিশ্নধার্যও


লিখেছেন Suirauqa

হালায় চৌদি আজবের মুমিন ভাইবন্ধু আবার রে রে কইর‍্যা খবরে আইস্যা পড়ছে রে! অহন কী হইব, খোদায় মালুম। বিষয়টা অবশ্যই আপ্নাগো অজানা নয় - সেই শিশুকামিতা, যারে চৌদি দেশে আদর কইর‍্যা কয় ইছলামী শিশুবিবাহ। ডক্টর সালিহ বিন ফওজান, নামজাদা মোল্লা এবং চৌদি আজবের সর্বোচ্চ ধর্মীয় কাউন্সিল-এর (অ)সভ্য, সদ্য ফতোয়া জারি করসে যে সাদি করনের লেইগ্যা কোন নিম্নতম বয়স নাই, এবং মহিলা/শিশুকন্যাগো সাদি দিয়া দেওন যাইব, তাগো দোলনায় শুইয়্যা থাকনের বয়স হইলেও (ইভেন ইফ দে আর ইন দি ক্রেইডল)। ১৩ই জুলাই-এর খবরে প্রকাশিত, ফতোয়ায় কইতাসে যে সংবাদমাধ্যম এবং সাংবাদিকেরা আইজকাল বড়ই বাড়াবাড়ি শুরু করসে, পবিত্র শরিয়া আইনের কুনও কথা মানতাসে না। এর ফলে সমাজের সমূহ বিপদের সম্ভাবনা। ফওজানের ঘোর বিশ্বাস কোরআন ৬৫-৪ এর উপ্রে, যেইহানে নাকি অনার্তবা (প্রি-পিউবেসেন্ট) শিশুকন্যাদেরও বিয়া দেওনের কথা আছে; হালার সামনে তো দারুণ উদাহরণ আছেই, আইশার গপ্প তো আপ্নাগো আর কিইবা কমু নতুন কইর‍্যা। লিখতে গিয়াও খারাপ লাগে, বাকিটা লিঙ্ক থিক্যা পইড়্যা নেন। 

লিঙ্ক-এ লেখক এই প্রশ্ন তুলছে যা খুবই তাৎপর্যপূর্ণ: ইছলামী ধর্মীয় প্রবক্তারাই - যাদের কিনা সরাসরি মৌলবাদী বা আতঙ্কবাদী কওন যাইব না - সমানে শরিয়ার অসভ্যতার প্রচার করে চলেন; এটা কেন? এই ফতোয়ার হপ্তাখানেক আগে কুয়েতের এক মহিলা রাজনৈতিক নেত্রী যৌন-দাসত্বকে সংস্থায়িত করার সপক্ষে জোরাল সওয়াল করছে এই বইল্যা যে, মুমিন ভাইগণের উচিত চেচেন যুদ্ধবন্দী মহিলাদের কেনা-বেচা করা। মিশরের এক জনপ্রিয় ধর্মগরু একই কথা কইসে, আরও কইসে যে ইছলামের দারিদ্র্য দূর করনের একমাত্র উপায় হইল জিহাদ কইর‍্যা অমুসলমানদিগের জীবন আর সম্পত্তি লুইট্যা-পুইট্যা নেওন। লেখক এর ব্যাখ্যা দিসে যে এহেন ব্যবহার সপ্তম শতাব্দীর এক আরব নেতার পক্ষে একদমই জায়েজ। মুশকিল হইল, সেই একই ব্যবহার হালার মুমিন ভাইবন্ধু একবিংশ শতাব্দীতেও চালাইতে চায়। এইগুলারে কি কওন যায়, কন দেহি?

Suirauqa ভাই বুঝে না যে, নবীজির বিধান খালি শিরোধার্যই না, শিশ্নধার্যও। 


যাই হোক, ধর্মকারীতে এক সপ্তাহ আগেই আরেক চৌদি ইছলামবাজের ভিডু দিসিলাম। সেখানেও তিনি এই কথাই জোর দিয়া এরশাদ করতেসেন যে, ইছলামে বিয়ার নিম্নতম বয়স বইলা কিছু নাই

বসিয়া বিজনে


পাঠিয়েছেন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পাঠক।


আহা! ধর্ম যদি সত্যি চিন্তা করতে শেখাতো!

অস্ট্রেলিয়াবাসী যিশু


যিশু ফিরে এসেছে এবং সে এখন বাস করছে অস্ট্রেলিয়ায়। কিছু ভেড়ার পালও অনুসারীও জুটে গেছে তার। শুনে হাসি পেলো? আপনি নির্ধর্মী হলে হাসতেই পারেন। তবে ধর্মবিশ্বাসী কেউ হাসার আগে একটু ভেবে দেখলেই বুঝবেন, আপনার ধর্মের নবীর দাবি এই নব্যযিশুর দাবির মতোই ভুয়া ও ভিত্তিহীন। এই দুইয়ে কোনও পার্থক্যই নেই।

পাঁচ মিনিটের ভিডিও।  

নরক নষ্ট নাস্তিকদের জন্য



যদি বিশ্বাস করো বন্ধু তুমি, অন্ধ করো চোখ


লিখেছেন আখতারুজ্জামান আজাদ

যদি বিশ্বাস করো বন্ধু তুমি,
অন্ধ করো চোখ;
খামচে ধরো কলজে আমার,
হিংস্র করো নোখ!
বন্ধ করো প্রশ্লাবলি,
বিশ্বাস করো অতল;
অবিশ্বাসীর জিভ কেটে দাও,
জলদি করো কতল!
পৈতা দিয়ে বেঁধে রাখো
শক্ত করে মন-দেহ;
রুদ্ধ করো জিজ্ঞাসাকে,
রুদ্ধ করো সন্দেহ!

যদি বিশ্বাস করো বন্ধু তুমি,
বন্ধ করো কান;
বন্ধ করো বাদ্যবাজন,
বিটোফেনের তান!
গানের পাখি ডাকলে তোমায়
প্রেমের ডাকে শিস দিয়ে;
জামাত বেঁধে ধরো তাকে,
হত্যা করো বিষ দিয়ে!
কতল করো গায়ক-বাদক,
কতল করো সুর তাদের;
তামাম জাহান কেবল তোমার,
নহে কাফের-মুরতাদের!

বিজ্ঞানই শ্রেয়



মনীষীদের ঈশ্বরভাবনা


পঞ্চাশজন খ্যাতিমান মনীষী কী ভাবেন "ঈশ্বর" নিয়ে? তাঁদের সেই ভাবনার সংকলন এই ভিডিও। চৌত্রিশ মিনিট দীর্ঘ, তবে অবশ্যদ্রষ্টব্য ও সংগ্রহে রাখার মতো। 

মনীষীদের তালিকা: 

বৃহষ্পতিবার, ২৮ জুলাই, ২০১১

নব্য পন্থা



ওপরের ছবিতে যেমন দেখছেন, ঠিক প্রায় তেমনটাই ঘটেছে আফগানিস্তানে। কান্দাহারের মেয়রকে হত্যা করেছে এক আত্মঘাতী শহীদ। সে বোমা লুকিয়ে রেখেছিল তার পাগড়ির তলায়। 

অসময়ে এলো ডাক



প্যাট্রিক কন্ডেল: আমাদের লোক – ৪১


নরওয়ের মর্মান্তিক ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে প্যাট কন্ডেলের প্রতিক্রিয়া। বরাবরের চেয়ে আরও বেশি স্পষ্ট ও দৃঢ়তর। 

অডিও ভার্শন এখানে (১.৩ মেগাবাইট)। 

ভিডিও ট্র্যান্সক্রিপ্ট প্রায় পুরোটাই তুলে দিচ্ছি:

The Norwegian murderer has shown himself to be as much an enemy of humanity as any jihadist. Indeed, he is a jihadist by any other name.

He claims there's a war going on, and there certainly is - a war between civilised people and violent barbarians like him.

... violence will never prevail because it will never win the hearts and minds of the people...

Violence is not the answer. It's never the answer. And we will never progress as a species until we drag ourselves out of this swamp of violence. And that's why anyone who uses
or who advocates violence for any political reason is my enemy. No exceptions.

বি-বিহীন আমেরিকা



ইসলামী ইতরামি: অর্ধ ডজন


১.
শান্তিময় ও মানবতাবাদী কোরানে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা আছে, ইহুদিরা মুসলিমদের সবচেয়ে বড়ো শত্রু ("... সব মানুষের চাইতে মুসলমানদের অধিক শত্রু ইহুদী..." - সুরা ৫.৮২), আর তাই ইহুদি স্কুলের সামনে ট্র্যাফিক জ্যামে আটকে পড়া মোমিন মুসলিম ট্যাক্সি ড্রাইভার "সব ইহুদি নিপাত যাক" বলে চিৎকার করে ছওয়াব হাছিল করার চেষ্টা করলে সেটাকে দোষ দেয়া যায় কি? 

২. 
রাশিয়ার দাগেস্তান অঞ্চলের উগ্রবাদ বিরোধী প্রচারণার অন্যতম প্রধানের গাড়ি বহরে হামলা চালিয়ে দু'জনকে হত্যা করেছে ইসলামী জঙ্গিরা। পরে নিজস্ব ওয়েব সাইটে তারা ঘোষণা দিয়েছে: "দু'জন কাফেরকে হত্যা করা হয়েছে।"

৩. 
ধর্মীয় সন্ত্রাস ও উগ্রবাদ নিয়ে মিডিয়া বেশি মাথা ঘামায় বলে রাশিয়ার প্রধান মুফতির ব্যাপক মাথাব্যথা। "কোথাও একটা বোমা ফুটলো, অমনি মিডিয়ায় অন্তত দুই দিন ধরে এ নিয়ে ঘণ্টায় ঘণ্টায় আলোচনা," অভিযোগ করে বলেছেন তিনি। নিশ্চয়ই সন্ত্রাসী ঘটনার কাভারেজ না করে মিডিয়ার উচিত দিবারাত্র কোরান তেলওয়াত ও হামদ-নাত পরিবেশন করা।

৪. 
বোমা তৈরি করা শেখাতে গিয়ে বিস্ফোরণে বোমা-শিক্ষকের মুত্যুর সংবাদটি মনে আছে? ঘটনাটি ঘটেছিল ইন্দোনেশিয়ার আবাসিক মাদ্রাসায়। তো পরে সেই হস্টেলে অনুসন্ধান চালিয়ে মাত্র দুই ডজন বোমা উদ্ধার করা হয়েছে।

৫. 
এসএমএস-এ ব্ল্যাসফিমাস বক্তব্য পাঠানোর দায়ে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়েছে এক ব্যক্তিকে। ঘটনা পাকিস্তানে।

৬.
বাংলা ব্লগপরিমণ্ডলের ছাগুকুলশিরোমণি "ত্রিভুজ" তাঁর নিক বদলাবেন কি? প্রশ্নটি মাথায় এলো নিচের খবরটি পড়ে।
খবরটি হয়তো অনেকেই জেনে গেছেন। নাহলে জেনে রাখুন, সমুচা একটি অনৈসলামিক খাবার। কারণ সেটির ত্রিভুজাকৃতি খ্রিষ্টধর্মে উল্লেখিত পবিত্র ট্রিনিটি-র কথা মনে করিয়ে দেয়। সোমালিয়ায় ইসলামী আল-শাবাব গ্রুপ মাইকে ঘোষণা দিয়ে সমুচা নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে। এর পরে স্কুলে জ্যামিতি ক্লাসে ত্রিভুজ অঙ্কন তথা ত্রিকোণমিতিও নিষিদ্ধ হবে কি না, তা এখনও জানা যায়নি। 

মুসলিম জাহানে কার্টুনাতঙ্ক - ১৩



ট্যাপ থেকে পড়ে মদ


যিশু পানিকে মদে পরিণত করেছিল বলে দাবি করা হয় বাইবেলে। আধুনিক এক যিশু সেই কাজটি আবার করে দেখালো। অত্যন্ত উপভোগ্য ভিডিও। এক মিনিট দীর্ঘ।

পূর্বে ও পরে



বুধবার, ২৭ জুলাই, ২০১১

দু'টি সুলিংক


১.
পাস্তাফারিয়ানিজম কি আমেরিকায় ধর্ম হিসেবে স্বীকৃতি পেয়ে গেল? এক নাছোড়বান্দা নাস্তিক সামরিক বাহিনীতে থাকার সময় তাঁর পরিচয়পত্রে ধর্মবিশ্বাসের জায়গায় লিখিয়ে নিতে পেরেছেন "নাস্তিক্যবাদ / এফএসএম" অর্থাৎ ফ্লাইং স্প্যাগেটি মন্সটার। কম্বিনেশনটা ঠিক সঠিক হয়নি অবশ্য। কারণও আছে। সেই ব্যক্তি ধর্মের নাম এফএসএম লিখতে চেয়েছিলেন বটে, আবার "নাস্তিক্যবাদ" বাদ দিতেও মন সরেনি তাঁর। তাই এই উদ্ভট কম্বিনেশন। তবে আসল কথা হলো, এফএসএম নামের প্যারোডি ধর্ম অফিসিয়াল পরিচয়পত্রে স্থান করে নিতে পেরেছে। অবশ্য ভিন্নভাবে ভেবে দেখলে বলতেই হবে, তথাকথিত ধর্মগুলোর ভিত্তি ও বিশ্বাসযোগ্যতা এফএসএম-এর চেয়ে এক বিন্দুও বেশি নয়।

ওপরের ঘটনার নিয়ে খুউবই মজাদার লেখার এই লিংক পাঠিয়েছেন Suirauqa

২. 
বর্তমানে বিশ্বজুড়ে নির্ধর্মের প্রসার বড়োই আশাব্যঞ্জক বলে আমি মনে করি। কয়েক বছর আগেও নির্ধর্মের কোনও প্ল্যাটফর্ম ছিলো না। এখন আছে পরাক্রমশালী ইন্টারনেট, যেখানে নির্ধর্মীদের ক্রমবর্ধমান দাপট চোখ এড়িয়ে যাবার মতো নয়। এখন থেকে প্রতি পরবর্তী প্রজন্ম পূর্ববর্তী প্রজন্মের চেয়ে ধর্মবিমুখতর হবে, এতে কোনও সন্দেহই নেই। এবং ধর্মবিমুখতার সূচকটি ঊর্ধ্বমুখী থাকবেই। 

এ বিষয়ে ওয়াশিংটন পোস্টে প্রকাশিত খুবই চমৎকার একটা লেখা। 

* পোস্টের নামকরণে ব্যবহার করলাম বানানো শব্দ "সুলিংক" ("সুনীতি" যেমন); আবার একই ভাবে খারাপ কোনও সংবাদ বা ম্যাটরিয়ালের লিংককে "দুর্লিংক"ও বলা যাবে। 

ধর্মের সবচেয়ে অসহায় শিকার শিশুরা



ঠিক যেন ওপরের কার্টুনের প্রতিফলন ঘটেছে বাস্তবে। শিশুদেরকে ক্যান্ডির প্রলোভন দেখিয়ে খ্রিষ্টের পথে আনার চেষ্টা করেছে চার্চের লোকজন, তবে সেটার প্রবল বিরোধিতা করেছেন এক বালিকার মা। 

বিস্তারিত খবর ও ভিডিও এই লিংকে। 

নিঃশয়তান হবার চার্চীয় পদ্ধতি


অন্ধবিশ্বাস মানুষকে কোন অসুস্থ পর্যায়ে নিয়ে যায়, তার আরও একটি নিদর্শন।

সব মানুষের ভেতরেই নাকি শয়তান বা অশুভ শক্তি বাস করে। তো সেই শয়তান থেকে নিষ্কৃতি পাবার ব্যবস্থা আছে নিউ ইয়র্কের এক চার্চে। সেখানে উৎকট উপায়ে শয়তানকে শরীর থেকে বের করে ফেলা হয়। পদ্ধতিটি দেখে মনে হলো, শয়তান বেরিয়ে আসে মুখ দিয়ে। এর মানে কি এই দাঁড়ায় না যে, শয়তান বাস করে আমাদের পেটে? তাহলে মুখের বদলে বিকল্প বহির্গমন পথটি ব্যবহার করলে সেটাই কি শয়তানের জন্য বেশি উপযুক্ত হতো না? 

আবালীয় কাণ্ডকারখানার ভিডিও দেখুন এই লিংকে গিয়ে। 

চিন্তার অপ্রয়োজনীয়তা



বৌদ্ধ মন্দিরেও শিশুকামিতা


উপাসনালয় মানেই সেখানে কোনও না কোনওভাবে অসৎকর্ম সাধিত হয়। মুসলিমদের মসজিদ, খ্রিষ্টানদের চার্চ, হিন্দুদের মন্দির এ ব্যাপারে বিশেষভাবে অগ্রগণ্য। তাই বলে তথাকথিত নিরীহ ধর্ম হিসেবে প্রচারিত বৌদ্ধ ধর্মের উপাসনালয় প্যাগোডা খুব পিছিয়ে থাকবে, তা কী করে হয়! 

আরেকটা ব্যাপার ঠিক বুঝি না। এই ধর্মবাজেরা সচরাচর শিশুকামী হয় কেন? আমেরিকার এক বৌদ্ধ মন্দিরে ঘটা কিছু কেলেঙ্কারি এবং সেসব সমাধানে মন্দির কর্তৃপক্ষের উদাসীনতা তথা অনীহা বিষয়ে একটি লেখা পড়ুন। 

এর আগে ধর্মকারীতে প্রকাশিত একটি প্রাসঙ্গিক পোস্ট: অহিংস যৌনবিকৃতি

ইন্টারনেট - ধর্মবিশ্বাসের বধ্যভূমি



প্রার্থনায় স্পন্সরদের নাম?


কার রেস শুরু হবার আগে এক ধর্মযাজকের প্রার্থনাটি ছিলো শোনার মতো!

Heavenly Father, we thank you tonight for all your blessings. You said in all things, give thanks. So we want to thank you tonight for these mighty machines that you’ve brought before us. Thank you for the Dodges and the Toyotas. Thank you for the Fords and, most of all, we thank you for Roush and Yates partnering to give us the power we see before us tonight. Thank you for GM Performance Technology and the RO7 engines. Thank you for Sunoco Racing fuel and Goodyear tires that bring performance and power to the track. Lord, I want to thank you for my smokin’ hot wife tonight, Lisa, my two children Eli and Emma, or as we like to call them, the little E’s. Lord, I pray and bless the drivers and use them tonight. May they put on a performance worthy of this great track. In Jesus’ name, boogity, boogity, boogity, Amen! 

স্টুপিডিটির একটা সীমা থাকা উচিত! স্বচক্ষে দেখতে ও স্বকর্ণে শুনতে মঞ্চাইলে ভিডিও দেখে নিন।

শান্তির ইছলামী প্রতীক



মঙ্গলবার, ২৬ জুলাই, ২০১১

মানবতা: ধর্মীয় স্টাইল


ধরুন, ডাক্তারের কাছে গেলেন চিকিৎসার জন্য। কিন্তু ডাক্তার চিকিৎসা করতে অস্বীকৃতি জানালেন। যথাযথ চিকিৎসা বিষয়ে তাঁর অজ্ঞতা বা অদক্ষতা এখানে কারণ নয়। তিনি আসলে বাংলাদেশী কিছু বিচারকের মতো বিব্রত বোধ করেছেন। কারণ? কারণ হতে পারে ব্যক্তিগত, নৈতিক (?) বা ধর্মীয় বিশ্বাস। 

ব্রিটেনের চারটি মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদেরকে প্রশ্ন করা হয়েছিল, অ্যাবোরশন, জন্মনিয়ন্ত্রণ পিল প্রেসক্রাইব, ড্রাগ- বা অ্যালকোহলাসক্তের চিকিৎসা ও বিপরীত লিঙ্গের রোগীর গোপনাঙ্গ পরীক্ষাসহ এগারোটি চিকিৎসা ক্ষেত্রে তাদের নৈতিক, সাংস্কৃতিক বা ধর্মীয় বিশ্বাস বাধা হয়ে দাঁড়াবে কি না। "হ্যাঁ" এবং "না" উত্তর দিয়েছে প্রায় কাছাকাছি সংখ্যক ছাত্র। লক্ষণীয় ব্যাপার হলো, ধর্মীয় কারণে চিকিৎসায় অস্বীকৃতির কারণ এসেছে ১৯.৭ শতাংশ ক্ষেত্রে। 

তবে কৌতূহলোদ্দীপক তথ্য হচ্ছে, ধর্মীয় কারণ দেখিয়েছে মূলত মুসলিম ও ইহুদি ছাত্ররা। মুসলিমদের তিন-চতুর্থাংশ এবং ইহুদিদের অর্ধেকেরও বেশি ছাত্র জানিয়েছে, ধর্মবিশ্বাসের কারণে কিছু কিছু চিকিৎসা করতে অসম্মতি জ্ঞাপনের অধিকার তাদের আছে।

কী চমৎকার না? অসুস্থ, রোগাক্রান্ত ও মৃত্যুপথযাত্রী রোগীদের চিকিৎসা ধর্মোন্মাদ ডাক্তারেরা করবে না, কারণ তাদের কাছে মানুষের জীবন রক্ষার চাইতে ধর্মবিশ্বাস-পরিপন্থী কিছু না করাই উত্তম। 

ধর্মবিশ্বাস ব্যাপারটি কত্তো মানবিক, তাই না? 

আস্তিকীয় অধিকার



নিশ্চয়ই শিশুবিবাহ সুন্নত


ইয়েমেনে শিশুবিবাহ নিষিদ্ধ করার প্রস্তাবের বিপক্ষে প্রতিবাদে নেমেছে নারীরা! বিশ্বাস করা যায়? এই আবালেরা মনে করে, ছয় বছর বয়সী আয়েশাকে একান্ন বছর বয়সে বিয়ে করে ইসলামের নবী যে অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত স্থাপন করে দিয়ে গেছে, তা অমান্য করার অধিকার মুসলিমদের নেই!

এক মিনিটের ভিডিও-রিপোর্টটি গত বছরের।

অভিনব ফ্ল্যাশ মব



ছবির সিস্টারগুলো নকল বলেই মনে হয়। নিশ্চয়ই ফ্ল্যাশ মব জাতীয় কোনও ইমপ্রোভাইজেশন।

খতম তারাবিহ্


প্রথম আলোয় একটা খবর চোখে পড়লো:

সারা দেশে একই পদ্ধতিতে খতম তারাবিহ্ পড়ার আহ্বান
তারিখ: ২৬-০৭-২০১১

পবিত্র রমজান মাসে দেশের সব মসজিদে একই পদ্ধতিতে খতম তারাবিহ্ পড়ার আহ্বান জানিয়েছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন। খতম তারাবিহ্ পড়ার সেই পদ্ধতিটিও নির্ধারণ করে দিয়েছে ফাউন্ডেশন। জাতীয় সংস্থাটির নির্ধারণ করা পদ্ধতি অনুযায়ী, প্রথম ছয় দিনে দেড় পারা করে নয় পারা এবং পরবর্তী ২১ দিনে এক পারা করে তিলাওয়াতের মাধ্যমে পবিত্র লাইলাতুল কদরের রাতে খতম তারাবিহ্ শেষ করতে আহ্বান জানানো হয়েছে।

খবরে কোনও বিশেষত্ব বা নতুনত্ব নেই বটে, তবে খবরটি পড়ে আমার পিতার বলা একটি কথা স্মরণে এলো, যেটি শেয়ার করার লোভ সম্বরণ করতে পারলাম না। তাঁর ভাষায়: মুসলমানেরা বড়োই আজব প্রকৃতির - তারা কোরানও খতম করে, কাফেরও খতম করে। 

ধর্মসুলভ শুভকামনা ও নাস্তিকেরা



অনলাইন ছাগুপোন্দন


ধর্মান্তরিত হওয়া নব্য মুসলিম বেচারাকে অনলাইনে স্কাইপ-বিতর্কে একেবারে নাজেহাল করে ফেলা হলো মোক্ষম এক প্রশ্নের মাধ্যমে। সেই প্রশ্নের উত্তর দেয়ার আকুল, তবে সঙ্গত কারণেই ব্যর্থ, প্রচেষ্টাটি অত্যন্ত উপভোগ্য। ছয় মিনিট দীর্ঘ ভিডিও।

বুদ্ধিমতী হবার ইছলামী উপায়


"সুন্নত দিলে হয় মুসলমান
হিজাব পরলে হয় বুদ্ধিমান..."

অন্তত এই কার্টুনটি প্রচার করতে চাইছে: হিজাব পরলে হয় বুদ্ধিমান...


ইরান কর্তৃপক্ষ হিজাবের গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা বোঝাতে নানান ধরনের প্রচারণা চালিয়ে থাকে। এই কার্টুনটিও সেই প্রচারণার অংশ। এর মাধ্যমে বোঝানো হচ্ছে, হিজাব পরা মেয়েরা বেহিজাবী মেয়েদের তুলনায় অনেক বেশি বুদ্ধিমতী হয়ে থাকে। কার্টুন দেখে মনে হচ্ছে, "ঘুমিয়ে আছে আইনস্টাইন সব হিজাবের অন্দরে"। 

হিজাব পরা অন্তত একখান নোবেল বিজয়ী দেখতে বড়োই মঞ্চায়।

সোমবার, ২৫ জুলাই, ২০১১

বাইবেল-পোড়া শিল্প


বাইবেলের কিছু অংশ পুড়িয়ে সেটাকে শিল্পকর্মে ব্যবহার করেছেন ওয়েলসের এক চার্চের রেক্টর। তিনি তাতে আরও ব্যবহার করেছেন বাইবেল থেকে কাটা কিছু অংশ, যেসবে ঈশ্বরকে নির্দয় ও কুৎসিত বলে মনে হয়। খবর দিয়েছে বিবিসি। লিংকে গিয়ে ভিডিওও দেখে নিন। 

খবরটা পড়ে ভাবছিলাম, কোরানের একটি আধুনিক ভার্শন করলে কেমন হতো। বর্বর, ঘৃণাবর্ষী, নারীবিদ্বেষী এবং বর্তমান জগতে একেবারেই অপ্রযোজ্য অংশগুলো ছেঁটে ফেলে... 

পরে মনে হলো, এই কাজটি করলে কোরান হয়ে পড়বে চটি আকারের। আর তাছাড়া, এই আকাশকুসুম কল্পনা করে হুদাই টাইম লস! 

প্রায় প্রাসঙ্গিক একটি পোস্ট পড়ে নেয়া যেতে পারে: কোরানের ভালো আয়াত বনাম অসহিষ্ণু/জঙ্গিবাদী আয়াত। 

আধুনিকতম ঈশ্বর


ফ্লাইং স্প্যাগেটি মন্সটারে বিশ্বাসীদের জন্য রহিয়াছে একটি পোস্টার ও অতীব চমৎকার একটি ভিডিও।



ফলো-আপ: বাধ্য বধূ সংঘ


বাধ্য বধূ সংঘ-এর কথা মনে আছে? ওই যে, মালয়েশিয়ার মুসলিম মহিলা সংগঠনের সদস্যারা স্থির করেছিলেন, তাঁরা মুসলিম স্ত্রীদের কাছে গিয়ে গিয়ে তাদেরকে উদ্বুদ্ধ করবেন তাদের স্বামীদের প্রতি আরও বাধ্য ও অনুগত হতে! স্বামীদেরকে পরিবারভ্রষ্ট হওয়া থেকে ও সহিংসতা থেকে বিরত রাখতে হলে তাদেরকে সর্বোত উপায়ে তৃপ্ত রাখতে হবে - এ কথাই শেখানো হবে তাদের! 

এ বিষয়ে সাম্প্রতিক সংবাদে দেখতে পাচ্ছি, ব্যাপারটি ওই অঞ্চলে জনপ্রিয়তা পেতে শুরু করেছে! তবে সিঙ্গাপুরে কেন জানি সুবিধে করে উঠতে পারছে না। স্থানীয় বাজার তাদের জন্য খুব অনুকূল নয় বলেই মনে হচ্ছে।

কোনও এক পুরনো বই থেকে


ছবির ওপরে ক্লিক করে পূর্ণাকারে দেখুন।


শিশুদের চেয়ে ধর্ম বড়ো নয়


রাষ্ট্রনায়কেরা ও রাজনীতিবিদেরা সচরাচর ধর্মকে ঘাঁটাতে সাহস করেন না। বিশেষ করে রাষ্ট্রের নাগরিকেরা ধর্মপ্রবণ হলে।

আয়ারল্যান্ডের শতকরা ৭৩ জন ক্যাথলিক। সাম্প্রতিককালে সেখানে ক্রমবর্ধমান ধর্মউদাসীনতা লক্ষ্য করা গেলেও দেশের জনগণ এখনও যথেষ্টই ধর্মভীরু। তবু আয়ারল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী ক্যাথলিক চার্চের শিশুকামিতা এবং তা রোধ করতে চার্চের অনীহা ও গড়িমসিকে তীব্র ভাষায় আক্রমণ করেছেন। নিজেকে ধর্মপ্রাণ ক্যাথলিক হিসেবে পরিচয় দিয়ে তিনি খোদ ভ্যাটিকানের পোপের বক্তব্যের সরাসরি বিরোধিতা করে বলেছেন, আয়ারল্যান্ডের শিশুদের চার্চের হাত থেকে রক্ষা করতে প্রয়োগ করা হবে রাষ্ট্রীয় আইন, চার্চের আইন নয়। 

তাঁর বারো মিনিটের বক্তৃতার ভিডিও দেখুন এবং আন্দাজ করতে চেষ্টা করুন, আমাদের রাষ্ট্রনায়ক বা রাজনীতিবিদরা কি আদৌ কোনওদিন দেশের প্রধান ধর্মের ইতরামির বিপক্ষে বক্তব্য রাখার মতো সাহজ অর্জন করবে?

আসিতেছে শুভ মাস



নবী চরিত - ০২


লিখেছেন হৃদয়াকাশ 

নবী না লম্পট? 
(মুহম্মদ যেভাবে বিয়ে করলো ছেলের বউকে)

আমরা জানি, মুহম্মদের ডজনখানেক স্ত্রীর মধ্যে জয়নাব একজন। জয়নাব অন্যতম সুন্দরীও বটে। কিন্তু বাঙালি মুসলমানদের মধ্যে, আমার বিশ্বাস, শতকরা ৯২ জন জানে না যে, জয়নাব আগে ছিলো মুহম্মদের পালিত পুত্র জায়েদের স্ত্রী। আজ লিখবো সেই কাহিনি, যেভাবে মুহম্মদ, মুসলমানদের প্রিয় নবী, আল্লার দোস্ত, বিয়ে করলো তার পুত্রবধূকে। 

জয়নাব ছিলো মুহম্মদের ৬ নম্বর স্ত্রী। খাদিজা মারা যাওয়ায় জয়নাবের সতীন সংখ্যা ৪। তা সত্ত্বেও জয়নাব মুহম্মদকে বিয়ে করার জন্য আগে থেকেই মুখিয়ে ছিলো। কারণ, মুহম্মদ তখন উড়ে এসে জুড়ে ব‌সা মদীনার রাজা। আর রাজাকে বিয়ে করতে পারলে তো নিজেও রাণী। অনেক সুন্দরী মেয়ের মধ্যেই এরকম উচ্চাশা থাকে। যথেষ্ট সুন্দরী হওয়ায় এই উচ্চাশা ছিলো জয়নাবের মধ্যেও। তাই মুহম্মদ যখন জায়েদের জন্য জয়নাবের ভাইয়ের কাছে জয়নাবের বিয়ের প্রস্তাব নিয়ে যান; তখন জয়নাব বলেছিলো, কেন আমি এরকম একজন সাধারণ লোককে বিয়ে করবো? 

জয়নাব বিয়েতে রাজী না হওয়ায় মুহম্মদ দেখলেন, বিপদ; তাঁর মান-সম্মান তো আর থাকে না। তিনি আল্লার নবী, তিনি নিজের পালক পুত্রের বিয়ে নিয়ে একটা প্রস্তাব করেছেন। এখন সেই প্রস্তাব যদি প্রত্যাখাত হয় তাহলে তো তার নবীত্ব নিয়েও লোকজনের মধ্যে সন্দেহ উঠতে পারে। এই সমস্যা থেকে উত্তরণের জন্য তিনি ওহী নিয়ে এসে বললেন, জয়নাবের সঙ্গে জায়েদের বিয়ে হোক, এমনটাই আল্লাহর ইচ্ছা। ব্যস, সমস্যার সমাধান। জয়নাব আর টুঁ শব্দ করতে পারে না। 

জয়নাব আর জায়েদের বিয়ে হয়ে গেলো। কিন্তু এ বিয়ে নিয়ে সুখী ছিলো না জয়নাব। প্রথমত জয়নাব চায় নি জায়েদকে বিয়ে করতে। দ্বিতীয়ত জায়েদের মনে হয় কোনো যৌনসমস্যা ছিলো। জায়েদ সম্ভবত জয়নাবকে তৃপ্ত করতে পারতো না। এ ধারণাটি এ কারণে পোক্ত হয় যে, জয়নাব জায়েদের কোনো সম্তান ছিলো না। অথচ সেই সময় তো কোনো জন্ম নিরোধের ব্যবস্থা ছিলো না, তাই বিয়ের এক দেড় বছরের মধ্যেই মেয়েদের একটি বাচ্চা হওয়া বা গর্ভবতী হওয়া ছিলো স্বাভাবিক। কিন্তু জয়নাবের এমন কোনো ঘটনা ছিলো না। তাছাড়াও তালাকের পর ইদ্দত পালনের যে প্রথা, সেটাও মূলত তালাকপ্রাপ্তা অন্তঃসত্বা কি না, সে সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়ার জন্য। কিন্তু জয়নাবকে বিয়ের পূর্বে মুহম্মদ তাকে ইদ্দতকালীন সময় দিয়েছিলেন কি না, সে বিষয়ে কিছু জানা যায় না। হয়তো দেন নি। কারণ, স্ত্রীদের কাছ থেকে প্রাপ্ত গোপন খবরে মুহম্মদ ঠিকই জানতেন যে, জায়েদের দ্বারা জয়নাবের ও কাজ হবার সম্ভাবনা নেই। তাই ইদ্দতেরও দরকার নেই। 

মডারেডিক্যাল (মডারেট + র‍্যাডিক্যাল) মুসলিম


কার্টুনের সংলাপ: কৌস্তুভ


রবিবার, ২৪ জুলাই, ২০১১

বিশ্বাস in nothing


নাস্তিকেরা কোনওকিছুতেই বিশ্বাস করে না - এই ঘ্যানরঘ্যানর শুনতে শুনতে কান ঝালাপালা!

আমার অতি প্রিয় খ্যাপা ইউটিউবার CultOfDusty এই ভুয়া অভিযোগ খণ্ডন করে বরং উল্টো প্রমাণ করেছেন, ধর্মবিশ্বাসীরাই বরং believe in nothing. 

অতীব উপভোগ্য ও অবশ্যদ্রষ্টব্য পাঁচ মিনিটের ভিডিও। 

বেফাঁস স্বীকারোক্তি


মাঝেমধ্যে ধর্মবাজেরা ভুল করে নিজেদের অজান্তে বেফাঁস কিছু স্বীকারোক্তি করে ফেলে।


ইছলামী বিজ্ঞানের দৃষ্টিতে এইডসের কারণ


ইছলামী বিজ্ঞান কতোটা অগ্রসর, তা সম্পর্কে তথাকথিত বিজ্ঞানীরা খবর রাখে না। কোরান থেকে চুরি করে তারা অনেক আবিষ্কার নিজেদের বলে দাবি করেছে বটে, তবে কোরানের গভীরতম তাফসির তাদের জানার কথা নয়। ব্যাটাদের ঘটে বুদ্ধি থাকলে অযথা গুচ্ছের মোটা-মোটা বই পড়ে সময় নষ্ট না করে শুধু কোরান নিয়ে পড়ে থাকলে নিত্যনতুন আবিষ্কার তারা করতে তো পারতোই, এছাড়া বাড়তি হিসেবে পেতো অগণ্য ছওয়াব। গাধার দল সব!

এদিকে ইছলামী বিজ্ঞানীরা শুধু কোরান ব্যবহার করে বিজ্ঞানের সর্ব শাখায় অপ্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে নিজেদেরকে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হয়েছে। নিশ্চয়ই আল্লাহপাক মুসলিমদের প্রতি প্রবলভাবে পক্ষপাতী। 

এই যেমন, ভয়াবহ রোগ এইডসের উৎপত্তির কারণ সম্পর্কে ভুয়া বিজ্ঞানীদের ভুলভাল অনেক কথাই আপনার শুনেছেন। কিন্তু এর প্রকৃত কারণ উদঘাটন করেছেন ইছলামী বিজ্ঞানীরাই: নারীর জরায়ুতে একাধিক পুরুষের বীর্যের সংমিশ্রনে এইডস হয়। 

থাবা বাবা'র পাঠানো এই লিংকে আরও কিছু অমূল্য ও অভূতপূর্ব জ্ঞানের সন্ধান আপনারা পাবেন। আর জ্ঞানার্জনের জন্য শুধু চীন কেন, যে কোনও লিংকে যাওয়া যেতে পারে - হাদিসের আপডেটেড ভার্শনে নবীজি এ কথা বলেছেন। 

অঙ্কন শিক্ষা



তোমায় যদি চালায় দ্বীন > দোয়ার তোড়ে পালায় জ্বীন


আপনার-আমার কাছে তা যতো হাস্যোদ্রেককারীই মনে হোক না কেন, ঈমানদার মুসলিম জ্বীনে বিশ্বাস করে। কোরানে যেহেতু আস্ত একখানা সুরাই আছে আল-জ্বীন নামে, তাই জ্বীনের অস্তিত্বের কথা অস্বীকার করার কথা ভাবতেও পারে না মোমিন মুসলমান। 

তবে অন্যদের বিশ্বাস উৎকট হলেই সেটা নিয়ে হাসাহাসি করতে হবে নাকি! ধর্মকারীর এই চরিত্রটা বদলানো আবশ্যক হয়ে পড়েছে। আসুন, শুরু করা যাক: এই ভিডিও দেখে আমরা একদম হাসবো না।

এবার দৃশ্যপটে খ্রিষ্টান জঙ্গি


সন্ত্রাসবাদকে ইসলামী জঙ্গিরা এমন এক উচ্চতায় নিয়ে গেছে যে, আধুনিক যুগে "সন্ত্রাসবাদ" শব্দটি উচ্চারণ করলেই অবধারিতভাবে তা "ইসলামী" বলে মনে হয় । সন্ত্রাসবাদ ইসলাম বাদ দিয়ে কল্পনা করা দুরূহ হয়ে পড়েছে ইদানীং। তবে ইসলামীদের এই একচ্ছত্র আধিপত্যে কিঞ্চিৎ আঁচড় কাটতে সক্ষম হয়েছে এক খ্রিষ্টান জঙ্গি। 


নরওয়েতে সংঘটিত সন্ত্রাসী হামলা চালিয়েছে যে খ্রিষ্ট অনুসারী, তার সম্পর্কে পড়ুন এখানে

প্রসঙ্গত, "জঙ্গি নাস্তিক" শব্দবন্ধটি ব্যবহার করতে শুনি যাঁদের, সেই মহোদয়দের একটি কথা ভেবে দেখতে বলি: নাস্তিক্যবাদের নামে রক্তপাত ঘটিয়েছে কোনও নাস্তিক, এমন অন্তত একটি উদাহরণ দেখাতে না পারলেও নাস্তিকদেরকে ধর্মীয় জঙ্গিদের কাতারভুক্ত করে আপনারা বস্তুত নিজেদেরকেই স্থূলদর্শী ও জড়বুদ্ধিসম্পন্নদের কাতারভুক্ত করে ফেলছেন না কি?

* লিংক কৃতজ্ঞতা: রিফাত

ধর্মীয় নৈতিকতার নিদর্শন



ইসলামী শস্যক্ষেত্র - ০৪


লিখেছেন N.c. Neel

(শেষ পর্ব)

পুরুষতন্ত্রের মাধ্যমে একটা মানুষকে নারী করে তোলার সর্বাপেক্ষা আধুনিক হাতিয়ার হলো ধর্ম। পুরুষ খুব ভালোভাবে জানে যে, পুরুষদের তৈরি বিধান নারীরা গ্রহণ করবে না। তাই তারা নিজেদের বিধান চালিয়ে দিয়েছে ঈশ্বরের নামে। ঈশ্বরের কথা ভাবলে সর্বশক্তিমান এক সত্ত্বার কথা মানুষের মাথায় আসে। সনাতন ধর্মসহ প্রত্যেক ধর্মেই নারীর অবস্থান পুরুষের নিচে। তুলনামূলকভাবে ইসলাম নতুন ধর্ম। তবে ইসলামে নারীজাতিকে যেভাবে 'সম্মানিত' করা হয়েছে, তা অনেক বেশি ভয়ংকর। 

ইসলাম ধর্মে নারী বিষয়ে নিচের রচনাটি মূলত কোরান, হাদিস ও নির্ভরযোগ্য অন্যান্য ইসলামী সূত্র থেকে নেয়া উদ্ধৃতির সংকলন। ক্ষেত্রবিশেষে আমি মন্তব্য না করে পারিনি। 

ইমাম গাজ্জালী, বই এহিয়া উলুম আল দীন, ভলুম ১ পৃষ্ঠা ২৩৫:
নিজের সমস্ত আত্মীয়, এমন কি নিজের থেকেও স্বামীকে বেশী প্রাধান্য দিতে হবে। যখনই স্বামীর ইচ্ছে হবে তখনই সে যাতে স্ত্রীকে উপভোগ করতে পারে সে জন্য স্ত্রী নিজেকে সর্বদা পরিষ্কার এবং তৈরি রাখবে।

ইমাম শাফি শারিয়া আইন (উমদাত আল সালিক) থেকে, পৃষ্ঠা ৫২৫ আইন নম্বর এম-৫-১:
স্বামীর যৌন-আহ্বানে স্ত্রীকে অনতিবিলম্বে সাড়া দিতে হবে যখনই সে ডাকবে, যদি শারীরিকভাবে সে স্ত্রী সক্ষম হয়। স্বামীর আহ্বানকে স্ত্রী তিনদিনের বেশী দেরি করাতে পারবে না।

শারিয়া আইন থেকে (উমদাত আল সালিক), পৃষ্ঠা ৫২৬ আইন নম্বর এম-৫-৬:
যৌন মিলনের জন্য শরীর পরিষ্কার রাখার ব্যাপারে স্ত্রীকে চাপ দেবার অধিকার স্বামীর আছে।

শারিয়া আইন থেকে, পৃষ্ঠা ৯৪ আইন নম্বর ই-১৩-৫:
স্ত্রী যদি বলে তার মাসিক হয়েছে আর স্বামী যদি তা বিশ্বাস না করে, তাহলে স্ত্রীর সাথে সহবাস করা স্বামীর জন্য আইনত: সিদ্ধ।

বাংলা কোরান, পৃষ্ঠা ৮৬৭, তফসির:
কুরতুবী বলেন: এ আমাদের আরও শিক্ষা দিয়েছে যে, স্ত্রীর যে প্রয়োজনীয় ব্যয়ভার বহন করা স্বামীর যিম্মায় ওয়াজিব (বাধ্য), তা চারটি বস্তুর মধ্যে সীমাবদ্ধ: আহার,পানীয়, বস্ত্র ও বাসস্থান। স্বামী এর বেশী কিছু স্ত্রীকে দিলে অথবা ব্যয় করলে তা হবে অনুগ্রহ, অপরিহার্য নয়। 

শারিয়া আইন এম ১১.২ (ঐ বই পৃঃ ৫৪২)
স্বামীকে স্ত্রীর দৈনিক ভরণপোষণের ব্যয় বহন করতে হবে। স্বামী সচ্ছল হলে স্ত্রীকে প্রতিদিন এক লিটার শস্য দিতে হবে যা কিনা ঐ অঞ্চলের প্রধান খাদ্য। (O. এখানে প্রধান খাদ্য বলতে বুঝান হচ্ছে যা ঐ অঞ্চলের লোকেরা সর্বদা খায়, এমনকি তা যদি শক্ত, সাদা পনিরও হয়। স্ত্রী যদি তা গ্রহণ না করে অন্য কিছু খেতে চায়, তবে স্বামী তা সরবরাহ করতে বাধ্য থাকবে না। স্বামী যদি প্রধান খাদ্য ছাড়াও স্ত্রীকে অন্য কিছু খেতে দেয় তা স্ত্রী গ্রহণ না করলেও করতে পারে।) অসচ্ছল স্বামী প্রতিদিন তার স্ত্রীকে ০.৫১ লিটার খাদ্যশস্য দিবে। আর যদি স্বামীর সামর্থ্য এর মাঝামাঝি হয় তবে স্বামী তার স্ত্রীকে প্রতিদিন ০.৭৭ লিটার খাদ্যশস্য দিতে বাধ্য থাকবে।
(ক্যালকুলেটর নিয়ে হিসেব করতে থাকুন, আপনার স্ত্রীকে আপনি কী কী খাবার কতোখানি দেবেন।) 

শনিবার, ২৩ জুলাই, ২০১১

শুধু প্রশংসার দাবিদার কেন সে?



প্রসঙ্গ: নরওয়ে


নরওয়েতে গতকাল সংঘটিত মর্মান্তিক দুর্ঘটনার কারণ ও উৎস সম্পর্কে কোনও মন্তব্য করার মতো যথেষ্ট তথ্য-প্রমাণ এখনও নেই। তবে এ প্রসঙ্গে মনে পড়ে গেল বেশ আগে দেখা একটা ডকুমেন্টারির কথা। তিরিশ মিনিটের। দেখতে শুরু করুন অন্তত। 

রিচার্ড ডকিন্স: দ্য গ্রেইটেস্ট শো অন আর্থ


রিচার্ড ডকিন্সের এক ঘণ্টার সাক্ষাৎকার।

ঝুঁকিহীন ব্যবসা



ইছলামী বিনোদনপাঠ – ০৬


প্রথম আলোয় প্রকাশিত।

মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান

রমজান মাসের বারকোড
আল্লাহ তাআলার অফুরন্ত রহমত, মাগফিরাত ও নাজাতের অপার মহিমা নিয়ে বছর ঘুরে মাহে রমজান প্রায় সমাগত। এ মাসে পরম করুণাময় আল্লাহ রাব্বুল আলামিন রোজাদার মুমিন বান্দাদের ওপর রহমত বর্ষণ (জানতে মঞ্চায়, এই বর্ষণ কি হালকা বৃষ্টিপাতের মতো? নাকি মুষলধারে?) করেন। অথচ এ পবিত্র মাসের আগমনকে পুঁজি করে একশ্রেণীর কালোবাজারি অসাধু ব্যবসায়ী বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্য ও দ্রব্যসামগ্রীর কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে। ফলে বাজারে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি ঘটে। এতে রোজাদার সাধারণ দরিদ্র জনগোষ্ঠী, বিশেষ করে, নিম্নবিত্ত ও স্বল্প আয়ের মানুষকে নিদারুণ ভোগান্তি পোহাতে হয়। দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে খাদ্যপণ্য মজুদ ও কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করা ইসলামের দৃষ্টিতে অত্যন্ত ঘৃণ্য কাজ এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ। নিয়মিত লাভের পরিবর্তে ক্রেতাসাধারণকে ঠকিয়ে এবং সংকটের আবহ সৃষ্টি করে অধিক মুনাফা হাতিয়ে নেওয়ার প্রচেষ্টা অমানবিক। ইসলাম এ ধরনের জঘন্য কাজকে কোনোভাবেই সমর্থন করে না। এ ধরনের প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ড থেকে ধর্মপ্রাণ ব্যবসায়ীদের সব সময় বিরত থাকা উচিত। কেননা, পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘আল্লাহ তাআলা বেচাকেনাকে বৈধ ও সুদকে অবৈধ করেছেন।’ (সূরা আল-বাকারা, আয়াত-২৭৫) (তা না হয় বোঝা গেল, কিন্তু যে প্রসঙ্গে এই আয়াতের অবতারণা - "ক্রেতাসাধারণকে ঠকিয়ে এবং সংকটের আবহ সৃষ্টি করে অধিক মুনাফা হাতিয়ে নেওয়ার প্রচেষ্টা" - সে বিষয়ে একটি হরফও নেই এই আয়াতে। এরকম অপ্রাসঙ্গিক উদ্ধৃতি সহকারে গোঁজামিল দেয়ার প্রচেষ্টাকেই বরং "পাঠকদেরকে ঠকিয়ে সত্যের আবহ সৃষ্টির" উদ্যোগ হিসেবে অভিহিত করা যায়।)

ইসলামের দৃষ্টিতে দ্রব্যমূল্য বাজারে স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় চাহিদা ও জোগানের আলোকে নির্ধারিত হবে। তবে বাজার-প্রক্রিয়াকে কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠী যেন ব্যাহত করতে না পারে, সে জন্য সরকার তদারকব্যবস্থ্থা শক্তিশালী করতে পারবে। মানুষের দৈনন্দিন জীবনে ক্রয়-বিক্রয়ে দ্রব্যমূল্য স্থিতিশীল রাখা, বাজার নিয়ন্ত্রণ ও মজুদদারি সম্পর্কে ইসলামি দৃষ্টিকোণ রয়েছে। খাদ্যদ্রব্যের উৎপাদনকারী ও ব্যবসায়ীরা অস্বাভাবিকভাবে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি করতে পারেন না। যদি এমনটি কেউ করে থাকেন তবে ইসলামের দৃষ্টিতে আত্মসাৎকারী হিসেবে সাব্যস্ত হবেন। এভাবে মাহে রমজান বা বিশেষ কোনো পরিস্থিতিতে যখন অসাধু ব্যবসায়ীরা কৃত্রিমভাবে সংকট সৃষ্টি করে দ্রব্যমূল্যের স্ফীতি ঘটাতে চান, তখন সরকার দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ ও নির্ধারণে হস্তক্ষেপ করতে পারবে বলে ইসলামি আইনবিদ বা ফকিহগণ (কয়েকখানা নাম কি বলা যায়, যাদের সমস্ত বাণী মুসলিমরা একজোটে মেনে নেয়? সব সময়ই দেখে আসছি, কোন মুসলিম কার কথা মেনে চলে, তার কোনও ঠিক-ঠিকানা নেই। এই যেমন, এক দল মুসলিমের কাছে জোকার নালায়েক নায়কের নবীর মতো। আবার আরেকদল মুসলিম তাকে স্পষ্টতই প্রত্যাখ্যান করে।) অভিমত প্রকাশ করেছেন। 


প্রথম মুসলিম নভোচারিণী



যিশু তুমি আজও > টোস্টে বিরাজো


মুসলিমরা যেমন আম-কাঠাল-মাছ-গাছসহ যাবতীয় সম্ভব-অসম্ভব জায়গায় আল্লাহ-নবীর খোদাই করা নাম খুঁজে পেয়ে আল্লাহর কুদরতে বিমোহিত হয়ে পারলে নফল নামাজ আদায় করে নেয়, খ্রিষ্টানেরা ঈশ্বরভক্তিতে আপ্লুত হয় যিশু বা মেরির প্রতিকৃতি আবিষ্কার করতে পারলে। তবে কোনও এক রহস্যজনক কারণে যিশু সবচেয়ে বেশি দেখা দিয়ে থাকে টোস্টে। এইসব টোস্ট পরে খ্রিষ্টান আবালেরা গুচ্ছের টাকা খরচ করে কিনে নেয় পুণ্যলাভের আশায়। 

তো তাদের সহায়তায় এগিয়ে এসেছেন এক ব্যবসায়ী। তিনি বাজারে ছেড়েছেন এমন এক টোস্টার, যাতে রুটির টুকরো ঢুকিয়ে দিলে টোস্ট বেরিয়ে আসবে যিশু বা মাতা মেরির প্রতিকৃতিসহ। পঁচিশ সেকেন্ডের ভিডিওতে দেখুন। বিস্তারিত এই সাইটে। এবং উদ্ভাবক ব্যবসায়ীর সাক্ষাৎকার এখানে। 

নির্ধার্মিক মনীষীরা – ৩৫



শুক্রবার, ২২ জুলাই, ২০১১

প্রিয় পুরনো পোস্টগুলো – ৫৯


ধর্মকারীতে পোস্টের সংখ্যা ঊনত্রিশশো ছাড়িয়ে গেছে। এই সাইটের খোঁজ যেসব পাঠক সম্প্রতি পেয়েছেন বা ভবিষ্যতে পাবেন, তাঁদের পক্ষে আগে প্রকাশিত মজাদার পোস্টগুলো খুঁজে নেয়া ব্যাপক শ্রম- ও সময়সাধ্য ব্যাপার হবে ভেবেই হারানো-দিনের-পোস্ট ধরনের এই সিরিজের অবতারণা। পুরনো পাপীরাও এই সুযোগে স্মৃতিচারণ করে নিতে পারেন 

প্রতি পর্বে আমার বিশেষ প্রিয় পাঁচটি পোস্টের লিংক দেবো সংক্ষিপ্ত বর্ণনাসহ। শুরু করেছি ধর্মকারীর আদিকাল থেকে।

১. বিল মার মার কাটকাট - ০৭ (দুর্ধর্ষ ভিডিও) 
২. ক্যাম্পাসে মুহম্মদের একশো ছবি (সচিত্র বিনোদন সংবাদ)
৩. বিজ্ঞান যদি হতো ধর্মের মতো (ভিডিও, রিচার্ড ডকিন্স) 
আগের পর্বগুলো দেখতে নিচের "কাসুন্দি" ট্যাগে ক্লিক করুন। 

সহজ আস্তিকীয় বিতর্ক পদ্ধতি


 প্রাসঙ্গিক আরেকটি অতীব মজাদার পোস্টার না দেখলেই নয়: ছহি মুছলিম তর্কতরিকা