৩১ মে, ২০১০

অপ্রিয় সত্য উপেক্ষিত


প্রিয় পুরনো পোস্টগুলো – ০৪


ধর্মকারীতে পোস্টের সংখ্যা পাঁচশো ছাড়িয়ে গেছে। এই সাইটের খোঁজ যেসব পাঠক সম্প্রতি পেয়েছেন বা ভবিষ্যতে পাবেন, তাঁদের পক্ষে আগে প্রকাশিত মজাদার পোস্টগুলো খুঁজে নেয়া ব্যাপক শ্রম- ও সময়সাধ্য ব্যাপার হবে ভেবেই হারানো-দিনের-পোস্ট ধরনের এই সিরিজের অবতারণা। পুরনো পাপীরাও এই সুযোগে স্মৃতিচারণ করে নিতে পারেন 

প্রতি পর্বে আমার বিশেষ প্রিয় পাঁচটি পোস্টের লিংক দেবো সংক্ষিপ্ত বর্ণনাসহ। শুরু করেছি ধর্মকারীর আদিকাল থেকে।

১. সংশয়বাদীর “গান” ("গান" ক্যাটাগরিতে দেয়া প্রথম গান। টিম মিনচিনের।)
২. আল্লাহ কেন পক্ষপাতী? (hot atheist chic ক্রিস্টিনার দু'টি ভিডিও)
৩. খতমের রকমফের (তিনটি দুর্দান্ত কার্টুন)
৪. ধর্মের বিজ্ঞাপনী-ভিডিও (বিনোদনদায়ী ছোট্ট ভিডিও)
৫. বিল মার, মারহাবা! - ০২ (ধর্মধৌতকারী ভিডিও)

আগের পর্বগুলো দেখতে নিচের "কাসুন্দি" ট্যাগে ক্লিক করুন।

নির্ধমীয় সঙ্গীত: Atheist - free from mind control


এক বৃদ্ধ নাস্তিক শুধু একটি ড্রাম বাজিয়ে খুবই সাধাসিধে একটি গান গাইলেন, এক সঙ্গিনী সঙ্গত করে গেল তাঁকে। গানের শেষে তিনিই চমৎকার মাউথঅর্গান বাজালেন গানটির সুরে। আর শেষে দু'জনে একসঙ্গে বলে উঠলেন: Have a great grand goddamn good godless day!



লিরিকস:

WE ARE THE ATHEISTS, FREE FROM MIND CONTROL,
WE HAVE NO GODS, DEVILS OR A SOUL,
OUR LIVES ARE HAPPY, AS PEOPLE CAN SEE,
CAUSE WE LOVE NATURE, AND HUMANITY.

ALL THROUGH THE AGES IGNORANCE PREVAILS,
RELIGOUS LEADERS PREACHING FAIRY TALES,
STOP ALL YOUR RAVING AND YOUR REHTORIC,
YOUR REELIGIONS MAKE US SICK.

LOGIC AND SCIENCE GOOD FOR YOU AND ME,
NOT A FOOLISH BIBLE, OR A DEITY,
LET'S WANT REALITY BE MY GOAL,
WE ARE THE ATHEISTS, FREE FROM MIND CONTROL
WE ARE THE ATHEISTS, FREE FROM MIND CONTROL
WE ARE THE ATHEISTS, FREE FROM MIND CONTROL
FREE FROM MIND CONTROL. YES!

তোমার স্বর্গে ভাগ বসাবো না






পোস্টটি লিখেছেন মুহিতুর রহমান।






UNIVERSITY OF LIBERAL ARTS BANGLADESH
ETE (9th Term)


- ইসলামের কোনদিকটা নিয়ে তোমার দ্বিধা আছে?



কোন পুর্বাভাস ছাড়াই এধরনের প্রশ্নের মুখে পড়ে অবাক হলাম। জিজ্ঞেস করলাম “কেন?”
- কারন তোমাকে আমার নাস্তিক মনে হয়।
- কি আসে যায়? আমার দ্বিধা দূর করতে চাও? কি লাভ? মানে তোমার স্বার্থ কোথায়?
- ইসলাম সম্পর্কে সবাইকে জানানো সব মুসলিমের দায়িত্ব।
- দায়িত্ব পালন করে স্বর্গ পাবা?
- পাবো কিনা জানিনা। চেষ্টা তো করতে হবে।
- স্বর্গের লোভে দায়িত্ব পালন করছো? লোভ করাই তো পাপ।
- স্বর্গের পাবার জন্য কাজ করা কি লোভ করা?
- লোভ না? আমি ঠিক জানি না। তাহলে ক্লাসিফাই করো, এই লোভ পাপ, এই লোভ পাপ না...
- শুধু শুধু প্যাচাচ্ছো কেন তুমি? যেটা জিজ্ঞেস করছি সেটা বলো।
- আমি নাস্তিক না। তোমার ধারনা ভুল। প্রানের সৃষ্টি, নিখুঁত ডি.এন.এ স্ট্র্যাকচার, মহাবিশ্বের ফ্ল লেস পিরিওডিক রুটিন এগুলো কাঁকতালীয় মনে হয়না। কোন বিশাল শক্তি ছাড়া এগুলো সম্ভব হবার কথা না। তাছাড়া ইশ্বরে বিশ্বাস না করলে আমি বড় কিছু পাপ করতাম। আমি এরকম কিছু এখনো করিনি।
তাহলে সেই বিশাল শক্তি যেভাবে চলতে বলেছে সেভাবে চলাই তো বুদ্ধিমানের কাজ, তাই না?
- হ্যা অবশ্যই। কিন্তু তোমরা যা করছো সেটাই যে ঐ শক্তি করতে বলেছে এমন কেন মনে করছো?
- কুরআন সম্পর্কে তোমার কেমন ধারনা?

বুঝলাম আমাকে ধার্মিক বানিয়ে স্বর্গ নিশ্চিত করার জন্য বন্ধুটি আটঘাট বেঁধেই নেমেছে। বললাম

- ধারনা খারাপ না। মোটামুটি ভালই। একসময় বেশ ঘাঁটাঘাটি করেছি। ঐ জিনিস যদি কোন মানুষ লিখে থাকে তাহলে সে পৃথিবীর সকল সাহিত্যিককে হার মানানোর মত প্রতিভাবান। এতো প্রতিভাবান একজন কেন শুধু শুধু মানুষকে বোকা বানাবে?
- তোমার ধারনা ঐটা মানুষের লিখা?
- ঠিক তা না। আমি প্রোগ্রামার, কিন্তু লজিক পছন্দ করলেও ভালোবাসি মিরাকল। একটা বিশাল শক্তি, মানুষের স্রষ্টা, তার প্রিয় একজন মানুষের মাধ্যমে সবাইকে কিছু ইন্সট্রাকশন পাঠাচ্ছেন... আসলেই থ্রিলিং।
- তোমার কথা পরিষ্কার না।
- কারন আমি নিজেও পরিষ্কার না। হাহ হা হা...। শোন একটা সিদ্ধান্তে আসা এতো সহজ না। আমি খুঁযে যাচ্ছি। খুঁজতে তো মানা নাই নাকি?
- নামাজ পড়োনা কেন?

এ পর্যায়ে গেয়ে উঠলাম,
- অবুঝ নামাজ পড়লে ভোলা... পাবে আঘাত মন...
- লালন বাউল ছিলো। বাউল ধর্ম একটা বাজে জিনিস।
- লালন বাউল ধর্মের ফলোয়ার ছিলেন না। আমরা লালন নিয়ে কথা না বাড়াই।
- আচ্ছা লালন বাদ। আমার কথার উত্তর দাও।
- নামাজ পড়িনা কথাটা ঠিক না। নিয়মিত পড়িনা। নামাজ হল ইশ্বর আর ইন্ডিভিজুয়ালের ব্যক্তিগত কমিউনিকেশন মিডিয়াম। এই ব্যক্তিগত সম্পর্ক নিয়ে তোমার ঘাটাঁঘাটি না করলেও চলবে।
- এই ডেফিনিশন তোমাকে কে দিলো?
- তোমার ডেফিনিশন কি?
- তুমি প্রশ্নের অ্যাগেইন্সটে সমসময় পালটা প্রশ্ন কেন করো?
- আমি আমার মতো ভাবি। নিজের পথের পথিক হবি... জ্ঞান নিবি ওদের থেকে... ওদের পথের পথিক হলে পাবি না তুই তোকে...। আমি নিজেকে হারাতে চাই না।
- নামাজ পড়া মানে কি নিজেকে হারানো?
- না বুঝে বিভিন্ন ভঙ্গিতে কিছু মন্ত্র আওড়ানো নিজেকে হারানো না তো কি?
- তোমাকে বুঝে পড়তে কে মানা করেছে?
- আচ্ছা বুঝেই পড়লাম। কেন পড়বো? ঐ ব্যাটার কিসের অভাব?
- ঐ বেটার কিছুর অভাব নাই। কিন্তু আমাদের জন্য যা ভালো উনি সেটাই করতে বলেছেন। তাই আমাদের সেভাবেই করা উচিৎ না?
- প্রথমত, ঐ বেটা আসলে আমাদের কি করতে বলেছেন সেটাই আমি বুঝিনা। তোমরা জ্ঞানীরা নিজেরাই কোরানের অর্থ নিয়ে দ্বিধায় থাকো। আর আমি তো ঢেউ টিন। দ্বিতীয়ত, তোমরা বলো যে নামাজ পড়লে আল্লাহর সাথে একটা যোগাযোগ তৈরী হয়। আমি সেরকম কিছু ফিল করি না। সম্ভবত ঐ বেটা আমাকে ঠিক পছন্দ করে না। তুমি ফিল করলে তুমি করো না।
- কিন্তু এইটা তো আর জীবনের শেষ না, আরেকটা জীবন আছে না?
- হাহ হা হা... ঐ বেটা আমাকে স্বর্গে দিবে না বলছো? আচ্ছা যাও ভাগ বসাবো না তোমার স্বর্গে।
( এ পর্যায়ে কারেন্ট চলে গেলো। আমাকে জব্দ করতে ঐ বেটাই করলো কিনা...)

ফেইথ ফাইটার: একটি গেম


নিজের বিশ্বাস বেছে নিন, তারপর লড়তে শুরু করে দিন ভিন্নধর্মের সঙ্গে। 

সাইটের লিংক। কোনও কারণে অনলাইনে খেলা না গেলে ডাউনলোড করে নিন। সাইজ ৩ মেগাবাইটেরও কম। গেমটির সিকোয়েলও আছে এখানে। 

দু'টি স্ক্রিনশট দেখুন:


৩০ মে, ২০১০

ধর্মের কাজ – বিভাজন


সব ধর্মই শাখা-প্রশাখা-উপশাখা-উপউপশাখা-উপউপউপশাখায় বিভাজিত। কিন্তু তা তো হবার কথা ছিলো না! এক নবী, এক ঐশী কিতাব, তবু এই বিভাজন কেন, ভেবে দেখেছেন? কারণ ধর্ম মানেই নিয়ন্ত্রণ এবং প্রভাব খাটিয়ে আমজনতার কাছ থেকে অর্থ হাতিয়ে নেয়ার পদ্ধতি। 

নিচের ভিডিওতে খ্রিষ্টান ধর্মের বহুল বিভাজন বিষয়ে আলোকপাত করা হয়েছে। অবশ্য ইসলামও কম যায় না। এখানে এক নজর চোখ বুলিয়ে আসুন।


ইসলামী ইতরামি: মিল্লাতখোমামোবারককিতাব


১. 
মোছলমানেরা ইহুদি-খ্রিষ্টানসহ যাবতীয় ভিন্নধর্মী ও বিধর্মীদের প্রতি নিয়ত ঘৃণা প্রকাশ করলেও সেই কাফেরদের আবিষ্কৃত ও উদ্ভাবিত সমস্ত পণ্য ও সার্ভিস ব্যবহার ও অনুকরণে তাদের লজ্জাবোধ কিন্তু নেই।

এই যেমন খোমাখাতা। স্পষ্টতই এক ইহুদি তরুণের মস্তিষ্কপ্রসূত আইডিয়া। তো এই আইডিয়া বেহায়ার মতো চুরি করে মোছলমানেরা খুলেছে হালাল খোমাখাতা। নাম রেখেছে: মিল্লাতফেইসবুক 

২.
মুহম্মদ-অঙ্কন দিবসের প্রতিশোধ হিসেবে মোছলমানদের মাথায় আগামী ৩০ জুন "হলোকস্ট-অঙ্কন দিবস" পালনের আইডিয়া এসেছে। এই কর্মটি তারা করবে কাফেরদের আবিষ্কৃত খোমাখাতায়। ক্যান বাপু, মিল্লাতখোমামোবারককিতাব-এই করতি! ছওয়াবও হতো তাহলে!

উপরোক্ত খবর দু'টির লিংক পাঠিয়েছেন দিগন্ত সরকার।

নিত্য নবীরে স্মরি – ০৪



'এসো আকি মুহম্মদ দিবস' বিষয়ে কয়েকটি প্রশ্নের উত্তর


নিজে উদ্যোগে "কিছু প্রশ্নের জবাব" পোস্টের ভিডিওটির ট্র্যান্সক্রিপ্ট অনুবাদ করে ধন্যবাদার্হ হয়েছেন আরিফুর রহমান।
নবীজির ছবি অঙ্কন দিবসের প্রয়োজনীয়তা ও লক্ষ্য বিষয়ে যাদের মনে কোনও প্রশ্নের উদয় হয়েছে, তাদের জন্যে অবশ্যপাঠ্য।

মে ২০১০, বিশ তারিখ, দুনিয়াজুড়ে পাবলিক 'এসো আকি মুহম্মদ দিবস' সাড়ম্বরে পালন করলো, এই দিনে সবাইকে আমন্ত্রন জানানো হয়েছে নিজেদের অঙ্কিত মুহম্মদের ছবি জমা দিয়ে দোজাহানের অশেষ নেকী হাসিল করতে। 

যেমনটি ভাবা হয়েছিলো, এই দিনটি সবাই আনন্দের সাথে মেনে নেয় নি, মুসলিমরা তো নয়ই, কিছু কিছু অমুসলমিও। এই অমুসলমিদের বিবিধ আপত্তি বিশ্লেষন করলে দেখা যায় যে তারা হয় দুর্বল যুক্তি নিয়ে এসেছে অথবা তাদের আপত্তি ভুল তথ্যের ওপর দাড়িয়ে। এই লেখায় 'এসো আঁকি মুহম্মদ' দিবসের সমালোচনা সমুহের ওপর আলোকপাত করা হবে, এবং আশা করা যায় মুহম্মদকে কেন আঁকবো সে বিষয়ে ধোঁয়াশা দুরীভূত হবে।

সর্বপ্রথমে আমরা রেসিস্ট বা জেনোফোবিক আক্রমন বিষয়ে শুরু করতে পারি। এই অভিযোগখানার ব্যাপারে ইহাই বলা যায় যে কিছু ব্যাক্তি আদতেই রেসিস্ট দৃষ্টিকোন থেকে ইসলামের সমালোচনা করে থাকেন, যা মোটেই সমর্থনযোগ্য নয়। অবশ্যই এ ধরনের আচরন ঘৃন্য ও আমাদের সতর্ক নজর দাবি করে। তবে এটাও ঠিক নয় যে ইসলাম বিষয়ে সব ধরনের অভিযোগই রেসিজম বলে চালিয়ে দেয়া যায়।

ইসলামের সমালোচনা করার অসংখ্য কারন আছে, যেমনি কারন আছে যেকোনো ধর্মেরই সমালোচনা করার। আর এই সমালোচনা কোনভাবেই গুরুত্ব হারায় না যদি কিছু রেসিস্ট ক্রিমিনাল ধর্মের সমালোচনার আড়ালে তাদের রেসিস্ট বক্তব্য প্রচারের অপচেষ্টা করে।

আদতে ইসলামের পোঙ্গা মারতে হলে রেসিজমের কোনো প্রয়োজনই নাই। রেসিস্টরা ইসলামের পোঙ্গা মারতেই পারে, তাতে ইসলামের পোঙ্গা মারা রেসিজম হয়ে যায় না।
একই ভাবে কিছু বদলোক যদি মুহম্মদকে আঁকার উৎসবে সামিল হয়, তাতে উৎসবটা বদলোকের উৎসবে পরিনত হয় না। তারা যে কারনেই সমর্থন করুক না কেন, তারা আদতে বদ।

আবার অনেকে বলবেন এই উৎসবটা শিশুসুলভ খোঁচাখুচি, কোনো সত্যিকার বক্তব্য নাই, ইত্যাদি ইত্যাদি। বাস্তব হলো, দিনটা একটা প্রতিবাদের দিন হিসেবেই পালিত হয়েছে। প্রতিবাদ হয়েছে মোহাম্মদের ছবি আকার বিরোধীদের ভীতিজাগানিয়া আক্রমনাত্মক আচরনের বিরূদ্ধে। তাদের এই জঙ্গীপনা সৃষ্টি করেছিলো এক অদ্ভুত ঘন ভীতির আবহ, যেখানে মানুষ ও কর্তৃপক্ষ মোহাম্মদের ছবি আঁকা বা ইসলামের সমালোচনা করার সাহস হারিয়ে ফেলেছিলো, ‘না জানি কি হয়’ এই আতংকে। আতংকেই তারা সিঁটিয়ে গিয়েছিলো, মনোভাব প্রকাশ করার যে স্বাধীনতা, তাতে একগোলা কালি ঢেলে দেয়া হয়েছিলৌ। সমস্যাটা গভীর হয়ে পড়ছিলো, কারন শুধুমাত্র ইসলাম নয়, যেকোনো ধর্মের সমালোচনা করাই এক প্রকার শারিরীক ক্ষতির ব্যাপার হয়ে দাড়িয়েছিলৌ। এটা বেশ চিন্তার বিষয়।

মুহম্মদ অঙ্কন দিবসের মূল উদ্দেশ্যই ছিলো গন হারে মুহম্মদকে আঁকার মাধ্যমে এই ভীতির আবহ থেকে বিশ্ব মনন কে মুক্ত করা। এই যে সার্বক্ষনিক হুমকি মাথার ওপর, তার অপব্যাবহার শুরু হয়েছিলো বিভিন্ন দিকে। সারা বিশ্বে সকলে মিলে মুহম্মদকে বিভিন্নভাবে এঁকে আমরা দেখিয়ে দিয়েছি, যে আমরা ভীত হতে পছন্দ করি না। কার্টুন আঁকলে হুমকি দেয়ার চর্চাটাকেও আমরা প্রত্যাখ্যান করেছি দৃঢ়ভাবে।

কোনটা বেশি ক্ষতিকর? কাউকে শারিরীক ভাবে আহত করা? নাকি তার ধর্মানুভূতিতে সুরসুরি দেয়া? ধর্মানূভুতিতে সুরসুরি দিলে গায়ে হাত তোলা কোনোভাবেই মেনে নেয়া হবে না, এটাই দেখিয়ে দেয়া হয়েছে।

অনেকে বলেন, মুহম্মদকে আঁকলে সকল মোহামেডিয়ানেরই দিলে চোট লাগে, সুতরাং আমাদের ক্ষ্যান্ত দেয়া উচিত। শুনে বোঝা যায়, তারা মূল বিষয়টাই অনুধাবন করতে পারে নাই। কারো ছবি আঁকলে তাতে আহত হবার হাস্যকর কথাটা যে ফালতু হয়ে গেছে (সবসময়ই ফালতু ছিলো আসলে) সেটা তাদের কি করে বোঝানো যায়? ‘মুহম্মদের সবচে শিশুতোষ ছবিটা আঁকাটা নাকি চরমতম অপরাধ’ এই হাস্যকর বক্তব্য মেনে নেয়ার জন্য বলাটাই তো বালখিল্যতা। 

আবার অনেকে বলেন, কোনটা অপমানজনক আর কোনটা নয়, এটা নির্ধারন করার আমরা কে? আমরা কে তাদের সংগে ভিন্নমত পোষন করার? আমরা আসলে কে? আসলে, আমরা হলাম সেই জনগোষ্ঠী যাদের বলা হচ্ছে রয়েসয়ে কথা বলতে যাতে ধার্মিকদের আঁতে ঘা না লাগে। আচ্ছা!! তারা যদি ধর্মানুভূতির সূচক রচনা করতে পারে, তাহলে সেই একই যু্ক্তিতে আমরাও তো তাদের সেই সূচক ধরে টান দিতে পারি, তাই না? শুধুমাত্র ধর্মীয় বলেই যেকোনো বিশ্বাস বুঝি সমালোচনার উর্ধ্বে উঠে যায়?

তারপরে, তোমরা কোথায় ছিলো তোমাদের অনুভূতির চাঙ্গড় নিয়ে, যখন ধাপে ধাপে খ্রীস্টানত্বের পশ্চাৎদেশ মথিত হচ্ছিলো গতো কয়েকবছর ধরে? ক্যাথলিক চার্চকে বুড়ো আঙ্গুল দেখানোর তরিকা যখন ইন্টারনেটে প্লাবিত হচ্ছিলো, তোমাদের মুহম্মদ প্রীতির আদলে ধর্মবাজি তখন কোথায় ছিলো? ধর্মের পোঙ্গা মারা যদি অপরাধই হয়, তখন তোমরা কেন ঘুমুচ্ছিলে? 

কিছু আছেন যারা বিজ্ঞের মতো বলেন, ‘আসলে মুসলামনদের জন্য এই বিশ্বাস খুবই গুরুত্ব রাখে, তাদের তাই ছেড়ে দেয়া উচিত’। আচ্ছা, আমি যদি বিশ্বাস করি তাদের এই বিশ্বাস ভুয়ো, তাহলে সেইসব বিজ্ঞ কি আমার বিশ্বাসও সন্মান করতে বলবেন না? এটা তো পরিষ্কার, কে কতো শক্তভাবে বিশ্বাস করে তার সাথে বিশ্বাসটার বাস্তব হবার কোনো সম্পর্কই নেই! কিছু আবাল আছে, তারা অদ্ভুত অদ্ভুত জিনিসে বিশ্বাস করে, তাতে কি সেটা সত্যি হয়ে যায়? বা সন্মানের যোগ্য হয়ে যায়? অন্ততঃ সমালোচনার থেকে বাঁচার জন্য এই বিশ্বাসের পোক্ততা কোনো কাজেই আসে না। 

সত্যি বলতে, আমার যদি কোনো বিশ্বাস থাকেই, আমি বরং সমালোচনাকে স্বাগতঃ জানাবো, কারন আমি জানি সমালোচনার আগুনে পুড়ে আমার বিশ্বাস আরো খাঁটি হবে। আমি মোটেও দাবি করবো না, যে তারা যেনো আমার বিশ্বাসকে আহত না করে। বরঞ্চ সবারই উচিত সমালোচনাকে ধারন করা, তাকে যৌক্তিক মর্যাদা দেয়া।

অনেকে একটা হাস্যকর যুক্তির অবতাড়না করেন। বলেন, যে বিশ্বাসীর অস্তিত্ব এতোটাই ওতোপ্রোত ভাবে তার বিশ্বাসের সাথে জড়িত, যে তার বিশ্বাসের ভুল ধরিয়ে দেয়া একার্থে তাকে নির্মম ভাবে আঘাত করার মতোই, যার সত্যিকার কোন ফল নেই।

এই সমস্যাটা তো আসলে বিশ্বাসীর, সমালোচকের নয়। এছাড়াও বিশ্বাসের আমূল পরিবর্তন খুবই সম্ভব। ধর্ম পরিবর্তনকারীদের দেখুন, প্রত্যাগত ও বিচ্ছিন্নদের দেখুন। তারা তো বিশ্বাসের বদল হয়েছে বলেই পরিবর্তিত হয়েছে? আর যেটা একজনের জন্য সম্ভব, তাত্বিকভাবে সেটা যে কারো জন্যেই প্রযোজ্য।

এছাড়াও, যুক্তিপূর্ণ ও প্রমাণ পাবার পরেও যদি কারো বিশ্বাসের পরিবর্তন না আসে, তাহলে তারাই তো এই অপরিবর্তনীয়তার জন্য দায়ী। আমাদের কোনো ঠেকা পড়ে নাই, তার বিশ্বাসের কারনে তাকে রক্ষা করে তারপরে সমালোচনা করার। বিশেষ করে যখন তারা সমালোচকদের প্রতি সহিংস হয়ে ওঠৈ। অজ্ঞতার দৃঢ় প্রস্তরের কেউ যদি তার বিশ্বাস ধরে বসে থাকে, সেটা আমাদের দোষ হয় কি করে?

অনেকে আবার মানবতাবাদীর ভেক ধরে বলেন, মুহম্মদের ছবি আঁকলে মুসলিমদের অধিকার খর্ব হয়। যদিও কোনো মুসলিমের স্বাধীনতার সাথে মুহম্মদের ছবি আঁকার কোনো প্রকার সম্পর্কই নেই। কেমনে কি! কারো বিশ্বাসের বিপরীতে যায় এমন কিছু সামনে পড়লেই যদি কারো অধিকার নিয়ে টানাটানি পড়ে যায়, তাহলে তো সমস্যা। কারন সমালোচনা থেকে মুক্ত থাকার কোনো অধিকার কাউকে দেয়া হয় নাই। তোমার ধর্মকে সন্মান করতে গেলে আমার মত প্রকাশের স্বাধীনতা যদি খর্ব করতে হয়, তাহলে তো চলবে না। মোহম্মদের ছবি আঁকায় কারো কোনো অধিকার খর্ব হয়েছে বলে জানা নাই।

আরেক দল বলেন, জেনেশুনে সংঘর্ষ সৃষ্টির উদ্দেশ্যে মুহম্মদের ছবি আঁকার মাঝে এক ধরনের দায়িত্বহীনতা আছে। এরা এটাও বলেন, যে ছবি আঁকার কারনেই পাকিস্তানকে খোমাখাতা আর য়্যুটুব বন্ধ করে দিতে হয়েছে। কি হাস্যকর যুক্তি! আরে বাবা, মোহাম্মদের ছবি আঁকার নিষিদ্ধতাকে তুলোধুনো করতেই না এই প্রতিবাদ দিবস, সেটাকেই আবার কারন হিসেবে দেখানো মানে জেগে জেগে ঘুমানো।

এটা তো পরিষ্কার, পাকিস্তানের জনগনকে খোমাখাতা আর য়্যুটুব থেকে বঞ্চিত করার দায়টা পাকি-সরকারের ওপরই বর্তায়। এটা দিবস-পালকারীদের ঘাড়ে চাপানোর চেষ্টার অর্থ দাড়ায়, পাকি সরকার খোমাখাতা বন্ধ বিষয়টার দায়িত্ব নিতে চাইছে না। কি হাস্যকর। আমাদের যদি আমাদের কাজের জন্য দোষী সাব্যস্ত করা যায়, তাহলে তাদের কাজের জন্য তারা দায় নিবে না কেন? নিজেদের পদক্ষেপের ওপর কি তাদের কোনো নিয়ন্ত্রনই নাই?

আসলে, পৃথিবীর প্রত্যেকটা মানুষের কাছে মানবজাতির যে প্রত্যাশা, মানে দায়িত্ববোধ, যৌক্তিকতা, আত্মনিয়ন্ত্রণ, মুসলিমদেরকে এর অযোগ্য বিবেচনা করা বরং মুহম্মদ আঁকার চেয়ে বেশি অপমানকর। মুহম্মদ অংকন দিবসের বেশিরভাগ সমালোচনার শুরুটাই হয় এই ধারনা থেকে যে মুসলমানেরা এক ধরনের নীচু জাতের প্রাণী। তাদেরকে মানবজাতির পরিনত, যোগ্য ও সমান মর্যাদাসম্পন্ন সদস্য হিসাবে বিবেচনাই করা হয় না। এটা মোটেও ঠিক না।

কিছু আছেন, যারা খ্রীস্টান বা অন্যকোন ধর্মের সমালোচনায় দোষ খুঁজে পান না, যদিও ইসলাম নিয়ে কিছু বললে তাদের আবার গা জ্বলে। শুধুমাত্র ছবি এঁকেই যে ধুন্ধুমার লেগে গেলো তাতে এধরনের দ্বৈতরথও দেখা গেলো। প্রমান হলো যে দিবসটার প্রয়োজন ছিলো। অনেকগুলি বিষয় আলৌকিত হলো। যার প্রয়োজনও ছিলো। 

আশা করি আগামী বছর আবারও হবে মুহম্মদ আঁকা ইদের দিনে দেখা, আপনাদের সবার সাথে।

জাদুশব্দত্রয়ী


আমার প্রিয় এক নির্ধার্মিক ইউটিউবার ফিল তাঁর সাম্প্রতিকতম ভিডিওটি বলছেন প্রবল প্রভাবশালী তিনটি শব্দের কথা। ধর্মে বিশ্বাস আছে (শৈশবে মনে গেঁথে দেয়া হয়েছে বলে), কিন্তু আস্থা নেই যাঁদের, তাঁরা একটু সাহস করে এই শব্দত্রয় উচ্চারণ করার কথা ভেবে দেখতে পারেন।


২৯ মে, ২০১০

ধর্মাতুল কৌতুকিম – ১৫


৪৩.
– হিন্দুদের জন্যে সবচেয়ে বড়ো ফাঁপর কী?
– বিনামূল্যের গরুর মাংস।


৪৪.
– মুসলমানেরা মহাকাশভ্রমণের উদ্যোগ নেয় না কেন?
– কারণ তারা মহাকাশযান নিয়ে উঁচু দালানগুলোয় ঢুকে পড়তে পারে।


৪৫.
দুই বারবনিতা তাদের গাড়ির মাথায় পোস্টার সাঁটলো: "মাত্র ১০০ ডলারে দুই সেক্সি বারবনিতা!" গাড়ি রাস্তায় বের করতেই পুলিশ তাদের থামিয়ে পোস্টার নামানোর আদেশ দিলো। 
ঠিক সেই সময় একটা গাড়ি গেল পাশ দিয়ে, সেটির ওপরের পোস্টারে লেখা ছিলো: "আত্মার মুক্তি চান? ঈশ্বরের পথে আসুন।"
বারবনিতারা জিজ্ঞেস করলো:
– আমাদের গাড়ি থামালেন, ওদেরটা থামালেন না কেন?
– কারণ ওটা ধর্মীয় ব্যাপার।
পরদিন বারবনিতাদের গাড়ি বের হলো পথে। পোস্টারে লেখা: "মাত্র ১০০ ডলারে দুই হুর আপনাকে স্বর্গীয় সুখ দেবে"।

কিছু প্রশ্নের জবাব


মুহম্মদ-অঙ্কন দিবস নিয়ে শুধু অধিকাংশ মুসলিমই ক্ষুণ্ণ, ক্ষুব্ধ ও ক্ষিপ্ত নয়, অনেক ভিন্নধর্মী ও নির্ধর্মীকেও অসন্তোষ প্রকাশ করতে দেখা গেছে। পরবর্তীদের মনে যে প্রশ্নগুলোর উদয় হয়েছে, সেগুলোর চমৎকার জবাব দিয়েছেন ZJemptv। কিছুটা একঘেয়ে বাচনভঙ্গির কারণে নয় মিনিটের ভিডিওটি খুব সুখশ্রাব্য মনে না হলে তাঁর বক্তব্যের ট্র্যান্সক্রিপ্ট পড়ে নিতে পারেন বা দেখতে পারেন শোনার পাশাপাশি।


প্রচারে বিঘ্ন – ০৩



ইসলামী ইতরামি: অনন্ত, অসীম


১.
বাংলাদেশের ইছলামী দলগুলো এবার দেশে ফেইসবুক বন্ধ করার দাবি জানিয়েছে। দাবি মানা না হলে ২৮ জুন হরতাল। তারপর ডেনমার্ক দূতাবাসও বন্ধ করে দেয়ার দাবি তাদের, নইলে দূতাবাস অভিমুখে মিছিলের হুমকি। এবং ফতোয়া নিষিদ্ধ করার রাষ্ট্রীয় উদ্যোগ নেয়া হলে তৌহিদ জনতা সরকার পতনের দাবিতে পথে নামবে। 
শালাদের পাছায় লাত্থি দিয়ে পাকিস্তান বা সৌদি টাইপ দেশে পাঠিয়ে দিতে ইচ্ছে করে!

২.

ইছলামী আওরাতরা আঁটোসাটো জিনস পরে রাস্তায় হেঁটে ঈমানদার মুছলিম ভাইদের কামোত্তেজনা জাগাতে যাতে না পারে, তাই ইন্দোনেশিয়ার পুলিশেরা তেমন বেশরিয়তী মেয়েদের ধরে ধরে ইছলামী স্কার্ট পরিয়ে দেবে। 

৩. 
নারীদের পোশাক বিষয়ে ইছলামী আপত্তির আরেকটি নিদর্শন। সৌদি আরবের এক বিশ্ববিদ্যালয়ের দশজন ছাত্রীকে জাপান থেকে উদ্ভূত ফ্যাশন "ইমো" স্টাইলে পোশাক পরার অপরাধে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে।

৪. 
সন্তানের প্রতি ভালোবাসার চেয়ে খ্রিষ্টানবিদ্বেষ প্রবলতর হলেই শুধু খ্রিষ্টান ছেলেবন্ধু থাকার কারণে নিজের মেয়েকে হত্যা করা সম্ভব। 

বর্তমান বিশ্বে ইসলামের অবদান


ভিডিওটির নির্মাতা লিখেছেন: Islam has always stated, that some of the benefits the world has aquired, come from muslims. Here is a video, dedicated to the wonderful gifts Islam has given to mankind. 

অতিঅতিঅতিঅবশ্যদ্রষ্টব্য।


২৮ মে, ২০১০

রেলিজিয়ন ইজ আ লোড অভ বুলশিট


দর্শকের প্রশ্ন, রিচার্ড ডকিন্সের উত্তর:



কিছুটা অপ্রাসঙ্গিক কথা।
ধর্মগুলো সবার কাছে শ্রদ্ধা দাবি করে। কিন্তু তারা, সম্ভবত, বোঝে না যে, শ্রদ্ধা দাবি করবার বিষয় নয়। শ্রদ্ধা অর্জন করে নিতে হয়। রিচার্ড ডকিন্সের আরেকটি উক্তি ভীতি ও শ্রদ্ধা বিষয়ে:
I may refrain from insulting you. I may refrain from publishing a cartoon of your prophet. But it’s becuse I fear you. Don’t think for one minute that it’s because I respect you.

সচিত্র হা-হা-হাদিস – ১৩


লাবিদ বিন আল-আসাম নামের এক জাদুকর একবার ইসলামের পেয়ারে নবীকে এতোটাই সম্মোহিত করতে সক্ষম হন যে, নবীজি আদতে যা করেননি, তা করেছেন বলে ভাবতে শুরু করেন। সব স্ত্রীর সঙ্গে সহবাস না করেও তা করেছেন বলে তাঁর মনে হতে থাকে 


প্রাসঙ্গিক হাদিস:

Bukhari vol. VII. No. 658 Narrated Aisha: 
A man called Labid bin Al-A’sam from the tribe of Bani Zaraiq worked magic on Allah’s Apostle until Allah’s Apostle started imagining that he had done a thing that he had not really done.

Bukhari vol. VII. No. 660 Narrated Aisha: 
Magic was worked on Allah’s Apsotle so that he used to think that he had had sexual relations with his wives while he actually had not… “He is under the effect of magic.”

Bukhari vol. VII. No. 661 Narrated Aisha: 
Magic was worked on Allah’s Apostle so that he began to imagine that he had done something although he had not.

যিশুরন্ধনপ্রণালী


ভিডিওটি তিনি বানিয়েছিলেন ১৯৭৮ সালে। ২০০৫ সালে এক টিভি-সাক্ষাৎকারের সময় তিনি সেই ভিডিও থেকে কয়েকটি স্থিরচিত্র প্রদর্শন করেন। এবং এই কারণে তাকে আদালতের মুখোমুখি হতে হচ্ছে ২০১০ সালে। আসামী - স্পেনের জনপ্রিয় সঙ্গীতরচয়িতা Javier Krahe। সেই স্থিরচিত্রগুলোতে তিনি দেখিয়েছিলেন, এক মহিলা ক্রুশ থেকে যিশুকে নামিয়ে রান্না করছেন। আর মূল ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, রান্না বিষয়ক টিভি-প্রোগ্রামের ধরনে সেই মহিলা রন্ধনপ্রণালী বর্ণনাও করছেন। বর্ণিত রন্ধনপ্রণালীর ইংরেজি অনুবাদ:
Let’s take a gaunt Christ for every two persons. Remove the spikes and take the body from the cross, which will be left aside. The stigmas can be stuffed with bacon. Uncrust with warm water and dry carefully. Abundant butter will be spread on the Christ, which will be then placed on an ovenproof dish, over a bed of onions. Spread over it some salt and pepper, other spices and fine herbs can be added to suit your taste. The mixture is to be left in a moderate fire oven for three days, after which He will get out on his own.



প্রাসঙ্গিক একটি কার্টুন:


(ছবিতে ক্লিক করে পূর্ণাকারে দেখুন)

দু'টি সুসংবাদ


১.
ফতোয়া বা ইসলামী শরিয়ার নামে বিচার বহির্ভূত শাস্তি প্রদান কেন অবৈধ ও মানবাধিকার পরিপন্থী ঘোষণা করা হবে না, তার কারণ জানতে চেয়ে বাংলাদেশ সরকারের প্রতি রুলনিশি জারি করেছে হাইকোর্ট । 

২.
বাংলাদেশে যখন সবেমাত্র ফতোয়া অবৈধ করার প্রাথমিক উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে, তখন কেনিয়ায় ইসলামী বিচারব্যবস্থা নিষিদ্ধ ঘোষিত হয়েছে।

২৭ মে, ২০১০

নিত্য নবীরে স্মরি – ০৩



শিশুদের জন্য আদর্শ ধর্মশিক্ষা



খ্রিষ্টধর্মের ধৃষ্টতার দৃষ্টান্ত - ০২


১.
ব্রাজিলে কর্মরত পোলিশ ধর্মযাজককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি তাঁর বাড়িকে শিশুকামী "জেলখানা" বানিয়ে ফেলেছিলেন।

২. 
ধর্ম মানেই বিজ্ঞান ও উন্নতির প্রতিবন্ধক। যুগে যুগে ধর্মের হাতে নিগৃহীত হয়েছেন অজস্র বিজ্ঞানী। তাঁদেরই একজনের নাম নিকোলাস কোপার্নিকাস। মানবচিন্তাজগতে বিপ্লব ঘটানো পোলিশ এই মহাকাশবিদই সর্বপ্রথম দাবি করেন, পৃথিবী বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের কেন্দ্র নয়। তাঁর এই দাবি পৃথিবীই-বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের-কেন্দ্র বলে বাইবেলে উল্লেখিত বাণীকে অস্বীকার করার স্পর্ধা দেখিয়েছিল বলে তাঁকে উৎপথগামী (heretic) ঘোষণা করেছিল ক্যাথলিক চার্চ। কোপার্নিকাস কিন্তু চার্চেরই কর্মচারী ছিলেন। তাঁর মৃত্যুর পর পেরিয়ে গেছে ৫০০ বছর। গত ২২ মে তাঁকে চার্চীয় মর্যাদায় পুনর্দাফন করে চার্চ অনুশোচনা প্রকাশ করলো তার কৃত অজস্র কুকর্মের একটির। এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশের কোনও কোনও এলাকায় প্রচলিত একটি বাক্য মনে পড়ে গেল: সেই কুত্তা সেই গু-ই খাইলো, খালি একটু মাখাইয়া খাইলো 

৩.
৫ বছর বয়সী শিশুর সঙ্গে যৌনকর্ম করার অভিযোগে অভিযুক্ত হয়েছেন ৭২ বছর বয়সী বাইবেল শিক্ষক। তিনি ব্যাপটিস্ট বাইবেল চার্চে তরুণদের বাইবেল পড়ান।

৪. 
সহকর্মী নাস্তিক বলে তাঁর শরীরে "পবিত্র পানি" (এইটা যে কী চিজ, বুজতারি নাই কোনওদিনও) ঢেলে দিয়েছেন দুই শিক্ষক। এখন তাদের চাকরি নিয়ে টানাটানি পড়ে গেছে। আমি নির্ধর্মী বলে আমাকে পুণ্যবান বানানোর লক্ষ্যে আমার গায়ে কোনও মুসলমান যমযমের পবিত্র পানি ঢেলে দিলে আমি তার গায়ে ভোদকা বা বিয়ার ঢালবো অথবা শুয়োরের মাংস ছুঁইয়ে দেবো তার শরীরে 
(খবরটির লিংক পাঠিয়েছেন দিগন্ত সরকার)

আত্মঘাতী বোমারু তৈরির ইসলামী পদ্ধতি


অবাক হয়ে ভাবি, তথাকথিত মডারেট মুসলিমরা তালিবানদের খারাপ মুসলিম ভাবে কেন? তালিবানেরাই তো কোরান-হাদিস সবচেয়ে বেশি মানে! 

তালিবানদের আত্মঘাতী বোমারু তৈরির ইসলামী পদ্ধতির গল্প শুনুন এবং দেখুন।


ডাউনলোড লিংক (৩৫ মেগাবাইট)

২৬ মে, ২০১০

গাঁজাখুরি কল্পকাহিনীগুলো


কী ভীষণ মানবিক!


ধর্মকারীর চরিত্রের সাথে হয়তো ঠিক যায় না, তবু এই ভিডিওটি শেয়ার না করে পারছি না। আমার মতে, অতিঅবশ্যদ্রষ্টব্য।



প্রাসঙ্গিক আরেকটি পোস্ট: ওরাংওটাং আর কুকুর

দু'টি দুর্দান্ত প্যারোডি-ভিডিও


চলচ্চিত্রের প্যারোডি-ভিডিও। প্রধান চরিত্রে ডারউইন।


ডাউনলোড লিংক (৬ মেগাবাইট)

প্যারোডি-ভিডিওসংবাদ কতোটা উঁচু মানের হতে পারে, তার অন্যতম নিদর্শন হতে পারে নিচের ভিডিওটি। ভাগ্যিস, প্যারোডি-সংবাদের খ্যাতনামা সাইট "দ্য অনিয়ন"-এর মনোগ্রাম চোখে পড়েছিল! নইলে হয়তো বিশ্বাসই করে ফেলতাম 



ডাউনলোড লিংক (৯,৮৪ মেগাবাইট)

ডেস্কটপে ব্যবহারযোগ্য


নির্ধর্মীদের পিসি-র ডেস্কটপে ব্যবহারযোগ্য অতি চমৎকার একটি পোস্টার। পূর্ণ আকারে পেতে হলে ছবির ওপরে ক্লিক করুন।

নুহনামা


বাইবেল-কোরানের উৎকট কু-রূপকথাগুলোকে নানানভাবে পচাতে পারলে আনন্দও হয় বৈচিত্র্যময়। এই যেমন, নুহ-এর মহাপ্লাবন বিষয়ক কাহিনীটি আসলে নেহাতই মিথ। মাঝেমধ্যেই মনে হয়, মিথ ও মিথ্যার মধ্যে মূলত পার্থক্য নেই কোনও।

মজাদার পচানি-ভিডিও দেখুন।


২৫ মে, ২০১০

নিত্য নবীরে স্মরি – ০২


মুহম্মদ-অঙ্কন দিবস পার হয়ে যাবার পরে ইছলামের নবী এবং তাঁর প্রবর্তিত ধর্ম ও ধর্মানুসারীদের নিয়ে আঁকা বেশ কিছু কার্টুন, কোলাজ ও পোস্টার জমেছে সংগ্রহে। সেগুলোর গতি করতে এই সিরিজের অবতারণা।


সরিয়ে নিন শরিয়া আইন


শরিয়া আইনের প্রতিবাদে লেখা মর্মস্পর্শী কবিতা। লিখেছেন ও আবৃত্তি করেছেন Nessrriinn
কবিতাটি ভিডিওর নিচে প্রকাশ করা হলো।

একটি অনুরোধ: পোস্টের লিংকটি আপনার তথাকথিত "মডারেট" মুসলিম ভাইদের সঙ্গে শেয়ার করুন, যাঁরা আল্লাহ, ইসলাম আর নবীজির যে-কোনও সমালোচনায় সরব হয়ে ওঠেন, কিন্তু নীরবতাই উত্তম পন্থা জ্ঞান করেন ইসলামের নামে করা অমানবিক ঘটনাবলির সময়ে।



he's buried chest high
her arms can't stop the stones that fly
or wipe the tears that have already dried
for a crime she so persistently denied
she's buried chest deep
the moderates asleep
no matter how hard she weeps
worth half of a man, her testimony's cheap

allah subhana wa ta3ala has come up with such a fair rule
dictators of history couldn't be so cruel
told by mohammed sallahu 3alhe wa salam
teaching us allah's divine referendum
what becomes of those who have a sip of rum
drinks to forget or wants to be numb
or those who play the game of chance
poker buddies escaping the religious trance

allah's prescribed in his merciful script
their flesh be ripped their blood be dripped
at the tip of a muslims whip
she's buried chest high
her arms can't stop the stones that fly
or wipe the tears that have already dried
for a crime she so persistently denied
and this is allah's eternal reply

1400 years of backwards law
a tragic flaw of the primitive claw
the tribe of homosexuals
koum lot as they say
sharia is clear on how they should pay
the price for their gay display
life doesn't matter which way
abu baker got them with a tumbling wall
ali muhammad's cousin and son in law
had people burned for their sexual call
an entire village children and all

she's buried chest deep
the moderates asleep
no matter how hard she weeps
worth half of a man her testimony's cheap
apostates remember those who have bled
to speak the word Muslims leave unsaid
killed for the sake of those mislead
submit now or be left dead

allah subhana wa ta3ala has come up with such a fair rule
the devil himself couldn't be so cruel
she's buried chest high half way deep
while the moderates are still fast asleep
while the world stands silent
her testimony's cheap.
stones thrown by religious sheep.

witches were burned long ago
til the flame of freedom began to glow
and we learned to say the word 'no'
no know that your laws are unjust
not worthy of respect only disgust
beheading those with a knifes thrust
oh but in Allah we blindly trust

she's buried head high
in a heap of stones.
no more crying no more moans
all that's left is skin and bones
Allah has come up with such a fair call
the true justice of sharia law

ইন্টারনেটে ইসলাম অসহায়


সুইডেনের পত্রিকায় ছাপা হয়েছিল বারোটি কার্টুন, আর তাতেই তুলকালাম কাণ্ড ঘটিয়ে ফেললো মুসলিম জাহান। আর এবারে ইন্টারনেটের মতো সর্বব্যাপী মাধ্যমে প্রকাশ হলো হাজার-হাজার কার্টুন, অথচ মুসলিমরা এবার ভাঙার মতো দূতাবাস পেলো না, পোড়াবার মতো পতাকা পেলো না, কোনও দেশের উৎপাদিত পণ্য বর্জন করার উদ্যোগ নিতে পারলো না, পারলো না কারুর কল্লা কেটে নেয়ার হুমকি দিতে। ভার্চুয়াল এই জগতে ইসলামী বর্বরতা আর শরিয়া আইন যে একেবারেই অচল! 

থান্ডারফুট ওপরের কথাগুলোও ভিডিওতে বলেছেন। পুরোটা দেখুন।


কোরানের বাণী / কেন এতো ফানি – ০২ (সম্প্রসারিত ভাবসহ)


হোমওয়ার্ক ছিলো এই কমিকস দেখে তারপরে নিচের আয়াতের ব্যাখ্যা:

আপনি অন্তরে এমন বিষয় গোপন করছিলেন, যা আল্লাহ পাক প্রকাশ করে দেবেন আপনি লোকনিন্দার ভয় করেছিলেন অথচ আল্লাহকেই অধিক ভয় করা উচিত। অতঃপর যায়েদ যখন যয়নবের সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করল, তখন আমি তাকে আপনার সাথে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ করলাম যাতে মুমিনদের পোষ্যপুত্ররা তাদের স্ত্রীর সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করলে সেসব স্ত্রীকে বিবাহ করার ব্যাপারে মুমিনদের কোন অসুবিধা না থাকে। আল্লাহর নির্দেশ কার্যে পরিণত হয়েই থাকে।

(সুরা আল আহযাব, আয়াত ৩৭)

পাঠককুলকৃত সম্প্রসারিত ভাব:

shuvrosunny

এইখানে কবি বলতে চেয়েছিল যে, "কৃষ্ণ করলে লীলাখেলা আর আমি করলে লুচ্ছামী ;-)। বড় *নের সবই রাইট হয় গরীব করলে রঙ" মুহম্মদ দিনের পর দিন মাইয়াগোরে নিয়া খেল তামাশা করছে, মাগার কেউ কিছু করলে কয় সবই আল্লাহর ইচ্ছা। আফসুস আল্লাহ ক্যান যে আমার উপর এরাম চিন্তা-ভাবনা আসে না :-( । একটা ব্যাপার চিন্তা কইরা দেখেন, ইসলাম ধর্মে যেমনে বলা হইছে "এই কাজের জন্য এতগুলা মাইয়া পাইবা বেহেশ্তে গেলে, সেইরাম অন্য কোনো ধর্মে কিন্তু কওয়া হয় নাই"। আমার মাঝে মাঝে মনে হয়, পৃথিবীতে যারা প্রথমে অন্য ধর্ম থেকে ধর্মান্তরিত হয়েছে, তারা এই মেয়েদের লোভেই গিয়েছে। আর কোরানের একটা বিশাল জায়গা জুড়ে কামসূত্রের নানা রকম কান্ডকারখানা দেয়া রয়েছে (অবশ্যই এতে মুহম্মদ নায়ক, আর নায়িকা বহু ;-) ), তাতে যে কারোরই বিশেষ জায়গায় সুড়সুড়ি দিবে। আর মুহম্মদের কামই ছিল কার বউ কত সুন্দর আর কারে কেমনে লাগাইবো সেইটা চিন্তা করা, তাই কোরান নামক চটি বইয়ে এইরকম কিছু পাইলে অবাক হওনের কিছু নাই, বরং না থাকলেই মন খারাপ করার কথা...


আইজুদ্দিন (বাংলা ব্লগজগতে পরিচিত ব্লগার আইজুদ্দিন নন)

এই আয়াতে পইড়া পেয়ারে নবী মুহাম্মদের উম্মতরা বলবেঃ আহ! কুরআনে আসলেই পূর্ণাংগ জীবন বিধান। সৎ ছেলের বউকে বিয়ে করা না করার মতো সমস্যা নিয়েও এইখানে কথা আছে। সেজদা, সেজদা। নারায়ে তাকবীর, আল্লাহু আকবার।

আমরা বলিঃ কুরআন যে একটা লোভী, যৌন উন্মাদ এর নিজ স্বার্থ চরিতার্থ করার নিজ দ্বারা রচিত (এটলিস্ট সামটাইমস), এই আয়াতখানা তাই প্রমান করে।



KHARAP_MANUSH

আমাদের দেশে রাজনীতিবিদগণ বিভিন্ন আকামের পর সংবিধানের কাটাছেড়ার মাধ্যমে তা যায়েজ করেন, মুহাম্মদ তেমনি তার আকাম গুলা যায়েজ করছেন নিজের লাইন কল্পিত স্রষ্টা কর্তৃক নাযিল আয়াত বলে চালিয়ে দিয়ে।। তবে মুহাম্মদের প্রসংশা করতেই হয় কারণ এর পরও তিনি কোটি কোটী অনুসারিকে এগুলো বিশ্বাস করাতে পেরেছেন!! 


noshto_pola

বুদ্ধিবৃত্তির মান কতটা নীচু হইলে মাইনষে কোরানরে আসমানী কিতাব কইতে পারে! কেউ যদি না পইড়া বিশ্বাস করে, সেইটা অজ্ঞানতার দোহাই দিয়া তাও মানা যাইতে পারে। কিন্তু এই ধরনের আয়াতগুলান যে ব্যাটায় পড়সে, সে যদি কয় এইটা আল্লার বাণী, তাইলে তার বুদ্ধি নিয়া সংশয় প্রকাশ না করা কি সম্ভব?

আমারে একটা অনুগত ফেরেশতা দ্যান না কেউ! কোনো কুকাম কইরাই সেইটার সপক্ষে তারে দিয়া আয়াত নাজিল করাইতাম।

এই সাইটেই তো একটা গান শুনছিলাম - the bible is bullshit, the quran is a lie. এইটার উপরে কথা নাই।

২৪ মে, ২০১০

পোড়, শালার নাস্তিকেরা, পোড়!


সব নাস্তিক পুড়বে দোজখের আগুনে 


এতো দিনের আশা, হলো নিরাশা


মুসলমানদের সহনশীলতা বাড়বে বলে যে-প্রত্যাশাটি মনে ছিলো, তা কতোটা বাস্তবসম্মত, সেটা নিয়ে চিন্তায় পড়ে গেছি।

দক্ষিণ আফ্রিকার মেইল অ্যান্ড গার্ডিয়ান পত্রিকায় প্রকাশিত নবীজির কার্টুন নিয়ে উদ্ভুত পরিস্থিতি প্রশমিত হয়েছিল বা হবে বলেই ভেবেছিলাম। হলো কই! পত্রিকা অফিসে দিনভর হুমকি আসছে। মৃত্যুহুমকিও বাদ নেই। আর তাই "সব দেখে-শুনে খেপে গিয়ে"  এক পাঠক পত্রিকার অনলাইন ভার্শনে মন্তব্য করেছেন: Oh good grief, the Muslims should just get over themselves …! Why should the rest of the world tip-toe around them? This is a harmless cartoon. I for one am sick of the Muslims’ nonsense, and I suspect most of the world feels the same way.

কথা তো পুরোই সত্যি।

এখন একটি খ্যাপা-ভিডিও দেখুন এখানে গিয়ে।

খ্রিষ্টধর্মের ধৃষ্টতার দৃষ্টান্ত - ০১


১.
বিজ্ঞানীদেরকে ঈশ্বরের সঙ্গে খেলা না করার হুমকি দিলো ক্যাথলিক চার্চ। কৃত্রিম প্রাণ আবিষ্কারের ঘটনায় তাদের এই প্রতিক্রিয়া পাওয়া গেছে।

২. 
একটি ধর্মান্ধ পরিবার তাদের পরিবারের এক সদস্যের জরুরি অপারেশনে বাধা দিচ্ছে। প্রার্থনার জোরেই সে সুস্থ হয়ে উঠবে বলে আশা প্রকাশ করছে তারা। গাণ্ডু আর কাহাকে বলে!



৩. 
শালারা এতো টাকা হাতিয়ে নেয় সাধারণ লোকদের কাছে, তবু তাদের নাকি টাকার সংকট! পোপ বেড়াতে যাবে ব্রিটেনে, কিন্তু তার টিকেটের পয়সা নেই। তাই তার চার্চ লোকজনের কাছে ভিক্ষে চাইছে। পরিমাণ খুব বেশি নয় - মাত্র তিন মিলিয়ন পাউন্ড। তার ভ্রমণের পুরো খরচও নেহাতই নগণ্য - সাকুল্যে পনেরো মিলিয়ন ডলার। তাও আবার পুলিশ ও নিরাপত্তা সংক্রান্ত ব্যয় ছাড়াই।

৪.
আরেক ফকির পাওয়া গেছে। তার নাম God TV। এ মাসের মধ্যে চার মিলিয়ন ডলার ভিক্ষে না পেলে সম্প্রচার বন্ধ হয়ে যাবে। বুঝে পাই না, এই নামের টিভি চ্যানেলের টাকারই দরকার হবে কেন, আর হলে ঈশ্বর কি বসে বসে মক্ষিকা নিধনে মগ্ন? নাকি ঘোড়ার তৃণ কর্তনে ব্যস্ত? নাকি ভেরেণ্ডা ভাজায় তাঁর সমস্ত সময় ব্যয় হয়ে যাচ্ছে? 


বিনোদিত হতে চাইলে সেখানে নিচের ভিডিওটি শেষ পর্যন্ত দেখুন। দেখুন, ঈশ্বর কীভাবে দেখা দিচ্ছেন তাঁর অনুসারীদের (হালায় দেখা দিলো, তয় টাকা আনতে ভুইলা গেছিল মনে হয়!)! 


সায়েন্টোলজি - না, বিজ্ঞানের কোনও শাখা নয়


যুক্তির বিচারে যে-কোনও ধর্মই উদ্ভট। আজ তেমনই আরেক উদ্ভট ধর্মের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিচ্ছি TheThinkingAtheist। অন্য কোনও ধর্মে   বিশ্বাসী কেউ এই ধর্ম নিয়ে হাসবার আগে নিজের ধর্ম নিয়ে একটু ভাবলেই বুঝতে পারবেন, হাসির উপাদান তাঁর ধর্মেও অপরিমেয়।


প্রাসঙ্গিক আরও একটি ভিডিও। 


২৩ মে, ২০১০

প্রিয় পুরনো পোস্টগুলো – ০৩


ধর্মকারীতে পোস্টের সংখ্যা পাঁচশো ছাড়িয়ে গেছে। এই সাইটের খোঁজ যেসব পাঠক সম্প্রতি পেয়েছেন বা ভবিষ্যতে পাবেন, তাঁদের পক্ষে আগে প্রকাশিত মজাদার পোস্টগুলো খুঁজে নেয়া ব্যাপক শ্রম- ও সময়সাধ্য ব্যাপার হবে ভেবেই হারানো-দিনের-পোস্ট ধরনের এই সিরিজের অবতারণা। পুরনো পাপীরাও এই সুযোগে স্মৃতিচারণ করে নিতে পারেন 

প্রতি পর্বে আমার বিশেষ প্রিয় পাঁচটি পোস্টের লিংক দেবো সংক্ষিপ্ত বর্ণনাসহ। শুরু করেছি ধর্মকারীর আদিকাল থেকে।

১. মনরোর বাতাসে-ওড়া স্কার্ট (মজাদার প্যারেডি-ছবি)
২. পাবলিকের মুখ আপনি বন্ধ রাখতে পারবেন না, দুলাভাই! (মহানবীর চরিত্র বিষয়ে ভিডিও)
৩. দুষ্টু সিম্পসন (বদ বালককে নিয়ে কার্টুন)
৪. অনর্থকর ধর্মের যতো “অর্থ” (ধর্মগুলোর অপরিমেয় বিত্ত প্রাসঙ্গিক ৪৫ মিনিটের ভিডিও)

আগের পর্বগুলো দেখতে নিচের "কাসুন্দি" ট্যাগে ক্লিক করুন।

নিত্য নবীরে স্মরি – ০১


মুহম্মদ-অঙ্কন দিবস পার হয়ে যাবার পরে ইছলামের নবী এবং তাঁর প্রবর্তিত ধর্ম ও ধর্মানুসারীদের নিয়ে আঁকা বেশ কিছু কার্টুন, কোলাজ ও পোস্টার জমেছে সংগ্রহে। সেগুলোর গতি করতে এই সিরিজের অবতারণা।


আমেরিকা থেকে সুসমাচার


আমেরিকার মতো ঘোর ধর্মময় দেশেও ধর্মের প্রভাব নিম্নমুখী, বিশেষ করে নেট-জেনারেশনের (Generation Y / Millennial Generation / Generation Next নামেও পরিচিত) ভেতরে। USA Today পত্রিকার জরিপে দেখা যাচ্ছে, এই প্রজন্মের শতকরা ৭২ জন নিজেদেরকে ধার্মিক মনে করে না। না, তারা পুরোপুরি নাস্তিকতার পথে আসেনি বটে, তবে তারা প্রার্থনা করে না, উপাসনা করে না এবং বাইবেলও পড়ে না।


গত বছরের একটি প্রাসঙ্গিক ভিডিও।

এক নির্ধর্মীর স্বগতোক্তি


মুগ্ধ হয়ে শোনার মতো। "ঈশ্বর-যিশু-খ্রিষ্টধর্ম"-এর জায়গায় "আল্লাহ-মুহম্মদ-ইসলাম" বসিয়ে দিলে প্রায় পুরোটাই আমার মনের কথা। অধিকাংশ নির্ধার্মিক এভাবেই ভাবেন বলে আমার ধারণা। 

অবশ্যদ্রষ্টব্য।


২২ মে, ২০১০

অভিনব নবী-কার্টুন


কার্টুনের নিচে লেখা বাক্যটি পড়ে আমার এই দশা: 


dawg-এর শব্দার্থ দেখুন এখানে

প্রতীকী কি?


কী অলক্ষুণে কথা! ঠিক মুহম্মদ-অঙ্কন দিবসে অর্থাৎ ২০ মে তারিখেই কেন মানুষ কৃত্রিম প্রাণ সৃষ্টি করতে শিখে গেল? আল্লাহ হালায় নাকে তেল দিয়া ঘুমাইতেসে নাকি?

আপনারা কে কী ভাবতেসেন এই ব্যাপারে?

ধর্ম যখন কর্মবিমুখ


ধর্মীয় নানাবিধ রীতিনীতি প্রায়শই উদ্ভট, যুক্তিহীন এবং বাস্তব জীবনের সঙ্গে সম্পূর্ণ অসামঞ্জস্যপূর্ণ হয়ে থাকে। এই যেমন, প্রত্যেকটি শনিবার ইহুদিদের জন্যে স্যাবাথ (sabbath ), অর্থাৎ পরিপূর্ণ বিশ্রাম দিবস। এই দিনে যে-কোনও ধরনের কাজ করা সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ। এমনকি দিয়াশলাইয়ের কাঠি জ্বালানোও কাজ হিসেবে গণ্য করা হয়ে থাকে 

উঁচুমানের স্যাটায়ার-ভিডিও নির্মাণ করে খ্যাতি অর্জনকারী TheThinkingAtheist-এর সাম্প্রতিকতম ভিডিও দেখুন।


রসবোধহীন মুসলমানেরা


মুসলমানেরা যদি সহজভাবে হিউমার উপভোগ করতে পারতো এবং যদি একটু সহনশীল (ইসলামী অর্থে নয়) হতে শিখতো! 

দক্ষিণ আফ্রিকার মেইল অ্যান্ড গার্ডিয়ান পত্রিকায় প্রকাশিত নিচের কার্টুনটি নিয়ে মুসলমানেরা যা করেছে, তাতে স্পষ্টতই তাদের ঐতিহ্যবাহী সংকীর্ণমনস্কতা, রসবোধহীনতা ও অসহনশীলতাই প্রকাশ পেলো আরও একবার।


পত্রিকায় কার্টুনটির প্রকাশ রোধ করতে স্থানীয় জামায়তুল উলামা (Council of Muslim Theologians) আদালত পর্যন্ত দৌড়োয়। কাউন্সিলের সভাপতি ইহসান হেনড্রিক্স এই কার্টুনে "ষড়যন্ত্রের" আভাস পেয়েছিলেন।

তাদের দাবি অমূলক ঘোষণা করে আদালতে বিচারক বলেন, "একজন বিচারক ও একজন মুসলমান হিসেবে আমি আমাদের সংবিধান ও আদালতের আইনকানুন মেনে চলতে বাধ্য।" 

এর পরে ইহসান সাহেব সুর পাল্টিয়ে বলেন, "আমরা মুসলিম সম্প্রদায়কে শান্ত হবার আহ্বান জানিয়েছি।"

কী আচাইয্য কথা! মুসলসান বিচারক এমন রায় দিলেন! তারপরে জামায়তুল উলামা নীরবে সিদ্ধান্ত মেনে নিলো সহিংসতা ছাড়া! ২০ মে'র ঘটনার পর মুসলমানদের কি একটু একটু করে শুভবোধোদয় হতে শুরু করলো?

না, আশাবাদ মাত্রা ছাড়িয়ে যাচ্ছে। কারণ অজস্র মুসলমান পত্রিকা অফিসে ফোন করে নানা মাত্রার হুমকি প্রদান করেছে।

পত্রিকাটিকে স্যাল্যুট। মাথা নত করেনি বলে।

কৃতজ্ঞতা স্বীকার: সংবাদটির লিংক পাঠিয়েছেন আরিফুর রহমান।

২১ মে, ২০১০

নবীর ছবি আঁকার ভিডিও-মাস্টারক্লাস


মুহম্মদ-অঙ্কন দিবসের পরে খোমাখাতা আর ইউটিউবে নবীজির ছবির ছড়াছড়ি। অনেক ভিডিওতে ছবি-অঙ্কনপদ্ধতি দেখানো হয়েছে। দেখতে বড়োই মজা








কৃত্রিম প্রাণ সৃষ্টি: ধর্মবিশ্বাসীদের জন্য আরেকটি খারাপ খবর


সংবাদ ও ভিডিওর লিংক পাঠিয়েছেন "খারাপ মানুষ"।

যুক্তরাষ্ট্রের খ্যাতিমান জীববিজ্ঞানী জে ক্রেইগ ভেনটারের নেতৃত্বে মেরিল্যান্ড ও ক্যালিফোর্নিয়ার জে ক্রেইগ ভেনটার ইনস্টিটিউটের ২০ জন গবেষক ১০ বছর ধরে কৃত্রিম প্রাণ তৈরির এই গবেষণা চালিয়ে আসছিলেন। এবার তারা প্রাণ তৈরি করলেন। বিজ্ঞানীরা, কৃত্রিমভাবে তৈরি ক্রোমোজোমের মাধ্যমে একটি পোষক ব্যাকটেরিয়ার কোষে 'প্রাণ' সঞ্চারে সফল হয়েছেন। তাঁরা বলছেন, এর মধ্য দিয়ে সেই যুগের সূচনা হলো_যখন প্রাণ তৈরি করা হবে, সৃষ্টি নয়।

বিজ্ঞান সাময়িকী 'সায়েন্স'-এ এই অগ্রগতিকে অভিহিত করা হয়েছে বিজ্ঞানের ইতিহাসের এক মাহেন্দ্রক্ষণ হিসেবে। পত্রিকাটির মতে, কৃত্রিম প্রাণ সৃষ্টির এই কৌশল বহু প্রাণঘাতী রোগের নিরাময়ে সহায়ক হবে। জ্বালানি সমস্যার সমাধান এবং গ্রিনহাউস গ্যাস শোষণের ক্ষেত্রেও এই গবেষণা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। তবে বিজ্ঞানীদের কেউ কেউ বলছেন, কৃত্রিম প্রাণ নিয়ে এই গবেষণা পুরো প্রাণিজগতের জন্য বিপদ ডেকে আনতে পারে। 

গবেষকরা জানান, কৃত্রিম প্রাণ সৃষ্টির প্রক্রিয়ার শুরুতে প্রথমে তাঁরা একটি ব্যাকটেরিয়ার জেনোমের অনুলিপি তৈরি করেন। এর ভিত্তিতে তাঁরা তৈরি করেন একটি সফটওয়্যার। এই সফটওয়্যারের সাহায্যে গবেষণাগারে তাঁরা তৈরি করেন কৃত্রিম ক্রোমোজোম। এরপর ওই ক্রোমোজোম পুরে দেওয়া হয় একটি পোষক কোষে। বিজ্ঞানীরা অবাক বিস্ময়ে দেখতে পান, পোষক কোষে প্রাণ সঞ্চারিত হয়েছে। প্রকৃতিতেও এটি অবিকল মূল ব্যাকটেরিয়ার মতো। 

জে ক্রেইগ ভেনটার জানান, তাঁদের তৈরি ব্যাকটেরিয়াটি 'স্বাভাবিকভাবে' বংশবিস্তারও করেছে। প্রতিটি নতুন ব্যাকটেরিয়াতেই রয়েছে কৃত্রিম ডিএনএ। তিনি বলেন, 'মানুষ এই প্রথমবারের মতো একটি জীবন্ত কোষের ওপর পূর্ণ কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হলো। বিজ্ঞানের ইতিহাসে এটি একটি যুগান্তকারী মুহূর্ত!! 

খবর: কালের কণ্ঠ, বিবিসি অনলাইন।

খারাপ মানুষ-এর মন্তব্য: এখন দেখার বিষয়, ইসলামী গবেষগক গণ কোরান ঘাইট্টা এই বিষয়ে কী ব্যাখ্যা নিয়ে আসেন। তার নিশ্চয়ই কোরানের কোন লাইনে কিঁছু খুজে পাবেন।

এ বিষয়ে উপর ভিত্তি করা তৈরি ভিডিও দেখুন: