বৃহষ্পতিবার, ৩১ মার্চ, ২০১১

নির্দয় ধর্মধোলাই


এই ক্ষ্যাপা লোকটির কথার ধরনে বড়োই আমোদিত হই। মুগ্ধ হই তাঁর সরল অথচ তীক্ষ্ণ যুক্তিতে। নির্দয় ধর্মধোলাইয়ের উৎকৃষ্ট উদাহরণ।

ধর্মপ্রচারের মহাসমুদ্রে কয়েক ফোঁটা নিরীশ্বরীয় বাণী


পুরো এপ্রিল মাস জুড়ে আমেরিকার নর্থ ক্যারেলিনায় ১২টি নিরীশ্বরবাদী বিলবোর্ড ঝুলবে। ধর্মপ্রচারের মহাসমুদ্রে কি আবার ঢেউ তুলবে এই কয়েক ফোঁটা নিরীশ্বরীয় বাণীর প্রচার? সহজ, সরল ও আন্তরিক বক্তব্যসমৃদ্ধ এবারের বিলবোর্ডগুলোও পছন্দ হলো আমার। 




ঘটকের ভূমিকায় ঈশ্বর


খ্রিষ্টধর্মঅন্তপ্রাণদের জন্য এক ডেটিং সাইট চোখে পড়লো। সাইটে লেখা কিছু কথা পড়ে বিনোদিত হলাম খুব। যেমন, সাইটের স্লোগান: Find God's match for you.
অর্থাৎ ঈশ্বর আপনার অর্ধাঙ্গিনী ঠিক করে রেখেছেন, এবং তাকে খুঁজে পেতে হলে এই সাইটের সাহায্য নিতে হবে।ধারণা করতে পারি, সাইট-পরিচালকের সঙ্গে ঈশ্বরের স্কাইপ-যোগাযোগ আছে নিয়মিত।

এই সাইট ব্যবহার করে জীবনসঙ্গিনী খুঁজে পেয়েছে, এমন দু'জনের কথাও লেখা আছে সেখানে: ... we both felt strongly that this relationship was indeed from the lord... 
খ্রিষ্টানরা যেহেতু বিশ্বাস করে, ঈশ্বরের সঙ্গে আছে তাদের ব্যক্তিগত সম্পর্ক, তাহলে এই তিনজনের সম্পর্ককে ত্রিভুজ প্রেম বলবো? নাকি থ্রিসাম?

'নিকাব পরা মেয়েরা ময়লা ফেলার ব্যাগের মতো'


নিকাব পরা মেয়েরা ময়লা ফেলার ব্যাগের মতো - এই তুলনাটি করেছেন লেবাননের প্রাক্তন মন্ত্রী Wiam Wahhab।

গত ‌১৪ মার্চ লেবাননের ওটিভি-তে সাক্ষাৎকার দেবার সময় তিনি এ কথা বলেন। তাঁর সাক্ষাৎকার-এর ভিডিও দেখুন। ট্র্যান্সক্রিপ্ট তার নিচে। 

ছুপা নাস্তিকদের সমস্যা



কু-রূপকথার কারবারিদের প্রতিহত করুন


ধর্ম নামের উৎকট কু-রূপকথার কারবারিদের সমাজের সর্বত্র নাক গলানোর ক্ষতিকর প্রবণতা প্রতিহত করা অতি আবশ্যক। তারা তাদের উপাসনালয়গুলোয় যা খুশি করুকগে। সে নিয়ে কোনও মাথাব্যথা আমাদের নেই। তবে গোটা বিশ্বকে তাদের পছন্দমাফিক চলতে হবে কোন যুক্তিতে?  

আমেরিকার খ্যাতনামা অ্যাস্ট্রোফিজিসিস্ট Neil deGrasse Tyson অসীম বলিষ্ঠতার সঙ্গে, অকাট্য যুক্তি দিয়ে এই কথাগুলোই বললেন। এইরকম দৃঢ়চেতা, স্পষ্টবাদী ও যুক্তিবান লোকেরই দরকার এই যুগে। 

অসাধারণ ভিডিও বলেই অবশ্যদ্রষ্টব্য। মাত্র সাড়ে তিন মিনিটের। 

বেছে নিন



বাংলায় বান্দা-শরিফ (বান্দা-আয়াত সমগ্র)


খোমাখাতায় একদল কাফের কোরানের মতো পবিত্র কিতাবের ভাষারীতি অনুসরণ করে রচনা করতে শুরু করেছে বান্দা-শরীফ নামের একটি গ্রন্থ (ইয়া মাবুদ, তুমি ইহাদের তরে জাহান্নাম অপেক্ষা বাহাত্তর গুণ ভয়ঙ্কর দোজখ নির্মাণ করো!)। 

এই সিরিজটি সেই ফেসবুক গ্রুপের মডারেটরের অনুমতিক্রমে প্রকাশ করা হচ্ছে, যিনি  ধর্মকারীর পাঠকদেরকে আহ্বান জানিয়েছেন বান্দা-শরীফ রচনায় অবদান রাখতে।  


পোস্তে দে মোআম্ন
নাজিল হয়েছে Iqram Hussain-এর ওপরে 
তোয়াহাশিতে অবতীর্ণ , আয়াত সংখ্যা - অজ্ঞাত

পরম বাঁশ-প্রদায়ক ও কঠিন দয়ালু কাবজাবের নামে শুরু করছি ।

১ : ৎ ঞ ষ

২ : এটি সেই পোস্ট যা সকল অন্ধকারকে দূরীভূত করে, আলো আনয়ন করে ও গাব গাছের তলায় পানি দেয় ।

৩ : তোমার কি মনে নেই , তোমার প্রভু কাবজাব তোমাকে পেয়েছিলেন অন্য নামে , অতঃপর তিনি তোমার নাম দিলেন পাখি ।

৪ : অনন্তর তোমার প্রভু প্রতিজ্ঞা করলেন তোমাকে দেবেন এক মহাপোস্ট সিরিজ, যা চলবে চল্লিশ বৎসর কাল, আর যাতে থাকবে মানবকূলের জন্য এক পরিপূর্ণ জীবন ও ব্লগব্যবস্থা , নিশ্চয়ই তিনি প্রতিজ্ঞারক্ষায় পিছপা হন না ।

৫ : বল, হে জনপদের অধিবাসীরা , তোমাদের জন্য আমি সুখবর আনছি পরম বাঁশপ্রদায়কের নিকট থেকে এক মহাসিরিজের, কিন্তু তার জন্য তোমাদের পূরণ করতে হবে একটি শর্ত ।

৬ : তারা বলে, পরমপ্রভু চাইলেই পারেন হাজার হাজার মহাসিরিজ নাযিল করতে , তবে কেন তিনি শর্ত জুড়ে দেন ।

৭ : তুমি বলে দাও, আকাশমন্ডলি এবং সামু আমু আলু ব্লগের অধিপতি কাবজাব অবশ্যই পারেন ; কিন্তু তিনি যা ইচ্ছা করেন ও যা ইচ্ছা করা থেকে বিরত থাকেন, আর বান্দার প্রতি তিনি সিরিজ নাযিল করেন পরীক্ষার মাধ্যমে ।

৮ : অবশ্যই তোমাদের কল্যাণের জন্যই তিনি শর্ত জুড়ে দেন , এবং তিনি জানেন অজ্ঞাত বস্তুর সম্পর্কে, যা তোমরা জানো না ।

৯ : শপথ জানা ও আঢ়িলের, আরো শপথ কলু ও ত্রিভুজের ।

১০ : নিশ্চয়ই কাবজাবের শর্ত পালনের মধ্যেই ব্লগারকুলের কল্যাণ নিহিত ।

বুধবার, ৩০ মার্চ, ২০১১

নাস্তিক বনাম সৃষ্টিতত্ত্ববাদী


ছোট্ট, মজাদার ভিডিও-কার্টুন।

যথার্থ ইসলামী বিচার


ধর্ষিতা হবার 'অপরাধে' মেয়েকেই শাস্তি দেয়ার বিধান ইসলাম ছাড়া আর কোনও ধর্মে আছে কি না, জানি না। আর থাকলেও চর্চিত হয় বলে মনে হয় না। তবে ইসলাম তো পরিবর্তনে বিশ্বাসী নয়। চোদ্দশো বছর আগে পাওয়া অমানবিক, মধ্যযুগীয়, বর্বর নীতিরীতির অন্ধ অনুসরণ অনগ্রসর মুসলিম জাহানকে অন্ধকারাচ্ছনই করে রাখে। 

আরব আমিরাতের এক পাঁচতারা হোটেলে কর্মরতা এক অস্ট্রেলীয় মহিলাকে রাসায়নিক দ্রব্য মিশ্রিত অ্যালকোহল খাইয়ে ধর্ষণ করে তাঁর সহকর্মীরা। 


বিচারের জন্য আদালতের আশ্রয় নিলে আদালত তাঁকে আট মাসের জেল দেয়। বিবাহবহির্ভূত যৌনসম্পর্ক স্থাপনের দায়ে। 

ইসলামী বিচারব্যবস্থার প্রতি শ্রদ্ধায় মস্তক অবনত হয়ে আসে আমার। 

কৌতুকার্টুন



ছবিতে বিবৃত কৌতুকটি আগে ধর্মকারীতে বাংলায় প্রকাশিত হয়েছিল ধর্মাতুল কৌতুকিন সিরিজে।

হিচেন্সীয় যুক্তি-হাতুড়ি


মানুষের দুর্বল মুহূর্তে তাকে ধর্মগ্রহণের বা ধর্মান্তরিত করার অভিসন্ধি নিয়ে ওত পেতে থাকে ধর্মবানেরা। মৃত্যুশয্যায় শায়িত বা ভয়াবহ অসুস্থ অনেককে প্ররোচিত তারা হয়তো করতে পারে। কিন্তু সেটা কতোটা নৈতিক ও মানবিক? হিচেন্স এই প্রশ্নের লা-জবাব জবাব দিলেন! হিচেন্সীয় হিকমতী যুক্তি-হাতুড়ির জুতসই আঘাতে চুরমার হয়ে গেল ধর্মীয় ভণ্ডামির ভালোমানুষি মুখোশ।

মাত্র আড়াই মিনিটের অবশ্যদ্রষ্টব্য ভিডিও।

নির্ধার্মিক মনীষীরা – ২৯



কোরানের সাধারণত্ব


মুসলমানদের দাবি, কোরানের ভাষামাধুর্য, কাব্যময়তা একেবারেই অতুলনীয় এবং তেমন আরেকটি গ্রন্থ রচনা করা আদৌ সম্ভব নয়। এছাড়া কোরান অসংখ্য বৈজ্ঞানিক তথ্যে ভরপুর! শুনলেই ইসলামী মনটা ভরে ওঠে গর্বে।

কিন্তু সত্য কথাটা হচ্ছে এই: কোরান আসলে একদল তৃতীয় শ্রেণীর পুরুষের রচিত অতি নিম্নমানের গ্রন্থ। বক্তব্যের দিক থেকে তো অবশ্যই। অজস্র পরস্পরবিরোধী আয়াত, হিংসা, উগ্রতা ও ঘৃণার অসহিষ্ণু বাণী - এসবের কারণে অবশ্য কোরানকে অ-সাধারণ বলতে আমার আপত্তি নেই। এতো অসুস্থ বক্তব্যের বইকে সাধারণ বলি কী করে? 

প্রচুর পড়াশোনা ও গবেষণা করে একটি ভিডিও বানিয়েছেন এক প্রাক্তন মুসলিম, মাতৃভাষা যাঁর আরবি।

ঈশ্বরের পিন্ডি শয়তানের ঘাড়ে - ২


লিখেছেন লাইট ম্যান

(যাঁরা প্রথম পর্ব মিস করেছেন তাদের জন্য লিংক) 

আদমের শরীরে যান্ত্রিক কলকব্জা স্থাপনের কাজ শেষ করে ঈশ্বর প্রস্তুতি নিতে থাকেন আদমের ‘জীবন দান’ কর্মসূচীর। ঈশ্বরের নির্দেশে স্বর্গের কয়েকজন দেবতা আদমকে চ্যাংদোলা করে তুলে এনে শুইয়ে দিল ছায়া ঘেরা বিশাল গাছের নীচে পরিপাটি করে রাখা খেজুর গাছের তক্তার তৈরী খাটিয়ার উপর। সেই গাছের বক্র ঢালে ঝুলিয়ে রাখা রক্তের ব্যাগ থেকে লম্বা সরু নলের সুঁচালো মাথা গোঁত করে গুতিয়ে ঢুকিয়ে দেওয়া হল আদমের ডান হাতের কব্জিতে। এরপর ঈশ্বর তাঁর কাঁধে ঝোলানো ব্যাগে হাত ঢুকিয়ে বের করে আনলেন “বিশুদ্ধ প্রাণবায়ু” লেবেলযুক্ত ছোট্ট শিশি। লম্বা সিরিঞ্জ দিয়ে ঈশ্বর এই শিশি থেকে কয়েক দাগ প্রাণবায়ু ফস্ বের করে পুশ্ করে ঠেসে ভরে দিলেন আদমের শুন্য কলিজায়।

চঞ্চল নেত্রে চাপা শোরগোল সহকারে দেবতারা ঈশ্বরের চারপাশ ঘিরে তীব্র উত্তেজনা নিয়ে দেখতে লাগল আদমের প্রাণদানের অতি দুর্লভ দৃশ্য, দমে তালা দিয়ে প্রবল উৎকন্ঠা নিয়ে দেবতারা উপভোগ করতে লাগল শ্বাসরুদ্ধকর সঞ্জীবনী পদ্ধতি প্রয়োগের জটিল ক্রীড়া-কৌশল।

রক্ত ও প্রাণবায়ু মিলেমিশে একাকার হয়ে আদমের প্রতিটি রগে রগে কিলবিলিয়ে চলাচল শুরু হলে ঝাঁকি দিয়ে কেঁপে কেঁপে শক্ত মাটি বুদ্বুদ্ শব্দে বিক্রিয়া করে পরিণত হল কোমল পেলব নরম মাংসে।

শরীরের কিছু কিছু গোপন স্থানে ও কিছু প্রকাশিত স্থানে মাংস ফুঁড়ে ধীরে ধীরে উঁকি মারতে শুরু করল গুচ্ছ গুচ্ছ কেশ রাশি।

নাস্তিক হবার আরও একটি খারাপ দিক


ঘোর দুর্যোগের সময় নাস্তিকেরা আস্তিকদের আগে মৃত্যুবরণ করে। কারণ... নিজের কানে শুনে নিন আঠারো সেকেন্ডের ভিডিও দেখে। ততোক্ষণে আমি গড়াগড়ি দিয়ে একটু হেসে নিই 

মঙ্গলবার, ২৯ মার্চ, ২০১১

মুসলিম জাহানে কার্টুনাতঙ্ক - ০২



কোরান: ঘৃণাবর্ষী বক্তব্যের অনন্ত খনি


কথাগুলো আমরা বললে ঘৃণাবর্ষী বক্তব্যের (হেইট স্পিচ) দায়ে অভিযুক্ত হতাম নিঃসন্দেহে। তবে সেসব কথা কোরানে আছে বলে তা পবিত্র, ঐশী। 

কোরানের কয়েকটি আয়াত নিয়ে তৈরি অভিনব ভিডিও। 

ক্রুশের ছবি – ০১

ক্রুশগুলো দেখতে খুব সুন্দর না?

বিশ্বাসীর অবিশ্বাস্য কীর্তি


ধর্মবিশ্বাস ব্যাপারটা অ-লৌকিক বলেই মনে হয় আমার। সুস্থবুদ্ধির লোকদের পক্ষে যা করা সম্ভব নয়, প্রবল ধর্মবিশ্বাস তার অনুসারীদের দিয়ে সেটাই করিয়ে নেয়। সুতরাং তা অ-লৌকিকই বটে! তেমন অ-লৌকিক ঘটনার অজস্র নিদর্শনের তালিকায় যোগ হলো আরও একটি।

এই ধরাধামে যিশুর দ্বিতীয় আগমন সমাসন্ন এবং বাইবেলেই উল্লেখ আছে তাঁর আগমন-পূর্ববর্তী বিশ্বব্যাপী সংকট, দুর্যোগ, দুর্ভিক্ষ, যুদ্ধ ও দুঃখ-কষ্টের অনিবার্যতার কথা (বাইবেলের ভাষায় Tribulation) - এই দুইয়ে মিলে এক ধর্মবতীর ধর্মময় মস্তিস্ককে অ-লৌকিক এক পদক্ষেপ নিতে বাধ্য করলো। নিজেকে এবং নিজের মেয়েদেরকে সম্ভাব্য এই নরকযন্ত্রণা থেকে মুক্তি দিতে সে নিজ হাতে মেয়েদেরকে হত্যা করে আত্মহত্যা করার উদ্যোগ নিলো। পরিকল্পনা মাফিক মেয়েদের গলা ছুরি চালিয়েছিল সে, কিন্তু একেবারেই অসময়ে তার এক বন্ধু তার বাসায় এসে পড়ায় পরিকল্পনা ভণ্ডুল তো হয়ে পড়ে। 

ভিডিও দেখুন।

বুদ্ধু বিধাতা - ০৪



উপাসনালয়ে নিরীশ্বরবাদী বক্তৃতা


ইহুদি ধর্মে প্রচলিত রীতি অনুযায়ী, বালক ও বালিকার বয়স যথাক্রমে ১৩ ও ১২ পূর্ণ হলে এর পর থেকে তাদের কৃতকর্মের দায়ভার দায়িত্ব তাদের ওপরেই বর্তায়। এই ভারপ্রাপ্তি উপলক্ষে একটি অনুষ্ঠানও করা হয়ে থাকে তাদের উপাসনালয় সিনাগগে। সেটির নাম: Bar/Bat Mitzvah। 

তেমনই এক অনুষ্ঠানে এক বালকের বক্তব্য শুনে খুব অবাকই হলাম। উপাসনালয়ে দাঁড়িয়ে নিরীশ্বরবাদী কথা কী হাসিমুখে বলে গেল সে! তার রসবোধটিও বেশ। তার কথা শুনে উপস্থিত ব্যক্তিরা হেসেছে প্রাণ খুলেই। 

রবিবার, ২৭ মার্চ, ২০১১

বুরকা অ্যান্ড দ্য বিচ – ০৩


বিকিনিবহুল সমুদ্রতীর বা অন্যান্য রৌদ্রস্নানস্থলে বোরখাপরিহিতার অবস্থান বড়োই বেমানান, অশোভন, দৃষ্টিকটু এবং অশালীনও বটে। সেখানে তোলা কিছু ছবি ও প্রাসঙ্গিক কার্টুন সংকলন "বুরকা অ্যান্ড দ্য বিচ" ("বিচ" বানান কিন্তু beach। খিয়াল কৈরা!)।

আজকের ছবি চারটে পাঠিয়েছেন এবং বর্ণনা লিখে দিয়েছে অমিত আহমেদ

সাগরের মাঝে ওই বিকট বস্তুটি কী হতে পারে তাই তো ভাবছেন, নাকি? আর কিছু নয়! প্রকৃতির টানে সমুদ্রস্নানে নেমে পড়েছেন বুরকাবৃত তরুনী (বৃদ্ধাও হতে পারেন অবশ্য)! ইয়েমেনের আডেন এএফপির আলোকচিত্রী কারিম সাহিব এর তোলা ছবি।

একই সিরিজের আরেকটি ছবি

কোরান কি আল্লাহর বাণী? প্রসঙ্গ: হুর-গেলমান


লিখেছেন হৃদয়াকাশ 

প্রায় সব মুসলমানই চোখ বন্ধ করে বিশ্বাস করে যে, কোরান আল্লার বাণী। আল্লা তা ফ্যাক্স (জিব্রাইল) যোগে মুহম্মদের নিকট পাঠিয়েছে! মুহম্মদ শুধু তা প্রচার করেছে। এর কারণ হচ্ছে আমাদের সিনিয়র ধর্মান্ধ মুসলমানরা তাদের ছোটদের এভাবেই শিক্ষা দিয়েছে এবং এখনো দেয়। তাদেরকে শেখানো হয় না কোরান হাদিস সংকলনের আসল ইতিহাস। কোরান যে মুহম্মদের মৃত্যুর অন্তত ১০০ বছর পর এবং হাদিসগুলো প্রায় ৩০০ বছর পরে বইয়ের আকারে লিখিত রূপ পেয়েছে, এই ইতিহাস অধিকাংশ মুসলমানই জানে না। অধিকাংশই মনে করে, কোরান একেবারে পুস্তক আকারেই মুহম্মদের কাছে এসেছে। সুতরাং কোরান মুহম্মদের মুখনিসৃত বাণী নয়, তা আল্লার বাণী। মুহম্মদের মুখ নিসৃত বাণীগুলো হাদিস। কিন্তু ভয়-ভীতি উপেক্ষা করে তাদের যখন কোরান সংকলনের ইতিহাস বলা হয় তখন তারা গভীর সন্দেহ নিয়ে অবাক হয়; যদিও বিশ্বাস করে না এক তিলও। কারণ এতে রিস্ক আছে। পরকালে হুর-গেলমান হারানোর রিস্ক। তখন তারা যুক্তি তর্কে হেরে গেলেও মনে করে, দূর কোরান যেভাবে সংকলন হয় হোক। তাতে আমার কী? আমি বিশ্বাস করি কোরান আল্লার বাণী আর তা বই আকারেই এসেছে; ব্যস। 

এখানে হুর-গেলমান নিয়ে একটু আলোচনা করা যাক। হুর মানে প্রায় সবাই জানে। এরা হলো স্বর্গবেশ্যা। একেবারে নিম্নশ্রেণীর বেহেশতিও পাবে কমপক্ষে ৭২ জন হুর। আর দাস-দাসির তো হিসেব নেই। এর বাইরে বেহেশতিরা পাবে গেলমান। গেলমান হচ্ছে পুরুষ-পতিতা বা হিজড়া। যারা পায়ুপথে সেক্স করিয়ে আনন্দ পায়। হযরত মুহম্মদের চিন্তাধারা কী পরিমান নিকৃষ্ট, এই একটি ঘটনা থেকে তা বোঝা যায়। পুরুষদেরকে তার ধর্মে ধর্মান্তরিত করার জন্য গণিমতের মালের ভাগ দিলেন, চারটি বিয়ে করে মিনি হারেম বানানোর সুযোগ দিয়ে বালিকা-যুবতী-প্রৌঢ়া-বৃদ্ধা সকল রকম নারীর দেহের স্বাদ নেবার ব্যবস্থা করলেন, বিয়ের বাইরে মুতা বিয়ে নামক তিনমাস মেয়াদী এক অস্থায়ী বিয়ের ব্যবস্থা করে বছরে অন্তত আরও চারটি নারীকে ভোগ করার ব্যবস্থাপত্র দিলেন, দাসীদের ভোগ করার অনুমতি দিলেন, সব দিক থেকে পুরুষদেরকে নারীদের থেকে শ্রেষ্ঠ বলে ঘোষণা দিলেন। ইহকালে পুরুষদের জন্য এত ব্যবস্থা করার পরও বোধহয় তার মনে থেকে সংশয় যায় নি। তাই পরকালের জন্য হুরের লোভও দেখালেন। 

ইহুদি ও খ্রিস্টান ধর্মে এটা আছে কি না জানি না। তবে হিন্দু ধর্মে উর্বশী, রম্ভা নামে কতিপয় স্বর্গবেশ্যার কথা বলা আছে। যারা স্বর্গের রাজা বা দেবদেবীদের নাচ-টাচ দেখিয়ে মনোরঞ্জন করে; কিন্তু সাধারণ পাবলিকদের জন্য সেক্সের কোনো ব্যবস্থা সেখানে নেই। মুহম্মদ এই সকলকে টেক্কা দিয়ে মুলমানদের জন্য করলেন এক অভাবনীয় ব্যবস্থা। কমপক্ষে ৭২ জন করে হুর। এতেও মুহম্মদ সন্তুষ্ট হলেন না। তার উম্মত বলে কথা! তিনি তার উন্মাদদের (উম্মত) জন্য আরও লোভনীয় ব্যবস্থা করলেন। হুরের বদলে গেলমান। যোনীর বদলে পায়ু। এ থেকে আমার মনে হয়, মুহম্মদও সমকামী ছিলেন অথবা সেই সময় আরবে সমকামী প্রথা চালু ছিলো। না হলে মুহম্মদ এটা জানলো কী করে যে, অনেক পুরুষই যোনীর পাশাপাশি পায়ু পছন্দ করে? এখন প্রশ্ন হচ্ছে, এই গেলমানের ভূমিকা কে পালন করবে? তারা কি ফেরেশতা? যতদূর জানি, লৈঙ্গিক দিক থেকে ফেরেশতারাও হিজড়ার সমতুল্য।

যে য্যামনে দ্যাখে


অনেক পুরনো খবর অবশ্য। শীতকালান্তে গলে শুকিয়ে যাওয়া বরফ আর লবণের (বরফের পিচ্ছিলতা কমাতে লবণ ছেটানো হয়ে থাকে) দাগে খ্রীষ্টভূতাক্রান্তরা খুঁজে পেল কুমারি মেরির প্রতিকৃতি! জায়গাটি পরিণত হলো তীর্থস্থানে। 


মজার ব্যাপার হচ্ছে, সবাই যে ওখানে মাতা মেরিকেই দেখেছে, তা কিন্তু নয়! পরের ছবিটি দেখুন। তবে ইমোটা খিয়াল কৈরা! 

ইসলামী জোশে জোশান্বিতরা


মাঝে-মধ্যে মনে হয়, রক্ত, কল্লা, হত্যা, মৃত্যু এসব ছাড়া ইসলাম আর কিছু বোঝে না! তা নিজের হোক বা অন্যের! জুম্মার নামাজে খুতবার সময় ইমাম বললেন, "আমরা আমাদের রক্ত, গর্দান, মাথা উৎসর্গ করবো আমাদের ধর্ম আর আমাদের গৌরব রক্ষার্থে"। 

ভিডিওতে দেখুন ইমাম এবং উন্মত্ত মুসল্লিদের প্রতিক্রিয়া। 

তবু যদি বিক্রি হয়!



ডাবল স্ট্যান্ডার্ড


আস্তিক আর নাস্তিক। দু'জনের কর্মকাণ্ড যদি একই রকমও হয়, তবু তাদেরকে দেখা হয় ভিন্ন দৃষ্টিতে, আলাদাভাবে মূল্যায়ন করা হয় তাদের কাজকর্ম। কারণটি বোধহয় এই যে, একজনের ওপরে আছে আল্লাহর মেহেরবানি, অন্যজনের ওপরে লানত।

নইলে এই ভিডিওতে করা প্রশ্নগুলোর উত্তর পাওয়া যায় না যে!

খ্রিষ্টধর্মও রক্স!


পাথর ছুঁড়ে মানুষ মারার বিধান ইসলামে তো আছেই, আছে খ্রিষ্টধর্মেও। আটাশ বছর বয়সী এক খ্রিষ্টঅন্তপ্রাণ যুবক মোজার ভেতরে পাথর ভরে উপর্যুপরি আঘাত করে হত্যা করেছে সত্তর বছর বয়সী এক বৃদ্ধকে। বৃদ্ধের অপরাধ - তিনি ছিলেন সমকামী। আর বাইবেলের ওল্ড টেস্টামেন্টে তো লেখাই আছে, সমকামীদেরকে পাথর ছুঁড়ে হত্যা করা যায়। কৈফিয়ত হিসেবে সে কথাই বলেছে খুনি খ্রিষ্টানটি। 


ওপরের ছবিটি নেয়া হয়েছে খ্রিষ্টান শিশু ও তরুণদের জন্য বানানো সাইটে প্রকাশিত Bible Stories for Kids: The Stoning of Stephen নামের এক রচনা থেকে। শিশুদের জন্য বাইবেলের এই গল্প! শুধু কি তাই! এই ছবিটি প্রিন্ট করে নিয়ে সেটিকে রং করার আহ্বান জানানো হয়েছে এই রচনার শেষে! ধর্মীয় শিক্ষার উৎকৃষ্ট নিদর্শন।

আরেকটি খবর। ব্ল্যাক আর্থ চার্চের আট সদস্য শিশু নিপীড়নের দায়ে অভিযুক্ত হয়েছে। না, যৌননিপীড়ন নয়, প্রহার। দু'মাস বয়সী শিশুকেও। ভাবছেন, আইনগতভাবে নিষিদ্ধ হলেও বাবা-মা'রা নিজেদের শিশুদের নানান সময় অল্পবিস্তর প্রহার করতেই পারে। কিন্তু এক্ষেত্রে ঘটনা ভিন্ন। অভিযুক্তরা শিশুদের প্রহার করেছে বাইবেলের নির্দেশনা মেনে। 


কোরানে আছে স্ত্রীপ্রহারের নির্দেশনা, আর বাইবেল প্ররোচনা জোগায় শিশুপ্রহারে! চমৎকার! আমার মুগ্ধতা কাটে না...

শুক্রবার, ২৫ মার্চ, ২০১১

"এইটা আমি নি?"


চিন্তিত তাপস পাল স্ব-উদ্যোগে ধর্মকারীর জন্যে একখানা পোস্টার বানিয়ে ধন্যবাদার্হ হয়েছেন।


রুধির-রঙ্গ


হিন্দু ধর্ম বিষয়ে কোনও পোস্ট দেবার আগে যে কোনও সংশয়ে বা প্রশ্নে ধর্মকারীর অবৈতনিক হিন্দুধর্মবিদ কৌস্তুভ-এর সঙ্গে যোগাযোগ করে নিই। একটু অনুরোধ করলে সেই পোস্টগুলোর জ্ঞানগর্ভ ভূমিকাও লিখে দেন তিনি। যেমন করেছেন এই পোস্টের জন্য। ফলে বিশিষ্ট ভূমিকাবাজ হিসেবেও তিনি তাঁর আসন পোক্ত করে ফেলেছেন। 

খ্রীষ্টজন্মের হাজারদুয়েক বছর আগে আর্যরা হইহই করে ঢুকে পড়ল ভারতে, এশিয়া মাইনর থেকে উত্তর-পশ্চিমের পথ ধরে। সেখানে সিন্ধু সভ্যতার দ্রাবিড় গোষ্ঠীকে ঠেলে সরিয়ে দিল মধ্য, দক্ষিণ ও পূর্ব ভারতে। উত্তর আর পশ্চিম ভারতে ধীরেসুস্থে জমিয়ে বসল, দ্রাবিড়দের সঙ্গে কিছু মিশ্রণের মাধ্যমে কিছু কিছু সংস্কৃতিকে আত্তীকরণ করে নিল। তার মধ্যে ছিলেন একজন দেবতা – পশুপতি, আর একজন দেবী – প্রকৃতি। কালে কালে পশুপতি শিব এবং প্রকৃতি কালী হয়ে আর্যদের ধর্মপুস্তকেও জায়গা করে নিলেন, পরস্পর বিয়ে-থা দিয়ে দেওয়া হল তাঁদের। এমনিতে আর্যদের সব দেবদেবীই ফর্সা, এঁরাই কালো রয়ে গেলেন। অবশ্য একজন ফর্সা দেবী, যিনিও প্রকৃতির স্ট্যাটাস পেতেন মোটামুটি, তাঁকে কালীর সঙ্গে মিলিয়ে দেওয়া হল। এদিক থেকে বৈদিক ধর্মের সুবিধা – একই দেবতার হাজার রূপ, এক এক রূপে এক এক কর্ম। তারা, দুর্গা, পার্বতী, বৈষ্ণোদেবী, অনেক রকম রূপে ফর্সা দেবীটিই মূলত প্রচার পেতে লাগলেন, কালো দেবীটি কেবল ভয়ঙ্করী রূপে চণ্ডী নামে কিছু কিছু জায়গায় খাতির পেলেন। অবশ্য একটা আলাদা ভাগ তৈরী হয়ে গেল যারা এই দেবীর অনুসারে কিছু জটিল ক্রিয়াকলাপ করতে লাগলেন - হিন্দুধর্মে তার নাম হল তন্ত্র, আর এই তন্ত্র যুক্ত হয়ে বৌদ্ধধর্মের একটা ধারা হয়ে উঠল বজ্রযান।

অনার্যদের মধ্যে কিন্তু আদিম দেবী হিসাবে কালীর নানা ফর্মই পুজো পেতে লাগল। মধ্য আর পূর্ব ভারতের আদিবাসীদের মধ্যে সেই অভ্যাসই দেখা যায়, আর্য দেবদেবীদের সেখানে খাতির নেই। ভারতে ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষাগোষ্ঠীর মধ্যে বাংলাতেই দ্রাবিড় রক্তের ভাগ বেশী। 'বঙ্গে ব্রাহ্মণাধিকার' প্রবন্ধ-সিরিজে বঙ্কিম দেখিয়েছেন, বাংলায় ‘খাঁটি রক্তের’ আমদানি প্রথমে করলেন ধর্মপ্রাণ বল্লাল সেন, আর্য্যাবর্ত থেকে কয়েক ঘর ব্রাহ্মণ এনে। তাদের মধ্যে দিয়েই কুলীন বামুন ইত্যাদি অভ্যাসের চল বাংলায়। তারা গুচ্ছে গুচ্ছে বংশবিস্তার করতে লাগল, গণ্ডা গণ্ডা বিয়ের মাধ্যমে। কিছুদিন পর কয়েক ঘর বৈশ্য এল, যাদের থেকে কায়স্থ ইত্যাদিদের বংশপ্রচলন। নইলে, ভারতের অধিকাংশ স্থানে উচ্চকুলশালী ব্রাহ্মণেরা এমনিতে সংখ্যালঘু; এখানে হয়ত তাদের অনুপাত বৈশ্যদের তুলনায় একটু বেশীই হবে।

যাহোক, কালীর রবরবা কিন্তু বাংলায়, বিশেষত একটু ‘নিচু জাত’ যারা, তাদের মধ্যে রয়েই গেল। কালীর একটু আদিম, একটু হিংস্র, একটু রাগী, একটু ভয়ঙ্করী রূপ – একটা ফ্যান্টাসিই এসে গেল অনেকের মধ্যে, এমন কি ব্রাহ্মণদেরও। যেমন সাধক রামপ্রসাদ, সাধক কমলাকান্ত, সাধক বামাক্ষ্যাপা। এরকম অনেকেই হয়ে উঠলেন তান্ত্রিক। কালীর এই রূপটা ডাকাতদেরও খুব পছন্দ ছিল, বলাই বাহুল্য। তারা ডাকাতি করতে বেরোবার আগে, মা কালীর পুজো দিয়ে, নরবলি দিয়ে, সাফল্যের প্রার্থনা করে বেরোত। ও হ্যাঁ, একটু বলি না হলে কি এমন রণচণ্ডী দেবীর ইমেজে পোষায়? নরবলি হলে তো আরোই ভালো। কত জমিদারবাড়িতে, কত মন্দিরে পটাপট বলি হতে লাগল মায়ের চরণে, সেই বলিনিঃসৃত টাটকা রুধিরস্রোত দিয়ে মায়ের চরণসেবা, মায়ের স্নান, ভক্তদের অঙ্গলেপন, মাথার টীকা, খর্পর (মাথার খুলি) করে সাধকদের সেই পবিত্র তরল পান – কত প্রয়োজন বলির। আর যাকে বলি দেওয়া হচ্ছে, তারও তো একেবারে সটান স্বর্গযাত্রা বাঁধা। তা হাজার হোক, একটু সাফল্য-ধনদৌলত-সুখশান্তির আশা সবারই থাকে – রাজা, জমিদার, পুরোহিত, প্রজা, গরিবগুর্বো – আর এমন কাঁচাখেকো দেবতাকে তুষ্ট না করে উপায় আছে?

ধর্মবিশ্বাস মানুষের সুস্থ চিন্তাশক্তিকে নিশ্চয়ই বিকল করে দেয়। এছাড়া অন্য কোনও বিশ্লেষণ পাওয়া যায় না এর পরের ছবিগুলোয় দেখানো ঘটনার।

চার্চের বাণী: রিমেইক



খুবই প্রাসঙ্গিক এবং ছবি ও কার্টুন সম্বলিত পুরনো একটি পোস্ট দেখে নেয়াটা খুবই উচিত হবে: চার্চের পছন্দের আসন

বিবর্তনবাদ তত্ত্ব নয় কেন


বিবর্তনবাদ তত্ত্ব নয় কেন, বুঝিয়ে দিচ্ছেন রিচার্ড ডকিন্স।

Question: How would you correct the understanding that evolution is a theory?

Richard Dawkins: The word “theory” can be used to mean something speculative and tentative. In everyday speech it probably usually is used in that sense. Scientists very often use it in a much more positive sense. I think the easiest way is to use the ordinary language word “fact”. In the ordinary language sense of the word fact, evolution is a fact.

ভিডিওতে দেখুন।

লাস্ট সাপারে আসলে যা হয়েছিল



সুনামি ও ঈশ্বরের 'সুনাম'


জাপানের সাম্প্রতিক দুর্যোগে ঈশ্বরের সংশ্লেষ ও ভূমিকা প্রসঙ্গে স্যাম হ্যারিস যে-কথাটি বলেছেন, তা খণ্ডাক দেখি কেউ! 

Either God can do nothing to stop catastrophes like this, or he doesn’t care to, or he doesn’t exist. God is either impotent, evil, or imaginary. Take your pick, and choose wisely. 

পরে আরও বললেন:

The only sense to make of tragedies like this is that terrible things can happen to perfectly innocent people. This understanding inspires compassion.

Religious faith, on the other hand, erodes compassion. Thoughts like, “this might be all part of God’s plan,” or “there are no accidents in life,” or “everyone on some level gets what he or she deserves” – these ideas are not only stupid, they are extraordinarily callous. They are nothing more than a childish refusal to connect with the suffering of other human beings. It is time to grow up and let our hearts break at moments like this.

— Sam Harris, on Japan Tsunami and god.

কমেডি, বিজ্ঞান ও সঙ্গীতের উৎসব


২০০৯ সালের ক্রিসমাস মৌসুমে লন্ডনে একটি অসাধারণ কসনার্টের আয়োজন করা হয়েছিল: অবিশ্বাসীদের ক্রিসমাস। উদ্যোক্তারা সেটিকে বলেছিলেন "কমেডি, বিজ্ঞান ও সঙ্গীতের উৎসব"। 

ভেবেছিলাম, কাঠখোট্টা ধরনের কোনও অনুষ্ঠান হবে হয়তো। দেখতে শুরু করে এতোটাই মজে গেলাম যে, টেরই পেলাম না কীভাবে কেটে গেল এক ঘণ্টা চোদ্দ মিনিট।

অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছিলেন কমেডিয়ান-উপস্থাপক রবিন ইন্স, রিচার্ড ডকিন্স, বর্তমান যুগের কার্ল সেগান হিসেবে পরিচিত পদার্থবিদ সদাহাসিমুখ ব্রায়ান কক্স, কমেডিয়ান মার্ক স্টিল, কমেডিয়ান রিচার্ড হেরিং, ইরানী বংশোদ্ভুত মহিলা-কমেডিয়ান শ্যাপি খোরস্যান্ডি, চিকিৎসক ও বিজ্ঞান-লেখক, "ব্যাড সায়েন্স" নামের বইয়ের রচয়িতা বেন গোল্ডঅ্যাকর, গণিত- ও বিজ্ঞান-লেখক সাইমন সিং, কমেডিয়ান ব্যারি ক্রায়ার ও গায়ক-গিটারিস্ট-কমেডিয়ান রনি গোল্ডেন, গায়ক-সঙ্গীতস্রষ্টা রবিন হিচকক, লেখক-সুরকার জিম বব এবং কানাডীয় বিবর্তনবাদী র‍্যাপ গায়ক বাবা ব্রিঙ্কম্যান। 

ইচ্ছে আছে, এই কনসার্টের বিশেষ আকর্ষণীয় অংশগুলো আলাদা আলাদা করে আপলোড করবো ধর্মকারীর নিম্নগতির নেটস্পিডগ্রস্ত পাঠকদের জন্য। কোনও ঈমানদার বান্দা আমার হয়ে এই কাজ করে দিলে তাঁকে আমার ভাগের গোটা দশেক হুর নিঃশর্তভাবে দান করবো। 

বুধবার, ২৩ মার্চ, ২০১১

মুসলিম জাহানে কার্টুনাতঙ্ক - ০১



প্রিয় পুরনো পোস্টগুলো – ৩৪


ধর্মকারীতে পোস্টের সংখ্যা দু'হাজার ছাড়িয়ে গেছে। এই সাইটের খোঁজ যেসব পাঠক সম্প্রতি পেয়েছেন বা ভবিষ্যতে পাবেন, তাঁদের পক্ষে আগে প্রকাশিত মজাদার পোস্টগুলো খুঁজে নেয়া ব্যাপক শ্রম- ও সময়সাধ্য ব্যাপার হবে ভেবেই হারানো-দিনের-পোস্ট ধরনের এই সিরিজের অবতারণা। পুরনো পাপীরাও এই সুযোগে স্মৃতিচারণ করে নিতে পারেন 

প্রতি পর্বে আমার বিশেষ প্রিয় পাঁচটি পোস্টের লিংক দেবো সংক্ষিপ্ত বর্ণনাসহ। শুরু করেছি ধর্মকারীর আদিকাল থেকে।

৩. আমার বোরখা-ফেটিশ – ০৭ (ছবি, কার্টুন) 
৪. আগোরা: ধর্মের স্বরূপ উন্মোচন (চলচ্চিত্র পর্যালোচনা) 

আগের পর্বগুলো দেখতে নিচের "কাসুন্দি" ট্যাগে ক্লিক করুন।

আবার ধরা খেলো ইসলামীরা


বিজ্ঞানের কাছাকাছি আসার ব্যাকুল বাসনা সব ধর্মেরই। ধর্মকে বিজ্ঞানভিত্তিক প্রমাণ করতে পারলে তা কিছুটা জাতে ওঠে বলে ধর্মবাজেরা মনে করে।

ইসলামের কথাই বলি। "ইসলাম ও বিজ্ঞান" অথবা "কোরান ও বিজ্ঞান" জাতীয় অসংখ্য ইসলামী কিতাব রয়েছে বহু ভাষায়। যদিও বিজ্ঞানের সমর্থন পেতে লালায়িত হবার ভেতরে যে এক ধরনের হ্যাংলামি ও হীনমন্যতা আছে, সেটি তারা অনুধাবন করতে পারে বলে মনে হয় না। 

আর তাই কোনও বিজ্ঞানীর কাছ থেকে ইসলাম-সমর্থনার্থক কোনও বাণী পেলে তা গোটা মুসলিম জাহানে ঈদতূল্য ঘটনায় পরিণত হয়। স্থানে-অস্থানে, প্রসঙ্গে-অপ্রসঙ্গে, পাত্রে-অপাত্রে সেই বাণীর বিবিধ ব্যবহার শুরু হয়ে যায়। যদিও অধিকাংশ ক্ষেত্রেই দেখা যায়, সেই বিজ্ঞানী আদৌ তেমন কোনও কথা বলেননি। স্রেফ তাঁর বক্তব্যকে সামান্য টুইস্ট করে বা সম্পূর্ণভাবে বদলিয়ে সেই বিজ্ঞানীকে ইসলাম-সমর্থক বানিয়ে দেয়া হয়। 

ধরা যাক, জার্মান বৈজ্ঞানিক Alfred Kröner-এর কথা। কোরান সম্পূর্ণরূপে বৈজ্ঞানিকভাবে নিখুঁত - এমন কথা এই বিজ্ঞানী বলেছিলেন বলে অজস্র ইসলামী সাইটে দাবি করা হয়। এই দাবি ভুয়া প্রমাণ করতে এগিয়ে এসেছেন এক ইউটিউবার। তিনি অনলাইন ভিডিও-সাক্ষাৎকার গ্রহণ করেন এই বিজ্ঞানীর। 

দেখুন, কীভাবে আবার ধরা খেলো ইসলামীরা! 

জিসাস ল্যাপটপ

যিশুর কোলে বসতে আগ্রহী আছেন নাকি কেউ? 


আরেকটি হিচেন্সীয় বিতর্ক


হিচেন্স আসলেই মাল একখানা! এক বিতর্কে প্রতিপক্ষ তাঁকে প্রশ্ন করলো: Where does the evil come from? এক মুহূর্ত না ভেবে হিচেন্স উত্তর দিলেন: Religion.

"ঈশ্বরের অস্তিত্ব আছে কি?" বিষয়ে দু'ঘণ্টা বারো মিনিটের এক বিতর্ক থেকে মাত্র এক মিনিট চুয়াল্লিশ সেকেন্ডের একটি অংশ দেখুন। সম্পূর্ণ ভিডিও দেখতে উৎসাহীরাও নিরাশ হবেন না। সেটিও এমবেড করছি।

অ্যাঞ্জেলিনা জোলির ইসলাম গ্রহণ


অ্যাঞ্জেলিনা জোলির ইসলাম ধর্মগ্রহণের "খবরটি", আমার ধারণা, অনেকেই পড়েছেন। যাঁরা মিস করেছেন, তাঁদের জন্য পুরো খবরটিই দৈনিক মতিকণ্ঠের সৌজন্যে তুলে ধরছি। 

নিজস্ব মতিবেদক

অ্যাঞ্জেলিনা জোলির ইসলাম গ্রহণের সংবাদে (এখানে পড়ুন) গোটা মুসলিম জাহানে আনন্দের সীমা নাই। পরম করুণাময়কে ধন্যবাদ জানিয়ে মসজিদে-মসজিদে বিশেষ মোনাজাতের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। অনেক মুসল্লি এই উপলক্ষে নফল নামাজ পড়ছেন বলেও নানান দেশ থেকে খবর পাওয়া যাচ্ছে।

আরো জানা গেছে, অ্যাঞ্জেলিনা জোলি তাঁর নাস্তিক স্বামী ব্র্যাড পিটকে অচিরেই ইসলামের পথে আসার দাওয়াত দিয়েছেন। ব্র্যাড পিট চুদুরবুদুর করলে অ্যাঞ্জেলিনা জোলি আত্মঘাতী বোমাহামলা করে তাঁকে হত্যা করবেন বলে হুমকি দিয়েছেন। মতিকণ্ঠের পক্ষ থেকে এ ব্যাপারে ব্র্যাড পিটের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা ব্যর্থ হয়। ধারণা করা হচ্ছে, তিনি তাঁর জঙ্গি স্ত্রীর কাছ থেকে পালিয়ে আত্মগোপন করে আছেন।

এদিকে ইসলামগ্রহণের পরপরই ইসলামী প্লেবয় হিসেবে খ্যাত প্লেবুরকা পত্রিকার আহ্বানে তাদের ফটোসেশনে অংশ নেন অ্যাঞ্জেলিনা জোলি।

ইসলামগ্রহণের আগে ছিলেন অ্যাঞ্জেলিনা জোলি, হলেন আঞ্জুমান আরা জলি

স্বয়ং অ্যাঞ্জেলিনা জোলি মতিকণ্ঠের মতিবেদককে টেলিফোনে অনুরোধ করে বলেন, "দয়া করে এখন থেকে আমাকে আর অ্যাঞ্জেলিনা জোলি বলে ডাকবেন না। ইসলামের পথে আসার পর আমি আমার নামও বদলেছি। এখন থেকে আমার নাম অ্যাঞ্জেলিনা জোলি নয়, আঞ্জুমান আরা জলি।"

নির্ধর্মীয় সঙ্গীত: ফাক গড


কিছু কড়া শব্দ সহযোগে একটি ক্ষ্যাপা গান। নমুনা:
Here's a message for god if he exists
Kiss my ass, then suck my dick
আমার ভালো লেগেছে 


লিংক সরবরাহকারী: N.c. Neel

মঙ্গলবার, ২২ মার্চ, ২০১১

শরিয়াসর্বস্বতা


মুসলমানদের সঙ্গে নিয়ে সমাজে বহুসংস্কৃতির (multiculturalism) চর্চা সম্ভব বলে পশ্চিমের কল্পনাবাদীরা এখনও দুরাশায় ভুগছে। অথচ ইসলামবাজেরা স্পষ্টই জানাচ্ছে, তারা বহুসংস্কৃতিবাদে বিশ্বাস করে না। তারা মনেপ্রাণে ঘৃণা করে গণতন্ত্রকে। শরিয়া ছাড়া আর কোনও আইনের স্থান পৃথিবীতে নেই বলে তাদের দৃঢ় বিশ্বাস। 

অস্ট্রেলিয়ার টিভি চ্যানেলে প্রচারিত চোদ্দ মিনিটের একটি অনুষ্ঠান দেখুন। 

সবচেয়ে বড়ো সাহায্যের নাম প্রার্থনা



আমার মতোই কৃষ্ণাঙ্গ আরেক ধর্মপচারক


কৃষ্ণাঙ্গ কোনও স্ট্যান্ড-আপ কমেডিয়ানের ভিডিও এখনও পর্যন্ত ধর্মকারীতে পোস্ট করা হয়নি। আজ নাগাল পেলাম একজনের। নাম এডি গ্রিফিন। আমি তো প্রথম শ্রবণেই পুলকিত। চরম! 

যদিও, সসংকোচেই বলি, তাঁর অ্যাকসেন্ট আমার কাছে কিছুটা দুর্বোধ্য ঠেকলো বলে কয়েকটি শব্দ বুঝতে পারিনি। তবে মূল বক্তব্য আস্বাদনে সমস্যা হয়নি। মোদ্দা কথা, মুগ্ধ। 

বুদ্ধু বিধাতা - ০৩


বোকচোদ আর কারে কয়!


বাইবেল রচনা রহস্য


বাইবেল কীভাবে রচিত ও বিবর্তিত হয়েছে, শুরুর আমেরিকার স্ট্যান্ড-আপ কমেডিয়ান ডেভিড ক্রস-এর মুখে। চরম মজাদার।

নির্ধার্মিক মনীষীরা – ২৮


এগারোটি চমৎকার পোস্টার পাওয়া গেল মনীষীদের উদ্ধৃতিসহ।



প্রাক্তন ধর্মযাজকের চোখে জাপানের সুনামি


ষাটের দশকে পাঁচ বছর তিনি ছিলেন ক্যাথলিক ধর্মযাজক। কিন্তু ঈশ্বরের অস্তিত্বের সপক্ষে বিশ্বাসযোগ্য কোনও প্রমাণ না পেয়ে নাস্তিক হয়ে পড়েন। নাম তাঁর - এডওয়ার্ড টার্ট। 

জাপানে ভয়াবহ সুনামির পর গত ১৪ মার্চ তিনি একটি ভিডিও প্রকাশ করেন। তাঁর বক্তব্য আসলে যে-কোনও নাস্তিকেরই মনের কথা। খুবই চমৎকার লাগলো। 

সোমবার, ২১ মার্চ, ২০১১

তোমারে খুঁজিয়া মরি



"আসসালাতু খায়রুম মিন্নান নায়ুম"


ফজরের আজানে "নিদ্রা অপেক্ষা নামাজ উত্তম" শুনেও সুখনিদ্রাত্যাগপদ্ধতি সহজ হয় না অনেক মুসল্লিরও। প্রাতঃকালীন এই শয্যাত্যাগ বিড়ম্বনা নিরসনে এগিয়ে এসেছে "ফজর কল"। 


আপনি ম্যাপের মাধ্যমে আপনার অবস্থান জানাবেন এবং প্রতিদিন ফজরের ওয়াক্তে আপনাকে ঘুম থেকে তুলে দেয়া হবে টেলিফোন করে। আপনি উঠে কনফার্ম না করা পর্যন্ত ফোন আসতেই থাকবে বারবার। 

এই ছওয়াব-রোজগারী কাজের মাধ্যমে অর্থ রোজগারও চলছে। মাসে সাত ডলার। বছরে পঞ্চাশ। আর পুরো পদ্ধতিটি কীভাবে কাজ করে, এখানে জেনে নিন। 

সৃষ্টিতত্ত্ববাদীদের বুদ্ধিবৃত্তির স্তর


জনপ্রিয় কার্টুন সিরিজ ফ্যামিলি গাই থেকে ৪৮ সেকেন্ডের একটি অংশ।

কোরানের ভালো-মন্দ



লিংক সরবরাহকারী: Suirauqa

পূর্বে প্রকাশিত প্রাসঙ্গিক পুরনো পোস্ট: কোরানের ভালো আয়াত বনাম অসহিষ্ণু/জঙ্গিবাদী আয়াত

ভ্রাতৃত্বের রকমফের


মিসরের সাম্প্রতিক ঘটনাবলীর সময় একটি সংগঠনের নাম বারবার উঠে এসেছে - মুসলিম ব্রাদারহুড। অনেকেই সংগঠনটিকে ইসলামী জঙ্গিদের আখড়া মনে করে থাকে। আবার পশ্চিমা কিছু তথাকথিত উদারপন্থীর মতে, মুসলিম ব্রাদারহুড একটি সেক্যুলার সংগঠন। 

কাদের কথা সত্য, পরখ করে নেয়া যাক। নিচের ভিডিওতে কিছু ব্যক্তির মন্তব্য ও ধারণার পাশাপাশি শোনা যাক খোদ সংগঠনের প্রাক্তন ও বর্তমান কিছু নেতার বক্তব্য। তারপর সিদ্ধান্ত টানুন নিজেই। 

হইতে সাবধান!



ভগবানেশ্বরাল্লাহর ইতিহাস - ০২


ভগবানেশ্বরাল্লাহর ইতিহাস - ০১

"We are all atheists about most of the gods that societies have ever believed in. Some of us just go one god further." - Richard Dawkins

পৃথিবীর ইতিহাসে স্থান, কাল ও গোত্রভেদে কতো বিচিত্র ধরনের ভগবানেশ্বরাল্লাহ ও দেব-দেবীর উদ্ভব হয়েছে মানুষের উর্বর মস্তিষ্ক থেকে, তার ইয়ত্তা নেই। এতোসব জেনে এর পরেও কোনও সুস্থবুদ্ধির মানুষ কোনও নির্দিষ্ট এক ঈশ্বরে বিশ্বাস স্থাপন করতে পারে কীভাবে, সত্যিই বুঝি না।  

এই সিরিজে ইব্রাহিম নবী প্রবর্তিত একেশ্বরবাদ-পূবর্বতী ভগবানেশ্বরাল্লাহর ইতিহাস সম্পর্কে বলা হয়েছে। খুবই চমৎকারভাবে নির্মিত এবং তথ্যসমৃদ্ধ। 

শনিবার, ১৯ মার্চ, ২০১১

দিকে দিকে এ কী শুনি > শান্তির জয়ধ্বনি



ধর্মকারীর লক্ষ্য


এই ভিডিওর চাঁছাছোলা বক্তব্য এবং ক্ষ্যাপা টোনের প্রতি আমার সম্পূর্ণ সমর্থন আছে। শুধু "খ্রিষ্টান"-এর বদলে "যাবতীয় ধর্মবিশ্বাসী" বললে বক্তব্যটি পূর্ণতা পেতো। 

আর বিশ্বাসীদের উদ্দেশে বলা এই বাক্য দুটো তো একেবারেই আমার এবং ধর্মকারীর স্লোগান হতে পারে : I don't want you to believe a word I say. Not a word. I simply wanna anger you enough so you go out and try to prove me wrong.  

অবশ্যদ্রষ্টব্য ভিডিও। 

যে-বিষ্ঠা সার হবারও অযোগ্য



পৃথিবীতে মানুষ সুষ্টি করেছে কে?


লিখেছেন হৃদয়াকাশ 

আল্লাহ বলেছেন, ‘পৃথিবীতে আমি জ্বীন ও মানুষ সৃষ্টি করেছি শুধু আমার এবাদতের জন্য।’

কথাটি কি ঠিক? জ্বীন যেহেতু দেখা যায় না, তাই বিজ্ঞান অনুসারে জ্বীনের বিষয়টি পুরোপুরি বোগাস। আর মানুষকে তৈরী ক'রে আল্লাহ তো তাদের রেখেছিলেন বেহেস্তে। তাদের পৃথিবীতে পাঠানোর কোনো পরিকল্পনা কি আল্লার ছিলো? শয়তানের চক্রান্তেই তো আদম ও হাওয়া পৃথিবীতে আসে। তাহলে পৃথিবীতে মানুষ সৃষ্টি করলো কে, শয়তান না আল্লাহ? আর যদি বলা হয়, আল্লাহর পরিকল্পনা মতোই শয়তান ঐ চক্রান্ত করেছিলো, তাহলে শয়তানের দোষ কী? আমরা শয়তানকে এত গালি দিই কেন?

একটু ভাবুন। তারপর মন্তব্য করুন।

ধর্মযাজকদের শিশুকামপ্রবণতা


ইসলামের নবী নিজে শিশুকামী ছিলেন বলে তার অনুসারীরাও যদি তাকে আদর্শ মেনে সুন্নত পালন করতে চায়, তাদেরকে দোষ দেয়া কি উচিত? 

অথচ এক মাওলানাকে সুন্নত পালনে যারা বাধা দিলো, তারা কেমন মুসলমান! 

সিলেট, মার্চ ১৭ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)- সিলেটে ছাত্রীকে (১০) ধর্ষণের অভিযোগে এক মাদ্রাসার অধ্যক্ষকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। 

বূধবার রাতে সিলেট নগরীর আখালিয়া এলাকার নোয়াপাড়া নাজাতুল উম্মাহ মহিলা মাদ্রাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে পুলিশ জানিয়েছে। 

অধ্যক্ষ তোফায়েল আহমদ ওসমানী (৪০) সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার রাজনাও গ্রামের বাসিন্দা। 

কোতোয়ালি থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) খায়রুল ইসলাম সাংবাদিকদের জানান, প্রায় ৮ মাস আগে নোয়াপাড়ায় একটি বাসাভাড়া নিয়ে মাদ্রাসা ও এতিমখানা গড়ে তোলেন তোফায়েল। 

বুধবার রাতে শিশুটির চিৎকার শুনে এলাকাবাসী মাদ্রাসায় যায়। ডাকাডাকির পর দরজা খুলে বেরিয়ে আসেন তোফায়েল। তখন মেঝেতে কাতরাচ্ছিলো ওই শিশুটি। 

পরে এলাকাবাসী অধ্যক্ষকে পুলিশে হস্তান্তর করে। 

শিশুটিকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে বলে জানান এসআই। 

কোতোয়ালি থানার ওসি খন্দকার নওরোজ আহমদ সাংবাদিকদের জানান, এ ঘটনায় এখনো মামলা হয়নি। 
(লিংক সরবরাহকারী: হুলো বেড়াল)

মোল্লাদের শিশুকামিতার কারণ না হয় অনুধাবনযোগ্য। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে, অন্য ধর্মগুলোর যাজকদের, বিশেষ করে খ্রিষ্টীয় ক্যাথলিকদের, ভেতরে শিশুকামপ্রবণতা এতো প্রবল কেন? 

অজস্র ঘটনার একটি। এক বালককে নিয়ে পাদ্রীরা কীভাবে অর্জিতে (orgy) মেতে উঠেছিল, তার বর্ণনা শুনুন অভিশংসক-এর (prosecutor) মুখে। 

প্রার্থনা থেকে প্রাপ্তি - শূন্য


প্রার্থনার চেয়ে অচল, অকেজো ও অসফল আর কিছুই নেই। প্রার্থনায় কখনও কোনও কাজ হয়নি, হয় না, হবেও না - এ তো সরলতম সত্য। তবু যে কোনও দুর্যোগেই প্রার্থনা করার আহ্বান শুনতে পাই। এ যেন বাস্তব কোনও কাজ না করেও একটা কিছু "করার" ভান। কিন্তু প্রশ্ন জাগে মনে: ঈশ্বরের ইচ্ছাতেই যদি সবকিছু হয়, তাহলে তার সৃষ্ট দুর্যোগে তারই কাছে প্রার্থনা করাটা কি নিরেট গাধামি নয়?


জাপানের সুনামি প্রসঙ্গে এক ব্লগার লিখেছেন:  

I don’t understand the logic in asking “god” to help in a disaster “god” supposedly had the governing hand in creating. It’s like asking a gunman to save the lives of all the people he just mowed down with his automatic machine gun.

বলা হয়ে থাকে, ঈশ্বরের আছে ঐশী পরিকল্পনা। তা-ই যদি হবে, তাহলে কারুর প্রার্থনার জবাব দিতে গেলে তো ঈশ্বরকে নিজের পরিকল্পনায় পরিবর্তন আনতে হবে। তার চেয়ে বড়ো কথা, যখন কেউ দাবি করে, ঈশ্বর তার প্রার্থনায় সাড়া দিয়েছে, তখন প্রশ্ন করতে ইচ্ছে করে: কিছু প্রার্থনায় সাড়া দিয়ে বাকিগুলোর ক্ষেত্রে নির্লিপ্ত থাকলে তাকে স্পষ্টতই পক্ষপাতদুষ্ট বলতে হয়। (এ প্রসঙ্গে সুদর্শনা ক্রিস্টির দারুণ একটা ভিডিও আছে।)

নিচের পোস্টারে সেটাই স্পষ্ট হয়ে উঠছে না? 

ধর্মবিশ্বাসের বিষ


প্রায়শই মানবতাবোধের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে ধর্মবিশ্বাস। বহুবার দেখেছি এমন। তবু অভ্যস্ত হয়ে উঠতে পারি না। এই যেমন, জাপানের সুনামি বিষয়ে নানান ধর্মবাজ ও ধর্মবিশ্বাসীর কথা শুনে বিস্ময়ে বিমূঢ় হয়ে ভেবেছি, এতো মূঢ় হতে পারে কোনও মানুষ? 

আরও একটি উদাহরণ দেখুন। খ্রিষ্টঅন্তপ্রাণ টিভি-চ্যানেল ফক্স নিউজের "খ্যাতনামা' উপস্থাপক গ্লেন বেক হাস্যোৎফুল্ল স্বরে যা বললেন, শুনে স্তম্ভিত হয়ে গেছি।  

শুক্রবার, ১৮ মার্চ, ২০১১

আমার বোরখা-ফেটিশ – ১৯


শুধু ফরাসিরা?

অনুবাদ সহায়তা: হাঁটুপানির জলদস্যু।

ধর্মযাজক যখন ব্রুস লি-র ভূমিকায়


পুরাই হাহাপগে ভিডিও। বিশ্বাসনির্ভর চিকিৎসা (ফেইথ হীলিং) বা ওই জাতীয় "অলৌকিক" ঘটনা ঘটিয়ে ধর্মযাজকেরা নিজেদের কেরামতি দেখাতে উদগ্রীব থাকে বরাবরই। নিচের ভিডিওতে তেমনি এক যাজকের কীর্তি দেখুন। কিছু স্পেশাল ইফেক্ট যোগ করায় ভিডিওটি অতীব উপাদেয় হয়েছে। 

ধর্ম - মগজখেকো এক ব্যাকটেরিয়ার নাম


টি-শার্টের ওপরে পর্তুগিজ ভাষায় লেখা: ধর্ম হচ্ছে মগজখেকো ব্যাকটেরিয়া


বৃহষ্পতিবার, ১৭ মার্চ, ২০১১

একটি ধর্মখোঁচানি গান


রোলিং স্টোনজ-এর ভক্ত আমি নই, তবে তাদের গোটাকয়েক গান আমার পছন্দ। এই যেমন, ১৯৭৮ সালে তাদের গাওয়া ধর্মখোঁচানি এই গানটি কিন্তু বেশ লাগে শুনতে। লিরিকসের কয়েকটি ব্যঙ্গাত্মক লাইন লক্ষ্য করুন:
I was driving home early sunday morning through bakersfield
Listening to gospel music on the colored radio station
And the preacher said, you know you always have the
Lord by your side

And I was so pleased to be informed of this that I ran
Twenty red lights in his honor
Thank you jesus, thank you lord

আর Thank you jesus, thank you lord বলার সময় মিক জ্যাগারের অভিব্যক্তি মিস করাটা একেবারেই অনুচিত হবে 

গানটির আরেক অংশে আছে:
Well the preacher kept right on saying that all I had to do was send
Ten dollars to the church of the sacred bleeding heart of jesus
Located somewhere in los angeles, california
And next week they'd say my prayer on the radio
And all my dreams would come true

এবারে শুনে দেখুন। বলে রাখা দরকার, রোলিং স্টোনজ-এর টিপিক্যাল গান এটি নয়।