হিন্দুধর্মে প্রচলিত বর্ণপ্রথার আরও একটি ঘৃণ্য প্রকাশ: নিম্নবর্ণের প্রতিনিধি হবার "দোষে" ভারদের এক সরকারী স্কুলের শিক্ষিকাকে চেয়ারে বসতে দেয়া হয়নি পাঁচ বছর ধরে। তাঁর জন্যে কোনও চেয়ার বরাদ্দ নেই ক্লাসে। তিনি মেঝেয় বসে পড়ান ৩ থেকে ১২ বছর বয়সী ছাত্রদের। স্কুলপ্রধান, স্পষ্টতই মনুষ্যপদবাচ্য সে নয়, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান হলেও কুশিক্ষিত সে। বংশই শুধু তার উচ্চবর্ণের, মনের বর্ণ কুৎসিত। শিক্ষিকাকে চেয়ার দিতে সে অস্বীকৃতি জানিয়েই চলেছে।
হায় ধর্ম! মনুষ্যত্ববোধলোপকারী উপকরণ হিসেবে তা শ্রেষ্ঠতম - আদিকাল ধরে এই সত্যটিই প্রমাণিত হয়ে আসছে।
ভিডিও দেখুন।
ভিডিও দেখুন।


























