৩১ অক্টোবর, ২০১০

কোরানের বাণী / কেন এতো ফানি – ১১


লিখেছেন ব্লগার রাইয়ান

(আমার রচনায় সাধু, চলিত, কথ্য, অকথ্য, শ্রাব্য, অশ্রাব্য সকল ভাষার মিশ্রণ থাইকতে পারে। আমার ভুল ধরা আপনাদের কাজ না। আপনাদের কাজ কোরানের আলোয় নিজেদের আলোকিত করা।)

প্রিয় কোরান পাঠক বন্ধুরা, আপনাদের জন্য কোরানের অমৃতসুধা বয়ে আনতে এবার একটু দেরী হইয়া গেল। আসলে আমি নিজে এই অমৃতসুধা পান করতে করতে এতই আসক্ত হয়ে গেসিলাম যে, বেশ কিছুদিন যাবত চোখে শুধু বেহেস্তী হুর, শরাব আর ফলমূল ছাড়া কিছুই দেখতাম না। রাস্তায় বের হলে যত বেগানা নারী দেখতাম (আল্লাহ মাফ করুক), সবাইকে আল্লাহর পাঠানো হুর বলেই মনে হইতো। একবার বাসে তো এক সুন্দরী রমণীকে দেখে আমার মধ্যে "রসুলুল্যার আদর্শ" মাথাচাড়া দিয়া উঠসিল। সে প্রকৃতপক্ষেই হুর কি না, তা পরখ করতে গিয়েই গোলমালটা বাধল। আরেকটু হলেই সে তার হিলজুতার ব্র্যান্ড আমার গালে ছেপে দিত। কিন্তু আল্যার অশেষ রহমতে বাসের লোকজন আমাকে মাঝপথে নামিয়ে দিয়ে আমার সম্মান রক্ষা করেছিল। কথায় আছে না, মানীর মান আল্যায় রাখে। ঠিক সেভাবেই আল্যা আমাকে অপমানের হাত থেকে রক্ষা করল। ঐ হারামজাদী যে দোযখে যাবে, এতে কোনো সন্দেহই নাই, তবে আল্যা তাকে কোন দোযখে পাঠাবে সেটাই চিন্তা করি। মনে মনে বলি, "হে নাদান লাড়কি, আমাকে অপমান করসস, তাতে কোনো আপসোস নাই, কিন্তু রসুলুল্যার আদর্শের যে পাছা মাইরা দিলি---সেই অপরাধে তো তোর হাবিয়া দোযখেও জায়গা হবে না।" আল্যা তাকে মাফ করুক। আহা রে! এত সুন্দর মাইয়া দোযখের আগুনে পুড়বে---ভাবলেও মনটা ব্যথায় ভইরা যায়।

ধুত্তারি, বলতে গেলাম কোরানের কথা, আইসা পড়ল সুন্দরী নারীর কথা। যাউকগা, আসল কথায় আসি। সভ্যতার শুরুর দিকে যখন মুদ্রার প্রচলন হয় নাই, তখন মানুষ বিনিময় প্রথার মাধ্যমে নিজের অভাব পূরণ করত। কিন্তু আপনারা কি কেউ জানেন, এই বিনিময় প্রথার কথা আল্যাই প্রথম কোরানে বলেছেন। আজ আমরা বিনিময় প্রথার সৃ্ষ্টি সম্পর্কে জানব, বন্ধুত্বের সীমারেখা সম্বন্ধে জানব, বেহেস্তের পানি সরবরাহ ব্যবস্থা সম্বন্ধে জানব এবং কোরান অবতীর্ণ হবার অনেকগুলো উদ্দেশ্যের মধ্যে অন্যতম প্রধান উদ্দেশ্যের কথা জানব। চলুন নিচের আয়াতগুলো পড়ি।

নাস্তিকগণের দৌড়... কী পর্যন্ত?


হে ভোদাই নাস্তিককুল, তোমাদিগের গোপুরীষ-পূর্ণ মস্তিষ্কপ্রসূত ততোধিক ভোদাই প্রশ্নমালার জবাব দিতে দিতে বিশ্বাসী ভাই ও বোনসকল ক্লান্ত, বিরক্ত, ত্যক্ত, কুপিত... ইত্যাদি ইত্যাদি। তো এক আস্তিক ভগিনী তোমাদিগের উদ্দেশে সরল একটি প্রশ্ন করিয়াছে: "ঈশ্বর যদি না-ই থাকবে, তো..." (ভিডিও দ্রষ্টব্য)

তোমরা বিস্তর পড়াশোনা করিয়াছো এবং অগাধ জ্ঞানের অধিকারী বলিয়া শোনা যায়। যুক্তিবিদ্যা নাকি সম্পূর্ণতই তোমাদিগের ব্যবহার্য এবং উহা তোমাদিগের প্রধান অস্ত্র বলিয়া দাবি করিয়া থাকো। তাহা হইলে আইসো, এক বালিকার স্বপ্নে-প্রাপ্ত সরল প্রশ্নটির সদুত্তর দাও। বেচারা নিদ্রাত্যাগের অব্যবহিত পরেই আলুথালু বেশে ওয়েবক্যামের সম্মুখে আসিয়া বসিয়াছে। রূপচর্চা করিবার চিন্তাও তাহার মস্তিস্কে আবির্ভূত হয় নাই। বা হইলেও রূপচর্চা অপেক্ষা ঈশ্বরসেবা শ্রেয় জ্ঞান করিয়া সে মোক্ষম যে-প্রশ্নখানি নিক্ষেপ করিয়াছে, তাহা নাস্তিকগণকে সম্পূর্ণরূপে নিরস্ত্র ও অসহায় বানাইয়া ফেলিবে। অতএব হে নির্বোধ নাস্তিকসকল, তোমরা যে প্রকৃতই বেকুব এবং তোমাদিগের জ্ঞান, বুদ্ধি ও শিক্ষার পরিধি যে কতোখানি বিস্তৃত (অর্থাৎ সীমিত), তাহা প্রমাণিত হইতে আর বিলম্ব নাই 

প্রিয় পুরনো পোস্টগুলো – ১৮


ধর্মকারীতে পোস্টের সংখ্যা তেরোশো ছাড়িয়ে গেছে। এই সাইটের খোঁজ যেসব পাঠক সম্প্রতি পেয়েছেন বা ভবিষ্যতে পাবেন, তাঁদের পক্ষে আগে প্রকাশিত মজাদার পোস্টগুলো খুঁজে নেয়া ব্যাপক শ্রম- ও সময়সাধ্য ব্যাপার হবে ভেবেই হারানো-দিনের-পোস্ট ধরনের এই সিরিজের অবতারণা। পুরনো পাপীরাও এই সুযোগে স্মৃতিচারণ করে নিতে পারেন 

প্রতি পর্বে আমার বিশেষ প্রিয় পাঁচটি পোস্টের লিংক দেবো সংক্ষিপ্ত বর্ণনাসহ। শুরু করেছি ধর্মকারীর আদিকাল থেকে।

বিশ্বাসী না শোনে যুক্তির কাহিনী


TheAmazingAtheist নামের খ্যাপা এই নাস্তিক উঁচু গলায় কথা বলে অভ্যস্ত, তবে তিনি বরাবরই খুব যুক্তিবাদী। এই ভিডিওতে এক নব্যধার্মিকের ছুঁড়ে দেয়া চ্যালেঞ্জের মোকাবেলা করছেন অবলীলায়। বেজায় উপভোগ্য।

যিশু ও টোস্ট: কে কার?


ধর্মভূতাক্রান্ত খ্রিষ্টানেরা অনেক সময়ই টোস্টে যিশুর প্রতিকৃতি দেখতে পায়। এবারে যিশুর প্রতিকৃতিতে টোস্ট দেখা গেছে!

আমাদের আত্মীয়েরা – ০৮


ন্যাশনাল জিওগ্রাফিকের তৈরি প্রায় একশো মিনিটের অসাধারণ ডকুমেন্টারি।

৩০ অক্টোবর, ২০১০

ধরা খেলো ইসলামবিদ

পদে পদে উচ্চারণ করা আরবি শব্দের অর্থ জানে না ব্রিটিশ ইসলামবিদ 

প্রকৃত মুসলিম মানস


তথাকথিত "মডারেট" মুসলমানদের সুবিধাবাদী অবস্থান দেখুন কার্টুনে।

দক্ষিণ কোরিয়ায় জিসাস ক্যাম্প


শিশুমস্তিষ্কধোলাইকরণ পদ্ধতি প্রয়োগে সবচেয়ে এগিয়ে আছে ধর্মগুলো। "জিসাস ক্যাম্প" নামের একটি ভয়াবহ ডকুমেন্টারি প্রকাশ করা হয়েছিল ধর্মকারীতে। সেই ঘটনা ছিলো আমেরিকার। এবারে দেখা যাক ছোট্ট একটি ভিডিও। দক্ষিণ কোরিয়ায় চিত্রিত। স্পষ্টতই শিশুনির্যাতনের (নির্যাতন মানেই তা শারীরিক, তা কিন্তু নয়) একটি ধরন।

হাসিমুখ লোগো


আমার দেখা সবচেয়ে হাসিমুখ নির্ধর্মবাদী লোগো। সংগঠনের নামটিও চমৎকার: AAA অর্থাৎ Alabama Atheists and Agnostics। AAaA-ও বলা যেতে পারতো 

বৃষবিষ্ঠা বা বল্দার্গু – ০৩


(ধর্মের সঙ্গে আপাত সম্পর্কহীন এই সিরিজটি ধর্মকারীতে প্রকাশের কারণ একটিই: তথ্য-প্রমাণহীন যে কোনও বিশ্বাসের প্রচার ও প্রসার ক্ষতিকারক। ধর্মসহ এই জাতীয় যাবতীয় অপবিশ্বাস থেকে মুক্ত হতে পারলেই নিজেকে প্রকৃত মুক্তমনা বলা যেতে পারে। তার আগে নয়।)

এই পর্বে দেখুন, বিজ্ঞানের সঙ্গে সংশ্লেষহীন বিকল্প চিকিৎসাপদ্ধতিগুলো বস্তুত কেন বৃষবিষ্ঠা বা বল্দার্গু।

Penn & Teller জুটির উপস্থাপিত ব্যঙ্গ-বিদ্রূপবহুল ব্যাশিং টিভি-সিরিজ "বুলশিট"-এর এই পর্বের (তিরিশ মিনিট) বিষয়বস্তু: বিকল্প ধারার চিকিৎসাপদ্ধতি।

২৯ অক্টোবর, ২০১০

আদমচরিত ০১


(ধর্মপচারকের পক্ষ থেকে: এই পোস্টের লেখক "মুখফোড়" সম্পর্কে কিঞ্চিৎ ভূমিকা দেয়া আবশ্যক বলে মনে করি। আমার মতে, বাংলা ব্লগ-পরিমণ্ডলে সবচেয়ে শক্তিমান ব্যঙ্গ-লেখক তিনি। আমার সঙ্গে সহমত জ্ঞাপন করবেন, এমন লোকের সংখ্যা অজস্র। কল্পনাতীত কল্পনাশক্তি তাঁর, তীব্র বিদ্রূপাত্মক ভাষা আর অসাধারণ স্মার্ট তাঁর গদ্য। তাঁর অনেক রচনাই ধর্মকারীর চরিত্রের উপযোগী। তিনি তাঁর সেই লেখাগুলো প্রকাশের অনুমতি দিয়ে ধর্মকারীকে কৃতজ্ঞ করেছেন।)

লিখেছেন মুখফোড়

(আদমচরিত শব্দটির ওপর আমি পোস্টের শিরোনাম হিসেবে মৌরসী পাট্টা নিলাম। এখন থেকে আদম ব্যাটার কান্ড কারখানা ধারাবাহিকভাবে ফাঁস করা হবে।)

আদম একটু দুষ্টু, নিয়মকানুন মানতে চায় না। কিন্তু স্বর্গের নন্দনকাননের কানুন বড় কঠিন, পান থেকে চুন খসলে স্বর্গ থেকে খেদিয়ে দেয়া হয়। আদম সেটা জানে, কিন্তু পরোয়া করে না। বড় ব্যাদড়া।

ঈভ আগের রাতে কচুসেদ্ধ আর ভাত রান্না করেছিলো। পেটপুরে খেয়েছিলো আদম।

বিশ্বাসে মেলায় স্বর্গ


ধর্মবিশ্বাসী মা তাঁর পুত্রসন্তানকে যেভাবে স্বর্গে পাঠালেন, তার ভিডিওচিত্র দেখুন।

শান্তির ধর্মের অপার মহিমা


শান্তির ধর্ম শান্তি প্রচারের উদ্যোগ কীভাবে নেয়?

প্রথম আলোতে ছাপা এই ছবিটা দেখে মন ভরে গেল!

কাল্পনিক ক্যাথলিক


ক্যাথলিকদের সংখ্যা কমে যাচ্ছে দেখেই, বোধ করি, ভ্যাটিকান কাল্পনিক চরিত্রগুলোকেও ক্যাথলিক বানিয়ে ভারসাম্য রক্ষার চেষ্টা চালাচ্ছে  
সম্প্রতি কার্টুন সিরিজ সিম্পসন-এ পিতাভূমিকার হোমার সিম্পসনকে ক্যাথলিক বলে দাবি করেছে ভ্যাটিকান 


এখন চলুন, দেখা যাক হোমার সিম্পসন কেমনধারা ক্যাথলিক। তার কিছু উদ্ধৃতি:

মধ্যযুগীয় মননের অভ্যন্তরে – ০৩


"মধ্যযুগ" শব্দবন্ধের ধারণাটি সঙ্গত কারণেই ঘৃণিত। সেটি ছিলো ধর্মবিশ্বাস, অজ্ঞানতা ও কুসংস্কারের সবচেয়ে "গৌরবোজ্জ্বল সময়। মানুষের যুক্তিবুদ্ধি দাবিয়ে রাখা হয়েছিল। বিজ্ঞানের অগ্রযাত্রা রোধ করতে অত্যাচার ও হত্যাকাণ্ডসহ যাবতীয় অপকর্ম সাধিত হয়েছিলে ধর্মের নামে।

সেই মধ্যযুগীয় মানসিকতাটি কেমন ছিলো? জানতে হলে অবশ্যদ্রষ্টব্য বিবিসি-র তৈরি চার পর্বের এই ডকুমেন্টারি। একঘণ্টার তৃতীয় পর্বের নাম - বিশ্বাস। বাকি এক পর্ব? একটু ধৈর্য ধরতে হবে 

ইসলামী ইতরামি: হত্যার তাণ্ডব


ধর্ষিতা মেয়েকে ইসলামী রীতিতে পাথর ছুঁড়ে হত্যার কাহিনী স্মরণ করতে না করতেই আরেকটি ঘটনা। গতকাল সেই সোমালিয়াতেই ইসলামীরা চোদ্দ এবং আঠারো বছরের দুই বালিকাকে গুলি করে হত্যা করেছে ভয় দেখিয়ে সমবেত করা দর্শকদের সামনে। তাদের দু'জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছিল ইথিওপিয়ার পক্ষে গুপ্তচরবৃত্তির। 

২৮ অক্টোবর, ২০১০

সচিত্র হা-হা-হাদিস – ২০


মোমিন মোছলমান ভাইগণ, আপনাদিগকে বলা হইয়াছে, আল্লাহপাকের ইশারা ছাড়া গাছের পাতাও নড়ে না। তবে আপনারা কি অবগত আছেন যে, আপনারা যখন হাই তোলেন, তখন উহাতে আল্লাহপাকের কোনও ভূমিকাই নাই? দ্বীনের নবী স্বয়ং বলিয়াছেন, উহা শয়তানের কীর্তি 

বিশ্বাসে বিষ শ্বাসে


অন্ধ ধর্মবিশ্বাস মানুষের মন থেকে মানবতা মুছে ফেলে। ধ্বংস করে ফেলে সাধারণ বোধ-বিবেচনাশক্তি। ঈশ্বর বা ধর্মের নামে যে কোনও কুকর্ম করতে সে এতোটুকু কুণ্ঠিত হতে হয় না। জানি, এসবই জানা কথা। তবু পুনরাবৃত্তি করতে হলো এই ভিডিওটি দেখে। 

ঘৃণা প্রচারে ও প্রকাশে অক্লান্ত, কুখ্যাত Westboro Baptist Church-এর প্যাস্টরের পুত্রের মুখেই শোনা যাক।

নবজাতকের জন্য পিতার উপহার


খুবই পরিচিত কাহিনী।

যিশু তোমাকে ভালোবাসে


ফাকিং হিলারিয়াস! 

ইসলামী বিচারে নারীর অপরাধ - সে ধর্ষিতা


কেন যে ঠিক দু'বছর আগের এই ঘটনা চোখে পড়লো আবার! ইসলাম তার স্বমহিমায় উদ্ভাসিত হয়ে উঠেছিল আরেকবার, ২০০৮ সালের ২৭ অক্টোবর তারিখে। সেদিন আয়েশা নামের ১৩ বছর বয়সী এক বালিকাকে ১০০০ দর্শকের সামনে ৫০ জন পুরুষ পাথর নিক্ষেপ করে হত্যা করেছিল। মেয়েটির "অপরাধ" ছিলো, তিনজন পুরুষ ধর্ষণ করেছিল তাকে! জনাকয়েক দর্শক তাকে বাঁচানোর উদ্যোগ নিয়েছিল, কিন্তু পুলিশ গুলি ছুঁড়তে শুরু করে। মারা পড়ে এক দর্শক-বালকও।

ক্ষোভে-দুঃখে অসহায় বোধ করি। অনেককিছু বলতে ইচ্ছে করে, কিন্তু প্রকাশপথ রোধ করে চিন্তাজট। তবে জার্মান এক ব্লগার বলতে পেরেছেন তাঁর মনের কথা। কিন্তু কেন যে পড়তে গিয়েছিলাম!

ধিক ইসলাম!

পুনশ্চ. পাথর ছুঁড়ে হত্যার সঙ্গে ইসলামের কোনও সম্পর্ক নেই বলে কোনও মডারেট-বেমডারেট মোছলমান ভাই কথা বলতে চাইলে তাদেরকে জানাই: নবীজি নিজেই এই পদ্ধতির চর্চা করেছেন এবং তা প্রয়োগের সুপারিশও করেছেন। এখান থেকে বেশ কিছু হাদিস পড়ে নিশ্চিত হবার অনুরোধ জানানো যাচ্ছে। নতুবা সেই হাদিসগুলোর পিডিএফ সংকলন (মাত্র ২০০ কিলোবাইট) ডাউনলোড করে নেয়া যেতে পারে। 

২৬ অক্টোবর, ২০১০

প্যাট্রিক কন্ডেল: আমাদের লোক – ২৫


বহুদিন তাঁর কোনও নতুন ভিডিও না পেয়ে আশঙ্কা হচ্ছিলো, ধর্মীয় জঙ্গিরা তাকে গুম করে হয়তো ফেলেনি, তবে এমন হুমকি হয়তো দিয়েছে যে...

আজ নতুন ভিডিও পেয়ে বড়ো পুলক অনুভব করলাম। অতীব খাসা বক্তব্য, একেবারে অপ্রতিরোধ্য যুক্তি। সেই চিরপরিচিত প্যাট কন্ডেল। 

নিম্ননেটস্পিডগ্রস্তদের জন্য অডিও ভার্শন (৩.১ মেগাবাইট) লিংক দেয়া হলো। এছাড়া তাঁর বক্তব্য থেকে কিছু চুম্বক-অংশ উদ্ধৃত করা থেকে নিজেকে বিরত রাখতে পারলাম না।

ঈশ্বরের ক্রয়মূল্য


রাশিয়ায় তোলা ছবি। ছবির সঙ্গে সাঁটা কাগজে লেখা: ঈশ্বর, ২২৬৬ রুবল, ২৭০০ রুবল... 

ভাবমূর্তি পরিবর্তনের তালিবানী উদ্যোগ


তারা আর নাক-কান-জিভ কেটে নেবে না, স্কুল উড়িয়ে দেবে না, পাথর ছুঁড়ে হত্যা করবে না... 
তালিবানী নতুন অ্যাড-ক্যাম্পেইন 

'ক্ষোদা', তুমি কার


সব ধর্মই দাবি করে, তাদের ধর্ম বাকি ধর্মগুলোর চেয়ে শ্রেয়তর এবং তাদের ভগবান/ঈশ্বর/আল্লাহ তাদের পক্ষে। কিন্তু  হাজার-হাজার ধর্মদল মাঠে নামিয়ে দিয়ে আসমানে বসে থেকে তিনি যে আসলে কোন দলকে সাপোর্ট করেন, সেটা কখনওই স্পষ্ট হয়ে ওঠে না। নিচের খবরটি পড়ে মনে হচ্ছে, তিনি ইহুদি দলের সমর্থক 

লিঙ্গাগ্রত্বকরহস্য


TheThinkingAtheist-এর তৈরি ভিডিও নিয়ে নতুন কিছুই বলার নেই। বক্তব্য ক্ষুরধার, উপস্থাপনা পেশাদারী। এক কথায় - অসাধারণ।

ধর্মের আরও একটি অবদান



গ্রাফ দেখুন।

Saudi-রা যখন Audi-তে


বড়োই মজাদার গান 

২৫ অক্টোবর, ২০১০

প্রিয় পুরনো পোস্টগুলো – ১৭


ধর্মকারীতে পোস্টের সংখ্যা তেরোশো ছাড়িয়ে গেছে। এই সাইটের খোঁজ যেসব পাঠক সম্প্রতি পেয়েছেন বা ভবিষ্যতে পাবেন, তাঁদের পক্ষে আগে প্রকাশিত মজাদার পোস্টগুলো খুঁজে নেয়া ব্যাপক শ্রম- ও সময়সাধ্য ব্যাপার হবে ভেবেই হারানো-দিনের-পোস্ট ধরনের এই সিরিজের অবতারণা। পুরনো পাপীরাও এই সুযোগে স্মৃতিচারণ করে নিতে পারেন 

প্রতি পর্বে আমার বিশেষ প্রিয় পাঁচটি পোস্টের লিংক দেবো সংক্ষিপ্ত বর্ণনাসহ। শুরু করেছি ধর্মকারীর আদিকাল থেকে।

হ্যালোউইন: তালিবান স্টাইল


নবীজির যুগে হ্যালোউইনের প্রচলন থাকলে...

খ্রিষ্টান জঙ্গিরা


হুমায়ুন আজাদ একবার লিখেছিলেন, "ভণ্ড" বললেই "পীর" শব্দটি চলে আসে। ঠিক সেভাবেই "জঙ্গি" বললেই অবধারিতভাবে মাথায় আসে "ইসলামী" শব্দটি। কারণ হয়তো এই যে, "প্রত্যেক মুসলমান জঙ্গি নয় বটে, তবে প্রায় প্রত্যেক জঙ্গিই মুসলমান"। যাদের কারণে "প্রায়" বলতে হলো, তাদের একাংশের কাহিনী শুনুন। আমেরিকায় অ্যাবোরশন-বিরোধী আন্দোলনে খ্রিষ্টধর্মবাদী এই জঙ্গিগুলোর সক্রিয়তার নমুনা দেখুন ভিডিওতে।

ইসলামী ইরোটিক অ্যাপ্রন

হালকা ইয়ে টাইপ কার্টুন। ইমোটা খিয়াল কৈরা! 

আরেকটি হিচেন্সীয় বিতর্ক


ক্রিস্টোফার হিচেন্সের সঙ্গে ব্রিটিশ খ্রিষ্টধর্মবিদ Alister McGrath-এর প্রায় একশো মিনিটের বিতর্ক। বড়োই উপভোগ্য। এবং তা অবশ্যই হিচেন্সের ক্ষুরধার যুক্তি, লক্ষ্যভেদী ব্যঙ্গ এবং প্রতিপক্ষের "অনেক-কথা-যাও-যে-ব'লে-কোনো-কথা-না-বলি" ধরনের নির্দিষ্ট বক্তব্যহীন বক্তব্যের কারণে। 

২৪ অক্টোবর, ২০১০

কোরানের বাণী / কেন এতো ফানি – ১০


লিখেছেন ব্লগার রাইয়ান

আমাদের মানবজীবনে যত রকমের সমস্যা আছে, তার সকল সমাধান নাকি কোরানে দেয়া আছে। কোরান ঠিকভাবে অর্থ বুঝে পড়লেই নাকি জাগতিক সকল সমস্যা থেকে পরিত্রাণ পাওয়া সম্ভব। ইতিপূর্বে আমরা কোরান পাঠ করে জানতে পেরেছি, কীভাবে নারীকে ব্যবহার করতে হবে, কোন নারীকে বিবাহ করতে হবে, কোন নারীকে ঈমানের পথে ধরে রাখার জন্য প্রহার করতে হবে, কীভাবে মুসলমান হত্যার প্রায়শ্চিত্ত করতে হবে, কীভাবে বিধর্মীদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার জন্য অন্য মুসলমানদের উৎসাহিত করতে হবে, বিধর্মীদের বিশ্বাস করা সমীচীন কি না, "ঘরের পেছনের দরজা" ব্যবহার করা যাবে কি না, পানি পাওয়া না গেলে আকাম-কুকামের পর কীভাবে নিজেকে পবিত্র করতে হবে, ব্যাংকিং ব্যবস্থার স্বরূপ কেমন হবে ... ইত্যাদি। আরও পড়তে থাকলে আরও হয়তো অনেক কিছুই জানতে পারবো। আজকে দেখবো, সম্পত্তি ভাগ-বাটোয়ারা কীভাবে করতে হবে, রসূলের সাথে বে-তমিজ আচরণ করলে কী শাস্তি দিতে হবে এবং চুরি করলে কী সাজা হবে ইত্যাদি। নিচের আয়াত গুলো পড়ুন।

নিশানবাণিজ্য


ছুতো পেলেই বিভিন্ন দেশের পতাকা পোড়ানোর প্রবণতা ঈমানদার মুসলিম ভাইদের ধমনীতে প্রবাহমান দেখে যথাযোগ্য ঝোপে যথাসময়ে কোপ হানায় দক্ষ এক ব্যবসায়ী লুফে নিলো এই মওকা 

পোস্টারিকাগুচ্ছ – ০১


ছোট আকারের নাটককে নাটিকা বলা গেলে ছোট পোস্টারকে পোস্টারিকাও বলা যাবে নিশ্চয়ই 

অনেকগুলো জমে গিয়েছিল, একসঙ্গে দিয়ে দিলাম।

দলের ফলাফল ভালো করতে হলে


নিবেদিতপ্রাণ খ্রিষ্টান হবার ভান করে বড়ো অভিনবভাবে খ্রিষ্টধর্মকে কটাক্ষ করার এই ধরনটি আমার খুব পছন্দের। আমেরিকান ফুটবল লিগের এক দলের (চরমভাবে হারুপার্টি) কোচকে উপদেশ দিচ্ছেন কমেডিয়ান এডওয়ার্ড কারেন্ট। 

ভগবানেশ্বরাল্লাহর নির্লজ্জ পক্ষপাতিত্ব


হালার কাজ-কামের কোনও আগা-মাথা নাই!

মধ্যযুগীয় মননের অভ্যন্তরে – ০২


"মধ্যযুগ" শব্দবন্ধের ধারণাটি সঙ্গত কারণেই ঘৃণিত। সেটি ছিলো ধর্মবিশ্বাস, অজ্ঞানতা ও কুসংস্কারের সবচেয়ে "গৌরবোজ্জ্বল" সময়। মানুষের যুক্তিবুদ্ধি দাবিয়ে রাখা হয়েছিল। বিজ্ঞানের অগ্রযাত্রা রোধ করতে অত্যাচার ও হত্যাকাণ্ডসহ যাবতীয় অপকর্ম সাধিত হয়েছিলে ধর্মের নামে।

সেই মধ্যযুগীয় মানসিকতাটি কেমন ছিলো? জানতে হলে অবশ্যদ্রষ্টব্য বিবিসি-র তৈরি চার পর্বের এই ডকুমেন্টারি। একঘণ্টার  দ্বিতীয় পর্বের নাম - যৌনতা। বাকি দুই পর্ব? একটু ধৈর্য ধরতে হবে 

২২ অক্টোবর, ২০১০

বুদ্ধু বৌদ্ধ ভিক্ষুদ্বয়


আচ্ছা, বিশ্বাসের প্রকাশ এতো উদ্ভট কেন? ধর্মবিশ্বাসীদের সাধারণতম জ্ঞানও লোপ পায় বলে? আর তাই তো তাদের কিছু কাজ-কারবার দেখলে হাসি নিয়ন্ত্রণ করা দুঃসাধ্য হয়ে পড়ে!

অনেকেই বলে, বৌদ্ধধর্ম বলে কিছু নেই, আছে বুদ্ধের দর্শন! আমার সীমিত জ্ঞান ও স্থূল বুদ্ধি দিয়ে যতোটুকু বুঝি, তা হলো, ভগবানেশ্বারাল্লাহ জাতীয় ধারণা এই "দর্শনে" না থাকলেও ধর্মের যাবতীয় বৈশিষ্ট্যসূচক সমস্ত চরিত্রই এতে বিদ্যমান। এবং তা ধর্মই। 

এখন পড়ুন দুই বৌদ্ধ ভিক্ষুর ধর্মবিশ্বাসীসুলভ ছাগলামির কথা।

বৌদ্ধধর্মের করুণার দেবী (দেবতা-দেবী তো ধর্মেই থাকে, নাকি?) Guanyin-এর মূর্তির কাছে পৌঁছতে এই দুই গাঁড়োল হামাগুড়ি দিয়ে পাড়ি দেবে ৫০০ মাইল পথ


শুধু কি তাই? প্রতি তৃতীয় পদক্ষেপ (নাকি হাঁটুক্ষেপ) পর তারা থামবে, তারপর দেবীর প্রতি শ্রদ্ধা প্রকাশ করতে মাথা নোয়াবে। ছাগল কি গাছে ধরে!

ইয়োরোপে ইসলামের শান্তির স্বরূপ


ইয়োরোপ জুড়ে ইসলামী শান্তিকামিতার সামান্য কিছু নমুনা দেখুন।

নির্ধার্মিক মনীষীরা – ২৫


বাইবেলের কার্যক্ষমতা এর পাঠকের অজ্ঞতার সমানুপাতিক।
Robert G. Ingersoll (১৮৩৩-১৮৯৯), আমেরিকার রাজনৈতিক নেতা


আমি হলাম বহুনিরীশ্বরবাদী - অনেকগুলো ঈশ্বরে আমার অবিশ্বাস।
Dan Fouts (১৯৫১), আমেরিকান ফুটবল খেলোয়াড়


সর্বজ্ঞ সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী ঈশ্বরের গল্পের যৌক্তিকতা নিয়ে অবশ্যই প্রশ্ন করা উচিত। সে ভুলভ্রান্তিতে ভরা মানুষ বানায়, আবার নিজের ভুলের জন্য দায়ী করে তাদেরকেই।
Gene Roddenberry (১৯২১-১৯৯১), স্টার ট্রেক-এর নির্মাতা


* অনুবাদ করে দিয়েছেন babble।

শাখামৃগরা


ভাবনা-জাগানিয়া ভিন্নধর্মী ভিডিও।

কেন এই বৈসাম্য?


নিদেনপক্ষে একটা খুন না করলে ধর্মবিশ্বাসীরা জঙ্গি হিসেবে বিবেচিত হয় না। তবে একটু গলা উঁচিয়ে তর্ক করলেই নির্ধার্মিকেরা "জঙ্গি" আখ্যা পেয়ে যায়।

(ইংরেজি থেকে রূপান্তরিত)

বৃষবিষ্ঠা বা বল্দার্গু – ০২


মৃতদের উদ্দেশে যে কেউ কথা বলতে পারে। তবে সেই কথার উত্তর কি পাওয়া যায়? এমন লোকের সংখ্যা অবশ্য প্রচুর, যারা বিশ্বাস করে, মৃতদের সঙ্গে কথোপকথন চালানো সম্ভব। বুঝে পাই না, বুলশিটে বিশ্বাসপ্রবণতা মানুষের কেন এতোটা অপ্রতিরোধ্য!

Penn & Teller জুটির উপস্থাপিত ব্যঙ্গ-বিদ্রূপবহুল ব্যাশিং টিভি-সিরিজ "বুলশিট"-এর এই পর্বের (তিরিশ মিনিট) বিষয়বস্তু: মৃতদের সঙ্গে আলাপচারিতা।

* বুলশিটের বাংলা প্রতিশব্দ দু'টি বের করেছেন ব্লগার হিমু (হাঁটুপানির জলদস্যু)

ইসলামের কী দোষ!


ধর্ম ও বিজ্ঞানের পার্থক্য নামের পোস্টে পোস্টার দেইখা ধর্মানুনুভূতিতে আঘাত পাইয়া আহত এক ঈমানদার ভাই (তার নিক দেইখা ডরাইসি: Thinker) আমারে ব্যাপক গালিগালাজ করলো আর এই মর্মে জ্ঞান দান করলো যে, তালিবানের সাথে ইসলামের কুনো সম্পর্ক নাই। "ভাবুক" ভাইজানে বলার পর আমিও ভাইবা দেখলাম, ভাইজান ঠিক কথাই কইসে। নাস্তিকেরা আসলেই ভুদাই। তালিবানেরা তো আসলে বেবাকেই নাস্তিক। তারা যা কিছু করে, তা করে নাস্তিক্যবাদের নামে, রিচার্ড ডকিন্সের নামে, ঠিক না? তাগো ট্রেনিং ক্যাম্পে জঙ্গিগো প্রধান পাঠ্য বই অর্থাৎ কোরান হইলো ডকিন্সের গড ডিলিউশন। এর বাইরে তারা হিচেন্স আর হ্যারিসের বইগুলাও পড়ে হাদিস হিসাবে (হিচেন্স, হ্যারিস, হাদিস - সবই "হ" দিয়া শুরু)।

তাই কইতে চাই, হে আহাম্মক নাস্তিকের দল, আপনেরা এর পর থিকা ভুইলাও কইবেন না যে, তালিবানের সাথে ইসলামের কুনো যোগাযোগ আছে। 

২১ অক্টোবর, ২০১০

ধর্ম ও বিজ্ঞানের পার্থক্য


চিন্তিত তাপস পাল এ বিষয়ে বানিয়েছেন অসাধারণ একটি পোস্টার।

পরম করুণাময় আল্লাহ সর্বত্র বিরাজমান


আল্লাহর অস্তিত্বের প্রমাণ নাই বইলা নাস্তিকেরা হুদাই চিক্কুর পাড়ে! জাগনা থাইকা চোখ বন্ধ রাখলে গর্দভেরা জ্বলজ্যান্ত প্রমাণগুলান দেখবো ক্যামনে!

যিশু, মাতা মেরি তো হরদমই উদয় হইতেসেন সম্ভব-অসম্ভব সব জায়গায়! আল্লাহও কম যায় না। তার পেয়ারে বান্দারা আরবি হরফে তার নাম প্রায়ই খুঁইজা পায় স্থানে-অস্থানে। খালি কি তার নাম? আরও কতো কিছু! 

হে ভোদাই নাস্তিকেরা, প্রমাণ ছাড়া তো আপনাগো কিছু হজম হয় না, তাই না? কতো প্রমাণ চান? এই সাইটে একবার চক্কর দিয়া নিজের ভুলের কারণে তওবা কইরা ঈমানের পথে আসেন। আমিন!

ভ্রাতৃত্ব যখন ভয়াবহ


মিসরের চিত্রনাট্যকার ওয়াহিদ হামেদ তুলোধুনো করলেন ইসলামী জঙ্গি সংগঠন মুসলিম ব্রাদারহুড-কে। স্থানীয় Dream 2 TV চ্যানেলে ১৬ সেপ্টেম্বরে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বললেন:

পাইরেসির শুরু যেভাবে


বর্তমান যুগে পাইরেসি একটি অত্যন্ত আলোচ্য বিষয় এবং সমাধানের প্রায় অযোগ্য একটি সমস্যা। সমস্যাটির উদ্ভব কোথা থেকে, অনুসন্ধান করা যাক 


And Jesus said to them, “How many loaves do you have?” They said, “Seven, and a few small fish.” And directing the crowd to sit down on the ground, he took the seven loaves and the fish, and having given thanks he broke them and gave them to the disciples, and the disciples gave them to the crowds. And they all ate and were satisfied. And they took up seven baskets full of the broken pieces left over. Those who ate were four thousand men, besides women and children. (Matt 15:34-38)

মানুষ হয়ে ওঠা


বানর থেকে মানুষ আসেনি। আমরা বানর জাতিরই একটি আলাদা শাখা। কীভাবে ক্রমশ বানরত্ব ত্যাগ করে এক সময় মানুষে উত্তরণ হলো আমাদের?

ছয় মিলিয়ন বছরেরও আগে শুরু হয় এই প্রক্রিয়া। ইডিয়টিক তথ্যের অনন্ত আকর হিসেবে প্রমাণিত ধর্মগ্রন্থগুলো অবশ্য বলে, পৃথিবীর বয়স মাত্র কয়েক হাজার বছর 

বিবর্তন বিষয়ে আরও একটি অসাধারণ ডকুমেন্টারি। মিনিট পঞ্চাশেক সময় হাতে থাকলে দেখে নেয়াটা ফরজে কেফায়া 

২০ অক্টোবর, ২০১০

আদমচরিত ০২৬


(ধর্মপচারকের পক্ষ থেকে: এই পোস্টের লেখক "মুখফোড়" সম্পর্কে কিঞ্চিৎ ভূমিকা দেয়া আবশ্যক বলে মনে করি। আমার মতে, বাংলা ব্লগ-পরিমণ্ডলে সবচেয়ে শক্তিমান ব্যঙ্গ-লেখক তিনি। আমার সঙ্গে সহমত জ্ঞাপন করবেন, এমন লোকের সংখ্যা অজস্র। কল্পনাতীত কল্পনাশক্তি তাঁর, তীব্র বিদ্রূপাত্মক ভাষা আর অসাধারণ স্মার্ট তাঁর গদ্য। তাঁর অনেক রচনাই ধর্মকারীর চরিত্রোপযোগী। তিনি তাঁর সেই লেখাগুলো প্রকাশের অনুমতি দিয়ে ধর্মকারীকে কৃতজ্ঞ করেছেন।

এটি তাঁর সাম্প্রতিকতম রচনা। বিষয়বস্তুর সঙ্গে সাম্প্রতিকতার সংশ্লেষ থাকায় এই লেখা দিয়েই শুরু হোক যাত্রা।)

লিখেছেন মুখফোড়

অপারেটিং টেবিলে শুইয়া আদম পাংশুমুখে বলিল, "অন্য কোনো উপায় কি নাই?"

ঈশ্বর পেলাসটিকের দস্তানা আঁটিতে আঁটিতে গম্ভীর মুখে কহিলেন, "উপায় অবশ্যই আছে আদম। পর্যবেক্ষণ করিলেই বুঝিবে।"

আদম বেজার হইয়া কহিল, "আপনি সর্বদাই আকারে ইঙ্গিতে কথা কন। পরিষ্কার করিয়া বলেন না কেন? কী উপায়?"

ঈশ্বর একটি ক্ষুরধার স্ক্যালপেল লইয়া জীবাণুনাশক দ্বারা ধৌত করিতে করিতে কহিলেন, "কখনও কি ভাবিয়া দেখিয়াছ, তোমার শিশ্নখানি কী সুচারুরূপে বাম ও দক্ষিণ, উভয় হস্তের নাগালেই রহিয়াছে?"

আদম বাম ও দক্ষিণ, উভয় হস্ত চাদরের নিচে প্রবিষ্ট করিয়া কহিল, "বিলক্ষণ। কিন্তু ...।"

ঈশ্বর কহিলেন, "হাঁ। তোমাকে সৃজন করিবার সময়ই হস্ত দুইটি এইরূপে নকশা করিয়াছিলাম, যাহাতে নিজের বিনোদন নিজেই যোগাইতে পার। কিন্তু তোমার চাহিদার অন্ত নাই।"

আদম গোঁ গোঁ করিয়া কহিল, "আপনি আমাকে মৃত্তিকা হইতে সৃজন করিয়াছেন, আমার সঙ্গিনীকেও মৃত্তিকা দিয়া নির্মাণ করিলে আপনার ক্ষতি কী? মৃত্তিকার কি অভাব পড়িয়াছে? মৃত্তিকার অভাব পড়িলে পেলাসটিক দিয়া বানাইয়া দিন।"

ঈশ্বর মৃদু হাসিয়া কহিলেন, "আমার সম্মান তাহে সামান্যই বাড়ে। তোমার সম্মান তাহে একেবারে ছাড়ে।"

আদম কহিল, "আমার পঞ্জরের অস্থি দিয়াই কেন সঙ্গিনী নির্মাণ করিবেন?"

আরব দেশে নারীর দশা – ০২


ইসলামে নারীকে নিচুশ্রেণীর প্রাণী হিসেবে গণ্য করা হয়। কোরানের আয়াতগুলো পড়লে এই কথাই স্পষ্ট হয়ে ওঠে যে, নারীকে সৃষ্টি করা হয়েছে পুরুষের প্রয়োজনে এবং নারী পুরুষের প্রায় যথেচ্ছ ব্যবহার্য সামগ্রীর মতো। 

আরব দেশগুলোতে নারীদের অবস্থা বিশেষভাবে মর্মান্তিক। নারীদের দুর্দশার প্রতিফলন ঘটানো কিছু কার্টুন সেই দেশগুলোর পত্র-পত্রিকায় হঠাৎ-হঠাৎ প্রকাশিত হয়। সেসবের সংকলন নিয়েই এই সিরিজ।

বিটকেলে যুক্তি ও বিদঘুটে প্রশ্নের "লা-জবাব" উত্তর


নিরীশ্বরবাদীদের সঙ্গে বিতর্কের সময় বিশ্বাসীদের দেয়া কিছু বিটকেলে যুক্তি ও বিদঘুটে প্রশ্নের "লা-জবাব" উত্তর দিয়েছেন ইউটিউবার QualiaSoup। খুবই চমৎকার ভিডিও। ধর্মহীনদের জন্যে দেখা ফরজ 

পুত রন্ধ্র


ইংরেজিতে - দ্য গ্লোরি হোল 

ধর্মগুলোর নাস্তিক্যবাদভীতি


পৃথিবীতে নির্ধার্মিকের সংখ্যা নেহাতই নগণ্য। তবু পুরুত-মোল্লা-পাদ্রীরা তথা অধিকাংশ ধর্মবিশ্বাসী এদেরকে রীতিমতো হুমকি বলে মনে করে থাকে। বুঝি না, এতো ক্ষুদ্র জনগোষ্ঠী কী করে হুমকি হতে পারে ধর্মবিশ্বাসীদের বিশাল ব্যাটেলিয়নের কাছে? নাকি "সংখ্যায় নয়, মানে" কথাটির অর্থ তারা অনুধাবন করতে পারে?

পোপের সাম্প্রতিক ব্রিটেন সফরের সময়ও দেখা গেছে, ব্রিটেনের মাটিতে পা দিয়েই সে নাস্তিকদের ওপরে ঝাল ঝেড়েছে। এবার দেখুন, এক র‌্যাবাই (ইহুদি মোল্লা) নাস্তিক প্রশ্নে কীভাবে বিষোদগার করেছে পাঁড় খ্রিষ্টানদের চ্যানেল ফক্স নিউজে! আমার তো ভয় হচ্ছে, ক্ষুদ্র নাস্তিকগোষ্ঠীকে ঠ্যাকাতে সবগুলো ধর্ম যদি ঐক্যবদ্ধ হয়ে পড়ে! 

ইসলামীদের ডাবল স্ট্যান্ডার্ড


কোরান পোড়ানোর পরিকল্পনা হলেই বিশ্ব কেঁপে ওঠে মুসলিমদের হুংকারে। সাড়া পড়ে যায় মিডিয়ায়। তবে মুসলমানেরা বাইবেল পোড়ালে মিডিয়ার প্রতিক্রিয়া হয় না। এর আগে বহুবার এমন ঘটনা ঘটলেও অধিকাংশ পত্রিকা, টিভি চ্যানেল গুরুত্ব দেয়নি "মামুলি" খবরগুলোকে।

এ মাসের ছয় তারিখেও মুসলিমরা বাইবেল পুড়িয়েছে। কেউ পড়েছেন/শুনেছেন/দেখেছেন এমন খবর? অথচ অমুসলিম কেউ কোরান পোড়ালে কী হতো, ভেবে দেখেছেন?

খ্রিষ্টধর্মপোন্দক র‌্যাপ


আমি যে খুব র‌্যাপভক্ত, তা বলতে পারি না, তবে মাঝেমধ্যে সত্যিই বেশ লাগে। এই র‌্যাপের লিরিকসে মুগ্ধ তো বটেই, তবে বিশেষভাবে মুগ্ধ শব্দদ্যোতনায়।

১৯ অক্টোবর, ২০১০

দুর্গা পূজার কাহিনী


লিখেছেন: ঠোঁট কাটা বন্ধু

মহিষাসুর কঠোর তপস্যা করে ব্রহ্মাকে সন্তুষ্ট করে বর পেলো যে, এই জগতের কোন পুরুষের হাতে তার মৃ্ত্যু হবে না। বর পাওয়ার পর সে অত্যন্ত অত্যাচারী হয়ে উঠল। এক পর্যায়ে সে স্বর্গ আক্রমণ করে দেবতাদের স্বর্গ থেকে বিতাড়িত করল। দেবতারা তখন সবাই মিলে ব্রহ্মার কাছে গেল। ব্রহ্মা তখন সকলকে নিয়ে প্রলয়ের দেবতা শিবের কাছে গেল। ব্রহ্মা, বিষ্ণু ও শিবের মিলিত শক্তি থেকে দুর্গার সৃষ্টি হল। দেবতারা প্রত্যেকে তখন দুর্গাকে একটি করে অস্ত্র দিলেন। হিমালয় দুর্গাকে বাহন হিসেবে দিল একটা সিংহ। সেই সিংহের পিঠে চড়ে দুর্গা মহিষাসুরের সাথে যুদ্ধ করতে এলেন এবং মহিষাসুরকে বধ করলেন।

এ কাহিনী পাঠের পর নিম্নোক্ত কিছু প্রশ্ন আমার মনে জাগে।

কালো পাথরের ছবি


হজরে আসওয়াদ অর্থাৎ কালো পাথরের ছবি। তবে ছবিটি দেখে ভিন্ন কিছু মনে হলে তা নেহাতই দৃষ্টিবিভ্রম বা "যার মনে যা, ফাল দিয়া ওঠে তা" বলে ধরে নিতে হবে।

ইরানের গোস্বা


নিশ্চয়ই পাথর ছুঁড়ে হত্যার ইসলামী বিধানটি অত্যন্ত মানবিক এবং এই বিধানের বিরোধিতা বস্তুত বর্বরদের কাজ! 

ইরানে (এবং আরও কিছু মুসলিম দেশে) শাস্তির এই ইসলামী প্রথার চর্চা চলেছে নিয়মিত। কিন্তু তা নিয়ে সমালোচনা করলে সেটা হয় ইসলামবিরোধী ষড়যন্ত্র! 

লন্ডনে অচিরেই দেখানো হবে The Stoning Of Soraya M নামের একটি ছবি (এই ছবি প্রসঙ্গে ধর্মকারীতে প্রকাশিত পোস্ট। স্ট্রিমিং ও ডাউনলোড লিংকসহ।)। আর তাই লন্ডনের নেয়া সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করছে ইরান। পাথর ছুঁড়ে হত্যা করলে দোষের কিছু নেই, কিন্তু সেটা দেখালেই দোষ! পারলে লন্ডনকেই এখন পাথর ছুঁড়ে ধ্বংস করে ফেলে ইরান।

ছবিটি ডাউনলোড করে রেখেছি কয়েক মাস হলো। দেখার সাহস করে উঠতে পারিনি। চেনা-জানা যারা দেখেছে, তারা একবাক্যে বলেছে, ছবিটি প্রচণ্ড বেদনা-জাগানিয়া এবং ক্ষেত্রবিশেষে অসহনীয় রকমের কষ্টকর। এক পরিচিতা ছবিটি দেখে অঝোর ধারায় কেঁদেছে। 

স্কাই নিউজের খবর দেখুন। ছবির কিছু অংশসহ।

লৌকিক সাফল্যে ঐশী তকমা


অন্ধবিশ্বাস মানুষদের কীভাবে যুক্তিরহিত, বোধবুদ্ধিহীন করে দেয়, তার আরও একটি নিদর্শন দেখুন। বিশেষভাবে লক্ষ্য করে শুনুন স্টুডিওতে উপস্থিত মহিলা অতিথির বক্তব্য। এক ইসলামী বিজ্ঞানীও (ইসলামী বিজ্ঞানী - হাহাহা! oxymoron-এর একটি উৎকৃষ্ট উদাহরণ!) বিতর্কে অংশ নিয়েছেন টেলিফোনে। বিষয় ছিলো - চিলিতে খনিশ্রমিকদের উদ্ধারের ঘটনাটি অলৌকিক কি না! 

মানুষের সাধিত অসাধারণ সাফল্যে খোদার নাম খোদাই করে দেয়ার বালখিল্য প্রবণতায় বড়োই পীড়িত বোধ করি।

প্রিয় পুরনো পোস্টগুলো – ১৬


ধর্মকারীতে পোস্টের সংখ্যা বারোশো ছাড়িয়ে গেছে। এই সাইটের খোঁজ যেসব পাঠক সম্প্রতি পেয়েছেন বা ভবিষ্যতে পাবেন, তাঁদের পক্ষে আগে প্রকাশিত মজাদার পোস্টগুলো খুঁজে নেয়া ব্যাপক শ্রম- ও সময়সাধ্য ব্যাপার হবে ভেবেই হারানো-দিনের-পোস্ট ধরনের এই সিরিজের অবতারণা। পুরনো পাপীরাও এই সুযোগে স্মৃতিচারণ করে নিতে পারেন 

প্রতি পর্বে আমার বিশেষ প্রিয় পাঁচটি পোস্টের লিংক দেবো সংক্ষিপ্ত বর্ণনাসহ। শুরু করেছি ধর্মকারীর আদিকাল থেকে।

রোগ-বালাইয়ের কারণ ও উৎস


নিবেদিতপ্রাণ খ্রিষ্টান হবার ভান করে বড়ো অভিনবভাবে খ্রিষ্টধর্মকে কটাক্ষ করার এই ধরনটি আমার খুব পছন্দের। এই ভিডিওতে তিনি অনুসন্ধান করছেন রোগ-বালাইয়ের কারণ ও উৎস।

বিশ্বাস ও যুক্তির সংঘাত: স্যাম হ্যারিসের বক্তৃতা


স্যাম হ্যারিস মৃদুভাষী নির্ধার্মিক। তবে যুক্তি ক্ষুরধার, স্পষ্ট। বুদ্ধিদীপ্ত সরস মন্তব্যও করেন প্রায়শই। আর তাই এক ঘণ্টা দশ মিনিটের বক্তৃতা ও প্রশ্নোত্তর পর্ব বিরক্তির উদ্রেক করে না এতোটুকুও।

১৮ অক্টোবর, ২০১০

ইচলাম!!


লিখেছেন সৈকত চৌধুরী

ইচলাম ইচলাম, সবকিছু জটলাম
দুনিয়ার জ্ঞান যত পাবে সব কোরানে!
ইচলাম ইচলাম, এইবার প্যাচলাম,
নিউটন-আইনস্টাইন, জ্ঞানী যত জাহানে
সব কিছু করে চুরি দেখে দেখে কোরানে!!

গোখরো কি নির্বিষ সাপ?


"গোখরো নির্বিষ সাপ কি না" তা নিয়ে বিতর্কের অবকাশ যেমন নেই, একইভাবে "ইসলাম শান্তির ধর্ম কি না" বিষয়ে বিতর্কও মূলত সময়ের অপচয়। তবু এমন বিতর্কের আয়োজন করা হয়েছিল আমেরিকায়। ইসলামের পক্ষে অংশ নিয়েছিলেন দুই তথাকথিত "মডারেট" মুসলিম। তাঁরা ইসলামকে চিনির মোড়কে উপস্থাপনের আপ্রাণ চেষ্টা করেছেন। প্রথম বক্তা তো ইসলামকে মহিমান্বিত করতে গিয়ে ভুলভাল সব ধারণা দিতে শুরু করলেন। মৌলবাদী ইসলামে বিশ্বাসী তাঁর পিতা-মাতা নাকি সন্তানদের শিখিয়েছেন to question, to have critical minds and to doubt। তাঁরা আরও বলেছেন, there's no compulsion in religion.

তাঁরই বক্তব্য, মুসলিমদের জঙ্গি হবার কারণ নাকি শুধুই রাজনৈতিক, ধর্মের কোনও ভূমিকাই এতে নেই। প্রশ্ন জাগে, অন্য ধর্মের লোকেরা কেন রাজনৈতিক কারণে এই হারে জঙ্গি হয় না?
যাকগে, আগেই সব কথা বলে দিলে বিতর্ক উপভোগ্য মনে হবে না 

আল্লাহ রক্তপাতে খুশি হয়


১৯ জুলাই, ২০১০ তারিখে মিশরের আল-রাহমা টেলি চ্যানেলে সৌদি ইসলামবিদের বক্তব্য থেকে উদ্ধৃত কিছু অংশ:

নাস্তিকদের বিয়ে


ছবিটা রাশিয়ার। জেনে রাখা উচিত হবে যে, খ্রিষ্টধর্মে "৬৬৬"-কে শয়তানের সংখ্যা হিসেবে গণ্য করা হয় এবং রুশ ভাষায় ад মানে নরক এবং в ад অর্থ to hell 

নামাজরঙ্গ – ০২


চমৎকার একটি ভিডিওর লিংক পাঠিয়েছেন তাহসিন হুসেইন

চার্লস ডারউইনের সমস্ত রচনা


চার্লস ডারউইনের সমস্ত রচনা অনলাইনে। টেক্সট, ইমেজ এবং পিডিএফ ফরম্যাটে।

আমাদের আত্মীয়েরা – ০৭


শিম্পাঞ্জিদের আচরণের সঙ্গে আমাদের পূর্বপুরুষদের আচরণের এতো সাদৃশ্য! তাদের বুদ্ধিমত্তায় বিস্মিত হতে হয়। কোনও সমস্যা সমাধানে তারা আবিষ্কার করে ফেলে নতুন পদ্ধতি, শিকারকার্যে ব্যবহারের জন্য গাছের ডালকে তীক্ষ্ণ করে নিয়ে বর্শা বানিয়ে ফেলে...

১৬ অক্টোবর, ২০১০

নিত্য নবীরে স্মরি – ২৫


যথারীতি একটি পোস্টার ও একটি কার্টুন।

ইসলামে বাল্যবিবাহ, বাধ্যবিবাহ


বয়সে একেবারে শিশু মেয়েকে বিয়ে করার পক্ষে ইসলামী ওকালতি শুনুন। সৌদি সংসারবিশারদ Ghazi Al-Shimari গত ২০ মে স্থানীয় Iqraa TV-তে বললেন:

নিরীহ নিরীশ্বরীয় প্রচার


নির্ধর্মীয় বাণীসম্বলিত আরও কিছু অসাধারণ বিলবোর্ড প্রচারের উদ্যোগ নিয়েছে আমেরিকার Freedom From Religion Foundation। যথারীতি এবারেও বিশ্বাসীদের ধর্মানুভূতি আহত (নিহত নয় ) হবে। অথচ নির্ধর্মানুভূতিকে তারা হিসেবেই আনে না! তাদের সর্বব্যাপী প্রচারণার মাধ্যমে আমাদের চক্ষূ-কর্ণকে উৎপীড়ণ করাকে তারা ফরজ বলে মনে করে! 

বিলবোর্ডগুলো দেখুন।

কোনও বিশ্বাসীই ধর্মগ্রন্থ মেনে চলে না


ধর্মগ্রন্থগুলো সম্পূর্ণভাবে মেনে চলে না বিশ্বাসীরা। ভাগ্যিস! বিশেষ করে বাইবেল ও কোরান অক্ষরে অক্ষরে মেনে চললে খবর হয়ে যেতো সবার!  বিশ্বাসীরা আসলে ঐশী কিতাবগুলো থেকে নিজের সুবিধেমতো কিছু বিধান বেছে নিয়ে বাকিগুলো এড়িয়ে চলে (এই আচরণকে ভণ্ডামি আখ্যা না দেয়া সম্ভব নয়)।

নিচের ভিডিওতে বলা হচ্ছে খ্রিষ্টান ধর্মের কথা। ইসলাম বা বাকি যে-কোনও ধর্মের ক্ষেত্রেও কথাগুলো একইভাবে প্রযোজ্য।

ধর্মাতুল কৌতুকিম – ১৭


পুজা-পচানি ম্যাটেরিয়াল চেয়ে দেয়া পোস্টের জবাবে নিচের কৌতুকটি পাঠিয়েছেন তমসো দুঃখী দীপ

- হিন্দুধর্মের সব দেব-দেবীকে ধ্বংস করার উপায় কী?
- দেবতাগুলোকে মেরে ফেলো, দেবীগুলো নিজেরাই সহমরণে চলে যাবে।


মধ্যযুগীয় মননের অভ্যন্তরে – ০১


"মধ্যযুগ" ধারণাটি সঙ্গত কারণেই ঘৃণিত। কারণ সেটি ছিলো ধর্মবিশ্বাস, অজ্ঞানতা ও কুসংস্কারের সমন্বয়মণ্ডিত সবচেয়ে "গৌরবোজ্জ্বল" সময়। যখন মানুষের যুক্তিবুদ্ধি দাবিয়ে রাখা হয়েছিল, বিজ্ঞানের অগ্রযাত্রা রোধ করতে অত্যাচার ও হত্যাকাণ্ডসহ যাবতীয় অপকর্ম সাধিত হয়েছিলে ধর্মের নামে।

সেই মধ্যযুগীয় মানসিকতাটি কেমন ছিলো? জানতে হলে অবশ্যদ্রষ্টব্য বিবিসি-র তৈরি চার পর্বের এই ডকুমেন্টারি। একঘণ্টার  প্রথম পর্বের নাম - জ্ঞান।
বাকি তিন পর্ব? একটু ধৈর্য ধরতে হবে 

১৫ অক্টোবর, ২০১০

তোতাপাখি ও মুসলিমরা


তোতাপাখির সঙ্গে অধিকাংশ মুসলিমের কোনও তফাত নেই একটি ক্ষেত্রে। তোতা যা বলে, না বুঝেই বলে। নামাজ পড়ার সময় সুরা উচ্চারণ বা কোরান মুখস্থ বলা মুসলিমরাও কাজটি করে কিন্তু না বুঝেই।

ভগবানেশ্বরাল্লাহর বিবর্তন


"বিবর্তন" শব্দটি শুনলেই বিশ্বাসীরা আঁতকে ওঠে বটে, তবু তাদের ব্যক্তিগত গড-এর উৎপত্তি কোত্থেকে, তা তাদের জানিয়ে দেয়া দরকার। 

পূর্ণ আকারে দেখতে পোস্টারে ক্লিক করুন।

ইসলাম: peace প্রসঙ্গে পিছলামি


বিভিন্ন সময়ে সুযোগ বুঝে ভোল পাল্টিয়ে বিতর্কিত হয়ে ওঠা ইসলামবিদ তারিক রামাদান এবং দুরারোগ্য ক্যান্সারাক্রান্ত ক্রিস্টোফার হিচেন্স আলোচনা করছেন, ইসলাম শান্তির ধর্ম কি না। তারিক সাহেবের পিছলামি এবং ক্রিস্টোফারের স্বভাবসুলভ বুদ্ধিদীপ্ত মন্তব্যের কারণে ভিডিওটি উপভোগ্য। 

সকল প্রশংসা আল্লাহর হলে সকল নিন্দাও তার প্রাপ্য


চিলিতে খনিধ্বসে আটকে পড়া খনি-শ্রমিকদের উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে ৬৯ দিন পরে। উদ্ধার পাবার পরে অনেক শ্রমিকই ধন্যবাদ জানিয়েছে ঈশ্বরকে (উদ্ধারের কাজ করলো মানুষ, আর ধন্যবাদ পেলো ঈশ্বর!)। দুর্ঘটনার কবল থেকে বেঁচে গেলে আমরা প্রায়ই বলতে শুনি, "আল্লাহ বাঁচাইসে"। দুর্ঘটনায় মৃতদের ক্ষেত্রে "আল্লাহ মাইরা ফালাইসে" কাউকে বলতে শোনা যায় না! হায়, যুক্তিহীন অন্ধ মানুষ!

দু'টি কার্টুন দেখুন।

রক্তপিপাসু বাইবেল


TheThinkingAtheist-এর তৈরি ভিডিও বরাবরই খুব দুর্ধর্ষমানের হয়ে থাকে। এবারেরটিও ব্যতিক্রম নয়। তবে পুরনো একটা দুঃখ মাথাচাড়া দিয়ে উঠলো: বাংলায় ধর্মপচানি ভিডিও কবে যে কেউ বানাতে শুরু করবে! 

১৪ অক্টোবর, ২০১০

পুজা-পচানি ম্যাটেরিয়াল চাই


হে পাঠকবৃন্দ,

আপনাদের কারুর কাছে পুজা তথা হিন্দুধর্ম-পচানি কোনও কার্টুন, ছবি, ভিডিও, কৌতুক বা লেখা সংগ্রহে থাকলে তা ধর্মকারীর সঙ্গে শেয়ার করার আকুল আবেদন জানাচ্ছি।
 
হিন্দুধর্ম বিষয়ে আমার জ্ঞান অতিশয় সীমিত। সংগ্রহে থাকা ম্যাটেরিয়ালও প্রায় শূন্যের কাছাকাছি। তাই আপনাদের সহযোগিতা একান্তভাবে কাম্য।

ভবদীয়, 
ধর্মপচারক।

ধর্মীয় চোখে ঋতু পরিবর্তন


লিখেছেন লাইট ম্যান

মেয়েদের ঋতুস্রাব একটি স্বাভাবিক শারীরিক প্রক্রিয়া প্রতিটি সুস্থ সবল নারীর জন্য। যদিও তারা এই সময় শারীরিকভাবে দুর্বলতা অনুভব করে। তার মানে এই নয়, তারা সম্পূর্ণ পচে দুর্গন্ধযুক্ত হয়। কিন্তু এই স্বাভবিক প্রক্রিয়াটিকে অস্বাভাবিক ঘৃণ্য, নিষিদ্ধ ও দুষিত বলে গণ্য করে প্রায় সমস্ত পবিত্র ধর্মীয়গ্রন্থ।

আমার বোরখা-ফেটিশ – ১৬


"আমার হিজাব-ফেটিশ" সিরিজের নাম বদলে "আমার বোরখা-ফেটিশ" রাখা হলো। দু'-একজন পাঠক ব্যক্তিগতভাবে আমাকে জানিয়েছিলেন, সিরিজে প্রকাশিত ছবি আর কার্টুনগুলো মূলত বোরখার, হিজাবের নয়। তাঁদের কথায় সত্যতা আছে। কারণ হিজাব শব্দটির বর্তমানে প্রচলিত অর্থ হচ্ছে - মুসলিম মেয়েদের মাথায় পরিধেয় ওড়না জাতীয় বস্ত্রবিশেষ। তবে মূল আরবিতে হিজাব মানে কিন্তু পর্দা বা আবরণ। উইকি বলছে: Most Islamic legal systems define this type of modest dressing as covering everything except the face and hands in public. অর্থাৎ বোরখা।

তবুও প্রচলিত অর্থটিকে প্রাধান্য দিয়ে সিরিজের নাম তাই পাল্টে দেয়া হলো। এখন দেখুন একটি ছবি, একটি কার্টুন:

জর্জ কারলিন: "জীবনের পবিত্রতা"


জীবন কেন পবিত্র হবে! এ নিয়ে নিজস্ব মতবাদ জানাচ্ছেন কিংবদন্তির স্ট্যান্ড-আপ কমেডিয়ান জর্জ কারলিন। এই ভিডিওতে দুই ধর্মের বিবাদ প্রসঙ্গে তাঁর বলা একটি বাক্য: 
My God has a bigger dick than your God 

প্রিয় পুরনো পোস্টগুলো – ১৫


ধর্মকারীতে পোস্টের সংখ্যা বারোশো ছাড়িয়ে গেছে। এই সাইটের খোঁজ যেসব পাঠক সম্প্রতি পেয়েছেন বা ভবিষ্যতে পাবেন, তাঁদের পক্ষে আগে প্রকাশিত মজাদার পোস্টগুলো খুঁজে নেয়া ব্যাপক শ্রম- ও সময়সাধ্য ব্যাপার হবে ভেবেই হারানো-দিনের-পোস্ট ধরনের এই সিরিজের অবতারণা। পুরনো পাপীরাও এই সুযোগে স্মৃতিচারণ করে নিতে পারেন 

প্রতি পর্বে আমার বিশেষ প্রিয় পাঁচটি পোস্টের লিংক দেবো সংক্ষিপ্ত বর্ণনাসহ। শুরু করেছি ধর্মকারীর আদিকাল থেকে।

বিশ্বাসীদের প্রতি বিষ-মাখা প্রশ্নবাণ


আমেরিকার স্ট্যান্ড-আপ কমেডিয়ান Doug Stanhope-এর নাম আগে কখনও শুনিনি। তবে এই ভিডিও দেখে মুগ্ধ হলাম। কিঞ্চিৎ র, তবে নির্দয় স্পষ্টভাষী। খুবই বিদ্রূপাত্মক এবং সে-কারণেই হাস্যেদ্রেককারী তাঁর পারফরম্যান্স। অতিঅবশ্যদ্রষ্টব্য। ভালো লাগবেই লাগবে!

প্রচারে বিঘ্ন – ১০


বিনামূল্যে ব্লো জব 

১৩ অক্টোবর, ২০১০

সাউন্ড অভ সায়েন্স


কিংবদন্তীর ডুয়েট Simon & Garfunkel-এর ক্লাসিক গান Sound Of Silence কারুর শোনা না থাকলে শুনে নিয়ে সিরাতুল মুস্তাকিমে আসাটা ফরজে আইন হিসেবে বিবেচিত হবে। আপনাদের ছওয়াব কামানোর পথ সুগম করতে ধর্মপচারক গানটি এমবেড করে দিয়েছে।

আর এই গানের আদলে যে-গানটি বানানো হয়েছে, সেটা শোনানোই আসল উদ্দেশ্য।

১২ অক্টোবর, ২০১০

জোকার কার্যত যতোটুকু


জোকার নালায়েকের আসন্ন বাংলাদেশ-সফর উপলক্ষে তিনটি পোস্টার বানিয়েছেন চিন্তিত তাপস পাল

জোকার কার্যত যতোটুকু (একেবারে নিচের ছবি দ্রষ্টব্য), না দেখলে মিস!

আরব দেশে নারীর দশা – ০১


ইসলামে নারীকে নিচুশ্রেণীর প্রাণী হিসেবে গণ্য করা হয়। কোরানের আয়াতগুলো পড়লে এই কথাই স্পষ্ট হয়ে ওঠে যে, নারীকে সৃষ্টি করা হয়েছে পুরুষের প্রয়োজনে এবং নারী পুরুষের প্রায় যথেচ্ছ ব্যবহার্য সামগ্রীর মতো। 

আরব দেশগুলোতে নারীদের অবস্থা বিশেষভাবে মর্মান্তিক। নারীদের দুর্দশার প্রতিফলন ঘটানো কিছু কার্টুন সেই দেশগুলোর পত্র-পত্রিকায় হঠাৎ-হঠাৎ প্রকাশিত হয়। সেসবের সংকলন নিয়েই এই সিরিজ।

নির্ধার্মিকদের মেজাজ বিগড়িয়ে দেয়ার ২৮১টি আস্তিকীয় উপায়


নির্ধার্মিকদের মেজাজ বিগড়িয়ে দেয়ার ২৮১টি আস্তিকীয় উপায়। মজাদার 

মিনিমোল্লারা


আমার ধারণা ছিলো, শিশু-ধর্মপ্রচারকদের প্রাদুর্ভাব শুধু খ্রিষ্টধর্মে। এ নিয়ে একটি পোস্টও দিয়েছিলাম একবার। রীতিমতো চাইল্ড অ্যাবিউজ মনে হয় ব্যাপারটিকে। 

তবে নিজের নির্বুদ্ধিতায় আমি হতাশ। ইতরামির এই সুযোগটি ইসলাম ব্যবহার করবে না, তা কী করে ভাবতে পারলাম আমি! 

বৃষবিষ্ঠা বা বল্দার্গু – ০১


ইংরেজি "বুলশিট" শব্দটির দুর্দান্ত দু'টি বাংলা প্রতিশব্দ বের করেছেন ব্লগার হিমু (হাঁটুপানির জলদস্যু)। সুশীল ব্যবহারের জন্য উপযুক্ত "বৃষবিষ্ঠা", আর কথ্য বা চলিত ব্যবহারের জন্য "বল্দার্গু" অসাধারণ লেগেছে আমার। শিরোনামটির জন্য তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞতা।

এই সিরিজে প্রকাশ করা হবে Penn & Teller জুটির উপস্থাপিত ব্যাশিং টিভি-সিরিজ "বুলশিট"-এর কিছু পর্ব। একেকটি তিরিশ মিনিটের। আজকের ধোলাইয়ের বিষয়বস্তু - বাইবেল।

১১ অক্টোবর, ২০১০

কোরানের বাণী / কেন এতো ফানি – ০৯


লিখেছেন ব্লগার রাইয়ান

ঈমানদার ভাইয়েরা, এমন সময় কি আপনাদের জীবনে কখনও আসেনি, যেদিন আপনাদের মনে জিঘাংসা জেগে উঠেছে? ইচ্ছে করেছে কোনো ব্যক্তিকে সম্পূর্ণ শরিয়তী কায়দায় কতল করে একইসাথে নিজের উদ্দেশ্য সাধন এবং পরজগতের জন্য অশেষ নেকী হাসিল করতে, ভিন্নধর্মীদের সাফল্য কিংবা ঐশ্বর্য দেখে তা দখল করে নিতে। যাদের এরূপ ইচ্ছা হয়েছে, তাদেরকে সুসংবাদ জানিয়ে দিন, ইসলাম এসব-ই আপনাদের জন্য হালাল করে দিয়েছে। তবে এমনি এমনি নয়, যুদ্ধের মাধ্যমে। আবার যদি এমন হয়, আরেকজন ঈমানদার ব্যক্তি বা অন্য কোনো সাধারণ মুসলমান কোনো কারণে (যেমন, গনিমতের মালের ভাগ বাটোয়ারা কিংবা ধর্মব্যবসায় প্রতিদ্বন্দ্বিতার কারণে)  আপনার শত্রু হয়ে গেল। এবং আপনি ঈমানী জোশ সামলাতে না পেরে তাকে 'আল্লাহ কা পেয়ারা' বানিয়ে দিলেন। তখন কী করবেন? আপনি আখেরাতে আল্লাহকে কী মুখ দেখাবেন? ভিন্নধর্মী খুন করলে কথা নাই, আল্লাহও খুশী, আপনিও খুশী। কিন্তু খুন করেছেন মুসলমান, তাইলে কি হবে? হুমমম.......... তারও ব্যবস্থা আছে। জানতে হলে, নিচের আয়াতসমুহ পড়ুন, বুঝুন, তারপর অস্ত্র নিয়ে বের হয়ে যান এবং আল্লাহর নামে যত খুশী খুন করুন। আল্লাহ আপনার গুণাহ মাফ করে দেবেন। আ---মি---ন।

কুউউল ডিজাইন!


নিবেদিতপ্রাণ খ্রিষ্টান হবার ভান করে বড়ো অভিনবভাবে খ্রিষ্টধর্মকে কটাক্ষ করার এই ধরনটি আমার খুব পছন্দের। এই ভিডিওতে এডওয়ার্ড কারেন্টের আলোচ্য বিষয়: ঈশ্বরের নিখুঁত ডিজাইন।

পয়গম্বর সমাবেশ


প্রায় একই রকম দুটো ছবি পাওয়া গেল। কিন্তু প্রথম ছবিতে মুহম্মদ কোনটি, বোঝা গেল না।

ইসলাম ঘৃণিত হবে না কেন!


ইসলামের সারকথা জানাচ্ছেন ব্রিটিশ ইসলামবিদ। এমন কথা শুনলে, দেখলে, পড়লে আপনাদের কী মনে হয়, জানতে ইচ্ছে করছে।

ধর্মগ্রন্থগুলোয় ফৌজদারি অপরাধের উসকানি


ধর্মগ্রন্থগুলোর কথা অক্ষরে অক্ষরে মেনে চললে অনেক ক্ষেত্রেই ফৌজদারি মামলার মুখোমুখি হবার সম্ভাবনা প্রচুর। অনেক ধর্মবিশ্বাসীই নিজের বোধবুদ্ধি শিকেয় তুলে রেখে অন্ধের মতো ঐশীগ্রন্থ অনুসরণ করে কাণ্ডজ্ঞানহীন কাজের মাধ্যমে নিজের ও পরিপার্শ্বের জন্য হুমকি হয়ে পড়ে। 

এই যেমন, বাইবেলে বর্ণিত রীতি অনুসরণ করে শিশুকে শাস্তি দিয়েছে এক আবাল। ফলাফল? এখানে পড়ুন। 

মার-ডকিন্স


গত আট তারিখে রিচার্ড ডকিন্স এসেছিলেন বিল মারের টিভি-অনুষ্ঠানে। যাকে বলে, সোনায় সোহাগা। জ্ঞান ও শ্লেষের সমন্বয়।  খুবই উপভোগ্য।

১০ অক্টোবর, ২০১০

রসময় বাইবেল


কোরানের উৎকট, উদ্ভট ও ফানি আয়াত নিয়ে চমৎকার একটি সিরিজ চালাচ্ছেন আমাদের "ঠোঁট কাটা বন্ধু"। তাই বলে অন্য ঐশীগ্রন্থগুলো কি একেবারেই নীরস? একদমই নয়। এই যেমন আজ অতীব মজাদার একটা লাইন পেলাম বাইবেলে। আমি বলে না দিলে আপনাদের মনে হতে পারতো: "রসময় গুপ্তের লেখা নয় তো?"
ইমোটা খিয়াল কৈরা! 

ক্রিস্টোফার হিচেন্স-এর শ্রেষ্ঠ মুহূর্তগুলো


খাপ-খোলা তরবারির মতো চাঁছাছোলা যাঁর যুক্তি, স্পষ্ট, শাণিত ও লক্ষ্যভেদী বক্তব্য দিয়ে প্রতিপক্ষকে নক-আউটে পাঠিয়ে দিয়ে যিনি অভ্যস্ত, তাঁর নাম ক্রিস্টোফার হিচেন্স। বর্তমান সময়ের অন্যতম খ্যাতনামা নির্ধার্মিক। দুরারোগ্য ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে অনিবার্য মৃত্যুর মুখে দাঁড়িয়েও তিনি অটল নিজ অবস্থানে। 

বিভিন্ন বিতর্ক অনুষ্ঠানে, আলোচনা সভায় বা সাক্ষাৎকারে তাঁর শ্রেষ্ঠ মুহূর্তগুলোর মারাত্মক রকমের দুর্দান্ত সংকলন। পনেরো মিনিটের ভিডিও। অতি-অতিঅবশ্যদ্রষ্টব্য। 

৯ অক্টোবর, ২০১০

বেকায়দায় ঈশ্বর


লিখেছেন লাইট ম্যান 

বর্তমান বিশ্বে প্রতিষ্ঠিত ধর্মগুলোর মধ্যে একমাত্র বৌদ্ধধর্ম ছাড়া হিন্দু, ইসলাম, খ্রীষ্টান ও জুডিজম ঈশ্বর বা খোদাকে ভিত্তি করেই রচিত। ঈশ্বরকে তুষ্ট করে ঈশ্বরের সান্নিধ্য লাভই এইসব ধর্মের মূল কথা। কোনো যুক্তি, তর্ক বা প্রশ্ন উত্থাপনের কোনো প্রকার সুযোগ নেই বলা চলে এইসব ধর্মে। বিশ্বাসই এই ধর্মগুলোর মূল ভিত্তি। যার বিশ্বাস যত বেশী, সে তত বেশী উন্নত ধার্মিক। ডারউইনের বির্বতনবাদের সূত্র আবিষ্কারের ফলে ধর্মব্যবসায়ীদের প্রধান হাতিয়ার হিসাবে একচ্ছত্র অধিপতি খোদার আসন টলমল হলেও ধর্মপ্রাণ মানুষের কাছে খোদার অস্তিত্ব এখনো প্রশ্নাতীতভাবে সত্য। এখানে আমি তথাকথিত পবিত্র ধর্মগ্রন্থগুলোর আলোকে কিছু বিষয়ের ওপর আলোকপাত করতে চাই, যেগুলোতে খোদার দোহাই দিয়ে মূলত ধর্ম-প্রবর্তনকারীরা নিজেদের স্ব-বিরোধিতা, হঠকারি সিদ্ধান্ত নিজের প্রচারিত ধর্মের অনুসারীদের ওপর চাপিয়ে দিয়েছেন নাকি ভবিষ্যৎ সম্পর্কে খোদার (মূলত নিজেদের) অজ্ঞতার বহিঃপ্রকাশ করেছেন ।

প্রথমে মানব জাতি সৃষ্টির উপখ্যান নিয়ে বিভিন্ন ধর্মের মিল-গরমিল গুলো দেখা যাক।

চেয়ে চেয়ে দেখলাম...



মস্তিষ্কবাসী ঈশ্বর


ঈশ্বরের বাস মানবমস্তিষ্কে। মানুষ তাকে ভেবে নেয়, কল্পনা করে নেয়। তার উপস্থিতি অনুভব করার পেছনে আমাদের মগজের একটি অংশের ভূমিকা আছে - এই কথাটি প্রমাণ করতে নিউরোসায়েন্টিস্ট মাইকেল পারসিঞ্জার তৈরি করেছেন "গড হেলমেট"।

এই হেলমেট মাথায় চড়িয়েছিলেন রিচার্ড ডকিন্সও। ফলাফল অনুমেয়। পাঁড় নির্ধার্মিকদের মাথায় ঈশ্বর-কল্পনা ঢোকার সুযোগ পেলে তো! 

কৌতূহলী হলে ভিডিও দু'টি দেখুন।

ইসলামীরা মধ্যযুগেই থাকতে চায়


বাল্যবিবাহ রোধ করতে বিয়ের জন্য নিম্নতম বয়স সতেরো নির্ধারণ করা নিয়ে গড়িমসি চলছে ইয়েমেনের পার্লামেন্টে। দেশে এই বিষয়ে কোনও আইন না থাকার সুযোগ নিয়ে ইসলামী আইনের দোহাই দিয়ে বাল্যবিবাহের হিড়িক লেগে আছে বহু বছর ধরেই। তবে নিম্নতম বয়স নির্ধারক প্রস্তাবিত আইনের প্রবল বিরোধিতা করছেন... কারা, কইঞ্চেন দেহি? হ, ঠিক ধরসেন। ইসলামী মোল্লারা। ইয়েমেনের শ'খানেক প্রধান মোল্লা প্রকাশ্যে প্রতিবাদ করে বলেছে, প্রস্তাবিত আইনটি অনৈসলামিক।

তা তো বটেই! ইসলামের নবী ছয় বছরের মেয়েকে বিয়ে করে অনুকরণীয় আদর্শ স্থাপন করে গেছেন না!

আপডেট: পোস্টটি প্রকাশের পর একটি প্রাসঙ্গিক সংবাদ ও ভিডিও চোখে পড়লো।



ধর্মনিষ্ঠ সারমেয়


এই কুকুর নির্ঘাত স্বর্গে যাবে! 

জন লেননের জন্মদিনে


বেঁচে থাকলে আজ জন লেননের বয়স হতো সত্তুর। 

জন লেননের আঁকা আত্মপ্রতিকৃতি

জন লেননের জন্মদিনের সম্মানে গুগল ও ইউটিউব তাদের লোগোতে পরিবর্তন এনেছে।



এই দিনে তাঁর গাওয়া দু'টি নির্ধর্মীয় সঙ্গীত শোনা যাক লিরিকসসহ। ভাবছেন, একটি গানের নাম অবধারিতভাবে "ইমাজিন"? না। খুব বেশি জনপ্রিয়তা পায়নি, এমন দু'টি গান।