২৭ ফেব্রুয়ারী, ২০১১

ঈদে মিলাদুন্নবি ও অসময়ে আমার কোরবানিকথন


লিখেছেন সৈকত চৌধুরী

ঈদে মিলাদুন্নবিতে সুলেমান কাকা গরু শিরনির আয়োজন করিলেন। সে এক এলাহি কারবার। ভোর হইতে মানুষ গমগম করিতেছে। সারারাত হুজুরদের গলা ফাটাইয়া দরুদ পাঠ আর ওয়াজের ঠেলায় একটুও ঘুমাইতে পারি নাই, এদিকে সকাল হইতে না হইতেই এই কাণ্ড। শান্তিতে যে একটু বসিব, তাহারও জো নাই। এদিকে সুলেমান কাকার আশেপাশে না থাকিলে তিনি বড় রকমের শাস্তির ব্যবস্থাও করিতে পারেন ভাবিয়া মনটা থামিয়া থামিয়া কান্দিয়া উঠিতে থাকিল। 

ঘটনা হইল, তাঁহার পিত্তথলিতে টিউমার হইয়াছিল। বহু পানি-পড়া, তাবিজ-কবচ করিয়া যখন ব্যর্থ হইলেন তখন সৈয়দপুরের বড় হুজুর বলিলেন, বড়সড় দেখিয়া একটা গরু মান্নত করিতে। তিনি আল্যা-রচুলের নাম লইয়া তাহাই করিলেন। কিন্তু রোগ তো আর সারে না। শেষ পর্যন্ত ইহুদি-খ্রিস্টানদের শিক্ষায় শিক্ষিত বে-ঈমান ডাক্তারদের শরণাপন্ন হইলে তাঁহাকে অপারেশন করানোর জন্য বলা হইল। তিনি প্রথমে রাজি না হইলেও আমাদের সবার অনুরোধে ঢেঁকি গিলিলেন। তাঁহার অপারেশন হইল এবং রীতিমত তিনি সুস্থ হইয়া উঠিলেন। তাঁহার স্মরণ হইল, মান্নতের কথা। তিনি বলিয়া বেড়াইতে লাগিলেন, ডাক্তাররা তাঁহার পিত্ত কাটিয়া ফেলিয়াছে আর বড় হুজুরের দোয়ায় ও গরু-শিরনির বদৌলতে তিনি আরোগ্য লাভ করিয়াছেন। গরু শিরনির মান্নতের কারণে আল্যা খুশি হইয়া তাঁহার রোগ দূর করিয়া দিয়াছে। শুভ দিন দেখিয়া আজ ঈদে-মিলাদুন্নবিতে তাই তাঁহার এ আয়োজন। 

অনেক মুচলমান মুহাম্মদের জন্ম ও মৃত্যু ঐ একদিনে ঘটিয়াছিল ধরিয়া নিয়া এইদিন মহা-আড়ম্বরে ঈদে-মিলাদুন্নবি পালন করিয়া থাকেন। কিন্তু আমি বিস্তর কিতাব ঘাঁটিয়া কোনো নির্ভরযোগ্য সূত্র পাইলাম না - হজরত ঠিক কোন দিন জন্মিয়াছিলেন বা মরিয়াছিলেন, স্যরি, ওফাত করিয়াছিলেন; চার-পাঁচটা তারিখ লইয়া হাতড়িয়া বেড়াইতে থাকিলাম- এদিকে মুমিন-মচলমানরা ঈমানের সহিত ওই দিন ঈদ পালন করিয়াই চলিয়াছেন। ঈমান থাকিলে আর ঘিলুর দরকার কী? 

এই যে পশু উৎসর্গের ব্যাপারটা তাহা নিয়া কথা বলিতে গেলে কোরবানির কথা স্মরণ হইয়া যায়। এই জন্যই অসময়ে আমার এই কোরবানিকথন। 

প্রিয় পুরনো পোস্টগুলো – ৩১


ধর্মকারীতে পোস্টের সংখ্যা আঠারোশো ছাড়িয়ে গেছে। এই সাইটের খোঁজ যেসব পাঠক সম্প্রতি পেয়েছেন বা ভবিষ্যতে পাবেন, তাঁদের পক্ষে আগে প্রকাশিত মজাদার পোস্টগুলো খুঁজে নেয়া ব্যাপক শ্রম- ও সময়সাধ্য ব্যাপার হবে ভেবেই হারানো-দিনের-পোস্ট ধরনের এই সিরিজের অবতারণা। পুরনো পাপীরাও এই সুযোগে স্মৃতিচারণ করে নিতে পারেন 

প্রতি পর্বে আমার বিশেষ প্রিয় পাঁচটি পোস্টের লিংক দেবো সংক্ষিপ্ত বর্ণনাসহ। শুরু করেছি ধর্মকারীর আদিকাল থেকে।

১. দ্য ফ্লিন্টস্টোনজ: ধর্মবিশ্বাসীদের জন্য ডকুমেন্টারি (একাধারে বিনোদন ও বিষাদময় সংবাদ) 

আগের পর্বগুলো দেখতে নিচের "কাসুন্দি" ট্যাগে ক্লিক করুন।

স্টার ট্রেক-এ ধর্মচিন্তা


জনপ্রিয় সাই-ফাই টিভি-সিরিজ স্টার ট্রেক নির্মাতা Gene Roddenberry ছিলেন নিরীশ্বরবাদী। ১৯৯১ ও ১৯৯২ সালে
The Humanist magazine ও Free Inquiry magazine-এ প্রকাশিত তাঁর সাক্ষাৎকার থেকে দু'টি উদ্ধৃতি:

১.
সর্বজ্ঞ সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী ঈশ্বরের গল্পের যৌক্তিকতা নিয়ে অবশ্যই প্রশ্ন করা উচিত। সে ভুলভ্রান্তিতে ভরা মানুষ বানায়, আবার নিজের ভুলের জন্য দায়ী করে তাদেরকেই।

২.

স্থূলবুদ্ধিমত্তার মাত্রা হিসেবে আনলে ধর্মগুলোর ভেতরে তারতম্য লক্ষ্য করা যায় বটে, তবে আমি সবগুলোকেই বাতিল করে দিই। বেশির ভাগ লোকের জন্য ধর্ম হচ্ছে তাদের নিষ্ক্রিয় মস্তিস্কের বিকল্পমাত্র।

এবার স্ট্রার টেক-এর সিরিজ ৩, এপিসোড ৪ থেকে ঊনচল্লিশ সেকেন্ডের একটি অংশ দেখা যাক।

শির উঁচু ক'রি মুসলমান


এই ছবির জুতসই ক্যাপশান দিতে পারবেন কেউ?


ডিজে জিসাস

বড়োই আমোদ পেলাম 
মাত্র এক মিনিটের ভিডিও।

ধর্মবাজদের নেটাতঙ্ক


ধর্ম নামের আদ্যিকালের কুৎসিত রূপকথা নতুন প্রজন্মের মগজে সিঁধিয়ে দিয়ে তাদেরকে ধর্মানুসারী করে রাখা এখন আগের চেয়ে অনেক-অনেক বেশি দুরূহ হয়ে পড়েছে। সেটির অন্যতম কারণ - ইন্টারনেট। অজস্র তথ্য-উপাত্ত, যা ধর্মবাজেরা গোপন রাখতে পারলেই খুশি হতো, এখন সকলের হাতের মুঠোয়। ইন্টারনেটেই নতুন প্রজন্ম পরিচিত হচ্ছে নতুন-নতুন, অপরিচিত ধারণার সঙ্গে, তাদের দৃষ্টি উন্মীলিত হচ্ছে, প্রসারিত হচ্ছে। এভাবে গড়ে ওঠা দৃষ্টিভঙ্গিতে ধর্মবিশ্বাস ও অন্যান্য কুসংস্কারগুলোর স্থান নেই। 

ও প্রসঙ্গে ধর্ম এবং ইন্টারনেট এবং ইন্টারনেটে ইসলাম অসহায় নামে আগে প্রকাশিত দুটো চমৎকার ভিডিও দেখে নেয়া যেতে পারে। 

এই পোস্টটি লিখতে উদ্বুদ্ধ হবার কারণ: খবরে পড়লাম, এবার ইহুদি মোল্লারা লেগেছে ইন্টারনেটের পেছনে। যাবতীয় ধর্মবাজদের মতো তারাও যুক্তিরহিত এবং সে-কারণেই দম-ফাটানো-হাস্যোদ্রেককারী কথা বলেছে। কয়েকটি নিদর্শন:
> ইন্টারনেটের কারণে রোগ-বালাই হয়, দৈবদুর্বিপাক হয়;
> যেখানে ইন্টারনেট আছে, সেখানে বৃষ্টি নেই; 
> শত-শত হাজার-হাজার লোক ক্যান্সারে ভুগছে ইন্টারনেটের কারণে;
> ইন্টারনেট কানেকশন নেয়ার অর্থ - ঘরে নিদারুণ ঘৃণা ও বিভীষিকা ডেকে আনা;
> সৃষ্টির আদিকাল থেকে এখনও পর্যন্ত ইন্টারনেটের চেয়ে বেশি বিপজ্জনক ও কলুষিত আর কিছু আবিষ্কৃত হয়নি...
খাড়ান, গড়াগড়ি দিয়া একটু হাইসা লই 

একটি ছোট্ট লেখা নজরে পড়লো এই অপাংক্তেয় ইন্টারনেটেই। নাম: The Internet has sealed the fate of religion। পুরো লেখাটাই তুলে দিই বরং:

ইসলামী জঙ্গিবাদের স্বরূপ


ইসলামকে শান্তির ধর্ম বলা আর গোখরোকে নির্বীষ, নিরীহ প্রাণী বলার মধ্যে তফাত বিশেষ নেই। আমি কিন্তু সমস্ত মুসলমান জাতিকে হিংস্র ও বর্বর বলছি না। বলছি, ইসলাম ধর্মে জঙ্গি উপাদান অগণ্য। ইসলামকে সম্পূর্ণভাবে অনুসরণ করলে জঙ্গি না হওয়াটাই অসম্ভব। 

ইসলামী জঙ্গিদের কর্মকাণ্ড সম্পূর্ণভাবেই কোরান-হাদিসসম্মত ও কোরান-হাদিসসমর্থিত। এদের কাছে পশ্চিমা জগৎ সবচেয়ে বড়ো শত্রু। তাই তাদের ইসলামী কার্যক্রম বহুলাংশে পশ্চিমবিরোধী। এ প্রসঙ্গে বছর পাঁচেক আগে নির্মিত এক ঘণ্টা আঠারো মিনিটের একটি ভয়াবহ ডকুমেন্টারি দেখুন। 

২৫ ফেব্রুয়ারী, ২০১১

২০০৯-২০১০ সালে নাস্তিকেরা যা যা করেনি – ০৩


নাস্তিক মানেই তার চরিত্র ফুলের মতো পবিত্র - এ কথা ভেবে নেয়ার কোনও ভিত্তি নেই। খুনি, অপরাধী, বদমাশ, লম্পট ধর্মবিশ্বাসীদের মধ্যে যেমন আছে, আছে নাস্তিকদের মধ্যেও। 

তবে এমন কিছু অপরাধ, কুকীর্তি আছে, যেগুলো নাস্তিকদের পক্ষে করা সম্ভব নয় বাই ডেফিনিশন। কারণ সেসব করতে গেলে অনিবার্যভাবে প্রয়োজন ধর্ম- ও ঈশ্বরবিশ্বাসের। 

এই জাতীয় কাজের ফিরিস্তিওয়ালা একটি নিবন্ধ বাংলায় ভাবানুবাদ করেছেন ধর্মকারীর স্বেচ্ছাঅনুবাদকগোষ্ঠীর একজন একলা চলো। খবরগুলো পুরনো হলেও বড়োই কৌতূহলোদ্দীপক। পড়েই দেখুন না!

> ৪৫ বছর বয়স্ক গান্থার লিঙ্ক লিফটে আটকা পড়েছিলেন, মুক্তি পাওয়ার সাথে সাথেই তিনি দৌড়ে গির্জায় যান ঈশ্বরকে ধন্যবাদ জানাতে, ঈশ্বর তাকে ৪০০ কেজি ওজনের পাথরের বেদীর তলায় ফেলে ধন্যবাদের জবাব দেয়ার সিদ্ধান্ত নেন। এক ধরনের ঐশী রসিকতা। নাস্তিক হলে ধন্যবাদ জানাতো সে প্রকৃত রক্ষাকারীকে এবং প্রাণেও বেঁচে যেতো।

> ১১৭ জন, যাদের মধ্যে ৪৭ জন শিশু, পবিত্র পানি পান করে অসুস্থ হয়ে পড়ে, পরে তাদের হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়। নিশ্চয়ই যারা অসুস্থ হয়েছে তারা ঘোর পাপী, নয়ত মনে মনে নাস্তিক ছিল, এই জন্যেই “পবিত্র পানির” ধকল সহ্য করতে পারেনি।

> নিশ্চয়ই আল্লাহ্‌ তাদের পুরস্কৃত করেন, যারা পর্দা পালন করে। সেটাই, বোধহয়, করেছেন তিনি। সিডনিতে একজন মহিলা গো কার্ট গাড়ি নেকাব পড়ে চালাচ্ছিলেন, আল্লাহ্‌ এই পর্দানশীন মহিলাকে শ্বাসরোধ করে পুরস্কৃত করেন।

> পাকিস্তানে ব্ল্যাসফেমি আইনের আওতায় ফেসবুকের প্রতিষ্ঠাতা মার্ক জুকারবার্গকে মৃত্যুদণ্ড দেয়ার আবেদন করেছে কয়েকজন আইনজীবী, কারণ জুকারবার্গ “মোহাম্মদকে আঁকো প্রতিযোগিতা” পেজটা বন্ধ করছেন না। নিশ্চই জুকারবার্গের উচিৎ কোন পেজটা কার অনুভূতিতে আঘাত করল এটা দেখে বেড়ানো আর ব্যাবস্থা নেয়া, বিশেষ করে পেজটা যদি হয় শান্তির ধর্মের বিরুদ্ধে।

> হাইতিতে ভূমিকম্পের এক মাস পরে এক জুটি বিয়ে করার সিদ্ধান্ত নেন, তারা ভুডু নিয়ম অনুসারে বিয়ে করেন, তাদের বিয়েতে বেশ সাহায্য করে স্থানীয় ইভ্যাঞ্জেলিক খ্রিষ্টানেরা (নাস্তিকেরা নয়)... পাথর নিক্ষেপ ক'রে। ভুডু বিয়ের নিয়মই হয়ত পাথর নিক্ষেপ করা, কারণ ধার্মিক লোকজন তো আর কাউকে আহত করার জন্য কিছু করবে না, ধর্মগ্রন্থে তো তা-ই লেখা আছে।

কমিক: কামুক ০২


নিশ্চয়ই আল্যাফাক ধর্মকারীর উপরে রুষ্ট হয়েছেন নবীজিকে পচানো হয়েছে বলে। ফলে কোনও এক রহস্যময় কারণে কয়েকজন পাঠক এই কমিকের ছবিগুলো দেখতে পাচ্ছিলেন না। আশা করছি, সমস্যা দূরীভূত করতে সমর্থ হয়েছি। এটি আপডেটেড পোস্ট।  


ধুমধাড়াক্কা টাইপ জনপ্রিয় কমিক "কামুক"-এর দ্বিতীয় পর্ব এবার সম্পূর্ণ বাংলায়!

এর পরে হলিউডি ঐতিহ্যের ধারায় "রিটার্ন অভ দ্য কামুক" নামে আরও একটি পর্ব বানানো যায় নাকি, দেখতে হবে 

ধর্মপচারকের অনুরোধে কমিকটি অনুবাদ ও ইংরেজি টেক্সট বাংলায় প্রতিস্থাপিত করে দোজাহানের অশেষ নেকি হাসিল করেছেন ধর্মকারীর স্বেচ্ছাঅনুবাদক অহম। নিশ্চয়ই আল্যাফাক পুরস্কার হিসেবে নির্ধারিত বাহাত্তরেরও অধিক হুরসহ তাঁকে বেহেশতবাসী করবেন।

আর হ্যাঁ, কমিক: কামুক ০১ পড়া না থাকলে অতি অবশ্য পড়ে নিন।
কমিক দুটোই বড়োদের জন্যে। ইমোটা খিয়াল কৈরা। 

বৃক্ষপত্রকম্পন, ধর্ষণ - সবই হয় তাঁর ইঙ্গিতে


কেবল ঈশ্বরবিশ্বাসীদের পক্ষেই ধর্ষিতা সম্পর্কে বলা সম্ভব, "ঈশ্বরের ইচ্ছে ছিলো বলেই তিনি ধর্ষিত হয়েছেন। এবং তাঁর উচিত নিয়মিত চার্চে যাওয়া।"

উপর্যুপরি অভিযোগ সত্ত্বেও আমেরিকার সামরিক বাহিনী তার অভ্যন্তরীণ ধর্ষণ-ঘটনাগুলোর বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা গ্রহণ করতে ব্যর্থ হয়েছে বলে সামরিক বাহিনীর কয়েকজন মহিলা সদস্য প্রাক্তন প্রতিরক্ষা সচিব ডোনাল্ড রামসফেল্ড-এর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছেন। 

মামলাপত্রে (পিডিএফ ফাইল) উল্লেখিত অনেক ঘটনার মধ্যে একটির বর্ণনায় উল্লেখ আছে মহিলা-সার্জেন্টের কথা: 

In February of 2009 SGT Havrilla reported for four weeks of active duty training. During this training, she saw her rapist in the shopette on Fort Leonard Wood. Upon seeing her rapist, SGT Havrilla went into shock. She immediately sought the assistance of the military chaplain. When SGT Havrilla met with the military chaplain, he told her that “it must have been God’s will for her to be raped” and recommended that she attend church more frequently.

সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলিমের মতামত



ফাজিল মাদ্রাসার পরকীয়াপ্রবণ অধ্যাপক



সম্পূর্ণ সংবাদ: 

রেদওয়ান, সুন্দরগঞ্জ থেকে: গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় রিকশা চালকের স্ত্রীর সঙ্গে পরকীয়া প্রেমে জড়িয়ে পড়ায় গণধোলাইয়ে শিকার হয়েছেন উত্তর সীচা মসজিদের ইমাম জিল্লুর রহমান। তিনি বোয়ালী দারুল উলুম দ্বিমুখী সিনিয়র ফাজিল মাদ্রাসার আরবি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক।

জানা যায়, উপজেলার চন্ডিপুর গ্রামের রিকশা চালক রুহুল আমিনের স্ত্রীর সঙ্গে জিল্লুর রহমানের দীর্ঘদিন ধরে প্রেম চলছিল। রোববার গভীররাতে জিল্লুর প্রেমিকার ঘরে ঢুকলে রুহুল আমিনের চিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে জিল্লুরকে গণপিটুনি দেয়। পরে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। স্থানীয় চেয়ারম্যান খোরশেদ আলম প্রামাণিক ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, এ ব্যাপারে মীমাংসার চেষ্টা চলছে।

বিশ্লেষণাতীত বৈপরীত্য


আমেরিকায় কারাভোগীদের মধ্যে নাস্তিকদের সংখ্যা আনুপাতিক হারে মারাত্মক রকমের কমই শুধু নয়, সবচেয়ে কম। নানাবিধ অপরাধের সঙ্গে তাদের সংশ্লেষের ক্ষেত্রেও একই কথা প্রযোজ্য। অথচ নাস্তিকেরাই আমেরিকায় সবচেয়ে ঘৃণিত সম্প্রদায়। সে দেশের প্রায় অর্ধেক পিতা-মাতা নাস্তিকদের সঙ্গে তাঁদের সন্তানদের বিয়ে অনুমোদন করেন না। 

বিশ্লেষণাতীত এই বৈপরীত্য নিয়ে অসাধারণ এক ভিডিও। 

পথলিখন



২৪ ফেব্রুয়ারী, ২০১১

কাঠগড়ায় ঈশ্বর


২০০৯ বিবিসি-তে প্রচারিত ছয় পর্বের A History of Christianity সিরিজের শেষ পর্বের নাম God in the Dock। এই পর্বে পশ্চিমা খ্রিষ্টবাদে সংশয়বাদের ভূমিকা বিষয়ে আলোকপাত করা হয়েছে। 

২৩ ফেব্রুয়ারী, ২০১১

তিনটি নতুন সংযোজন


ধর্মকারী ব্লগের সাম্প্রতিক তিনটি নতুন সংযোজনের কথা উল্লেখ করা যাক। 

১.
ধর্মকারীর মোবাইল ভার্সন থাকা প্রয়োজন বলে কয়েকজন পাঠক নানান সময়ে  উল্লেখ করেছিলেন। ইউআরএল অবিকৃত রেখে সেই কাজটি করার মতো টেকনিক্যাল জ্ঞান আমার নেই বলে একটি বিকল্প পদ্ধতির আশ্রয় নিতে হলো। তবে এই লিংকটি ব্যবহার করেও স্মার্টফোনের ব্রাউজারে ধর্মকারী পড়া যাবে এবং মন্তব্যও করা যাবে বলে আশা করছি। 

এ প্রসঙ্গে দুটো পরামর্শ দিয়ে রাখা যাক আপাতত: এক. পোস্টের নিচে Next page » বাটন ক্লিক করলে কিন্তু পরের পোস্টে গিয়ে পড়বেন, পরের পাতায় নয়। দুই. পূর্ণ পোস্ট পড়ার জন্য পোস্টের "আগাপাছতলা" বাটন ক্লিক না করে View page directly বাটনটি ব্যবহার করুন। 

পাঠকদের ফিডক্যাক আশা করছি, যদিও এই মুহূর্তে এর চেয়ে বেশি কিছু করার ক্ষমতা আমার নেই। 

২.
যদিও এ যাবত ধর্মকারীতে অবিশ্বাসীদের জন্য পাঠ্য অনেক ই-বুকের ডাউনলোড লিংক দেয়া হয়েছে (আরও আসিতেছে), তবে বইগুলোর জন্যে বিশেষ কোনও ট্যাগ ছিলো না বলে সেসবের নাগাল পাওয়া সহজসাধ্য ছিলো না। এখন "কুফরী কিতাব" নামের ট্যাগে ক্লিক করে এক লহমায় খুঁজে পাওয়া যাবে বইগুলো।

৩. 
ধর্মকারীর চরম বামপন্থী পাঠকদের (যাঁরা শুধু বাম দিকের কলাম অর্থাৎ পোস্ট পড়েন, ডান কলামের দিকে নজরই দেন না) দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। ডান কলামের একেবারে ওপরে "এ সপ্তাহের নির্ধর্মীয় সঙ্গীত" নামে একটি মডিউল যোগ করা হয়েছে। সেখানে ধর্মকারীতে প্রকাশিত গানগুলো থেকে বাছাই করা গানের অডিও সাপ্তাহিক ভিত্তিতে এমবেড করা হবে এবং দেয়া থাকবে লিরিকস ও ভিডিওর লিংক।

আল্লাহ কি মুসলমানদের গরীব করে রাখতে চান?


লিখেছেন হৃদয়াকাশ

আল্লাহ কি মুসলমানদের গরীব ক'রে রাখতে চান? না গরীব থাকাই মুসলমানদের নিয়তি?

১। অনেকদিন আগে থেকেই রেডিও-টিভিসহ বিভিন্ন জায়গায় আল-হাদিসের একটি বাণী লক্ষ্য করি; বাণীটি হলো - ‘পৃথিবীতে যার সম্পদ কম হবে, আখেরাতে তার হিসেব সহজ হবে।’ আমার প্রশ্ন হচ্ছে, পৃথিবীর কয়জন মুসলমান এ বাণীটিকে বিশ্বাস করে? মনে তো হয় না কেউ বিশ্বাস করে । কারণ এমন তো কাউকে দেখি না, যে পরকালের কঠিন হিসাবের কথা চিন্তা করে ইহকালে কম সম্পদ অর্জন ও ভোগ করতে চেষ্টা করে।

২। আবার কুরবানীর মাংস বন্টনের বিধানে দেখতে পাই, তিন ভাগের এক ভাগ মাংস ফকির-মিসকিন অর্থাৎ গরীবদের দিতে হবে। এমনও তো হতে পারে যে, পৃথিবী ও সভ্যতার উন্নতির ফলে একদিন পৃথিবীতে কোনো অভাবী, গরীব লোক থাকবে না। যেমন এখনই পৃথিবীর কোনো কোনো দেশে নেই। তখন ঐ একভাগ মাংসের কী হবে? গরীব বা অভাবী না হলে তো ঐ মাংস কেউ নিতে চাইবে না। আবার ইসলামের হুকুম মতে কুরবানীর তিন ভাগের এক ভাগ মাংস ফকির-মিসকিনদের দিতেই হবে। পৃথিবীতে কোনো গরীব না থাকলে মুসলমানরা কী করবে? এ ব্যাপারে ইসলাম কী বলে? সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এ বিধানটি কি পরিবর্তন বা বাতিল ব‘লে গণ্য হবে? কিন্তু যতদূর জানি ইসলামের কোনো নিয়মই পরিবর্তনযোগ্য নয়। তাহলে এই সমস্যার সমাধান কী? সমাধান কি এটাই যে, এই ধরনের সমস্যার কখনও উদ্ভবই ঘটবে না। কারণ, মুসলমানদের মধ্যে এক-তৃতীয়ায়শ লোক সব সময় গরীবই থাকবে। এখন প্রশ্ন হচ্ছে, মুসলমানদের মধ্যে এক তৃতীয়াংশ লোক যদি সব সময় গরীব না থাকে, তাহলে ঐ এক-তৃতীয়াংশ মাংসের সমাধান কী? আর যদি গরীব থাকে, তাহলে কিন্তু স্বীকার করতেই হবে যে, ইসলামে দরিদ্রতাকে উৎসাহিত করা হচ্ছে। কারণ একদিকে তিন ভাগের এক ভাগ মাংসের সমস্যা; অন্যদিকে বলা হচ্ছে কম সম্পদে আখেরাতে সহজ হিসাবের কথা। 

সুতরাং এই আলোচনার পর এই ধারণাটি কি খুবই অযৌক্তিক যে, আল্লাহ মুসলমানদের গরীব করে রাখতে চান?

বুরকা অ্যান্ড দ্য বিচ – ০২


বিকিনিবহুল সমুদ্রতীর বা অন্যান্য রৌদ্রস্নানস্থলে বোরখাপরিহিতার অবস্থান বড়োই বেমানান, অশোভন, দৃষ্টিকটু এবং অশালীনও বটে। সেখানে তোলা কিছু ছবি ও প্রাসঙ্গিক কার্টুন সংকলন "বুরকা অ্যান্ড দ্য বিচ" ("বিচ" বানান কিন্তু beach। খিয়াল কৈরা!)।

আজ দু'খানা ছবি আর একটি কার্টুন।



প্রশ্নাতীত আনুগত্যের চেয়ে সংশয় অনেক বেশি মানবিক


প্রশ্নাতীত আনুগত্য - অন্ধ বিশ্বাসেরই আরেক নাম। তথাকথিত ঐশী গ্রন্থগুলোর ওপরে নির্ভার নির্ভরতা মানুষকে অমানুষ করে তুলতে পারে অনায়াসে। কী চমৎকারভাবেই না তা বুঝিয়ে দিলেন প্রিয় হয়ে ওঠা ইউটিউবার C0nc0rdance।

নবকালের বাইবেল



আমাদের আত্মীয়েরা – ১৭


দুষ্টু ও চঞ্চল শিশুর সঙ্গে এই বানরের আচরণে কোনও ফারাক আমি খুঁজে পাইনি। মাত্র বারো সেকেন্ডের ভিডিও। অসম্ভব মজাদার।

২১ ফেব্রুয়ারী, ২০১১

বর্জ্য বিধায় বর্জনীয়



বিজ্ঞান ও অপবিজ্ঞান


শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোয় বিবর্তনবাদ পড়ালে সেটির পাশাপাশি কু-রূপকথাকণ্টকিত, বিজ্ঞানবিবর্জিত উৎকট সৃষ্টিতত্ত্ববাদও পড়াতে হবে - এমন দাবি আসে ধর্মগুলোর পক্ষ থেকে। যেন কেমিস্ট্রি পড়ালে পড়াতে হবে অ্যালকেমিও, অ্যাস্ট্রোনমি পড়ালে অ্যাস্ট্রেলজিও...! কী আব্দার! 

সেই "টিচ দ্য কন্ট্রোভার্সি" দাবিকে ব্যঙ্গ করে বানানো তিন মিনিটের ভিডিও-কার্টুন দেখুন। 

দৈনন্দিন



বিয়ারের বিজ্ঞাপনে বিবর্তনবাদ


খুব মজাদার আইডিয়া। মাত্র একান্ন সেকেন্ডের ভিডিও।

ইসলামে সমকামিতা জায়েজ?


খবরটা পড়ে চমকিত হলাম। ব্রিটেনের মুসলিম সমকামীরা ইসলামী কায়দায় বিয়ের অধিকার দাবি করেছে। তারা একই সঙ্গে সমকামী ও মুসলিম থাকতে চায়। 

রমজান মাসে ইফতারের সময় পরিচিত হওয়া দুই মেয়ের কাহিনী উল্লেখ করা এই রিপোর্টে বলা হয়েছে এ ইমামের কথা, যিনি মনে করেন, সমকামী বিয়ের সঙ্গে কোরানের নাকি কোনও বিরোধ নেই। 

অথচ পুরো মুসলিম জাহানে সমকামিতা নিষিদ্ধ বলেই জানি! কার কথা যে বিশ্বাস করি!

দ্য আল্ট্রা জিয়োনিস্টস


প্যালেস্টাইন ও ইসরায়েলের মধ্যে চলে আসা দীর্ঘকালীন সহিংসতার মূল কারণ অবশ্যই ধর্ম। বিবিসি-র খ্যাতনামা সাংবাদিক Louis Theroux পশ্চিম তীরের উগ্র জাতীয়তাবাদী এক ইহুদি গ্রুপের সঙ্গে কিছুদিন কাটিয়ে বানিয়েছেন এক ঘণ্টার এই ডকুমেন্টারি। 

ইউটিউবে এই ভিডিওতে পাওয়া মন্তব্যগুলো থেকে দুটো উদ্ধৃত করি: 

> Pure fucking insanity. Stealing other peoples homes because a fictional fairy tale character said it was ok to do so. Fuck you.

> "The words of god say this is our? land." Both sides say the same thing.

দ্বিতীয় মন্তব্যটি পড়ে নিচের মনে পড়লো পোস্টারটির কথা, "বুদ্ধু বিধাতা" সিরিজে যা দেয়ার পরিকল্পনা ছিলো: 


১৯ ফেব্রুয়ারী, ২০১১

আল্লাহতালাহর অপুর্ব কুদরতি কারিশমা: অতিমানবদের গণহারে ইসলাম গ্রহণ


লিখেছেন আসিফ মহিউদ্দীন

গোপন সুত্র হইতে খবর পাওয়া গেল যে, পৃথিবীর কমিক্স, টিভি, চলচিত্রের অতি বিখ্যাত সকল অতিমানবেরা (সুপারম্যান) কিছুদিন পুর্বে এক রক্তক্ষয়ী মিশনে আন্তঃগ্যালাক্টিক যুদ্ধে জড়াইয়া পড়েন। প্রচণ্ড রক্তক্ষয়ী সেই যুদ্ধে দুই পক্ষই সমানে সমান যুদ্ধ চালাইয়া যাইতেছিলেন। হঠাৎ ভিনগ্রহের প্রাণীরা অতিমানবদের লক্ষ্য করিয়া এক অতিকায় পারমাণবিক বোমা নিক্ষেপ করেন। সেই পারমাণবিক বোমাকে নিষ্ক্রিয় করিবার জন্য প্রথমে অতিমানবগন পাল্টা পারমাণবিক বোমা ছোঁড়েন, কিন্তু তাহাতে কোনো কাজ হয় না। এরপর অতিমানবগণ একে একে সকল চেষ্টাই করেন, কিন্তু এলিয়েনদের তৈরি এক ধরনের শিন্ডের কারনে সকল চেষ্টাই ব্যর্থ হয়। মৃত্য আসন্ন ভাবিয়া অতিমানব ওরফে সুপারম্যানগণ কান্নায় ভাঙ্গিয়া পড়েন, কেউ কেউ নিজ নিজ গার্লফ্রেন্ড লইয়া শেষবারের মত একটু আনন্দ করিবার উদ্দেশ্যে নিজ নিজ কক্ষ তালাবদ্ধ করিয়া ব্যক্তিগত সময় উপভোগে মনোযোগ দেন।

হঠাৎ অতিমানবদের লিডার লাইটম্যান-এর (ছবিতে ইমামের ভুমিকায়) চোখ পড়িল মহাকাশযানের রক্ষিত একটি পুস্তক যাহাকে পৃথিবীবাসী কুরআন বলিয়া থাকেন। মুসলিমগণের দাবী অনুসারে, এটি একটি আসমানী কেতাব এবং আল্লাহ কর্তৃক লিখিত। লাইটম্যান সাহেব কিছুদিন আগে একটি পুস্তকে পড়িয়াছিলেন যে, এই বইটির অলৌকিক কর্মকাণ্ড ঘটাইবার কথা প্রচলিত আছে। তিনি একদা গুলিস্তানের মোড়ে দাঁড়াইয়া খুজলির মলম ক্রয় করিবার সময় জনৈক হকার তাঁকে একটি পুস্তক ধরাইয়া দিয়াছিলেন, যেটার নাম ছিল "আল্লার কী কুদরৎ, লাঠির মইধ্যে শরবৎ"। সেই পুস্তকে লিখিত ছিল, কী করিলে কী হয় এবং কী না করিলে কী না হয়। যথা, পশ্চিম দিকে মুখ ফিরাইয়া বিশেষ গর্তে সুরা পড়িয়া ফুঁ দিয়া বিশেষ দিনে সহবৎ করিলে পুত্রসন্তান হয়, বিশেষ অঙ্গে দুর্বলতা দেখা দিলে আল্লার নাম লইয়া বিশেষ সুরা পাঠ করিলে সেই অঙ্গ শক্ত ও মোটা হয় ইত্যাদি ইত্যাদি।

ধর্মতন্ত্রের অগ্নিপরীক্ষা?


আরব জাহানে পরিবর্তনের হাওয়া কি বইবে?


ইসলামিক ফাউন্ডেশন কর্মকর্তার ঈদে মিলাদুন্নবী পালন


নবীজির জন্মদিবস কীভাবে পালন করতে হয়, শিখে নিন ইসলামিক ফাউন্ডেশন কর্মকর্তার কাছে।

খবরের লিংক পাঠিয়েছেন N.c. Neel। ছবিটি নেয়া হয়েছে সেই সাইট থেকেই।

পতিতা নিয়ে ফুর্তি করতে গিয়ে ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের (ইফাবা) প্রেস ম্যানেজার হালিম হোসেন খান জনতার হাতে ধরা পড়েছেন। জনতা উত্তম-মাধ্যম দিয়ে তাকে পুলিশের হাতে সোপর্দ করে। গত মঙ্গলবার পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী অনুষ্ঠান পালন করতে গিয়ে গোপালগঞ্জে এ ঘটনা ঘটে। বৃহস্পতিবার এ ঘটনা তদন্তের জন্য ৩ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়েছে। 

এ ঘটনায় ফাউন্ডেশনের ভাবমর্যাদা বিনষ্টের প্রতিবাদে বুধবার আগারগাঁও ইসলামিক ফাউন্ডেশনের প্রধান কার্যালয়ে সর্বস্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা বিক্ষোভ সমাবেশ করেন। বিক্ষোভকারীদের দাবি অবিলম্বে প্রেস ম্যানেজারকে অপসারণ করতে হবে। অন্যথায় কঠোর আন্দোলনের হুমকি দিয়েছেন তারা। 

ফাউন্ডেশন সূত্রে জানা গেছে, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মাজারে ঈদে মিলাদুন্নবী অনুষ্ঠানের জন্য মঙ্গলবার ঢাকা থেকে ইফাবার প্রেস ম্যানেজারসহ কয়েকজন কর্মকর্তা গোপালগঞ্জ যান। তারা স্থানীয় সার্কিট হাউজে রাত্রিযাপন করেন। সার্কিট হাউজের ৫ নম্বর কক্ষে ছিলেন প্রেস ম্যানেজার হালিম হোসেন। রাত সাড়ে ৩টার দিকে তিনি লুঙ্গি পরা অবস্থায় সার্কিট হাউজের পাশে এক পতিতার বাসায় যান। এরপর আশপাশের লোকজন বিষয়টি টের পেয়ে তাকে আটক করে। মারধর ও হৈচৈ করার এক পর্যায়ে তারা হালিম হোসেনের পরিচয় জানতে পারে। তারা ঘটনাটি সদর থানা পুলিশকে জানালে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে সার্কিট হাউজে পৌঁছে দেয়। তবে বুধবার সকাল বেলা ঘটনাটি জানাজানি হবার আগে হালিম হোসেন ঢাকায় ফিরে আসেন। 

গোপালগঞ্জের এনডিসি মোহাম্মদ শাহাদাত খন্দকার বলেন, পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী অনুষ্ঠান নিয়ে ভোর বেলায় আমরা সবাই ব্যস্ত হয়ে পড়ি। এজন্য রাতের বেলার ওই ঘটনার খবর অনেক পরে আমাদের কাছে আসে। তবে জেলা প্রশাসক ঘটনাটি শুনে তাৎক্ষণিক ৩ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছেন। ৩ দিনের মধ্যে কমিটিকে রিপোর্ট দিতে বলা হয়েছে। 

এদিকে, এ ঘটনায় ইসলামিক ফাউন্ডেশনের ভেতরে তোলপাড় চলছে। সর্বস্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা দোষী ব্যত্তির দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে গতকাল বিক্ষোভ মিছিল করেছে। তারা দাবি করেন হালিম হোসেন এর আগেও একবার যৌন কেলেঙ্কারির ঘটনা ঘটিয়েছে। কিন্তু সে ঘটনার বিচার না হওয়ায় তার পুনরাবৃত্তি ঘটলো। 

এ ব্যাপারে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক শামীম মোহাম্মদ আফজালের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি কোনো মন্তব্য করতে অপারগতা জানান। 

মুসলিমী মণিমুক্তাময় মহামূল্য মন্তব্যসমূহ


প্যারিস হিলটনের ইসলাম গ্রহণ বিষয়ক খবর যে আসলে নেহাতই তামাশা ছিলো, তা মুসলমান ভাই-বোনেরা এখনও বুঝে উঠতে পারেনি। এখনও পর্যন্ত (!!!) এ নিয়ে উচ্ছ্বাস চলছেই (প্রাসঙ্গিক পোস্ট)। সেই সাইট থেকেই মুসলিমদের করা প্রায় ৭০০ মন্তব্য থেকে মণিমুক্তোগুলো বেছে নিয়েছি ধর্মকারীর পাঠকদের জন্য। 

মজার কথা এই যে, অসংখ্য মন্তব্যে অমুসলিমরা এবং কয়েকজন মুসলিমও বারবার বলেছে এই খবরে বিশ্বাস না করতে। স্পষ্ট উল্লেখ করা হয়েছে, এই সাইটের সব সংবাদই মজা করার জন্যে। 

কিন্তু ওই যে বিশ্বাসী জোশ! যুক্তি-প্রমাণ-তথ্যের ধার তা ধারে না। 

মন্তব্যগুলো মন দিয়ে পড়ে দেখার পরামর্শ আমাকে দিয়েছিলেন Suirauqa। তাঁকে ধন্যবাদ।

মণিমুক্তোমালা:

Paris If u read this I am boy who want to marry u . I can come 2 America or u come to Syria. Masha Allah u mak me so happy u are now muslim. My family own a shop we sell elicric applianse like TV, DVD machin and also Air Conditoner. Please email me Kamal342@yahoo.com I will come 2 u in the night and show u real lovin; In my house we have room where we can stay and I treat u nice!

ধর্ম – একটি ঝুঁকিহীন, লাভজনক বাণিজ্য


পৃথিবী জুড়েই ধর্ম মানেই ব্যবসা। ইহজগতে অর্থ উপার্জনের (বলা উচিত – করায়ত্ব করার) সবচেয়ে সহজ ও নিরাপদ পদ্ধতির নাম ধর্ম। অপরিমেয় অর্থের মালিক হয়েও আয়ের হিসেব দিতে হয় না, উৎস জানাতে হয় না, কর দিতে হয় না, মামলা-মোকদ্দমার ভয় নেই, রাষ্ট্রযন্ত্র তাদের ঘাঁটাতে সাহস করে না। ধর্মবিশ্বাস নামের দুর্বলতাকে পুঁজি করে মসজিদ-মন্দির-চার্চ-সিনাগগগুলো কতোটা ধনপ্রাচুর্যে প্লাবিত, কতোটা বিপুল অর্থের অধিকারী, সাধারণ বিশ্বাসীরা সেটির খবরও রাখে না। 

তিন মিনিটের সুনির্মিত ভিডিওতে আমেরিকার চার্চগুলোর বিপুল বাণিজ্যের কিছু পরিসংখ্যান দেখুন।

নামাজনামা – ০৬


কারুর-কারুর কাছে নামাজ অপেক্ষা নিদ্রা উত্তম। এবং উহাদের জন্যে পরকালে অপেক্ষা করিতেছে...
ছবিটি, খুব সম্ভব, মিসরের সাম্প্রতিক ঘটনাবলীর সময়ে তোলা।


ধর্ম মূলত ঘৃণার নামান্তর


ধর্মের কাজ মানুষের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করা; তাই এক ধার্মিকের রক্তে সব সময়ই গোপনে শানানো হ’তে থাকে অন্য ধার্মিককে জবাই করার ছুরিকা।
- হুমায়ুন আজাদ

হুমায়ুন আজাদ বলেছিলেন অন্য ধার্মিকের কথা। তাঁর কথায় ভুল নেই এতোটুকুও। তবে সঠিকতর হতো ভিন্নমতাবলম্বী বা ভিন্ন জীবনাদর্শে বিশ্বাসীর কথা বললে। ভিন্নধর্মে বিশ্বাসীদের চেয়ে অবিশ্বাসী ও অপ্রচলিত ধারার জীবনাদর্শের অনুসারীদের প্রতি ধার্মিকদের ঘৃণা অনেক গুণে প্রবলতর।

উগান্ডার বর্তমান পরিপ্রেক্ষিতের দিকে তাকিয়ে দেখুন। আমেরিকার ইভ্যাঞ্জেলিক্যাল খ্রিষ্টান গ্রুপের প্রত্যক্ষ প্রভাবে উগাণ্ডা এখন বিশ্বে সবচেয়ে সমকামী-বিরোধী রাষ্ট্র। সমকামীদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রযন্ত্র ও খ্রিষ্টানদের সার্বক্ষণিক ঘৃণাপ্রচার গড়ে তুলেছে "কাঙ্ক্ষিত" জনমত। নিকটতম আত্মীয় সমকামী বনে গেলে বা সমকামী প্রমাণিত হলে তাকে নির্দ্বিধায় হত্যা করতে প্রস্তুত এখন অনেকেই। 

প্রাসঙ্গিক ভয়াবহ দু'টি ডকুমেন্টারির অন্তত একটি দেখুন। প্রথমটির নাম: Missionaries Of Hate।

১৮ ফেব্রুয়ারী, ২০১১

আরব্য ধর্মগুলোর চৌর্যবৃত্তিনির্ভরতা


লেখাটি একটু দীর্ঘ তবে অসংখ্য কৌতূহলোদ্দীপক তথ্যসমৃদ্ধ এবং অবশ্যপাঠ্য। চমৎকার এই রচনা পাঠিয়েছেন লাইট ম্যান

জ্ঞান-বিজ্ঞানের উৎকর্ষের ফসল আর প্রযুক্তিগত আবিষ্কারের মিষ্টিফলের বুভুক্ষ ভিক্ষুক হয়েও এর বিরুদ্ধে হরহামেশা হট্টগোল, বিরুদ্ধাচারণ এবং শেষে উপায় না দেখে কুযুক্তি দেখিয়ে বলে, ও এতো আমাদের ঐশী গ্রন্থে লেখা আছে - এটাই এখন নিত্যদিনের সংলাপ ও অভ্যাসে পরিণত হয়ে গেছে আরবে উৎপাদিত ধর্মগুলোর অনুসারীদের। নিজেদের প্রচারিত মতবাদকে একমাত্র শ্রেষ্ঠ, সত্য, অভ্রান্ত, অ-দ্বিতীয় ও বিশ্বাসযোগ্য হিসাবে প্রমাণ করতে গিয়ে বারবার ভেজে খেয়েছে মরু অঞ্চলে শত-শত বছর পূর্ব হতে লোকমুখে প্রচলিত পৌরাণিক কাহিনীর প্রাথমিক মালমসলা দিয়ে। সেগুলোকে ঐশী চরিত্র বলে দাবি করে মূল চরিত্রটি ঠিক রেখে ধুরন্ধর শঠ ধর্মপ্রচারকরা তাতে নিজেদের তৈরী গরম মসলা ঢেলে কিছুটা স্বাদের পরিবর্তন আনতে চেষ্টা করে গেছেন শুধু চরিত্রগুলোর বর্ণনায়। যাতে নকলের দায়ে বহিষ্কৃত হতে না হয়। ধর্মপ্রবর্তনকারীরা সাময়িক সময়ের জন্য এই মিথ্যা প্রচেষ্টায় অসহায় বিশ্বাসীদের চোখে ধুলো দিতে পারলেও বর্তমানে অবাধ তথ্যপ্রযুক্তির কল্যাণে একে একে বেরিয়ে পড়ছে সব থলের বিড়াল।

বিশ্বাসের সমুদ্রে পাল তুলেছে আজ অবিশ্বাসী হাওয়া। এখন আমরা জানতে পারছি ধর্ম উৎপত্তির প্রকৃত ইতিহাস, উৎপত্তির স্থান ও কাল এবং ধর্মগুলোর বিকাশের ঐতিহাসিক প্রারম্ভিক অবস্থা সম্পর্কে। পাশাপাশি একই সাথে আমরা দেখতে পাচ্ছি এক ধর্ম অন্য ধর্মকে কীভাবে হত্যা, অপহরণ, আত্মসাৎ, চুরি, অনুকরণ, অনুসরণ করেছে, তার ইতিহাসনির্ভর প্রামাণ্য তথ্যচিত্র।

মরুর ধর্মগুলো সব একই স্থানে উৎপত্তি হওয়ায় ধর্মপ্রচারকরা যতই তাদের প্রচারিত নতুন ধর্মকে একটি স্বতন্ত্র ও বিজ্ঞানসম্মত ধর্ম হিসাবে প্রচারণা চালানোর চেষ্টা করুন না কেন, তারা কখনোই তৎকালীন লোকসমাজে প্রচলিত পৌরাণিক কাহিনীগুলোর ওপর আস্থা ও বিশ্বাস থেকে সম্পূর্ণ সরে আসতে পারেননি বা সরে আসার কোনো চেষ্টাও চালাননি। বরং বিশ্বাসগুলোকে অটুট রেখেই জনসাধারণের আস্থা অর্জনে প্রচলিত কাহিনীগুলোতে সামান্য ইট-সুড়কি ঢেলে ধর্মের ভিত মজবুত করার চেষ্টা চালিয়ে গেছেন এবং একই সাথে পূর্ব হতে তৎকালীন সমাজে প্রচলিত ধর্মগুলোর কাছ থেকে সহায়ক ধর্মীয় নিয়ম-কানুন, রীতি-নীতিসহ অনেক কিছুই হাতিয়ে নিয়েছেন।

তার সামান্য কিছু দৃষ্টান্ত তুলে ধরা হল:

মগজ থাকতেও চিন্তা-অনীহা কেন?


আল্লাহপাক আমাদেরকে মগজ দিয়েছেন চিন্তা করার জন্য। অথচ তার কতোটুকু সদ্ব্যবহার আমরা করি? একটু ভেবে দেখতে, যাচাই করতে, নিজের বিচারবুদ্ধি খাটাতে এতো কেন অনীহা আমাদের? 

তিন মিনিটের চমৎকার কার্টুন দেখুন।


১৭ ফেব্রুয়ারী, ২০১১

কনটেইনস নাটস



ভিন্নমতাবলম্বীদের উদ্দেশে ইসলাম কহে



বৃষবিষ্ঠা বা বল্দার্গু – ১১


(ধর্মের সঙ্গে আপাত সম্পর্কহীন এই সিরিজটি ধর্মকারীতে প্রকাশের কারণ একটিই: তথ্য-প্রমাণহীন যে কোনও বিশ্বাসের প্রচার ও প্রসার ক্ষতিকারক। ধর্মসহ এই জাতীয় যাবতীয় অপবিশ্বাস থেকে মুক্ত হতে পারলেই নিজেকে প্রকৃত মুক্তমনা বলা যেতে পারে। তার আগে নয়।)

Penn & Teller জুটির উপস্থাপিত ব্যঙ্গ-বিদ্রূপবহুল ব্যাশিং টিভি-সিরিজ "বুলশিট"-এর এই পর্বের (তিরিশ মিনিট) বিষয়বস্তু: জ্যোতিষবিদ্যা। আমার ভাগ্য ও জীবনযাত্রার ওপরে প্রভাব ফেলা ছাড়া দূর-দূরান্তের লক্ষ-কোটি গ্রহ-নক্ষত্রের আর কোনও কাজ তো নেই! তাদের অবস্থান বদল হলে বদলে যায় আমার ভাগ্যও। শশালা! বিজ্ঞানের ব-ও নেই এতে! 

অথচ এই বল্দার্গুতে বিশ্বাসীর সংখ্যা পৃথিবীতে কোটি-কোটি! আর তাদের এই বিশ্বাসদৌর্বল্যকে পুঁজি করে দেদারসে সম্পদশালী বনে যাচ্ছে জ্যোতিষী নামধারী প্রতারকেরা। পত্র-পত্রিকায় ফলাও করে প্রকাশিত হয় দৈনিক রাশিচক্র। অনেক জ্যোতিষী পেয়ে যায় তারকা-খ্যাতি! জ্ঞানী ভাব নিয়ে এবং আক্ষরিক অর্থেই আগডুম-বাগডুম বলে সরলবিশ্বাসী লোকদের কাছ থেকে টাকা হাতিয়ে নেয়ার ব্যাপারটি কেন প্রতারণা নামের অপরাধ হিসেবে গণ্য হয় না, বুঝে পাই না। 

সম্প্রতি আরেকটা খবরে পড়লাম, এখন নাকি রাশি সংখ্যা বারো নয়, তেরো! শুধু তেরো কেন, তেরো কোটি হলেও বল্দার্গুর দুর্গন্ধ হ্রাস পায় না এতোটুকুও।

১৬ ফেব্রুয়ারী, ২০১১

আদমচরিত ০১৯


লিখেছেন মুখফোড়

১.

স্বর্গে জায়হুন নদীর তীরে বালুকাবেলায় আদম একটি তোয়ালা পাতিয়া বসিয়া অলস নেত্রে বিকিনি পরিহিতা স্বর্গবেবুশ্যেদের অবলোকন করিতেছিলো, আর মনে মনে ভাবিতেছিল, "বেওয়াচ" নামে একটি টেলিভিশন ধারাবাহিক নির্মাণ করিলে কীরূপ হয়, এমন সময় শয়তান আসিয়া গলা খাঁকারি দিয়া কহিল, "ওহে মৃত্তিকানির্মিত আদম, কুশল কী?"

আদম আড়চোখে শয়তানকে এক পলক দেখিয়া আবার একটি বিশালবক্ষা গুরুনিতম্বিনী বিকিনিবসনার দিকে মনোযোগ স্থাপন করিয়া কহিল, "আরে শয়তান যে! তন্দুরস্তি মন্দুরস্তি ঠিক তো?"

শয়তান মৃদু হাস্যে কহিল, "ঘরে সুন্দরী স্ত্রী ফেলিয়া তুমি এই সুদূর নদীতীরে রশ্মিনির্মিত হাফনেংটু স্বর্গবালাদের দেখিয়া দর্শনকাম চরিতার্থ করিতেছ যে বড়?"

আদম দীর্ঘশ্বাস ফেলিয়া কহিল, "ঘরে সুন্দরী স্ত্রী থাকা না থাকা সমান হে শয়তান! নিষিদ্ধ ফলও আয়ত্বে আসে নাই, সেই হতভাগিনীও নাগালে আসে নাই। তাই আমার এই দুই চোখ আর বাম হাতখানিই ভরসা। হ্যাণ্ড-আই কোঅর্ডিনেশন করিয়াই দিনাতিপাত করিতেছি। পঞ্জরের অস্থিখানা পুরাই জলে গেল।"

শয়তান বলিল, "দিনরাত কুচিন্তা করিলে তোমার স্বাস্থ্যক্ষয় হইবে। খেলাধূলা কর না কেন?"

আদম বলিল, "কী খেলিব? সাতচারা না লুডু?"

শয়তান বলিল, "ক্রিকেট খেল না কেন?"

সখী, স্বাধীনতা কারে কয়



ইসলামের দৃষ্টিতে শ্রেষ্ঠতম মানব


ইসলামের দৃষ্টিতে যাঁকে শ্রেষ্ঠতম মানব হিসেবে গণ্য করা হয়, তাঁর শ্রেষ্ঠত্বের কতোটুকু আমরা জানি? আসুন, স্লাইড শো দেখে পরিচিত হওয়া যাক তাঁর চরিত্রের বিশেষ কিছু দিকের সঙ্গে। 

ডকুমেন্টটি খ্রিষ্টানদের উদ্যোগে তৈরি (ধর্মগুলোর পারস্পরিক পশ্চাদ্দেশ প্রহার পরম উপভোগ করি) হলেও সব ক্ষেত্রেই কোরান-হাদিসসহ অন্যান্য নির্ভরযোগ্য ইসলামী তথ্যসূত্র ব্যবহার করা হয়েছে। তবে কয়েক জায়গায় একেবারেই আপ্রসঙ্গিকভাবে বাইবেলের জয়গান গাওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে দু'-একটি বাণী উদ্ধৃত করে । তাতে ছন্দপতন হয়েছে কিছুটা, তবে এই অংশগুলো অনায়াসেই স্কিপ করে যাওয়া যেতে পারে।
নবীজিপেয়ারুদের অবশ্যপাঠ্য 


বাইবেলের তেরোটা বাজা


কুষ্ঠরোগের চিকিৎসাপদ্ধতি ঈশ্বর স্পষ্টভাবে বাতলে দিয়েছে বাইবেলে। তবু চিকিৎসাবিজ্ঞান কেন যে তা অনুসরণ করে না!


বুদ্ধু বিধাতা – ০১



ঘৃণা ও সহিংসতার শিক্ষা


ইসলামী ইতরামির আরও একটি নিদর্শন। ব্রিটেনের মাদ্রাসা, ইসলামী স্কুল ও কোরানশিক্ষার ক্লাসগুলোয় বদ্ধ দরজার পেছনে চলে ভিন্নমতাবলম্বীদের প্রতি ঘৃণা ও সহিংসতার শিক্ষা। এছাড়া চড়-কিল থাপ্পড়সহ নানাবিধ শারীরিক শাস্তির প্রচলনও অবাধ। 

মুসলিম ছাড়া বাকি সবাই কাফের এবং অবিশ্বাসীরা হচ্ছে পৃথিবীর সবচেয়ে নিকৃষ্ট সৃষ্টি, এমন শিক্ষাও দেয়া হয় এই প্রতিষ্ঠানগুলোয়। এক জায়গায় শেখানো হচ্ছে, হিন্দুদের বুদ্ধিবৃত্তি খুব নিচু স্তরের, তারা গরুর পুজা করার মতো হাস্যকর কাজ করে (যেন হজরে আসওয়াদ চুম্বন হাস্যকর নয়!), তারা গোমূত্র পান করে (বোখারি শরীফের হাদিসেই কিন্তু আছে. নবীজি নিজে উটের মুত খাবার উপদেশ দিয়েছেন)। শিক্ষার্থীদের উদ্বুদ্ধ করা হয় স্থানীয়দের সঙ্গে না মিশতে। সবচেয়ে বড়ো কথা, এসব বিচ্ছিন্ন কোনও ঘটনা নয়। 

গোপন ক্যামেরায় চিত্রায়িত এই ডকুমেন্টারি গতকাল প্রচারিত হয় চ্যানেল ফোর-এ। এবং ডকুমেন্টারি-প্রচারোত্তর প্রতিক্রিয়া পড়ুন গার্ডিয়ানের রিপোর্টে।

কোনও কারণে ভিডিও লভ্য না হলে তা জানানোর অনুরোধ রইলো।

১৫ ফেব্রুয়ারী, ২০১১

ঈশ্বরের খেদ


লিখেছেন কৌস্তুভ


দীর্ঘ ছয় দিন ধরি মৃত্তিকা ছানিয়া
রচিলাম আদমেরে; জগতে আনিয়া
দিনু তারে সঙ্গিনীও, ঈভ যার নাম–
তবুও আপেল চাখি’ করিল আকাম!

কামলীলা ফল দিল, ভরিল জগৎ;
সে ভুলের ফল হাতে পাইনু নগদ–
আদমের কুলে হায়, জন্মি ডারুইন,
বিশ্বপিতা আমারেই করে দেয় হীন?

বেটা নাকি কয়ে গেছে জ্ঞানের বচন–
মূর্খ সবে যারে নাম দিল বিবর্তন;
জেনেসিস প্রবাদের ফাটায়ে ফানুস,
অহঙ্কার করে যত পাষণ্ড মানুষ।

আসিছে তাহারা নাকি বানর হইতে;
এ-কথা হাঁকিয়া ফেরে, ভয়হীন চিতে!
রেগেমেগে হয় মনে, দিয়ে দিই শাপ–
কপিই হয়ে যা তোরা, বান্দরের বাপ!

প্রিয় পুরনো পোস্টগুলো – ৩০


ধর্মকারীতে পোস্টের সংখ্যা সতেরোশো ছাড়িয়ে গেছে। এই সাইটের খোঁজ যেসব পাঠক সম্প্রতি পেয়েছেন বা ভবিষ্যতে পাবেন, তাঁদের পক্ষে আগে প্রকাশিত মজাদার পোস্টগুলো খুঁজে নেয়া ব্যাপক শ্রম- ও সময়সাধ্য ব্যাপার হবে ভেবেই হারানো-দিনের-পোস্ট ধরনের এই সিরিজের অবতারণা। পুরনো পাপীরাও এই সুযোগে স্মৃতিচারণ করে নিতে পারেন 

প্রতি পর্বে আমার বিশেষ প্রিয় পাঁচটি পোস্টের লিংক দেবো সংক্ষিপ্ত বর্ণনাসহ। শুরু করেছি ধর্মকারীর আদিকাল থেকে।

১. ঈশ্বর অলীক (গান, মন-খারাপ-করা ভিডিও) 
২. ধর্মাতুল কৌতুকিন – ১০ (কৌতুক সংকলন) 

আগের পর্বগুলো দেখতে নিচের "কাসুন্দি" ট্যাগে ক্লিক করুন।

শ্রদ্ধাকামীদের প্রতি বীতশ্রদ্ধ


ধর্মবিশ্বাসকে শ্রদ্ধা প্রদর্শন করার দাবি জানানো হয় থাকে। গণহত্যা, সন্ত্রাস, খুন, ধর্ষণ, অত্যাচার, শিশুকামিতাসহ ইত্যাকার বহুবিধ মানবতাবিরোধী কর্মকাণ্ডের অতিকায় তালিকায় ধর্মগুলোর নাম কিন্তু আসে সবার আগে! তবু নির্লজ্জভাবে, ক্ষেত্রবিশেষে হুমকি দিয়ে, শ্রদ্ধা চাওয়া হয়। হায়, বাধ্যতামূলক প্রেম তো সম্ভব নয়! শ্রদ্ধা এমনিতেই অর্জিত হয়ে যায় যোগ্যতা থাকলে। "শ্রদ্ধা দাবি করবার বা চেয়ে নেয়ার জিনিস নয়, শ্রদ্ধা অর্জন করে নিতে হয় যোগ্যতা দিয়ে" - আদি এই সরল সত্যটি, মনে হয়, শ্রদ্ধাকামীদের অনুধাবন করার দাবি জানাতে হবে আমাদের পক্ষ থেকে  

বায়োনিকডান্স নামের ইউটিউবারের চাঁছাছোলা কথার ভক্ত হয়ে পড়ছি বলে বোধ হচ্ছে। আড়াই মিনিটের ভিডিওতে তিনি স্পষ্ট উচ্চারণে দৃঢ়ভাবে বলছেন, শ্রদ্ধা পাবার যোগ্যতা ধর্মবিশ্বাসের নেই কেন। 

প্রাণ তো মানে না-আ-আ রে...



যে ধর্মগুলো ভোগলামি নয়


যাবতীয় ধর্মের পশ্চাদ্দেশ প্রহারের ব্রত ধর্মকারী নিলেও এ কথাও সত্য, এমন কিছু ধর্ম আছে, যেগুলোর কোনও প্রকার সমালোচনা ধর্মকারীতে দেখা যায়নি, যাবেও না। তেমন ধর্মগুলোর একটি তালিকা খুঁজে পেলাম নেটে। 

উত্তমরূপে ধোলাই


টিভিতে অনুষ্ঠিত বিতর্কের সময় ঈশ্বরের অস্তিত্বের সপক্ষে বিশ্বাসীর দেয়া "যুক্তি"-কে এমন ব্যঙ্গাত্মক ও বিধ্বংসী উপায়ে ধোলাই করলেন স্যাম হ্যারিস, দেখে ধর্মীয় টিভি-চ্যানেলের উপস্থাপক পর্যন্ত হেসে ফেললেন। পুরোই ক্লাসিক। 

মাত্র ৩ মিনিট ৪৪ সেকেন্ডের ভিডিও।

প্যারিস হিলটনের ইসলাম ত্যাগ


সিলেব্রিটিদের মুসলিম বানাতে পারলে ইসলাম বর্তে যায় এবং আজান দিয়ে জানান দেয়ার মতো করে প্রচার চালায় সেই খবরের। নব্য মুসলিম সিলেব্রিটি, তার নাম লোকে জানে, সেটাই বড়ো কথা। তার চরিত্র নিয়ে কথা ওঠে না। আর তাই ধর্ষক মাইক টাইসন, শিশুকামী মাইকেল জ্যাকসন (ভক্তরা চেইতেন না, আমি তার সঙ্গীতপ্রতিভা নিয়া মন্তব্য করি নাই) মুসলমান হলে ইসলাম জাহানের শুষ্কপ্রধান রুক্ষ অঞ্চলগুলোতেও বন্যা বয়ে যায়। খুশির। 

ক'দিন আগে শোনা গেল, প্যারিস হিলটন ইসলাম গ্রহণ করেছেন। আরও জানা গেল, হলিউডে ইসলাম প্রচারের জন্য ইসলামী স্কুল খুলবেন। এমনকি তিনি নিজের নাম পাল্টে "তাহিরাহ্" রেখেছেন। হলেনই বা তিনি নিত্যস্ক্যান্ডালজন্মদাত্রী, ড্রাগসেবী এবং নেটে একান্ত ব্যক্তিগত হোম ভিডিও প্রচার করে খ্যাতি অর্জন করা সেলিব্রিটি। শুনে কতো মুসলিম আলহামদুলিল্লাহ বললো, আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করলো, যথাযথ পদক্ষেপ নেয়ার জন্যে প্যারিসকে ধন্যবাদ জানালো! এসব নেটেই দেখেছি।  

মজার ব্যাপার হলো, তারা খবরটি যাচাই করে দেখার প্রয়োজনীয়তাই বোধ করেনি (অবশ্য যাচাই করার, পরীক্ষা করার প্রবণতা ও সদিচ্ছা থাকলে তারা কি আর মুসলিম থাকতো?)। খবরটি প্রকাশ করেছিল The Daily Squib। Squib অর্থ A brief satirical or witty writing or speech। তবে তার চেয়েও বড়ো কথা, সাইটের একেবারে নিচে ডিসক্লেইমার দেয়া আছে: The Daily Squib is a curious satirical publication and should therefore be taken fu**ing seriously ;)।

এই খবর প্রকাশের ঠিক ছয়দিন পরে আরেকটি খবর বাজারে ছাড়লো তারা: প্যারিস হিলটন বৌদ্ধধর্ম গ্রহণ করেছেন। 

আমি চিন্তায় পড়ে গেছি: ইসলামত্যাগ করার অপরাধে এখন প্যারিস হিলটনকে হত্যা করা হবে কি না 

Gawd ব্লেস আমেরিকা


আসছে বসন্তকালে (বাংলা ক্যালেন্ডারমতে নয়) আসছে একটি ডকুমেন্টারি-কমেডি ছবি। নাম: Gawd Bless America। তথাকথিত অলৌকিক বা অতিলৌকিক দাবি-দাওয়াগুলো ব্যঙ্গ-বিদ্রূপের মাধ্যমে অপদস্থ করা ও ভুয়া প্রমাণিত করাই এই ছবির লক্ষ্য। 

ট্রেইলার দেখুন।

১৪ ফেব্রুয়ারী, ২০১১

রমজান কি সংযমের মাস?


রমজানের সময় ছাড়া রমজান-আলোচনা চলতে পারে না, তা তো নয়! যৌক্তিক কোনও প্রশ্নের সময়-অসময় বলে কিছু নেই। নিচের ছোট্ট লেখায় তেমনই একটি প্রশ্ন রেখেছেন হৃদয়াকাশ। 

বাংলাদেশে প্রায় ১৬ কোটি মানুষ। দেশীয় উৎপাদিত পণ্যে এই বিশাল জনগোষ্ঠীর খাদ্য চাহিদা মেটানো সম্ভব হয় না। তাই প্রতিবছর কিছু না কিছু আমদানী করতেই হয়। আর এ কারণে বাজারে দ্রব্যমূল্যের কিছু ওঠানামা লক্ষ্য করা যায়। কিন্তু একটি বিষয় লক্ষ্যণীয় যে, প্রতিবছর রমজানের আগেই বাজারের সব পণ্যের দাম কিছু না কিছু বাড়বেই, দু একটি ব্যতিক্রম ছাড়া- এর কারণ কী? 

রমজানের সময় দেশের মানুষ তো আর বাড়ে না। তাহলে একটি বিশেষ মাসে দ্রব্যমূল্য বাড়ে কেনো? কেউ কেউ বলতে পারে, রমজানের আগে ব্যবসায়ীরা মাল মজুত করে দ্রব্যমূল্য বাড়ায়। তাহলে প্রশ্ন হচ্ছে, ঐ সময় ব্যববসায়ীরা মাল মজুত করে কেনো? নিশ্চয় তারা জানে যে, ঐ মাসে বেচাকেনা বেশি হবে, তাই বেশি লাভের আশায় তারা মাল মজুত করতেই পারে। এখানে প্রশ্ন হচ্ছে শুধু রমজান মাসেই বেশি মাল বিক্রি হবে কেনো ? দেশের জনসংখ্যা তো আর এক কোটি হঠাৎ করে বৃদ্ধি পায় নি; তাহলে? তাহলে নিশ্চয় রমজান মাসে লোকজন বেশি খায়। কিন্তু তা তো কথা ছিলো না; কথা ছিলো কম খাওয়ার। কারণ রমজান তো সংযমের মাস। এ থেকে কী প্রমাণ হয়? রমজানে মুসলমানেরা সিয়াম সাধনা করে? না ভণ্ডামি করে ?

একটু ভাবুন, তারপর মন্তব্য করুন। 

ভ্যালেন্টাইনের ভালোবাসা আমি চাই না


"সেইন্ট ভ্যালেন্টাইন'স ডে" - এর বাংলা হবে "পুণ্যাত্মা ভ্যালেন্টাইন দিবস"। ব্যক্তিগতভাবে আমি মনে করি:
"পুণ্যাত্মা ভ্যালেন্টাইন দিবস" অপেক্ষা "পাপাত্মা ভ্যালেন্টিনা রজনী" অযুতগুণে শ্রেয়।

তাই বলে এই পুণ্য দিবসে ধর্মকারী একটু পাপাচরণও করবে না, তা কি হয়? 

দোকানে কিনতে পাবেন না, এমন তিনখানা ভ্যালেন্টাইন ডে কার্ড দেখুন। সবগুলোই একটু ইয়ে-টাইপ কিন্তু! 


সবার ওপরে মানুষ... থুক্কু... বিশ্বাস সত্য


ছোট্ট ভূমিকাসহ খবরের লিংক পাঠিয়েছেন Suirauqa

নিজের মেয়ের গলায় ২৩ বার ছুরি চালিয়েছে এক ধর্মপ্রাণ পাকিস্তানি ব্যক্তি - তাকে নরপশু বলতাম, কিন্তু পশুদের অপমান করতে ইচ্ছা হল না; "To him, she represented a threat to his pride, dignity and standing in the Pakistani community" - এটাই হলো আসল কথা, pride - অহংকার, যা তাকে চালনা করেছে, কিন্তু তার ধর্মের অনুশাসন তাকে শিখিয়েছে যে, এইসব তুচ্ছ কারণেও কাউকে মেরে ফেলাটা নিশ্চয় জায়েজ। আর কিছু লিখছি না, আমার মাথাটা গরম হয়ে আছে।

ডারউইনকে নিয়ে চমৎকার গান - চার্লি


মাঝেমধ্যেই কিছু গায়ক বা গ্রুপ উদয় হয় ধূমকেতুর মতো, একখানা গান দিয়ে দুনিয়া মাতিয়ে ফেলে তারা। তারপর তাদের কথা আর বিশেষ শোনা যায় না। তেমনই এক গ্রুপের নাম Chumbawamba। নামটি বড়োই অভিনব, ১৯৯৭ সালে গাওয়া তাদের সেই হিট গানটির নামও: Tubthumping।

ধর্ম ও ঈশ্বর সম্পর্কে এঁদের মতামত বিস্তারিত এখানে পড়ে নিন। আমি কিছু অংশ উদ্ধৃত করি শুধু:

I don't see any benefit in religion, other than the wearing of priest's robes makes paedophiles easier to identify. As for spirituality, what exactly is it? I've never trusted anybody who claimed to be spiritual. It's like claiming to have a sixth sense which nobody else can see. When people say they're spiritual what they usually mean is: "I'm dead special me! Unlike the rest of you who are a couple of steps down the evolutionary ladder."


The problem with religion or the state for that matter is that it involves putting faith in something above yourself. They take power and responsibility away from ordinary people and undervalue people's worth.


In lefty circles there's a tendency to dismiss Western religions as bollocks whilst believing any old clap-trap as long as it's Eastern. I'm sick of hearing how spiritual and fantastic Buddhism is; tell it to the slave labourers in Burma. They live under a Buddhist system and its not doing them much good.


... We don't believe in god on any level. Religion is a socially acceptable version of heroin, it's a prop which fucks people up and over. And as Blaise Pascal so aptly put it: "Men never do evil so completely and cheerfully as when they do it from religious conviction.

Tubthumping আমার খুবই প্রিয় একটি গান। হেরে না যাবার গান: I get knocked down, but I get up again... প্রথমে সেটি শুনে নেয়া যাক, যদি শোনা না থাকে। তারপরে শুনুন ডারউইনকে নিয়ে তাদের বানানো খুবই চমৎকার গানটি। গানটির ভিডিও খুঁজে পাইনি। তবে লিরিকস দেয়া আছে।

আমাদের আত্মীয়েরা – ১৬


দুই ছবিতেই একই পিচ্চি আর একই বানর, তাই না? আমার তো তেমনই মনে হচ্ছে।



ডারউইন দিবস পালন না করার কারণসমূহ


মাত্র গোটাকয়েক ভিডিও দেখেই C0nc0rdance-এর গুণমুগ্ধ হয়ে পড়েছি। আজকের তীব্র ব্যঙ্গাত্মক এই ভিডিওতে তিনি বলছেন, তিনি কেন ডারউইন দিবস পালনের পক্ষপাতী নন। 

রিভার্স খেলার উৎকৃষ্ট উদাহরণ। 

ধর্ম ও বিজ্ঞানের খিচুড়ি