বৃহষ্পতিবার, ৩০ জুন, ২০১১

প্রিয় পুরনো পোস্টগুলো – ৫৪


ধর্মকারীতে পোস্টের সংখ্যা সাতাশশো ছাড়িয়ে গেছে। এই সাইটের খোঁজ যেসব পাঠক সম্প্রতি পেয়েছেন বা ভবিষ্যতে পাবেন, তাঁদের পক্ষে আগে প্রকাশিত মজাদার পোস্টগুলো খুঁজে নেয়া ব্যাপক শ্রম- ও সময়সাধ্য ব্যাপার হবে ভেবেই হারানো-দিনের-পোস্ট ধরনের এই সিরিজের অবতারণা। পুরনো পাপীরাও এই সুযোগে স্মৃতিচারণ করে নিতে পারেন 

প্রতি পর্বে আমার বিশেষ প্রিয় পাঁচটি পোস্টের লিংক দেবো সংক্ষিপ্ত বর্ণনাসহ। শুরু করেছি ধর্মকারীর আদিকাল থেকে।


আগের পর্বগুলো দেখতে নিচের "কাসুন্দি" ট্যাগে ক্লিক করুন। 

ধেড়ে শিশু



আরেক শিশুকামী ধর্মবাজ


৬৫ বছর বয়সী ক্যাথলিক ধর্মযাজক ৭ বছরের বালিকার ওপরে উপর্যুপরি যৌননিপীড়ন চালিয়ে পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হয়েছে।

একটু মাথা ঘামান না!

ছবিটায় থট-বাবল বসিয়ে কিছু করা যায় না? আইডিয়াবাজ ও ফটোমাস্তানেরা সব কোথায়? 


অলৌকিক ছেড়ে লৌকিক


বিজ্ঞানবিরোধিতায় ধর্মগুলো বড়োই পারঙ্গম। ইতিহাস সাক্ষী, সাক্ষী বর্তমানও। তবে বিজ্ঞানের সমস্ত অবদান ব্যবহারে তারা নির্লজ্জ। 

এই যেমন, সম্প্রতি শিশুকামীদের স্বর্গ ভ্যাটিকানের প্রধানতম ব্যক্তি এখন টুইটার ব্যবহার করতে শুরু করেছেন। অর্থাৎ টুইটারের মাধ্যমে ধর্মপ্রচার। খোমাখাতাতেও তাঁর অ্যাকাউন্ট আছে বলে পড়েছি। 

তথাকথিত ঐশী অলোকিক ঘটনায় অভ্যস্ত হলেও অবাক-করা পার্থিব টেকনোলজি দেখে পোপ বিস্মিত হলেন বলেই মনে হলো (লিংকে এমবেড করা ভিডিও দেখুন)। বুঝি না, কেন ধর্মবাজেরা ধর্মপ্রচারে ঈশ্বরের অলৌকিক সাহায্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছে! 

লিংক পাঠিয়েছেন মালা আলম

নির্মলমূত্র নুহের নৌকা


শিরোনামের প্রথম শব্দটি কনফিউজিং মনে হলে উদাহরণসহ বুঝিয়ে বলি: "দোষ" থেকে আমরা পাই "নির্দোষ" অর্থাৎ দোষহীন। একইভাবে "মল" থেকে "নির্মল"।


মেরাজের প্রকৃত রহস্য


লিখেছেন বোকা বলাকা

১৪০০ বছর আগের এই রাতে মহামানব তার চাচাত বোন উম্মে হানির ঘরে রাত কাটিয়েছিলেন, যখন তার স্বামী বাড়িতে ছিলেন না (এই মহামানব উম্মে হানির প্রেমে পড়েছিলেন কিন্তু তার সৎচরিত্রের (?) কারণে তার চাচা তার মেয়ের বিয়ে তার সাথে দেন নি। তাই বলে তো আর প্রেম বৃথা যেতে পারে না)। 


ভোর বেলা মহামানব তার সাথীদের কাছে ধরা খেয়ে গেলে এক কল্পকাহিনী ফেঁদে বসে। আর সেটাই মে...রা...জ।

প্রতিযোগিতার নাম: কারা সত্যিকারের মুসলিম


পাঠিয়েছেন লাইট ম্যান


না, কোরবানির পরে রক্ত পরিষ্কারের দৃশ্য নয়। এটা আল্লার ঘরে মোল্লাদের রক্তের বন্যা! পাকিস্তানে শিয়া-সুন্নি সংঘাতে মসজিদে বোমা বিষ্ফোরনের পর মসজিদ পরিষ্কার করার দৃশ্য। 

প্রাসঙ্গিক কিছু খবরের লিংক। 

http://www.prothom-alo.com/detail/date/2010-11-06/news/106999

http://www.samakal.com.bd/details.php?news=2&view=archiev&y=2010&m=11&d=05&option=single&news_id=106567&pub_no=506

http://www.bdnews24.com/bangla/details.php?cid=1&id=140780&hb=5

http://abna.ir/data.asp?lang=11&Id=212059

http://www.amardeshonline.com/pages/details/2011/05/03/79607

বুধবার, ২৯ জুন, ২০১১

'কুন' কইলো কুন এক ব্যাটায়...


আল্লাহ বললো, কুন, আর অমনি তৈরি হয়ে গেল বিশ্বচরাচর। এই কু-রূপকথায় বিশ্বাস করেন যাঁরা, তাঁরা বৃথা কালক্ষেপণ না করে বরং দূরে গিয়ে কোরান-হাদিস বার‌বার রিভাইজ দিয়ে দো জাহানের অশেষ নেকী হাসিল করুন। বাকিরা, সময় এবং নেটস্পিড অনুকূল থাকলে, দেখে নিন বিবিসি-র তৈরি এক ঘণ্টার ডকুমেন্টারি Lost Horizons: The Big Bang. 

শিশুদের জন্য ঐশী ভালোবাসা


ইসলামে জোর-জবরদস্তি নেই


ইসলামত্যাগের কারণে কাউকে হত্যার ইসলামী বিধানটি নাকি ধর্মীয় স্বাধীনতার সঙ্গে সাংঘর্ষিক নয়! কারণ তাকে হত্যা করা হয় বিশ্বাস ত্যাগ করার 'অপরাধে' নয়, প্রত্যক্ষভাবে ইসলামবিরোধিতার মাধ্যমে ইসলামের প্রতি বিপুল বিশ্বাসঘাতকতা করার জন্যে। পার্থক্য কিছু বুঝলেন? আমি বুঝিনি। পড়ে দেখুন

এদিকে জেরুজালেমের ইসলামিক ফতোয়া কাউন্সিল-এর মতে, ইসলামত্যাগীকে তিন দিন সময় দেয়া হয় ক্ষমাপ্রার্থনার জন্যে। এর অন্যথা হলে তাকে হত্যা করা হয়। 

বলেন, আলহামদুলিল্লাহ! 

ভালো ঈশ্বরের আশীর্বাদ


গত মাসের শেষের দিকে আমেরিকার মিজোরি প্রদেশের জোপলিনে টর্নেডোর আঘাতে বিধ্বস্ত কয়েকটি বাড়ির দেয়ালের ছবি।

ঈশ্বর এতো ভালো যে, চারপাশে সবকিছু ধ্বংস করলেও নিজের নাম লেখা দেয়ালটি অক্ষত রেখেছে

টর্নেডোর মাধ্যমে ঈশ্বর তার আশীর্বাদের নমুনা দেখিয়েছে

"ঈশ্বর আমাদের রক্ষা করেছে" লিখেও সব রক্ষা হয়নি! 

পশ্চিমা দেশগুলোয় "মুসলিমপ্রীতির" একটি কারণ


হল্যান্ডে একটি অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার সময় স্থানীয় ইসলামী স্কুলের কিছু ছাত্র সেখানে গিয়ে চিৎকার করতে থাকে, কেউ কেউ প্রদর্শন করে ঊর্ধ্বমুখী মধ্যাঙ্গুলি। তাদের উদ্দেশ্য ছিলো একটাই - মৃত ব্যক্তির আত্মীয়-পরিজনদের মনে আঘাত দেয়া। অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া অনুষ্ঠানের পরিচালিকা বলেছেন, মুসলিম ছাত্রদের একজন তাঁর কাছে জানতে চায় মৃত ব্যক্তিটি মুসলমান কি না। উত্তরে তিনি "না" বললে সে মন্তব্য করে, "একটা কুকুর কমলো।"

অ-মুসলমানের মৃত্যুতে তার দোজখবাস কামনা করার দোয়া আছে ইসলামে। সেই পরিপ্রেক্ষিতে এই বালকগুলোর আচরণ অবশ্য অনৈসলামিক বলে মনে হলো না।

দু'মিনিটের ভিডিও রিপোর্ট দেখুন। সেখানে বলা হচ্ছে, এটা বিচ্ছিন্ন কোনও ঘটনা নয়। 

সমস্যার মীমাংসামূলক সমাধান



নির্ধার্মিক মনীষীরা – ৩৪


মানবজাতির অন্যতম প্রধান ট্র্যাজেডি এই যে, ধর্মগুলো নৈতিকতা অপহরণ করেছে।
আর্থার সি. ক্লার্ক (১৯১৭-২০০৮; ব্রিটিশ বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনী লেখক)

য়ুক্তিকে ত্যাগ করেছে যে-ব্যক্তি, তার সঙ্গে যুক্তিসহ তর্ক করা আর মৃতকে ওষুধ দেয়ার ভেতরে ফারাক নেই। 
Thomas Paine (১৭৩৭-১৮০৯; লেখক, বুদ্ধিজীবী, আবিষ্কারক, বিপ্লবী, আমেরিকা প্রতিষ্ঠাতাদের একজন) 

আফিম তবুও ভালো, ধর্ম সে তো হেমলক বিষ। 
- রুদ্র মুহম্মদ শহীদুল্লাহ (১৯৫৬-১৯৯১; কবি)

আমাদের ফ্রন্টের কিছু যোদ্ধা


এই তালিকার অনেকর সম্পর্কে জানি না। আবার আরও কিছু জনের নাম এতে যোগ করা যেতে পারতো বলে মনে হলো...

পূর্ণাকারে দেখতে ছবির ওপরে ক্লিক করুন।


মঙ্গলবার, ২৮ জুন, ২০১১

ধর্ম ও বিজ্ঞানের জয়-পরাজয়


ধর্মের সব বাণী ধ্রুব সত্য। অন্তত ধর্মগুলো তেমনটিই দাবি করে থাকে। পক্ষান্তরে বিজ্ঞান নিয়ত পরিবর্তনশীল। এবং তা সব সময়ই উন্নতির দিকে। পুরনো ভুল স্বীকার করে নিয়ে বিজ্ঞান নিরন্তর সত্যপথযাত্রী। তবে বিজ্ঞান কখনও ভুল প্রমাণিত হলেই ধর্ম সত্য হয়ে ওঠে না। একইভাবে ধর্ম ভুল প্রমাণিত মানেই বিজ্ঞান সত্য - তা-ও কিন্তু নয়। সত্যের প্রয়োজন তথ্য-প্রমাণ। যে পক্ষ তা দেখাতে পারে, জয় হয় তারই। 

বায়োনিকড্যান্স-এর তিনি মিনিটের ভিডিও।

প্রথমে বন্দনা করি...



হুজুরের কী দোষ?


লিখেছেন হৃদয়াকাশ

শীর্ষ নিউজ ডটকম এর বরাত দিয়ে ২৭ জুন, ২০১১ ধর্মকারীতে একটা পোস্ট ছাড়া হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, সাভারের এক মাদ্রাসার শিক্ষক তার মাদ্রাসার ১২ বছর বয়সী এক ছাত্রকে বলাৎকার করেছে। এ বিষয়ে হুজুরের পক্ষ হয়ে আমার কিছু বলবার আছে। আমার বক্তব্য শেষে আপনারা রায় দেবেন, ঐ ঘটনায় কার দোষ? ঐ হুজুর, না অন্য কারোর?

হযরত আনাস (রা.) তাঁর ‘তফসির মাজহারি’ ভলিউম ১২, পৃষ্ঠা ৯৪ তে বর্ণনা করেছেন, আল্লাহর রাসূল বলেছেন, “যে ব্যক্তি স্বীয় হস্তদ্বয়ের সহিত বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয় ( অর্থাৎ হস্তমৈথুন করে), সে অভিশপ্ত।” এই একই বিষয়ে বলেছেন আতা (রা.)। তিনি বলেছেন, “ কিছুসংখ্যক লোক এমনভাবে পুনরুত্থিত হবে (হাশরের ময়দানে) যেন তাদের হস্তদ্বয় গর্ভবতী। আমার মনে হয় তারা সেই লোক যারা হস্তমৈথুন করে।”

এতে পরিষ্কার যে হস্তমৈথুন করে যৌনসুখ উপভোগ ইসলামে নিষিদ্ধ। কারণ তাহলে তাদের হাত শেষ বিচারের দিনে গর্ভবতী হয়ে আল্লার কাছে ঐ ব্যক্তির অপকর্মের সাক্ষ্য দেবে।

এখন দেখা যাক, বেহেশতের ভোগবিলাসের বর্ণনায় হুরদের পাশাপাশি কোরানের ৫২ নম্বর সূরা তূর এর ২৪ নম্বর আয়াতে কাদের কথা বলা হচ্ছে। “এবং তাহাদের পার্শ্বে তাহাদের দাসগণ ঘুরিয়া বেড়াইবে, তাহারা যেন প্রচ্ছন্ন মুক্তাস্বরূপ।”

এই মুক্তাসদৃশ বালকগণের কাজ কী? তারা কি থাকবে বেহেশতিদের রুচি পরিবর্তনের জন্য? হ্যাঁ, ৭২ জন হুরীর সঙ্গে যোনীপথে সঙ্গম করতে করতে যদি মুমিন মুসলমানরা একঘেঁয়েমি বোধ করে, তখন তারা সেই সব মুক্তাসদৃশ বালকদের ব্যবহার করতে পারবে ভিন্নরকম যৌনসুখ লাভের জন্য। এই জন্যই তো মাঝে মাঝে মাদ্রাসার হুজুর কর্তৃক ছোট ছোট ছেলেদের বলাৎকার করার খবর পত্রিকায় বের হয়, যা সম্পূর্ণ ইসলামসম্মত বলেই বোধ হয়। কারণ, বেহেশতে আল্লা গেলমানের ব্যবস্থা রেখেছে। এখন দুনিয়া থেকেই যদি গেলমান ব্যবহারের তরিকাটা শিখে যাওয়া না হয়, তাহলে তো বেহেশতে বিপদে পড়ার সম্ভাবনা।

সহি নামাজ শিক্ষা


স-ভূমিকা ছবিটি পাঠিয়েছেন শয়তানের চ্যালা।

নামাজ পড়লে আল্লাহ নাকি অনেক খুশি হন। নামাজে কোর-আনের সূরাগুলোই পাঠ করতে হয়। তবে ছোট সূরাগুলো বেশি জনপ্রিয়। যেমন সূরা নিসা, সূরা লাহাব, সূরা ইখলাস। কারণ এগুলো পড়তে কম টাইম লাগে। আসুন আমরা সূরা লাহাবের অর্থ বুঝে বুঝে নামাজ পড়ে আল্লাহকে খুশি করি। 


বায়োনিক ধোলাই


ইসলামী জঙ্গিদের অপকীর্তিগুলো সম্পকে প্রায় সব তথাকথিত মডারেট মুসলিমের বক্তব্যের সারকথা এই: এদের কার্যকলাপ দিয়ে ইসলামকে বিচার করা উচিত নয়। বস্তুত ধর্মসংক্রান্ত যাবতীয় কুকাণ্ড সম্পর্কেই ধর্মবিশ্বাসীদের এই অপযুক্তি দিতে দেখা যায়। এই অজুহাতকে যুক্তি-গোলায় ধ্বংস করে দিচ্ছেন ইউটিউবার বায়োনিকড্যান্স।

দু'মিনিটের ভিডিও।

ইছলামীদের দিবাস্বপ্নদোষ



ধর্মাতুল কৌতুকিম – ২৫


পাঠিয়েছেন শুভজিৎ ভৌমিক 

৬৭. 
– যিশুর জন্য সবচেয়ে কনফিউজিং দিন কোনটি?
– বাবা দিবস।

৬৮. 
চৌদি আরবের এক লোকের ইন্টারভিউ নেয়া হচ্ছে। 
প্রশ্নকর্তা: আপনার নাম?
উত্তরদাতা: শেখ জুনেদ বিন সাউদ আল আমুদী বিন হাবিবি বিন খলিলি...
প্রশ্নকর্তা: হইছে হইছে থামেন। সেক্স?
উত্তরদাতা: সপ্তাহে ২৫-৩০ বার করি আরকি। বউয়ের তো অভাব নাই।
প্রশ্নকর্তা: আরে ধুর মিয়া, আমি সেই কথা বলি নাই। সেক্স কি? মেল না ফিমেল?
উত্তরদাতা: মেল, ফিমেল, শিমেল সব চলে। মাঝে মাঝে ক্যামেলও চলে।

৬৯. 
– তাবলিগের লোক আর খ্রিষ্টান পাদ্রীদের মধ্যে মিল কোথায় ?
– দুই পার্টি প্রধানত কমবয়স্ক বালকদের মধ্যেই ধর্ম "ভইরা" দিতে চায়।

গাভীটি গাধা নয়



সোমবার, ২৭ জুন, ২০১১

শিশুকন্যার ওপর অত্যাচার


লিখেছেন Suirauqa

বহু ছোটবেলায় লালন ফকিরের একটা গানের লাইন পড়েছিলাম, "সুন্নত দিলে হয় মুসলমান, নারীর তবে কী হয় বিধান..." ওই সুন্নত শব্দটির মানে যখন জানলাম এবং জীববিজ্ঞান ক্লাসে নারী-পুরুষ প্রজনন অঙ্গের বিবরণ পড়লাম, তখন মনে হয়েছিল, সত্যি তো! আজ মনে হয়, সে যেন এক অন্য শতাব্দীর কথা। তখন লালন কি জানতেন, বা আমিই কি ছাই জানি যে, এই চূড়ান্ত বর্বর-জাতীয়, অমানবিক, হিংসক, ঘৃণ্য প্রথা মুসলমান দেশ বা গোষ্ঠীগুলোতে শিশুকন্যাদের ওপরে আরোপিত হয়ে আসছে? যে প্রথাটির কথা বলছি, তার পোষাকি নাম ফিমেইল সার্কামসিশন, যা অনুবাদে দাঁড়ায় নারী-সুন্নত বা নারী-খৎনা। কিন্তু সঠিক নাম ও বিবরণ পাওয়া যায় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (World Health Organization, WHO) এবং জাতিসংঘ (United Nations, UN)-এর কাছে, এই প্রথার নাম হল, ফিমেইল জেনিটাল মিউটিলেশন বা FGM, অর্থাৎ নারী-জননাঙ্গের ইচ্ছাকৃত বিকলীকরণ। WHO-র সংজ্ঞা অনুযায়ী, এফ জি এম এর অন্তর্ভুক্ত হল সেই সমস্ত প্রক্রিয়া যা দিয়ে বহির্গত নারী জননাঙ্গের কিয়দংশ বা সম্পূর্ণাংশ কেটে নেওয়া হয়, বা চিকিৎসা-সংক্রান্ত কারণ ছাড়াই নারী যৌনাঙ্গের হানি ঘটানো হয়। 

উইকিপিডিয়াতে এই সংক্রান্ত লেখায় বিস্তারিত বিবরণ আছে। এইগুলো পড়তে গিয়ে আমার নিজেরই একটা শারীরিক রি-অ্যাকশন হচ্ছে, তাই আর সেই বর্ণনায় যাচ্ছি না। শুধু এটুকু বলা দরকার যে, এই কুপ্রথার শিকার যারা, তাদের জীবনে অনেক যন্ত্রণা সহ্য করতে হয়। শিশুবয়স থেকে প্রাক্‌যৌবনকাল পর্যন্ত মেয়েদের ওপর এই প্রক্রিয়া আরোপিত হয়ে থাকে। বহু জায়গায়, এই অঙ্গচ্ছেদনের অস্ত্রোপচার যারা করে, তাদের অনেকেরই কোনো চিকিৎসা-শাস্ত্রের জ্ঞান থাকে না, এবং অস্ত্রোপচার করা হয়ে থাকে অ্যানেস্থেসিয়া ছাড়া বা সঠিক জীবাণুশূণ্য পরিবেশ ছাড়া, কখনও বা সঠিক শল্যচিকিৎসার উপকরণ ছাড়াই। অনেক সময়ই অতিরিক্ত রক্তপাতে বা জীবাণু-সংক্রমণে সেই সব মেয়েদের মৃত্যু ঘটে। অনেক রকম গুরুতর লং টার্ম স্বাস্থ্যহানিও ঘটে। যেমন, প্রসাবপথে বা যৌনাঙ্গে সংক্রমণ, বিভিন্ন রকমের ক্ষত এবং বন্ধ্যাত্ব। এরা সারাজীবন যৌনসঙ্গম উপভোগ করতে পারে না, এবং প্রথম যৌনঅভিজ্ঞতা প্রচণ্ড পীড়াদায়ক হয়। প্রসবের সময় অনেক রকমের গণ্ডগোলের সম্ভাবনা দেখা দেয় - প্রসবকালে শিশুমৃত্যু এবং প্রসবের পরে রক্তপাত। 

ট্র্যাভেলিং লাইট



"বিবর্তন একেবারেই মিথ্যে"


প্রিয় ইউটিউবার CultOfDusty এবারে রিভার্স খেলছেন। যথারীতি পরম উপভোগ্য।

মরুভূমিজাত ধর্ম রসহীনই হবার কথা



ধর্মের বলাৎকারোন্মুখ শিশ্ন


বেহেশতে প্রতিশ্রুত বৈচিত্র্যময় ইন্দ্রিয়পরায়ণ জীবনে হুরের পাশাপাশি অজস্র গেলমানও থাকবে। নিচের ঘটনা পড়ে মনে হলো, গেলমান নিয়ে বেহেশতে কিংকর্তব্য, সেটা বুঝতে চেয়েছিল এক হুজুর। 

লিংক পাঠিয়েছেন পাদুকা

সাভারে মাদ্রাসা শিক্ষকের ছাত্র বলাৎকার

ঢাকা, ২৬ জুন (শীর্ষ নিউজ ডটকম): সাভারে এক মাদ্রাসা শিক্ষকের বিরুদ্ধে ছাত্র বলাৎকারের অভিযোগ উঠেছে। পৌর এলাকার ডগড়মোড়ার দারুল কুরআন মাদ্রাসার (নামটা খিয়াল কৈরা!) নাজারা বিভাগের শিক্ষক ফিরোজ গতকাল শনিবার সন্ধ্যায় মাদ্রাসার ছাত্রাবাসে সাইফ উদ্দিন (১২)কে বলাৎকার করেন। এ ঘটনায় মাদ্রাসার ছাত্র-শিক্ষকসহ এলাকাবাসীর মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয় এবং ছাত্রের পিতা শিক্ষককে মারধর করলে তিনি পালিয়ে যায়। 

জানা যায়, শনিবার সন্ধ্যায় শিক্ষক মাদ্রাসার ছাত্রাবাসের সাইফ উদ্দিনের কক্ষে প্রবেশ করে দরজা বন্ধ করে জোরপূর্বক তাকে বলাৎকার করে এবং কাউকে বিষয়টি না বলার জন্য বিভিন্ন ভয়-ভীতি প্রর্দশন করে চলে যায়। এ ঘটনায় গুরুতর আহত হওয়ায় ও ভয়ে মাদ্রাসার কাউকে কিছু না বলে ওই ছাত্র তার বাড়িতে চলে যায়। এদিকে ছাত্রের পরিবারের লোকজন মাদ্রাসা থেকে অসময় বাড়িতে আসার কারণ জানতে চাইলে সে এ ঘটনা বলে দেয়। এ ঘটনা শুনে ছাত্রের পিতা উত্তেজিত হয়ে মাদ্রাসায় এসে ওই শিক্ষককে প্রকাশ্যে মারধর করে। পরে মাদ্রাসার ছাত্র -শিক্ষকসহ এলাকাবাসী শিক্ষককে বাঁচাতে এগিয়ে আসলে ছাত্রের পিতা তার ছেলেকে বলাৎকারের বিষয়টি জানায়। আর এ সুযোগে লম্পট শিক্ষক পালিয়ে যায়। (এইটা কী হইলো! আল্লাহপাক ধর্ষকরে পালাইতে দিলো! সে কার দলে?)

এ ব্যাপারে মাদ্রাসার অধ্যক্ষ আবু বক্কর ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ওই শিক্ষককে মাদ্রাসা থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে ।


ঈশ্বরের বাইবেলপাঠ



ধর্মের শেখানো দুর্নৈতিকতা


অদ্ভুত সুন্দর এক ভিডিও। দেড়-দুই হাজার বছর আগে প্রবর্তিত 'নৈতিকতা' বর্তমান যুগে কেন একেবারেই অচল ও হানিকর, তা সরলভাবে বুঝিয়ে দেয়া হয়েছে এতে। অতিঅবশ্যদ্রষ্টব্য। 

অলৌকিক ঘটনা আর ঘটে না কেন


পাঠিয়েছেন শয়তানের চ্যালা


রবিবার, ২৬ জুন, ২০১১

প্রিয় পুরনো পোস্টগুলো – ৫৩


ধর্মকারীতে পোস্টের সংখ্যা সাতাশশো ছাড়িয়ে গেছে। এই সাইটের খোঁজ যেসব পাঠক সম্প্রতি পেয়েছেন বা ভবিষ্যতে পাবেন, তাঁদের পক্ষে আগে প্রকাশিত মজাদার পোস্টগুলো খুঁজে নেয়া ব্যাপক শ্রম- ও সময়সাধ্য ব্যাপার হবে ভেবেই হারানো-দিনের-পোস্ট ধরনের এই সিরিজের অবতারণা। পুরনো পাপীরাও এই সুযোগে স্মৃতিচারণ করে নিতে পারেন 

প্রতি পর্বে আমার বিশেষ প্রিয় পাঁচটি পোস্টের লিংক দেবো সংক্ষিপ্ত বর্ণনাসহ। শুরু করেছি ধর্মকারীর আদিকাল থেকে।

১. আমার বোরখা-ফেটিশ – ১০ (গান, ভিডিও) 
২. যিশুর ওইটা কী? (বিনোদন সংবাদ) 
৪. এ কী শুনি! (ভিডিও) 

আগের পর্বগুলো দেখতে নিচের "কাসুন্দি" ট্যাগে ক্লিক করুন। 

মুসলিম জাহানে কার্টুনাতঙ্ক - ০৯



আমাদের আত্মীয়েরা – ২৭


অপার কৌতূহল আছে বানরেরও। বিবিসি-র Clever Monkeys নামের ডকুমেন্টারি থেকে নেয়া দু'মিনিটের ভিডিও।

কনডম ভণ্ডামো



ঐশী মানেই ভুয়া


এক মহিলা এয়ারপোর্টে আইসা কইলো, এক প্লেনের ভিত্রে বোমা রাখা আছে। তারে জিগাইল, তুমি কইত্তে জানো? সে কয়, আল্লাহ তারে মেসেজ দিসে। ইমেইলে, মোবাইলে নাকি চ্যাটে, সেইটা অবশ্য জানা যায় নাই। 

রিপোর্ট পাইয়া সাথে সাথে এয়ারপোর্ট ২০ মিনিটের জন্যে ক্লোজড। পুরা খোঁজ দ্য সার্চ দিয়া দেখা গেল, ঈশ্বরের মেসেজ বরাবরের মতোনই ভুয়া। 

মহিলারে ধইরা মেন্টাল হেলথ ফ্যাসিলিটিতে আটকায়া রাখলো। কিন্তু এইটা কি ঠিক কাম হইলো? দেড়-দুই হাজার বছর আগে যারা কোনও প্রমাণ ছাড়াই ঈশ্বর-আল্লাহর মেসেজ পাইসে বইলা দাবি কইরা নবী-রসুল হয়া বইসা আছে, তাগোর মানসিক সুস্থতা নিয়া তো কথা ওঠে না! তারাও তো হয় মেন্টাল কেইস, নয় পুরাই ধড়িবাজ! পাবলিকে এই সোজা কথাটা ক্যান যে বুঝে না! 

যিশু যদি আমেরিকান হতেন



আরও একটি নাস্তিক্যবাদী ছবি?


এক গোঁড়া খ্রিষ্টান আর এক নাস্তিকের দ্বন্দ্ব নিয়ে তৈরি এক ছবি The Ledge মুক্তি পেয়েছে গত মে মাসে। সেই ছবির একটি অংশ ও ট্রেইলার দেখে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নিন। আমি খুব বেশি মুভিভক্ত নই বলে দেখিনি এখনও। পাঠকদের কাছ থেকে তেমন প্রতিক্রিয়া পেলে দেখে ফেলতেও পারি 

যুক্তি পরীক্ষা



শনিবার, ২৫ জুন, ২০১১

বিশ্বাসে মেলায় পুত্র?


আমরা, ধর্মহীনেরা, সব সময় ধর্মগুলোর সমালোচনায় মগ্ন। অথচ একটিবারও ভেবে দেখি না, পৃথিবীতে ধর্ম না থাকলে কত্তো বিনোদন থেকে আমরা বঞ্চিত হতাম! 

নিচের বিনোদন সংবাদের লিংক পাঠিয়েছেন মালা আলম। 

একটি পুত্রের আশায় ৩৭ বছর গোসল করেন না কৈলাস
শনিবার, ২৫ জুন ২০১১

আরিফ আহমেদ: ৬৫ বছরের প্রবীণ কৈলাস সিং ১৯৭৪ সালে বিয়ে করেন। বিয়ের কিছুদিন পর থেকে এ পর্যন্ত একটি দিনের জন্যও তিনি গোসল করেননি। শুধু তাই নয়, এতগুলো বছর কোন নাপিতকে স্পর্শ করতে দেননি তার চুল বা দাড়ি-গোঁফ। তার ৬ ফুট দীর্ঘ চুল নির্বিঘ্নে বেড়েছে। নিজের বিচিত্র এ সিদ্ধান্তের ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে কৈলাস সিং বলেন, তিনি এক সন্ন্যাসীর কাছে গিয়েছিলেন। ওই সন্ন্যাসী তাকে বলেছিলেন, তার উপদেশ অনুসরণ করলে কৈলাস একটি সৌভাগ্যবান পুত্র-সন্তান লাভ করবেন। যে বংশের ধারাকে টিকিয়ে রাখবে। অথচ, সন্ন্যাসীর সেই ভবিষ্যদ্বাণী দীর্ঘ ৩৭ বছরেও সফল হয়নি। কারণ, কৈলাস একে একে ৭টি কন্যা-সন্তানের জনক হয়েছেন। এতো কিছুর পরও তাকে দমাতে ব্যর্থ হয়েছেন সবাই। কৈলাস সিংয়ের স্ত্রী কলাবতী দেবী (৬০) বলেছেন, আমার স্বামীর এ ধরনের অবিবেচনা প্রসূত সিদ্ধান্তের কথা শোনার পর আমি তাকে তিরস্কার করেছিলাম। এক পর্যায়ে কান্নাকাটিও করেছিলাম। এমনকি তার সঙ্গে এক বিছানায় ঘুমাবো না বলেও তাকে সাবধান করে দিয়েছিলাম। কলাবতী দেবী বলেন, তিনি আমার স্বামী। সে কারণে আমার এর বেশি আর কিছু করার ছিল না। এদিকে ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা একবার জোর করে তাকে নদীতে ফেলে গোসল করানোর প্রচেষ্টার কথাও স্বীকার করেন। স্ত্রী কলাবতী জানান, তিনি আমাদের সঙ্গে একরকম লড়াই করেই পালিয়ে গিয়েছিলেন। তিনি বলেন, এরপর থেকে বহুবার চেষ্টা করেও তাকে গোসল করাতে ব্যর্থ হয়েছি। আমার স্বামী বলেন, তিনি মরতেও রাজি, তবে গোসল কিছুতেই করবেন না। শুধু একটি পুত্র-সন্তানই তার এ কঠিন ব্রতকে ভাঙতে পারে। বহু বছর পার হয়ে গেছে। এখন আমি এতেই অভ্যস্ত হয়ে গেছি। অবশ্য যত দুর্নামই থাকুক, কৈলাস সিং যে নিজেকে পরিষ্কার রাখার কোন চেষ্টাই করেন না, তা ঠিক নয়। প্রতিদিন সন্ধ্যায় তিনি অগ্নিস্নান বা আগুনের উত্তাপে গোসল করেন। এরপর গাঁজা সেবন করেন, হিন্দু শিব দেবের পূজা করেন ও আগুনের চারপাশে নৃত্য করেন। তার বিশ্বাস, এতেই পরিচ্ছন্নতা বা পরিশুদ্ধি অর্জন করা যায়। ৪৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসের প্রচণ্ড গরমে সারাদিন ধরে গরু চরিয়ে ও মাঠের কাজ শেষে ঘর্মাক্ত শরীরে ঘরে ফেরেন কৈলাস। আর তারপর চলে অগ্নিস্নান। গ্রামের মানুষ ও প্রতিবেশীরা তাকে প্রায়ই তিরস্কার করলেও তিনি ঈশ্বরের ইচ্ছা পূরণ করছেন বলে দাবি করেন। তিনি বলেন, সাইকেল চালিয়ে গ্রামের মধ্য দিয়ে যাওয়ার সময় শিশুরা আমাকে দেখে তিরস্কার করে। গোসল না করার জন্য বহু মানুষ আমাকে তিরস্কার করেন। তবে আমার এ সিদ্ধান্ত পরিবর্তিত হবে না। কারণ, এটা আমার নয়, ঈশ্বরের ইচ্ছা। অবশ্য, কৈলাসের ১৬ বছরের মেয়ে পূজা জানায়, পিতার অদ্ভুত সিদ্ধান্ত তাকে আরও জনপ্রিয়তা এনে দিয়েছে। পূজা বলে, আমার স্কুলের বন্ধু-বান্ধবরা আমার পিতাকে এক নজর দেখতে ও সাক্ষাৎ করতে বেশ আগ্রহী। তিনি কিভাবে বিনা গোসলে এত বছর বেঁচে আছেন, তাও জিজ্ঞেস করে। প্রথমদিকে রাগ হলেও, পরিবারের সদস্যদের কাছে ব্যাপারটা এখন স্বাভাবিক। যত যাই হোক, কৈলাস সিংয়ের শেষ কথা, আমার কোন পুত্র-সন্তান নেই। আর তাই, আমি আর কোনদিন গোসল করবো না। তবে, হয়তো পুনর্জন্মের পর আমি আবার গোসল করবো।

ধর্মটোপ



নূরানী অন্ধকারে যাদের বাস


কানাডার টরন্টোয় এক মসজিদে শরিয়া আইন অনুযায়ী চোরের হাত কেটে নেয়া, পরপুরুষ- বা পরনারীগমনের ('ব্যভিচার' শব্দটি আমার কাছে কুৎসিত ঠেকে) কারণে নারীকে পাথর ছুঁড়ে হত্যার সপক্ষে কথা বলা হয়েছে।

বুঝি না, এরা কেন যে সেই দেশগুলোয় যায় না, যেখানে তারা আপন মনের মাধুরী মিশায়ে পাথর ছুঁড়িয়া মারিলে বা তস্করের হস্তদ্বয় শরীর থেকে অলাদা করে ফেললে সেটাকেই গণ্য করা হবে ন্যায়বিচার হিসেবে!

এ নিয়ে বারো মিনিট দীর্ঘ ভিডিও রিপোর্ট। 

ইছলামী আইফোন



ক্যান্সার ও এইডস এখন নিরাময়যোগ্য


বিশ্বাসনির্ভর নিরাময় পদ্ধতি বা ফেইথ হীলিং-এর কাছে ক্যান্সার-এইডসও এখন তুচ্ছ ব্যাপার! কেন যে বৈজ্ঞানিকেরা গবেষণা নামের পণ্ডশ্রমে নিজেদের জড়ায়! 

বিবিসি-তে বাইশে জুনের রিপোর্ট। 

তোরা যে যা বলিস, ভাই...


... আমার শোনার সময় নাই। আমি এক-বইয়ের পাঠক।


যিশু না দেখলেই হলো



শুক্রবার, ২৪ জুন, ২০১১

অপচয়


লিখেছেন থাবা বাবা 

এক নাস্তিকের সমাধিলিপি পোস্টটা পড়ে আমার নিজের একটা লেখার কথা মনে পড়ে গেল। প্রায় বছরখানেক আগের লেখা। 

ছোটবেলার একটা কথা দিয়ে শুরু করি! আমি তখন বেশ ছোট। মা'র চাকরির সুবাদে সারাদিন বাসায় দাদীর কাছে থাকতাম। দাদীই জোর করে ধরে-বেঁধে খাওয়াতেন। এক একটা লোকমা বানিয়ে এটা হাঁসের ডিম ওটা বকের ডিম ইত্যাদি বলে বলে খাওয়ানোর কথা এখনো মনে আছে। আমার পিচ্চি ভাগ্নিকে যখন তার দাদী এখন সেভবেই খাওয়ায় আমার নিজের দাদীর কথা মনে পড়ে যায়। সে কথা থাক!

একটু বড় হয়ে যখন নিজের হাতে খেতে শিখলাম, আমাকে তখন থালায় করে নিজের হাতে খেতে দেয়া শুরু হলো তখন খেতে বসে থালা থেকে ভাত মুখে যাবার থেকে মেঝেতে বা টেবিলেই বেশী ছড়াতো। সেটা দেখে দাদী কী করতেন মনে নেই। তবে আরো একটু বড় হবার পর মানে আমার মধ্যে খানিকটা ধর্মীয় সংস্কার ইনজেক্ট করার পর এরকম ভাত পড়লে দাদীর কাছে যে বকুনিটা শুনতে হতো সেটা হলো ভাত নষ্ট করতে হয় না। ভাত নষ্ট করলে প্রতিটা ভাতের দানার জন্য দোজকে সত্তুরটা সাপ এসে আমাকে কামড়াবে। প্রশ্ন করতাম "কেন"? দাদী খুব ধৈর্যের সাথে উত্তর দিতেন "দানা নষ্ট করতে হয় না। দানা আল্লার দান, তাই দানা নষ্ট করলে আল্লার গুনাহ দেন", গুনাহ শব্দের অর্থ তখন মোটামুটি বুঝতে শিখেছি। আর দাদীর কাছে কাসাসুল আম্বিয়ায়ার দোজকের গল্প শুনে ভয় ভালই হতো। তাই চেষ্টা করতাম কতো কম সাপের কামড় খাওয়া যায়। 

মোটামুটি ৭০টা সাপের কামড়ে অভ্যস্ত হয়ে যাবার পর আমার মাথায় প্রশ্ন আসা শুরু করলো। আচ্ছা, রুটি নষ্ট করলে কয়টা সাপে কামড়াবে? রুটি হয় আটা থেকে, আটা যে গম থেকে হয় আর গম যে "দানা" সেটা আমার জানা ছিল না তখন। তাই দাদীকে জ্বালাতাম যে, এক টুকরা রুটি নষ্ট করলে কয়টা সাপে কামড়াবে বলে। দাদী উত্তর দিতে পারতেন না। শুধু রুটি না দুধ, কলা, সুজি, ইত্যাদি যে সব জিনিস দানা না সেগুলো নষ্ট করলে কতোগুলো সাপে কামড়াবে! দাদী প্রশ্নের উত্তর দিতে পারতেন না, সেটাই স্বাভাবিক। তবে প্রশ্নে প্রশ্নে জর্জরিত হয়ে দাদী রেগে যেতেন এতো প্রশ্ন করতাম বলে! যে কথা বলে আমার অন্যান্য ভাই-বোনদের ঠাণ্ডা করতে পারতেন সেটা বলে আমাকে ঠান্ডা করা যাচ্ছে না দেখে শেষে বিরক্ত হয়ে আসল কথাটা বলতেন যে খাবার নষ্ট করা গুনাহর কাজ, অন্যায়! তবে বড় হতে হতে এই শিক্ষাটা দাদীর কাছে পেয়েছি যে, অপচয় করা অন্যায়!

নিত্য নবীরে স্মরি – ৩৫



নির্ধর্মীয় সঙ্গীত: Hasa Diga Eebowai


অ্যাত্তো মজাদার ব্ল্যাসফিমাস গান আর শুনেছি বলে মনে হয় না। একেবারেই 

বড়োই মনোগ্রাহী সুর, সরস, বুদ্ধিদীপ্ত লিরিকস। ভাবছেন, Hasa Diga Eebowai মানে কী? উগান্ডার ভাষায় এর মানে হলো... না, বললে মজা নষ্ট হয়ে যাবে। অতি উৎসাহীরা গুগলিয়ে মানে বের করে পরে গান শুনলে অনেকখানি মজা থেকে বঞ্চিত হবেন কিন্তু। 

ভিডিও, অডিও, লিরিকস এবং অডিও ডাউনলোড লিংক দেয়া হলো। অবশ্য ভিডিওটা ঠিক ভিডিও নয়। তাতে লিরিকস এমবেড করা শুধু।

গানটিতে কড়া শব্দের প্রয়োগ আছে। অতএব ইমোটা খিয়াল কৈরা! 

ঈশ্বরের খোঁজে নতজানু, পরে ক্ষত জানু, শেষে হত জানু



হ্রস্বরসবাক্যবাণ – ১৩


১.

বেহেশত - পতিতালয়ের ভদ্র সংস্করণ।
(পাঠিয়েছেন আঁধার রাতের উজ্জ্বল প্রদীপ

২. 
শয়তানের লুকনোর জন্য শ্রেষ্ঠতম স্থান - উপাসনালয়। 
(সংগৃহীত) 

৩. 
এমনিতেই পশ্চাদপদ মুসলমানেরা চান্দ্র বৎসর অনুসরণ করার কারণে প্রতি বছর বাকি দুনিয়া থেকে আরও এগারো দিন করে পিছিয়ে পড়ছে  

মুখপানে চেয়ে দেখি, ভয় হয় মনে...



শিরা-ঈশ্বরী


ভাইয়েরা, হাইসেন না, এক ধর্মভূতাক্রান্ত মহিলা তার শরীরের শিরায় god-এর নাম দেখতে পাইসে। বেচারি খুব কঠিন সময়ের ভিতর দিয়া যাইতেসে এবং তার ধারণা, তার প্রার্থনার ফলস্বরূপ ঈশ্বর তারে দেখা দিসে। আর তাই তার সব মুশকিল আসান হয়া যাবে খুব তাড়াতাড়ি। 

ফক্স নিউজ খবরটার হেডিং দিসে: Kansas woman sees God's name in vein. আমার মনে হইলো, শেষ শব্দটায় e-এর বদলে a বসায়া দিলে সঠিক হইতো। 

তিরিশ সেকেন্ডর ভিডিও-রিপোর্ট দেইখা নিতারেন। 

বোরখা মানে পর্দা, অতএব পর্দা মানেও বোরখা


অনুবাদ ও ফটোমাস্তানি: টুনাটুনি


বৃহষ্পতিবার, ২৩ জুন, ২০১১

মানুষের জীবনের চেয়ে ধর্মবিশ্বাস বেশি মূল্যবান!


এগারো বছর বয়সী মুসলিম মেয়ে কাফেরদেরকে হত্যা করতে উন্মুখ। সে কথা সে অকপটে বলছে টিভিতে।

এই মেয়েটিকে কি দোষ দেয়া যায়? একদমই নয়। তার বিশ্বাসপ্রবণ শিশুমস্তিষ্কে একেবারে শৈশব থেকে সেঁধিয়ে দেয়া হয়েছে এই অপধারণা। তাকে আরও শেখানো হয়েছে, এই পার্থিব জীবন তুচ্ছ। আখেরাতই আসল জীবন।

ধিক সেই বাস্তবতারহিত ধর্মগুলোকে, যেগুলো শিক্ষা দেয়: মানুষের জীবনের চেয়ে ধর্মবিশ্বাস বেশি জরুরি, গুরুত্বপূর্ণ ও মূল্যবান।  

এক নাস্তিকের সমাধিলিপি


মুত্যুর পরে সমাধিস্থ হয়ে এই পৃথিবীতে একটি জায়গা দখল করে থাকার যৌক্তিকতা আমি দেখি না এবং ব্যক্তিগতভাবে মনে করি, শরীরের দানযোগ্য অঙ্গ-প্রত্যঙ্গগুলো কেটে নেয়ার পরে বাকি অংশটুকু ক্রেমাটরিয়ামে পুড়িয়ে ফেলাটাই উত্তম। আবারও বলি, এটা আমার নিজস্ব ধারণা। 

কথাগুলো বললাম এক নাস্তিকের সমাধিস্থলের ছবি দেখে। সমাধিফলকে খচিত বাক্যগুলো পছন্দ হলো। 


প্রিয় পুরনো পোস্টগুলো – ৫২


ধর্মকারীতে পোস্টের সংখ্যা ছাব্বিশশো ছাড়িয়ে গেছে। এই সাইটের খোঁজ যেসব পাঠক সম্প্রতি পেয়েছেন বা ভবিষ্যতে পাবেন, তাঁদের পক্ষে আগে প্রকাশিত মজাদার পোস্টগুলো খুঁজে নেয়া ব্যাপক শ্রম- ও সময়সাধ্য ব্যাপার হবে ভেবেই হারানো-দিনের-পোস্ট ধরনের এই সিরিজের অবতারণা। পুরনো পাপীরাও এই সুযোগে স্মৃতিচারণ করে নিতে পারেন 

প্রতি পর্বে আমার বিশেষ প্রিয় পাঁচটি পোস্টের লিংক দেবো সংক্ষিপ্ত বর্ণনাসহ। শুরু করেছি ধর্মকারীর আদিকাল থেকে।

১. দোজখের টিকেট (পোস্টার)
২. পাপমুক্তি পানীয় (ভিডিও)
৩. মানুষের রচনা ঐশী হয় কীভাবে! (ভিডিও)
৪. উপরতলায় ফিটফাট... (বিনোদন সংবাদ)
৫. কথাটা কি ভুল?

আগের পর্বগুলো দেখতে নিচের "কাসুন্দি" ট্যাগে ক্লিক করুন।

ধর্মধ্বংসী বেয়াড়া বিজ্ঞান



ঈশ্বরের খুঁতক্লিষ্ট পরিকল্পনা


কু-রূপকথা থেকে নেয়া কাহিনী: নুহ-এর মহাপ্লাবনের সময় নৌকোয় উভয় লিঙ্গের একটি করে প্রাণী তোলা হয়েছিল, যাতে প্রজননপ্রবাহ অব্যাহত থাকে। বিশ্বাসীরা ভাবে, আহা, কী দূরদর্শী পরিকল্পনা! কিন্তু ত্যাঁদড়, হতচ্ছাড়া অবিশ্বাসীরা শান্তিতে থাকতে দিলে তো!

খুবই উপভোগ্য তিন মিনিটের ভিডিও। 

ইসলাম নারীকে দিয়েছে সর্বোচ্চ সম্মান - ০১


আরও একটি সিরিজ শুরু করার প্রস্তাবসহ পোস্টারটি বানিয়ে পাঠিয়েছেন দাঁড়িপাল্লা (গুমর ফাঁক)। অতএব পাঠকদের সক্রিয় অংশগ্রহণ কাম্য। 


প্যাট্রিক কন্ডেল: আমাদের লোক – ৩৯


পলিটিক্যালি কারেক্ট থাকার তাগাদায় শুগার-কোটেড কথা বলা ধাতে নেই প্যাট কন্ডেলের। বিষের নামটি তিনি অবলীলায় বলে ফেললেন। দুর্ধর্ষ এই ভিডিও থেকে যথারীতি কিছু উদ্ধৃতি:

... with the rapist in the video specifically citing his religion as justification, and claiming that his religion entitles him treat women any way he likes. Can anyone guess what religion that might be? I'll give you a clue: In countries where this religion calls the shots a woman who is raped is likely to be charged with adultery and thrown in prison. She'll need four male witnesses to prove the charge, when the only male witnesses likely to be available are the rapists themselves. (The testimony of women and non-Muslims is not allowed. In this way, by making it virtually impossible for a raped woman to receive justice, the religion of Islam condones and encourages rape.

A woman in Islam needs to be covered from head to toe because men are not expected to exhibit any kind of basic self-control. I get a lot of correspondence from angry Muslim males and I've lost count of the number of times I've been told that western women are asking to be гаped because of the way they dress. rNo other religion teaches people to think like this.

... But nobody wants to name the problem. We keep dancing around it with euphemism and evasion for fear of causing offence. Well, then I'll name it, shall I? It's Islam. That's the problem.

... It needs to be named, it needs to be shamed. It needs to be confronted and challenged openly, loudly, and often, without apology, until its eliminated forever, for the sake of all humanity.

... And yes, some Muslims will be offended because some Muslims are always offended. 

মাত্র পাঁচ মিনিটের অবশ্যদ্রষ্টব্য স-সাবটাইটেল ভিডিও।

প্রশ্ন নয়, চাই নিঃশর্ত আনুগত্য



বুধবার, ২২ জুন, ২০১১

রাষ্ট্র, আজই তোমার নুনু কাটাও


লিখেছেন আখতারুজ্জামান আজাদ

মানুষের জন্মের পর কানে কানে আজান দিতে হয়,
রাষ্ট্রের জন্মের পর কানে কানে আজান দিতে হয় না।

মানুষ কলেমা পড়ে, নামাজ পড়ে;
রাষ্ট্র বকলম, বেনামাজি।

মানুষ বিয়ে করে, সোহবত করে,বালবাচ্চা হয়;
রাষ্ট্র বিয়ে করে না, সোহবত করে না, বালবাচ্চা হয় না।

মানুষ মরে গেলে গোসল করাতে হয়, জানাজা পড়াতে হয়;
রাষ্ট্র মরে গেলে গোসল করাতে হয় না, জানাজা পড়াতে হয় না।

মানুষের নুনু আছে, মানুষের নুনু কাটাতে হয়;
রাষ্ট্রের নুনু নেই, রাষ্ট্রের নুনু কাটাতে হয় না।

মানুষের ধর্ম আছে, মানুষের ধর্ম থাকতে হয়;
রাষ্ট্রের ধর্ম নেই, রাষ্ট্রের ধর্ম থাকতে হয় না।

রাষ্ট্র,
যদি তুমি ধার্মিক হও,
তবে আজই তোমার নুনু কাটাও!

বিলবোর্ড যখন নাস্তিকদের দিল-বোর্ড


ওহাইয়োর কলম্বাসে শুরু হয়েছে নাস্তিক্যবাদী প্রচারণা "আউট অভ দ্য ক্লজেট"। এ উপলক্ষে ঝোলানো হয়েছে সাত ধরনের বিলবোর্ড। সব কটিই চমৎকার। নিজেই দেখুন।