২৯ নভেম্বর, ২০০৯

কোরবানিতে মোর বাণী

১. এই একটা দিনে সবুজ দেশটা আমার হয়ে ওঠে লাল।

২. গরুর পারলৌকিক উপকারিতা উপেক্ষিত। "গরু একটি উপকারী জন্তু" কথাটি রচনায় আমরা বহুবার লিখলেও "গরু কোরবানি দিয়ে আমরা অশেষ ছওয়াব হাসিল করে থাকি" লিখি না কখনওই।

৩. ধর্মহীন পশুরাই অনেক বেশি মানবিক। কোরবানির মতো পাশবিক উৎসব তাদের নেই।

২৪ নভেম্বর, ২০০৯

নিরীহ নিরীশ্বরীয় প্রচার ও বিশ্বাসীদের সহিষ্ণুতা


সম্ভাব্য সব ধরনের প্রচারের 'অধিকার' সমস্ত ধর্মের আছে বলেই বোধ হয়। তাদের সর্বব্যাপী প্রচারণায় উৎপীড়িত হতে হতে অভ্যস্ত হয়ে পড়েছে আমাদের চক্ষু-কর্ণ । অথচ ধর্মের এই আগ্রাসী প্রচারের প্রেক্ষাপটে নেহাতই নিরীহ নিরীশ্বরীয় প্রচারে ধর্মবিশ্বাসীদের প্রতিক্রিয়ায় চমকে উঠতে হয়। সহিষ্ণুতার সোল এজেন্সির দাবিদার ধার্মিকদের প্রতিবাদ, ক্ষোভ, গালিগালাজ ও হুমকির মুখে পড়েছে পৃথিবীর বিভিন্ন শহরে টাঙানো ধর্ম-অসমর্থিত বাক্যসম্বলিত বিলবোর্ড ও ব্যানারগুলো।

শুরুতে কয়েকটি নমুনা দেখুন।























আরও অনেকগুলো পাওয়া যাবে এখানে

এখন দেখুন প্রতিক্রিয়ার কয়েকটি নমুনা - এখানে, এখানে, এখানে

শ্রবনেন্দ্রিয়ই বা বঞ্চিত হবে কেন!



বিশ্বাসীদের প্রতিক্রিয়ায় নির্ধর্মীদের হতে পারে শুধু এমন বিস্ময়মাখা প্রতিপ্রতিক্রিয়া।


২১ নভেম্বর, ২০০৯

প্যাট্রিক কন্ডেল: আমাদের লোক – ০৩


এবার তাঁর লক্ষ্য – ইসলাম।

লক্ষ্য করুন, ভিডিওটি ইংরেজি সাবটাইটেলসহ দেখার ব্যবস্থা আছে।


কোরান নাকি বিজ্ঞানের পথিকৃৎ! মুহাহাহা...


হাসি চেপে রাখা দায় হয়ে পড়ে এমন দাবি শুনলে! বিজ্ঞানের অনেক অনেক বড়ো আবিষ্কারের কথা নাকি কোরানেই উল্লেখ আছে! তাহলে এই বইয়ের নিয়মিত পাঠক ও অনুসারীদের মধ্যে বিজ্ঞানমনস্কতা নেই কেন? কেনই বা তাদের মধ্যে বৈজ্ঞানিকের সংখ্যা এতো অপ্রতুল? 

কোরান বিজ্ঞানের পথিকৃৎ – কথাটা পুরোপুরিই ভুয়া। আর যেসব বৈজ্ঞানিক তথ্য আছে কোরানে, সেগুলো মৌলিক নয়।

বিল মার মার কাটকাট - ০২



২০ নভেম্বর, ২০০৯

হুমায়ুন আজাদের ধর্মবিরোধী প্রবচনগুচ্ছ – ০৩


৭. ধর্মের কাজ মানুষের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করা; তাই এক ধার্মিকের রক্তে সব সময়ই গোপনে শানানো হ’তে থাকে অন্য ধার্মিককে জবাই করার ছুরিকা।


৮. হিন্দুবিধানে পুরুষ দ্বারা দূষিত না হওয়া পর্যন্ত নারী পরিশুদ্ধ হয় না।


৯. সতীচ্ছদ আরব পুরুষদের জাতীয় পতাকা

ধর্মের বিজ্ঞাপনী-ভিডিও



খতমের রকমফের


খালেদা জিয়া সম্পর্কে কটু মন্তব্য করার কারণে তাঁর এক ভক্ত হুমায়ুন আজাদকে ফোনে হুমকি দিয়ে বলেছিল, “দুই হাত কাইটা ফালামু!” সে তার হুমকি বাস্তবায়নের সুযোগ পায়নি। সমালোচনা-অসহিষ্ণু ইসলামী ধর্মান্ধরা তাঁকে খতম করেছে, যারা কোরানও খতম করে থাকে নানান উপলক্ষে। 

শুধু দুঃখের কথা এই যে, “খতম” শব্দটি দ্ব্যর্থবোধক।

তিন বিদেশী শিল্পীর আঁকা তিনটি কার্টুন দেখুন।







১৯ নভেম্বর, ২০০৯

আল্লাহ কেন পক্ষপাতী?


ইউটিউবে hot atheist chic নামে পরিচিত মেয়ে ক্রিস্টিনা। রোমানিয়ায় বাস। স্পষ্টবাদী, যুক্তিমনস্ক। সবোর্পরি, সুদর্শনা।

প্রায়ই অনেককে বলতে শোনা যায়, “আল্লাহ আমাকে সাহায্য করেছে” বা “আল্লাহ আমার জীবন রক্ষা করেছে”। আপাত-নিরীহ এই বাক্যগুলো নিয়েই ক্রিস্টিনার প্রবল আপত্তি। কেন? ভিডিওতে দেখুন। প্রসঙ্গত, এই ভিডিওটি দেখা হয়েছে দু’লক্ষাধিকবার!



বেশ খোলামেলা পোশাক পরা নিয়ে ক্রিস্টিনার সমালোচনা যারা করেছে, তাদেরও ছেড়ে কথা বলেননি তিনি।


প্যালেস্টাইনী অ্যালার্ম-ঘড়ি


১৮ নভেম্বর, ২০০৯

শুধু দৌড়েই পিছিয়ে?




নির্ধার্মিক মনীষীরা – ০৫


বাঙালি মনীষীদের উদ্ধৃতি সংকলন “মনীষী-বচন-নির্ঝর” (সংকলন: ডঃ পার্শ্বনাথ চৌধুরী, সাহিত্য ভারতী পাবলিকেশন্স প্রাইভেট লিমিটেড) থেকে কিছু উদ্ধৃতি পাঠিয়ে “ধর্মকারি”-কে সমৃদ্ধিকরণে অবদান রাখার জন্য লন্ডনপ্রবাসী “খারাপ মানুষ” নামের এক সৎ মানুষের প্রতি কৃতজ্ঞতা।


আমি বুঝিতে পারি না যে দেশের লোক বিশ্বাস করেন, ঈশ্বর সর্বভূতে আছেন, সে দেশের লোক অস্পৃশ্যতার মতো একটা প্রথা কেমন করিয়া সহ্য করে।
সুভাষচন্দ্র বসু (জন্মসাল ১৮৯৭, মৃত্যুসাল অজ্ঞাত)


মৌলবাদ যতো শক্তিশালীই হোক না, তা ক্ষণস্থায়ী। কারণ তার ভিত্তি অবৈজ্ঞানিক, মধ্যযুগীয়।
অন্নদাশঙ্কর রায় (১৯০৫-২০০২), নব্বই পেরিয়ে, মৌলবাদ একদিন মিলিয়ে যাবেই


ভাষা যতোখানি উদারতা দেখাতে পেরেছে, ধর্ম ততোটা পারেনি।
– হীরেন্দ্রনাথ দত্ত (১৮৬৮-১৯৪২, দার্শনিক, জাতীয়তাবাদী নেতা)

সংশয়বাদীর “গান”

এখনও পর্যন্ত কোনও গান পোস্ট করা হয়নি এই সাইটে! এই শূন্যতা পূরণ করতে অস্ট্রেলীয় কমেডিয়ান, অভিনেতা, সুরকার, সঙ্গীত-রচয়িতা, সঙ্গীতপরিচালক টিম মিনচিন-এর একটি “গান” শোনা যাক।


If anyone can show me one example in the history of the world of a single
Psychic who has been able to prove under reasonable experimental conditions that they are able to read minds

And if anyone can show me one example in the history of the world of a single
Astrologer who has been able to prove under reasonable experimental conditions that they can predict future events by interpreting celestial signs

And if anyone can show me one example in the history of the world of a single
Homeopathic practitioner who has been able to prove under reasonable experimental conditions that solutions made up of infinitely tiny particles of good stuff dissolved repeatedly into relatively huge quantities of water have a consistently higher medicinal value than a similarly administered placebo

And if anyone can show me one example in the history of the world of a single
Spiritual or religious person who has been able to prove either logically or empirically the existence of a higher power that has any consciousness or interest in the human race or ability to punish or reward humans for there moral choices or that there is any reason - other than fear - to believe in any version of an afterlife

I will give you my piano
One of my legs
And my wife

১৭ নভেম্বর, ২০০৯

১৫ নভেম্বর, ২০০৯

“শান্তি” যখন যুদ্ধোন্মাদ


ইসলাম – শান্তির ধর্ম, কথাটা শুনে সিম্পসনের মতো অনেকেরই হাসি পায়

হুমায়ুন আজাদ বলেছিলেন, “পীর” উচ্চারণ করলেই “ভণ্ড” বিশেষণটির কথা আপনা-আপনি মাথায় আসে। একইভাবে “টেররিস্ট” বললে “ইসলামী”-ই মনে হয় কেন?

অজস্র উদাহরণের একটি দেখা যাক। এটিও ইসলামেরই একটি অবয়ব – কেউ কি তা অস্বীকার করতে পারবে?


১৪ নভেম্বর, ২০০৯

পাবলিকের মুখ আপনি বন্ধ রাখতে পারবেন না, দুলাভাই!


পঞ্চাশ বছর বয়সী এক পুরুষের ঘরে আট-আটখান বিবি (তাদের একজন আবার তাঁর পালিত পুত্রের স্ত্রী, যাকে নগ্ন অবস্থায় দেখে ফেলে আল্লাহর নির্দেশে পুত্রের সাথে বিবাহবিচ্ছেদ ঘটিয়ে নিজে বিয়ে করতে “বাধ্য” হন! আর দাসীদের কথা হিসেবে নয় না-ই আনা হোক।) থাকা সত্ত্বেও ছয় বছর বয়সী এক মেয়েকে বিয়ে করে নয় বছর বয়সে ঘরে তুলে আনলে সেই পুরুষ সম্পর্কে সুস্থ চিন্তাধারার ব্যক্তির মাথায় যে-শব্দটি আসে বা যে-ধারণাটি হয়, তা প্রকাশ করতে অসুবিধা থাকার কথা নয় বলেই আপাত দৃষ্টিতে মনে হতে পারে। কিন্তু সমস্যা বাধে, সেই লোকটি যদি হয় ইসলাম ধর্মের নবী।

হুমায়ূন আহমেদের বহুব্রীহি নাটকে মামার মুখে একটি সংলাপ ছিলো, “পাবলিকের মুখ আপনি বন্ধ রাখতে পারবেন না, দুলাভাই! একদিন না একদিন পাবলিক সত্য কথাটা বলবেই!” (দু’-একটি শব্দ এদিক-ওদিক হতে পারে)।

ইতালীয় টিভি-চ্যানেলের টক-শোতে এক মহিলা অবলীলায় বলে ফেললেন সেই শব্দটি (“pedophile” – বঙ্গানুবাদে “শিশুকামী”?) এবং উচ্চারণ করলেন বারংবার


দুষ্টু সিম্পসন




১২ নভেম্বর, ২০০৯

মনরোর বাতাসে-ওড়া স্কার্ট


মেরিলিন মনরোর লোকপ্রিয় এই ছবিটির কথা অনেকেরই জানা নিশ্চয়ই।



আরও কতোশতো মেয়ে ছবি তুলিয়েছে এই ভঙ্গি অনুকরণ করে! তবে নিচের ছবি দুটো দেখে বেহেশতি পুলক বোধ করেছি





নির্ধার্মিক মনীষীরা – ০৪


ব্যক্তিগত ঈশ্বর বিষয়ক উপলব্ধি একটি নৃতাত্ত্বিক ধারণামাত্র, যা আমি গুরুত্বের সঙ্গে গ্রহণ করতে সক্ষম নই।
আলবার্ট আইনস্টাইন (১৮৭৯-১৯৫৫), letter to Hoffman and Dukas, ১৯৪৬


মানবজাতিকে মুক্তি দেবার কথা সত্যিকারের ধর্মের। কিন্তু উপাসনালয়গুলো তো মুক্তি দিতে চায় না মানুষকে, যে স্বতন্ত্রভাবে চিন্তা করতে সক্ষম, সক্ষম খুঁজে নিতে নিজের ব্যক্তিগত ঈশ্বরকে। যেই মুহূর্তে ধর্ম রূপ পায় সংগঠনের, ঠিক তখন থেকে তা আর ধর্মীয় অনুভূতি নয়, কুসংস্কার ও উন্মাদনার সমষ্টি
ফেদেরিকো ফেলিনি (১৯২০-১৯৯৩, স্বনামখ্যাত ইতালীয় চিত্র-পরিচালক), interview, Harry Reasoner, 60 Minutes, ১৯৮১


স্বর্গ-নরক, মানুষের পরজন্ম বা ব্যক্তিগত ঈশ্বর প্রাসঙ্গিক ধর্মীয় তত্ত্বগুলোর বিন্দুমাত্র বৈজ্ঞানিক প্রমাণ আমি পাইনি।
টমাস আলভা এডিসন (১৮৪৭-১৯৩১, পৃথিবীর ইতিহাসে অন্যতম শ্রেষ্ঠ সৃষ্টিকর্তা... থুক্কু, আবিষ্কারক), Columbian Magazine

১১ নভেম্বর, ২০০৯

তথ্য ও যুক্তির ধারে ধরাশায়ী ধর্ম


ব্রিটিশ ডেইলি টেলিগ্রাফ পত্রিকার খবরটি পড়ে মনটা খুশি হয়ে উঠলো। 


বিবিসি ওয়ার্ল্ড নিউজ চ্যানেলে গত সাতই নভেম্বর জনপ্রিয় অনুষ্ঠান Intelligence Squared Debate-এর বিষয় ছিলো – The Catholic Church is a force for good in the world?

বিতর্ক শুরুর আগে ভোট নেয়া হয়েছিল দর্শকদের ভেতরে। বিষয়টির সপক্ষে ভোট দেয় ৬৭৮ জন, বিপক্ষে – ১১০২, অনির্ধারিত – ৩৪৬। 


চার্চের পক্ষে বক্তব্য রাখেন চার্চবিশপ John Onaiyekan এবং সংসদ সদস্যা Anne Widdecombe। বিপক্ষের বক্তারা ছিলেন সাংবাদিক ও সমালোচক Christopher Hitchens এবং লেখক, অভিনেতা ও নাট্যকার Stephen Fry।

বিতর্কটা বেজায় একপেশে হলেও দর্শকদের অংশগ্রহণ ও করতালিতে প্রাণবন্ত ছিলো পুরো অনুষ্ঠানটি। ধর্মবিরোধী দুই বক্তার শাণিত যুক্তির সামনে প্রতিপক্ষের দু’জন রীতিমতো অসহায় বোধ করেন।

অনুষ্ঠান শেষে আবার নেয়া ভোটের ফলাফল আগেই কিছুটা অনুমান করতে পেরেছিলেন চার্চের পক্ষের বক্তা Anne Widdecombe। তিনি বলেছিলেন, ভোটের ফলাফল “ডিসকারেজিং” হতে যাচ্ছে। আসলে ফলাফলটি হয় চার্চপক্ষীয়দের জন্য ভয়াবহ হতাশাব্যঞ্জক। সপক্ষে – ২৬৮ (মাইনাস ৪১০), বিপক্ষে – ১৮৭৬ (প্লাস ৭৭৪), অনির্ধারিত – ৩৪।


৪৫ মিনিটের পুরো অনুষ্ঠানটি ইউটিউবে এখানে দেখা যাবে (পাঁচ খণ্ডে বিভক্ত)।

৮ নভেম্বর, ২০০৯

অনর্থকর ধর্মের যতো “অর্থ”


ইহজগতে অর্থ উপার্জনের (বলা উচিত – করায়ত্ব করার) সবচেয়ে সহজ ও নিরাপদ পদ্ধতির নাম ধর্ম। অপরিমেয় অর্থের মালিক হয়েও আয়ের হিসেব দিতে হয় না, উৎস জানাতে হয় না, কর দিতে হয় না, মামলা-মোকদ্দমার ভয় নেই, রাষ্ট্রযন্ত্র তাদের ঘাঁটাতে সাহস করে না। ধর্মবিশ্বাস নামের দুর্বলতাকে পুঁজি করে মসজিদ-মন্দির-চার্চ-সিনাগগগুলো কতোটা ধনপ্রাচুর্যে প্লাবিত, কতোটা বিপুল অর্থের অধিকারী, সাধারণ বিশ্বাসীরা সেটির খবরও রাখে না।

Who’s Got God’s Millions নামের এই ভিডিও কিছুটা হলেও এ বিষয়ে আলোকপাত করেছে।



প্রায় প্রাসঙ্গিক একটি ছোট্ট ভিডিও। আমেরিকার লেখিকা, অভিনেত্রী, কমেডিয়ান স্যারা সিলভারম্যান পৃথিবীর খাদ্যসমস্যা সমাধানের সহজ উপায় বাতলেছেন: Sell The Vatican, Feed The World


নির্ধার্মিক মনীষীরা – ০৩


বেতনভোগী একজন সহকারীও নেই শয়তানের, অথচ প্রতিপক্ষের কর্মচারীর সংখ্যা মিলিয়ন!
মার্ক টোয়েন (১৮৩৫-১৯১০, আমেরিকান লেখক, রসবোধ ও বুদ্ধিদীপ্ত শ্লেষোক্তির কারণে বিশেষভাবে খ্যাতিমান), quoted from Barbara Schmidt, ed, "Mark Twain Quotations, Newspaper Collections, & Related Resources"


সমস্ত মহান সত্যই শুরুতে পরিচিতি পায় ধর্মনিন্দা (blasphemies) হিসেবে।
জর্জ বার্নার্ড শ (১৮৫৬-১৯৫০, আইরিশ নাট্যকার, ১৯২৫ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন), Annajanska, the Bolshevik Empress


বিশ্বাসীদেরকে যুক্তি-তথ্যের সাহায্যে কিছু বোঝানো সম্ভব নয়; কারণ তাদের বিশ্বাস প্রমাণভিত্তিক নয়, বিশ্বাস করার গভীর প্রয়োজনীয়তার ভেতরেই তাদের বিশ্বাসের ভিত্তি নিহিত।
কার্ল সেগান (১৮৩৪-১৯৯৬, বিশ্ববিখ্যাত জ্যোতির্বিজ্ঞানী, অ্যাস্ট্রোকেমিস্ট; আশির দশকে পৃথিবীর ৬০টি দেশের ৫০ কোটি লোক তাঁর Cosmos: A Personal Voyage নামের টিভি-সিরিজটি দেখে)

৪ নভেম্বর, ২০০৯

তালিবান ডেটিং সাইট



(ছবিতে ক্লিক করে পূর্ণ আকারে দেখুন)

৩ নভেম্বর, ২০০৯

অবান্তর অবগুণ্ঠনে অবনত নারী-অধিকার


আরবীয় দুই নারীর স্প্যাগেটি খাবার দৃশ্যসম্বলিত এই ভিডিওটি দেখে কষ্ট হয় বড়ো।


একি গভীর বাণী এলো


চার্চের এই লিখনটি পড়ে শুধু কুচিন্তাই কেন আসে আমার মাথায়?  



প্যাট্রিক কন্ডেল: আমাদের লোক – ০২


ধর্মের বিরুদ্ধে অজস্র অভিযোগের কয়েকটি তুলে ধরেছেন প্যাট্রিক কন্ডেল

লক্ষ্য করুন, ভিডিওটি ইংরেজি সাবটাইটেলসহ দেখার ব্যবস্থা আছে।


২ নভেম্বর, ২০০৯

চোলি কা পিছে কেয়া হ্যায়


পোশাকের সার্বিক সৌন্দর্য মাঠে মারা যায় জেনেও হিজাবের নিচে ফ্যাশনদুরস্ত কাপড়-চোপড় পরে কি মেয়েরা? কে জানে!

নিচের কার্টুন আর ভিডিও দেখে যে-ধারণাটি পাওয়া যায়, তার কতোটা সত্য, জানতে মন চায়


(ছবিতে ক্লিক করে পূর্ণ আকারে দেখুন)

স্কুল ভাঙো: এরা যতো বেশি পড়ে, ততো বেশি জানে, ততো কম মানে


পাকিস্তানে ইসলামী জঙ্গিরা গতকাল একটি বালিকা বিদ্যালয় উড়িয়ে দিয়েছে বোমা মেরে।



পাকিস্তানের উত্তর-পশ্চিমে আফগানিস্তানের সীমানা সংলগ্ন অর্ধ-স্বায়ত্বশাসিত অঞ্চলে তারা সাম্প্রতিক বছরগুলোয় শতো শতো স্কুল ধ্বংস করেছে। অধিকাংশ স্কুলই মেয়েদের।

১ নভেম্বর, ২০০৯

চোর ও ধর্মের কাহিনী

ধর্মগ্রন্থগুলো যে মূলত বিভিন্ন পৌরাণিক কাহিনী আর কিংবদন্তী থেকে চোথা মেরে রচিত, তার প্রমাণ পেতে এই ভিডিও দেখুন।

দু’ঘণ্টার ভিডিওটি তিন পর্বে বিভক্ত। ধর্মের কাহিনী চোরে শোনে না হয়তো সেই কারণেই যে, ধর্মের অনেক কাহিনীই আসলে চুরি করা! আর সেটাই সপ্রমাণ বিবৃত হয়েছে প্রায় ৪০ মিনিটের প্রথম পর্বে। ইংরেজি সাবটাইটেলযুক্ত এই ভিডিওটির প্রথম চার মিনিট ছবিহীন।

এই ডকুমেন্টারির নাম জার্মান ভাষায় – Zeitgeist (The general mood or quality of a particular period of history, as shown by the ideas, beliefs, etc. common at the time. Synonym: spirit of the times. – Oxford Advanced Learner's Dictionary)




হুমায়ুন আজাদের ধর্মবিরোধী প্রবচনগুচ্ছ – ০২


৪. পুরুষ তার পুরুষ-বিধাতার হাতে লিখিয়ে নিয়েছে নিজের রচনা; বিধাতা হয়ে উঠেছে পুরুষের প্রস্তুত বিধানের প্রধান শ্রুতলিপিকর।


৫. মসজিদ ভাঙে ধার্মিকেরা, মন্দিরও ভাঙে ধার্মিকেরা, তারপরও তারা দাবি করে তারা ধার্মিক, আর যারা ভাঙাভাঙিতে নেই তারা অধার্মিক বা নাস্তিক।


৬. মানুষের উৎপত্তি সম্পর্কে দু’টি তত্ত্ব রয়েছে: অবৈজ্ঞানিক অধঃপতনতত্ত্ব, বৈজ্ঞানিক বিবর্তনতত্ত্ব। অধঃপতনতত্ত্বের সারকথা মানুষ স্বর্গ থেকে অধঃপতিত। বিবর্তনতত্ত্বের সারকথা মানুষ বিবর্তনের উৎকর্ষের ফল। অধঃপতনবাদীরা অধঃপতনতত্ত্বে বিশ্বাস করে; আমি যেহেতু মানুষের উৎকর্ষে বিশ্বাস করি, তাই বিশ্বাস করি বিবর্তনতত্ত্বে। অধঃপতনের থেকে উৎকর্ষ সব সময়ই উৎকৃষ্ট।