৩১ জানুয়ারী, ২০১১

সচিত্র হা-হা-হাদিস – ২৩


ভূগোল, জ্যোতির্বিদ্যাসহ বিজ্ঞানের নানান বিষয় বিষয়ে প্রায়-অজ্ঞ (যদিও দাবি করা হয়, সর্বজ্ঞ) আল্লাহর পেয়ারে বান্দাও যে মহামুরুক্ষ হবে, তাতে তো অবাক হবার কিছু নেই! 
হাদিসেই বলছে, সূর্যগ্রহণ দেখে ইসলামের নবী কেয়ামত শুরু হয়ে যাচ্ছে ভেবে আতঙ্কিত হয়ে লাফ দিয়ে উঠতেন 


প্রাসঙ্গিক হাদিস: 

Bukhari vol. II, No. 167 
The sun eclipsed and the Prophet jumped up, terrified that it might be the Hour [of Judgment].

৩০ জানুয়ারী, ২০১১

বিগ ব্যাং-এর ভিডিও


কার্টুন সিরিজ ফ্যামিলি গাই-এর একটি হাহাপগে অংশ।

অনাবৃত মাংস ও মুসলিম বেড়াল


নারীর শরীর আপাদমস্তক আবৃত করে তাকে বস্তাবন্দী করার ইসলামী রীতির সপক্ষে ইসলামবাজদের দেয়া যুক্তি বরাবরই এরকম হয়ে থাকে: "অনাবৃত মাংস রাস্তায়, ফুটপাতে, বাগানে বা পার্কে ফেলে রাখলে বেড়াল যদি তা খেয়ে ফেলে, সেটা কি বেড়ালের দোষ?" 

"মাংস" সংরক্ষণের আদর্শ ইছলামী পদ্ধতি

আচ্ছা, ধরে নিই, দোষ অনাবৃত মাংসের। তাহলে মিসরের ৮৩ শতাংশ মেয়ে যৌননিপীড়নের শিকার হয় কেন?

যথাযোগ্য স্থানে




এক খ্যাপা নাস্তিক পাবলিক লাইব্রেরিতে গিয়ে কী কাণ্ড করেছে, ভিডিওতে দেখুন।

নির্ধার্মিকদের বিশ্বাস


নির্ধার্মিকদের সম্পর্কে বদনাম আছে: তারা কিছুতেই বিশ্বাস করে না। কথাটা একদমই ভুল। সুইডিশ ব্যান্ড Colony 5 উত্তর দিচ্ছে তাদের গানে। নব্বই দশকে প্রচলিত টেকনো ধাঁচে গাওয়া এই গানটির নাম Future। 

ভিডিওতে এই গান "গাইতে" দেখা যায় Richard Dawkins, Sam Harris, Christopher Hitchens, Daniel Dennett, Ayaan Hirsi Ali, Michael Shermer, Steve Pinker, PZ Myers, Neil deGrasse Tyson, Lawrence Krauss, Carolyn Porco, Steven Weinberg, Carl Sagan, ZOMGitsCriss, thunderf00t, xxxThePeachxxx, patcondell, FactVSReligion এবং gogreen18-কে।

লিরিকস দেয়া হলো ভিডিওর নিচে।

২৯ জানুয়ারী, ২০১১

শৃঙ্গার: তাবলিগী স্টাইল


লিখেছেন চন্দন 

হলে প্রায়ই দেখি একদল ছাত্র অদ্ভূত পোশাক প'রে আর লম্বা লাইন ধ'রে কক্ষ থেকে কক্ষে গমন করতে থাকে। এই সকল অদ্ভূত পোশাক পরা ছাত্রদের কাছ থেকে বাঁচার জন্য কেউ কেউ কম্পিউটারের পর্দায় নগ্ন বা অর্ধনগ্ন রূপসীর ছবি ঝুলিয়ে দেয়, কেউবা উচ্চস্বরে গান শুনতে থাকে, কেউ কেউ উনাদের উপস্থিতি টের পাওয়া মাত্রই দ্রুত কক্ষ থেকে প্রস্থান করে। কিন্তু যদি কেউ অনিচ্ছাকৃতভাবে ধরা পড়ে, তাহলে সমস্ত কথায় "ইনশাল্লা ইনশাল্লা" বলে চালিয়ে দেয়।

এমনি কোনো একদিন অদ্ভূত পোশাকওয়ালাদের একজন একটি কক্ষে প্রবেশ করেন (বাকিরা লাইন ধ'রে বাইরে দাঁড়িয়ে)। তিনি কক্ষে প্রবেশ করেই আস্‌সালামালাইকুম দিয়ে বলেন:
- আমরা মসজিদ থেকে আসছি দাওয়াত নিয়ে।
উত্তরে নীরবতা।

এবার তিনি ছাত্রটির দিকে কিছুটা এগিয়ে আসেন এবং ছাত্রটির হাতটি নিজের হাতে কোমলভাবে চেপে ধরেন এবং দাওয়াত দিতে থাকেন। কিছুক্ষণ পর তিনি নিজের হাত দিয়ে ছাত্রটির হাত বোলাতে থাকেন এবং বেহেস্তের দাওয়াত দিতে থাকেন।

নীরবতা ভেঙে এবার ছাত্রটি বলে ওঠে: 
- আপনি যেসব কথা বলছেন আর যেভাবে আমার হাতটি বোলাচ্ছেন, তাতে আমার সেক্স উ'ঠে যাচ্ছে।

এবার অন্যপাশে গভীর নীরবতা নেমে আসে...

প্যাট্রিক কন্ডেল: আমাদের লোক – ৩১


ইসলামী জঙ্গিবাদের সামনে কি ক্রমশ নতজানু হয়ে পড়ছে ইয়োরোপ?

নিম্ননেটস্পিডাক্রান্তদের জন্য অডিও ডাউনলোড লিংক


বোরিং বিধাতা



ইসলাম সম্পর্কে ইমামের সত্যকথন


ইসলাম সম্পর্কে যে-কথাগুলো বলে আমরা মুসলিমদের ঘৃণার্হ হচ্ছি অহরহ, সে কথাগুলোই কি বললেন না প্যারিসের এক ইমাম? নিকাব প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে তিনি যে মন্তব্যগুলো করলেন, তাতে তাঁর ফতোয়াপ্রাপ্তি সুদূরপরাহত নয় বলেই মনে হচ্ছে:

... This is an individual thing. I am talking about France. Secondly, what is our role, as Muslims, in this country? Is it to protect tolerance and openness of Islam, or something else? 

... But to wear a piece of cloth on her face, terrifying others? The French are scared. We should consider the perspective of the others. They view us with disgust. Unfortunately, we have become a religion  of extremism, which denies women their right. 

ভিডিওতে দেখুন:

নামাজনামা – ০৫ (আপডেটেড)


নামাজনামা – ০৫ নামের পোস্টে প্রকাশিত ছবিটি ফোটোশপাক্রান্ত সন্দেহ করে দু'জন পাঠক মেইল করেছিলেন আমাকে। প্রবল পরাক্রম ফোটোশপের অপার ক্ষমতার কথা জানি বলে সন্দেহটি আমি উড়িয়ে দিতে পারিনি। তবে আজ নেটচারিতার সময় পেয়ে গেলাম যা খুঁজে পেলাম, তা, মনে হয়, সন্দেহটি দূর করবে।


এই বিশ্বব্রহ্মাণ্ডে নেহাতই তুচ্ছ আমরা - ০৫


কার্ল সেগান-এর Pale Blue Dot: A Vision of the Human Future in Space মানের বই থেকে উদ্ধৃত করা একটি অংশ অবলম্বনে তৈরি ভিডিও। ব্যবহৃত কণ্ঠ কার্ল সেগান-এর নিজের। মুগ্ধ হয়ে শোনার মতো, দেখার মতো। ধর্মবিশ্বাসীদের জন্য নহে। কারণ খোলা মনে শুনলে ধর্মমোহ কেটে যেতে পারে। 

২৭ জানুয়ারী, ২০১১

ব্ল্যাসফিমেরিকপাঠের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া


লিখেছেন কৌস্তুভ

ব্লাসফিমেরিক পড়ে পড়ে ধর্মানুনুভূতি উত্তেজিত হয়ে উঠছিল। ফলে ঈমান উত্থিত হয়ে পড়ে এইটি নির্গত হল। বা বলা যায়, ছড়াপাত হলো।

আজি এসেছেন তিন সে ম্যাজাই, অতিশয় তাঁরা প্রাজ্ঞ;
চোখটি বুজেই নিয়েছেন দেখে দীন-দুনিয়ার ভাগ্য –
যুক্তি এবং বিশ্বাসে সেথা সদা লেগে রবে বিরোধ;
বলছেন তাই, “ও জোসেফ-মেরী,
হল কী মোদের নয় মাস দেরি?
আনিতেছিলাম বিবাহোপহার – সুগন্ধী কিছু নিরোধ...”


বুরকা অ্যান্ড দ্য বিচ – ০১


বিকিনিবহুল সমুদ্রতীর বা অন্যান্য রৌদ্রস্নানস্থলে বোরখাপরিহিতার অবস্থান বড়োই বেমানান, অশোভন, দৃষ্টিকটু এবং অশালীনও বটে। সেখানে তোলা কিছু ছবি ও প্রাসঙ্গিক কার্টুন সংকলন "বুরকা অ্যান্ড দ্য বিচ" ("বিচ" বানান কিন্তু beach। খিয়াল কৈরা!)।

আজ চারখানা।


ধর্মবিধ্বংসী বিবর্তনবাদ


ধর্মগুলোর ধড়িবাজির ধরন ও যাবতীয় জুরিজারি ফাঁস হয়ে গেছে আসলে ডারউইনের বিবর্তনবাদী প্রমাণিত তত্ত্বের কারণে। কিন্তু ধর্মবাজেরা তো "চোখ থাকিতেও অন্ধ" এবং অনুসারীদেরকে অন্ধকারে ধরে রাখার মরিয়া প্রচেষ্টায় তারা বিনাযুদ্ধে নাহি দিবে সূচাগ্র মেদিনী। তারা অবতারণা করেছে ইন্টেলিজেন্ট ডিজাইন ও সৃষ্টিতত্ত্ববাদ নামের সারশূন্য, তথ্য-প্রমাণ-ভিত্তিহীন রূপকথার। আমেরিকার শিক্ষাকার্যক্রমে বিবর্তনবাদের পাশাপাশি তাদের কু-রূপকথা অন্তর্ভুক্ত করার নানান ফন্দি-ফিকির করা হয়েছে এবং হচ্ছে। উদ্যোগটির নাম দেয়া হয়েছে: Teach the controversy। ব্যাপারটা যেন এরকম:


এ প্রসঙ্গে It's Not a Controversy নামের দু'মিনিট পঞ্চাশ সেকেন্ডের অতীব চমৎকার একটি ভিডিও মুগ্ধ হয়ে দেখলাম। 

ইসলামী জঙ্গিবাদের ব্যবচ্ছেদ



খ্রিষ্টানী ধৃষ্টতার দৃষ্টান্ত


১.
বোস্টনে সরকারপক্ষের এক উকিল সম্প্রতি প্রকাশ করেছেন ১১৭ ধর্মযাজকের তালিকা, যারা ৭৫০ জনেরও বেশি শিশুর ওপরে যৌননিপীড়ন চালিয়েছে। শুধু ভেবে দেখুন, একটি শহরেই এই অবস্থা! 

২. 
ডালাসের এক ধর্মযাজক তারই চার্চ-অনুসারী একজনের বাড়িতে ঢুকে দশ হাজার ডলারেরও বেশি মূল্যের মালামাল চুরি করেছে।
(সংবাদের লিংক পাঠিয়েছেন suirauqa)

৩. 
ধর্মভূতাক্রান্ত এক মহিলা তার nephew-র এক বছর বয়সী কুকরকে ঝুলিয়ে আগুনে পুড়িয়ে মেরে মেলেছে। তার মতে, সেটি ছিলো "কুকুররূপী শয়তান", কারণ কুকুরটি তার বাইবেল খেয়ে ফেলেছিল। চাইলে প্রাসঙ্গিক সংবাদ-ভিডিও দেখে নিন।

বৃষবিষ্ঠা বা বল্দার্গু – ১০


(ধর্মের সঙ্গে আপাত সম্পর্কহীন এই সিরিজটি ধর্মকারীতে প্রকাশের কারণ একটিই: তথ্য-প্রমাণহীন যে কোনও বিশ্বাসের প্রচার ও প্রসার ক্ষতিকারক। ধর্মসহ এই জাতীয় যাবতীয় অপবিশ্বাস থেকে মুক্ত হতে পারলেই নিজেকে প্রকৃত মুক্তমনা বলা যেতে পারে। তার আগে নয়।)

Penn & Teller জুটির উপস্থাপিত ব্যঙ্গ-বিদ্রূপবহুল ব্যাশিং টিভি-সিরিজ "বুলশিট"-এর এই পর্বের (তিরিশ মিনিট) বিষয়বস্তু: স্বর্গ থেকে আসা সংকেত। ক্রন্দনরত মেরি মাতার মূর্তি, টোস্টের ওপর যিশুর ছবি, আমের আঁটিতে "আল্লাহ" খোদাই করা... ইত্যাকার বুলশিট এই পর্বে আলোচিত।

২৬ জানুয়ারী, ২০১১

আদমচরিত ০০৯


লিখেছেন মুখফোড়

আদম ক্রোধান্ধ হুহুঙ্কার ছাড়িতে ছাড়িতে ঈশ্বরের দরবারে প্রবেশ করিলো। 

দ্বারপথে জনৈক স্বর্গদূত তাহার আইডেন্টিটি কার্ড দেখিতে চাহিয়াছিলো। কহিয়াছিলো, "ডান্ডি কার্ড হায় কেয়া?"

আদমের মেজাজ অদ্য দুরস্ত নাই, সে দন্ত খিঁচাইয়া কহিলো, "কদ্দিন আগেই না সেজদা দিয়ে পায়ের গোদে চুমাচাট্টি খাইলি? ভুলে গেলি এর মধ্যেই? আমার আবার ডান্ডি কার্ড কিসের র্যা?" এই বলিয়া সে প্রহরী স্বর্গদূতের হাতের লাঠি কাড়িয়া লইয়া এক অনর্থ কর্ম করিলো। তারপর হনহন করিয়া গিয়া হাজির হইলো আরশে আসীন ঈশ্বর বাহাদুরের সামনে।

ঈশ্বরের কোন ভাবান্তর নাই, তিনি নির্বিকার মুখে বসিয়া রহিলেন।

আদম কুর্ণিশ করিয়া কহিলো, "হে পিতা ঈশ্বর, ঈভ মাগীকে অতি সত্বর শায়েস্তা করতে হবে। মাগী রোজ আমাকে ঘ্যাম যৌন নির্যাতন করে চলছে মাইরি।"

ঈশ্বর স্মিতমুখে বসিয়া শুনিতে লাগিলেন, কোনরূপ উত্তর করিলেন না।

আদম কহিলো, "বহুকষ্টে মাগীকে সেদিন রাজি করিয়েছি ইয়ে করার জন্য। তার সেই এক গোঁ, আমাকে নিষিদ্ধ ফল গিলতে হবে, তারপর রীতিমতো উত্থান নিয়ে তার কাছে যেতে হবে। যতই বলি এইসব কেমিক্যাল খাওয়া স্বর্গে নিষিদ্ধ, ঈশ্বর নিজে নিষেধ করেছেন, বলেছেন কখনো খেতে দেখলে পোঁদে লাথি মেরে বার করে দেবেন, সে ততই বলে, তাহলে যাও, এইসব ইয়ে তোমার ঈশ্বরের সাথে গিয়ে করো! আমার কাছো আসো কেন? মাগীর আস্পদ্দা চিন্তা করে দেখুন! আর কী অশ্লীল সব কথাবার্তা! বলে কি না ... যা-ই হোক!"

মডারেট মুসলিম ধোলাই


ইসলামের নামে গুচ্ছের অপকর্ম সাধিত হচ্ছে প্রাত্যহিকভাবে। তারা নীরব। কিন্তু যেই কোনও পত্রিকা প্রকাশ করে নবীজির কার্টুন, অমনি তারা ইছলামী জোশে বলীয়ান হয়ে মুখর এবং ক্ষেত্রবিশেষে ধ্বংসাত্মক প্রতিবাদে মেতে ওঠে। মডারেট মুসলিম হিসেবে পরিচিত এই গোষ্ঠীর এমন ভণ্ডামিকে অ্যায়সা ধোলাই দিলেন উদারপন্থী রাজনৈতিক ভাষ্যকার ও রেডিও উপস্থাপক Neil Boortz! এক মুসলিম ফোন করেছিল তাঁর অনুষ্ঠানে, তাঁর ইসলামবিরোধী বক্তব্যের প্রতিবাদ করতে।

এবং কী ধরাটাই না সে খাইলো! না শুনলে পুরাই মিস!

সাড়ে সাত মিনিটের অডিও ও ভিডিও এমবেড করলাম।

ধর্মীয় বিবর্তন



ঈশ্বরের প্রেস কনফারেন্স








প্রেস কনফারেন্সে উপস্থিত সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাব দিলেন ঈশ্বর।

ডিজাইনারের কী জানি হইসে


ইন্টেলিজেন্ট ডিজাইনার সাহেব কি গঞ্জিকাসক্ত হয়ে উঠেছেন? নইলে কেন হরদম চোখে পড়ে প্রবল ত্রুটিসম্পন্ন নানাবিধ ডিজাইন? নাকি মাঝেমধ্যে ইমপ্রোভাইজ করার প্রবণতা জেগে ওঠে তাঁর? নাকি অ্যাবস্ট্র্যাক্ট ঘরানার শিল্প রচনায় উদ্যোগী হন তিনি থেকে থেকে? 

নইলে ডিজাইনার সাহেবের প্রিয় অঞ্চলে তাঁর প্রিয় প্রাণীর ডিজাইনেও এমন ভয়াবহ গাফিলতি কেন? 


বিস্তারিত খবর এখানে

ক্রিয়াকাণ্ডক্ষম ক্রিস্টোফার হিচেন্স


ক্যান্সারাক্রান্ত হয়ে মৃত্যুপথযাত্রী ক্রিস্টোফার হিচেন্স অবাক করেই চলেছেন সবাইকে। অনিবার্য মৃত্যুর সামনে দাঁড়িয়েও তিনি আগের মতোই যুক্তিবাদে অটল, অবিচল ও দৃঢ়, মেজাজে রসিক। গত ১৪ তারিখে রেকর্ডকৃত ৫৩ মিনিট দীর্ঘ তাঁর একটি সাক্ষাৎকার দেখুন। এতে তিনি দু'-দু'বার বাংলাদেশের কথা উল্লেখ করেন। 

২৪ জানুয়ারী, ২০১১

২০০৯ সালে নাস্তিকেরা যা যা করেনি – ০২


নাস্তিক মানেই তার চরিত্র ফুলের মতো পবিত্র - এ কথা ভেবে নেয়ার কোনও ভিত্তি নেই। খুনি, অপরাধী, বদমাশ, লম্পট ধর্মবিশ্বাসীদের মধ্যে যেমন আছে, আছে নাস্তিকদের মধ্যেও। 

তবে এমন কিছু অপরাধ, কুকীর্তি আছে, যেগুলো নাস্তিকদের পক্ষে করা সম্ভব নয় বাই ডেফিনিশন। কারণ সেসব করতে গেলে অনিবার্যভাবে প্রয়োজন ধর্ম- ও ঈশ্বরবিশ্বাসের। 

এই জাতীয় কাজের ফিরিস্তিওয়ালা একটি নিবন্ধ বাংলায় ভাবানুবাদ করেছেন ধর্মকারীর স্বেচ্ছাঅনুবাদকগোষ্ঠীর একজন একলা চলো। খবরগুলো পুরনো হলেও বড়োই কৌতূহলোদ্দীপক। পড়েই দেখুন না!

৩৫ জন ইসলামী পণ্ডিত ঘোষণা করেছে, মহিলাদের চেহারা যে কোনো গণমাধ্যমে দেখানো নাজায়েজ - না টেলিভিশনে, না খবরের কাগজে। একজন মহিলা সাংবাদিক টেলিভিশনে শুধু চেহারা দেখিয়েই ক্ষান্ত হননি, তিনি আবার সেক্স নিয়ে কথা বলেছেন, সুতরাং তাকে ৬০টি দোররা মারার নির্দেশ দিয়েছে ইসলামী আদালত। বাচ্চা, বুড়ো, পশুদের সাথে সেক্স করতে বাধা নেই, কিন্তু সেক্স নিয়ে কথা বলা যাবেনা।

পৃথিবীর মানুষের অত্যাচারে জর্জরিত, দিন দিন বাড়ছে জনসংখ্যা, যেখানে বিভিন্ন দেশ নবদম্পতীদের জন্মনিয়ন্ত্রনে উৎসাহিত করছে (এমনকি বাংলাদেশও), সেখানে একজন এক বই লিখেছে যার নাম বাংলায় অনুবাদ করলে হতে পারে “খৃষ্টান বিবাহে জন্মনিয়ন্ত্রন পাপ এবং এটি ঈশ্বরকে সম্ভাব্য যাজক পাওয়া থেকে বঞ্চিত করছে”।

ইলিনয়ের এর কিছু খ্রিষ্টান “ইলিনয় পারিবারিক সংস্থা” নামের এক প্রতিষ্ঠান বানিয়েছে, তারা একজন স্কুলশিক্ষককে বরখাস্ত করার দাবি জানিয়েছে, কারণ তিনি ব্যাক্তিগত জীবনে “The Friendly Atheist” নাম নিয়ে নাস্তিকতা সম্পর্কিত একটি ব্লগ চালান। এখানে বলে রাখা ভাল তার ব্লগটি সম্ভবত সব থেকে আস্তিক-বান্ধব নাস্তিক ব্লগ। (এখানে একটি ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা বলি, আমি যখন “The Friendly Atheist” সাইটটি ভিজিট করতে যাই, তখন নরটন ইন্টারনেট সিকিউরিটি আমাকে সাবধান করে “সাইটটি ক্ষতিকর”)।

অগণন নিদর্শনের একটি


বেশ আগে ছড়া লিখেছিলাম একখানা। তেমন পদের কিছু নয়, তবে এই পোস্টে তা প্রাসঙ্গিক হবে ভেবে তুলে দিচ্ছি:

মধুর স্বরে ঢালছে কানে কত্তো গুজুর-গুজুর
কাজ না হলে ভয় দেখাবে ইসলামী সব জুজুর
সুর করে বিসমিল্লা প'ড়ে
ছাত্রী-শিশুর* কোমর ধ'রে
বসায় নিজের কোলের ওপর আরবি পড়ার হুজুর

(* "ছাত্র-শিশুর"ও বলা যেতে পারে। বিশেষ করে নিচের খবরের পরিপ্রেক্ষিতে।)

একেবারে মসজিদের ভেতরে বারো বছর বয়সী এক বালককে ধর্ষণ করেছে বেয়াল্লিশ বছর বয়সী ইমাম। ছেলেটি তার কাছে আসতো সন্ধ্যাকালীন ধর্মশিক্ষার ক্লাসে। ক্লাস শেষে ইমাম ছেলেটিকে নানান ছুতোয় থেকে যেতে বলতো।

ছেলেটির পনেরো বছর বয়সী cousin-কেও ধর্ষণ করার চেষ্টা করেছে ইমাম সাহেব। 

কিন্তু সে কি আসলে দোষী? হয়তো সে এই পৃথিবীকেই বেহেশত ভেবে নিয়ে বালকদের গেলমান জ্ঞান করেছে। অথবা এমনও তো হতে পারে, পরকালে বেহেশতেবাসের ইহকালীন রিহার্সেল দিচ্ছিলো সে!

ভিন্নমত ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ প্রসঙ্গে


ফরাসী লেখক ও দার্শনিক ভলতেয়ার বলেছিলেন: I disagree with your opinion, but I'll defend to the death your right to say it.
এই বাণীর রিমেইক... 


শখ কতো!


ইছলামীরা স্বপ্ন দেখছে, তারা অস্ট্রেলিয়ায় ইসলামের শাসন কায়েম করবে। এখনই তারা সরকার ও পার্লামেন্টকে পদত্যাগ করে ইছলামীদের হাতে ক্ষমতা অর্পণ করতে আহ্বান জানাচ্ছে। 

সংগঠনটির নাম Sharia4Australia। তাদের দম্ভমাখা কিছু উক্তি শুনুন:

অস্ট্রেলিয়ায় একদিন শরিয়া আইন প্রতিষ্ঠিত হবেই, এটা অনিবার্য। তারা (অস্ট্রেলীয়রা) তা গ্রহণ করবে কি না, সেটা আমাদের মাথাব্যথা নয়। ... আর এটাও অনিবার্য যে, অস্ট্রেলিয়ায় একদিন যুদ্ধ (struggle) হবে ইসলামের জন্যে।

শরিয়া আইনের বিচারে শাস্তি হিসেবে হাত কেটে ফেলতে বলা হলে সেটাকে আমরা সুসংবাদ বলবো। শরিয়া আইন সম্পর্কে সম্যক জ্ঞান থাকলে আপনি বুঝবেন, হাত কেটে ফেলার অর্থ সেই লোকটির প্রতি করুণা প্রদর্শন। 

এর পরে বুঝিয়ে বলা হচ্ছে, হাত কেটে ফেলার অর্থ -  তাকে ইহজীবনেই পাপমুক্তির সুযোগ করে দিয়ে করুণা প্রদর্শন করা, যাতে তাকে গোরআজাব থেকে শুরু করে দোজখের আগুনে অনন্তকাল ধরে পুড়তে না হয়।

এবারে ভিডিওতে দেখুন এক ব্রিটিশ মোল্লার জিহাদী বক্তব্য। লক্ষ্য করুন, তার খায়েশ কতোটা বিস্তৃত ও ব্যাপৃত। 

পর্ন-জিসাস

অসংখ্য ইয়ে-টাইপ ছবি দিয়ে বানানো মোজাইক। ক্লিক করে পূর্ণ আকারে দেখুন। ইমোটা খিয়াল কৈরা! 


পৃথিবীতে নারীঅধিকার লঙ্ঘনের প্রধান কারণ - ধর্ম


পৃথিবীতে নারীঅধিকার লঙ্ঘনের প্রধান কারণ - ধর্ম। জানাচ্ছেন, জিমি কার্টার। বলে রাখা প্রয়োজন, তথ্যটি তাঁর মনগড়া নয়, এক বছরের পর্যবেক্ষণ, গবেষণা ও বিশ্লেষণের ফলাফল।

ইতর ইহুদি মোল্লা


প্রায় যে-কোনও ধর্মবিশ্বাসীই মনে করে, তার ধর্মটিই সবশ্রেষ্ঠ। তারা, খুব সম্ভব, ভেবে দেখে না, বা দেখার প্রয়োজনও বোধ করে না: একেবারেই ঘটনাচক্রে হিন্দু/মুসলিম/খ্রিষ্টান/বৌদ্ধ/ইহুদি পরিবারে জন্ম নিয়ে সেই ধর্মটিকে শ্রেষ্ঠ গণ্য করার ভিত্তি ও যুক্তি কোথায়? দাবিটা অনেকটা এরকম: আমার ধর্মই সর্বশ্রেষ্ঠ, কারণ আমার জন্ম হয়েছে এই ধর্মানুসারীদের পরিবারে। কী অকাট্য যুক্তি, তাই না? অথচ অথর্ব এই যুক্তিই ধর্মবিশ্বাসীদের অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি।

শ্রেষ্ঠত্ববোধের এই ভিত্তিহীন, ভুয়া ও ভেজাল গর্বের উপর্যুপরি প্রকাশ লক্ষ্য করুন এক র‍্যাবাই-এর (ইহুদি মোল্লা) বক্তব্যে। ব্যাটা বলছে, অ-ইহুদির ডোনেট করা স্পার্ম ব্যবহার করে কোনও ইহুদি নারীর অন্তঃসত্ত্বা হওয়া উচিত নয় - এমনকি যদি তা সর্বশেষ অপশনও হয়। কারণ হিসেবে সে বলছে, পিতা অ-ইহুদি হলে সন্তান হবে "বারবারিক" (বর্বর, অমার্জিত, অসভ্য, অসংস্কৃত)।

শালা জানেও না, তার এই বাণীই আসলে বর্বর, অমার্জিত, অসভ্য ও অসংস্কৃত!

ডারউইনের সৌন্দর্যতত্ত্ব


TED আয়োজিত আরও একটি অসাধারণ বক্তৃতা। সঙ্গে অসাধারণতর অ্যানিমেশন!

লক্ষ্য করুন, ভিডিওটি সাবটাইটেলসহ দেখার ব্যবস্থা আছে।

২৩ জানুয়ারী, ২০১১

আল্লার উপ্রেও ভরসা করতারে না... হা হা হা


খোমাখাতায় Mickel Shimar বিশ্ব এজতেমার একটি ছবি পোস্ট করেছেন বাংলাদেশ নাস্তিক সংঘের পাতায়। ছবির নিচে লিখেছেন: Why police & RAB,Allah isn't enough?


ধর্ষিতা হবার "অপরাধে"


ধর্ষিতা হবার "অপরাধে" মেয়ের শাস্তি শুধু ইসলামী আইনেই সম্ভব। সৌদি আরবে ২৩ বছর বয়সী এক মেয়েকে পাঁচজন পুরুষ ধর্ষণ করার পরে সে অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে। অপরাধ নিশ্চয়ই নারীর! আর তাই ন্যায়বাদী ইসলামী বিচারবিধান প্রয়োগ করে মেয়েটিকে এক বছরের জেল দেয়া হয়েছে। এছাড়া সন্তান প্রসবের পর তাঁকে একশোবার বেত্রাঘাতও করা হবে।


উল্লেখ করা প্রয়োজন, বেত্রাঘাতের নির্দেশ সন্তানজন্মদানের পরে পালিত হবার মানবিক নিদর্শন স্থাপন করে গেছেন নবীজি স্বয়ং।

Imran b. Husain reported that a woman from Juhaina came to Allah’s Apostle (may peace be upon him) and she had become pregnant because of adultery. She said: Allah’s Apostle, I have done something for which (prescribed punishment) must be imposed upon me, so impose that. Allah’s Apostle (may peace be upon him) called her master and said: Treat her well, and when she delivers bring her to me. He did accordingly. Then Allah’s Apostle (may peace be upon him) pronounced judgment about her and her clothes were tied around her and then he commanded and she was stoned to death.

বলেন, আলহামদুলিল্লাহ। 

নুহ-র নৌকা ও ন্যুনতম যুক্তিবোধ


নুহের মহাপ্লাবন বিষয়ক কু-রূপকথা নিয়ে আমার দেখা শ্রেষ্ঠ ব্যঙ্গ-ভিডিও। আমার প্রিয় TheThinkingAtheist-এর বানানো বলেই শুধু নয়। সত্যি সত্যিই অবশ্যদ্রষ্টব্য 

বর্ণবাদী হিন্দুধর্ম


হিন্দুধর্মে প্রচলিত কুৎসিত বর্ণপ্রথা প্রাসঙ্গিক একটি খবর। "সংবাদ"-এ প্রকাশিত।

কেউ বলে মুচি, কেউ বলে চামার, কেউবা বলে চর্মকার, আবার অনেকেই বলে ঋিশি। নানা নামের আড়ালে মনুষ্যত্বের অধিকার বঞ্চিত হয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছে। এই ঋিশি সম্প্রদায় বিভিন্ন হস্তশিল্প যেমন_ চামড়া, বাঁশ ও বেতের এবং বাদ্যযন্ত্র তৈরির কাজ করে বাঙালির ঐতিহ্য এখনো ধরে রেখেছে নিজ সংস্কৃতিতে। এই ঋিশিরা হিন্দু সমপ্রদায়ের তথাকথিত সবচেয়ে নিচু বর্ণের মানুষ! তাই, তাদের সঙ্গে কথিত উচ্চবর্ণের কেউ মিশতে চায় না। তাদের ছোঁয়াও যেন পাপ!


উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে গিয়ে জানা গেছে, এক সময় ঋিশি সমপ্রদায়কে দু'শ্রেণীতে বিভক্ত করা হতো। এর একটা বড় বেগী অন্যটা ছোট বেগী। যারা পরিচ্ছন্নভাবে পেশা পরিচালনা করত তাদের বলা হতো বড় বেগী আর যারা মরা গরুর চামড়া ছেলা বা ভক্ষণ করত তাদের বলা হতো ছোট বেগী। উপজেলার জাতপুর রিশি পাড়ায় গিয়ে দেখা গেছে, বাঁশ দিয়ে ঝুড়ি তৈরি করতে ব্যস্ত গৃহবধূ কল্পনা রানী। ঝুড়ি, ডালা, কুলা, খারায়সহ বাঁশ দিয়ে তৈরি করে দৈনিক তার আয় হয় ৮০-১০০ টাকা। জানা যায়, সংস্কৃতিচর্চায় ঋিশিরা এগিয়ে থাকলেও হিন্দুদের পূজা এবং বিয়েতে এখন পর্যন্ত ঋিশিদের পূজাম-প বা বিয়ের আসর স্পর্শ করা নিষিদ্ধ। এ জনগোষ্ঠী এখনো সামাজিকভাবে নিগৃহীত। এদের নিয়ে সমাজে অনেক কটুক্তিকর ভাষার চর্চা রয়েছে। জানা গেছে, ঋিশিদের মাঝে বাল্যবিবাহ, যৌতুক প্রথা প্রকট। সর্বক্ষেত্রে নারী ও শিশুরা বেশি অবহেলিত। এরা স্বাস্থ্যসেবা পায় না বললেই চলে, শিক্ষার হার খুবই কম। ভূমিহীনের সংখ্যাও বেশি। আর্থিক উন্নতির দিক থেকে এখনো পিছিয়ে আছে এ সম্প্রদায়। এরা এখনো অস্পৃশ্যতার বেড়াজাল থেকে মুক্ত হতে পারেনি। দিনের আলোতে ঋিশিরা উঁচু বর্ণের গ্রামে ঢুকতে পারে না, এমনকি হাটবাজার দোকানগুলোসহ শ্মশানে প্রবেশ করতে পারে না। বর্তমান ডিজিটাল যুগেও হস্তশিল্পের কাজে যাদের অবদান অনেক বেশি সেই ঋিশি সম্প্রদায় দিন দিন বিলুপ্ত হয়ে যাওয়া ঐতিহ্যবাহী সংস্কৃতিকে ধরে রেখেছে। এদের মানোন্নয়নের জন্য দাতা সংস্থার সহযোগিতায় তালাস্থ বেসরকারি সংস্থা ভূমিজ ফাউন্ডেশন দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছেন।

ঈশ্বরকে ধন্যবাদ, আমি নাস্তিক


গোল্ডেন গ্লোব অ্যাওয়ার্ডস অনুষ্ঠানে নাস্তিক স্ট্যান্ড-আপ কমেডিয়ান Ricky Gervais একটি বাক্য বলে ধর্মবিশ্বাসীদের সমালোচনার মুখোমুখি হয়ে পড়েছেন। পুরস্কার গ্রহণ করা সময় ঈশ্বরকে ধন্যবাদ দেয়ার ঐতিহ্য বজায় রেখে তিনি বলেছিলেন, "Thank God For Making Me An Atheist."

সিএনএন-এ দেয়া সাক্ষাৎকারে তাঁর আচরণের সপক্ষে যুক্তি দেখিয়ে বোকা বানিয়ে দিলেন আস্তিক উপস্থাপককে।

সুসংবাদ


যিশু আর মোহম্মদ নিয়ে করা কমিক সিরিজ জিসাস অ্যান্ড মো ২০১০ সালে যে-কোনও প্রচারমাধ্যমে প্রকাশিত ও প্রচারিত কমিকগুলোর মধ্যে শ্রেষ্ঠ হিসেবে বিবেচিত হয়েছে পাঠকদের ভোটে। 

প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছিল ওয়াশিংটন পোস্ট

সেই সাইট থেকে একটি কার্টুন:


আমাদের আত্মীয়েরা – ১৪


বহুভাষী বানরদের সঙ্গে পরিচিত হোন। আরও দেখুন, মানুষদের মতোই তারাও মিথ্যে কথা বলে 

ছয় মিনিটের ভিডিও।

২২ জানুয়ারী, ২০১১

ধর্মানুনুভূতিতে আঘাত পেয়েছি: বিচার চাই


লিখেছেন সৈকত চৌধুরী 

Cross-section of the Ka'ba

ধর্মানুনুভূতিতে প্রচণ্ড আঘাত পেয়েছি। ব্লগারদের কাছে বিচার চাই। সাম্প্রদায়িক ও ইসলাম বিরোধী ব্লগার মহাপবিত্র কাবা শরিফ সম্পর্কে কি মন্তব্য করেছে দেখুন- ( এই পোস্টের ১০০ নম্বর মন্তব্যের জবাবে)


ভাই কয় কি দেহেন, “যেহেতু কাবা'র কোন জানালা নেই এবং সব সময় বন্ধ থাকে, তাই ভিতরে যেন একটা গুমট গন্ধ না ছড়ায়”। কাবার ভিতর নাকি গন্ধ হবে!! খালেদা জিয়া ফালুকে সাথে নিয়া কাবার মধ্যে ঢুকতে দেইখ্যাও এমনটি বোধ করি নাই যা এই মন্তব্যের ফলে বোধ করছি (সিরিয়াসলি বলছি; নাস্তিকরা এটাকে নিয়ে ত্যানা পেঁচাতে পারে, তাদের জ্ঞাতার্থে বলছি- খালেদা জিয়া তখন প্রধানমন্ত্রী ছিলেন)। (ওই নীলপদ্ম পবিত্র কোরবানীর ঈদের সময়ও এখানে-ওখানে পশু বলির ছবি দিয়া উহাই বোঝাতে চেয়েছিল যে বলি কোরবানী অপেক্ষা মানবিক। নাউজুবিল্লা!! )

সে নীল পদ্ম নাকি লাল পদ্ম নাকি াল পদ্ম তাহা দিয়া আমি কি করিব? আমার ঈমান ঠিক থাকিলেই হইবে। 

নাস্তিক্যবাদ কি "নিখুঁত" ও "নির্ভুল"?


লাস্যময়ী নাস্তিক ক্রিস্টির প্রতিদ্বন্দ্বী হতে সে বোধহয় পারবে না (ক্রিস্টিভক্তরা কী বলেন?), তবে এই মেয়েটিও যথেষ্ট সুদর্শনা। ভিডিওতে খুব নতুন কিছু সে বলে না বটে, তবে তবে যা বলে, বলে স্পষ্টভাবে। বক্তব্যের বিষয়: নাস্তিক্যবাদ কি "নিখুঁত" ও "নির্ভুল"?
অন্তত তার মুখের দিকে তাকিয়ে কথা শুনতে খারাপ লাগে না 

চাপাভিত্তিক ধর্মগুলো



২১ জানুয়ারী, ২০১১

ইছলামী বিজ্ঞানের বিকট আবিষ্কার


ইছলামী বিজ্ঞানের আলোড়ন সৃষ্টিকারী দু'টি আবিষ্কার: 
১. একাধিক যৌনসঙ্গী থাকলে নারীর শরীরের প্রতিরোধ ব্যবস্থা (immune system) দুর্বল হয়ে পড়ে। 
২. শুয়োরের মাংস যারা খায়, তারা খুব কর্মঠ হয় বটে, তবে তাদের চিন্তাক্ষমতা থাকে না, তারা চিন্তাবৈকল্যে ভোগে। শুধু তা-ই নয়, দুর্বল হয়ে পড়ে তাদের আত্মগর্ববোধক্ষমতাও।


সম্পূর্ণ ইছলামী বৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণ শুনতে ভিডিও দেখুন, নয়তো ভিডিও-ট্র্যান্সক্রিপ্ট পড়ে নিন। 

প্রচারে বিঘ্ন – ১৩



যিশুভক্ত সুজির গল্প (আপডেটেড)


"যিশুভক্ত সুজির গল্প" নামে চমৎকার একটি ভিডিও-গল্প প্রকাশ করেছিলাম ঠিক প্রায় এক বছর আগে। অসাধারণ ভিডিওনির্মাতা TheThinkingAtheist-র ভক্ত হয়ে পড়েছিলাম এই ভিডিও দেখেই। ক্লাসিক এই ভিডিওটি সম্প্রতি নবায়ন করা হয়েছে। চিত্রনাট্যে কিছুটা অদলবদল আছে, গ্রাফিক হয়েছে উন্নততর। এখন তা HD resolution-এ। দেখা থাকলেও আবার দেখে নেয়া উচিত হবে। আর না দেখে থাকলে তো দেখাটা একেবারে ফরজে আইন!

২০ জানুয়ারী, ২০১১

ইসলাম কি চুরি-বাটপাড়ির ধর্ম?


পশ্চিমাদের তথা অবিশ্বাসীদের অর্থ হাতিয়ে নেয়া ইসলামী মতে জায়েয। এবং তার একটি অংশ জিহাদের কাজে ব্যয় করা যাবে। কী চমৎকার বিধান, তাই না? অবশ্য ইসলামের লুটতরাজপ্রবণ নবীই এই পথ দেখিয়ে গেছেন।

ইয়েমেনী ইসলামবাজ Shaykh Anwar al-Awlaki লিখছেন The Ruling on Dispossessing the Disbelievers wealth in Dar al-Harb নামের একটি নিবন্ধে। নির্লজ্জ ইতরামির মাত্রা কতোদূর বিস্তৃত ও ব্যাপৃত, লেখাটি থেকে উদ্ধৃত কিয়দংশ না পড়লে অনুমানও করতে পারবেন না। অন্তত বোল্ড করা অংশগুলো পড়ে দেখুন:

প্রিয় পুরনো পোস্টগুলো – ২৭


ধর্মকারীতে পোস্টের সংখ্যা সতেরোশো ছাড়িয়ে গেছে। এই সাইটের খোঁজ যেসব পাঠক সম্প্রতি পেয়েছেন বা ভবিষ্যতে পাবেন, তাঁদের পক্ষে আগে প্রকাশিত মজাদার পোস্টগুলো খুঁজে নেয়া ব্যাপক শ্রম- ও সময়সাধ্য ব্যাপার হবে ভেবেই হারানো-দিনের-পোস্ট ধরনের এই সিরিজের অবতারণা। পুরনো পাপীরাও এই সুযোগে স্মৃতিচারণ করে নিতে পারেন 

প্রতি পর্বে আমার বিশেষ প্রিয় পাঁচটি পোস্টের লিংক দেবো সংক্ষিপ্ত বর্ণনাসহ। শুরু করেছি ধর্মকারীর আদিকাল থেকে।

১. পৃথিবীর প্রধানতম প্রতারণা (পোস্টার)
২. দৃষ্টিসুখদায়ী শ্রুতিমধুর সঙ্গীত (অসাধারণ গান, ভিডিও)
৩. সচিত্র হা-হা-হাদিস – ০৫ (নবীজির দেয়া বৈজ্ঞানিক তত্ত্ব)
৪. ক্যাথলিক ধর্মযাজকদের ঐতিহ্যবাহী শিশুপ্রীতি (ছবি)
৫. আমার ধর্মের নাম ভালোবাসা (বর্ব মার্লে তনয়ের গান, স-লিরিকস ভিডিও)

আগের পর্বগুলো দেখতে নিচের "কাসুন্দি" ট্যাগে ক্লিক করুন।

নূরের পথ ছেড়ে আলোর পথে – ০৩


এক পাঁড় খ্রিষ্টানের ধর্মত্যাগের গল্প। ধর্ম নামের কু-রূপকথামুক্ত হতে আসলে বেশি কিছুর প্রয়োজন নেই। প্রয়োজন শুধু তথ্য-প্রমাণনির্ভরতা। 

চমৎকার ভিডিও, অনবদ্য বর্ণনা। মাত্র সাড়ে পাঁচ মিনিট ব্যয় করে দেখে নেয়াই উচিত হবে।

ইসলামী বিনোদন



কার্টুনের ক্যাপশন ফরাসি থেকে ইংরেজিতে অনুবাদ করে দিয়েছেন রাহিন

কোত্থেকে আর কী ক'রে


পাঁড় খ্রিষ্টীয় টিভি চ্যানেল ফক্স নিউজ-এর পোষা ধর্মযাজক ফাদার জনাথন মরিস প্রশ্নটি শুনে প্রথমে হতচকিত হয়ে এমন ভান করলেন, যেন প্রশ্নটা তিনি বুঝতেই পারেননি। আসলে উপস্থাপক প্রশ্নটি আবার তাঁকে পড়ে শোনানোর সময়টুকু তাঁর প্রয়োজন ছিলো জুতসই কোনও উত্তর খুঁজে পেতে। কিন্তু লাভ হয়নি। সদুত্তর তিনি দিতে পারেননি। স্বীকার করতে বাধ্য হয়েছেন, উত্তর তাঁর জানা নেই।
অনুষ্ঠানটির নাম: Father Knows Best 

আর প্রশ্নটি ছিলো, আদম-হাওয়ার ছিলো দুই পুত্র: হাবিল আর কাবিল। তাহলে পরবর্তীতে বংশবৃদ্ধি হলো কীভাবে?

আসলে ঈশ্বরের গাধামির কারণে তার অনুসারীদের বড়ো নাজুক এই প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হয়। উপর্যুপরি ইনসেস্ট ছাড়া বংশবৃদ্ধি সম্ভব ছিলো না কোনওমতেই, সে-কথা স্বীকার করা কি সহজ? অথচ ঈশ্বর দূরদর্শী হলে প্রথমে তৈরি করতেন অন্তত দুই পুরুষ আর আর দুই মেয়েকে। তখন স্বাভাবিক পদ্ধতি ছাড়াও বিকল্প হিসেবে সুইঙ্গিং করার সুযোগও থাকতো 

ভিডিও দেখার আগে একটি প্রাসঙ্গিক পোস্টার দেখে নিন। 

১৯ জানুয়ারী, ২০১১

‘সাইবার আল্লাহ’ ওয়ালিদের দ্বারা নাজেল হওয়া কোরান


লিখেছেন ফাওয়াদ আহমেদ

মুসলিমদের অন্যতম দাবি হল তাদের কোরানের মত সুরা আর কেউ বানাতে পারে না। অন্য অনেকের মত এই দাবিকে ভ্রান্ত প্রমাণ করার উদ্যোগ নিয়েছিলেন ফিলিস্তিনি ব্লগার ওয়ালিদ আল হুসাইনি। নিজের ব্যাক্তিগত ব্লগসাইট ছাড়াও ফেসবুকে তিনি একটি পেইজ খুলেছিলেন Allah নামে। সেই পেজে নিয়মিতভাবে তিনি কোরানের অনুকরণে আয়াত নাজেল করে যেতেন। কিন্তু একদিন তাকে আটক করে অজ্ঞাতস্থানে নিয়ে যাওয়া হয়। বিভিন্ন সংগঠনের তীব্র নিন্দাজ্ঞাপনের পরও তার কোন সুরাহা হয় নাই।

আজ আমি এক অসাধারণ কাজ করেছি এবং তা হল কোরানের বঙ্গানুবাদ করা। ওয়ালিদের সকল পেজ এবং পোস্ট ফেসবুক কর্তৃপক্ষ মুছে দিয়েছে। তবে তার আয়াতগুলো ইংরেজি অনুবাদসহকারে islamwatch.org সাইটে রাখা হয়েছে। সেগুলোকে আমি এখানে বাংলায় অনুবাদ করেছি। যারা কোরান সম্পর্কে জানেন তারা এটা জানেন যে কোরানের বাক্যগঠনের প্রক্রিয়া খুবই নিম্নমানের। অনুবাদ করার পর সেগুলো সহজে বোঝা যায় না। অনেক চিন্তা করে বেশ কয়েকরকমভাবে আয়াতগুলোর ব্যাখ্যা করা যায়। ওয়ালিদের কোরানের ক্ষেত্রেও একই ঘটনা ঘটেছে। লিখাগুলো বুঝতে হয়তো কিছুটা কষ্ট হবে আপনাদের। দয়া করে নিজেরা নিজেদের মত করে ব্যাখ্যা করে নিবেন।

আমার সর্বশেষ রাসুলের মৃত্যুর পর, . . . হে বান্দারা আমার, আমি এই খোমাখাতার দ্বারা তোমাদের সাথে যোগাযোগ স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেই। যাতে তোমাদের প্রার্থনার জবাব দিতে পারি।

------------- আল্লাহ

১. আমাদের এই ইসলাম ও মুসলিমদের হাত থেকে বাঁচান। আমরা তখনই নিরাপদ যখন আমরা ওদের থেকে অনেক অনেক দূরে। মুহম্মদ ও জম্বিদের অনুসারীরা সন্ত্রাসবাদী ছাড়া অন্য কিছু নয়। তার চার্চে গিয়ে খ্রিস্টানদের হত্যা করে। তারা বলে তারা এসব করে আল্লাহর জন্যে, জিহাদে অনুপ্রাণিত হয়ে। ইসলামের যেই ঈশ্বর নিরপরাধদের বলে কাফির, সে কি একটা মূর্খ নাকি সত্যিই জম্বি? শয়তান নিজেও মাঝে মাঝে বিভ্রান্ত হয়ে যায় (মুসলিমদের নিয়ে)। সোজা ভাষায় তারা একদঙ্গল সন্ত্রাসী ছাড়া অন্য কিছু নয়।

হালাল বিনোদন


আরব জাহানে প্রচলিত বিনোদনের কিছু নিদর্শন দেখুন। মেয়েদের নাচের ধরন না দেখলে বিশাল মিস, বলে রাখলাম কিন্তু

অঙ্গভঙ্গি যেমনই হোক না কেন, নর্তকীদের মাথায় হিজাব থাকা প্রায় সব ক্ষেত্রেই ফরজ বলে মনে হলো। বেশ কয়েকটি বিনোদনী ভিডিও এমবেড করলাম একবারে। সবগুলোই স্বল্পদৈর্ঘ।

প্রথম ভিডিওর দ্বিতীয়ার্ধে মেয়েদের নাচ দেখে স্পষ্টতই উত্তেজিত হয়ে ওঠা এক পুরুষের আচরণ লক্ষণীয়।

বডি পেইন্টিং: ইসলামী স্টাইল



সুন্দর পুরুষ ও নারীর বুদ্ধি বেশি!


প্রথম আলোয় প্রকাশিত খবরে পড়লাম, সুন্দর পুরুষ ও নারীর বুদ্ধি বেশি! আমি ভাবি, কয় কী! "সুন্দর গাধা" কথাটার কোনও ভিত্তিই নাই তাইলে? আরেকটু হইলে চিন্তায় পড়ে গেসিলাম। তবে অন্য একখান খবর প্রথম আলোর খবররে একেবারে নাকচ করে দিলো। 

হিসাব অনুযায়ী, মিস আম্রিকা নামের সুন্দরী প্রতিযোগিতায় যে জিতলো, তার তো বুদ্ধি ফাইটা বাইর হওনের কথা, তাই না? শুরুতে তার ছবিখান দেখেন। বিজয়ের পরে সে ধন্যবাদ দিতেসে... কইঞ্চেন দেহি কারে? 


পরে বলতেসি বিজয়িনীর বিপুল বুদ্ধিমত্তার কথা। আগে দ্যাখেন, খোমাখাতায় এই ছবির নিচে পাবলিকের কমেন্টে ঈশ্বরবন্দনার নমুনা। কী আর কমু! দুনিয়াভর্তি গাণ্ডু!

যে দেশে শিশুর চেয়ে শিশুধর্ষকের মর্যাদা বেশি


দেশটির নাম ভ্যাটিকান। এই একই বিষয় নিয়ে বারবার লিখতে বিরক্ত লাগে। কিন্তু কিছু খবর চোখে পড়লে বা কানে এলে না লিখে পারা যায় না। 

১৯৯৭ সালে আইরিশ ক্যাথলিক চাচর্কে লেখা ভ্যাটিকানের একটি চিঠি ফাঁস হয়ে গেছে। তাতে আইরিশ বিশপদের সতর্ক করে দিয়ে বলা হয়েছে সব শিশুধর্ষণের ঘটনা পুলিশকে না জানাতে! 

শ্-শালারা! অথচ এরাই নিজেদের নৈতিকতার সোল এজেন্ট বলে দাবি করে থাকে! 



বৃষবিষ্ঠা বা বল্দার্গু – ০৯



(ধর্মের সঙ্গে আপাত সম্পর্কহীন এই সিরিজটি ধর্মকারীতে প্রকাশের কারণ একটিই: তথ্য-প্রমাণহীন যে কোনও বিশ্বাসের প্রচার ও প্রসার ক্ষতিকারক। ধর্মসহ এই জাতীয় যাবতীয় অপবিশ্বাস থেকে মুক্ত হতে পারলেই নিজেকে প্রকৃত মুক্তমনা বলা যেতে পারে। তার আগে নয়।)

Penn & Teller জুটির উপস্থাপিত ব্যঙ্গ-বিদ্রূপবহুল ব্যাশিং টিভি-সিরিজ "বুলশিট"-এর এই পর্বের (তিরিশ মিনিট) বিষয়বস্তু: খতনা। হ্যাঁ, পুরুষাঙ্গের অগ্রভাগের "অতিরিক্ত" চামড়াটুকু কেটে ফেলে দেয়ার ইহুদি ও ইসলামী রীতিটির চর্চা আমেরিকায় চলে ধর্মনির্বিশেষে। তথাকথিত ও অপ্রমাণিত "উপকারী" এই রীতিটি শুধু আপাদমস্তক বুলশিটই নয়, তা বর্বর, অমানবিক এবং শিশু-অধিকারপরিপন্থীও।

সতর্ক করে দেয়া দরকার যে, কিছু ভয়াবহ দৃশ্য আছে ভিডিওতে।

১৮ জানুয়ারী, ২০১১

ব্ল্যাসফিমেরিক ০৫


(ব্ল্যাসফিমাস লিমেরিক - এই দুই শব্দ থেকে বানানো একটি নতুন শব্দ "ব্ল্যাসফিমেরিক", এবং এই নাম দিয়ে শুরু করা হলো ছড়া সিরিজ। বলে রাখা প্রয়োজন, সব ছড়া লিমেরিক না-ও হতে পারে। আর আল্লাহ চাহে তো সিরিজটি নিয়মিত ও দীর্ঘ হবে। 
অপ্রাপ্তমনস্কদের দূরে গিয়ে কোরান পড়ার আহ্বান জানাচ্ছে ধর্মপচারক। কারণ এখানে আছে )

লিখেছেন আশেকে রাসূল


লেখাপড়া কিছু জানে না তবুও নবীজি বড়ই ধীমান

ইসলামী ইতরামি: আজও এক ডজন


পরম শান্তির ধর্ম ইসলামের নামে ঘটানো শান্তিপূর্ণ কিছু ঘটনা পেশ করা যাক। পাকিস্তান, ইরাক ও আফগানিস্তানে ঘটে যাওয়া "মেজর" ইতরামির যে খবরগুলো মূলধারার মিডিয়ায় প্রকাশিত হয়, তার বাইরের কিছু "মাইনর" তবে গুরুত্ব- ও তাৎপর্যপূর্ণ কিছু খবর: 

১.
ইসলামী শাসনের আপোসহীন সমর্থক সুদানের প্রেসিডেন্ট বলেছেন, শরিয়া আইন মানেই বেত্রাঘাত, অঙ্গকর্তন অথবা হত্যা। সত্য কথাটি এতো সরলভাবে বলার জন্য তাকে উত্তম জাঝা।

২.
ওপরের কথার সত্যতা যাচাই করে নিন। চুরির দায়ে অভিযুক্ত এক পুরুষের হাত কেটে নিয়েছে তালিবানেরা। (যে পুরুষ চুরি করে এবং যে নারী চুরি করে তাদের হাত কেটে দাও তাদের কৃতকর্মের সাজা হিসেবে। - সুরা আল মায়েদাহ, আয়াত ৩৮)

৩.
বাংলাদেশের পত্রিকায় খবরটি প্রকাশিত হলেও আমার চোখে পড়েনি। এক মাদ্রাসাপ্রধান পনেরোজন ছাত্রকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করেছে দাড়ি কামিয়ে ফেলার অপরাধে। মাদ্রাসার আইন অনুযায়ী তাদের প্রত্যেকের অন্তত পাঁচ সেন্টিমিটার লম্বা দাড়ি থাকার কথা।

৪.
আত্মীয়তাবহির্ভূত পুরুষ ও নারীর ভেতরে করমর্দন, কথোপকথন ও তাদের একত্রে চলাফেরা নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে সোমালিয়ার ইসলামী জঙ্গি সংগঠন আল-শাহাব। নির্দেশ অমান্য করা হলে তাহাদের জন্য রহিয়াছে কারাবাস, বেত্রাঘাত অথবা মৃত্যুদণ্ড।

অস্তিত্বের প্রস্থান