সোমবার, ২৯ নভেম্বর, ২০১০

সচিত্র হা-হা-হাদিস – ২১


হিসেব করে দেখলাম, পুরুষদের জন্য দোজখে যাওয়াটাই বেশি লাভজনক। বেহেশতে একে পুরুষের জন্যে থাকবে মাত্র বাহাত্তরটি হুর। আর দোজখ নাকি ভর্তি থাকবে মেয়েতে। বিশ্বাস হয় না? খোদ নবীজি বলেছেন এই কথা! আর সেটাই তো হবার কথা! ইসলামের দৃষ্টিতে পুরুষের তুলনায় নারী নিম্নশ্রেণীর প্রাণী। আর মেয়েদের উদ্দেশে নবীজি তো স্পষ্টই বলেছেন: I have not seen anyone more deficient in intelligence and religion than you.

পোপপচানি


ভ্যাটিকানরাজের ইন্টারনেটবিরোধী বাণী কীভাবে পচিত হলো, ভিডিওতে দেখুন 

প্রথম দু'মিনিট দশ সেকেন্ড দেখলেই চলবে।

হ্রস্বরসবাক্যবাণ – ০১


(নিশ্চয়ই নির্ধর্মীগণের মস্তিস্কে প্রায়শই ছোটোখাটো দু'একটি ধর্মধোলাই-বাক্য বা আইডিয়া ঝিলিক দিয়া ওঠে। তোমরা তাহা তৎক্ষণাৎ লিপিবদ্ধ করিয়া ধর্মকারীতে প্রেরণ করিয়া অশেষ ছওয়াব হাছিল করো। অন্যথায়, হে নির্ধর্মীসকল, ইহ- ও পরকালে তোমাদিগের জন্য অপেক্ষা করিতেছে অনন্ত নরকভোগ।)

লিখেছেন ধ্রুব তারা
আজ তাঁর জন্মদিনও। ধর্মকারীর পক্ষ থেকে তাঁকে অভিনন্দন। 

১. 
আমাদের সমাজে ধর্মকে আক্রমণ করে কথা বলার অধিকার মানুষের না থাকলেও মানুষকে আক্রমণ করার এবং আক্রমণ করার কথা বলার পূর্ণ অধিকার ধর্মের রয়েছে।

২.
স্রষ্টা সাহেবকে বাংলা চলচিত্রের ভিলেনের মতো মনে হয়। নায়িকা ভিলেনের সাথে প্রেম না করলে ভিলেন নায়িকাকে ধর্ষণ করে আর স্রষ্টাকে 'ভাল না বাসলে' স্রষ্টা মানুষকে নরকের আগুনে পোড়ায়।

ধর্মের ছহি সহিষ্ণুতা


সম্ভাব্য সব ধরনের প্রচারের অধিকার সমস্ত ধর্মের আছে বলেই বোধ হয়। তাদের সর্বব্যাপী প্রচারণায় উৎপীড়িত হতে হতে অভ্যস্ত হয়ে পড়েছে আমাদের চক্ষু-কর্ণ । অথচ ধর্মের এই আগ্রাসী প্রচারের প্রেক্ষাপটে নেহাতই নিরীহ নিরীশ্বরীয় প্রচারে ধর্মবিশ্বাসীদের প্রতিক্রিয়ায় চমকে উঠতে হয়। সহিষ্ণুতার সোল এজেন্সির দাবিদার ধার্মিকদের প্রতিবাদ, ক্ষোভ, গালিগালাজ ও হুমকির মুখে পড়ে পৃথিবীর বিভিন্ন শহরে টাঙানো ধর্ম-অসমর্থিত বাক্যসম্বলিত বিলবোর্ড ও ব্যানারগুলো।

সাম্প্রতিকতম ঘটনা। American Atheists নামের প্রতিষ্ঠান বিলবোর্ড ঝুলিয়েছে:


ব্যস, শুরু হয়ে গেছে! 

গতকাল পাঁড় খ্রিষ্টানদের চ্যানেল ফক্স নিউজে ডেকে আনা হয়েছিল এই সংগঠনের সভাপতিকে। তিন মিনিটের উপভোগ্য ভিডিও দেখুন।

মোল্লার কাজ মোল্লা করেছে


মোল্লা যখন বালিকাদের আরবি পড়ায়, তখন অধিকাংশ সময় আরবিশিক্ষা কোন দিকে মোড় নেয়, কইনচেন দেহি? ঠিক ধরসেন! 

বেয়াল্লিশ বছরের মোল্লা আট বছরের শিশুবালিকাকে ধর্ষণ করেছে। তবে মোল্লার কোনও দোষ নেই। শয়তানের প্ররোচনায় নাকি সে এ কাজ করেছে।

বাংলাদেশে ঘটা এই খবরের লিংক পাঠিয়েছেন সায়কা শাহরিন।  

পুরো খবরটিই তুলে দিচ্ছি:

চট্টগ্রামে আট বছরের এক শিশুকন্যাকে ধর্ষণের সময় হাতেনাতে ধরা পড়েছে সরকারি মুসলিম হাই স্কুল মসজিদের সাবেক ইমাম মাওলানা মাইনুদ্দিন (৪২)। গতকাল শনিবার সন্ধ্যায় নগরীর ফিরিঙ্গিবাজার এয়াকুবনগর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এলাকাবাসী তাকে হাতেনাতে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে। এ ব্যাপারে কোতোয়ালি থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। অভিযুক্ত মাওলানা মাইনুদ্দিন ধর্ষণের কথা স্বীকার করে নিয়ে এ কাজের জন্য 'শয়তান'কে দায়ী করে।

চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের (সিএমপি) কোতোয়ালি জোনের সহকারী কমিশনার শাহনেওয়াজ খালেদ কালের কণ্ঠকে বলেন, 'শিশুকন্যাকে ধর্ষণের দায়ে মাওলানা মাইনুদ্দিনকে গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। তাকে থানা হেফাজতে রেখে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।' ধর্ষণের শিকার স্থানীয় একটি স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণীর ওই ছাত্রীকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

কোতোয়ালি থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সন্তোষ চাকমা জানান, মাওলানা মাইনুদ্দিন সন্ধ্যা ৭টার দিকে ওই শিশুকন্যাকে ফুসলিয়ে তার চায়ের দোকানে নিয়ে ধর্ষণ করে। শিশুটির চিৎকারে স্থানীয় বাসিন্দারা এগিয়ে এসে তাকে উদ্ধার করে এবং মাইনুদ্দিনকে পুলিশের হাতে তুলে দেয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মাইনুদ্দিন ধর্ষণের কথা স্বীকার করে দাবি করে, 'শয়তানের প্ররোচনায়' সে এই গর্হিত কাজ করেছে।

ব্লেয়ার-হিচেন্স লড়াই


ব্রিটেনের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী টনি ব্লেয়ার বাকযুদ্ধে নেমেছিলেন নাস্তিক ক্রিস্টোফার হিচেন্সের সঙ্গে। বিষয় ছিলো: "পৃথিবীতে ধর্ম একটি শুভশক্তি"। কে সপক্ষে আর কে বিপক্ষে, তা নিশ্চয়ই বলে দিতে হবে না!

বিতর্ক শুরু আগে কানাডার "দ্য গ্লোব অ্যান্ড মেইল" একটি জরিপ শুরু করেছিল: "পৃথিবীতে ধর্ম কি একটি শুভশক্তি?" জরিপের ফলাফল দেখতে গিয়ে তাজ্জব বনে গেলাম! মনে হলো, স্ক্রিনশট নিয়ে রাখাটা জরুরি।


কানাডার টরন্টোতে অনুষ্ঠিত এই বিতর্কে উপস্থিত ২৭০০ দর্শকের অধিকাংশের ভোটে জিতেছেন হিচেন্স। বলা হচ্ছে, ফলাফল ২-১। যদ্দূর আন্দাজ করতে পারি, ৬৬% ভোট পেয়েছেন হিচেন্স এবং ব্লেয়ার - ৩৩%। বিস্তারিত এখানে পড়ুন।

ভিডিও দেখতে উৎসাহীরা এখান থেকে শুরু করে লেজুড় ধরে দেখতে থাকুন।

এদিকে গত ২৬ তারিখে বিবিসি-কে হিচেন্স খোলামেলা সাক্ষাৎকার দিয়েছেন। জানুন ক্যান্সারাক্রান্ত হিচেন্স-এর মৃত্যুচিন্তা সম্পর্কে। মাত্র সাত মিনিটের ভিডিও।

রবিবার, ২৮ নভেম্বর, ২০১০

আমুণ্ডুনখাগ্র পুত-পবিত্র নবীজি


নবীজি অজু করার পর তাঁর ব্যবহৃত পানি খেয়ে ফেলতো তাঁর সাহাবিরা। এমনকি কে খাবে সেই পানি, তা নিয়ে তাদের ভেতরে হাতাহাতি লাগার উপক্রম পর্যন্ত হতো।

শুধু কি তাই? তাঁর ঘাম, থুতু, মুত্রও ছিলো পবিত্র। তাঁর ঘাম দিয়ে বানানো হতো এক ধরনের পারফিউম। মাখানো ময়দার তাল এবং মাংসের পাত্রে থুতু ফেলে নিশ্চয়ই সেসবকে পবিত্রতা দান করেছিলেন তিনি, নইলে তাঁর ভক্তরা খেতো ওইসব খাদ্য? তিনি তাঁর কুলি করা পানিও খেতে নির্দেশ দিতেন তাদের এবং গায়ে-মুখে মাখাতে বলতেন। নারীজাতির কথাও তিনি বিস্মৃত হতেন না। সেই পানির কিয়দংশ তিনি মায়েদের জন্য সংরক্ষণ করতে বলতেন। এ-ই শেষ নয়। "নবীজির মুত্র তোমাদের নামাজের চেয়ে উত্তম", সেটিও জেনে রাখা দরকার।

অবিশ্বাস্য মনে হচ্ছে? না, একটুও বানিয়ে বলা নয়। সব হাদিস থেকে নেয়া। তথ্যসূত্রসম্বলিত ভিডিওতে দেখুন। তবে খাবার সময় না দেখার পরামর্শ রইলো।

প্রিয় পুরনো পোস্টগুলো – ২০


ধর্মকারীতে পোস্টের সংখ্যা চোদ্দশো ছাড়িয়ে গেছে। এই সাইটের খোঁজ যেসব পাঠক সম্প্রতি পেয়েছেন বা ভবিষ্যতে পাবেন, তাঁদের পক্ষে আগে প্রকাশিত মজাদার পোস্টগুলো খুঁজে নেয়া ব্যাপক শ্রম- ও সময়সাধ্য ব্যাপার হবে ভেবেই হারানো-দিনের-পোস্ট ধরনের এই সিরিজের অবতারণা। পুরনো পাপীরাও এই সুযোগে স্মৃতিচারণ করে নিতে পারেন 

প্রতি পর্বে আমার বিশেষ প্রিয় পাঁচটি পোস্টের লিংক দেবো সংক্ষিপ্ত বর্ণনাসহ। শুরু করেছি ধর্মকারীর আদিকাল থেকে।

১. ওরাংওটাং আর কুকুর (অসাধারণ ছোট্ট এক ভিডিও) 
২. ফলের রসের মৃত্যু চাই! (ছবি - না দেখে থাকলে পুরাই মিস) 
৩. যিশুভক্ত সুজির গল্প (চমৎকার অ্যানিমেটেড গল্প) 
৫. Muhammad sucks! আক্ষরিক অর্থেও! (শিক্ষামূলক ভিডিও )

আগের পর্বগুলো দেখতে নিচের "কাসুন্দি" ট্যাগে ক্লিক করুন।

গাণ্ডু গাড়িবিক্রেতারা


গাড়িবিক্রেতা হালায় গাড়ি দেখায় না, গাড়ির কাগজপত্র দেখায় খালি আর চাপাবাজি করে।

মজাদার ভিডিও-কার্টুন।

বিষাক্ত বিশ্বাস


মুভি দেখার অভ্যেস আমার নেই বললেই চলে। তবু ক'দিন আগে হঠাৎ করে দেখা হয়ে গেল এক কানাডীয় ছবি "আই কিল্ড মাই মাদার"। নামটিই শুধু ভয়ঙ্কর, আদতে কেউ কাউকে হত্যা করে না ছবিতে। মা আর ষোলো বছর বয়সী ছেলের জটিল সম্পর্কের কাহিনী শুধু।

একটু আগে খবরে পড়লাম, এক লোক তার মাকে সত্যি সত্যিই খুন করেছে। ঘাতক একজন অভিনেতা এবং সে অভিনয়ও করেছে Ugly Betty নামের সিরিয়ালে। খবরটির বৈশিষ্ট্য হলো, খ্রিষ্টধর্মবিশ্বাসী ঘাতক তিন ফুট লম্বা তরবারি হাতে নিয়ে জিকির করার মতো করে বলছিলো মায়ের উদ্দেশ্যে: Repent! Repent! Repent! এবং মা যিশু ও ঈশ্বরে বিশ্বাস করে কি না, সেই প্রশ্ন করতে করতে সে হত্যা করে মাকে।

কিছুই বলার নেই!

পুনশ্চ. কিছুটা সময় আগে ভুডু - ভূতুড়ে এক ধর্মের নাম নামের পোস্ট দেয়ার পর এই খবরটি চোখে পড়লো! 

অহিতকর পুরোহিত


ক্যাথলিক ধর্মযাজক আর শিশুকামিতা এখন প্রায় সমার্থক হয়ে উঠেছে। এ বিষয়ক নিত্যনতুন খবর হরহামেশাই চোখে পড়ে। বেশি কোথাও খুঁজতেও হয় না। একটা সাইটে চোখ বোলালেই খবরের অভাব হয় না। কিন্তু কাঁহাতক এই একই বিষয় নিয়ে লেখা যায়! তবে একঘেয়েমিতে বৈচিত্র্য আনতে তৎপর হয়েছে ধর্মযাজকেরাই!

খবর শুনুন। যৌননিপীড়নের শিকার হওয়া এক বালক এক ধর্মযাজকের বিরুদ্ধে মামলা ঠুকে দিলে সে-ও হাত গুটিয়ে বসে রইলো না। ছেলেটিকে খুন করার ফন্দি আঁটলো সে। ভাড়া করলো এক খুনিকে। তবে পরিকল্পনা বাস্তবায়নের সুযোগ সে পায়নি অবশ্য। সকল প্রশংসা পরম করুণাময়ের। তিনিই তো বাঁচালেন বালকটিকে। তবে যাজক তাকে যৌননিপীড়ন করার সময় তিনি নিষ্ক্রিয় ছিলেন, কারণ তিনি, খুব সম্ভব, শিশুপর্নোর ভক্ত ও ঈক্ষণকামী (কী খটোমটো বাংলা রে, বাবা! এর মানে হলো - অপরের যৌনক্রিয়া বা যৌনাঙ্গ দেখে যৌন তৃপ্তিলাভকারী ব্যক্তি। ইংরেজিতে বলে voyeur। আচ্ছা, বাংলায় সহজ করে "দর্শনকামী" বলা যায় না?)। 

খবরের লিংক পাঠিয়েছেন কৌস্তুভ

এবারে দেখুন প্রাসঙ্গিক দু'টি টিভি রিপোর্ট।

ভেড়ার পাল ও মেষপালক


ভুডু – ভূতুড়ে এক ধর্মের নাম


কিছু ভূতুড়ে, রহস্যময় এবং প্রায়শই ভয়াবহ রিচ্যুয়াল হিসেবে ভুডু অনেকের কাছেই পরিচিত। তবে আফ্রিকার বেনিনে ভুডু যে সরকারীভাবে ধর্ম হিসেবে স্বীকৃত, তা আমার জানা ছিলো না। ধর্মের নানান দাবি ও প্রস্তাব যতো উদ্ভট ও নির্মমই হোক না কেন, সেগুলো নিঃশর্ত মেনে নেয়াই ধর্মবিশ্বাসীদের বৈশিষ্ট্য। ব্যতিক্রম নেই ভুডু-অনুসারীদের ক্ষেত্রেও। ধর্মবিশ্বাস প্রকৃতপক্ষেই মানুষের সুস্থ ও স্বাভাবিক বিচারবুদ্ধি ধ্বংস করে দেয়। এর পক্ষে ভুরি-ভুরি উদাহরণ দেয়া সম্ভব। ভুডু ধর্মের ক্ষেত্রেই দেখুন, এই ধর্মে বিশ্বাসীরা পরিবারের সুখ-সমৃদ্ধি আনার লক্ষ্যে নিজেদের সন্তানদের হত্যা করতে দ্বিধা করে না (এটাকে নবী ইব্রাহীম সিনড্রোম বলা যায়?)! ভাবতে পারেন! বিশ্বাসের কী মহিমা! ধর্মের নামে সন্তান হত্যার রীতি অন্য ধর্মগুলোয় হয়তো নেই। তবে অন্যদের হত্যা করার বিধান তো প্রধান ধর্মগুলোতেও মহাসমারোহেই বিদ্যমান। এছাড়া ধর্মেজোশে বলীয়ান হয়ে আত্মাহুতি দেবার রীতি বা ঐতিহ্যের কথা তো আমরা জানিই।

আল-জাজিরার তৈরি ২৪ মিনিটের ভুডু বিষয়ে ভিডিও দেখুন। বড়োই বেদনাবহ।

শুক্রবার, ২৬ নভেম্বর, ২০১০

পী লে, পী লে, ‘মেরী’ নাম কা পেয়ালা...


লিখেছেন কৌস্তুভ 

শচীনকত্তার ওই ভক্তিমূলক হিন্দি গানখানা হয়ত অনেকেই শুনেছেন। না শুনলে শুনতে পারেন। কিন্তু না, এখানে গান নিয়ে আজ আলোচনা করছি না। দুটো কথা বলব, জয়গান নিয়ে। ধম্মকম্মের। আমার পরিপ্রেক্ষিত থেকে। আর সাথে চানাচুর হিসাবে ইতালীয় বালিকার গপ্প। (আসল লেখাটা পড়তে না চাইলে শেষে চলে যান।)

(১)
কয়েকদিন আগে আমাদের ইউনির মেডিকাল স্কুলে ক্যাথলিক স্টুডেন্ট গ্রুপ এক বক্তৃতার আয়োজন করেছিল। তার হেডিং পড়েছিল, “মিরাক্‌ল্‌ আরোগ্য? লুর্দ গির্জায় চিকিৎসাবিজ্ঞান-নির্ভর অনুসন্ধান”। এবং তলায় লেখা, যাঁরাই এই একবিংশ শতাব্দীতে ধর্ম ও বিজ্ঞানের ‘ডায়নামিক ইন্টারপ্লে’ দেখতে আগ্রহী, তাঁরা অবশ্যই আসুন।

বিজ্ঞানের পক্ষে বক্তৃতাটি ঝুঁকে, নাকি ধর্মের পক্ষে, সে সম্পর্কে কিছুই প্রকাশ করা হয়নি পোস্টারটিতে। মেডিকাল স্কুল যখন, তখন মিরাক্‌ল্‌ আরোগ্যের কোনো দাবিকে অপ্রমাণ করা হবে, এটা মনে হচ্ছিল। আবার ভাবছিলাম, ক্যাথলিক ছাত্রদের আয়োজিত যখন, তখন প্রমাণের চেষ্টাও বিচিত্র নয়। হয়ত একটা সমঝোতার চেষ্টা করা হবে, ভাবলাম। ‘অ্যাপলজিস্ট’ ধরনের কোনো অবস্থান আর কি।

(২)
গিয়ে জানলাম, বক্তৃতাটি ফ্রান্সের দক্ষিণের লুর্দ শহরের ‘আওয়ার লেডি অফ লুর্দ’ নামক গির্জাটির সম্বন্ধে। সেখানে একটি ‘পবিত্র জলধারা’ আছে, যা একটা চৌবাচ্চায় জমা করা হয়। প্রতি বছর লক্ষ লক্ষ পূণ্যার্থী সেখানে স্নান করতে আসেন। স্নান মানে, দুজন কর্মী আপনাকে ধরে সেই ৮-৯ ডিগ্রীর ঠাণ্ডা জলে ঘচাং করে ডুবিয়েই তুলে ফেলবে। মানস সরোবরের হিমশীতল জলে ডুব দিয়ে যেমন তনুমনঝাঁঝাঁকরণ চাঙ্গা ভাব হয়, তেমন আর কি। তবে ওখানেই শেষ নয়। এ পর্যন্ত বহু লোকেরই নাকি ওই জলে স্নান করে দুরারোগ্য ব্যাধি সেরে গেছে। প্রায় দেড়শ বছর ধরে এই স্নান চলছে (ওই যেমন হয়, শুরুতে মাতা মেরী এক পরমাসুন্দরী শ্বেতবস্ত্রাবৃতা যুবতীর সাজে কাউকে দর্শন দিয়ে কিছু বাণীটাণী দিয়েছিলেন), এখনও অবধি হাজার হাজার লোকে এই দাবী করেছে।

আরও বল্দার্গু

আবার আমার প্রিয় দ্য চেসার  

কতো ভুয়া দাবিতে মানুষ বিশ্বাস করে, ভেবে অবাক হতেই থাকি। এক প্রতারক বই এবং ভিডিও বের করেছে। তার দাবি, একেবারে মন থেকে কিছু চাইলে এক সময় আপনি তা পাবেনই! এ জন্যে আপনাকে পার হতে হবে তিনটে ধাপ: ask, believe এবং receive। তো এই বল্দার্গুর যা প্রাপ্য, সেটাই দিয়েছে দ্য চেসার। পুরাই হাহাপগে।

"সর্বব্যাপী" ঈশ্বর কোথাও নেই


বিজ্ঞানের সিম্ফনি


বিভিন্ন মনীষীর কণ্ঠস্বর ব্যবহার করে অদ্ভুতভাবে বানানো "যুক্তিসঙ্গীত"। সঙ্গীতশিল্পীরা হলেন: বার্ট্রান্ড রাসেল, কার্ল সেগান, রিচার্ড ডকিন্স, স্যাম হ্যারিসসহ আরও কয়েকজন।

লিরিকসও দেয়া হলো।

স্বর্গ-নরকের তুলনা


TheThinkingAtheist-এর তৈরি আরও একটি অনবদ্য ভিডিও।

বৃহষ্পতিবার, ২৫ নভেম্বর, ২০১০

নবীজির আত্মপক্ষ সমর্থন: "আমি শিশুকামী নই"

ফ্লাইট ৯১১


বেহেশতের কুমারীগণ ও মোমিন মুচলিম পুরুষেরা


২০০৯ সালের ২৫ জুলাই সৌদি Al-Majd TV চ্যানেলে সিরিয়ায় জন্ম নেয়া সৌদি ইসলামবিদ মুহম্মদ আল-মুনাজিদ মোমিন মোচলমানদের জন্যে বেহেশতে অপেক্ষমাণ কুমারী হুরদের সম্পর্কে এমন বর্ণনা দিলেন যে, শুনে মুচলিম পুরুষদের লোলবর্ষণ প্রবলতর তো হবেই, এমনকি, বলা যায় না, নাস্তিকেরাও প্রলুব্ধ হয়ে যেতে পারে

লক্ষ্য করুন, তিনি নিশ্চিত করছেন, সুখ ও তৃপ্তির ব্যাপারটি শুধুই পুরুষদের জন্য। মোমিন মোচলমান পুরুষদের বেহেশতবাস চূড়ান্ত উপভোগ্য করতে আল্লাহ অকৃপণ। পান-ভক্ষণ-প্রেম-যৌনতার পূর্ণ সদ্ব্যবহারের জন্য তিনি তাদেরকে দেবেন একশো পুরুষের শক্তি ও ক্ষমতা। বলেন, সোবহানাল্লাহ।

ভিডিওর ট্র্যান্সক্রিপ্ট তুলে দিলাম পুরোটা।

ঈশ্বরের প্রিয় দেশ, প্রিয় গ্রহ...


দুর্দান্ত একটি পোস্টার। ছবির ওপরে ক্লিক করে পূর্ণ আকারে দেখুন।

বুধবার, ২৪ নভেম্বর, ২০১০

অপবিজ্ঞান ধোলাইপর্ব


রিচার্ড ডকিন্সের উপস্থাপনায় যুক্তি ও বিদ্রূপের অপূর্ব সমন্বয়ে অপবিজ্ঞান ধোলাইপর্ব।

ঘামান মাথা


কার্টুনের তিন চরিত্র একত্রে কী বলছে, ভাষা জানা নেই বলে বুঝতে পারিনি, তবে "নিজেদের ভেতরে যতো শত্রুতাই থাকুক না কেন, নাস্তিকদের বিরুদ্ধে আমরা ঐক্যবদ্ধ" হলে বেশ মানাতো বলেই মনে হচ্ছে।

বা অন্য কী হতে পারতো? ঘামান না একটু মাথা!

হিচেন্সের অংশগ্রহণে সাক্ষাৎকার ও বিতর্ক


সাক্ষাৎকার

ক্যান্সারাক্রান্ত ক্রিস্টোফার হিচেন্স এতোটুকুও হারাননি নিজের অবস্থান, যুক্তির তীক্ষ্ণতা ও রসবোধ। সম্প্রতি অস্ট্রেলিয়ার এবিসি চ্যানেলে তাঁর লম্বা সাক্ষাৎকার সেটাই প্রমাণ করে। দুই দিনে নেয়া এই সাক্ষাৎকারের প্রথম দিনের শেষে সাক্ষাৎকারগ্রাহক যখন বললেন, আগামীকাল কথা হবে, তখন হিচেন্স উত্তরে যা বললেন, তা জানতে হলে দ্বিতীয় ভিডিওর শেষাংশটুকু দেখতে হবে 

আর চার পর্বের সম্পূর্ণ ভিডিও দেখুন এখানে


বিতর্ক 

ইনটেলিজেন্ট ডিজাইনের সমর্থক উইলিয়াম ডেম্বস্কির সঙ্গে দীর্ঘ বিতর্ক। দেখে উঠতে পারিনি বলে কোনও মন্তব্য করছি না। উৎসাহীরা এখান থেকে দেখা শুরু করতে পারেন।

মঙ্গলবার, ২৩ নভেম্বর, ২০১০

হ্যান্ডি জিব্রাইল ও "আল্লাহর বাণী"


নবীজির সবচেয়ে প্রিয় স্ত্রী আয়েশা খুব তাৎপর্যমূলক একটি কথা বলেছিলেন নবীজিকে উদ্দেশ্য করেই, "আমার তো মনে হয়, তোমার সাধ-আহ্লাদ পূরণ করতে তোমার আল্লাহ খুবই তৎপর।" (I feel that your Lord hastens in fulfilling your wishes and desires. - Bukhari, Volume 6, Book 60, Number 311)। স্ত্রীদের সঙ্গে শোয়ার সিরিয়াল ভেঙে নবীজি তার ইচ্ছেমাফিক পছন্দের স্ত্রীর সঙ্গে শুতে পারেন - এই মর্মে একটি আয়াত নাজিল হবার পর শ্লেষ-মেশানো এই কথাটি তিনি বলেছিলেন।

সুস্থবুদ্ধির কারুর বুঝতে কষ্ট হবার কথা নয় যে, আল্লাহন বাণী বলে চালিয়ে দেয়া সমস্ত কথাই আসলে ধূর্ত নবীর নিজের কথা। নিজের করা বা করিতব্য যে কোনও অপকর্ম জাস্টিফাই করতে তৎক্ষণাৎ "নাজেল করিয়ে নিতেন" জুতসই ও লাগসই আয়াত। তাঁর ছিলো পোষা জিব্রাইল। একেবারে হ্যান্ডি। 

কোরান থেকে উদ্ধৃত করা কয়েকটি "আল্লাহর বাণী":

খেলতে না জানলে বিকিনি হ্রস্ব!


চীনে চলমান এশিয়ান গেমসে বিচ ভলিবলের এক ম্যাচে হারার পর এচলামী দেশ ইয়েমেন দলের এক খেলোয়াড় বলেছে, তার দলের হারের পেছনে চিয়ারলিডারদের নেতিবাচক ভূমিকা আছে। তাদের কারণে নাকি দলের দলের মনোযোগ ব্যাহত হয়েছে 


না, অট্টহাসির ইমো দেয়া বোধহয় উচিত হলো না। অনৈসলামিক হ্রস্ব সন্তরণ-ভূষণ পরিধিত বেগানা জেনানাদের দেখে মোচলমান খেলোয়াড়দের ঈমান উত্থিত হতেই পারে। আর উত্থিত ঈমান নিয়ে খেলা চালিয়ে যাওয়া যে দুঃসাধ্য ব্যাপার, তা অনুমান করা দুরূহ নয়।

ভারতের নিরীশ্বরবাদী ব্যক্তিত্বরা


যুগে যুগে ভারতে ঈশ্বর-অবিশ্বাসী ব্যক্তিত্বদের অনতিদীর্ঘ তবে তাৎপর্যপূর্ণ তালিকা দেখুন।

প্রচারে বিঘ্ন – ১২


কোথায় অনন্তকাল কাটাতে চান আপনি? 

ছবিতে ক্লিক করে পূর্ণ আকারে না দেখলে বোঝা যাবে না।

মুসলিমদের হিটলারফেটিশ


মুসলিমদের সবচেয়ে বড়ো শত্রু ইহুদিদের পেঁদিয়েছে বলে অনেক মুসলমানের ভেতরে হিটলারভক্তি আছে। অনেক সময় তা বেরিয়ে আসে কথায় কথায়।

"মডারেট" এক এচলামবিদ Imam Yusuf al-Qaradawi সম্প্রতি হিটলারের কুকীর্তির পক্ষে সাফাই গেছেন।

এর আগে মিসরের ইসলামবিদ Hussam Fawzi Jabar স্থানীয় Al-Nas TV চ্যানেলে গত ১১ জুলাই হিটলারের কীর্তির সপক্ষে বক্তব্য রাখেন।

আত্মঘাতী জঙ্গি নাস্তিক


আত্মাহুতি দিতে প্রস্তুত সশস্ত্র জঙ্গি নাস্তিক 


ব্রিটিশ স্কুল, ইসলামী রীতি


কয়েক ঘণ্টা আগে বিবিসি-তে প্রচারিত অনুসন্ধানী ডকুমেন্টারি। শিরোনাম দেখেই বিষয় আঁচ করা সম্ভব।

সোমবার, ২২ নভেম্বর, ২০১০

আল্যার অস্তিত্ব বিষয়ে নিঃসংশয় হোন


মাত্র এক মিনিটের এই ভিডিওটি দেখার পর আধা, পাতি, কট্টর, জঙ্গি - সব ধরনের নাস্তিক মাথা নিচু করে নিজেদের ভুল স্বীকার করে নূরের পথে আসবে। 

সুশীলতাহীন ধর্মধোলাই


অনেক আগে পোস্ট করা একটি ভিডিও রিপোস্ট করছি শুরুতে দুটো কারণে। প্রথমত, ভিডিওটি আমার অতিশয় প্রিয়, আর দ্বিতীয় কারণ হলো - একই কমেডিয়ানের আরেকটি দুর্দান্ত ভিডিও পেয়েছি। আজ দুটোই যাচ্ছে একসঙ্গে।

অস্ট্রেলিয়ার স্ট্যাডআপ কমেডিয়ান Jim Jefferies-কে আমার পছন্দ, কারণ তাঁর ভেতরে সুশীলতার ভান নেই, নেই অনাবশ্যক মেকি ভদ্রতা। কড়া শব্দসহযোগে কঠিন কথা বলতে তাঁর একেবারেই বাধে না।

প্রথম ভিডিও থেকে কিছু উদাহরণ দিলে ব্যাপারটা পরিষ্কার হবে:

I know this is a Christian country and I stand for your right to be religious but please know that you're wrong... Stop being a fucking child.

... Let's think about it rationally, right, which isn't a good point for the Christians - rational thought. 

... religious people in the crowd and they don't like hearing facts.

পৃথিবীর যতো অনাচার ও প্রাকৃতিক বিপর্যয় প্রসঙ্গে ঈশ্বরের ভূমিকার কথা তুললে বলা হয়ে থাকে: 

God works in mysterious ways. What sort of excuse is that? What is.. what is mysterious about acting like a fucking asshole?

... see, religious people are just fucking stupid!

দ্বিতীয় ভিডিও এর চেয়েও ভয়াবহ । নিজেই দেখুন।

গুগলের চোখে মুসলিম, খ্রিষ্টান ও ইহুদিরা


নতুন কোনও আইডিয়া নয়। পুরনো এবং ধার করা আইডিয়া নিয়ে আজ গুগলালাম। why are muslims টাইপ করতেই ড্রপ-ডাউন মেন্যুতে যা পাওয়া গেল, দেখুন:


এবার খ্রিষ্টান আর ইহুদিদের সম্পর্কে গুগলের ধারণা কী, দেখা যাক।

দাস-প্রহারের খ্রিষ্টীয় তরিকা


স্ত্রী-প্রহারের ইসলামী তরিকাগুচ্ছ তো অনেকেরই জানা। এবার দাস-প্রহারের খ্রিষ্টীয় তরিকা জানাচ্ছে TheThinking Atheist তাদের নতুন, যথারীতি গতিশীল ও মন-মাতানো ভিডিওতে।

আরব দেশে নারীর দশা – ০৫


ইসলামে নারীকে নিচুশ্রেণীর প্রাণী হিসেবে গণ্য করা হয়। কোরানের আয়াতগুলো পড়লে এই কথাই স্পষ্ট হয়ে ওঠে যে, নারীকে সৃষ্টি করা হয়েছে পুরুষের প্রয়োজনে এবং নারী পুরুষের প্রায় যথেচ্ছ ব্যবহার্য সামগ্রীর মতো। 

আরব দেশগুলোতে নারীদের অবস্থা বিশেষভাবে মর্মান্তিক। নারীদের দুর্দশার প্রতিফলন ঘটানো কিছু কার্টুন সেই দেশগুলোর পত্র-পত্রিকায় হঠাৎ-হঠাৎ প্রকাশিত হয়। সেসবের সংকলন নিয়েই এই সিরিজ।

কার্ল সেগানের সর্বশেষ সাক্ষাৎকার


১৯৯৬ সালের ২৭ মে তারিখে কার্ল সেগান তাঁর সর্বশেষ সাক্ষাৎকার দেন। তিনি কথা বলছেন অপবিজ্ঞান, ধর্ম ও নানাবিধ প্রমাণহীন দাবি সম্পর্কে। ২০ মিনিটের এই সাক্ষাৎকারের প্রথম অংশটি ধর্মকারীতে আগে প্রকাশিত। 

রবিবার, ২১ নভেম্বর, ২০১০

মানবাধিকারের এচলামী সংজ্ঞা


ইসলাম এবং মানবাধিকারের সহাবস্থান অসম্ভব। থাকবে যে কোনও একটা। তবু লোক দেখানোর খাতিরে এচলামী অনেক দেশে মানবাধিকার সংগঠন থাকে। সরকারের পোষা। মানবাধিকার বিষয়ে সেগুলোর অবস্থান কী, তা নিচের খবর দেখেই অনুমান করে নেয়া যায়।

ইরানের হিউম্যান রাইটস কাউন্সিলের প্রধান পাথর ছুঁড়ে হত্যাপদ্ধতির পক্ষে ওকালতি করেছে! তার ভাষ্য: Stoning means you should do a number of acts, by throwing the stone in a limited number, in a special way.…In the eyes of some people, stoning is a lesser punishment than execution because there is a chance you should survive.

একটা ব্যাপার বুঝলাম না। এই পদ্ধতি প্রয়োগের সময় বেঁচে থাকার সুযোগ রাখা হয় কি? 

আল্যাফোবিয়া: ইসলাম কি ভীতিময় ধর্ম


কোরানের আয়াত ঘেঁটে দেখা যাক:

বিজ্ঞানের বিরুদ্ধে ধর্মের যুদ্ধ


ধর্মের চোখে বিজ্ঞান বড়োই বদ, বেয়াড়া ও বেয়াদব! যুগ যুগ ধরে পদে পদে ধর্মের জারিজুরি ফাঁস করে দিচ্ছে হারামজাদাটা! তাকে ছাড়া অবশ্য চলেও না, তবে সুযোগ পেলেই বিজ্ঞানকে এক হাত নেয় ধর্মগুলো। তবে কারণগুলো বরাবরই হয় হাহাপগে গোছের।

তিনটে কৌতূহলোদ্দীপক সংবাদ চোখে পড়লো।

১. 
ব্রাজিলের ইভ্যানজেলিক্যাল খ্রিষ্টানদের জন্য ইউএসবি ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হয়েছে বলেই ধারণা করা হচ্ছে। কারণটা কী? না, ইউএসবি-র প্রতীকটি মনে করিয়ে দেয় ত্রিশুলের কথা (ছবিতে লক্ষ্য করুন)। আর শয়তানের পুজারিদের শাস্তি দিতে এই ত্রিশুল ব্যবহার করা হবে নরকে।

নিরলস ইসলামী জঙ্গিরা


আমেরিকায় নানানভাবে ঢুকছে ইসলামী জঙ্গিরা। ভিডিওতে বিস্তারিত দেখুন।

এতোদিনে অরিন্দম


সেই কুত্তা সেই গু খাইলো, খালি খাওয়ার আগে মাখায়া খাইলো!

কনডম প্রশ্নে ক্যাথলিক চার্চের অনড় অবস্থানটি ছিলো রীতিমতো মানবতাবিরোধী। এইডস জর্জরিত আফ্রিকায় গিয়ে বর্তমান ভ্যাটিকানরাজ ঘোষণা দিয়েছিল, কনডম ব্যবহারে এইডসে আক্রান্ত হবার ঝুঁকি বাড়ে। শালাকে জাস্ট এই কারণে জেলে ঢোকানো দরকার ছিলো!

পোপ এবার ঘোষণা দেবে, এইডসে "আক্রান্ত হবার ঝুঁকি হ্রাস করতে" কনডম ব্যবহার করা যাবে। 

সে এবং তার সাগরেদরাও অ্যাদ্দিন ধইরা কনডমবিরোধী কুযুক্তির বন্যা বইয়া দিতেসিল। এখন সেই নির্লজ্জরা নেড়ি কুত্তার মতোন লেজ পিছনের দুই পায়ের মধ্যে ঢুকাইয়া কী বলবে, ভাবতে ইচ্ছা করতেসে। 

এই সুমতিটা কেন যে আগে হয়নি তাদের! তাদের ধর্মীয় গোঁড়ামি আর হঠকারিতার কারণে নিশ্চয়ই ঝরে গেছে কতো বিশ্বাসীর প্রাণ, আরও কতোজন আক্রান্ত হয়েছে প্রাণঘাতী এই ব্যাধিতে! শশশালারা!

নিরীশ্বরবাদী দার্শনিক আইন র‍্যান্ড


মূলত পুরুষদের দখলে থাকা দর্শনতত্ত্বে তিনি অনায়াসে করে নিতে পেরেছিলেন নিজের স্থান। ছিলেন আপাদমস্তক যুক্তিবাদী। অভিনব ও মৌলিক চিন্তাধারা ছিলো তাঁর প্রধান অস্ত্র।

নাম তাঁর আইন র‍্যান্ড (Ayn Rand)। গত শতকের অন্যতম ও বহুলপঠিত দার্শনিক। এ ছাড়াও তাঁর পরিচয় ছিলো ঔপন্যাসিক, নাট্যকার ও চিত্রনাট্যকার হিসেবে। 

জন্মেছিলেন ১৯০৫ সালে। রাশিয়াতে। ১৯২৬ সালে চলে যান আমেরিকায়।

যুক্তিবাদী বলেই আইন র‍্যান্ডের বিশ্বাস ছিলো না ধর্ম বা ঈশ্বরে। তাঁর চাঁছাছোলা বক্তব্যসমৃদ্ধ সাক্ষাৎকারের ভিডিও দেখার আগে তাঁর বিভিন্ন রচনা ও বক্তব্য থেকে কিছু উদ্ধৃতি দেয়া যাক।

* Ask yourself whether the dream of heaven and greatness should be waiting for us in our graves - or whether it should be ours here and now and on this earth. 

* Reason is not automatic. Those who deny it cannot be conquered by it. Do not count on them. Leave them alone. 

* The purpose of morality is to teach you, not to suffer and die, but to enjoy yourself and live.

শনিবার, ২০ নভেম্বর, ২০১০

আদমচরিত ০৩


(ধর্মপচারকের পক্ষ থেকে: এই পোস্টের লেখক "মুখফোড়" সম্পর্কে কিঞ্চিৎ ভূমিকা দেয়া আবশ্যক বলে মনে করি। আমার মতে, বাংলা ব্লগ-পরিমণ্ডলে সবচেয়ে শক্তিমান ব্যঙ্গ-লেখক তিনি। আমার সঙ্গে সহমত জ্ঞাপন করবেন, এমন লোকের সংখ্যা অজস্র। কল্পনাতীত কল্পনাশক্তি তাঁর, তীব্র বিদ্রূপাত্মক ভাষা আর অসাধারণ স্মার্ট তাঁর গদ্য। তাঁর অনেক রচনাই ধর্মকারীর চরিত্রের উপযোগী। তিনি তাঁর সেই লেখাগুলো প্রকাশের অনুমতি দিয়ে ধর্মকারীকে কৃতজ্ঞ করেছেন।)

লিখেছেন মুখফোড়

আদম মনে মনে হাসে।

হুঁ হুঁ বাওয়া, একদম নিখুঁত পিলান! জ্ঞানবৃক্ষের ফল আদম খেয়েই ছাড়বে, সে ঈশ্বর যত 144 ধারা জারি করুন না কেন।

আদম নিজের ভবনে বসে হাওয়া খেতে খেতে অনেক গবেষণাই করেছে। জ্ঞানবৃক্ষের বিশ হাতের মধ্যে যাওয়া নিষেধ, এক ভীষণদর্শন তাগড়া স্বর্গদূত লাঠি হাতে সে বৃক্ষ পাহারা দেয়, পশুপক্ষী কারো সাধ্য নেই জ্ঞানবৃক্ষের কাছে গিয়ে তার ফলে মুখ দেয়।

আদম মহা বিরক্ত জ্ঞানবৃক্ষ নিয়ে এসব ফালতু বিধিনিষেধে। আরে বাবা, ফল যদি না-ই খাওয়া, তো ঐ ফল সৃষ্টির দরকারটা কী? জ্ঞানবৃক্ষের ফল খেলে তো জ্ঞানই বাড়ার কথা, আর জ্ঞান বেড়ে গেলে ঈশ্বরের সমস্যাটা কোথায়?

সেটাও ভেবে বার করেছে আদম। ঈশ্বর তাবৎ সৃষ্টিকে বোকাচো-- বানিয়ে রাখতে চান। কারো জ্ঞান পেকে উঠুক সেটাই তিনি চান না। তবে জ্ঞানবৃক্ষের ফল কেন বানানো হয়েছে ভেবে পায় না আদম।

প্রমাণহীন যে কোনও দাবিই ভুয়া


গতকাল Centre for Inquiry নামের কানাডীয় প্রতিষ্ঠান শুরু করেছে তাদের ক্যাম্পেইন। সেটির নাম তারা দিয়েছে কার্ল সেগানের একটি বিখ্যাত উক্তির (Extraordinary Claims Require Extraordinary Evidence) অংশ বিশেষ ব্যবহার করে: Extraordinary Claims।

এই উপলক্ষে বের করা পোস্টার:

প্যাট্রিক কন্ডেল: আমাদের লোক – ২৭


মুসলিম সমাজে মানবাধিকার ও নারীঅধিকার আসলে অলীক, অবাস্তব ও অসম্ভব। এ নিয়ে স্বভাবসুলভ শ্লেষাত্মক, অসাধারণ ভঙ্গিতে তাঁর বক্তব্য রাখছেন এক ও অদ্বিতীয় প্যাট্রিক কন্ডেল।

যথারীতি কিছু চুম্বক-অংশ উদ্ধৃত করছি:

বিধর্মীরাও যাবে বেহেশতে?


এতোদিন জানতাম, বেহেশত শুধু মোচলমানদের জন্যে। কিন্তু রুবাইয়াত আহসান-এর পাঠানো নয়া দিগন্ত পত্রিকায় প্রকাশিত একটি খবর পড়ে তাজ্জিব বনে গেলাম। বাংলাদেশের ভালো মোচলমানদের আগে বেহেশতে যাবে নাকি কাফের জাপানিরা! এটা কি ঠিক হবে? 

মোচলমানেরা দিবারাত্র নামাজ পড়ে, কোরান পড়ে, রোজা রাখে, জাকাত দেয়, কোরবানি দেয়, হজ করে... অথচ তাদের আগে বেহেশতে যাবে জাপানি বিধর্মীরা? এ তোমার কেমন বিচার, ইয়া মাবুদ?

বিশ্বাস-অবিশ্বাসের রকমফের


যাবতীয় উপাসনালয় আসলে সাধারণ বিশ্বাসপ্রবণ মানুষদের কাছ থেকে টাকা হাতিয়ে নেবার সম্পূর্ণ ঝুঁকিহীন ও নিরাপদতম পদ্ধতি প্রয়োগের জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত স্থান।

খবর শুনুন। মাত্র দুশো ষাট হাজার ডলার ক্যাশ পাওয়া গেছে আর্চবিশপের রেখে যাওয়া ব্যাগ থেকে। ভিডিওতে একটি ব্যাপার লক্ষণীয়, বিশ্বাসপ্রবণ ধার্মিকেরা তাদের ধর্মগুরুর থলেতে এতো সন্দেহজনক পরিমাণ টাকা পাওয়া গেলেও এই খবরে তারা বিশ্বাস করে না!

একজন বললো: "I want proof. Just because you are telling me something, do I have to believe it?"

আহা! এই যুক্তিবোধ ধর্ম- বা ঈশ্বরবিশ্বাসের সময় থকে কোথায়? নিঃশর্ত বিশ্বাসে অভ্যস্তদের মুখে প্রমাণ চাইতে শুনলে কেমন লাগে, বলুন তো!  

আরও দু'টি বই


১. Understanding Muhammad: নবীজির মনস্তাত্ত্বিক জীবনী।
সাইজ: ২ মেগাবাইট।
ডাউনলোড লিংক

২. The God Virus: How Religion Infects Our Lives and Culture
সাইজ: ১০ মেগাবাইট।
ডাউনলোড লিংক (১)
ডাউনলোড লিংক (২)

স্যাম হ্যারিসের সাম্প্রতিকতম সাক্ষাৎকার


মূলত ইসলাম বিষয়ে বক্তব্য রাখছেন বদের বদ জঙ্গি নাস্তিক স্যাম হ্যারিস গত ১৬ তারিখে MSNBC চ্যানেলে।

বৃহষ্পতিবার, ১৮ নভেম্বর, ২০১০

একটি মিথ্যা ঘটনা


লিখেছেন কৌস্তুভ

* বর্তমান বা অতীত, বাস্তব বা কল্পনা কোনো কিছুর সঙ্গেই এ গল্পের কোনো দুশ্চরিত্রের বা দুর্ঘটনাবলীর মিল নাই। *

সিন্ধু নদের তীরে সন্ধ্যা নেমেছে। শীতকাল আসছে, একটু ঠাণ্ডা ঠাণ্ডা লাগে আজকাল। চাদরটা গায়ে জড়িয়ে নিলেন আলেকজান্ডার। মনটন খারাপ কদিন থেকে। প্রিয় সাথী হেফাস্টিওন কদিন থেকে রোজ রাত্রেই ‘মাথা ধরে আছে’ বলছে। যুদ্ধবিগ্রহের সময়েও যদি রাত্রে একটু কামকাজ না হয় তবে চলে কি করে? অবশ্য তিনি লোক ভাল, সেনাবাহিনীর ছেলেছোকরাদের উপরে জোর করতে রাজি নন; সেই জন্যেই না সেনারা এত শ্রদ্ধাভক্তি করে তাদের নেতাকে। আশপাশের গ্রামেরই কিছু ছেলেপিলেকে নিয়ে আসতে লোক পাঠাতে হবে মনে হচ্ছে।

বাইরে গণ্ডগোলের আওয়াজে ভুরু কুঁচকে তাকান তিনি। পাশে ফিরে নীলচোখো তাতারী দেহরক্ষিণীকে বললেন, “মোনা ডার্লিং, দেখো তো, বাইরে কে শোরগোল করছে?” কিন্তু তার আগেই বাইরে সেনাপতি অ্যান্টিগোনাসের গলা শোনা যায়, “হুজুর, একটু বিরক্ত করতে পারি?”

“ভড়ং রাখো! হইহট্টগোল ছেড়ে ভিতরে এসে বল, এত হাল্লা কিসের?”

পর্দা সরিয়ে ভিতরে ঢোকে অ্যান্টিগোনাস, সঙ্গে দুজন রক্ষী একজন বন্দীকে নিয়ে আসে। স্থানীয় বাসিন্দা মনে হয়। ‘নিশ্চয়ই সেই... কী যেন নাম... চন্দ্রগুপ্ত ব্যাটার মত শিবিরের আশপাশে ঝাড়ি মারছিল’, ভাবেন তিনি।

কোরবানির বাণী


নাচ-তিক আচিপ দারুণ সার্ভিস দিচ্ছেন ধর্মকারীতে। বর্বর কোরবানি উপলক্ষে নানাজনের দেয়া খোমাখাতার স্ট্যাটাস থেকে দু'টি নির্বাচন করে পাঠিয়েছেন তিনি।

সৌরদীপ দাশগুপ্ত এই দিনটির যথোপযুক্ত নামকরণ করেছেন তাঁর স্ট্যাটাসে:

আন্তর্জাতিক গবাদিপশু-গণহত্যা দিবস এর শুভেচ্ছা জানানো লাগবে কী?

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন স্ট্যাটাস দিয়েছিলেন কৌতুকের মাধ্যমে:

- বত্‍স! গত রাত্রে স্বপ্নাদিষ্ট হয়েছি আমার প্রিয়তম বস্তু কোরবানি করতে। আমার প্রিয়তম বস্তু তুমি।
- আব্বাজান, আমার কাছে এক সাইকিয়াট্রিস্টের ফোন নাম্বার আছে, লাগবে?

পাঠকদের প্রশ্ন, ডকিন্সের উত্তর


রিচার্ড ডকিন্স উত্তর দিচ্ছেন Reddit-এর পাঠকদের করা কিছু প্রশ্নের উত্তর। ভিডিওর শেষাংশে তিনি পড়ে শোনাচ্ছেন তাঁর পাওয়া কিছু হেইট মেইল। পরম বিনোদনী। 

ডকিন্সের পাওয়া আরও হেইট মেইল তাঁর পঠনে শুনুন ধর্মকারীতে আগে প্রকাশিত একটি পোস্টের দ্বিতীয় ভিডিওতে। 

নামাজনামা – ০৩


"হেঁটমুণ্ডু ঊর্দ্ধপোঁদ" আসনের দু'টি ছবি।

ধর্মীয় পদ্ধতিতে এইডস চিকিৎসা


পুরো মাস্টারপিস
না দেখলে পরে মিস... 

রাসেলের টিপট


নিজেদের দাবির পক্ষে যুক্তিগ্রাহ্য কোনও যুক্তি দাঁড় করাতে ব্যর্থ হয়ে আস্তিকেরা আশ্রয় নেয় যুক্তি-ধূর্ততার: তাদের দাবির অসাড়তা প্রমাণ করার দায় তারা চাপিয়ে দেয় অবিশ্বাসীর ওপরে। অর্থাৎ - প্রমাণ করো দেখি যে, ভগবানেশ্বরাল্লাহর অস্তিত্ব নেই! 

ভণ্ডামির একটা সীমা থাকা উচিত! ব্যাটা, তোর দাবি সত্য বা ভুল প্রমাণ করার তাগাদা অন্যের হবে কেন? তোর দাবি, তুই প্রমাণ কর। না পারলে দূরে গিয়া মুড়ি খা।

নাস্তিকেরা তো কোনও দাবি করে না! তারা শুধু বলে, ভগবানেশ্বরাল্লাহর অস্তিত্ব বিষয়ে আস্তিকদের দাবি তারা গ্রহণ করে না যথাযোগ্য ও যুক্তিযুক্ত তথ্য-প্রমাণের অভাবে। ব্যস। এটাই নাস্তিক্যবাদের সারকথা।  

আস্তিকদের ভণ্ডামির উত্তরে দার্শনিক বার্ট্রান্ড রাসেল দাঁড় করিয়েছিলেন তাঁর সাড়া জাগানো "টিপট তত্ত্ব"।

বৃষবিষ্ঠা বা বল্দার্গু – ০৬


(ধর্মের সঙ্গে আপাত সম্পর্কহীন এই সিরিজটি ধর্মকারীতে প্রকাশের কারণ একটিই: তথ্য-প্রমাণহীন যে কোনও বিশ্বাসের প্রচার ও প্রসার ক্ষতিকারক। ধর্মসহ এই জাতীয় যাবতীয় অপবিশ্বাস থেকে মুক্ত হতে পারলেই নিজেকে প্রকৃত মুক্তমনা বলা যেতে পারে। তার আগে নয়।)

তথ্য-প্রমাণ ছাড়াই মানুষ যে কীভাবে উদ্ভট সব বল্দার্গুতে বিশ্বাস করতে পারে, ভেবে পাই না! তাদের বিশ্বাসপ্রবণতাকে ব্যবহার করে ধূর্তরা কাঁড়ি-কাঁড়ি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে তাদের কাছ থেকে! তবু কারো হুঁশ হয় বলে মনে হয় না! হায়, যুক্তিহীন বিশ্বাস! এই ধূর্তদের দল দাবি করে, তাদের আছে অতিন্দ্রীয় ক্ষমতা (Extra Sensory Perception)। গালভরা এই শব্দগুলোয় বিভ্রান্ত হয় অলৌকিকে-বিশ্বাসোন্মুখ মানুষেরা।

Penn & Teller জুটির উপস্থাপিত ব্যঙ্গ-বিদ্রূপবহুল ব্যাশিং টিভি-সিরিজ "বুলশিট"-এর এই পর্বের (তিরিশ মিনিট) বিষয়বস্তু: অতিন্দ্রীয় ক্ষমতা।

বুধবার, ১৭ নভেম্বর, ২০১০

এই না হলে ইসলামী বিচার!


পাঠিয়েছেন ছাত্রীসংস্থা


সংযুক্ত আরব আমিরাতে ফিলিপিনো এক গৃহকর্মীর সঙ্গে বাংলাদেশি এক ব্যক্তি অনৈতিক কাজে লিপ্ত হওয়ায় তাঁদের ১০০ দোররা মারার আদেশ দিয়েছেন শারজাহর শরিয়া আদালত। গতকাল সোমবার স্থানীয় গালফ নিউজ পত্রিকায় এ খবর ছাপা হয়েছে।

পত্রিকার খবরে বলা হয়, শারজাহর শরিয়া আদালত ফিলিপিনো ওই গৃহকর্মীকে ১০০ দোররা মেরে দেশ থেকে বহিষ্কারের আদেশ দিয়েছেন। আর ওই গৃহকর্মীর মালিকের বাড়িতে অনুমতি ছাড়া প্রবেশ এবং তাঁর সঙ্গে ব্যভিচারের অপরাধে বাংলাদেশি ওই ব্যক্তিকে ১০০ দোররা মারা এবং এক বছরের কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে।

খবরে বলা হয়, ফিলিপিনো গৃহকর্মী এবং ওই বাংলাদেশি দুজনেই মুসলমান।

মজা দুইজনেই মারল কিন্তু শাস্তি হল দুই রকম।

অবশ্য ভালই হইছে মাইয়াটারে বাইর কইরা দিসে দেশ থেইকা...কে জানে হারামজাদী আর কয়জনের ঈমান নষ্ট করত...তার কি বুঝা উচিত ছিলনা যে মাইয়া দেখলেই মুমিন মুসলমানের __ খাড়ায়া যায়? মাইয়া মানুষ আসলেই শয়তানের ঝাড়। আমাগরে বেহেস্ত থেইকা ত সেই নামাইল...নইলে কি আর দুনিয়ায় বইসা যৌবনজ্বালা সইতে হইত? এমনেই বেহেস্তে বইসা পোলারা বেহেস্তের ৭০ টা কইরা হুর লইয়া মৌজ মাস্তি করতে পারত।

প্রার্থনার অনর্থকতার প্রমাণ

মাত্র ষোলো সেকেন্ডের ভিডিওটি দেখে সম্পূর্ণভাবে নিঃসংশয় হয়ে নিন: প্রার্থনা মানেই পণ্ডশ্রম ও বৃথা কালক্ষেপণ 

নিকাব নাকি নিষিদ্ধ!


দুনিয়াজোড়া মুসলিম জেনানারা নিকাব পরিধান করছে ইসলামের আইন মেনে নিয়ে। কিন্তু মিসরের Religious Endowment মন্ত্রী Mahmoud Hamdi Zaqzouq বলছেন একেবারেই ভিন্ন কথা। তিনি বলছেন, নিকাব ইসলামে নিষিদ্ধ। কই যাই, কন তো?

মিসরের Al-Hayat 2 TV চ্যানেলে গত ৮ নভেম্বরে প্রচারিত তাঁর সাক্ষাৎকারের ভিডিওটির ট্র্যান্সক্রিপ্ট তুলে দিচ্ছি:

ব্যক্তিগত পাপমুক্তি বনাম অনাহারী মানুষেরা


লিখেছেন হৃদয় রায়হান

প্রতি বছর গড়ে এক লাখ লোক হজে যায়। মাথাপিছু খরচ তিন লাখ টাকা। সর্বমোট তিন হাজার কোটি টাকা! এত্তোগুলো টাকা আমরা সৌদি সরকারকে দিয়ে এক লাখ পাপমুক্ত (!!!) মানুষ পাই।

পাপমুক্ত মানুষগুলো কেন বোঝে না, তাদের এই টাকার ওপরে সৌদি সরকারের চেয়ে বাংলাদেশের না খেতে পাওয়া মানুষগুলোর অধিকার অনেক বেশি!!

জেনে রাখা ভালো, উপরোক্ত টাকার পরিমাণটি বাংলাদেশের সর্বমোট বাজেটের ২.৬৭%-এর সমান।

বালকের স্বর্গদর্শন


আল্যার দুনিয়ায় এতো বোকা*োদা কইত্তে আসে? চার বছরের পোলা মৃত্যুর মুখ থিকা ফিরা আইসা নাকি বলতেসে, সে বেহেশত দেখসে। এবং সে বর্ণনাও দিতেসে পুরাদমে। আর সেইসব শুইনা ধর্মবিশ্বাসীগো ঈমান উত্থিত হয়া যাইতেসে। 

গোটা দুই উদাহরণ দেই। সে কইতেসে, সে আল্যারেও দেখসে। ব্যাটায় নাকি বিশাল! তার সাইজ এতোই বড়ো যে, সে এই দুনিয়াটারে দুই হাত দিয়া ধরতারে। আর যিশুর চেহারা নাকি ইট্টু রাফ-টাইপ তয় দয়ামাখা। সে হাসি দিলে পুরা বেহেশত আলোকিত হয়া ওঠে (ধর্মপচারকের প্রশ্ন: বাকি টাইম কি লোডশেডিং?)। ভাইবা দ্যাখেন, দুনিয়াজোড়া বোকা*োদারা এই জাতীয় বল্দার্গু  আহা-উহু কইয়া গিলতেসে। 

পোলায় একখান বইও লেইখা ফালাইসে! বইয়ের প্রচ্ছদখান দ্যাখেন বামে। আমার তো রীতিমতোন ধারণা, পুরা ঘটনাই পোলার বাপ-মায়ের ব্যবসায়িক বুদ্ধির ফসল। পোলাডা এইখানে স্রেফ টাকা ইনকামের "নির্দোষ" মাধ্যম। এবং এই বয়সেই তার মগজখান উত্তমরূপে ধোলাই করা হইসে।

ইউটিউবে এই ভিডুর নিচে পাবলিকে যেইসব কমেন্ট করসে, সেইখান থিকা বাইছা বাইছা কিছু কমেন্ট তুইলা দিলাম। ভিডুটা দেইখা ওইগুলা পড়লে চ্রম মজা পাইবেন।

ধর্ম মানুষের জন্যে?


প্রতিবন্ধী শিশুদের একটি আবাসিক স্কুলের সঙ্গে মামলা করে স্কুলের কাছ থেকে ডাইনিং হল, জিমনেশিয়াম ও ওয়ার্কশপের তিনটি দালান হাতিয়ে নিচ্ছে... বলুন দেখি, কে বা কারা? পারলেন না? স্থানীয় চার্চের এক nunnery (বাংলা কী হবে, জানি না)। 

খবরের গুগলকৃত অনুবাদ পড়ুন এখানে

ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর পার্থিব ধন-সম্পদলোলুপতা দেখে একটি বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া যায় যে, ধর্মযাজকগুলো প্রকৃতপক্ষে ব্যবসায়ী, এবং সাধারণ মানুষদেরকে পরকালের প্রলোভন দেখালেও তারা নিজেরা স্পষ্টভাবেই জানে পরকাল ব্যাপারটি কতো ভুয়া ও অবাস্তব। 

ঈশ্বর ও ইস্টার বানিতে ইতরবিশেষ নেই


শৈশবে আমরা রূপকথার অলীক কিছু চরিত্রের অস্তিত্বে বিশ্বাস করি, বিশ্বাস করি তাদের আছে অপরিসীম ক্ষমতা, আমরা তাদের ভয় করি। কিছুকাল পর বোধোদয় হয় আমাদের। আমরা উপলব্ধি করি আমাদের বোধভ্রান্তি। জেনে যাই, ভূত-পেত্নি, রাক্ষস-খোক্কস, সুপারম্যান, স্পাইডারম্যান বলে কিছু নেই। সবই আমাদের কল্পনা। কিন্তু কাল্পনিক কিছুতে বিশ্বাস করার প্রবণতা আমাদের অধিকাংশের থেকেই যায়। আর তাই শৈশবের অলীক চরিত্রগুলোর স্থান দখল করে নেয় ভগবানেশ্বরাল্লাহ। এই বিশ্বাসের অসাড়তা যুক্তি-বুদ্ধি দিয়ে অনেকে হয়তো অনুধাবন করতে পারে। কিন্তু বিশ্বাস করার অভ্যেসটি ত্যাগ করা হয় না অধিকাংশের। ভূত-পেত্নি, রাক্ষস-খোক্কস, সুপারম্যান, স্পাইডারম্যান ও ভগবানেশ্বরাল্লাহর মধ্যে আদতে কোনও তফাতই নেই, দিবালোকের মতো স্পষ্ট সেই সত্যটি অনেকে মাথাতে আনতে চায় না। ভয় পায় তারা, যদি বিশ্বাস হারিয়ে যায়! অথচ ভিত্তিহীন বিশ্বাস হারানোর ভেতরে আছে দাসত্ব থেকে মুক্তির অপার আনন্দ। সে আনন্দ যে কতো তীব্র, কতো প্রবল, কতো সুখদায়ী, তা জানে শুধু ঈশ্বরবিশ্বাসহীনেরা। 

পাশ্চাত্যের শিশুদের কাছে রূপকথার একটি প্রিয় চরিত্রের নাম ইষ্টার বানি। শিশুরা বিশ্বাস করে, ইস্টারপূর্ব রজনীতে সে শিশুদের জন্যে ঝুড়িভর্তি রঙিন ডিম, ক্যান্ডি আর খেলনা নিয়ে আসে ঘরে ঘরে। আট মিনিট দীর্ঘ এক শর্ট ফিল্মে এক নিরীশ্বরবাদী যুক্তি দিয়ে প্রমাণ করে দেখাচ্ছেন এক বিশ্বাসীকে যে, এই ইস্টার বানি আর ঈশ্বরের মধ্যে বস্তুত কোনও ইতরবিশেষ নেই। 

খুব উপভোগ্য। অবশ্যদ্রষ্টব্য।

মঙ্গলবার, ১৬ নভেম্বর, ২০১০

গোখরো কি শান্তির প্রাণী?


লিখেছেন আসিফ মহিউদ্দীন

আজকে আমরা এখানে একত্রিত হয়েছি অত্যন্ত জটিল একটি আলোচনা করতে, যেই আলোচনাটা এতই জটিল যে আমরা এই বিতর্ক চালাবার জন্য নিয়ে এসেছি একজন মহান আধ্যাত্মিক জ্ঞানীকে, এবং একজন ফাউল নাচ-তিককে। আপনাদের ধৈর্য্যচূত্যি না ঘটিয়ে তবে শুরু করে দিচ্ছি আমাদের আজকের বিতর্ক।


বিতর্ক নং ১:
বিতর্কের বিষয়ঃ গোখরো কি শান্তির প্রাণী?

আলোচনার বিষয়বস্তুর পক্ষে রয়েছেন জনাব মৌলানা আলহাজ্ব হয়রানপুরী শানে মাহফুজীয়া কাঙ্গালিলিয়া আল্লামা তালগাছ। এবং আলোচনার বিপক্ষে আছেন ফেইসবুক ভিআইপি মেম্বার স্বঘোষিত ফাউল নাচ-তিক জনাব আচিপ।

আসুন তবে শুরু করা যাক বিতর্ক।

বিজ্ঞান দূরে গিয়া মুড়ি খাইতে পারে


আমেরিকার হাউস এনার্জি অ্যান্ড কমার্স কমিটির প্রধান হবার বাসনা তাঁর। আবার বাইবেলেও তাঁর অগাধ আস্থা। ঈশ্বরবিশ্বাস তাঁকে এই ধারণায় বলীয়ান করে যে, বৈশ্বিক উষ্ণায়ন বস্তুত কোনও হুমকি নয় পৃথিবীর জন্য। এই গর্দভ দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে, সবকিছু ঈশ্বরের হাতে! নুহের মহাপ্লাবনের পর আর কোনও হুমকি নেই ঈশ্বরের পক্ষ থেকে।

প্রিয় পুরনো পোস্টগুলো – ১৯


ধর্মকারীতে পোস্টের সংখ্যা চোদ্দশো ছাড়িয়ে গেছে। এই সাইটের খোঁজ যেসব পাঠক সম্প্রতি পেয়েছেন বা ভবিষ্যতে পাবেন, তাঁদের পক্ষে আগে প্রকাশিত মজাদার পোস্টগুলো খুঁজে নেয়া ব্যাপক শ্রম- ও সময়সাধ্য ব্যাপার হবে ভেবেই হারানো-দিনের-পোস্ট ধরনের এই সিরিজের অবতারণা। পুরনো পাপীরাও এই সুযোগে স্মৃতিচারণ করে নিতে পারেন 

প্রতি পর্বে আমার বিশেষ প্রিয় পাঁচটি পোস্টের লিংক দেবো সংক্ষিপ্ত বর্ণনাসহ। শুরু করেছি ধর্মকারীর আদিকাল থেকে।

ধর্মবিনাশী ডাইনোসরেরা


ধর্ম যখন বিজ্ঞানভিত্তিক হবার চেষ্টা করে, তখন তা বিদ্রূপের হাসিই জাগায় শুধু। যেমনটি হয়েছে সৃষ্টিতত্ত্ববাদের ক্ষেত্রে। ধর্মগ্রন্থগুhttpলোয় বর্ণিত ছয় হাজার বছরের পুরনো পৃথিবীর ইতিহাসে দুশো তিরিশ মিলিয়ন বছর আগের ডাইনোসরের কথা সঙ্গত কারণেই নেই। মুরুভূমিবাসী সেইসব ধূর্ত পুরুষের, যারা আদতে এইসব "ঐশী" কিতাবের রচয়িতা, জানার কথাও নয় ডাইনোসরের কথা।

তাদের অদূরদর্শিতার কারণে এখন পেজগিতে পড়ে গেছে কিতাববিশ্বাসীরা। বেয়াড়া বিজ্ঞান পদে পদে ভুল প্রমাণ করে চলেছে ঐশী কিতাবগুলোর যতো গাঁজাখুরি কাহিনী। আর তাদেরকে প্রাণপাত করতে হচ্ছে গর্তপূরণ করতে গিয়ে। তারা নিজেরাও অনুধাবন করতে পারে ধর্মকে বিজ্ঞানসম্মত করে তোলার এই প্রয়াস কতোটা ভুয়া, বালখিল্য ও হাস্যেদ্রেককারী, তবু মুখরক্ষার আপ্রাণ প্রচেষ্টা তাদের। আহারে বেচারারা!

কমেডিয়ান রন ব্যাবকক কীভাবে ধুয়ে ফেললেন এই অসহায় সৃষ্টিতত্ত্ববাদীদের, দেখে কষ্টই হলো 

ইসলামের এক সপ্তাহ


প্রায়শই বিশ্ব মিডিয়ার বড়ো একটি অংশ জুড়ে থাকে ইসলাম। ইসলাম বহুল আলোচিত প্রসঙ্গ। তবে এই পৃথিবীর জন্যে দুঃখের কথা এই যে, ইসলামী ইতরামির কারণে ইসলাম সংশ্লিষ্ট সংবাদ বা আলোচনা মূলত নেতিবাচক।

এই প্রসঙ্গে আমেরিকান থিংকার সাইটে প্রকাশিত একটি কৌতূহলোদ্দীপক লেখা চোখে পড়লো। স্টেলা পল নামের ব্লগার ইংরেজিভাষী মিডিয়ার এক সপ্তাহের (৪ থেকে ১০ অক্টোবর) খবরে "ইসলাম" খুঁজে যা পেয়েছেন, তার একটি একটি তালিকা (নিশ্চয়ই পূর্ণাঙ্গ নয়) প্রকাশ করেছেন। 

ধর্মপ্রচারকপচানি

মাত্র কুড়ি সেকেন্ডের ভিডিও। হাহাপগে 

সোমবার, ১৫ নভেম্বর, ২০১০

কোরানের বাণী / কেন এতো ফানি – ১২


লিখেছেন ব্লগার রাইয়ান

সুপ্রিয় পাঠকগণ, আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওবারাকা---থু---------------।

আশা করি ভাল আছেন। কোরাণের অমূল্য বাণীর অমৃতধারা নিয়ে আবার আপনাদের মাঝে চলে আসলাম। আসলে মহান আল্যার এই বাণী এমনই শ্রুতিমধুর যে, বেশিদিন তা শ্রবণ না করলে আমাদের দিল বড়ই বেচুইন হয়ে যায়। তাই আপনাদের ঈমানী জোশকে সতেজ রাখতে আমার এই ক্ষুদ্র প্রয়াস। 

আল্যা নাকি নিরাকার। তিনি পুংলিঙ্গও না, স্ত্রীলিঙ্গও না। এ কথা আমাদের পেয়ারা নবীর। তিনি সম্ভবত ক্লীবলিঙ্গ। কিন্তু আল্যা নিজের অজান্তেই তাঁর একটি আয়াতে তাঁর লিঙ্গ সম্পর্কে আভাস দিয়েছেন।

বিশ্বাস হচ্ছে না? আজকের আসরের প্রথম আয়াতটিই আল্যার লিঙ্গ বিষয়ক। আর সর্বশেষ আয়াতটি আল্যার জীববিজ্ঞান সম্পর্কে ধারণা দানকারী।

চলুন তবে, বিচমিল্লা বলে আজকের আসর শুরু করি। প্রথমে আল্যার মুখনিঃসৃত আয়াতগুচ্ছ।

ধন-সম্পদ ও বুদ্ধিমত্তার অনুপাত


আমেরিকায় নাকি এমন একটি কথার প্রচলন আছে: "এতোই যদি তুমি বুদ্ধিমান, তাহলে তুমি ধনী নও কেন?" অর্থাৎ তাদের মতে, ধন-সম্পদ ও বুদ্ধিমত্তা সমানুপাতিক। তাই কি? আসুন, ধনী আমেরিকানদের বুদ্ধিমত্তার নিদর্শন দেখা যাক। তাদেরই পত্রিকা নিউজউইকের রিপোর্টে

কোরবানি – বর্বর, পাশবিক, অশ্লীল ও অসভ্য এক ঐতিহ্যের নাম


ইসলামের সবচেয়ে বর্বর, পাশবিক, অশ্লীল ও অসভ্য ঐতিহ্যের নাম কোরবানি। ধর্মের নামে চলে পশুবধযজ্ঞ। প্রাণহরণ করে ছওয়াব কামানোর এই নৃশংস প্রথার সপক্ষে দেয়া ধর্মীয় কুযুক্তিগুলো গাত্রদাহের উদ্রেক করে শুধু। 

কোরবানি সম্পর্কে বিশদ বিশ্লেষণ করে মনীষী আরজ আলী মাতুব্বর মনে যেসব প্রশ্নের উদয় হয়েছে, তিনি সেসব লিপিবদ্ধ করেছেন তাঁর অবশ্যপাঠ্য "সত্যের সন্ধান" বইয়ে। না পড়া থাকলে সেই অংশটি মুক্তমনা-র সৌজন্যে এই লিংক থেকে ডাউনলোড (মাত্র ৯৫ কিলোবাইট) করে নিন।

ইব্রাহিম নামের মস্তিষ্কবিভ্রান্তিগ্রস্ত এক তথাকথিত পয়গম্বরের এই কাহিনীর ছোট্ট তিনটি রসময় চিত্রায়ণ দেখুন। দ্বিতীয়টিতে তো একেবারে আমেরিকান টিভি-চ্যানেলগুলোর রিপোর্ট প্রচারের ধরনটি হুবহু অনুকরণ করা হয়েছে।

ইসলামী উপদেষ্টা


দাম্পত্য বিষয়ে পরামর্শ:

খ্রিষ্টধর্ম পেজগিতে


খ্রিষ্টধর্ম বেজায় পেজগিতে আছে ইদানীংকালে। 

এক স্প্যানিশ ক্যাথলিক ধর্মযাজককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তার কাছে শিশুপর্নোর ফটো পাওয়া গেছে মাত্র মাত্র একুশ হাজারটি। জানাচ্ছে বিবিসি।

ওদিকে সমস্যা-জর্জরিত বেলজিয়ান ক্যাথলিক চার্চের প্রধানের মুখে পাই (pie) মাখিয়ে দিয়ে গেছে কালো পোশাক পরা এক লোক। ঘটনা ঘটেছে চার্চের ভেতরে, সার্ভিস চলার সময়ে। ভিডিও দেখে নিন।

আমাদের আত্মীয়েরা – ০৯


জেইন গুডল তাঁর নাম। ১৯৬০ সালে তাঁর বয়স যখন সবে ২৬, তিনি চলে গেলেন নিজের দেশে ইংল্যান্ড ছেড়ে তানজানিয়ায়। লক্ষ্য - শিম্পাঞ্জিদের কাছ থেকে পর্যবেক্ষণ করা। যাদের ডিএনএ-র সঙ্গে মানুষের ডিএনএ-র ৯৮ শতাংশ মিল, তারা কতোটা আমাদের নিকটাত্মীয়, সেটা যাচাই করাটাই জীবনের মূলমন্ত্র হিসেবে বেছে নিলেন। বেছে নিলেন আফ্রিকার জঙ্গলের ঝুঁকিপূর্ণ পরিবেশ। একটি শিম্পাঞ্জি পরিবার ভারি পছন্দ হলো তাঁর। প্রত্যেক সদস্যের আলাদা আলাদা নাম দিলেন। বন্ধুত্বও হলো তাদের সাথে। সেই পরিবারটিকে তিনি পর্যবেক্ষণ করে আসছেন ৫০ বছর ধরে। এই দীর্ঘ সময়ে পরিবারটির তিন প্রজন্মকে তিনি দেখেছেন। 

কোনওরকম বৈজ্ঞানিক প্রশিক্ষণহীন এই মহিয়সী নারী বদলে দিয়েছেন শিম্পাঞ্জি সম্পর্কে প্রচলিত অনেক ধারণা। পৃথিবীর সমস্ত প্রাণীর ভেতরে একমাত্র মানুষই হাতিয়ার তৈরি ও ব্যবহার করতে সক্ষম বলে মনে করা হতো। এই দাবি মিথ্যা প্রমাণ করেছেন তিনি। তিনিই দেখিয়েছেন, শিম্পাঞ্জিরাও মানুষের মতো আবেগপ্রবণ, তাদের অনুভূতি প্রকাশের ধরনটিও অত্যন্ত মানবীয়, তাদের আছে আনন্দ-বেদনার অনুভূতি, আছে তার প্রকাশ, মানুষেরা যেভাবে হাত ধরে একে অপরের, আলিঙ্গন করে, চুমু খায়, ঢিল ছোঁড়ে, তারাও সেসব করে ঠিক মানুষের জন্যও প্রযোজ্য মুহূর্তগুলোতেই। মানুষের মতো তাদেরও আছে একটি অন্ধকার দিক: তারাও হিংস্র হতে পারে, হত্যা করতে পারে নিজ প্রজাতির প্রতিনিধিকে। 

জেইন গুডলকে নিয়ে ইউটিউবে প্রকাশিত এক ভিডিওর নিচে একটি মন্তব্য বড়োই মনে ধরলো। আদম-হাওয়া সম্পর্কিত কু-রূপকথায় বিশ্বাসীদের উদ্দেশে লেখা হয়েছে: If you can't recognize yourself in these things there is no hope for you. 

তিনটি ছোট ছোট ভিডিও (সর্বমোট ২৯ মিনিট) এমবেড করলাম। সুযোগ থাকা সত্ত্বেও যে অন্তত একটি ভিডিও দেখবে না, তাকে "আদম-হাওয়া ফ্যান ক্লাব"-এর সম্মানজনক আজীবন সদস্য ঘোষণা করা হবে  

শনিবার, ১৩ নভেম্বর, ২০১০

মুসা-ঈসার কার্টুন এবং শান্তির ধর্ম ইসলামের দৃষ্টিভঙ্গি


লিখেছেন শয়তানের চ্যালা

ইসলামে যে কোনো কিছুই আঁকা হারাম। কার্টুন তো নয়ই। 

ঈসা ও মুসা ইসলামের নবী। তাদের নিয়া কোরানে অনেক আয়াতও আছে। কিন্তু মুহাম্মদের কার্টুন নিয়া মুসলিম সমাজে যেমন শূন্য টলারেন্স, তেমনি এসব নবীদের নিয়া কোনো মাতামাতি নাই। এই দুই নবী নিয়া অনেক কার্টুন মুভি ইত্যাদি হইছে, কিন্তু কোনো আওয়াজ নাই মুসলিম ভাইদের পক্ষ থেকে।

মুসা ইহুদীদের নবী। আর ঈসা খ্রিষ্টানদের। কিন্তু মুহাম্মদ ইসলাম প্রচারে সুবিধার জন্য এদেরও মুসলমানদের নবী বানাইয়া দিল। ধর্ম প্রচারে অন্য ধর্মের সাহায্য নেওয়ার এই অলিখিত নিয়ম সব ধর্মের ক্ষেত্রেই দেখা যায়। কিন্তু ইসলাম ধর্মে ওই দুই নবীরে নিয়া খুব একটা লাফালাফি নাই, তাদের মর্যাদাও তেমন নাই। সুন্নত মানেই মুহাম্মদের কাজকারবার ধরা হয়। ঈসা-মুসার কাজ-কাম নিয়া ভাবার সময় নাই। আর মুহাম্মদও চালাকি করে পৃথিবীর শেষ ও সেরা নবী বলে নিজেরেই বার বার প্রচার করে গেল।

ইসলামের পথ কেবলই অন্ধকারের দিকে বেঁকে যায়


ছবিগুলো সত্তর দশকের এবং এক ইসলামী দেশের। দেখতে থাকুন ও ভাবতে থাকুন: কোন দেশের ছবি এসব?

প্যাট্রিক কন্ডেল: আমাদের লোক – ২৬


পাশ্চাত্যে বহুসংস্কৃতিবাদের (multiculturalism) বাস্তব প্রয়োগ সফলতার মুখ তো দেখছেই না, বরং অনেক রাজনীতিবিদ স্পষ্টই ঘোষণা দিচ্ছেন এই মর্মে যে, পশ্চিমা সমাজে বহুসংস্কৃতিবাদের বাস্তবায়ন প্রায় অসম্ভবপর। 

আরও স্পষ্টভাবে বললে বলতেই হয়, ইসলামীদের সীমাহীন ইতরামিতে অতিষ্ঠ হয়ে উঠছে পশ্চিমের সহনশীল জনগণও। ইয়োরোপের কিছু দেশের সাম্প্রতিক নির্বাচনের ফলাফলগুলো লক্ষ্য করলে দেখা যাবে, ইসলাম-বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর ফলাফল আশাতীত রকমের ভালো। এমন ফলাফলকে "পশ্চিমের উগ্রবাদী মনোভাবের প্রতিফলন" আখ্যা দেবার আগে সেই দেশগুলোয় মুসলমানদের আচরণ পর্যবেক্ষণ করলেই এই "উগ্রবাদ"-এর কারণ অনুমান করতে কষ্ট হবে না।

প্যাট্রিক কন্ডেল এবারে আলোকপাত করছেন এই বিষয়ের ওপরে। তাঁর বক্তব্য উদ্ধৃত করা আমার অভ্যাসে পরিণত হয়ে গেছে। ব্যতিক্রম হলো না এবারেও।

ডাইনোসররা বিলুপ্ত হলো যে কারণে


কিছু ঐশী কিতাবে কাহিনী থেকে অনুমান করে নেয়া যায় যে, নুহ নবী তাঁর নৌকায় ডাইনোসরদের নেননি বলেই তারা বিলুপ্ত হয়েছে পৃথিবীর বুক থেকে। এখন কথা হচ্ছে, কেন তিনি ডাইনোসরদের উপেক্ষা করেছেন? রহস্যের সমাধান দেখুন