লিখেছেন রেখেছো নারী করে মানুষ করোনি
একটি কৌতুক পড়েছিলাম, যেখানে প্রশ্ন করা হয়:
- বলুন তো, ঈশ্বর কখন বেশি অখুশি হয়?
- যখন কোনো ধর্ষিতার মা আকাশের দিকে চেয়ে ঈশ্বরের উদ্দেশে আর্তনাদ করে বলে, হায় ঈশ্বর! এ তুমি কী করলে!
কৌতুকটি আমায় ভাবালো। কারণ ঈশ্বরের তো বরং খুশি হওয়ার কথা। কেননা তার উম্মতেরা (পুরুষেরা) তার মনোনীত পথেই তো চলছে। শস্যক্ষেত্রের ওপর যেমন খুশি তেমন তাদের শস্য ফলাচ্ছে। শিশ্ন দ্বারা ধর্ষণ করে চলছে।
পৃথিবীর অনেক প্রান্তেই ধর্ষণ বর্তমানে ডাল-ভাত। আর এই ধর্ষণকে বৈধতা দেয়ার একমাত্র চাবিকাঠি বিয়ে।ইসলামি শরিয়তী বিধি অনুযায়ী - স্বামী কর্তৃক স্ত্রী ধর্ষণ-কর্ষণ-মর্দন যা-ই করুক না কেন, সবই বৈধ।
নারী মাংসের ভেতর সবচেয়ে সুস্বাদু হয়ত কচি মেয়ের মাংস। আর তাই বাল্য বিবাহ ইসলামী দেশ ছাড়াও আরো অনেকে দেশেই সগৌরবে বিজয় পতাকা উড়িয়ে চলছে।
এক্ষেত্রে ইসলাম যদিও এককাঠি সরেস। যেখানে মুহম্মদ নিজেই আয়েশাকে ৬ বছর বয়সে বিয়ে করেছেন সেখানে বাল্যবিবাহ তো রীতিমতো সুন্নত!
চলুন, আজ এক নুজুদ আলীর গল্প শুনা যাক: